সিরাজগঞ্জে ইমাম নিয়োগকে কেন্দ্র করে বিএনপি ও জামায়াত সমর্থিতদের মধ্যে দ্বন্দ্বের জেরে মসজিদে তালা দেওয়ার ঘটনা ঘটেছে। এতে ফজরের নামাজ মসজিদের বাইরে পড়তে হয়েছে মুসল্লিদের। রোববার (২২ ফেব্রুয়ারি) সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলার বাগবাটি ইউনিয়নের পেচিবাড়ি জামে মসজিদে এ ঘটনা ঘটে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, রোববার ভোরে সেহরি শেষে ফজরের নামাজ পড়তে মুসুল্লিরা মসজিদে যান। এ সময় মসজিদের প্রধান ফটকে তালাবদ্ধ দেখতে পান তারা। বাধ্য হয়ে মসজিদের বাইরেই নামাজ পড়েন মুসুল্লিরা। দুপুরের দিকে সদর থানা পুলিশ ইসলামিক ফাউন্ডেশন ও মসজিদ কমিটির উপস্থিতিতে তালা ভেঙে মুসল্লিদের নামাজের ব্যবস্থা করে দেয়।
বাগবাটি ইউনিয়ন কৃষকদলের সাংগঠনিক সম্পাদক গোলাম মোস্তফা ও স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য মোকাদ্দেস অভিযোগ করে আলী বলেন, ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ চলে যাওয়ার পর এককভাবে জামায়াতের লোকজন মসজিদ কমিটি করে।
তখন আব্দুল হাই নামে জামায়াত সমর্থিত একজন ইমামকে রাখা হয়। তার কেরাত অনেকের কাছেই পছন্দ হয় না। ১২ ফেব্রুয়ারির পরে গ্রামের বেশিরভাগ লোকজন আমাদের কাছে এসে ওই ইমামকে বদলানোর কথা বলে। গ্রামের লোকজন সিদ্ধান্তে জানায়, ওয়াক্তের নামাজ ওই ইমাম পড়াবেন। তবে তারাবির নামাজটা অন্য ইমাম দিয়ে পড়াব।
বিষয়টি নিয়ে বসার জন্য মসজিদ কমিটির সভাপতি আবুল কালাম মাস্টারকে বলা হয়। সভাপতি মসজিদ কমিটির সেক্রেটারি রফিকুল ইসলামের সঙ্গে কথা বললে তিনি এ বিষয়ে নিয়ে বসতে রাজি হননি।
প্রথম তারাবির আগের দিন সভাপতি বলেন, তারা তো আমাকে মানে না। এটা নিয়ে তারা বসতে চায় না, ওই ইমামকেই তারা রাখতে চায়। তখন গ্রামের লোকজন বলল- তার যখন বসবে না, আমরা একটা ইমাম নিয়ে তাকে দিয়ে তারাবি নামাজ পড়াব।
যথারীতি তারা নতুন একজন ইমাম নিয়ে মসজিদে গেলে সেখানে সভাপতির উপস্থিতিতে আলোচনার একপর্যায়ে যুবদল নেতা লিটনকে ধাক্কা দিয়ে বাইরে বের করে দেয় জামায়াতের লোকজন।
এ ঘটনায় বাইরে এসে উভয়পক্ষের মধ্যে মারামারি হয়। এ নিয়ে উভয়পক্ষ বৈঠকে বসার সিদ্ধান্ত হলেও পরবর্তীতে বসার স্থান নিয়ে জামায়াতের লোকজনের আপত্তির কারণে আর বসা হয়নি।
এরপর যে ইমাম দায়িত্বে ছিল সে আর নামাজ পড়ায় না, মসজিদ কমিটির লোকজনও সেখানে নামাজ পড়ে না। পরে শনিবার রাতে আমরা গ্রামের লোকজনের সিদ্ধান্ত মোতাবেক একজন ইমাম মাগরিব ও এশার নামাজ পড়েছি। আজ সকালে ফজরের নামাজ পড়তে এসে দেখি মসজিদে তালা মারা। এ তালা জামায়াতের লোকজনই মেরেছে বলে দাবি করেন তিনি।
মসজিদ কমিটির সেক্রেটারি ও জামায়াত সমর্থক মো. রফিকুল ইসলাম বলেন, ইমাম আব্দুল হাইয়ের নামাজ পড়ানো নাকি ভালো হয় না, এই জন্য তাকে বাদ দেওয়া হয়েছে।
আমাদের গ্রামে জামায়াতের কোনো নেতা নেই। আমি নিজেও জামায়াতের কোনো পদে নেই। তবে আমরা সমর্থক। মসজিদে কে তালা দিয়েছে সেটা বলতে পারব না।
এ বিষয়ে স্থানীয় বাগবাটি ইউনিয়ন জামায়াতের আমির মো. ছানোয়ার হোসেন বলেন, বিষয়টাকে দলীয় ট্যাগ দেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে। এটা আসলে গ্রামের আভ্যন্তরীণ বিষয়। কোনো দলীয় দ্বন্দ্ব নয়। মসজিদে তালা দেওয়ার ঘটনা নিন্দনীয়। আমি আছি ও স্থানীয় বিএনপি নেতা আছেন- আমরা বসে বিষয়টি মীমাংসা করব।
সদর থানার সহকারী উপপরিদর্শক শফিকুর রহমান জানান, সকালে ফজরের নামাজ পড়তে এসে মুসুল্লিরা মসজিদে তালা দেখতে পান। পরে তারা থানাকে অবগত করলে আমরা ঘটনাস্থলে যাই।
আমরা উপস্থিত জনতাকে জিজ্ঞাসাবাদ করি। কে বা কারা তালা দিয়েছে সে বিষয়ে কেউ বলতে পারে না। পরে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের লোকজন ও মসজিদ কমিটির লোকের সহযোগিতায় তালা খুলে নামাজ আদায়ের ব্যবস্থা করে দিয়েছি। পরবর্তীতে সঠিক তথ্য পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

২০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ২২:৪৪
নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ উপজেলার শরীফপুর ইউনিয়নে পঞ্চম শ্রেণির এক শিক্ষার্থীকে বলাৎকারের অভিযোগে মো. আলমগীর হোসেন ফরাজী (৪৫) নামে জামায়াতে ইসলামীর এক সাবেক নেতাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
আলমগীর শরীফপুর ইউনিয়নের পশ্চিম খানপুর গ্রামের মৃত ইউনুছ আলীর ছেলে। তিনি স্থানীয় বাজারে কবিরাজি ওষুধ বিক্রির পাশাপাশি ঝাড়ফুঁক করতেন। দলীয় সূত্রে জানা গেছে, ২০২২ সাল পর্যন্ত তিনি শরীফপুর ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ড জামায়াতের বায়তুল মাল সম্পাদক, সেক্রেটারি ও সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। বর্তমানে তিনি দলের কোনো কার্যক্রমে সক্রিয় নন বলে জানিয়েছে স্থানীয় জামায়াত।
মামলার এজাহার ও শিশুটির পরিবারের বরাতে জানা যায়, গত ১৩ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় মাথাব্যথা নিয়ে আলমগীরের দোকানে যায় শিশুটি। এ সময় ঝাড়ফুঁক করার কথা বলে তাকে বলাৎকার করা হয় বলে অভিযোগ করা হয়েছে। ঘটনাটি কাউকে জানালে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয় বলেও এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।
পরে শিশুটি অসুস্থ হয়ে পড়লে পরিবারের কাছে পুরো ঘটনা জানায়। এরপর শিশুটির বাবা বাদী হয়ে বেগমগঞ্জ মডেল থানায় মামলা করেন। মামলার পর পুলিশ গত রাতে নিজ বাড়ি থেকে আলমগীরকে গ্রেপ্তার করে।
বেগমগঞ্জ মডেল ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা(ওসি)মো. শামসুজ্জামান জানান, আলমগীরকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে নোয়াখালী চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে পাঠানো হয়েছে। আদালতে শুনানি শেষে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়।
আদালতের জিআরও মো. সাইফুল ইসলাম জানান, শিশুটির শারীরিক পরীক্ষা সম্পন্ন হওয়ার পর একই আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধির ২২ ধারায় তার জবানবন্দি রেকর্ড করার কথা রয়েছে।
এদিকে শরীফপুর ইউনিয়ন জামায়াতের সেক্রেটারি মোজাম্মেল হোসেন জানান, আলমগীর ২০২২ সাল পর্যন্ত দলীয় বিভিন্ন পদে থাকলেও বর্তমানে তিনি নিষ্ক্রিয় এবং দলের কার্যক্রমের সঙ্গে তার কোনো সম্পৃক্ততা নেই।
নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ উপজেলার শরীফপুর ইউনিয়নে পঞ্চম শ্রেণির এক শিক্ষার্থীকে বলাৎকারের অভিযোগে মো. আলমগীর হোসেন ফরাজী (৪৫) নামে জামায়াতে ইসলামীর এক সাবেক নেতাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
আলমগীর শরীফপুর ইউনিয়নের পশ্চিম খানপুর গ্রামের মৃত ইউনুছ আলীর ছেলে। তিনি স্থানীয় বাজারে কবিরাজি ওষুধ বিক্রির পাশাপাশি ঝাড়ফুঁক করতেন। দলীয় সূত্রে জানা গেছে, ২০২২ সাল পর্যন্ত তিনি শরীফপুর ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ড জামায়াতের বায়তুল মাল সম্পাদক, সেক্রেটারি ও সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। বর্তমানে তিনি দলের কোনো কার্যক্রমে সক্রিয় নন বলে জানিয়েছে স্থানীয় জামায়াত।
মামলার এজাহার ও শিশুটির পরিবারের বরাতে জানা যায়, গত ১৩ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় মাথাব্যথা নিয়ে আলমগীরের দোকানে যায় শিশুটি। এ সময় ঝাড়ফুঁক করার কথা বলে তাকে বলাৎকার করা হয় বলে অভিযোগ করা হয়েছে। ঘটনাটি কাউকে জানালে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয় বলেও এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।
পরে শিশুটি অসুস্থ হয়ে পড়লে পরিবারের কাছে পুরো ঘটনা জানায়। এরপর শিশুটির বাবা বাদী হয়ে বেগমগঞ্জ মডেল থানায় মামলা করেন। মামলার পর পুলিশ গত রাতে নিজ বাড়ি থেকে আলমগীরকে গ্রেপ্তার করে।
বেগমগঞ্জ মডেল ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা(ওসি)মো. শামসুজ্জামান জানান, আলমগীরকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে নোয়াখালী চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে পাঠানো হয়েছে। আদালতে শুনানি শেষে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়।
আদালতের জিআরও মো. সাইফুল ইসলাম জানান, শিশুটির শারীরিক পরীক্ষা সম্পন্ন হওয়ার পর একই আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধির ২২ ধারায় তার জবানবন্দি রেকর্ড করার কথা রয়েছে।
এদিকে শরীফপুর ইউনিয়ন জামায়াতের সেক্রেটারি মোজাম্মেল হোসেন জানান, আলমগীর ২০২২ সাল পর্যন্ত দলীয় বিভিন্ন পদে থাকলেও বর্তমানে তিনি নিষ্ক্রিয় এবং দলের কার্যক্রমের সঙ্গে তার কোনো সম্পৃক্ততা নেই।

২০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ২১:৩১
চলতি বছরের প্রথম আট মাসে দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে নিখোঁজ ৩৬ শিশুর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। একই সময়ে এখনো নিখোঁজ রয়েছে ২ হাজার ৩৮ শিশু। শিশু নিখোঁজ ও হত্যার ধারাবাহিক ঘটনায় উদ্বেগ বাড়ছে।
মানবাধিকার সংগঠন আইন ও সালিশ কেন্দ্রের (আসক) পরিসংখ্যান বলছে, জানুয়ারি থেকে আগস্ট পর্যন্ত বিভিন্ন ঘটনায় মোট ১৫৫ শিশু নিহত হয়েছে। এর মধ্যে শারীরিক নির্যাতনে ৬৮, পারিবারিক পরিসরে নির্যাতনে ৪৯, ধর্ষণের পর ২৬ এবং ধর্ষণচেষ্টার পর চার শিশু নিহত হয়েছে।
এ ছাড়া গুলিতে তিন, গৃহকর্মী হিসেবে নির্যাতনে দুই, উত্ত্যক্তকারীর হাতে দুই এবং অপহরণের পর একজন শিশুকে হত্যা করা হয়েছে।
সম্প্রতি কুমিল্লায় নিখোঁজের পর ১৩ বছরের শিশু ইশায়াত শাহরিয়ার অপ্রতীমের মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় শিশু নিখোঁজ ও হত্যার বিষয়টি ফের আলোচনায় এসেছে। এর আগেও নিখোঁজ শিশুদের কারও মরদেহ মাটিচাপা অবস্থায়, আবার কারও মরদেহ নদী বা ডোবা থেকে উদ্ধার হয়েছে।
শুধু হত্যাই নয়, শিশু নিখোঁজের সংখ্যাও উদ্বেগজনক। পুলিশ সদরদপ্তরের ৩ সেপ্টেম্বরের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের প্রথম সাত মাসে দেশে ১৫ হাজার ৭১৭ শিশু নিখোঁজ হওয়ার তথ্য পাওয়া গেছে। এর মধ্যে ১৩ হাজার ৬৭৯ শিশুকে উদ্ধার করা হয়েছে। সেই হিসাবে এখনো নিখোঁজ রয়েছে ২ হাজার ৩৮ শিশু, যা মোট নিখোঁজের প্রায় ১৩ শতাংশ।
আসকের হিসাবে, একই সময়ে আত্মহত্যা, রহস্যজনক মৃত্যু ও মরদেহ উদ্ধারের আরও ৯৯টি ঘটনাও নথিভুক্ত হয়েছে।
চলতি বছরের প্রথম আট মাসে দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে নিখোঁজ ৩৬ শিশুর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। একই সময়ে এখনো নিখোঁজ রয়েছে ২ হাজার ৩৮ শিশু। শিশু নিখোঁজ ও হত্যার ধারাবাহিক ঘটনায় উদ্বেগ বাড়ছে।
মানবাধিকার সংগঠন আইন ও সালিশ কেন্দ্রের (আসক) পরিসংখ্যান বলছে, জানুয়ারি থেকে আগস্ট পর্যন্ত বিভিন্ন ঘটনায় মোট ১৫৫ শিশু নিহত হয়েছে। এর মধ্যে শারীরিক নির্যাতনে ৬৮, পারিবারিক পরিসরে নির্যাতনে ৪৯, ধর্ষণের পর ২৬ এবং ধর্ষণচেষ্টার পর চার শিশু নিহত হয়েছে।
এ ছাড়া গুলিতে তিন, গৃহকর্মী হিসেবে নির্যাতনে দুই, উত্ত্যক্তকারীর হাতে দুই এবং অপহরণের পর একজন শিশুকে হত্যা করা হয়েছে।
সম্প্রতি কুমিল্লায় নিখোঁজের পর ১৩ বছরের শিশু ইশায়াত শাহরিয়ার অপ্রতীমের মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় শিশু নিখোঁজ ও হত্যার বিষয়টি ফের আলোচনায় এসেছে। এর আগেও নিখোঁজ শিশুদের কারও মরদেহ মাটিচাপা অবস্থায়, আবার কারও মরদেহ নদী বা ডোবা থেকে উদ্ধার হয়েছে।
শুধু হত্যাই নয়, শিশু নিখোঁজের সংখ্যাও উদ্বেগজনক। পুলিশ সদরদপ্তরের ৩ সেপ্টেম্বরের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের প্রথম সাত মাসে দেশে ১৫ হাজার ৭১৭ শিশু নিখোঁজ হওয়ার তথ্য পাওয়া গেছে। এর মধ্যে ১৩ হাজার ৬৭৯ শিশুকে উদ্ধার করা হয়েছে। সেই হিসাবে এখনো নিখোঁজ রয়েছে ২ হাজার ৩৮ শিশু, যা মোট নিখোঁজের প্রায় ১৩ শতাংশ।
আসকের হিসাবে, একই সময়ে আত্মহত্যা, রহস্যজনক মৃত্যু ও মরদেহ উদ্ধারের আরও ৯৯টি ঘটনাও নথিভুক্ত হয়েছে।
২০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ২০:১২
রাজধানীর ন্যাম ভবনের একটি ফ্ল্যাট থেকে সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামের দ্বিতীয় স্ত্রী মোছা. মরিয়ম খাতুনের (১৯) ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।
রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় শেরেবাংলা নগর থানাধীন ন্যাম ভবনের ৫ নম্বর বিল্ডিংয়ের তৃতীয় তলার ২০৩ নম্বর ফ্ল্যাটে তার মরদেহ ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পাওয়া যায়।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন তেজগাঁও বিভাগের ডিসি ইবনে মিজান।
সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে তিনি জানান, মরদেহ তখনও ঝুলন্ত অবস্থায় ছিল। ঘটনাস্থলে সিআইডির ফরেনসিক টিম পাঠানো হচ্ছে।
ডিসি তেজগাঁও বলেন, “লাশ এখনও ঝুলন্ত অবস্থায় আছে। সিআইডির ফরেনসিক টিম আসছে। আমরা পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা নিচ্ছি।”
মরিয়ম খাতুনের মৃত্যুর কারণ তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি। ফরেনসিক পরীক্ষা ও তদন্তের পর এ বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য জানা যাবে।
রাজধানীর ন্যাম ভবনের একটি ফ্ল্যাট থেকে সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামের দ্বিতীয় স্ত্রী মোছা. মরিয়ম খাতুনের (১৯) ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।
রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় শেরেবাংলা নগর থানাধীন ন্যাম ভবনের ৫ নম্বর বিল্ডিংয়ের তৃতীয় তলার ২০৩ নম্বর ফ্ল্যাটে তার মরদেহ ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পাওয়া যায়।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন তেজগাঁও বিভাগের ডিসি ইবনে মিজান।
সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে তিনি জানান, মরদেহ তখনও ঝুলন্ত অবস্থায় ছিল। ঘটনাস্থলে সিআইডির ফরেনসিক টিম পাঠানো হচ্ছে।
ডিসি তেজগাঁও বলেন, “লাশ এখনও ঝুলন্ত অবস্থায় আছে। সিআইডির ফরেনসিক টিম আসছে। আমরা পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা নিচ্ছি।”
মরিয়ম খাতুনের মৃত্যুর কারণ তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি। ফরেনসিক পরীক্ষা ও তদন্তের পর এ বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য জানা যাবে।

২২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৫:১৭
সিরাজগঞ্জে ইমাম নিয়োগকে কেন্দ্র করে বিএনপি ও জামায়াত সমর্থিতদের মধ্যে দ্বন্দ্বের জেরে মসজিদে তালা দেওয়ার ঘটনা ঘটেছে। এতে ফজরের নামাজ মসজিদের বাইরে পড়তে হয়েছে মুসল্লিদের। রোববার (২২ ফেব্রুয়ারি) সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলার বাগবাটি ইউনিয়নের পেচিবাড়ি জামে মসজিদে এ ঘটনা ঘটে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, রোববার ভোরে সেহরি শেষে ফজরের নামাজ পড়তে মুসুল্লিরা মসজিদে যান। এ সময় মসজিদের প্রধান ফটকে তালাবদ্ধ দেখতে পান তারা। বাধ্য হয়ে মসজিদের বাইরেই নামাজ পড়েন মুসুল্লিরা। দুপুরের দিকে সদর থানা পুলিশ ইসলামিক ফাউন্ডেশন ও মসজিদ কমিটির উপস্থিতিতে তালা ভেঙে মুসল্লিদের নামাজের ব্যবস্থা করে দেয়।
বাগবাটি ইউনিয়ন কৃষকদলের সাংগঠনিক সম্পাদক গোলাম মোস্তফা ও স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য মোকাদ্দেস অভিযোগ করে আলী বলেন, ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ চলে যাওয়ার পর এককভাবে জামায়াতের লোকজন মসজিদ কমিটি করে।
তখন আব্দুল হাই নামে জামায়াত সমর্থিত একজন ইমামকে রাখা হয়। তার কেরাত অনেকের কাছেই পছন্দ হয় না। ১২ ফেব্রুয়ারির পরে গ্রামের বেশিরভাগ লোকজন আমাদের কাছে এসে ওই ইমামকে বদলানোর কথা বলে। গ্রামের লোকজন সিদ্ধান্তে জানায়, ওয়াক্তের নামাজ ওই ইমাম পড়াবেন। তবে তারাবির নামাজটা অন্য ইমাম দিয়ে পড়াব।
বিষয়টি নিয়ে বসার জন্য মসজিদ কমিটির সভাপতি আবুল কালাম মাস্টারকে বলা হয়। সভাপতি মসজিদ কমিটির সেক্রেটারি রফিকুল ইসলামের সঙ্গে কথা বললে তিনি এ বিষয়ে নিয়ে বসতে রাজি হননি।
প্রথম তারাবির আগের দিন সভাপতি বলেন, তারা তো আমাকে মানে না। এটা নিয়ে তারা বসতে চায় না, ওই ইমামকেই তারা রাখতে চায়। তখন গ্রামের লোকজন বলল- তার যখন বসবে না, আমরা একটা ইমাম নিয়ে তাকে দিয়ে তারাবি নামাজ পড়াব।
যথারীতি তারা নতুন একজন ইমাম নিয়ে মসজিদে গেলে সেখানে সভাপতির উপস্থিতিতে আলোচনার একপর্যায়ে যুবদল নেতা লিটনকে ধাক্কা দিয়ে বাইরে বের করে দেয় জামায়াতের লোকজন।
এ ঘটনায় বাইরে এসে উভয়পক্ষের মধ্যে মারামারি হয়। এ নিয়ে উভয়পক্ষ বৈঠকে বসার সিদ্ধান্ত হলেও পরবর্তীতে বসার স্থান নিয়ে জামায়াতের লোকজনের আপত্তির কারণে আর বসা হয়নি।
এরপর যে ইমাম দায়িত্বে ছিল সে আর নামাজ পড়ায় না, মসজিদ কমিটির লোকজনও সেখানে নামাজ পড়ে না। পরে শনিবার রাতে আমরা গ্রামের লোকজনের সিদ্ধান্ত মোতাবেক একজন ইমাম মাগরিব ও এশার নামাজ পড়েছি। আজ সকালে ফজরের নামাজ পড়তে এসে দেখি মসজিদে তালা মারা। এ তালা জামায়াতের লোকজনই মেরেছে বলে দাবি করেন তিনি।
মসজিদ কমিটির সেক্রেটারি ও জামায়াত সমর্থক মো. রফিকুল ইসলাম বলেন, ইমাম আব্দুল হাইয়ের নামাজ পড়ানো নাকি ভালো হয় না, এই জন্য তাকে বাদ দেওয়া হয়েছে।
আমাদের গ্রামে জামায়াতের কোনো নেতা নেই। আমি নিজেও জামায়াতের কোনো পদে নেই। তবে আমরা সমর্থক। মসজিদে কে তালা দিয়েছে সেটা বলতে পারব না।
এ বিষয়ে স্থানীয় বাগবাটি ইউনিয়ন জামায়াতের আমির মো. ছানোয়ার হোসেন বলেন, বিষয়টাকে দলীয় ট্যাগ দেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে। এটা আসলে গ্রামের আভ্যন্তরীণ বিষয়। কোনো দলীয় দ্বন্দ্ব নয়। মসজিদে তালা দেওয়ার ঘটনা নিন্দনীয়। আমি আছি ও স্থানীয় বিএনপি নেতা আছেন- আমরা বসে বিষয়টি মীমাংসা করব।
সদর থানার সহকারী উপপরিদর্শক শফিকুর রহমান জানান, সকালে ফজরের নামাজ পড়তে এসে মুসুল্লিরা মসজিদে তালা দেখতে পান। পরে তারা থানাকে অবগত করলে আমরা ঘটনাস্থলে যাই।
আমরা উপস্থিত জনতাকে জিজ্ঞাসাবাদ করি। কে বা কারা তালা দিয়েছে সে বিষয়ে কেউ বলতে পারে না। পরে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের লোকজন ও মসজিদ কমিটির লোকের সহযোগিতায় তালা খুলে নামাজ আদায়ের ব্যবস্থা করে দিয়েছি। পরবর্তীতে সঠিক তথ্য পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৮:১২
২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৭:১৩
২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৩:৪৩
২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১১:০৫