উপজেলায় উন্নিত হওয়ার ৩২ বছর পেরিয়ে গেলেও এখনো ২৪ ঘন্টা নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সুবিধা থেকে বঞ্চিত দ্বীপ জেলা ভোলার আরেকটি বিচ্ছিন্ন দ্বীপ 'মনপুরা' উপজেলার দেড় লাখ মানুষ।
দিন-রাত মিলিয়ে মাত্র ৩ ঘন্টা বিদ্যুৎ পাচ্ছেন এই দ্বীপ উপজেলার বাসিন্দারা। ওজোপাডিকো'র (ওয়েস্ট জোন পাওয়ার ডিস্ট্রিবুশন কোম্পানী) দুটি জেনারেটরের মাধ্যমে মাত্র ৬০০ কিলোওয়াট বিদ্যুৎ দিতে সক্ষম। যেখানে কমপক্ষে ৫ মেগাওয়াট বিদ্যুতের চাহিদা রয়েছে।
নদীভাঙ্গন রোধ ও অবকাঠামোগত উন্নয়ন হলেও বিদ্যুতের তেমন কোন উন্নয়ন ঘটেনি চারদিকে মেঘনাবেষ্টিত এই উপকূলে। বিদ্যুতের দাবীতে এ উপজেলার বাসিন্দারা দফায় দফায় বিক্ষোভ, মানববন্ধন ও বড় পরিসরে আন্দোলন করলেও ভাগ্যের পরিবর্তন ঘটেনি। অনেক তিক্ত অভিজ্ঞতার মাঝেও সম্প্রতি বিদ্যুৎ নিয়ে আশার আলো দেখছে মনপুরার দেড় লাখ মানুষ।
ইতোমধ্যে বৈদ্যুতিক অবকাঠামোর পূর্ণ উপযোগিতা নিশ্চিৎ করনের বিষয়ে কারিগরি দিক, সুবিধাদি ও চ্যালেঞ্জসমূহ বিবেচনা করে মনপুরা উপজেলাকে জাতীয় গ্রীডের আওতায় আনতে মতামত ও সুপারিশ প্রদানের জন্য একটি উচ্চ পর্যায়ের কমিটি গঠন করা হয়েছে।
অবশেষে বিদ্যুৎ বিভাগ সংশ্লিষ্ট সচিব পর্যায়ের একটি টিম মনপুরায় পরিদর্শনে আসেন। এ উপলক্ষে শুক্রবার (১০ অক্টোবর) বিকেলে উপজেলা পরিষদ সভাকক্ষে রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব, সুশীল সমাজ ও গণমাধমকর্মিদের সাথে এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ ফজলে রাব্বির সভাপতিত্বে সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, বিদ্যুৎ বিভাগ'র (পরিকল্পনা) অতিরিক্ত সচিব নূর আহমদ।বিশেষ অতিথি ছিলেন, নবায়নযোগ্য জ্বালানি অনুবিভাগের অতিরিক্ত সচিব কে.এম আলী রেজা।
এসময় অতিথিদের মধ্যে আরও উপস্থিত ছিলেন, ওজোপাডিকো'র ব্যবস্থাপনা পরিচালক শেখ জাকিরুজ্জামান, নির্বাহী পরিচালক (ওজোপাডিকো) প্রকৌশলী রোকনুজ্জামান, পরিচালক মনিরুজ্জামান, পরিচালক মোঃ আবদুল আজিজ, উপসচিব মুহাম্মদ আনোয়ার হোসেন, নির্বাহী প্রকৌশলী নুর মোহাম্মদ ও সিনিয়র সহকারি সচিব হাসান সাদী।
সভায় বক্তারা বলেন, অতি দ্রুত সময়ের মধ্যে মনপুরার মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন ঘটবে। আধুনিক সভ্যতার সাথে তাল মিলিয়ে জাতীয় গ্রীডের বিদ্যুতের আলোয় আলোকিত হবে এই অবহেলিত জনপদ। শিঘ্রই নদীর তলদেশ দিয়ে সাবমেরিন ক্যাবলের মাধ্যমে জাতীয় গ্রীডের সাথে সংযুক্ত করে ২৪ ঘন্টা বিদ্যুতের আওতায় আনা হবে মনপুরা উপজেলাকে।
প্রধান অতিথির বক্তৃতায় বিদ্যুৎ বিভাগ'র (পরিকল্পনা) অতিরিক্ত সচিব নুর আহমদ বলেন, মনপুরার মানুষ যেন ২৪ ঘন্টা বিদ্যুৎ সুবিধা পায় সেই জন্য দুইটি টেকনিক্যাল রুট বিবেচনায় আছে। একটি তজুমুদ্দিন উপজেলা থেকে সাবমেরিন ক্যাবলের মাধ্যমে চর কলাতলী হয়ে মনপুরা পর্যন্ত বিদ্যুৎ সংযোগ স্থাপন করা। অপরটি হলো, চরফ্যাসন উপজেলা থেকে নদীর তলদেশ দিয়ে সাবমেরিন ক্যাবলের মাধ্যমে সরাসরি মনপুরায় বিদ্যুৎ সংযোগ স্থাপন করা। তাছাড়া এখানে নবায়নযোগ্য বিদ্যুতের উপযোগিতা অনিশ্চিৎ। আশা করি দ্রুত সময়ের মধ্যে মনপুরায় ২৪ ঘন্টা জাতীয় গ্রীডের বিদ্যুৎ চালু হবে।
এসময় স্থানীয়দের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সাধারন সম্পাদক মফিজুর রহমান মিলন মাতাব্বর, উপজেলা জামায়াতে ইসলামী'র আমীর মাওলানা আমীমুল ইহসান জসীম, মনোয়ারা বেগম মহিলা কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মাহবুবুল আলম শাহীন ও প্রেসক্লাব সভাপতি অহিদুর রহমান প্রমূখ।

৩১ জুলাই, ২০২৬ ১৭:৫০
ভোলার লালমোহন উপজেলায় এক গৃহবধূকে দেশীয় অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে ডাকাতি ও শ্লীলতাহানির ঘটনায় তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শুক্রবার সকালে তাদের আদালতে পাঠানো হয়েছে। এরআগে বৃহস্পতিবার এ ঘটনায় থানায় মামলা দায়ের করেন ভুক্তভোগী গৃহবধূ রোজিনা বেগম। তিনি লালমোহন পৌরসভার ২ নম্বর ওয়ার্ডের মো. খোকনের স্ত্রী। মামলার পরপরই অভিযান চালিয়ে অভিযুক্তদের মধ্যে তিনজনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
গ্রেপ্তাররা হলেন- উপজেলার পশ্চিম চরউমেদ ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের গজারিয়া এলাকার মো. পলাশ মৃধার ছেলে মো. শাহাদৎ হোসেন (২৪), জুয়েল স্বর্ণকারের ছেলে মো. জুবায়ের (২১) এবং একই ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের মো. মিলন পাটোয়ারির ছেলে মো. নাঈম (২৪)।
জানা গেছে, গত ২৯ জুলাই বিকেলে রোজিনা বেগম (৩৫) নামে এক গৃহবধূ চরফ্যাশন থেকে সিএনজিযোগে লালমোহনের গজারিয়া বাজার এলাকায় আসেন। সেখান থেকে পৌরসভায় অবস্থিত নিজ বাসায় ফেরার জন্য তিনি একটি অটোরিকশায় ওঠেন। অটোরিকশাটি গজারিয়া নৌকাপট্টিতে পৌঁছালে স্থানীয় মো. শাহাদাত হোসেন, মো. নাঈম এবং মো. জুবায়েরসহ আরও কয়েকজন মিলে অটোরিকশার গতিরোধ করে ভেতরে উঠে পড়েন এবং দেশীয় অস্ত্র দেখিয়ে ওই গৃহবধূকে ভয়ভীতি প্রদর্শন করেন। এরপর তারা অটোরিকশাটি ঘুরিয়ে সৈনিক বাজার সংলগ্ন একটি নির্জন স্থানে নিয়ে যান। সেখানে নিয়ে তারা চাকুর ভয় দেখিয়ে ওই গৃহবধূর কান থেকে ২৫ হাজার টাকা মূল্যের এক জোড়া স্বর্ণের কানের রিং, ৫০ হাজার টাকা মূল্যের এক জোড়া কানের দুল এবং ভেনিটি ব্যাগে থাকা নগদ ৪ হাজার টাকা ছিনিয়ে নিয়ে যান। এ সময় তারা ওই গৃহবধূকে শ্লীলতাহানিও চালান। পরে পালিয়ে যান অভিযুক্তরা।
এ বিষয়ে লালমোহন থানার ওসি মো. অলিউল ইসলাম বলেন, ভুক্তভোগী ওই গৃহবধূ মামলা দায়েরের পর উপজেলার পশ্চিম চরউমেদ ইউনিয়নের গজারিয়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে অভিযুক্তদের মধ্যে তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ সময় তাদের কাছ থেকে লুণ্ঠিত স্বর্ণালঙ্কার উদ্ধার করা হয়েছে। শুক্রবার সকালে গ্রেপ্তারকৃত তিনজনকে আদালত পাঠানো হয়েছে। এছাড়া বাকি আসামিদেরও গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।
ভোলার লালমোহন উপজেলায় এক গৃহবধূকে দেশীয় অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে ডাকাতি ও শ্লীলতাহানির ঘটনায় তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শুক্রবার সকালে তাদের আদালতে পাঠানো হয়েছে। এরআগে বৃহস্পতিবার এ ঘটনায় থানায় মামলা দায়ের করেন ভুক্তভোগী গৃহবধূ রোজিনা বেগম। তিনি লালমোহন পৌরসভার ২ নম্বর ওয়ার্ডের মো. খোকনের স্ত্রী। মামলার পরপরই অভিযান চালিয়ে অভিযুক্তদের মধ্যে তিনজনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
গ্রেপ্তাররা হলেন- উপজেলার পশ্চিম চরউমেদ ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের গজারিয়া এলাকার মো. পলাশ মৃধার ছেলে মো. শাহাদৎ হোসেন (২৪), জুয়েল স্বর্ণকারের ছেলে মো. জুবায়ের (২১) এবং একই ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের মো. মিলন পাটোয়ারির ছেলে মো. নাঈম (২৪)।
জানা গেছে, গত ২৯ জুলাই বিকেলে রোজিনা বেগম (৩৫) নামে এক গৃহবধূ চরফ্যাশন থেকে সিএনজিযোগে লালমোহনের গজারিয়া বাজার এলাকায় আসেন। সেখান থেকে পৌরসভায় অবস্থিত নিজ বাসায় ফেরার জন্য তিনি একটি অটোরিকশায় ওঠেন। অটোরিকশাটি গজারিয়া নৌকাপট্টিতে পৌঁছালে স্থানীয় মো. শাহাদাত হোসেন, মো. নাঈম এবং মো. জুবায়েরসহ আরও কয়েকজন মিলে অটোরিকশার গতিরোধ করে ভেতরে উঠে পড়েন এবং দেশীয় অস্ত্র দেখিয়ে ওই গৃহবধূকে ভয়ভীতি প্রদর্শন করেন। এরপর তারা অটোরিকশাটি ঘুরিয়ে সৈনিক বাজার সংলগ্ন একটি নির্জন স্থানে নিয়ে যান। সেখানে নিয়ে তারা চাকুর ভয় দেখিয়ে ওই গৃহবধূর কান থেকে ২৫ হাজার টাকা মূল্যের এক জোড়া স্বর্ণের কানের রিং, ৫০ হাজার টাকা মূল্যের এক জোড়া কানের দুল এবং ভেনিটি ব্যাগে থাকা নগদ ৪ হাজার টাকা ছিনিয়ে নিয়ে যান। এ সময় তারা ওই গৃহবধূকে শ্লীলতাহানিও চালান। পরে পালিয়ে যান অভিযুক্তরা।
এ বিষয়ে লালমোহন থানার ওসি মো. অলিউল ইসলাম বলেন, ভুক্তভোগী ওই গৃহবধূ মামলা দায়েরের পর উপজেলার পশ্চিম চরউমেদ ইউনিয়নের গজারিয়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে অভিযুক্তদের মধ্যে তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ সময় তাদের কাছ থেকে লুণ্ঠিত স্বর্ণালঙ্কার উদ্ধার করা হয়েছে। শুক্রবার সকালে গ্রেপ্তারকৃত তিনজনকে আদালত পাঠানো হয়েছে। এছাড়া বাকি আসামিদেরও গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

২৮ জুলাই, ২০২৬ ১৬:৪৩
ভোলায় একটি ভাড়া বাসা থেকে পুলিশ সদস্যের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার হয়েছে। মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) দুপুরের দিকে ভোলা পৌর এলাকার অফিসার পাড়ার একটি বাসা থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।
নিহত পুলিশ সদস্যের নাম মো. শাহাবুদ্দিন ফকির (৪৫)। তিনি ভোলা কোর্ট পুলিশে কনস্টেবল হিসেবে কর্মরত ছিলেন। শাহাবুদ্দিন বরিশাল জেলার গৌরনদী থানা দক্ষিণ বিজয়পুর গ্রামের আদম আলী ফকিরের ছেলে।
ভোলা কোর্ট ইন্সপেক্টর মো. নাছির উদ্দিন সাংবাদিকদের বলেন, কনস্টেবল শাহাবুদ্দিন অফিসার পাড়ায় একটি ভাড়া বাসায় পরিবারের নিয়ে থাকতেন। তবে কয়েক দিন আগে তার স্ত্রী গ্রামের বাড়িতে যান। মঙ্গলবার সকালে কোর্টে ডিউটি ছিলো শাহাবুদ্দিনের। সে ডিউটিতে যোগদান না করায় তাকে একাধিকবার ফোন দেওয়া হয়। কিন্তু ফোন না ধরায় তার বাসায় গিয়ে বাড়ির মালিকসহ ডাকাডাকি করি। তখনও কোনো সাড়াশব্দ না পেয়ে ঘরের দরজা ভেঙে তার ঝুলন্ত মরদেহ দেখতে পাই। পরে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ভোলা ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, এর আগে গত ৪ মে শাহাবুদ্দিনের একমাত্র সন্তান চৌত্রি ওই বাড়িতে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেন। এরপর থেকে শাহাবুদ্দিন মানসিকভাবে ভেঙে পরেন।’
ভোলায় একটি ভাড়া বাসা থেকে পুলিশ সদস্যের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার হয়েছে। মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) দুপুরের দিকে ভোলা পৌর এলাকার অফিসার পাড়ার একটি বাসা থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।
নিহত পুলিশ সদস্যের নাম মো. শাহাবুদ্দিন ফকির (৪৫)। তিনি ভোলা কোর্ট পুলিশে কনস্টেবল হিসেবে কর্মরত ছিলেন। শাহাবুদ্দিন বরিশাল জেলার গৌরনদী থানা দক্ষিণ বিজয়পুর গ্রামের আদম আলী ফকিরের ছেলে।
ভোলা কোর্ট ইন্সপেক্টর মো. নাছির উদ্দিন সাংবাদিকদের বলেন, কনস্টেবল শাহাবুদ্দিন অফিসার পাড়ায় একটি ভাড়া বাসায় পরিবারের নিয়ে থাকতেন। তবে কয়েক দিন আগে তার স্ত্রী গ্রামের বাড়িতে যান। মঙ্গলবার সকালে কোর্টে ডিউটি ছিলো শাহাবুদ্দিনের। সে ডিউটিতে যোগদান না করায় তাকে একাধিকবার ফোন দেওয়া হয়। কিন্তু ফোন না ধরায় তার বাসায় গিয়ে বাড়ির মালিকসহ ডাকাডাকি করি। তখনও কোনো সাড়াশব্দ না পেয়ে ঘরের দরজা ভেঙে তার ঝুলন্ত মরদেহ দেখতে পাই। পরে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ভোলা ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, এর আগে গত ৪ মে শাহাবুদ্দিনের একমাত্র সন্তান চৌত্রি ওই বাড়িতে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেন। এরপর থেকে শাহাবুদ্দিন মানসিকভাবে ভেঙে পরেন।’

২৫ জুলাই, ২০২৬ ১৯:২৮
ভোলার লালমোহন উপজেলায় যাত্রীবাহী বাস চাপায় মোসা. মাইশা আক্তার (৬) নামে এক শিশু নিহত হয়েছে। শনিবার বিকেলে উপজেলার পশ্চিম চরউমেদ ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের ভোলা-চরফ্যাশন আঞ্চলিক মহাসড়কের সৈনিক বাজার এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত শিশু মাইশা ওই এলাকার মো. বিল্লাল হোসেনের মেয়ে।
জানা গেছে, শনিবার বিকেলে লালমোহন উপজেলার সৈনিক বাজার এলাকায় সড়ক পার হচ্ছিল শিশু মাইশা আক্তার। এ সময় ভোলা থেকে ছেড়ে আসা চরফ্যাশনগামী দ্রুতগতির একটি যাত্রীবাহী বাস তাকে চাপা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই মারা যায় শিশু মাইশা। ঘটনা বুঝতে পেরে বাস নিয়ে চলে যান চালক। খবর পেয়ে ওই শিশুর স্বজন ও স্থানীয়রা ঘটনাস্থলে ছুটে যান। তারা সড়কের ওপর গাছ ফেলে সব ধরনের যানবাহন চলাচল বন্ধ করে দেন।
এ বিষয়ে লালমোহন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. অলিউল ইসলাম বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশের একটি টিম পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।’
ভোলার লালমোহন উপজেলায় যাত্রীবাহী বাস চাপায় মোসা. মাইশা আক্তার (৬) নামে এক শিশু নিহত হয়েছে। শনিবার বিকেলে উপজেলার পশ্চিম চরউমেদ ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের ভোলা-চরফ্যাশন আঞ্চলিক মহাসড়কের সৈনিক বাজার এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত শিশু মাইশা ওই এলাকার মো. বিল্লাল হোসেনের মেয়ে।
জানা গেছে, শনিবার বিকেলে লালমোহন উপজেলার সৈনিক বাজার এলাকায় সড়ক পার হচ্ছিল শিশু মাইশা আক্তার। এ সময় ভোলা থেকে ছেড়ে আসা চরফ্যাশনগামী দ্রুতগতির একটি যাত্রীবাহী বাস তাকে চাপা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই মারা যায় শিশু মাইশা। ঘটনা বুঝতে পেরে বাস নিয়ে চলে যান চালক। খবর পেয়ে ওই শিশুর স্বজন ও স্থানীয়রা ঘটনাস্থলে ছুটে যান। তারা সড়কের ওপর গাছ ফেলে সব ধরনের যানবাহন চলাচল বন্ধ করে দেন।
এ বিষয়ে লালমোহন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. অলিউল ইসলাম বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশের একটি টিম পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।’

১১ অক্টোবর, ২০২৫ ১৬:৫৯
উপজেলায় উন্নিত হওয়ার ৩২ বছর পেরিয়ে গেলেও এখনো ২৪ ঘন্টা নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সুবিধা থেকে বঞ্চিত দ্বীপ জেলা ভোলার আরেকটি বিচ্ছিন্ন দ্বীপ 'মনপুরা' উপজেলার দেড় লাখ মানুষ।
দিন-রাত মিলিয়ে মাত্র ৩ ঘন্টা বিদ্যুৎ পাচ্ছেন এই দ্বীপ উপজেলার বাসিন্দারা। ওজোপাডিকো'র (ওয়েস্ট জোন পাওয়ার ডিস্ট্রিবুশন কোম্পানী) দুটি জেনারেটরের মাধ্যমে মাত্র ৬০০ কিলোওয়াট বিদ্যুৎ দিতে সক্ষম। যেখানে কমপক্ষে ৫ মেগাওয়াট বিদ্যুতের চাহিদা রয়েছে।
নদীভাঙ্গন রোধ ও অবকাঠামোগত উন্নয়ন হলেও বিদ্যুতের তেমন কোন উন্নয়ন ঘটেনি চারদিকে মেঘনাবেষ্টিত এই উপকূলে। বিদ্যুতের দাবীতে এ উপজেলার বাসিন্দারা দফায় দফায় বিক্ষোভ, মানববন্ধন ও বড় পরিসরে আন্দোলন করলেও ভাগ্যের পরিবর্তন ঘটেনি। অনেক তিক্ত অভিজ্ঞতার মাঝেও সম্প্রতি বিদ্যুৎ নিয়ে আশার আলো দেখছে মনপুরার দেড় লাখ মানুষ।
ইতোমধ্যে বৈদ্যুতিক অবকাঠামোর পূর্ণ উপযোগিতা নিশ্চিৎ করনের বিষয়ে কারিগরি দিক, সুবিধাদি ও চ্যালেঞ্জসমূহ বিবেচনা করে মনপুরা উপজেলাকে জাতীয় গ্রীডের আওতায় আনতে মতামত ও সুপারিশ প্রদানের জন্য একটি উচ্চ পর্যায়ের কমিটি গঠন করা হয়েছে।
অবশেষে বিদ্যুৎ বিভাগ সংশ্লিষ্ট সচিব পর্যায়ের একটি টিম মনপুরায় পরিদর্শনে আসেন। এ উপলক্ষে শুক্রবার (১০ অক্টোবর) বিকেলে উপজেলা পরিষদ সভাকক্ষে রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব, সুশীল সমাজ ও গণমাধমকর্মিদের সাথে এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ ফজলে রাব্বির সভাপতিত্বে সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, বিদ্যুৎ বিভাগ'র (পরিকল্পনা) অতিরিক্ত সচিব নূর আহমদ।বিশেষ অতিথি ছিলেন, নবায়নযোগ্য জ্বালানি অনুবিভাগের অতিরিক্ত সচিব কে.এম আলী রেজা।
এসময় অতিথিদের মধ্যে আরও উপস্থিত ছিলেন, ওজোপাডিকো'র ব্যবস্থাপনা পরিচালক শেখ জাকিরুজ্জামান, নির্বাহী পরিচালক (ওজোপাডিকো) প্রকৌশলী রোকনুজ্জামান, পরিচালক মনিরুজ্জামান, পরিচালক মোঃ আবদুল আজিজ, উপসচিব মুহাম্মদ আনোয়ার হোসেন, নির্বাহী প্রকৌশলী নুর মোহাম্মদ ও সিনিয়র সহকারি সচিব হাসান সাদী।
সভায় বক্তারা বলেন, অতি দ্রুত সময়ের মধ্যে মনপুরার মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন ঘটবে। আধুনিক সভ্যতার সাথে তাল মিলিয়ে জাতীয় গ্রীডের বিদ্যুতের আলোয় আলোকিত হবে এই অবহেলিত জনপদ। শিঘ্রই নদীর তলদেশ দিয়ে সাবমেরিন ক্যাবলের মাধ্যমে জাতীয় গ্রীডের সাথে সংযুক্ত করে ২৪ ঘন্টা বিদ্যুতের আওতায় আনা হবে মনপুরা উপজেলাকে।
প্রধান অতিথির বক্তৃতায় বিদ্যুৎ বিভাগ'র (পরিকল্পনা) অতিরিক্ত সচিব নুর আহমদ বলেন, মনপুরার মানুষ যেন ২৪ ঘন্টা বিদ্যুৎ সুবিধা পায় সেই জন্য দুইটি টেকনিক্যাল রুট বিবেচনায় আছে। একটি তজুমুদ্দিন উপজেলা থেকে সাবমেরিন ক্যাবলের মাধ্যমে চর কলাতলী হয়ে মনপুরা পর্যন্ত বিদ্যুৎ সংযোগ স্থাপন করা। অপরটি হলো, চরফ্যাসন উপজেলা থেকে নদীর তলদেশ দিয়ে সাবমেরিন ক্যাবলের মাধ্যমে সরাসরি মনপুরায় বিদ্যুৎ সংযোগ স্থাপন করা। তাছাড়া এখানে নবায়নযোগ্য বিদ্যুতের উপযোগিতা অনিশ্চিৎ। আশা করি দ্রুত সময়ের মধ্যে মনপুরায় ২৪ ঘন্টা জাতীয় গ্রীডের বিদ্যুৎ চালু হবে।
এসময় স্থানীয়দের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সাধারন সম্পাদক মফিজুর রহমান মিলন মাতাব্বর, উপজেলা জামায়াতে ইসলামী'র আমীর মাওলানা আমীমুল ইহসান জসীম, মনোয়ারা বেগম মহিলা কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মাহবুবুল আলম শাহীন ও প্রেসক্লাব সভাপতি অহিদুর রহমান প্রমূখ।
০১ আগস্ট, ২০২৬ ১৮:৪২
০১ আগস্ট, ২০২৬ ১৮:৪০
০১ আগস্ট, ২০২৬ ১৮:৩৪
০১ আগস্ট, ২০২৬ ১৮:০১