
১৪ ডিসেম্বর, ২০২৫ ১১:৪৭
ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র ও ঢাকা-৮ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী শরীফ ওসমান বিন হাদিকে হত্যাচেষ্টায় ব্যবহৃত মোটরসাইকেল শনাক্ত করা হয়েছে। সেই সঙ্গে মোটরসাইকেলের মালিককে গ্রেফতার করেছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব)।
রোববার (১৪ ডিসেম্বর) রাজধানীর মোহাম্মদপুর থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে র্যাব। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন র্যাবের লিগ্যাল অ্যান্ড মিডিয়া উইংয়ের পরিচালক উইং কমান্ডার এমজেডএম ইন্তেখাব চৌধুরী।
র্যাব জানায়, রাজধানীর মোহাম্মদপুর এলাকা থেকে আব্দুল হান্নানকে গ্রেফতার করা হয়। পরে তাকে পল্টন থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। ওসমান হাদিকে হামলায় ব্যবহৃত মোটরসাইকেলটির নম্বর ৫৪-৬৩৭৫ বলেও জানায় র্যাব।
গ্রেফতারকৃত হান্নানের বাবার নাম মো. আবুল কাশেম। তার বাড়ি চাঁপাইনবাবগঞ্জে। র্যাব আরও জানায়, হামলার ঘটনায় হান্নান সরাসরি জড়িত কিনা, তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।
এদেক শনিবার (১৩ ডিসেম্বর) রাতে শরিফ ওসমান হাদির চিকিৎসায় গঠিত মেডিকেল বোর্ড থেকে এক বিবৃতিতে জানানো হয় এভারকেয়ার হাসপাতালের ক্রিটিকাল কেয়ার ইউনিটে ভর্তি আছেন তিনি। মেডিকেল বোর্ড জানায়, ওসমান হাদির শারীরিক অবস্থা এখনো আশঙ্কাজনক। মস্তিষ্ক মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, ফুসফুসে ইনজুরি বিদ্যমান। তবে তার কিডনির কার্যক্ষমতা বর্তমানে ফিরে এসেছে।
বিবৃতিতে মেডিকেল আরও জানায়, গুলিবিদ্ধ ওসমান হাদির মস্তিষ্ক মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। যেহেতু সার্জিক্যাল হস্তক্ষেপ সম্পন্ন হয়েছে, তাই বর্তমানে তাকে কনজারভেটিভ ম্যানেজমেন্টে রাখা হয়েছে। ব্রেন প্রোটেকশন প্রটোকল অনুসরণ করে প্রয়োজনীয় সব সাপোর্ট চালু থাকবে। শারীরিক অবস্থা কিছুটা স্থিতিশীল হলে পুনরায় ব্রেনের সিটি স্ক্যান করা হতে পারে।
ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র ও ঢাকা-৮ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী শরীফ ওসমান বিন হাদিকে হত্যাচেষ্টায় ব্যবহৃত মোটরসাইকেল শনাক্ত করা হয়েছে। সেই সঙ্গে মোটরসাইকেলের মালিককে গ্রেফতার করেছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব)।
রোববার (১৪ ডিসেম্বর) রাজধানীর মোহাম্মদপুর থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে র্যাব। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন র্যাবের লিগ্যাল অ্যান্ড মিডিয়া উইংয়ের পরিচালক উইং কমান্ডার এমজেডএম ইন্তেখাব চৌধুরী।
র্যাব জানায়, রাজধানীর মোহাম্মদপুর এলাকা থেকে আব্দুল হান্নানকে গ্রেফতার করা হয়। পরে তাকে পল্টন থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। ওসমান হাদিকে হামলায় ব্যবহৃত মোটরসাইকেলটির নম্বর ৫৪-৬৩৭৫ বলেও জানায় র্যাব।
গ্রেফতারকৃত হান্নানের বাবার নাম মো. আবুল কাশেম। তার বাড়ি চাঁপাইনবাবগঞ্জে। র্যাব আরও জানায়, হামলার ঘটনায় হান্নান সরাসরি জড়িত কিনা, তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।
এদেক শনিবার (১৩ ডিসেম্বর) রাতে শরিফ ওসমান হাদির চিকিৎসায় গঠিত মেডিকেল বোর্ড থেকে এক বিবৃতিতে জানানো হয় এভারকেয়ার হাসপাতালের ক্রিটিকাল কেয়ার ইউনিটে ভর্তি আছেন তিনি। মেডিকেল বোর্ড জানায়, ওসমান হাদির শারীরিক অবস্থা এখনো আশঙ্কাজনক। মস্তিষ্ক মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, ফুসফুসে ইনজুরি বিদ্যমান। তবে তার কিডনির কার্যক্ষমতা বর্তমানে ফিরে এসেছে।
বিবৃতিতে মেডিকেল আরও জানায়, গুলিবিদ্ধ ওসমান হাদির মস্তিষ্ক মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। যেহেতু সার্জিক্যাল হস্তক্ষেপ সম্পন্ন হয়েছে, তাই বর্তমানে তাকে কনজারভেটিভ ম্যানেজমেন্টে রাখা হয়েছে। ব্রেন প্রোটেকশন প্রটোকল অনুসরণ করে প্রয়োজনীয় সব সাপোর্ট চালু থাকবে। শারীরিক অবস্থা কিছুটা স্থিতিশীল হলে পুনরায় ব্রেনের সিটি স্ক্যান করা হতে পারে।

২৮ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৯:৪২
শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী-ঝিনাইগাতী) আসনে নির্বাচনী ইশতেহার পাঠ অনুষ্ঠানে মঞ্চে বসাকে কেন্দ্র করে বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে অন্তত ৩০ জন আহতের খবর পাওয়া গেছে। বুধবার (২৮ জানুয়ারি) দুপুরে ঝিনাইগাতী উপজেলা মিনি স্টেডিয়াম মাঠে উপজেলা প্রশাসন আয়োজিত অনুষ্ঠানে এ ঘটনা ঘটে।
উপজেলা প্রশাসন ও স্থানীয়রা জানান, বুধবার সকালে প্রমাসনের আয়োজনে নির্বাচনী ইশতেহার পাঠের নির্ধারিত দিনক্ষণ ছিল। এই অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে সকাল থেকে বিভিন্ন দলের প্রার্থীরা অনুষ্ঠানস্থলে হাজির হন। দুপুরের দিকে অনুষ্ঠান শুরুর মুহূর্তে স্থানীয় বিএনপি ও জামায়াতের কয়েকজন কর্মী-সমর্থকরা সমানে সারিতে চেয়ার বসতে না পেরে হট্টগোল শুরু করেন।
এসময় কথা কাটাটির একপর্যায়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন দুই পক্ষের নেতাকর্মীরা এবং দুপক্ষের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া শুরু হয়। এ সময় মঞ্চের সামনে রাখা কয়েকশ চেয়ার ভাঙচুর করে। ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও সংঘর্ষ চলাকালে দুই পক্ষের অন্তত ৩০ জন আহতের খবর পাওয়া গেছে।
জামায়াতের মনোনীত প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদলের অভিযোগ করে বলেন, ‘পূর্ব পরিকল্পিতভাবে বিএনপি ও তাদের সমর্থকরা আমাদের কর্মী-সমর্থকদের ওপর হামলা করে। এতে আমাদের দলের কমপক্ষে ১৫ জন কর্মী-সমর্থক আহত হয়েছে। আমরা প্রশাসনের কাছে এর সুষ্ঠু বিচার দাবি করছি।’
বিএনপির মনোনীত ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী মাহমুদুল হক রুবেল বলেন, ‘উগ্রবাদী জঙ্গি জামাতিরা পরিকল্পিতভাবে ষড়যন্ত্র করছে। তারা দেশকে বিশৃঙ্খলা তৈরি করতে চাচ্ছে। এরই ধারাবাহিকতায় ঝিনাইগাতীর ইশতেহার অনুষ্ঠান শুরুর প্রাক্কালে পূর্ব প্রস্তুতি নিয়ে হামলা চালিয়েছে। এতে আমাদের দলের অনেক নেতাকর্মী আহত হয়েছে। বর্তমানে তারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি রয়েছেন।’
ঝিনাইগাতী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা আশরাফুল আলম রাসেল সাংবাদিকদের জানান, সকল প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের নিয়ে আমরা ইশতেহার অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছিলাম। কিন্তু সেখানে বসাকে কেন্দ্র করে একটু ঝামেলা হয়েছে। পরিস্থিতি আমরা নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করছি। একইসঙ্গে এ ঘটনাটি আমরা ঊর্ধ্বতনকে জানিয়েছি। এ ঘটনায় পরবর্তী যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
শেরপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) মো. মিজানুর রহমান ভূঁঞা জানান, পুলিশ ও সেনাবাহিনী যৌথভাবে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনেছে। বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। এ ঘটনায় এখনো কোনো মামলা হয়নি। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী-ঝিনাইগাতী) আসনে নির্বাচনী ইশতেহার পাঠ অনুষ্ঠানে মঞ্চে বসাকে কেন্দ্র করে বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে অন্তত ৩০ জন আহতের খবর পাওয়া গেছে। বুধবার (২৮ জানুয়ারি) দুপুরে ঝিনাইগাতী উপজেলা মিনি স্টেডিয়াম মাঠে উপজেলা প্রশাসন আয়োজিত অনুষ্ঠানে এ ঘটনা ঘটে।
উপজেলা প্রশাসন ও স্থানীয়রা জানান, বুধবার সকালে প্রমাসনের আয়োজনে নির্বাচনী ইশতেহার পাঠের নির্ধারিত দিনক্ষণ ছিল। এই অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে সকাল থেকে বিভিন্ন দলের প্রার্থীরা অনুষ্ঠানস্থলে হাজির হন। দুপুরের দিকে অনুষ্ঠান শুরুর মুহূর্তে স্থানীয় বিএনপি ও জামায়াতের কয়েকজন কর্মী-সমর্থকরা সমানে সারিতে চেয়ার বসতে না পেরে হট্টগোল শুরু করেন।
এসময় কথা কাটাটির একপর্যায়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন দুই পক্ষের নেতাকর্মীরা এবং দুপক্ষের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া শুরু হয়। এ সময় মঞ্চের সামনে রাখা কয়েকশ চেয়ার ভাঙচুর করে। ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও সংঘর্ষ চলাকালে দুই পক্ষের অন্তত ৩০ জন আহতের খবর পাওয়া গেছে।
জামায়াতের মনোনীত প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদলের অভিযোগ করে বলেন, ‘পূর্ব পরিকল্পিতভাবে বিএনপি ও তাদের সমর্থকরা আমাদের কর্মী-সমর্থকদের ওপর হামলা করে। এতে আমাদের দলের কমপক্ষে ১৫ জন কর্মী-সমর্থক আহত হয়েছে। আমরা প্রশাসনের কাছে এর সুষ্ঠু বিচার দাবি করছি।’
বিএনপির মনোনীত ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী মাহমুদুল হক রুবেল বলেন, ‘উগ্রবাদী জঙ্গি জামাতিরা পরিকল্পিতভাবে ষড়যন্ত্র করছে। তারা দেশকে বিশৃঙ্খলা তৈরি করতে চাচ্ছে। এরই ধারাবাহিকতায় ঝিনাইগাতীর ইশতেহার অনুষ্ঠান শুরুর প্রাক্কালে পূর্ব প্রস্তুতি নিয়ে হামলা চালিয়েছে। এতে আমাদের দলের অনেক নেতাকর্মী আহত হয়েছে। বর্তমানে তারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি রয়েছেন।’
ঝিনাইগাতী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা আশরাফুল আলম রাসেল সাংবাদিকদের জানান, সকল প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের নিয়ে আমরা ইশতেহার অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছিলাম। কিন্তু সেখানে বসাকে কেন্দ্র করে একটু ঝামেলা হয়েছে। পরিস্থিতি আমরা নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করছি। একইসঙ্গে এ ঘটনাটি আমরা ঊর্ধ্বতনকে জানিয়েছি। এ ঘটনায় পরবর্তী যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
শেরপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) মো. মিজানুর রহমান ভূঁঞা জানান, পুলিশ ও সেনাবাহিনী যৌথভাবে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনেছে। বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। এ ঘটনায় এখনো কোনো মামলা হয়নি। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

২৮ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৬:৫১
নোয়াখালীর সোনাইমুড়ীর বারগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের ভোটের চার বছর পর চেয়ারম্যান হলেন অধ্যক্ষ মাওলানা সাইয়েদ আহমদ নামে এক জামায়াত নেতা।
দীর্ঘ আইনি প্রক্রিয়া শেষে মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) বিকেলে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে তাকে শপথবাক্য পাঠ করান জেলা প্রশাসক মুহাম্মদ শফিকুল ইসলাম।
নবনির্বাচিত চেয়ারম্যান মাওলানা সাইয়েদ আহমদ জামায়াতে কেন্দ্রীয় মজলিশে শূরা সদস্য ও নোয়াখালী জেলা জামায়াতের নায়েবে আমির।
তিনি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নোয়াখালী-২ (সেনবাগ- সোনাইমুড়ী আংশিক) আসনে জামায়াতের প্রার্থী ছিলেন। পরে আসনটি জাতীয় নাগরিক পার্টিকে (এনসিপি) ছেড়ে দিয়ে মনোনয়ন প্রত্যাহার করেছেন।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ২০২২ সালের ৫ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত বারগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচনে মাওলানা সাইয়েদ আহমদ ‘চশমা’ প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন।
অভিযোগ রয়েছে, সবগুলো কেন্দ্রের প্রাথমিক ফলাফলে তিনি বিজয়ী হলেও উপজেলা পর্যায়ে ফলাফল বদলে দিয়ে তাকে পরাজিত দেখানো হয়। এ নির্বাচনে মাত্র ১১ ভোটের ব্যবধানে প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগ প্রার্থী মো. সামছুল আলমকে বিজয়ী ঘোষণা করেন নির্বাচন কর্মকর্তারা।
ভুক্তভোগী প্রার্থীর দাবি, পেশিশক্তি ব্যবহার করে জোরপূর্বক জনরায়কে পাল্টে দেওয়া হয়েছিল। পরে তিনি ফলাফল কারচুপির বিরুদ্ধে আদালতের দ্বারস্থ হন এবং ওই সময় মামলা দায়ের করেন।
দীর্ঘ সাড়ে তিন বছর আইনি প্রক্রিয়া শেষে গত বছরের ২৪ মে নোয়াখালী জেলা দায়রা জজ আদালতের সিনিয়র সহকারী জজ দেওয়ান মনিরুজ্জামান অধ্যক্ষ মাওলানা সাইয়েদ আহমদকে ৪৬৬ ভোটে বিজয়ী ঘোষণা করে রায় প্রদান করেন।
এদিকে গত বছরের ১০ ডিসেম্বর বিবাদী পক্ষ ওই রায়ের বিরুদ্ধে পুনরায় আপিল করলেও উচ্চতর আদালত পূর্বের রায়টি বহাল রেখে বিজয়ী মাওলানা সাইয়েদ আহমদকে শপথ পড়ানোর জন্য জেলা প্রশাসককে নির্দেশ দেন।
শপথ শেষে নবনির্বাচিত চেয়ারম্যান মাওলানা সাইয়েদ আহমদ বলেন, অন্যায়ের বিরুদ্ধে আজ সত্যের জয় হয়েছে। যে মামলা ছয় মাসে শেষ হওয়ার কথা ছিল, তা শেষ হতে চার বছর লেগে গেল। এতে আমার ইউনিয়নের ভোটাররা তাদের কাঙ্ক্ষিত সেবা থেকে বঞ্চিত হয়েছে।
চেয়ারম্যানের ছেলে অ্যাডভোকেট সাইফুল ইসলাম ফরহাদ এ জয়কে ‘ন্যায় ও ইনসাফের জয়’ হিসেবে অভিহিত করেছেন। তিনি বলেন, এ রায়ের মধ্য দিয়ে প্রমাণ হয়েছে ন্যায়বিচার এখনো মরে যায়নি। আমরা সেইসব কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে বিধি অনুযায়ী শাস্তি চাই।
শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে জেলা প্রশাসকের উপপরিচালক (স্থানীয় সরকার) ফেরদৌসী বেগম, সিনিয়র জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মোহাম্মদ সাদেকুল ইসলাম, সহকারী কমিশনার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মোসাদ্দেক হোসেন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
নোয়াখালীর সোনাইমুড়ীর বারগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের ভোটের চার বছর পর চেয়ারম্যান হলেন অধ্যক্ষ মাওলানা সাইয়েদ আহমদ নামে এক জামায়াত নেতা।
দীর্ঘ আইনি প্রক্রিয়া শেষে মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) বিকেলে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে তাকে শপথবাক্য পাঠ করান জেলা প্রশাসক মুহাম্মদ শফিকুল ইসলাম।
নবনির্বাচিত চেয়ারম্যান মাওলানা সাইয়েদ আহমদ জামায়াতে কেন্দ্রীয় মজলিশে শূরা সদস্য ও নোয়াখালী জেলা জামায়াতের নায়েবে আমির।
তিনি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নোয়াখালী-২ (সেনবাগ- সোনাইমুড়ী আংশিক) আসনে জামায়াতের প্রার্থী ছিলেন। পরে আসনটি জাতীয় নাগরিক পার্টিকে (এনসিপি) ছেড়ে দিয়ে মনোনয়ন প্রত্যাহার করেছেন।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ২০২২ সালের ৫ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত বারগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচনে মাওলানা সাইয়েদ আহমদ ‘চশমা’ প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন।
অভিযোগ রয়েছে, সবগুলো কেন্দ্রের প্রাথমিক ফলাফলে তিনি বিজয়ী হলেও উপজেলা পর্যায়ে ফলাফল বদলে দিয়ে তাকে পরাজিত দেখানো হয়। এ নির্বাচনে মাত্র ১১ ভোটের ব্যবধানে প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগ প্রার্থী মো. সামছুল আলমকে বিজয়ী ঘোষণা করেন নির্বাচন কর্মকর্তারা।
ভুক্তভোগী প্রার্থীর দাবি, পেশিশক্তি ব্যবহার করে জোরপূর্বক জনরায়কে পাল্টে দেওয়া হয়েছিল। পরে তিনি ফলাফল কারচুপির বিরুদ্ধে আদালতের দ্বারস্থ হন এবং ওই সময় মামলা দায়ের করেন।
দীর্ঘ সাড়ে তিন বছর আইনি প্রক্রিয়া শেষে গত বছরের ২৪ মে নোয়াখালী জেলা দায়রা জজ আদালতের সিনিয়র সহকারী জজ দেওয়ান মনিরুজ্জামান অধ্যক্ষ মাওলানা সাইয়েদ আহমদকে ৪৬৬ ভোটে বিজয়ী ঘোষণা করে রায় প্রদান করেন।
এদিকে গত বছরের ১০ ডিসেম্বর বিবাদী পক্ষ ওই রায়ের বিরুদ্ধে পুনরায় আপিল করলেও উচ্চতর আদালত পূর্বের রায়টি বহাল রেখে বিজয়ী মাওলানা সাইয়েদ আহমদকে শপথ পড়ানোর জন্য জেলা প্রশাসককে নির্দেশ দেন।
শপথ শেষে নবনির্বাচিত চেয়ারম্যান মাওলানা সাইয়েদ আহমদ বলেন, অন্যায়ের বিরুদ্ধে আজ সত্যের জয় হয়েছে। যে মামলা ছয় মাসে শেষ হওয়ার কথা ছিল, তা শেষ হতে চার বছর লেগে গেল। এতে আমার ইউনিয়নের ভোটাররা তাদের কাঙ্ক্ষিত সেবা থেকে বঞ্চিত হয়েছে।
চেয়ারম্যানের ছেলে অ্যাডভোকেট সাইফুল ইসলাম ফরহাদ এ জয়কে ‘ন্যায় ও ইনসাফের জয়’ হিসেবে অভিহিত করেছেন। তিনি বলেন, এ রায়ের মধ্য দিয়ে প্রমাণ হয়েছে ন্যায়বিচার এখনো মরে যায়নি। আমরা সেইসব কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে বিধি অনুযায়ী শাস্তি চাই।
শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে জেলা প্রশাসকের উপপরিচালক (স্থানীয় সরকার) ফেরদৌসী বেগম, সিনিয়র জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মোহাম্মদ সাদেকুল ইসলাম, সহকারী কমিশনার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মোসাদ্দেক হোসেন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

২৮ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৬:৩০
ফেনীতে গণভোটের প্রচার ও ভোটার উদ্বুদ্ধকরণে জেলা পর্যায়ে ‘ইমাম সম্মেলন-২০২৬’ অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার (২৮ জানুয়ারি) সকালে ইসলামী ফাউন্ডেশনের আয়োজনে ফেনী সরকারি কলেজ অডিটোরিয়ামে এ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা মনিরা হক।
ইসলামী ফাউন্ডেশন ফেনীর উপপরিচালক মো. নাজমুস সাকিবের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন ফেনীর পুলিশ সুপার শরিফুল ইসলাম, সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ কোরায়েত বিন করিম, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফেনী সদর সুলতানা নাসরিন কান্তা, জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মুহাম্মদ নাজিম উদ্দীন, জেলা তথ্য অফিসার এস এম আল আমিন।
বক্তারা বলেন, নির্বাচনকে সামনে রেখে দেশের প্রতিটি নাগরিকের ভোটাধিকার নিশ্চিত করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এক্ষেত্রে প্রতিটি মসজিদের ইমাম ও ধর্মীয় নেতাদের মাধ্যমে জনগণের মাঝে ভোটের গুরুত্ব ও সচেতনতা ছড়িয়ে দেওয়া সম্ভব।
কারণ সাধারণ মানুষ ইমামদের কথাকে অধিক গুরুত্ব দেয়। তাই আগামী নির্বাচনে ভোটারদের ভোটকেন্দ্রে যাওয়ার বিষয়ে উদ্বুদ্ধ করতে পারে একমাত্র ইমাম ও খতিবরা। এজন্য আমি গণভোট প্রচারে ইমাম ও ধর্মীয় নেতাদের সহযোগিতা চাই।
অনুষ্ঠানে ইসলামী ফাউন্ডেশন ফেনী জেলার হিসাবরক্ষক মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন ফেনী ফালাহিয়া মাদ্রাসার মুহাদদ্দিস মাও. নুর মোহাম্মদ, শশদী দারুল উলুম ইসলামিয়া মাদ্রাসার মুহতামিম মাওলানা ইসমাইল হায়দারসহ জেলার বিভিন্ন মসজিদের প্রায় ৫ শতাধিক ইমাম, খতিব, ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গ অংশগ্রহণ করেন।
ফেনীতে গণভোটের প্রচার ও ভোটার উদ্বুদ্ধকরণে জেলা পর্যায়ে ‘ইমাম সম্মেলন-২০২৬’ অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার (২৮ জানুয়ারি) সকালে ইসলামী ফাউন্ডেশনের আয়োজনে ফেনী সরকারি কলেজ অডিটোরিয়ামে এ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা মনিরা হক।
ইসলামী ফাউন্ডেশন ফেনীর উপপরিচালক মো. নাজমুস সাকিবের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন ফেনীর পুলিশ সুপার শরিফুল ইসলাম, সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ কোরায়েত বিন করিম, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফেনী সদর সুলতানা নাসরিন কান্তা, জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মুহাম্মদ নাজিম উদ্দীন, জেলা তথ্য অফিসার এস এম আল আমিন।
বক্তারা বলেন, নির্বাচনকে সামনে রেখে দেশের প্রতিটি নাগরিকের ভোটাধিকার নিশ্চিত করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এক্ষেত্রে প্রতিটি মসজিদের ইমাম ও ধর্মীয় নেতাদের মাধ্যমে জনগণের মাঝে ভোটের গুরুত্ব ও সচেতনতা ছড়িয়ে দেওয়া সম্ভব।
কারণ সাধারণ মানুষ ইমামদের কথাকে অধিক গুরুত্ব দেয়। তাই আগামী নির্বাচনে ভোটারদের ভোটকেন্দ্রে যাওয়ার বিষয়ে উদ্বুদ্ধ করতে পারে একমাত্র ইমাম ও খতিবরা। এজন্য আমি গণভোট প্রচারে ইমাম ও ধর্মীয় নেতাদের সহযোগিতা চাই।
অনুষ্ঠানে ইসলামী ফাউন্ডেশন ফেনী জেলার হিসাবরক্ষক মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন ফেনী ফালাহিয়া মাদ্রাসার মুহাদদ্দিস মাও. নুর মোহাম্মদ, শশদী দারুল উলুম ইসলামিয়া মাদ্রাসার মুহতামিম মাওলানা ইসমাইল হায়দারসহ জেলার বিভিন্ন মসজিদের প্রায় ৫ শতাধিক ইমাম, খতিব, ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গ অংশগ্রহণ করেন।

Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
২৮ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৯:৪২
২৮ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৭:৪৭
২৮ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৭:৪০
২৮ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৭:০৯