
১৪ ডিসেম্বর, ২০২৫ ১৬:২৬
শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবসে বরিশাল বিএনপির বিভাজিত দুটি গ্রুপ সংঘাতে জড়িয়েছে। রোববার অপরাহ্নে বরিশাল জেলা প্রশাসক কার্যালয় সম্মুখে স্মৃতিসৌধের বেদিতে শ্রদ্ধা জানাতে গেলে বরিশাল মহানগর বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আফরোজা খানম নাসরিনের কর্মী-সমর্থকদের সাথে বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা মজিবর রহমান সরোয়ারের অনুসারীরা বাকবিতন্ডার একপর্যায়ে সংঘাত হয়। এতে কোনো হতাহতের ঘটনা না ঘটলেও হাতাহাতির বেশকিছু ভিডিওচিত্র দুপুরের পরপরই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়ে।
ভিডিওচিত্রে দেখা যায়, মহানগর বিএনপি নেত্রী নাসরিন কজন কর্মী-সমর্থকদের নিয়ে শহীদ বেদির সম্মুখে তর্কে লিপ্ত হন। এসময় তার চারদিকে বরিশাল সদর আসনের এমপি প্রার্থী মজিবর রহমান সরোয়ারের অনুসারীরা দাঁড়িয়ে ছিলেন। এবং তাদের মধ্যেকার একজন বরিশাল মহানগর বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি তরিকুল ইসলাম তারেক উত্তেজিত সকলকে সরিয়ে দিতে ভূমিকা রাখেন।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, রোববার বেলা সাড়ে ১২টার দিকে সরোয়ার অনুসারী বরিশাল মহানগর ছাত্রদলের সহ-সভাপতি তরিকুল ইসলাম তারেক এবং সাধারণ সম্পাদক হুমায়ন কবির কর্মী-সমর্থকদের নিয়ে শহীদ বেদিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করতে যান। এবং শহীদ বেদিতে ফুলেল শ্রদ্ধা জানানো শেষে তারা বের হচ্ছিলেন, এমন সময় বরিশাল মহানগর বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আফরোজা খানম নাসরিন তার কর্মী-অনুসারীদের নিয়ে ফুলসমেত সেখানে প্রবেশ করছিলেন। তখন দুটি গ্রুপকে তর্কবিতর্ক এবং হাতাহাতির একপর্যায়ে সংঘাতে জড়িয়ে পড়তে দেখা যায়।
জানা গেছে, এই সংঘাতের কিছুক্ষণ আগেই শহীদ বেদিতে ফুল দিয়ে জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তানদের শ্রদ্ধা জানিয়েছেন বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা মজিবর রহমান সরোয়ার। তার সাথে ছিলেন বিএনপির বিভাগীয় সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক অ্যাডভোকেট বিলকিস জাহান শিরিনসহ জেলা ও মহানগর বরিশাল বিএনপির শীর্ষস্থানীয় নেতৃত্ব।
বিএনপি নেত্রী নাসরিন সাংবাদিকদের কাছে অভিযোগ করেন, তিনি শহীদ বেদিতে শ্রদ্ধা জানতে প্রবেশ করার প্রাক্কালে মহানগর ছাত্রদলের সহ-সভাপতি তরিকুল ইসলাম তারেকের নেতৃত্বে লোকজন নিয়ে তার ওপর হামলা করা হয়। এতে তার কজন কর্মী-সমর্থক আহত হয়েছেন এবং ফুলের চাক ভেঙে যায়। এই ঘটনায় তিনি আইনগত পদক্ষেপ নেওয়ার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছেন।
তবে বিএনপি নেত্রীর ওপর হামলার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন তরিকুল ইসলাম তারেক। এই ছাত্রনেতার দাবি, তিনি মজিবর রহমান সরোয়ারের সাথে শ্রদ্ধা জানতে শহীদ বেদিতে গিয়েছিলেন। সেখানে আনুষ্ঠানিকতা শেষে নেতা সরোয়ারসহ শীর্ষস্থানীয় নেতৃত্ব দ্রুত স্থান ত্যাগ করেন। এর কয়েক মিনিটের মাথায় বিএনপি নেত্রী নাসরিন কর্মী-সমর্থকদের নিয়ে বেদিতে প্রবেশ করেন। তখন তার কর্মীদের সাথে নাসরিন অনুসারীদের হাতাহাতি হলে তিনি ভূমিকা রেখে পরিস্থিতি শান্ত করার চেষ্টা করেন।
খোদ শহীদ বেদিতে শ্রদ্ধা জানতে গিয়ে সংঘাতের এই ঘটনায় বিভাজিত দুটি গ্রুপ সংঘাতে জড়ানোর বিষয়টিকে অপ্রত্যাশিত বলে অভিহিত করেছেন কেন্দ্রীয় বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক (বরিশাল) বিলকিস আক্তার জাহান শিরিন। তিনি বরিশালটাইমসকে বলেন, কর্মীদের মধ্যেকার তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেছে। পরবর্তীতে শীর্ষস্থানীয় নেতারা একত্রে বসে বিষয়টিতে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবেন।
তবে এই সংঘাতের ঘটনা সম্পর্কে বিস্তারিত অবগত নন বলে জানিয়েছেন বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ও বরিশাল সদর আসনের ধানের শীষের প্রার্থী মজিবর রহমান সরোয়ার। এই বর্ষীয়াণ নেতা বরিশালটাইমসকে বলেন, ঘটনার পরে বিভিন্ন মাধ্যম খন্ড খন্ড তথ্য তাকে অবহিত করেছে। পরবর্তীতে পুরো ঘটনা জেনে দলীয় নেতাদের সাথে আলোচনা করে ব্যবস্থাগ্রহণে হাইকমান্ডকে অবহিত করা হবে।’
শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবসে বরিশাল বিএনপির বিভাজিত দুটি গ্রুপ সংঘাতে জড়িয়েছে। রোববার অপরাহ্নে বরিশাল জেলা প্রশাসক কার্যালয় সম্মুখে স্মৃতিসৌধের বেদিতে শ্রদ্ধা জানাতে গেলে বরিশাল মহানগর বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আফরোজা খানম নাসরিনের কর্মী-সমর্থকদের সাথে বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা মজিবর রহমান সরোয়ারের অনুসারীরা বাকবিতন্ডার একপর্যায়ে সংঘাত হয়। এতে কোনো হতাহতের ঘটনা না ঘটলেও হাতাহাতির বেশকিছু ভিডিওচিত্র দুপুরের পরপরই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়ে।
ভিডিওচিত্রে দেখা যায়, মহানগর বিএনপি নেত্রী নাসরিন কজন কর্মী-সমর্থকদের নিয়ে শহীদ বেদির সম্মুখে তর্কে লিপ্ত হন। এসময় তার চারদিকে বরিশাল সদর আসনের এমপি প্রার্থী মজিবর রহমান সরোয়ারের অনুসারীরা দাঁড়িয়ে ছিলেন। এবং তাদের মধ্যেকার একজন বরিশাল মহানগর বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি তরিকুল ইসলাম তারেক উত্তেজিত সকলকে সরিয়ে দিতে ভূমিকা রাখেন।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, রোববার বেলা সাড়ে ১২টার দিকে সরোয়ার অনুসারী বরিশাল মহানগর ছাত্রদলের সহ-সভাপতি তরিকুল ইসলাম তারেক এবং সাধারণ সম্পাদক হুমায়ন কবির কর্মী-সমর্থকদের নিয়ে শহীদ বেদিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করতে যান। এবং শহীদ বেদিতে ফুলেল শ্রদ্ধা জানানো শেষে তারা বের হচ্ছিলেন, এমন সময় বরিশাল মহানগর বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আফরোজা খানম নাসরিন তার কর্মী-অনুসারীদের নিয়ে ফুলসমেত সেখানে প্রবেশ করছিলেন। তখন দুটি গ্রুপকে তর্কবিতর্ক এবং হাতাহাতির একপর্যায়ে সংঘাতে জড়িয়ে পড়তে দেখা যায়।
জানা গেছে, এই সংঘাতের কিছুক্ষণ আগেই শহীদ বেদিতে ফুল দিয়ে জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তানদের শ্রদ্ধা জানিয়েছেন বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা মজিবর রহমান সরোয়ার। তার সাথে ছিলেন বিএনপির বিভাগীয় সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক অ্যাডভোকেট বিলকিস জাহান শিরিনসহ জেলা ও মহানগর বরিশাল বিএনপির শীর্ষস্থানীয় নেতৃত্ব।
বিএনপি নেত্রী নাসরিন সাংবাদিকদের কাছে অভিযোগ করেন, তিনি শহীদ বেদিতে শ্রদ্ধা জানতে প্রবেশ করার প্রাক্কালে মহানগর ছাত্রদলের সহ-সভাপতি তরিকুল ইসলাম তারেকের নেতৃত্বে লোকজন নিয়ে তার ওপর হামলা করা হয়। এতে তার কজন কর্মী-সমর্থক আহত হয়েছেন এবং ফুলের চাক ভেঙে যায়। এই ঘটনায় তিনি আইনগত পদক্ষেপ নেওয়ার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছেন।
তবে বিএনপি নেত্রীর ওপর হামলার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন তরিকুল ইসলাম তারেক। এই ছাত্রনেতার দাবি, তিনি মজিবর রহমান সরোয়ারের সাথে শ্রদ্ধা জানতে শহীদ বেদিতে গিয়েছিলেন। সেখানে আনুষ্ঠানিকতা শেষে নেতা সরোয়ারসহ শীর্ষস্থানীয় নেতৃত্ব দ্রুত স্থান ত্যাগ করেন। এর কয়েক মিনিটের মাথায় বিএনপি নেত্রী নাসরিন কর্মী-সমর্থকদের নিয়ে বেদিতে প্রবেশ করেন। তখন তার কর্মীদের সাথে নাসরিন অনুসারীদের হাতাহাতি হলে তিনি ভূমিকা রেখে পরিস্থিতি শান্ত করার চেষ্টা করেন।
খোদ শহীদ বেদিতে শ্রদ্ধা জানতে গিয়ে সংঘাতের এই ঘটনায় বিভাজিত দুটি গ্রুপ সংঘাতে জড়ানোর বিষয়টিকে অপ্রত্যাশিত বলে অভিহিত করেছেন কেন্দ্রীয় বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক (বরিশাল) বিলকিস আক্তার জাহান শিরিন। তিনি বরিশালটাইমসকে বলেন, কর্মীদের মধ্যেকার তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেছে। পরবর্তীতে শীর্ষস্থানীয় নেতারা একত্রে বসে বিষয়টিতে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবেন।
তবে এই সংঘাতের ঘটনা সম্পর্কে বিস্তারিত অবগত নন বলে জানিয়েছেন বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ও বরিশাল সদর আসনের ধানের শীষের প্রার্থী মজিবর রহমান সরোয়ার। এই বর্ষীয়াণ নেতা বরিশালটাইমসকে বলেন, ঘটনার পরে বিভিন্ন মাধ্যম খন্ড খন্ড তথ্য তাকে অবহিত করেছে। পরবর্তীতে পুরো ঘটনা জেনে দলীয় নেতাদের সাথে আলোচনা করে ব্যবস্থাগ্রহণে হাইকমান্ডকে অবহিত করা হবে।’

০৩ মার্চ, ২০২৬ ১৮:৫২
বরিশাল রেঞ্জের ডিআইজি মো. মঞ্জুর মোর্শেদ আলমকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। তার জায়গায় দায়িত্ব পেয়েছেন মো. মোস্তাফিজুর রহমান।
মঙ্গলবার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, ডিআইজি মো. মঞ্জুর মোর্শেদ আলমকে ট্যুরিস্ট পুলিশে, পুলিশ সদরদপ্তরের ডিআইজি মো. মোস্তাফিজুর রহমানকে বরিশাল রেঞ্জের ডিআইজি এবং ৫ এপিবিএনের অধিনায়ক (অতিরিক্ত ডিআইজি) মো. হারুন অর রশিদকে রাজশাহীর সারদায় পদায়ন করা হয়েছে।
বরিশাল রেঞ্জের দায়িত্ব পাওয়া মোস্তাফিজুর রহমান বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে পদবঞ্চিত ছিলেন। অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে তাকে ঢাকা রেঞ্জের অতিরিক্ত ডিআইজি হিসেবে পদায়ন করা হয়। পরবর্তীতে গতবছরের গত ২৬ নভেম্বর তিনি পদোন্নতি পেয়ে ডিআইজি হন। পরে তাকে পুলিশ সদরদপ্তরে পদায়ন করা হয়।
বরিশাল রেঞ্জের ডিআইজি মো. মঞ্জুর মোর্শেদ আলমকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। তার জায়গায় দায়িত্ব পেয়েছেন মো. মোস্তাফিজুর রহমান।
মঙ্গলবার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, ডিআইজি মো. মঞ্জুর মোর্শেদ আলমকে ট্যুরিস্ট পুলিশে, পুলিশ সদরদপ্তরের ডিআইজি মো. মোস্তাফিজুর রহমানকে বরিশাল রেঞ্জের ডিআইজি এবং ৫ এপিবিএনের অধিনায়ক (অতিরিক্ত ডিআইজি) মো. হারুন অর রশিদকে রাজশাহীর সারদায় পদায়ন করা হয়েছে।
বরিশাল রেঞ্জের দায়িত্ব পাওয়া মোস্তাফিজুর রহমান বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে পদবঞ্চিত ছিলেন। অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে তাকে ঢাকা রেঞ্জের অতিরিক্ত ডিআইজি হিসেবে পদায়ন করা হয়। পরবর্তীতে গতবছরের গত ২৬ নভেম্বর তিনি পদোন্নতি পেয়ে ডিআইজি হন। পরে তাকে পুলিশ সদরদপ্তরে পদায়ন করা হয়।

০৩ মার্চ, ২০২৬ ১৮:২৪
ময়মনসিংহে ভোররাতে ঘুমানোর পর না ওঠায় ১২ ঘণ্টা পর দরজা ভেঙে সোহান (১৯) নামে এক কলেজ ছাত্রকে উদ্ধার করেছে ফায়ার সার্ভিস। এ ঘটনার একটি ভিডিও ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়েছে। বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি হয়।
সোহান নগরীর বেসরকারি একটি কলেজের দ্বিতীয বর্ষের শিক্ষার্থী। তিনি জামালপুর জেলার সরিষাবাড়ি উপজেরার বাসিন্দা। সোহান নগরীর সানকিপাড়া হেলথ অফিসার গলির ছাত্র মেসে থেকে লেখাপড়া করেন।
মঙ্গলবার (৩ মার্চ) বেলা ১২টার দিকে আইএনবি২৪ ফেসবুক পেজ থেকে ভিডিওটি পোস্ট করা হয়। এরপর ভিডিওটি ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়ে।
এর আগে, সোমবার (২ মার্চ) বেলা ৩টার দিকে নগরীর সানকিপাড়া হেলথ অফিসার গলির ছাত্র মেসের দরজা ভেঙে তাকে উদ্ধার করে ফায়ার সার্ভিস।
ভিডিওতে দেখা যায়, একটি ছাত্র মেসে শিক্ষার্থীরা দরজা ধাক্কাকে ধাক্কাতে সহপাঠীকে ডাকতে থাকে। কিন্তু তার কোনো সাড়া মেলেনি। এমতাবস্থায় স্থানীয়রা বিষয়টি টের পেয়ে বাসার দরজার সামনে ও নিচে ভিড় জমায়। স্থানীয়রা অনেক ডাকাডাকি করে। কিন্তু কিছুতেই তার সাড়া মিলছিল না। পরে স্থানীয় থানায় খবর দিলে পুলিশও ঘটনাস্থলে গিয়ে ডাকাডাকি করে। তবে কোনো সাড়া না মেলায় ফায়ার সার্ভিসে খবর দেয়। পরে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌছে দরজা ভেঙে ভেতরে ঢুকে ওই শিক্ষার্থীকে ডেকে তোলে।
ময়মনসিংহ ফায়ার সার্ভিসের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা জুলহাস উদ্দিন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, নগরীর সানকিপাড়া হেলথ অফিসার গলির ছাত্র মেসে একটি ছেলে ভোররাতে ঘুমিয়ে পড়েন।
তার সহপাঠীরা না ঘুমিয়ে বাইরে চলে যায়। এমন সময় সোহান ভেতর থেকে দরজা লাগিয়ে ঘুমিয়ে পড়েন। পরে সকালে সোহানের সহপাঠীরা এসে অনেক ডাকাডাকি করে। তবে, তার সাড়া মেলেনি।
বিষয়টি আশপাশ এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে মানুষজন ভিড় জমাতে থাকে। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে ফায়ার সার্ভিসে খবর দেয়। পরে ফায়ার সার্ভিস এসে দরজা ভেঙে ১২ ঘণ্টা পর সোহানকে দরজা ভেঙে জীবিত অবস্থায় উদ্ধার করে।
কোতোয়ালি মডেল থানার পরিদর্শক (অপারেশনস) মো. আজহারুল ইসলাম বলেন, ছেলেটি সারারাত না ঘুমিয়ে ভোররাতে ঘুমায়। যে কারণে অনেক ডাকাডাকি করলেও সে টের পায়নি। পরে ফায়ার সার্ভিসের সহায়তায় দরজা ভেঙে তাকে উদ্ধার করা হয়। ছেলেটি এখন সুস্থ আছে।
ময়মনসিংহে ভোররাতে ঘুমানোর পর না ওঠায় ১২ ঘণ্টা পর দরজা ভেঙে সোহান (১৯) নামে এক কলেজ ছাত্রকে উদ্ধার করেছে ফায়ার সার্ভিস। এ ঘটনার একটি ভিডিও ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়েছে। বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি হয়।
সোহান নগরীর বেসরকারি একটি কলেজের দ্বিতীয বর্ষের শিক্ষার্থী। তিনি জামালপুর জেলার সরিষাবাড়ি উপজেরার বাসিন্দা। সোহান নগরীর সানকিপাড়া হেলথ অফিসার গলির ছাত্র মেসে থেকে লেখাপড়া করেন।
মঙ্গলবার (৩ মার্চ) বেলা ১২টার দিকে আইএনবি২৪ ফেসবুক পেজ থেকে ভিডিওটি পোস্ট করা হয়। এরপর ভিডিওটি ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়ে।
এর আগে, সোমবার (২ মার্চ) বেলা ৩টার দিকে নগরীর সানকিপাড়া হেলথ অফিসার গলির ছাত্র মেসের দরজা ভেঙে তাকে উদ্ধার করে ফায়ার সার্ভিস।
ভিডিওতে দেখা যায়, একটি ছাত্র মেসে শিক্ষার্থীরা দরজা ধাক্কাকে ধাক্কাতে সহপাঠীকে ডাকতে থাকে। কিন্তু তার কোনো সাড়া মেলেনি। এমতাবস্থায় স্থানীয়রা বিষয়টি টের পেয়ে বাসার দরজার সামনে ও নিচে ভিড় জমায়। স্থানীয়রা অনেক ডাকাডাকি করে। কিন্তু কিছুতেই তার সাড়া মিলছিল না। পরে স্থানীয় থানায় খবর দিলে পুলিশও ঘটনাস্থলে গিয়ে ডাকাডাকি করে। তবে কোনো সাড়া না মেলায় ফায়ার সার্ভিসে খবর দেয়। পরে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌছে দরজা ভেঙে ভেতরে ঢুকে ওই শিক্ষার্থীকে ডেকে তোলে।
ময়মনসিংহ ফায়ার সার্ভিসের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা জুলহাস উদ্দিন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, নগরীর সানকিপাড়া হেলথ অফিসার গলির ছাত্র মেসে একটি ছেলে ভোররাতে ঘুমিয়ে পড়েন।
তার সহপাঠীরা না ঘুমিয়ে বাইরে চলে যায়। এমন সময় সোহান ভেতর থেকে দরজা লাগিয়ে ঘুমিয়ে পড়েন। পরে সকালে সোহানের সহপাঠীরা এসে অনেক ডাকাডাকি করে। তবে, তার সাড়া মেলেনি।
বিষয়টি আশপাশ এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে মানুষজন ভিড় জমাতে থাকে। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে ফায়ার সার্ভিসে খবর দেয়। পরে ফায়ার সার্ভিস এসে দরজা ভেঙে ১২ ঘণ্টা পর সোহানকে দরজা ভেঙে জীবিত অবস্থায় উদ্ধার করে।
কোতোয়ালি মডেল থানার পরিদর্শক (অপারেশনস) মো. আজহারুল ইসলাম বলেন, ছেলেটি সারারাত না ঘুমিয়ে ভোররাতে ঘুমায়। যে কারণে অনেক ডাকাডাকি করলেও সে টের পায়নি। পরে ফায়ার সার্ভিসের সহায়তায় দরজা ভেঙে তাকে উদ্ধার করা হয়। ছেলেটি এখন সুস্থ আছে।

০৩ মার্চ, ২০২৬ ১৩:৫৯
বরিশালের বাকেরগঞ্জ উপজেলায় চরাদি ইউনিয়ন ছাত্রদলের সভাপতি ফাহাদ খান (৩০) সন্ত্রাসী হামলায় গুরুতর আহত হয়েছেন।সোমবার (২ মার্চ) রাত সাড়ে ৯টার দিকে চরাদি ইউনিয়নের হলতা গ্রামের সরদার বাড়ি এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। আহত ফাহাদ খান উপজেলার চরাদি ইউনিয়ন ছাত্রদলের সভাপতি এবং কামাল হোসেন খানের ছেলে।
গুরুতর অবস্থায় তাকে প্রথমে বরিশাল শেরেবাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসকরা তার শারীরিক অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেন।
হাসপাতালে নেওয়ার পথে ফাহাদ খান স্বজনদের মাধ্যমে ১ মিনিট ৩৪ সেকেন্ডের একটি ভিডিও বার্তা দেন। সেখানে তিনি অভিযোগ করেন, তাদের প্রতিবেশী নুরুল ইসলাম হাওলাদারের ছেলে এবং চরাদি ইউনিয়ন পরিষদের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য আমিনুল ইসলাম রানা, মোশাররফ হোসেন (পান্নু) খানের ছেলে আরিফ খান, সুলতান খানের ছেলে কাজী রিয়াজসহ অজ্ঞাত ২-৩ জন তার ওপর অতর্কিত হামলা চালায় এবং কুপিয়ে জখম করে।
ভিডিও বার্তায় ফাহাদ দাবি করেন, হলতা বাজারের এক ডিস ব্যবসায়ীর কাছে ইউপি সদস্য রানাসহ কয়েকজন চাঁদা দাবি করেন। এ ঘটনায় তিনি প্রতিবাদ করেন এবং ওই ব্যবসায়ীর সঙ্গে থানায় যান। এর জের ধরেই তার ওপর হামলা হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।
তিনি আরও অভিযোগ করেন, ইউপি সদস্য রানা স্থানীয়ভাবে প্রভাবশালী এবং তার সঙ্গে বাকেরগঞ্জ থানার ওসির সুসম্পর্ক রয়েছে। হামলায় তার মৃত্যু হলে উল্লিখিত ব্যক্তিদের দায়ী করেন বলেও ভিডিওতে উল্লেখ করেন।
ফাহাদের বাবা কামাল হোসেন বলেন, গত সপ্তাহে ডিস ব্যবসায়ীর করা চাঁদাবাজির মামলায় আমার ছেলে বাদীর সঙ্গে থানায় গিয়েছিল। অন্যায়ের প্রতিবাদ করায় তারা আমার ছেলেকে হত্যার উদ্দেশ্যে কুপিয়েছে। আমি এ ঘটনার বিচার চাই।
এদিকে অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্তদের সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও কোনো সাড়া মেলেনি। বাকেরগঞ্জ থানার ওসি কে এম সোহেল রানা বলেন, ডিস ব্যবসা নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে বিরোধের জেরে গত সপ্তাহে একটি চাঁদাবাজি ও একটি অন্যান্য ধারায় দুটি মামলা হয়েছে।
সেই ঘটনার ধারাবাহিকতায় ছাত্রদল নেতাকে কুপিয়ে জখম করা হয়েছে। তিনি জানান, ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে, পরিস্থিতি বর্তমানে স্বাভাবিক রয়েছে। জড়িতদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলমান রয়েছে।
বরিশালের বাকেরগঞ্জ উপজেলায় চরাদি ইউনিয়ন ছাত্রদলের সভাপতি ফাহাদ খান (৩০) সন্ত্রাসী হামলায় গুরুতর আহত হয়েছেন।সোমবার (২ মার্চ) রাত সাড়ে ৯টার দিকে চরাদি ইউনিয়নের হলতা গ্রামের সরদার বাড়ি এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। আহত ফাহাদ খান উপজেলার চরাদি ইউনিয়ন ছাত্রদলের সভাপতি এবং কামাল হোসেন খানের ছেলে।
গুরুতর অবস্থায় তাকে প্রথমে বরিশাল শেরেবাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসকরা তার শারীরিক অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেন।
হাসপাতালে নেওয়ার পথে ফাহাদ খান স্বজনদের মাধ্যমে ১ মিনিট ৩৪ সেকেন্ডের একটি ভিডিও বার্তা দেন। সেখানে তিনি অভিযোগ করেন, তাদের প্রতিবেশী নুরুল ইসলাম হাওলাদারের ছেলে এবং চরাদি ইউনিয়ন পরিষদের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য আমিনুল ইসলাম রানা, মোশাররফ হোসেন (পান্নু) খানের ছেলে আরিফ খান, সুলতান খানের ছেলে কাজী রিয়াজসহ অজ্ঞাত ২-৩ জন তার ওপর অতর্কিত হামলা চালায় এবং কুপিয়ে জখম করে।
ভিডিও বার্তায় ফাহাদ দাবি করেন, হলতা বাজারের এক ডিস ব্যবসায়ীর কাছে ইউপি সদস্য রানাসহ কয়েকজন চাঁদা দাবি করেন। এ ঘটনায় তিনি প্রতিবাদ করেন এবং ওই ব্যবসায়ীর সঙ্গে থানায় যান। এর জের ধরেই তার ওপর হামলা হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।
তিনি আরও অভিযোগ করেন, ইউপি সদস্য রানা স্থানীয়ভাবে প্রভাবশালী এবং তার সঙ্গে বাকেরগঞ্জ থানার ওসির সুসম্পর্ক রয়েছে। হামলায় তার মৃত্যু হলে উল্লিখিত ব্যক্তিদের দায়ী করেন বলেও ভিডিওতে উল্লেখ করেন।
ফাহাদের বাবা কামাল হোসেন বলেন, গত সপ্তাহে ডিস ব্যবসায়ীর করা চাঁদাবাজির মামলায় আমার ছেলে বাদীর সঙ্গে থানায় গিয়েছিল। অন্যায়ের প্রতিবাদ করায় তারা আমার ছেলেকে হত্যার উদ্দেশ্যে কুপিয়েছে। আমি এ ঘটনার বিচার চাই।
এদিকে অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্তদের সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও কোনো সাড়া মেলেনি। বাকেরগঞ্জ থানার ওসি কে এম সোহেল রানা বলেন, ডিস ব্যবসা নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে বিরোধের জেরে গত সপ্তাহে একটি চাঁদাবাজি ও একটি অন্যান্য ধারায় দুটি মামলা হয়েছে।
সেই ঘটনার ধারাবাহিকতায় ছাত্রদল নেতাকে কুপিয়ে জখম করা হয়েছে। তিনি জানান, ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে, পরিস্থিতি বর্তমানে স্বাভাবিক রয়েছে। জড়িতদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলমান রয়েছে।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.