
১৩ জুন, ২০২৫ ১৭:৪১
বরগুনায় ডেঙ্গু পরিস্থিতি ভয়াবহ রূপ নিয়েছে। প্রতিদিন বাড়ছে আক্রান্ত ও মৃত্যুর সংখ্যা। গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে ৬৭ জন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। বর্তমানে জেলার বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন ১৯৩ জন রোগী। চলতি বছর জেলায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয়েছে ১৩ জনের। শুধু বরগুনা জেনারেল হাসপাতালে মারা গেছেন ৫ জন।
স্বাস্থ্য বিভাগের তথ্যমতে, জানুয়ারি থেকে ১৩ জুন পর্যন্ত বরগুনায় মোট ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা ১ হাজার ৬৩১ জন। এদের মধ্যে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ১ হাজার ৪৩৮ জন। অন্যদিকে বরিশাল বিভাগের মধ্যে বরগুনা জেলাতেই আক্রান্তের হার সবচেয়ে বেশি ৬১ দশমিক ৮০ শতাংশ।
বরগুনা জেনারেল হাসপাতালের তথ্য অনুযায়ী, হাসপাতালে ৫৫ জন চিকিৎসকের পদ থাকলেও বর্তমানে কর্মরত আছেন মাত্র ১৯ জন। ১৫০ নার্সের স্থলে আছেন মাত্র ৬৬ জন। ডেঙ্গু রোগীদের জন্য নির্ধারিত ৫৫টি বেডের বিপরীতে প্রতিদিন গড়ে ১৫০ থেকে ২০০ জন রোগী ভর্তি হচ্ছে। এছাড়া অন্যান্য রোগে আক্রান্ত মিলিয়ে প্রতিদিন ভর্তি থাকছেন প্রায় ৫০০ জন রোগী। পাশাপাশি আউটডোরে চিকিৎসা নিচ্ছেন আরও প্রায় ৫০০ জন। ফলে চিকিৎসক ও নার্স সঙ্কটে ভোগান্তিতে পড়েছেন রোগীরা।
গুরুতর অবস্থায় অনেক রোগীকে বরিশাল বা ঢাকায় পাঠাতে হচ্ছে। সম্প্রতি কলেজ ব্রাঞ্চ রোড এলাকার পাপড়ি বেগমকে (৬৫) ঢাকায় নেওয়ার পথে মৃত্যু হয়। এর আগে খামারবাড়ি এলাকার স্কুলছাত্র ওমর আল আরাবি ঢাকার একটি বেসরকারি হাসপাতালের আইসিইউতে ভর্তি হয়। একইভাবে আজমেরী মোনালিসা জেরিন নামে এক নারী উদ্যোক্তাও মৃত্যুবরণ করেন।
ডেঙ্গু আক্রান্ত দেড় বছরের শিশু আবদুল্লাহ নামে এক শিশুর মা শিল্পী বেগম বলেন, আমি ও আমার ছেলে দুনই ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে বরগুনা সদর হাসপাতালে ভর্তি হয়েছি। হাসপাতালে রক্ত পরীক্ষা ও ওষুধ কিছুই পাইনি, সবকিছু বাইর থেকে কিনতে হচ্ছে। আমার স্বামী রিকশা চালায়, এত খরচ কিভাবে চালাবো?
অন্যদিকে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি হওয়া মিজান রানা নামে এক রোগী অভিযোগ করে বলেন, ৪দিন পর্যন্ত ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে ভর্তি আছি কিন্তু হাসপাতালে একটি নরমাল স্যালাইনও স্টকে নাই। এমনকি বাজারের কোনো ফার্মেসিতেও কিনতে পাওয়া যাচ্ছে না। এছাড়াও ডাক্তারও ঠিকমতো পাওয়া যায় না।
ডেঙ্গু আক্রান্তের তালিকায় এগিয়ে থাকা গৌরিচন্না এলাকার বাসিন্দা আব্দুল আলিম বলেন, আমাদের এলাকাটি বরগুনা পৌরসভার একদম কাছাকাছি হওয়ায় ঘনবসতি বেশি। তারপরও ইউনিয়নে কোনো পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতাকর্মী নেই।
এছাড়াও প্রয়োজনীয় ড্রেনেজ ব্যবস্থা না থাকায় বৃষ্টি হলেই এলাকার বিভিন্ন জায়গার ডোবা নালা ও নিচু জমিতে পানি জমে। আমার পরিবারের আমিসহ ৫ জন ডেঙ্গু আক্রান্ত হই। সবশেষ আমি ঢাকা পর্যন্ত চিকিৎসা নিয়ে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরি।
বরগুনা জেনারেল হাসপাতালের সিনিয়র স্টাফ নার্স ইশরাত জাহান বলেন, বর্তমানে আমাদের জনবল অনেক কম। প্রতিদিন যে হারে আক্রান্ত রোগী ভর্তি হচ্ছে তা সামাল দেওয়া আমাদের পক্ষে খুবই কঠিন হয়ে পড়েছে। আমরা এবার কুরবানির ঈদেও ছুটি পাইনি।
পরিবার রেখে রোগীদের সেবায় নিয়োজিত রয়েছি। এক রোগী দেখে আরেকজনের কাছে যেতে দেরি হলে অনেক সময় শুনতে হয় নার্সদের ব্যবহার ভালো না। বরগুনায় ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতাল হলেও ১০০ শয্যার নার্স দিয়ে চলছে হাসপাতালের কার্যক্রম। এতে প্রায় প্রতিদিন পাঁচ শতাধিকেরও বেশি ভর্তি রোগীদের সামাল দিতে হিমশিম খেতে হয় আমাদের।
সচেতনতার অভাব ও ব্যবস্থাপনার ব্যর্থতা বলে সচেতন নাগরিক কমিটির বরগুনা শাখার সভাপতি কামাল হোসেন বলেন, বৃষ্টির পর শহরের অর্ধেক রাস্তা পানিতে তলিয়ে যায়। জলাবদ্ধ পানি আর অপরিকল্পিত ড্রেন শহরকে মৃত্যু ফাঁদে পরিণত করেছে। এ বিষয়ে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি।
ডেঙ্গু পরিস্থিতির বিষয়ে বরগুনা জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. মো. রেজওয়ানুর আলম বলেন, বরগুনাতে ডেঙ্গুর পিক সিজন চলছে। ৫৫ বেডের অনুকূলে ভর্তির রোগীর সংখ্যা অনেক বেশি। সেক্ষেত্রে আমাদের চিকিৎসকসহ নার্স সংখ্যাও কম।
হাসপাতালে রোগীদের চিকিৎসাসেবা দিতে হিমশিম খেতে হচ্ছে। আমার মনে হচ্ছে, প্রতি ঘরেই ডেঙ্গু রোগী আছে। দিনকে দিন এটি মহামারি আকার ধারণ করতে শুরু করেছে। আমরা বর্তমানে মহাবিপর্যয়ের সম্মুখীন, চিকিৎসা সেবা আমাদের সক্ষমতার বাইরে চলে গেছে।
ডেঙ্গুতে আক্রান্ত রোগী বেড়ে যাওয়ার বিষয় জানতে চাইলে বরগুনার সিভিল সার্জন মোহাম্মদ আবুল ফাত্তাহ্ বলেন, হঠাৎ করে কেন বরগুনায় এত ডেঙ্গু আক্রান্ত এ ব্যাপারে সুনির্দিষ্টভাবে বলা কঠিন।
তবে সরকারের রোগতত্ত্ব, রোগনিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউট (আইইডিসিআর) ডেঙ্গু বা এ ধরনের রোগের গবেষণামূলক কাজ করেন। তারা হয়তো এ বিষয়ে সুনির্দিষ্ট কিছু বলতে পারবেন। তবে শহরের পর্যাপ্ত পরিস্কার-পরিচ্ছন্নতা না থাকা, রোগীদের অসচেতনতা এবং চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী না চলার কারণেও অনেকটা রোগীর সংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে।
তিনি দাবি করেন, হাসপাতালে ভর্তি হওয়া রোগীদের মশারি ব্যবহার করতে বললেও তারা গুরুত্ব দেন না। ফলে একজনের থেকে অন্যজনের রোগের সৃষ্টি হয়। তাছাড়া বরগুনা ডায়রিয়াপ্রবণ এলাকা হওয়ায় প্রচুর ডাবের খোসা যত্রতত্র ফেলে রাখা হয়। যে কারণে বর্ষার মৌসুমে পানি জমে এডিস মশার জন্ম বৃদ্ধি পায়।
এ বিষয়ে বরগুনা জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ শফিউল আলম বলেন, গত দুই মাস ধরেই বরগুনায় ডেঙ্গু রোগে আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে। বেশ কয়েকজনের মৃত্যুর ঘটনাও ঘটেছে। এর প্রেক্ষিতে আমরা কয়েকটি সভা করেছি। মশক নিধনে প্রয়োজনীয় কার্যক্রম পৌরসভা কর্তৃপক্ষ অব্যাহত রেখেছে।
হাসপাতালের সঙ্গে আমাদের সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রয়েছে। বিশেষ করে হাসপাতালে চিকিৎসক এবং নার্স সঙ্কটের বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হয়েছে। আশা করি, খুব দ্রুত সময়ের মধ্যে ডেঙ্গু পরিস্থিতি বিবেচনায় তারা প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।
বরগুনায় ডেঙ্গু পরিস্থিতি ভয়াবহ রূপ নিয়েছে। প্রতিদিন বাড়ছে আক্রান্ত ও মৃত্যুর সংখ্যা। গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে ৬৭ জন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। বর্তমানে জেলার বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন ১৯৩ জন রোগী। চলতি বছর জেলায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয়েছে ১৩ জনের। শুধু বরগুনা জেনারেল হাসপাতালে মারা গেছেন ৫ জন।
স্বাস্থ্য বিভাগের তথ্যমতে, জানুয়ারি থেকে ১৩ জুন পর্যন্ত বরগুনায় মোট ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা ১ হাজার ৬৩১ জন। এদের মধ্যে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ১ হাজার ৪৩৮ জন। অন্যদিকে বরিশাল বিভাগের মধ্যে বরগুনা জেলাতেই আক্রান্তের হার সবচেয়ে বেশি ৬১ দশমিক ৮০ শতাংশ।
বরগুনা জেনারেল হাসপাতালের তথ্য অনুযায়ী, হাসপাতালে ৫৫ জন চিকিৎসকের পদ থাকলেও বর্তমানে কর্মরত আছেন মাত্র ১৯ জন। ১৫০ নার্সের স্থলে আছেন মাত্র ৬৬ জন। ডেঙ্গু রোগীদের জন্য নির্ধারিত ৫৫টি বেডের বিপরীতে প্রতিদিন গড়ে ১৫০ থেকে ২০০ জন রোগী ভর্তি হচ্ছে। এছাড়া অন্যান্য রোগে আক্রান্ত মিলিয়ে প্রতিদিন ভর্তি থাকছেন প্রায় ৫০০ জন রোগী। পাশাপাশি আউটডোরে চিকিৎসা নিচ্ছেন আরও প্রায় ৫০০ জন। ফলে চিকিৎসক ও নার্স সঙ্কটে ভোগান্তিতে পড়েছেন রোগীরা।
গুরুতর অবস্থায় অনেক রোগীকে বরিশাল বা ঢাকায় পাঠাতে হচ্ছে। সম্প্রতি কলেজ ব্রাঞ্চ রোড এলাকার পাপড়ি বেগমকে (৬৫) ঢাকায় নেওয়ার পথে মৃত্যু হয়। এর আগে খামারবাড়ি এলাকার স্কুলছাত্র ওমর আল আরাবি ঢাকার একটি বেসরকারি হাসপাতালের আইসিইউতে ভর্তি হয়। একইভাবে আজমেরী মোনালিসা জেরিন নামে এক নারী উদ্যোক্তাও মৃত্যুবরণ করেন।
ডেঙ্গু আক্রান্ত দেড় বছরের শিশু আবদুল্লাহ নামে এক শিশুর মা শিল্পী বেগম বলেন, আমি ও আমার ছেলে দুনই ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে বরগুনা সদর হাসপাতালে ভর্তি হয়েছি। হাসপাতালে রক্ত পরীক্ষা ও ওষুধ কিছুই পাইনি, সবকিছু বাইর থেকে কিনতে হচ্ছে। আমার স্বামী রিকশা চালায়, এত খরচ কিভাবে চালাবো?
অন্যদিকে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি হওয়া মিজান রানা নামে এক রোগী অভিযোগ করে বলেন, ৪দিন পর্যন্ত ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে ভর্তি আছি কিন্তু হাসপাতালে একটি নরমাল স্যালাইনও স্টকে নাই। এমনকি বাজারের কোনো ফার্মেসিতেও কিনতে পাওয়া যাচ্ছে না। এছাড়াও ডাক্তারও ঠিকমতো পাওয়া যায় না।
ডেঙ্গু আক্রান্তের তালিকায় এগিয়ে থাকা গৌরিচন্না এলাকার বাসিন্দা আব্দুল আলিম বলেন, আমাদের এলাকাটি বরগুনা পৌরসভার একদম কাছাকাছি হওয়ায় ঘনবসতি বেশি। তারপরও ইউনিয়নে কোনো পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতাকর্মী নেই।
এছাড়াও প্রয়োজনীয় ড্রেনেজ ব্যবস্থা না থাকায় বৃষ্টি হলেই এলাকার বিভিন্ন জায়গার ডোবা নালা ও নিচু জমিতে পানি জমে। আমার পরিবারের আমিসহ ৫ জন ডেঙ্গু আক্রান্ত হই। সবশেষ আমি ঢাকা পর্যন্ত চিকিৎসা নিয়ে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরি।
বরগুনা জেনারেল হাসপাতালের সিনিয়র স্টাফ নার্স ইশরাত জাহান বলেন, বর্তমানে আমাদের জনবল অনেক কম। প্রতিদিন যে হারে আক্রান্ত রোগী ভর্তি হচ্ছে তা সামাল দেওয়া আমাদের পক্ষে খুবই কঠিন হয়ে পড়েছে। আমরা এবার কুরবানির ঈদেও ছুটি পাইনি।
পরিবার রেখে রোগীদের সেবায় নিয়োজিত রয়েছি। এক রোগী দেখে আরেকজনের কাছে যেতে দেরি হলে অনেক সময় শুনতে হয় নার্সদের ব্যবহার ভালো না। বরগুনায় ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতাল হলেও ১০০ শয্যার নার্স দিয়ে চলছে হাসপাতালের কার্যক্রম। এতে প্রায় প্রতিদিন পাঁচ শতাধিকেরও বেশি ভর্তি রোগীদের সামাল দিতে হিমশিম খেতে হয় আমাদের।
সচেতনতার অভাব ও ব্যবস্থাপনার ব্যর্থতা বলে সচেতন নাগরিক কমিটির বরগুনা শাখার সভাপতি কামাল হোসেন বলেন, বৃষ্টির পর শহরের অর্ধেক রাস্তা পানিতে তলিয়ে যায়। জলাবদ্ধ পানি আর অপরিকল্পিত ড্রেন শহরকে মৃত্যু ফাঁদে পরিণত করেছে। এ বিষয়ে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি।
ডেঙ্গু পরিস্থিতির বিষয়ে বরগুনা জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. মো. রেজওয়ানুর আলম বলেন, বরগুনাতে ডেঙ্গুর পিক সিজন চলছে। ৫৫ বেডের অনুকূলে ভর্তির রোগীর সংখ্যা অনেক বেশি। সেক্ষেত্রে আমাদের চিকিৎসকসহ নার্স সংখ্যাও কম।
হাসপাতালে রোগীদের চিকিৎসাসেবা দিতে হিমশিম খেতে হচ্ছে। আমার মনে হচ্ছে, প্রতি ঘরেই ডেঙ্গু রোগী আছে। দিনকে দিন এটি মহামারি আকার ধারণ করতে শুরু করেছে। আমরা বর্তমানে মহাবিপর্যয়ের সম্মুখীন, চিকিৎসা সেবা আমাদের সক্ষমতার বাইরে চলে গেছে।
ডেঙ্গুতে আক্রান্ত রোগী বেড়ে যাওয়ার বিষয় জানতে চাইলে বরগুনার সিভিল সার্জন মোহাম্মদ আবুল ফাত্তাহ্ বলেন, হঠাৎ করে কেন বরগুনায় এত ডেঙ্গু আক্রান্ত এ ব্যাপারে সুনির্দিষ্টভাবে বলা কঠিন।
তবে সরকারের রোগতত্ত্ব, রোগনিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউট (আইইডিসিআর) ডেঙ্গু বা এ ধরনের রোগের গবেষণামূলক কাজ করেন। তারা হয়তো এ বিষয়ে সুনির্দিষ্ট কিছু বলতে পারবেন। তবে শহরের পর্যাপ্ত পরিস্কার-পরিচ্ছন্নতা না থাকা, রোগীদের অসচেতনতা এবং চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী না চলার কারণেও অনেকটা রোগীর সংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে।
তিনি দাবি করেন, হাসপাতালে ভর্তি হওয়া রোগীদের মশারি ব্যবহার করতে বললেও তারা গুরুত্ব দেন না। ফলে একজনের থেকে অন্যজনের রোগের সৃষ্টি হয়। তাছাড়া বরগুনা ডায়রিয়াপ্রবণ এলাকা হওয়ায় প্রচুর ডাবের খোসা যত্রতত্র ফেলে রাখা হয়। যে কারণে বর্ষার মৌসুমে পানি জমে এডিস মশার জন্ম বৃদ্ধি পায়।
এ বিষয়ে বরগুনা জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ শফিউল আলম বলেন, গত দুই মাস ধরেই বরগুনায় ডেঙ্গু রোগে আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে। বেশ কয়েকজনের মৃত্যুর ঘটনাও ঘটেছে। এর প্রেক্ষিতে আমরা কয়েকটি সভা করেছি। মশক নিধনে প্রয়োজনীয় কার্যক্রম পৌরসভা কর্তৃপক্ষ অব্যাহত রেখেছে।
হাসপাতালের সঙ্গে আমাদের সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রয়েছে। বিশেষ করে হাসপাতালে চিকিৎসক এবং নার্স সঙ্কটের বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হয়েছে। আশা করি, খুব দ্রুত সময়ের মধ্যে ডেঙ্গু পরিস্থিতি বিবেচনায় তারা প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।

২৬ মে, ২০২৬ ১৮:২৪
বরগুনা শহরে খোলা মাঠ থেকে এক অজ্ঞাত পরিচয় নারীর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার (২৬ মে) সকাল প্রায় ১১টার দিকে শহরের সিভিল পুলিশ সুপার কার্যালয় ও সার্জন অফিসের পশ্চিম পাশে, বরগুনা জেলা জজ কোর্ট সংলগ্ন দিঘির পূর্ব পাশের খোলা মাঠে মরদেহটি পড়ে থাকতে দেখেন স্থানীয়রা।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, স্থানীয়রা মরদেহটি দেখতে পেয়ে সাংবাদিকদের খবর দিলে সাংবাদিকরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে বিষয়টি লাইভ সম্প্রচার করেন।
পরে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত শেষে মরদেহটি উদ্ধার করে এবং ময়নাতদন্তের জন্য বরগুনা জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে।
পুলিশ জানায়, মরদেহটির পরিচয় এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। তবে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, এটি শহরে দীর্ঘদিন ধরে ঘোরাফেরা করা এক মানসিক ভারসাম্যহীন নারীর মরদেহ হতে পারে।
বরগুনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবদুল আলীম বলেন, প্রত্যক্ষদর্শীদের সঙ্গে কথা বলে জানতে পেরেছি, দীর্ঘদিন ধরে ওই এলাকায় এক মানসিক ভারসাম্যহীন নারী ঘোরাফেরা করতেন।
তার মাথার চুল কাটা ছিল এবং মাঝে মাঝে উলঙ্গ অবস্থায়ও চলাফেরা করতেন। মরদেহটির গঠন ও চেহারার সঙ্গে ওই নারীর মিল রয়েছে বলে স্থানীয়দের ধারণা।
তিনি আরও বলেন, ঘটনার বিষয়ে সিআইডি ও পিবিআইকে অবহিত করা হয়েছে। তারা এসে তদন্তের মাধ্যমে মরদেহের সঠিক পরিচয় শনাক্তের চেষ্টা করবে। পরিচয় নিশ্চিত না হলে সরকারি ব্যবস্থাপনায় অথবা স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের সহযোগিতায় মরদেহটি দাফনের ব্যবস্থা করা হবে।
বরগুনা শহরে খোলা মাঠ থেকে এক অজ্ঞাত পরিচয় নারীর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার (২৬ মে) সকাল প্রায় ১১টার দিকে শহরের সিভিল পুলিশ সুপার কার্যালয় ও সার্জন অফিসের পশ্চিম পাশে, বরগুনা জেলা জজ কোর্ট সংলগ্ন দিঘির পূর্ব পাশের খোলা মাঠে মরদেহটি পড়ে থাকতে দেখেন স্থানীয়রা।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, স্থানীয়রা মরদেহটি দেখতে পেয়ে সাংবাদিকদের খবর দিলে সাংবাদিকরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে বিষয়টি লাইভ সম্প্রচার করেন।
পরে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত শেষে মরদেহটি উদ্ধার করে এবং ময়নাতদন্তের জন্য বরগুনা জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে।
পুলিশ জানায়, মরদেহটির পরিচয় এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। তবে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, এটি শহরে দীর্ঘদিন ধরে ঘোরাফেরা করা এক মানসিক ভারসাম্যহীন নারীর মরদেহ হতে পারে।
বরগুনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবদুল আলীম বলেন, প্রত্যক্ষদর্শীদের সঙ্গে কথা বলে জানতে পেরেছি, দীর্ঘদিন ধরে ওই এলাকায় এক মানসিক ভারসাম্যহীন নারী ঘোরাফেরা করতেন।
তার মাথার চুল কাটা ছিল এবং মাঝে মাঝে উলঙ্গ অবস্থায়ও চলাফেরা করতেন। মরদেহটির গঠন ও চেহারার সঙ্গে ওই নারীর মিল রয়েছে বলে স্থানীয়দের ধারণা।
তিনি আরও বলেন, ঘটনার বিষয়ে সিআইডি ও পিবিআইকে অবহিত করা হয়েছে। তারা এসে তদন্তের মাধ্যমে মরদেহের সঠিক পরিচয় শনাক্তের চেষ্টা করবে। পরিচয় নিশ্চিত না হলে সরকারি ব্যবস্থাপনায় অথবা স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের সহযোগিতায় মরদেহটি দাফনের ব্যবস্থা করা হবে।

২৬ মে, ২০২৬ ১৪:৪১
বরগুনার পাথরঘাটায় ঘূর্ণিঝড় রিমালের তাণ্ডবের দুই বছর পেরিয়ে গেলেও এখনো কাটেনি ক্ষতচিহ্ন। ভাঙা বেড়িবাঁধ, লবণাক্ত জমি, ক্ষতিগ্রস্ত ঘরবাড়ি আর জীবিকা সংকটে মানবেতর জীবন কাটাচ্ছেন উপকূলের হাজারো মানুষ।
পুর্বে বিষখালী, পশ্চিমে সুন্দরবন সংলগ্ন বলেশ্বর নদী আর দক্ষিণে বঙ্গোপসাগর। বিষখালী ও বলেশ্বর বেষ্টিত পাথরঘাটা উপজেলা। যেখানে প্রাকৃতিক দুর্যোগ নিয়েই থাকেন এখানকার বাসিন্দারা।
ঘূর্ণিঝড় 'রেমাল' হলো ২০২৪ সালের মে মাসে বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট একটি অত্যন্ত শক্তিশালী ক্রান্তীয় ঘূর্ণিঝড়। এটি ২৬ মে সন্ধ্যা থেকে ২৭ মে সকাল পর্যন্ত বাংলাদেশ ও ভারতের পশ্চিমবঙ্গ উপকূল অতিক্রম করে। ঘূর্ণিঝড় রিমালে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয় পাথরঘাটার কয়েকটি উপকূলীয় ইউনিয়ন। জলোচ্ছ্বাসে তলিয়ে যায় বিস্তীর্ণ এলাকা। ভেঙে যায় বেড়িবাঁধ, পানিবন্দি হয়ে পড়ে শত শত পরিবার। মাছের ঘের, কৃষিজমি ও বসতঘরের ব্যাপক ক্ষতি হয়। সুপেয় পানির সংকট হয় তীব্র।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, দুই বছরেও অনেক পরিবার ঘর মেরামত করতে পারেনি। অনেকের জমিতে এখনো লবণাক্ততার কারণে ফসল ফলছে না। নদীভাঙনের আতঙ্কও রয়েই গেছে।
পাথরঘাটার চরদুয়ানি ইউনিয়নের বলেশ্বর নদী সংলগ্ন দক্ষিন চরদুয়ানী গ্রামের বাসিন্দা আব্দুল করিম বলেন, “রিমাল আমাদের সব শেষ করে দিয়েছে। এখনো ঋণ করে সংসার চালাতে হচ্ছে। বেড়িবাঁধ ভেঙে ঘরবাড়ি তলিয়ে গেছে। আজও ঘর ঠিক করতে পারিনি।”
পাথরঘাটা সদর ইউনিয়নের চরলাঠিমারা গ্রামের ইদ্রিস মিয়া বলেন, রিমালের ক্ষতি যার হয়নি সে বুঝবেনা কষ্ট কতটা। রিমালে আমাদের এখানে বেড়িবাঁধ ভেঙে তলিয়ে যায় অসংখ্য ঘরবাড়ি ও ফসলি জমি। লবনাক্ত পানি ঢুকে কৃষি জমিতে মনে হয় আজও লবন রয়ে গেছে। কৃষি জমিতে ফলন ভালো হচ্ছেনা।
স্থানীয় বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা এনএসএস'র নির্বাহী পরিচালক সাহাবুদ্দিন পান্না বলেন, ঘূর্নিঝড় রিমালে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের তাৎক্ষণিক সহায়তা দেয়া হয়েছে এবং দীর্ঘদিন সুপেয় পানি সরবরাহ করা হয়েছে।
তিনি বলেন, পাথরঘাটায় এমনিতেই সুপেয় পানির সংকট থাকে তারপর আবার ঘূর্নিঝড়ের সময় আরও তীব্র হয়। সুপেয় পানি সংকটে সরকারি-বেসরকারিভাবে সমন্বিত উদ্যোগ দরকার যা হতে হবে স্থায়ী।
বরগুনার আরডিএফ'র পরিচালক এনামুল হোসেন বলেন, রিমালে ক্ষতিগ্রস্তদের কয়েকশ পরিবারকে টয়লেট এবং শুকনো খাবার সরবরাহ করা হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্তদের সংখ্যা বেশি বেড়িবাঁধ সংলগ্ন। এ ক্ষেত্রে টেকসই বেড়িবাঁধ নির্মাণ করা দরকার।
উপকূল অনুসন্ধানী সাংবাদিক ও গবেষক শফিকুল ইসলাম খোকন বলেন, সিডর থেকে শুরু করে বিগত দিনের যতগুলো ঘূর্ণিঝড় বা জলোচ্ছ্বাস হয়েছে তার চেয়ে বেশি সময় ধরে উপকূলে পানি স্থায়ী রয়েছে। যে পানি ছিলো লবনাক্ত তাতে উপকূলের ফসল ও ফসলের মাটির ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। কৃষকরা যে ক্ষতি আজও কাটিয়ে উঠতে পারেনি।
তিনি আরও বলেন, একটি রাষ্ট্র বা দেশকে স্থায়ীভাবে টেকসই করতে হলে উপকূলকে রক্ষা করতে হবে। এজন্য উপকূলের বেরিবাঁধ, উপকূলের বনায়ন টেকসই করার বিকল্প নেই।
বরগুনার পাথরঘাটায় ঘূর্ণিঝড় রিমালের তাণ্ডবের দুই বছর পেরিয়ে গেলেও এখনো কাটেনি ক্ষতচিহ্ন। ভাঙা বেড়িবাঁধ, লবণাক্ত জমি, ক্ষতিগ্রস্ত ঘরবাড়ি আর জীবিকা সংকটে মানবেতর জীবন কাটাচ্ছেন উপকূলের হাজারো মানুষ।
পুর্বে বিষখালী, পশ্চিমে সুন্দরবন সংলগ্ন বলেশ্বর নদী আর দক্ষিণে বঙ্গোপসাগর। বিষখালী ও বলেশ্বর বেষ্টিত পাথরঘাটা উপজেলা। যেখানে প্রাকৃতিক দুর্যোগ নিয়েই থাকেন এখানকার বাসিন্দারা।
ঘূর্ণিঝড় 'রেমাল' হলো ২০২৪ সালের মে মাসে বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট একটি অত্যন্ত শক্তিশালী ক্রান্তীয় ঘূর্ণিঝড়। এটি ২৬ মে সন্ধ্যা থেকে ২৭ মে সকাল পর্যন্ত বাংলাদেশ ও ভারতের পশ্চিমবঙ্গ উপকূল অতিক্রম করে। ঘূর্ণিঝড় রিমালে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয় পাথরঘাটার কয়েকটি উপকূলীয় ইউনিয়ন। জলোচ্ছ্বাসে তলিয়ে যায় বিস্তীর্ণ এলাকা। ভেঙে যায় বেড়িবাঁধ, পানিবন্দি হয়ে পড়ে শত শত পরিবার। মাছের ঘের, কৃষিজমি ও বসতঘরের ব্যাপক ক্ষতি হয়। সুপেয় পানির সংকট হয় তীব্র।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, দুই বছরেও অনেক পরিবার ঘর মেরামত করতে পারেনি। অনেকের জমিতে এখনো লবণাক্ততার কারণে ফসল ফলছে না। নদীভাঙনের আতঙ্কও রয়েই গেছে।
পাথরঘাটার চরদুয়ানি ইউনিয়নের বলেশ্বর নদী সংলগ্ন দক্ষিন চরদুয়ানী গ্রামের বাসিন্দা আব্দুল করিম বলেন, “রিমাল আমাদের সব শেষ করে দিয়েছে। এখনো ঋণ করে সংসার চালাতে হচ্ছে। বেড়িবাঁধ ভেঙে ঘরবাড়ি তলিয়ে গেছে। আজও ঘর ঠিক করতে পারিনি।”
পাথরঘাটা সদর ইউনিয়নের চরলাঠিমারা গ্রামের ইদ্রিস মিয়া বলেন, রিমালের ক্ষতি যার হয়নি সে বুঝবেনা কষ্ট কতটা। রিমালে আমাদের এখানে বেড়িবাঁধ ভেঙে তলিয়ে যায় অসংখ্য ঘরবাড়ি ও ফসলি জমি। লবনাক্ত পানি ঢুকে কৃষি জমিতে মনে হয় আজও লবন রয়ে গেছে। কৃষি জমিতে ফলন ভালো হচ্ছেনা।
স্থানীয় বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা এনএসএস'র নির্বাহী পরিচালক সাহাবুদ্দিন পান্না বলেন, ঘূর্নিঝড় রিমালে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের তাৎক্ষণিক সহায়তা দেয়া হয়েছে এবং দীর্ঘদিন সুপেয় পানি সরবরাহ করা হয়েছে।
তিনি বলেন, পাথরঘাটায় এমনিতেই সুপেয় পানির সংকট থাকে তারপর আবার ঘূর্নিঝড়ের সময় আরও তীব্র হয়। সুপেয় পানি সংকটে সরকারি-বেসরকারিভাবে সমন্বিত উদ্যোগ দরকার যা হতে হবে স্থায়ী।
বরগুনার আরডিএফ'র পরিচালক এনামুল হোসেন বলেন, রিমালে ক্ষতিগ্রস্তদের কয়েকশ পরিবারকে টয়লেট এবং শুকনো খাবার সরবরাহ করা হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্তদের সংখ্যা বেশি বেড়িবাঁধ সংলগ্ন। এ ক্ষেত্রে টেকসই বেড়িবাঁধ নির্মাণ করা দরকার।
উপকূল অনুসন্ধানী সাংবাদিক ও গবেষক শফিকুল ইসলাম খোকন বলেন, সিডর থেকে শুরু করে বিগত দিনের যতগুলো ঘূর্ণিঝড় বা জলোচ্ছ্বাস হয়েছে তার চেয়ে বেশি সময় ধরে উপকূলে পানি স্থায়ী রয়েছে। যে পানি ছিলো লবনাক্ত তাতে উপকূলের ফসল ও ফসলের মাটির ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। কৃষকরা যে ক্ষতি আজও কাটিয়ে উঠতে পারেনি।
তিনি আরও বলেন, একটি রাষ্ট্র বা দেশকে স্থায়ীভাবে টেকসই করতে হলে উপকূলকে রক্ষা করতে হবে। এজন্য উপকূলের বেরিবাঁধ, উপকূলের বনায়ন টেকসই করার বিকল্প নেই।

২৫ মে, ২০২৬ ১৪:৩৭
বরগুনার পাথরঘাটা পৌরসভার চারবারের সাবেক মেয়র ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি আনোয়ার হোসেন আকনকে (৭৮) গ্রেপ্তার করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।
রোববার (২৪ মে) রাত ২টার দিকে পাথরঘাটা পৌর শহরের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের নিজ বাসা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বরগুনা সদর থানার ওসি আব্দুল আলিম।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, বরগুনা জেলা বিএনপি কার্যালয়ে অগ্নিসংযোগের ঘটনায় দায়ের করা মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। তাকে বরগুনা সদর থানায় সোপর্দ করা হয়।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত ৫ আগস্টের পর থেকে আনোয়ার হোসেন আকন আত্মগোপনে ছিলেন। তার বিরুদ্ধে পাথরঘাটা পৌরসভার ঠিকাদারি কাজের অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে পাথরঘাটা জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে তিনটি মামলা রয়েছে বিভিন্ন তদন্ত সংস্থার তদন্তাধীন আছে। দুজন ঠিকাদার তার বিরুদ্ধে মামলাগুলো দায়ের করেন।
বরগুনা সদর থানার ওসি আব্দুল আলিম জানান, সাবেক মেয়র আনোয়ার হোসেন আকন বর্তমানে বরগুনা সদর থানায় পুলিশ হেফাজতে রয়েছেন। আইনগত প্রক্রিয়া শেষে তাকে আদালতে পাঠানো হবে। এদিকে সাবেক মেয়রকে আটকের ঘটনা পাথরঘাটার রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনা সৃষ্টি হয়েছে।
বরগুনার পাথরঘাটা পৌরসভার চারবারের সাবেক মেয়র ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি আনোয়ার হোসেন আকনকে (৭৮) গ্রেপ্তার করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।
রোববার (২৪ মে) রাত ২টার দিকে পাথরঘাটা পৌর শহরের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের নিজ বাসা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বরগুনা সদর থানার ওসি আব্দুল আলিম।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, বরগুনা জেলা বিএনপি কার্যালয়ে অগ্নিসংযোগের ঘটনায় দায়ের করা মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। তাকে বরগুনা সদর থানায় সোপর্দ করা হয়।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত ৫ আগস্টের পর থেকে আনোয়ার হোসেন আকন আত্মগোপনে ছিলেন। তার বিরুদ্ধে পাথরঘাটা পৌরসভার ঠিকাদারি কাজের অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে পাথরঘাটা জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে তিনটি মামলা রয়েছে বিভিন্ন তদন্ত সংস্থার তদন্তাধীন আছে। দুজন ঠিকাদার তার বিরুদ্ধে মামলাগুলো দায়ের করেন।
বরগুনা সদর থানার ওসি আব্দুল আলিম জানান, সাবেক মেয়র আনোয়ার হোসেন আকন বর্তমানে বরগুনা সদর থানায় পুলিশ হেফাজতে রয়েছেন। আইনগত প্রক্রিয়া শেষে তাকে আদালতে পাঠানো হবে। এদিকে সাবেক মেয়রকে আটকের ঘটনা পাথরঘাটার রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনা সৃষ্টি হয়েছে।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
৩০ মে, ২০২৬ ১১:১২
২৯ মে, ২০২৬ ১৯:৩৫
২৯ মে, ২০২৬ ১৯:২৫
২৯ মে, ২০২৬ ১৮:৫১