
১৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৩:৪৭
নওগাঁর ধামইরহাটে কুকুর জবাই করে খাসির মাংস বলে বিক্রির চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে এক কসাইয়ের বিরুদ্ধে। রোববার (১৫ ফেব্রুয়ারি) সকাল সাড়ে ৯টায় উপজেলার মঙ্গলবাড়ী বাজারে এ ঘটনা ঘটে। পরে বিষয়টি স্থানীয়দের মাঝে জানাজানি হলে চরম উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। পরে তোপের মুখে দ্রুত দোকান ছেড়ে পালিয়ে যান অভিযুক্তরা।
স্থানীয় প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ধামইরহাটের নেংড়াপীর-ইসবপুর সড়কের তেতুলতলী মোড়ে খাসির মাংস বিক্রি করতেন স্থানীয় কসাই এনতাজুল ও তার সহযোগী দুলু মৌলভি। তারা নিয়মিত বাড়ি থেকে মাংস এনে বাজারে বিক্রি করতেন।
রোববার (১৫ ফেব্রুয়ারি) সকালে এনতাজুলের বাড়িতে কুকুর ধরে জবাই করার বিষয়টি স্থানীয়দের নজরে আসে। পরে বাজারে বিষয়টি ছড়িয়ে পড়লে অভিযুক্তরা দ্রুত মাংস ফেলে দোকান থেকে পালিয়ে যায়। অল্প সময়েই শতশত নারী-পুরুষ ঘটনাস্থলে ভিড় জমান।
জাহানপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান গোলাম কিবরিয়া বলেন, ঘটনাস্থল থেকে প্রায় ২৫ কেজি কুকুরের মাংস উদ্ধার করা হয়েছে এবং সেগুলো অপসারণের ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। অভিযুক্ত এনতাজুল ও দুলু মৌলভি পলাতক রয়েছেন।
ধামইরহাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোখলেছুর রহমান বলেন, সংবাদ পাওয়ার পরই তাৎক্ষণিক ঘটিনাস্থলে একটি টিম পাঠানো হয়েছিল। এরপর সেখান থেকে জবাইকৃত কুকুরের মাথা, চামড়া ও মাংস জব্দ করা হয়। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
নওগাঁর ধামইরহাটে কুকুর জবাই করে খাসির মাংস বলে বিক্রির চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে এক কসাইয়ের বিরুদ্ধে। রোববার (১৫ ফেব্রুয়ারি) সকাল সাড়ে ৯টায় উপজেলার মঙ্গলবাড়ী বাজারে এ ঘটনা ঘটে। পরে বিষয়টি স্থানীয়দের মাঝে জানাজানি হলে চরম উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। পরে তোপের মুখে দ্রুত দোকান ছেড়ে পালিয়ে যান অভিযুক্তরা।
স্থানীয় প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ধামইরহাটের নেংড়াপীর-ইসবপুর সড়কের তেতুলতলী মোড়ে খাসির মাংস বিক্রি করতেন স্থানীয় কসাই এনতাজুল ও তার সহযোগী দুলু মৌলভি। তারা নিয়মিত বাড়ি থেকে মাংস এনে বাজারে বিক্রি করতেন।
রোববার (১৫ ফেব্রুয়ারি) সকালে এনতাজুলের বাড়িতে কুকুর ধরে জবাই করার বিষয়টি স্থানীয়দের নজরে আসে। পরে বাজারে বিষয়টি ছড়িয়ে পড়লে অভিযুক্তরা দ্রুত মাংস ফেলে দোকান থেকে পালিয়ে যায়। অল্প সময়েই শতশত নারী-পুরুষ ঘটনাস্থলে ভিড় জমান।
জাহানপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান গোলাম কিবরিয়া বলেন, ঘটনাস্থল থেকে প্রায় ২৫ কেজি কুকুরের মাংস উদ্ধার করা হয়েছে এবং সেগুলো অপসারণের ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। অভিযুক্ত এনতাজুল ও দুলু মৌলভি পলাতক রয়েছেন।
ধামইরহাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোখলেছুর রহমান বলেন, সংবাদ পাওয়ার পরই তাৎক্ষণিক ঘটিনাস্থলে একটি টিম পাঠানো হয়েছিল। এরপর সেখান থেকে জবাইকৃত কুকুরের মাথা, চামড়া ও মাংস জব্দ করা হয়। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

০৪ এপ্রিল, ২০২৬ ১৪:৩২
ফরিদপুরের সদরপুরে তেল পাচারের ভিডিও ধারণ করায় থানা চত্বরে সাংবাদিকদের ওপর হামলার ঘটনা ঘটেছে। শনিবার (৪ এপ্রিল) বেলা ১১টার দিকে সদরপুর হামলার শিকার হন চ্যানেল এস-এর সাংবাদিক তোফাজ্জেল হোসেন টিটু এবং দৈনিক ঢাকা প্রতিদিনের সাংবাদিক আলমগীর হোসেন।
হামলার শিকার ওই দুই সাংবাদিক জানান, শুক্রবার (৩ এপ্রিল) রাত সাড়ে ১০টার উপজেলার চর বিষ্ণুপুর ইউনিয়নের গাবতলা এলাকায় তেলের ডিলার মোহাম্মদ আলী মোল্যা ও তার ছেলে সামী মোল্যার তেল পাচারের ভিডিও ধারণ করলে তারা (সাংবাদিকরা) প্রথম দফা হামলার শিকার হন। এ ঘটনায় তারা থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।
তারা জানান, অভিযোগের পর শনিবার সকাল ১০টার দিকে থানায় গেলে, অভিযোগের জের ধরে ওই তেলের ডিলার ও তার লোকজন থানার চত্বরে সাংবাদিকদের ওপর দ্বিতীয় দফা হামলা চালায়। এ সময় থানা পুলিশের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে।
পরে সাংবাদিকরা থানা চত্বরের সামনে সড়কে অবস্থান নিলে রফিকুল ইসলাম মন্টু এবং তার সহযোগী মোস্তাকি বাবু তৃতীয় দফায় তাদের ওপর হামলা চালায় বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে অভিযুক্তরা কোনো বক্তব্য দেননি। সদরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল আল মামুন শাহ জানান, হামলার বিষয়টি নিয়ে আমি এমপির সঙ্গে কথা বলেছি। বিষয়টি আমরা খতিয়ে দেখছি।
ফরিদপুরের সদরপুরে তেল পাচারের ভিডিও ধারণ করায় থানা চত্বরে সাংবাদিকদের ওপর হামলার ঘটনা ঘটেছে। শনিবার (৪ এপ্রিল) বেলা ১১টার দিকে সদরপুর হামলার শিকার হন চ্যানেল এস-এর সাংবাদিক তোফাজ্জেল হোসেন টিটু এবং দৈনিক ঢাকা প্রতিদিনের সাংবাদিক আলমগীর হোসেন।
হামলার শিকার ওই দুই সাংবাদিক জানান, শুক্রবার (৩ এপ্রিল) রাত সাড়ে ১০টার উপজেলার চর বিষ্ণুপুর ইউনিয়নের গাবতলা এলাকায় তেলের ডিলার মোহাম্মদ আলী মোল্যা ও তার ছেলে সামী মোল্যার তেল পাচারের ভিডিও ধারণ করলে তারা (সাংবাদিকরা) প্রথম দফা হামলার শিকার হন। এ ঘটনায় তারা থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।
তারা জানান, অভিযোগের পর শনিবার সকাল ১০টার দিকে থানায় গেলে, অভিযোগের জের ধরে ওই তেলের ডিলার ও তার লোকজন থানার চত্বরে সাংবাদিকদের ওপর দ্বিতীয় দফা হামলা চালায়। এ সময় থানা পুলিশের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে।
পরে সাংবাদিকরা থানা চত্বরের সামনে সড়কে অবস্থান নিলে রফিকুল ইসলাম মন্টু এবং তার সহযোগী মোস্তাকি বাবু তৃতীয় দফায় তাদের ওপর হামলা চালায় বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে অভিযুক্তরা কোনো বক্তব্য দেননি। সদরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল আল মামুন শাহ জানান, হামলার বিষয়টি নিয়ে আমি এমপির সঙ্গে কথা বলেছি। বিষয়টি আমরা খতিয়ে দেখছি।

০৩ এপ্রিল, ২০২৬ ২০:০৪
নোয়াখালীর সদর উপজেলায় শত্রুতার জেরে দুই কৃষকের প্রায় ২৪ একর জমির তরমুজ কুপিয়ে ধ্বংস করার অভিযোগ উঠেছে। এতে কৃষক পরিবার দুটি বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছে বলে দাবি করা হয়েছে।
শুক্রবার (৩ এপ্রিল) দিবাগত রাত আনুমানিক ৩টার দিকে উপজেলার ধর্মপুর ইউনিয়নের চর দরবেশ গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। ভুক্তভোগী কৃষকরা হলেন- চর দরবেশ গ্রামের মাহবুল হকের ছেলে মো. ইব্রাহিম খলিল এবং ছেরাজুল হকের ছেলে নুরুল হক।
তারা জানান, স্থানীয়ভাবে ঋণ ও দাদন নিয়ে প্রতিজন ১২ একর করে মোট ২৪ একর জমিতে তরমুজ চাষ করেছিলেন। এতে প্রায় ২২ লাখ টাকা বিনিয়োগ করা হয় বলে দাবি তাদের।
কৃষকদের অভিযোগ, পাশের এলাকায় মহিষের পাল থেকে তাদের তরমুজ ক্ষেতে আগেও ক্ষতি হয়। এ ঘটনায় স্থানীয়ভাবে সালিশ বৈঠকে ক্ষতিপূরণ নির্ধারণ করা হলেও পরে বিরোধ আরও বাড়ে।
এর জের ধরে বুধবার রাতে তাদের হুমকি দেওয়া হয় বলে দাবি করেন ভুক্তভোগীরা। পরবর্তীতে বৃহস্পতিবার গভীর রাতে ১০-১২ জনের একটি দল তাদের তরমুজ ক্ষেত কুপিয়ে ধ্বংস করে বলে অভিযোগ করা হয়।
এতে প্রায় ১০ থেকে ১২ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে তারা দাবি করেছেন। এ ঘটনায় ঋণ পরিশোধ নিয়ে চরম দুশ্চিন্তায় পড়েছেন বলে জানান কৃষক পরিবারগুলো।
এ বিষয়ে সুধারাম মডেল থানার ওসি মো. তৌহিদুল ইসলাম বলেন, এখনো কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
নোয়াখালীর সদর উপজেলায় শত্রুতার জেরে দুই কৃষকের প্রায় ২৪ একর জমির তরমুজ কুপিয়ে ধ্বংস করার অভিযোগ উঠেছে। এতে কৃষক পরিবার দুটি বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছে বলে দাবি করা হয়েছে।
শুক্রবার (৩ এপ্রিল) দিবাগত রাত আনুমানিক ৩টার দিকে উপজেলার ধর্মপুর ইউনিয়নের চর দরবেশ গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। ভুক্তভোগী কৃষকরা হলেন- চর দরবেশ গ্রামের মাহবুল হকের ছেলে মো. ইব্রাহিম খলিল এবং ছেরাজুল হকের ছেলে নুরুল হক।
তারা জানান, স্থানীয়ভাবে ঋণ ও দাদন নিয়ে প্রতিজন ১২ একর করে মোট ২৪ একর জমিতে তরমুজ চাষ করেছিলেন। এতে প্রায় ২২ লাখ টাকা বিনিয়োগ করা হয় বলে দাবি তাদের।
কৃষকদের অভিযোগ, পাশের এলাকায় মহিষের পাল থেকে তাদের তরমুজ ক্ষেতে আগেও ক্ষতি হয়। এ ঘটনায় স্থানীয়ভাবে সালিশ বৈঠকে ক্ষতিপূরণ নির্ধারণ করা হলেও পরে বিরোধ আরও বাড়ে।
এর জের ধরে বুধবার রাতে তাদের হুমকি দেওয়া হয় বলে দাবি করেন ভুক্তভোগীরা। পরবর্তীতে বৃহস্পতিবার গভীর রাতে ১০-১২ জনের একটি দল তাদের তরমুজ ক্ষেত কুপিয়ে ধ্বংস করে বলে অভিযোগ করা হয়।
এতে প্রায় ১০ থেকে ১২ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে তারা দাবি করেছেন। এ ঘটনায় ঋণ পরিশোধ নিয়ে চরম দুশ্চিন্তায় পড়েছেন বলে জানান কৃষক পরিবারগুলো।
এ বিষয়ে সুধারাম মডেল থানার ওসি মো. তৌহিদুল ইসলাম বলেন, এখনো কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

০৩ এপ্রিল, ২০২৬ ১৬:৪১
নরসিংদীর পলাশে প্রতিবেশীর গাছের ডাব পাড়া নিয়ে দ্বন্ধের জেরে মামুন (২০) নামে এক যুবককে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে কুপিয়ে হত্যার ঘটনা ঘটেছে।
শুক্রবার (৩ এপ্রিল) বেলা ১১ টায় উপজেলার ডাংগা ইউনিয়নের গালিমপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নিহত মামুন গালিমপুর গ্রামের মৃত আব্দুল আব্দুল মোমেন মিয়ার ছেলে। সে পেশায় অটোরিকশা চালক ছিলেন। এ ঘটনায় অভিযুক্ত আজিজুল (৩৫) একই গ্রামের ইসমাইলের ছেলে।
পুলিশ ও নিহতের পরিবার জানায়, দুই দিন আগে প্রতিবেশী ইসমাইলের ছেলে আজিজুর ইসলাম মামুনকে দিয়ে বাড়ির পাশের গাছ থেকে ডাব পাড়ান। পরে কিছু ডাব মামুন নিয়ে গেলে আজিজুরের সঙ্গে বিরোধের সৃষ্টি হয়। বৃহস্পতিবার এ নিয়ে সামাজিকভাবে আপস-মীমাংসা করা হলেও বিষয়টি মানতে নারাজ ছিলেন আজিজুর।
পরে আজ সকালে মামুনকে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে আজিজুর, তার ভাই হযরত আলীসহ পরিবারের সদস্যরা দা ও চাপাতি দিয়ে কুপিয়ে গুরুতর আহত করেন। পরে স্থানীয়রা উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়ার পথে মামুনের মৃত্যু হয়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে।
পলাশ থানার ওসি শাহেদ আল মামুন জানান, নিহতের লাশ উদ্ধার করে মর্গে পাঠানো হয়েছে। হত্যার সাথে জড়িতদের গ্রেপ্তারে কাজ করছে পুলিশ।
নরসিংদীর পলাশে প্রতিবেশীর গাছের ডাব পাড়া নিয়ে দ্বন্ধের জেরে মামুন (২০) নামে এক যুবককে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে কুপিয়ে হত্যার ঘটনা ঘটেছে।
শুক্রবার (৩ এপ্রিল) বেলা ১১ টায় উপজেলার ডাংগা ইউনিয়নের গালিমপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নিহত মামুন গালিমপুর গ্রামের মৃত আব্দুল আব্দুল মোমেন মিয়ার ছেলে। সে পেশায় অটোরিকশা চালক ছিলেন। এ ঘটনায় অভিযুক্ত আজিজুল (৩৫) একই গ্রামের ইসমাইলের ছেলে।
পুলিশ ও নিহতের পরিবার জানায়, দুই দিন আগে প্রতিবেশী ইসমাইলের ছেলে আজিজুর ইসলাম মামুনকে দিয়ে বাড়ির পাশের গাছ থেকে ডাব পাড়ান। পরে কিছু ডাব মামুন নিয়ে গেলে আজিজুরের সঙ্গে বিরোধের সৃষ্টি হয়। বৃহস্পতিবার এ নিয়ে সামাজিকভাবে আপস-মীমাংসা করা হলেও বিষয়টি মানতে নারাজ ছিলেন আজিজুর।
পরে আজ সকালে মামুনকে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে আজিজুর, তার ভাই হযরত আলীসহ পরিবারের সদস্যরা দা ও চাপাতি দিয়ে কুপিয়ে গুরুতর আহত করেন। পরে স্থানীয়রা উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়ার পথে মামুনের মৃত্যু হয়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে।
পলাশ থানার ওসি শাহেদ আল মামুন জানান, নিহতের লাশ উদ্ধার করে মর্গে পাঠানো হয়েছে। হত্যার সাথে জড়িতদের গ্রেপ্তারে কাজ করছে পুলিশ।
০৪ এপ্রিল, ২০২৬ ১৮:২৩
০৪ এপ্রিল, ২০২৬ ১৮:১১
০৪ এপ্রিল, ২০২৬ ১৭:১৯
০৪ এপ্রিল, ২০২৬ ১৭:০৫