Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.

২৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৬:১৪
আওয়ামী লীগের কয়েকজন নেতার জামিন মঞ্জুরকে কেন্দ্র করে বরিশালে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে আইনজীবীদের মধ্যে। এর প্রতিবাদে বরিশাল জেলা আইনজীবী সমিতি মঙ্গলবার সকাল থেকে বরিশাল চীফ মেট্রোপলিটন আদালত ও অতিরিক্ত চীফ মেট্রোপলিটন আদালত-এর কার্যক্রম বর্জনের ঘোষণা দেয়। ফলে দিনের শুরু থেকেই আদালত প্রাঙ্গণে কার্যত অচলাবস্থা সৃষ্টি হয় এবং ভোগান্তিতে পড়েন শতাধিক বিচারপ্রার্থী।
আইনজীবী সমিতির নেতারা অভিযোগ করেন, বিস্ফোরকসহ গুরুতর মামলায় সাধারণ আসামিদের জেলা জজ আদালত থেকে জামিন নিতে হলেও, নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগের নেতারা নিম্ন আদালত থেকেই জামিন পাচ্ছেন, যা বিচারিক প্রক্রিয়ায় বৈষম্যের ইঙ্গিত দেয়।
বরিশাল জেলা জজ আদালতের সহকারী পাবলিক প্রসিকিউটর হাফিজ আহমেদ বাবলু বলেন, যেখানে বিস্ফোরক মামলায় মানুষকে উচ্চতর আদালতে গিয়ে জামিন নিতে হচ্ছে, সেখানে আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দ নিম্ন আদালত থেকেই জামিন পাচ্ছেন। গতকাল জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক তালুকদার মোহাম্মদ ইউনুস আদালতে এসে জামিন নিয়ে চলে গেছেন। এতে জনমনে প্রশ্ন তৈরি হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, সংশ্লিষ্ট অতিরিক্ত চীফ মেট্রোপলিটন আদালতের বিচারকের অপসারণ না হওয়া পর্যন্ত তাদের এই বর্জন কর্মসূচি অব্যাহত থাকবে।
সকাল থেকে আদালত কক্ষে কার্যক্রম বন্ধ থাকায় দূর-দূরান্ত থেকে আসা বিচারপ্রার্থীরা চরম ভোগান্তিতে পড়েন। অনেকেই নির্ধারিত শুনানিতে অংশ নিতে না পেরে হতাশা প্রকাশ করেন। কয়েকজন বিচারপ্রার্থী জানান, দিনের পর দিন তারিখ নিয়ে হাজিরা দিতে এসে এমন পরিস্থিতিতে পড়া তাদের জন্য অত্যন্ত কষ্টকর।
আইনজীবীদের কর্মসূচির কারণে জামিন শুনানি, সাক্ষ্যগ্রহণসহ একাধিক মামলার কার্যক্রম স্থগিত হয়ে যায়। এতে করে বিচারপ্রক্রিয়া বিলম্বিত হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।
বিচারপ্রার্থীদের দাবি, বিচার বিভাগের স্বচ্ছতা ও নিরপেক্ষতা বজায় রেখে চলমান সংকট দ্রুত সমাধান করা হোক। তারা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানান, যেন আলোচনার মাধ্যমে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করে আদালতের কার্যক্রম দ্রুত চালু করা হয়।
এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট আদালতের বিচারকদের বক্তব্য জানতে চেষ্টা করা হলেও তাৎক্ষণিকভাবে কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি। প্রশাসনের পক্ষ থেকেও এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো ঘোষণা আসেনি। পরিস্থিতি কোন দিকে মোড় নেয়, সেদিকে এখন নজর রাখছেন সংশ্লিষ্ট মহল।
আওয়ামী লীগের কয়েকজন নেতার জামিন মঞ্জুরকে কেন্দ্র করে বরিশালে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে আইনজীবীদের মধ্যে। এর প্রতিবাদে বরিশাল জেলা আইনজীবী সমিতি মঙ্গলবার সকাল থেকে বরিশাল চীফ মেট্রোপলিটন আদালত ও অতিরিক্ত চীফ মেট্রোপলিটন আদালত-এর কার্যক্রম বর্জনের ঘোষণা দেয়। ফলে দিনের শুরু থেকেই আদালত প্রাঙ্গণে কার্যত অচলাবস্থা সৃষ্টি হয় এবং ভোগান্তিতে পড়েন শতাধিক বিচারপ্রার্থী।
আইনজীবী সমিতির নেতারা অভিযোগ করেন, বিস্ফোরকসহ গুরুতর মামলায় সাধারণ আসামিদের জেলা জজ আদালত থেকে জামিন নিতে হলেও, নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগের নেতারা নিম্ন আদালত থেকেই জামিন পাচ্ছেন, যা বিচারিক প্রক্রিয়ায় বৈষম্যের ইঙ্গিত দেয়।
বরিশাল জেলা জজ আদালতের সহকারী পাবলিক প্রসিকিউটর হাফিজ আহমেদ বাবলু বলেন, যেখানে বিস্ফোরক মামলায় মানুষকে উচ্চতর আদালতে গিয়ে জামিন নিতে হচ্ছে, সেখানে আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দ নিম্ন আদালত থেকেই জামিন পাচ্ছেন। গতকাল জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক তালুকদার মোহাম্মদ ইউনুস আদালতে এসে জামিন নিয়ে চলে গেছেন। এতে জনমনে প্রশ্ন তৈরি হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, সংশ্লিষ্ট অতিরিক্ত চীফ মেট্রোপলিটন আদালতের বিচারকের অপসারণ না হওয়া পর্যন্ত তাদের এই বর্জন কর্মসূচি অব্যাহত থাকবে।
সকাল থেকে আদালত কক্ষে কার্যক্রম বন্ধ থাকায় দূর-দূরান্ত থেকে আসা বিচারপ্রার্থীরা চরম ভোগান্তিতে পড়েন। অনেকেই নির্ধারিত শুনানিতে অংশ নিতে না পেরে হতাশা প্রকাশ করেন। কয়েকজন বিচারপ্রার্থী জানান, দিনের পর দিন তারিখ নিয়ে হাজিরা দিতে এসে এমন পরিস্থিতিতে পড়া তাদের জন্য অত্যন্ত কষ্টকর।
আইনজীবীদের কর্মসূচির কারণে জামিন শুনানি, সাক্ষ্যগ্রহণসহ একাধিক মামলার কার্যক্রম স্থগিত হয়ে যায়। এতে করে বিচারপ্রক্রিয়া বিলম্বিত হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।
বিচারপ্রার্থীদের দাবি, বিচার বিভাগের স্বচ্ছতা ও নিরপেক্ষতা বজায় রেখে চলমান সংকট দ্রুত সমাধান করা হোক। তারা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানান, যেন আলোচনার মাধ্যমে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করে আদালতের কার্যক্রম দ্রুত চালু করা হয়।
এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট আদালতের বিচারকদের বক্তব্য জানতে চেষ্টা করা হলেও তাৎক্ষণিকভাবে কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি। প্রশাসনের পক্ষ থেকেও এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো ঘোষণা আসেনি। পরিস্থিতি কোন দিকে মোড় নেয়, সেদিকে এখন নজর রাখছেন সংশ্লিষ্ট মহল।

২৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৪:৪২

২৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ২২:৫১
ঢাকা–বরিশাল মহাসড়কের উজিরপুর উপজেলার জয়শ্রী সাজু পাম্প এলাকায় সড়ক দুর্ঘটনায় অজ্ঞাতনামা এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২৩ ফেব্রুয়ারি ভোর আনুমানিক ৪টা থেকে ৬টার মধ্যে যেকোনো সময় অজ্ঞাত একটি যানবাহন প্রায় ৫২ বছর বয়সী এক ব্যক্তিকে চাপা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। স্থানীয়রা সড়কের পাশে মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে পুলিশকে খবর দেন।
খবর পেয়ে উজিরপুর মডেল থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে। নিহত ব্যক্তির কপাল, চোখের বাম পাশ, ডান হাত ও বাম পায়ে গুরুতর আঘাতের চিহ্ন রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
উজিরপুর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ রাকিবুল ইসলাম জানান, নিহত ব্যক্তির পরিচয় শনাক্তের সর্বোচ্চ চেষ্টা চলছে। দুর্ঘটনায় জড়িত যানবাহন শনাক্তে পুলিশ কাজ করছে বলেও তিনি জানান।
ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে থানা পুলিশ ও হাইওয়ে পুলিশ। পরে মরদেহ হাইওয়ে থানার পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়। বর্তমানে ওই এলাকায় যানবাহন চলাচল ও আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।
বরিশাল টাইমস

২৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৮:২৫
বরিশালের আগৈলঝাড়ায় মাছের ঘেরে এয়ারগান দিয়ে অবৈধভাবে পাখি শিকারে বাধা দেওয়ায় অশোক মিস্ত্রি নামে এক ব্যক্তির ওপর বখাটেদের হামলার ঘটনা ঘটেছে।
গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। এ ঘটনায় রোববার (২২ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।
আহত ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রোববার সকালে উপজেলার বাগধা ইউনিয়নের আস্কর গ্রামের একটি মাছের ঘেরে এয়ারগান দিয়ে অবৈধভাবে পাখি শিকারের চেষ্টা করছিল চক্রীবাড়ি গ্রামের রহিম হাওলাদারের ছেলে লিমন ও তার সহযোগী ফকু হাওলাদার।
এসময় লক্ষণ মিস্ত্রির ছেলে অশোক মিস্ত্রি তাদের পাখি শিকারে বাধা দেন। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে বখাটেরা অশোকের ওপর চড়াও হয় এবং এয়ারগান দিয়ে পিটিয়ে তাকে গুরুতর আহত করে। পরে স্থানীয়রা তাকে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যায়।
এ ঘটনায় ভুক্তভোগী অশোক মিস্ত্রি বাদী হয়ে আগৈলঝাড়া থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। আগৈলঝাড়া থানার ওসি (তদন্ত) সুশংকর মল্লিক লিখিত অভিযোগ পাওয়ার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, পুলিশ বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে খতিয়ে দেখছে। সোমবার সকালে ঘটনাটি নিয়মিত মামলা হিসেবে গ্রহণ করা হবে এবং জড়িতদের গ্রেপ্তারে অভিযান চালানো হবে।
পবিত্র রমজানে নিম্নআয়ের মানুষের জন্য ব্যতিক্রমী এক আয়োজন করেছেন সড়ক পরিবহন ও সেতু, রেলপথ এবং নৌপরিবহণ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মো. রাজিব আহসান।
তার সংসদীয় আসন বরিশাল-৪ (হিজলা-মেহেন্দিগঞ্জ) এ ব্যক্তিগত উদ্যোগে খোলা বাজারে ন্যায্যমূল্যে ইফতার সামগ্রীসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য বিক্রির কার্যক্রম শুরু করেছেন।
প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত এ বাজার পরিচালনা করছেন মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলা বিএনপি ও অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা।
মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) সকালে মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলার পাতারহাট বন্দরের উত্তর বাজারে (পুরোনো টলঘরে) গিয়ে দেখা যায় প্রতিমন্ত্রী রাজিব আহসানের উদ্যোগে চালু করা এই অস্থায়ী স্বল্পমূল্যে বিক্রি করা হচ্ছে শাকসবজি, ফলমূলসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্র। এই বাজার থেকে সাধারণ বাজারের তুলনায় অনেকটা কম দামে পণ্য ক্রয় করতে পারছেন ক্রেতারা। ফলে স্বস্তি ফিরে এসেছে এখানকার সাধারণ মানুষের মধ্যে।
জানা গেছে, সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) থেকে এ কার্যক্রম চালু করেছেন সংসদ সদস্য রাজিব আহসান, যা চলবে ৩০ রমজান পর্যন্ত। অস্থায়ী এই বাজারে পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে প্রতি কেজি ৪০ টাকা, রসুন বিক্রি হচ্ছে ১২০ টাকা কেজি, ছোলা ৮০ টাকা, লেবু ৩৫ টাকা হালি, শসা ৪৫ টাকা, আলু ১২ টাকা, গাজর ৩০ টাকা ও কাঁচা মরিচ ১২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
আর ইফতার সামগ্রীর মধ্যে খেজুর বিক্রি হচ্ছে ৩০০-৩৫০ টাকা কেজি, মাল্টা ৩০০, আপেল ৩০০ টাকা, কমলা ৩০০ টাকা কেজি দরে।
সাধারণ ক্রেতারা বলছেন, ব্যবসায়ীরা সিন্ডিকেট করে পণ্যের দাম বাড়িয়ে বিক্রি করছেন। জানা সত্ত্বেও অনেকটা বাধ্য হয়েই চড়া দামে পণ্য কিনছেন তারা। কিন্তু রাজিব আহসানের এমন উদ্যোগ সাধারণ মানুষের চাহিদা পূরণের পাশাপাশি ব্যবসায়ীদের সিন্ডিকেট ভাঙতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে বলে মনে করছেন সাধারণ ক্রেতারা।
ক্রেতারা জানান, একদিন আগে পাতারহাট বাজারে প্রতি কেজি শসা ৯০ থেকে ১০০ টাকায় বিক্রি হয়েছে। প্রতিমন্ত্রীর বাজার চালুর পর শসার দাম ৪৫ টাকায় নেমে এসেছে। শুধু শসা নয়, এই বাজারের প্রভাবে অনেক পণ্যের দাম কমে এসেছে।
তাই শুধু রমজান নয়, বছরের প্রতিটি দিনই সরকারি উদ্যোগে এমন বাজার চালু রাখার দাবি জানিয়েছেন সুফলভোগীরা। বাজারটিতে ন্যায্যমূল্যে পণ্য কিনতে প্রান্তিক মানুষের দীর্ঘ লাইন দেখা গেছে।
বিএনপির স্থানীয় নেতারা জানান, রমজানে বাজার সিন্ডিকেট ঠেকাতেই প্রতিমন্ত্রীর ব্যক্তিগত উদ্যোগে ন্যায্যমূল্যের এই বাজার চালু করা হয়েছে। প্রতিদিন সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত এখানে বেচাকেনা চলবে।
মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক গিয়াস উদ্দিন দীপেন বলেন, মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলার দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণের জন্য এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্য ক্রেতাদের নাগালের মধ্যে রাখার পাশাপাশি ব্যবসায়ী সিন্ডিকেট ভাঙার লক্ষ্যে নিজ উদ্যোগে ন্যায্যমূল্যের এই বাজার চালু করা হয়েছে, যা শেষ রমজান অবধি চলমান থাকবে।
তিনি আরও বলেন, ইতোমধ্যে আমরা উদ্যোগ নিয়েছি ৬০০-৬৫০ টাকা কেজি দরে গরুর মাংস বিক্রির এবং ১৫০ টাকা কেজিতে মুরগি মাংস বিক্রি করার পরিকল্পনা করেছি। হয়ত দু’একদিনর মধ্যেই তা বাস্তবায়ন হবে।
পবিত্র রমজানে নিম্নআয়ের মানুষের জন্য ব্যতিক্রমী এক আয়োজন করেছেন সড়ক পরিবহন ও সেতু, রেলপথ এবং নৌপরিবহণ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মো. রাজিব আহসান।
তার সংসদীয় আসন বরিশাল-৪ (হিজলা-মেহেন্দিগঞ্জ) এ ব্যক্তিগত উদ্যোগে খোলা বাজারে ন্যায্যমূল্যে ইফতার সামগ্রীসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য বিক্রির কার্যক্রম শুরু করেছেন।
প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত এ বাজার পরিচালনা করছেন মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলা বিএনপি ও অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা।
মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) সকালে মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলার পাতারহাট বন্দরের উত্তর বাজারে (পুরোনো টলঘরে) গিয়ে দেখা যায় প্রতিমন্ত্রী রাজিব আহসানের উদ্যোগে চালু করা এই অস্থায়ী স্বল্পমূল্যে বিক্রি করা হচ্ছে শাকসবজি, ফলমূলসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্র। এই বাজার থেকে সাধারণ বাজারের তুলনায় অনেকটা কম দামে পণ্য ক্রয় করতে পারছেন ক্রেতারা। ফলে স্বস্তি ফিরে এসেছে এখানকার সাধারণ মানুষের মধ্যে।
জানা গেছে, সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) থেকে এ কার্যক্রম চালু করেছেন সংসদ সদস্য রাজিব আহসান, যা চলবে ৩০ রমজান পর্যন্ত। অস্থায়ী এই বাজারে পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে প্রতি কেজি ৪০ টাকা, রসুন বিক্রি হচ্ছে ১২০ টাকা কেজি, ছোলা ৮০ টাকা, লেবু ৩৫ টাকা হালি, শসা ৪৫ টাকা, আলু ১২ টাকা, গাজর ৩০ টাকা ও কাঁচা মরিচ ১২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
আর ইফতার সামগ্রীর মধ্যে খেজুর বিক্রি হচ্ছে ৩০০-৩৫০ টাকা কেজি, মাল্টা ৩০০, আপেল ৩০০ টাকা, কমলা ৩০০ টাকা কেজি দরে।
সাধারণ ক্রেতারা বলছেন, ব্যবসায়ীরা সিন্ডিকেট করে পণ্যের দাম বাড়িয়ে বিক্রি করছেন। জানা সত্ত্বেও অনেকটা বাধ্য হয়েই চড়া দামে পণ্য কিনছেন তারা। কিন্তু রাজিব আহসানের এমন উদ্যোগ সাধারণ মানুষের চাহিদা পূরণের পাশাপাশি ব্যবসায়ীদের সিন্ডিকেট ভাঙতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে বলে মনে করছেন সাধারণ ক্রেতারা।
ক্রেতারা জানান, একদিন আগে পাতারহাট বাজারে প্রতি কেজি শসা ৯০ থেকে ১০০ টাকায় বিক্রি হয়েছে। প্রতিমন্ত্রীর বাজার চালুর পর শসার দাম ৪৫ টাকায় নেমে এসেছে। শুধু শসা নয়, এই বাজারের প্রভাবে অনেক পণ্যের দাম কমে এসেছে।
তাই শুধু রমজান নয়, বছরের প্রতিটি দিনই সরকারি উদ্যোগে এমন বাজার চালু রাখার দাবি জানিয়েছেন সুফলভোগীরা। বাজারটিতে ন্যায্যমূল্যে পণ্য কিনতে প্রান্তিক মানুষের দীর্ঘ লাইন দেখা গেছে।
বিএনপির স্থানীয় নেতারা জানান, রমজানে বাজার সিন্ডিকেট ঠেকাতেই প্রতিমন্ত্রীর ব্যক্তিগত উদ্যোগে ন্যায্যমূল্যের এই বাজার চালু করা হয়েছে। প্রতিদিন সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত এখানে বেচাকেনা চলবে।
মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক গিয়াস উদ্দিন দীপেন বলেন, মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলার দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণের জন্য এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্য ক্রেতাদের নাগালের মধ্যে রাখার পাশাপাশি ব্যবসায়ী সিন্ডিকেট ভাঙার লক্ষ্যে নিজ উদ্যোগে ন্যায্যমূল্যের এই বাজার চালু করা হয়েছে, যা শেষ রমজান অবধি চলমান থাকবে।
তিনি আরও বলেন, ইতোমধ্যে আমরা উদ্যোগ নিয়েছি ৬০০-৬৫০ টাকা কেজি দরে গরুর মাংস বিক্রির এবং ১৫০ টাকা কেজিতে মুরগি মাংস বিক্রি করার পরিকল্পনা করেছি। হয়ত দু’একদিনর মধ্যেই তা বাস্তবায়ন হবে।
ঢাকা–বরিশাল মহাসড়কের উজিরপুর উপজেলার জয়শ্রী সাজু পাম্প এলাকায় সড়ক দুর্ঘটনায় অজ্ঞাতনামা এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২৩ ফেব্রুয়ারি ভোর আনুমানিক ৪টা থেকে ৬টার মধ্যে যেকোনো সময় অজ্ঞাত একটি যানবাহন প্রায় ৫২ বছর বয়সী এক ব্যক্তিকে চাপা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। স্থানীয়রা সড়কের পাশে মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে পুলিশকে খবর দেন।
খবর পেয়ে উজিরপুর মডেল থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে। নিহত ব্যক্তির কপাল, চোখের বাম পাশ, ডান হাত ও বাম পায়ে গুরুতর আঘাতের চিহ্ন রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
উজিরপুর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ রাকিবুল ইসলাম জানান, নিহত ব্যক্তির পরিচয় শনাক্তের সর্বোচ্চ চেষ্টা চলছে। দুর্ঘটনায় জড়িত যানবাহন শনাক্তে পুলিশ কাজ করছে বলেও তিনি জানান।
ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে থানা পুলিশ ও হাইওয়ে পুলিশ। পরে মরদেহ হাইওয়ে থানার পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়। বর্তমানে ওই এলাকায় যানবাহন চলাচল ও আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।
বরিশাল টাইমস
বরিশালের আগৈলঝাড়ায় মাছের ঘেরে এয়ারগান দিয়ে অবৈধভাবে পাখি শিকারে বাধা দেওয়ায় অশোক মিস্ত্রি নামে এক ব্যক্তির ওপর বখাটেদের হামলার ঘটনা ঘটেছে।
গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। এ ঘটনায় রোববার (২২ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।
আহত ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রোববার সকালে উপজেলার বাগধা ইউনিয়নের আস্কর গ্রামের একটি মাছের ঘেরে এয়ারগান দিয়ে অবৈধভাবে পাখি শিকারের চেষ্টা করছিল চক্রীবাড়ি গ্রামের রহিম হাওলাদারের ছেলে লিমন ও তার সহযোগী ফকু হাওলাদার।
এসময় লক্ষণ মিস্ত্রির ছেলে অশোক মিস্ত্রি তাদের পাখি শিকারে বাধা দেন। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে বখাটেরা অশোকের ওপর চড়াও হয় এবং এয়ারগান দিয়ে পিটিয়ে তাকে গুরুতর আহত করে। পরে স্থানীয়রা তাকে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যায়।
এ ঘটনায় ভুক্তভোগী অশোক মিস্ত্রি বাদী হয়ে আগৈলঝাড়া থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। আগৈলঝাড়া থানার ওসি (তদন্ত) সুশংকর মল্লিক লিখিত অভিযোগ পাওয়ার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, পুলিশ বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে খতিয়ে দেখছে। সোমবার সকালে ঘটনাটি নিয়মিত মামলা হিসেবে গ্রহণ করা হবে এবং জড়িতদের গ্রেপ্তারে অভিযান চালানো হবে।