
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.

১৪ ডিসেম্বর, ২০২৫ ১৬:২৬
শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবসে বরিশাল বিএনপির বিভাজিত দুটি গ্রুপ সংঘাতে জড়িয়েছে। রোববার অপরাহ্নে বরিশাল জেলা প্রশাসক কার্যালয় সম্মুখে স্মৃতিসৌধের বেদিতে শ্রদ্ধা জানাতে গেলে বরিশাল মহানগর বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আফরোজা খানম নাসরিনের কর্মী-সমর্থকদের সাথে বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা মজিবর রহমান সরোয়ারের অনুসারীরা বাকবিতন্ডার একপর্যায়ে সংঘাত হয়। এতে কোনো হতাহতের ঘটনা না ঘটলেও হাতাহাতির বেশকিছু ভিডিওচিত্র দুপুরের পরপরই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়ে।
ভিডিওচিত্রে দেখা যায়, মহানগর বিএনপি নেত্রী নাসরিন কজন কর্মী-সমর্থকদের নিয়ে শহীদ বেদির সম্মুখে তর্কে লিপ্ত হন। এসময় তার চারদিকে বরিশাল সদর আসনের এমপি প্রার্থী মজিবর রহমান সরোয়ারের অনুসারীরা দাঁড়িয়ে ছিলেন। এবং তাদের মধ্যেকার একজন বরিশাল মহানগর বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি তরিকুল ইসলাম তারেক উত্তেজিত সকলকে সরিয়ে দিতে ভূমিকা রাখেন।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, রোববার বেলা সাড়ে ১২টার দিকে সরোয়ার অনুসারী বরিশাল মহানগর ছাত্রদলের সহ-সভাপতি তরিকুল ইসলাম তারেক এবং সাধারণ সম্পাদক হুমায়ন কবির কর্মী-সমর্থকদের নিয়ে শহীদ বেদিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করতে যান। এবং শহীদ বেদিতে ফুলেল শ্রদ্ধা জানানো শেষে তারা বের হচ্ছিলেন, এমন সময় বরিশাল মহানগর বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আফরোজা খানম নাসরিন তার কর্মী-অনুসারীদের নিয়ে ফুলসমেত সেখানে প্রবেশ করছিলেন। তখন দুটি গ্রুপকে তর্কবিতর্ক এবং হাতাহাতির একপর্যায়ে সংঘাতে জড়িয়ে পড়তে দেখা যায়।
জানা গেছে, এই সংঘাতের কিছুক্ষণ আগেই শহীদ বেদিতে ফুল দিয়ে জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তানদের শ্রদ্ধা জানিয়েছেন বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা মজিবর রহমান সরোয়ার। তার সাথে ছিলেন বিএনপির বিভাগীয় সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক অ্যাডভোকেট বিলকিস জাহান শিরিনসহ জেলা ও মহানগর বরিশাল বিএনপির শীর্ষস্থানীয় নেতৃত্ব।
বিএনপি নেত্রী নাসরিন সাংবাদিকদের কাছে অভিযোগ করেন, তিনি শহীদ বেদিতে শ্রদ্ধা জানতে প্রবেশ করার প্রাক্কালে মহানগর ছাত্রদলের সহ-সভাপতি তরিকুল ইসলাম তারেকের নেতৃত্বে লোকজন নিয়ে তার ওপর হামলা করা হয়। এতে তার কজন কর্মী-সমর্থক আহত হয়েছেন এবং ফুলের চাক ভেঙে যায়। এই ঘটনায় তিনি আইনগত পদক্ষেপ নেওয়ার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছেন।
তবে বিএনপি নেত্রীর ওপর হামলার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন তরিকুল ইসলাম তারেক। এই ছাত্রনেতার দাবি, তিনি মজিবর রহমান সরোয়ারের সাথে শ্রদ্ধা জানতে শহীদ বেদিতে গিয়েছিলেন। সেখানে আনুষ্ঠানিকতা শেষে নেতা সরোয়ারসহ শীর্ষস্থানীয় নেতৃত্ব দ্রুত স্থান ত্যাগ করেন। এর কয়েক মিনিটের মাথায় বিএনপি নেত্রী নাসরিন কর্মী-সমর্থকদের নিয়ে বেদিতে প্রবেশ করেন। তখন তার কর্মীদের সাথে নাসরিন অনুসারীদের হাতাহাতি হলে তিনি ভূমিকা রেখে পরিস্থিতি শান্ত করার চেষ্টা করেন।
খোদ শহীদ বেদিতে শ্রদ্ধা জানতে গিয়ে সংঘাতের এই ঘটনায় বিভাজিত দুটি গ্রুপ সংঘাতে জড়ানোর বিষয়টিকে অপ্রত্যাশিত বলে অভিহিত করেছেন কেন্দ্রীয় বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক (বরিশাল) বিলকিস আক্তার জাহান শিরিন। তিনি বরিশালটাইমসকে বলেন, কর্মীদের মধ্যেকার তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেছে। পরবর্তীতে শীর্ষস্থানীয় নেতারা একত্রে বসে বিষয়টিতে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবেন।
তবে এই সংঘাতের ঘটনা সম্পর্কে বিস্তারিত অবগত নন বলে জানিয়েছেন বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ও বরিশাল সদর আসনের ধানের শীষের প্রার্থী মজিবর রহমান সরোয়ার। এই বর্ষীয়াণ নেতা বরিশালটাইমসকে বলেন, ঘটনার পরে বিভিন্ন মাধ্যম খন্ড খন্ড তথ্য তাকে অবহিত করেছে। পরবর্তীতে পুরো ঘটনা জেনে দলীয় নেতাদের সাথে আলোচনা করে ব্যবস্থাগ্রহণে হাইকমান্ডকে অবহিত করা হবে।’
শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবসে বরিশাল বিএনপির বিভাজিত দুটি গ্রুপ সংঘাতে জড়িয়েছে। রোববার অপরাহ্নে বরিশাল জেলা প্রশাসক কার্যালয় সম্মুখে স্মৃতিসৌধের বেদিতে শ্রদ্ধা জানাতে গেলে বরিশাল মহানগর বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আফরোজা খানম নাসরিনের কর্মী-সমর্থকদের সাথে বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা মজিবর রহমান সরোয়ারের অনুসারীরা বাকবিতন্ডার একপর্যায়ে সংঘাত হয়। এতে কোনো হতাহতের ঘটনা না ঘটলেও হাতাহাতির বেশকিছু ভিডিওচিত্র দুপুরের পরপরই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়ে।
ভিডিওচিত্রে দেখা যায়, মহানগর বিএনপি নেত্রী নাসরিন কজন কর্মী-সমর্থকদের নিয়ে শহীদ বেদির সম্মুখে তর্কে লিপ্ত হন। এসময় তার চারদিকে বরিশাল সদর আসনের এমপি প্রার্থী মজিবর রহমান সরোয়ারের অনুসারীরা দাঁড়িয়ে ছিলেন। এবং তাদের মধ্যেকার একজন বরিশাল মহানগর বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি তরিকুল ইসলাম তারেক উত্তেজিত সকলকে সরিয়ে দিতে ভূমিকা রাখেন।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, রোববার বেলা সাড়ে ১২টার দিকে সরোয়ার অনুসারী বরিশাল মহানগর ছাত্রদলের সহ-সভাপতি তরিকুল ইসলাম তারেক এবং সাধারণ সম্পাদক হুমায়ন কবির কর্মী-সমর্থকদের নিয়ে শহীদ বেদিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করতে যান। এবং শহীদ বেদিতে ফুলেল শ্রদ্ধা জানানো শেষে তারা বের হচ্ছিলেন, এমন সময় বরিশাল মহানগর বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আফরোজা খানম নাসরিন তার কর্মী-অনুসারীদের নিয়ে ফুলসমেত সেখানে প্রবেশ করছিলেন। তখন দুটি গ্রুপকে তর্কবিতর্ক এবং হাতাহাতির একপর্যায়ে সংঘাতে জড়িয়ে পড়তে দেখা যায়।
জানা গেছে, এই সংঘাতের কিছুক্ষণ আগেই শহীদ বেদিতে ফুল দিয়ে জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তানদের শ্রদ্ধা জানিয়েছেন বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা মজিবর রহমান সরোয়ার। তার সাথে ছিলেন বিএনপির বিভাগীয় সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক অ্যাডভোকেট বিলকিস জাহান শিরিনসহ জেলা ও মহানগর বরিশাল বিএনপির শীর্ষস্থানীয় নেতৃত্ব।
বিএনপি নেত্রী নাসরিন সাংবাদিকদের কাছে অভিযোগ করেন, তিনি শহীদ বেদিতে শ্রদ্ধা জানতে প্রবেশ করার প্রাক্কালে মহানগর ছাত্রদলের সহ-সভাপতি তরিকুল ইসলাম তারেকের নেতৃত্বে লোকজন নিয়ে তার ওপর হামলা করা হয়। এতে তার কজন কর্মী-সমর্থক আহত হয়েছেন এবং ফুলের চাক ভেঙে যায়। এই ঘটনায় তিনি আইনগত পদক্ষেপ নেওয়ার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছেন।
তবে বিএনপি নেত্রীর ওপর হামলার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন তরিকুল ইসলাম তারেক। এই ছাত্রনেতার দাবি, তিনি মজিবর রহমান সরোয়ারের সাথে শ্রদ্ধা জানতে শহীদ বেদিতে গিয়েছিলেন। সেখানে আনুষ্ঠানিকতা শেষে নেতা সরোয়ারসহ শীর্ষস্থানীয় নেতৃত্ব দ্রুত স্থান ত্যাগ করেন। এর কয়েক মিনিটের মাথায় বিএনপি নেত্রী নাসরিন কর্মী-সমর্থকদের নিয়ে বেদিতে প্রবেশ করেন। তখন তার কর্মীদের সাথে নাসরিন অনুসারীদের হাতাহাতি হলে তিনি ভূমিকা রেখে পরিস্থিতি শান্ত করার চেষ্টা করেন।
খোদ শহীদ বেদিতে শ্রদ্ধা জানতে গিয়ে সংঘাতের এই ঘটনায় বিভাজিত দুটি গ্রুপ সংঘাতে জড়ানোর বিষয়টিকে অপ্রত্যাশিত বলে অভিহিত করেছেন কেন্দ্রীয় বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক (বরিশাল) বিলকিস আক্তার জাহান শিরিন। তিনি বরিশালটাইমসকে বলেন, কর্মীদের মধ্যেকার তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেছে। পরবর্তীতে শীর্ষস্থানীয় নেতারা একত্রে বসে বিষয়টিতে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবেন।
তবে এই সংঘাতের ঘটনা সম্পর্কে বিস্তারিত অবগত নন বলে জানিয়েছেন বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ও বরিশাল সদর আসনের ধানের শীষের প্রার্থী মজিবর রহমান সরোয়ার। এই বর্ষীয়াণ নেতা বরিশালটাইমসকে বলেন, ঘটনার পরে বিভিন্ন মাধ্যম খন্ড খন্ড তথ্য তাকে অবহিত করেছে। পরবর্তীতে পুরো ঘটনা জেনে দলীয় নেতাদের সাথে আলোচনা করে ব্যবস্থাগ্রহণে হাইকমান্ডকে অবহিত করা হবে।’

২৮ জানুয়ারি, ২০২৬ ২০:২২
বরিশাল মেট্রোপলিটন (বিএমপি) পুলিশের কমিশনার মোঃ শফিকুল ইসলাম প্রশংসায় ভাসছেন নগরবাসীর। গত (২৯ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ পুলিশের উপ-পুলিশ মহাপরিদর্শক (ডিআইজি) মোঃ শফিকুল ইসলাম,(বিএমপি) পুলিশের কমিশনার দায়িত্ব গ্রহণ করেন।
তিনি দায়িত্ব গ্রহণ করেই,নগরবাসীর নিরাপত্তা,আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি,মাদক ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে আইনগত পদক্ষেপ, কিশোর গ্যাং,ছিনতাইকারীসহ বিভিন্ন বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ দিক-নির্দেশনা প্রদান করেন।
পুলিশ কমিশনার নির্দেশনায়,মাদকের স্পটগুলো (মাদকমুক্ত) নগরীতে রুপ নিয়েছে। নগরীর অর্ধশত স্পটে প্রকাশ্যে ইয়াবা ও গাঁজা বিক্রি বন্ধ করা সম্ভব হয়েছে।
বিনোদন কেন্দ্রগুলোর আশপাশে হরহামেশাই চলতে মাদক সেবন। ত্রিশ গোডাউন,বেলসপার্কের হ্যালিপ্যাড, কেডিসি, মুক্তিযোদ্ধা পার্ক, রসুলপুর, পলাশপুর, বেলতলা, লামছড়িসহ বিভিন্ন জায়গায় মাদক বিক্রি ও সেবন করতে প্রকাশ্যে।
তিনি গভীর রাতে নগরীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে আকস্মিক পরিদর্শন করেন (বিএমপি) কমিশনার মো. শফিকুল ইসলাম। এ সময় তিনি চেকপোস্টের নিরাপত্তা ব্যবস্থা সরেজমিনে তদারকি করেন এবং রাত্রীকালীন নিরাপত্তা জোরদারের নির্দেশনা প্রদান করেন।
কমিশনার শফিকুল ইসলাম নথুল্লাবাদ কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনালসহ বিভিন্ন পাবলিক প্লেসে পথচারী, দুরপাল্লার লঞ্চ ও নাইটকোচ যাত্রীদের সঙ্গে কথা বলেন। যাত্রাপথে সংঘটিত বিভিন্ন অপরাধ সম্পর্কে সচেতনতা বাড়ানোর পাশাপাশি ভ্রমণ নিরাপত্তায় করণীয় বিষয়ে দিকনির্দেশনা দেন।
বরিশাল মেট্রোপলিটন (বিএমপি) পুলিশের কমিশনার মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, ‘সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রেখে জনগণের দোরগোড়ায় পুলিশি সেবা পৌঁছে দিতে বিএমপি নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। মাদক ও সন্ত্রাস প্রতিরোধে স্থানীয়দের সহযোগিতা কামনা করেন তিনি।

২৮ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৭:৪৭

২৮ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৬:৩৭
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমীর ডা. শফিকুর রহমানের বরিশালের মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলায় আগমনকে কেন্দ্র করে জনসভাস্থল পাতারহাট আরসি কলেজ মাঠ পরিদর্শন করেছেন জামায়াতে ইসলামীর জেলা শাখার আমির অধ্যাপক মোহাম্মদ আবদুল জব্বারের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দল।
বুধবার (২৮ জানুয়ারি) দুপুরে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, জনসভাস্থলের মাঠ পরিদর্শনের সময় বরিশাল জেলা জামায়াতের নায়েবে আমীর ড. মাহফুজুর রহমান, বরিশাল প্রেসক্লাবের সভাপতি অধ্যক্ষ আমিনুল ইসলাম খসরু, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ জামায়াতের মজলিশে শুরা সদস্য সগির বিন সাঈদ, জেলা শ্রমিক কল্যান ফেডারেশনের সভাপতি অ্যাডভোকেট জহির উদ্দিন ইয়ামিন, জেলা জামায়াতের কর্মপরিষদ সদস্য আলহাজ এম সাইফুর রহমান, নুরুল হক সোহরাব, জেলা ছাত্রশিবিরের সাবেক সভাপতি আকবর হোসেন, মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলা জামায়াতের আমীর মাওলানা শহিদুল ইসলাম, হিজলা উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারী সৈয়দ গুলজার আলমসহ জেলা ও উপজেলার বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দরা উপস্থিত ছিলেন।
এসময় বরিশাল-৪ আসনের দাঁড়িপাল্লা মার্কার প্রার্থী অধ্যাপক আব্দুল জব্বার বলেন, আগামী ৬ ফেব্রুয়ারী আমিরে জামায়াত ডা. শফিকুর রহমানের আগমনকে কেন্দ্র করে ইতোমধ্যে ব্যাপক প্রস্তুতি গ্রহন করা হয়েছে। তিনি আরও বলেন, জনসভায় এতো বেশি লোকের সমাগম ঘটবে শেষপর্যন্ত আরসি কলেজ মাঠে আমরা জায়গা দিয়ে কিভাবে সামাল দিবো তা ভেবে দেখা হচ্ছে।
বরিশাল মেট্রোপলিটন (বিএমপি) পুলিশের কমিশনার মোঃ শফিকুল ইসলাম প্রশংসায় ভাসছেন নগরবাসীর। গত (২৯ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ পুলিশের উপ-পুলিশ মহাপরিদর্শক (ডিআইজি) মোঃ শফিকুল ইসলাম,(বিএমপি) পুলিশের কমিশনার দায়িত্ব গ্রহণ করেন।
তিনি দায়িত্ব গ্রহণ করেই,নগরবাসীর নিরাপত্তা,আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি,মাদক ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে আইনগত পদক্ষেপ, কিশোর গ্যাং,ছিনতাইকারীসহ বিভিন্ন বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ দিক-নির্দেশনা প্রদান করেন।
পুলিশ কমিশনার নির্দেশনায়,মাদকের স্পটগুলো (মাদকমুক্ত) নগরীতে রুপ নিয়েছে। নগরীর অর্ধশত স্পটে প্রকাশ্যে ইয়াবা ও গাঁজা বিক্রি বন্ধ করা সম্ভব হয়েছে।
বিনোদন কেন্দ্রগুলোর আশপাশে হরহামেশাই চলতে মাদক সেবন। ত্রিশ গোডাউন,বেলসপার্কের হ্যালিপ্যাড, কেডিসি, মুক্তিযোদ্ধা পার্ক, রসুলপুর, পলাশপুর, বেলতলা, লামছড়িসহ বিভিন্ন জায়গায় মাদক বিক্রি ও সেবন করতে প্রকাশ্যে।
তিনি গভীর রাতে নগরীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে আকস্মিক পরিদর্শন করেন (বিএমপি) কমিশনার মো. শফিকুল ইসলাম। এ সময় তিনি চেকপোস্টের নিরাপত্তা ব্যবস্থা সরেজমিনে তদারকি করেন এবং রাত্রীকালীন নিরাপত্তা জোরদারের নির্দেশনা প্রদান করেন।
কমিশনার শফিকুল ইসলাম নথুল্লাবাদ কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনালসহ বিভিন্ন পাবলিক প্লেসে পথচারী, দুরপাল্লার লঞ্চ ও নাইটকোচ যাত্রীদের সঙ্গে কথা বলেন। যাত্রাপথে সংঘটিত বিভিন্ন অপরাধ সম্পর্কে সচেতনতা বাড়ানোর পাশাপাশি ভ্রমণ নিরাপত্তায় করণীয় বিষয়ে দিকনির্দেশনা দেন।
বরিশাল মেট্রোপলিটন (বিএমপি) পুলিশের কমিশনার মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, ‘সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রেখে জনগণের দোরগোড়ায় পুলিশি সেবা পৌঁছে দিতে বিএমপি নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। মাদক ও সন্ত্রাস প্রতিরোধে স্থানীয়দের সহযোগিতা কামনা করেন তিনি।
যাদের জন্ম নদীতে, সংসার নৌকায় আর জীবন কাটে ঢেউয়ের সঙ্গে লড়াই করে; সেই মান্তা সম্প্রদায়ের কাছে ‘রাষ্ট্র’ কিংবা ‘সরকার’ ছিল এতদিন কেবলই ধোঁয়াশা। নাগরিকত্বের স্বাদহীন কয়েক প্রজন্মের বঞ্চনা পেরিয়ে এবার ইতিহাসের নতুন অধ্যায় লিখতে যাচ্ছেন তারা। আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বরিশালের সহস্রাধিক মান্তা মানুষ প্রথমবারের মতো তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে যাচ্ছেন।
বরিশাল সদর উপজেলার টুঙ্গিবাড়িয়া ইউনিয়নের লাহারহাটে বসবাস করেন ১৭৯টি মান্তা পরিবারের প্রায় চারশ মানুষ। এদের মধ্যে শতাধিক ব্যক্তি এবার নতুন ভোটার হয়েছেন। এই সম্প্রদায়ের সর্দার জাকির হোসেন জানান, আগে ভোট আসত আর যেত, কিন্তু ডাঙার মানুষের মতো নাগরিক সুযোগ-সুবিধা তাদের কাছে ছিল কল্পনাতীত।
তিনি বলেন, কখনও কোনো প্রার্থী আমাদের খোঁজ নিতে আসত না। এবার আমরা ভোটার হয়েছি। আমরা এমন প্রার্থীকে বেছে নেব, যিনি আমাদের দুঃখ-কষ্টের কথা বুঝবেন।
নতুন ভোটার হওয়া আলমগীর শোনালেন তিক্ত অভিজ্ঞতার কথা। তিনি বলেন, নৌকায় ফিরতে রাত হলে ডাঙায় পুলিশ ধরলে পরিচয়পত্র দেখাতে পারতাম না, ফলে চরম হয়রানির শিকার হতে হতো। জাতীয় পরিচয়পত্র পাওয়ায় এখন অন্তত বুক ফুলিয়ে নিজের পরিচয় দিতে পারব।
অন্যদিকে, ষাটোর্ধ্ব সামিরন বিবি জানান তাদের মৌলিক সংকটের কথা। নদীতে মাছ কমে যাওয়ায় অভাব এখন নিত্যসঙ্গী। মারা গেলে দাফনের জায়গাটুকুও সহজে মেলে না। তাই যে প্রার্থী এই সংকট দূর করবে, তাকেই তারা সংসদে পাঠাতে চান।
বরিশাল জেলা নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, বেসরকারি একটি প্রতিষ্ঠান মান্তাদের নিয়ে দীর্ঘ বছর কাজ করে আসছে। তাদের চেষ্টা ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের সহায়তায় এই জনগোষ্ঠীর প্রায় হাজারের বেশি মানুষ নাগরিকত্ব লাভ করেছেন।
মান্তা সম্প্রদায়কে মূলধারায় সম্পৃক্ত করতে দীর্ঘদিন ধরে কাজ করছে বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা চন্দ্রদ্বীপ ডেভেলপমেন্ট সোসাইটি। সংস্থাটির প্রকল্প সমন্বয়কারী মহানন্দ দাস জানান, মান্তাদের ভোটার করাটাই ছিল সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। তারা জাতীয় পরিচয়পত্রের গুরুত্বই বুঝত না। বারবার তাদের কাছে গিয়ে নাগরিকত্বের বিষয়ে সচেতন করতে হয়েছে।
এখানকার প্রকল্প সমন্বয়কারী মহানন্দ দাস তিনি জানান, মান্তাদের ভোটার করাটাই ছিল বড় চ্যালেঞ্জের। অনীহা ছিল তাদের নিজেদেরই। কারণ হিসেবে তিনি উল্লেখ করেন- মান্তারা জাতীয় পরিচয়পত্র কী সেটাই জানত না। তাদের এর সুফল বোঝাতেই সময় লেগেছে সবচে বেশি। একাধিকবার তাদের কাছে গিয়ে নাগরিকত্বের বিষয়ে জানাতে হয়েছে।
তবে আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মান্তা সম্প্রদায়ের ভোট গুরুত্ব রাখবে জানিয়ে সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) বরিশালের সম্পাদক রফিকুল ইসলাম বলেন, যে সকল প্রার্থীরা নির্বাচনে অংশ নিয়েছেন তাদের ইশতেহারে অবশ্যই এই মান্তা সম্প্রদায়ের উন্নয়নে করণীয় কী সেটি সুনিদৃষ্টভাবে উল্লেখ থাকতে হবে।
তিনি আরো বলেন, 'যে সকল প্রার্থী এই গোষ্ঠীর ভোটকে নিজের দিকে টানতে পারবেন তার জয়ের সম্ভাবনা অনেকটাই এগিয়ে থাকবে।'
যাদের জন্ম নদীতে, সংসার নৌকায় আর জীবন কাটে ঢেউয়ের সঙ্গে লড়াই করে; সেই মান্তা সম্প্রদায়ের কাছে ‘রাষ্ট্র’ কিংবা ‘সরকার’ ছিল এতদিন কেবলই ধোঁয়াশা। নাগরিকত্বের স্বাদহীন কয়েক প্রজন্মের বঞ্চনা পেরিয়ে এবার ইতিহাসের নতুন অধ্যায় লিখতে যাচ্ছেন তারা। আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বরিশালের সহস্রাধিক মান্তা মানুষ প্রথমবারের মতো তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে যাচ্ছেন।
বরিশাল সদর উপজেলার টুঙ্গিবাড়িয়া ইউনিয়নের লাহারহাটে বসবাস করেন ১৭৯টি মান্তা পরিবারের প্রায় চারশ মানুষ। এদের মধ্যে শতাধিক ব্যক্তি এবার নতুন ভোটার হয়েছেন। এই সম্প্রদায়ের সর্দার জাকির হোসেন জানান, আগে ভোট আসত আর যেত, কিন্তু ডাঙার মানুষের মতো নাগরিক সুযোগ-সুবিধা তাদের কাছে ছিল কল্পনাতীত।
তিনি বলেন, কখনও কোনো প্রার্থী আমাদের খোঁজ নিতে আসত না। এবার আমরা ভোটার হয়েছি। আমরা এমন প্রার্থীকে বেছে নেব, যিনি আমাদের দুঃখ-কষ্টের কথা বুঝবেন।
নতুন ভোটার হওয়া আলমগীর শোনালেন তিক্ত অভিজ্ঞতার কথা। তিনি বলেন, নৌকায় ফিরতে রাত হলে ডাঙায় পুলিশ ধরলে পরিচয়পত্র দেখাতে পারতাম না, ফলে চরম হয়রানির শিকার হতে হতো। জাতীয় পরিচয়পত্র পাওয়ায় এখন অন্তত বুক ফুলিয়ে নিজের পরিচয় দিতে পারব।
অন্যদিকে, ষাটোর্ধ্ব সামিরন বিবি জানান তাদের মৌলিক সংকটের কথা। নদীতে মাছ কমে যাওয়ায় অভাব এখন নিত্যসঙ্গী। মারা গেলে দাফনের জায়গাটুকুও সহজে মেলে না। তাই যে প্রার্থী এই সংকট দূর করবে, তাকেই তারা সংসদে পাঠাতে চান।
বরিশাল জেলা নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, বেসরকারি একটি প্রতিষ্ঠান মান্তাদের নিয়ে দীর্ঘ বছর কাজ করে আসছে। তাদের চেষ্টা ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের সহায়তায় এই জনগোষ্ঠীর প্রায় হাজারের বেশি মানুষ নাগরিকত্ব লাভ করেছেন।
মান্তা সম্প্রদায়কে মূলধারায় সম্পৃক্ত করতে দীর্ঘদিন ধরে কাজ করছে বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা চন্দ্রদ্বীপ ডেভেলপমেন্ট সোসাইটি। সংস্থাটির প্রকল্প সমন্বয়কারী মহানন্দ দাস জানান, মান্তাদের ভোটার করাটাই ছিল সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। তারা জাতীয় পরিচয়পত্রের গুরুত্বই বুঝত না। বারবার তাদের কাছে গিয়ে নাগরিকত্বের বিষয়ে সচেতন করতে হয়েছে।
এখানকার প্রকল্প সমন্বয়কারী মহানন্দ দাস তিনি জানান, মান্তাদের ভোটার করাটাই ছিল বড় চ্যালেঞ্জের। অনীহা ছিল তাদের নিজেদেরই। কারণ হিসেবে তিনি উল্লেখ করেন- মান্তারা জাতীয় পরিচয়পত্র কী সেটাই জানত না। তাদের এর সুফল বোঝাতেই সময় লেগেছে সবচে বেশি। একাধিকবার তাদের কাছে গিয়ে নাগরিকত্বের বিষয়ে জানাতে হয়েছে।
তবে আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মান্তা সম্প্রদায়ের ভোট গুরুত্ব রাখবে জানিয়ে সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) বরিশালের সম্পাদক রফিকুল ইসলাম বলেন, যে সকল প্রার্থীরা নির্বাচনে অংশ নিয়েছেন তাদের ইশতেহারে অবশ্যই এই মান্তা সম্প্রদায়ের উন্নয়নে করণীয় কী সেটি সুনিদৃষ্টভাবে উল্লেখ থাকতে হবে।
তিনি আরো বলেন, 'যে সকল প্রার্থী এই গোষ্ঠীর ভোটকে নিজের দিকে টানতে পারবেন তার জয়ের সম্ভাবনা অনেকটাই এগিয়ে থাকবে।'
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমীর ডা. শফিকুর রহমানের বরিশালের মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলায় আগমনকে কেন্দ্র করে জনসভাস্থল পাতারহাট আরসি কলেজ মাঠ পরিদর্শন করেছেন জামায়াতে ইসলামীর জেলা শাখার আমির অধ্যাপক মোহাম্মদ আবদুল জব্বারের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দল।
বুধবার (২৮ জানুয়ারি) দুপুরে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, জনসভাস্থলের মাঠ পরিদর্শনের সময় বরিশাল জেলা জামায়াতের নায়েবে আমীর ড. মাহফুজুর রহমান, বরিশাল প্রেসক্লাবের সভাপতি অধ্যক্ষ আমিনুল ইসলাম খসরু, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ জামায়াতের মজলিশে শুরা সদস্য সগির বিন সাঈদ, জেলা শ্রমিক কল্যান ফেডারেশনের সভাপতি অ্যাডভোকেট জহির উদ্দিন ইয়ামিন, জেলা জামায়াতের কর্মপরিষদ সদস্য আলহাজ এম সাইফুর রহমান, নুরুল হক সোহরাব, জেলা ছাত্রশিবিরের সাবেক সভাপতি আকবর হোসেন, মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলা জামায়াতের আমীর মাওলানা শহিদুল ইসলাম, হিজলা উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারী সৈয়দ গুলজার আলমসহ জেলা ও উপজেলার বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দরা উপস্থিত ছিলেন।
এসময় বরিশাল-৪ আসনের দাঁড়িপাল্লা মার্কার প্রার্থী অধ্যাপক আব্দুল জব্বার বলেন, আগামী ৬ ফেব্রুয়ারী আমিরে জামায়াত ডা. শফিকুর রহমানের আগমনকে কেন্দ্র করে ইতোমধ্যে ব্যাপক প্রস্তুতি গ্রহন করা হয়েছে। তিনি আরও বলেন, জনসভায় এতো বেশি লোকের সমাগম ঘটবে শেষপর্যন্ত আরসি কলেজ মাঠে আমরা জায়গা দিয়ে কিভাবে সামাল দিবো তা ভেবে দেখা হচ্ছে।