Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.

১৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ২০:৩৮
জাতীয় পার্টির (জাপা) দুর্গ হিসেবে পরিচিত রংপুরে এবারের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বড় ধাক্কা খেয়েছে দলটি। ‘দুর্গ’ হিসেবে পরিচিত রংপুরে ঘটেছে চরম ভরাডুবি। দলটির চার দশকের ইতিহাসে এই প্রথম রংপুরসহ সারাদেশে ১৯৬টি আসনে প্রার্থী দিয়েও একটিতেও জয়ের দেখা পায়নি লাঙ্গল প্রতীকের প্রার্থীরা।
আওয়ামী লীগের মিত্র হিসেবে পরিচিত জাতীয় পার্টির এই রাজনৈতিক বিপর্যয়ের মধ্য দিয়ে রংপুরে জামায়াতে ইসলামীর উত্থান হয়েছে। কেউ কেউ বলছেন, লাঙ্গল এর আবেগ থেকে সরে এসে রংপুরের মানুষ পরিবর্তিত রাজনীতির পক্ষে রায় দিয়েছেন।
নির্বাচনের ঘোষিত বেসরকারি ফলাফলে দেখা গেছে, জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান জিএম কাদের রংপুর-৩ (সিটি করপোরেশন ও সদর) আসনে তৃতীয় হয়েছেন। একইভাবে দলের মহাসচিব শামীম হায়দার পাটোয়ারী গাইবান্ধা-১ আসনেও তৃতীয় স্থান অর্জন করেছেন।
এদিকে দলটির ভরাডুবিকে কেন্দ্র করে রংপুরে শুরু হয়েছে নানা প্রতিক্রিয়া। সামাজিক মাধ্যমে চলছে আলোচনা-সমালোচনা। এর মধ্যেই একটি ছবি ও ভিডিও ভাইরাল হয়েছে, যা নিয়ে তৈরি হয়েছে মিশ্র প্রতিক্রিয়া।
ভাইরাল হওয়া ছবিতে দেখা যায়, সামনে একটি লাঙল রেখে তার জানাজার নামাজ পড়া হচ্ছে। কয়েকটি ফেসবুক পেজে ছবিটি শেয়ার করে লেখা হয়েছে, ‘রংপুরের মাটিতে আনুষ্ঠানিকভাবে লাঙ্গলের নামাজে জানাজা সম্পন্ন হলো।’ তবে ছবিটি কোথায় এবং কবে তোলা হয়েছে, সে বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানা যায়নি।
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন রংপুর মহানগরের সাবেক মুখপাত্র নাহিদ হাসান খন্দকার তার ফেসবুকে ছবিটি পোস্ট করে লিখেছেন, আমিন।
অন্যদিকে, জাতীয় ছাত্রশক্তির রংপুর মহানগরের আহ্বায়ক ইমতিয়াজ আহমেদ ইমতি ফেসবুক পোস্টে লিখেছেন, লীগের গৃহপালিত জাতীয় পার্টি ইন্তেকাল করেছে। ধন্যবাদ রংপুরবাসী। ধন্যবাদ এই যুদ্ধের সকল নায়ককে, তৃপ্তি।
সংবাদকর্মী ও ছড়াকার জয়নাল আবেদীন লিখেছেন, রংপুরের জনগণ আবেগের লাঙ্গল থেকে মুখ ফিরিয়ে নিলেও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে আবারও ভুল করেছে।
ভোটগ্রহণ শেষে ব্যালট পেপার গণনার সময় আতিক হাসান নামে আরেক সংবাদকর্মী লিখেছেন, রংপুরে আইসিইউতে জাতীয় পার্টি। সন্ধ্যার পর মৃত ঘোষণা হতে পারে। জাপার ভোটের অবস্থা খুবই সংকটাপন্ন।
ভাইরাল ছবিকে ঘিরে সামাজিক মাধ্যমে দুই ধরনের প্রতিক্রিয়া দেখা যাচ্ছে। একদল একে ‘রাজনৈতিক প্রতীকী প্রতিবাদ’ হিসেবে দেখছেন। অন্যদিকে অনেকে এটিকে ‘অতিরঞ্জিত ও অসম্মানজনক’ বলে মন্তব্য করছেন।
রংপুর শহরই দলটির প্রতিষ্ঠাতা ও সাবেক রাষ্ট্রপতি হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ-এর বাড়ি। ফলে এ অঞ্চলে বরাবরই লাঙলের শক্ত ভোটব্যাংক ছিল। কিন্তু এবার সেই চিত্রে বড় পরিবর্তন দেখা গেছে। বিশেষ করে বিভিন্ন আসনে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীরা এগিয়ে থাকায় জাতীয় পার্টি কোনো আসনেই জয় পায়নি।
এবার রাজনৈতিক পালাবদলে রংপুরে বড় ধরনের চমক দেখিয়েছে জামায়াতে ইসলামী। এরশাদের হাতেগড়া জাতীয় পার্টির দুর্গ তছনছ করে একচ্ছত্র আধিপত্য প্রতিষ্ঠা করেছে জামায়াতের ১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্য। রংপুরের ৬টি আসনের ৫টিতে বিজয়ী হয়েছে জামায়াত ও একটিতে জোটসঙ্গী এনসিপি।
এই নির্বাচনে জামায়াত জোটের প্রার্থীদের বিএনপির সঙ্গে লড়াইয়ে বড় ব্যবধানে জয় আর জাতীয় পার্টি আসনশুন্য অবস্থান আগামীতে রংপুর অঞ্চলের রাজনীতিতে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিচ্ছে বলে মনে করছেন স্থানীয় রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।
কেউ কেউ মনে করছেন, এবার রংপুরের জনগণ আবেগের লাঙ্গল থেকে মুখ ফিরিয়ে নেয়ায় জামায়াতের প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বিতা হয়েছে বিএনপির সঙ্গে। তবে উন্নয়ন-বৈষম্য থেকে বের হতে না পারলে আবারও পিছিয়ে যাবে তিস্তা নদীবেষ্টিত কৃষিনির্ভর রংপুর অঞ্চলের মানুষেরা।
এদিকে, ভোটের দিন বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) সকাল থেকে জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান জি এম কাদেরকে কোথাও দেখা যায়নি। মাঠে ছিলেন না জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় নেতারাও। অনেকের মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করেও পাওয়া যায়নি বক্তব্য।
জিএম কাদের নিজেও বের হননি রংপুরের সেনপাড়ার স্কাই ভিউ নিবাস থেকে। এমনকি সাংবাদিকরা তার বাসার সামনে কয়েক দফায় জড়ো হলেও তিনি গণমাধ্যমের সামনে আসেননি। তবে, একটি সূত্র জানিয়েছে, জিএম কাদের শুক্রবার সকালে গোপনেই রংপুর থেকে ঢাকায় চলে গেছেন।
জাতীয় পার্টির (জাপা) দুর্গ হিসেবে পরিচিত রংপুরে এবারের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বড় ধাক্কা খেয়েছে দলটি। ‘দুর্গ’ হিসেবে পরিচিত রংপুরে ঘটেছে চরম ভরাডুবি। দলটির চার দশকের ইতিহাসে এই প্রথম রংপুরসহ সারাদেশে ১৯৬টি আসনে প্রার্থী দিয়েও একটিতেও জয়ের দেখা পায়নি লাঙ্গল প্রতীকের প্রার্থীরা।
আওয়ামী লীগের মিত্র হিসেবে পরিচিত জাতীয় পার্টির এই রাজনৈতিক বিপর্যয়ের মধ্য দিয়ে রংপুরে জামায়াতে ইসলামীর উত্থান হয়েছে। কেউ কেউ বলছেন, লাঙ্গল এর আবেগ থেকে সরে এসে রংপুরের মানুষ পরিবর্তিত রাজনীতির পক্ষে রায় দিয়েছেন।
নির্বাচনের ঘোষিত বেসরকারি ফলাফলে দেখা গেছে, জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান জিএম কাদের রংপুর-৩ (সিটি করপোরেশন ও সদর) আসনে তৃতীয় হয়েছেন। একইভাবে দলের মহাসচিব শামীম হায়দার পাটোয়ারী গাইবান্ধা-১ আসনেও তৃতীয় স্থান অর্জন করেছেন।
এদিকে দলটির ভরাডুবিকে কেন্দ্র করে রংপুরে শুরু হয়েছে নানা প্রতিক্রিয়া। সামাজিক মাধ্যমে চলছে আলোচনা-সমালোচনা। এর মধ্যেই একটি ছবি ও ভিডিও ভাইরাল হয়েছে, যা নিয়ে তৈরি হয়েছে মিশ্র প্রতিক্রিয়া।
ভাইরাল হওয়া ছবিতে দেখা যায়, সামনে একটি লাঙল রেখে তার জানাজার নামাজ পড়া হচ্ছে। কয়েকটি ফেসবুক পেজে ছবিটি শেয়ার করে লেখা হয়েছে, ‘রংপুরের মাটিতে আনুষ্ঠানিকভাবে লাঙ্গলের নামাজে জানাজা সম্পন্ন হলো।’ তবে ছবিটি কোথায় এবং কবে তোলা হয়েছে, সে বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানা যায়নি।
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন রংপুর মহানগরের সাবেক মুখপাত্র নাহিদ হাসান খন্দকার তার ফেসবুকে ছবিটি পোস্ট করে লিখেছেন, আমিন।
অন্যদিকে, জাতীয় ছাত্রশক্তির রংপুর মহানগরের আহ্বায়ক ইমতিয়াজ আহমেদ ইমতি ফেসবুক পোস্টে লিখেছেন, লীগের গৃহপালিত জাতীয় পার্টি ইন্তেকাল করেছে। ধন্যবাদ রংপুরবাসী। ধন্যবাদ এই যুদ্ধের সকল নায়ককে, তৃপ্তি।
সংবাদকর্মী ও ছড়াকার জয়নাল আবেদীন লিখেছেন, রংপুরের জনগণ আবেগের লাঙ্গল থেকে মুখ ফিরিয়ে নিলেও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে আবারও ভুল করেছে।
ভোটগ্রহণ শেষে ব্যালট পেপার গণনার সময় আতিক হাসান নামে আরেক সংবাদকর্মী লিখেছেন, রংপুরে আইসিইউতে জাতীয় পার্টি। সন্ধ্যার পর মৃত ঘোষণা হতে পারে। জাপার ভোটের অবস্থা খুবই সংকটাপন্ন।
ভাইরাল ছবিকে ঘিরে সামাজিক মাধ্যমে দুই ধরনের প্রতিক্রিয়া দেখা যাচ্ছে। একদল একে ‘রাজনৈতিক প্রতীকী প্রতিবাদ’ হিসেবে দেখছেন। অন্যদিকে অনেকে এটিকে ‘অতিরঞ্জিত ও অসম্মানজনক’ বলে মন্তব্য করছেন।
রংপুর শহরই দলটির প্রতিষ্ঠাতা ও সাবেক রাষ্ট্রপতি হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ-এর বাড়ি। ফলে এ অঞ্চলে বরাবরই লাঙলের শক্ত ভোটব্যাংক ছিল। কিন্তু এবার সেই চিত্রে বড় পরিবর্তন দেখা গেছে। বিশেষ করে বিভিন্ন আসনে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীরা এগিয়ে থাকায় জাতীয় পার্টি কোনো আসনেই জয় পায়নি।
এবার রাজনৈতিক পালাবদলে রংপুরে বড় ধরনের চমক দেখিয়েছে জামায়াতে ইসলামী। এরশাদের হাতেগড়া জাতীয় পার্টির দুর্গ তছনছ করে একচ্ছত্র আধিপত্য প্রতিষ্ঠা করেছে জামায়াতের ১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্য। রংপুরের ৬টি আসনের ৫টিতে বিজয়ী হয়েছে জামায়াত ও একটিতে জোটসঙ্গী এনসিপি।
এই নির্বাচনে জামায়াত জোটের প্রার্থীদের বিএনপির সঙ্গে লড়াইয়ে বড় ব্যবধানে জয় আর জাতীয় পার্টি আসনশুন্য অবস্থান আগামীতে রংপুর অঞ্চলের রাজনীতিতে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিচ্ছে বলে মনে করছেন স্থানীয় রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।
কেউ কেউ মনে করছেন, এবার রংপুরের জনগণ আবেগের লাঙ্গল থেকে মুখ ফিরিয়ে নেয়ায় জামায়াতের প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বিতা হয়েছে বিএনপির সঙ্গে। তবে উন্নয়ন-বৈষম্য থেকে বের হতে না পারলে আবারও পিছিয়ে যাবে তিস্তা নদীবেষ্টিত কৃষিনির্ভর রংপুর অঞ্চলের মানুষেরা।
এদিকে, ভোটের দিন বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) সকাল থেকে জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান জি এম কাদেরকে কোথাও দেখা যায়নি। মাঠে ছিলেন না জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় নেতারাও। অনেকের মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করেও পাওয়া যায়নি বক্তব্য।
জিএম কাদের নিজেও বের হননি রংপুরের সেনপাড়ার স্কাই ভিউ নিবাস থেকে। এমনকি সাংবাদিকরা তার বাসার সামনে কয়েক দফায় জড়ো হলেও তিনি গণমাধ্যমের সামনে আসেননি। তবে, একটি সূত্র জানিয়েছে, জিএম কাদের শুক্রবার সকালে গোপনেই রংপুর থেকে ঢাকায় চলে গেছেন।

২২ জুন, ২০২৬ ১৫:০৬
কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীকে কেন্দ্র করে রাজধানী ঢাকাসহ ছয় জেলায় সেনাবাহিনীর মোতায়েনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ঢাকার বাইরের জেলাগুলো হলো- নারায়ণগঞ্জ, গাজীপুর, গোপালগঞ্জ, ফরিদপুর ও চট্টগ্রাম।
সোমবার (২২ জুন) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে জারি করা এক চিঠিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
চিঠিতে বলা হয়েছে, কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষিত বিভিন্ন সংগঠন কর্তৃক দেশের বিভিন্ন স্থানে বেআইনি মিছিল, শোডাউন ও অন্যান্য কর্মসূচির মাধ্যমে নাশকতা ও বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির আশঙ্কা রয়েছে। এর ফলে দেশের বিভিন্ন জেলার সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটার পাশাপাশি জানমালের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির সম্ভাবনা রয়েছে।
এমতাবস্থায়, ঢাকা মেট্রোপলিটন এলাকা, চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন এলাকা, গাজীপুর মেট্রোপলিটন এলাকা, নারায়ণগঞ্জ জেলা, গোপালগঞ্জ জেলা এবং ফরিদপুর জেলার শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষা, জননিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং জনগণের জানমালের সুরক্ষার লক্ষ্যে ২২ জুন থেকে ৩০ জুন পর্যন্ত 'ইন এইড টু সিভিল পাওয়ার'-এর আওতায় প্রয়োজনীয় সংখ্যক সেনাসদস্য মোতায়েনের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য নির্দেশক্রমে অনুরোধ করা হলো।
বরিশাল টাইমস

২২ জুন, ২০২৬ ১৩:৫২
নেত্রকোনার কলমাকান্দা উপজেলার পোগলা ইউনিয়নের বাহাত্তরকাহন গ্রামে বিদ্যুৎস্পর্শে বাচ্চু খান (৬৫) নামে এক বৃদ্ধের মৃত্যু হয়েছে। নিহত বাচ্চু খান ওই গ্রামের মৃত আবাল হোসেন খানের ছেলে।
রোববার (২১ জুন) সন্ধ্যা আনুমানিক ৮টার দিকে নিজ বাড়িতে অটোরিকশার ব্যাটারিতে চার্জ দেওয়ার সময় হঠাৎ শর্টসার্কিটের ঘটনায় তিনি বিদ্যুৎস্পর্শ হন। এ সময় পরিবারের সদস্যরা তাকে দ্রুত উদ্ধার করে কলমাকান্দা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। তবে হাসপাতালে পৌঁছানোর পর কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
কলমাকান্দা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার ডা. শৌভিক শ্রাবণ দত্ত বলেন, বাচ্চু খানকে হাসপাতালে আনার আগেই তার মৃত্যু হয়েছে।
ঘটনার খবর পেয়ে কলমাকান্দা থানা পুলিশ হাসপাতাল ও ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে।
কলমাকান্দা থানার ওসি (তদন্ত) সজল সরকার ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল ও হাসপাতালে যায়। আজ রাতেই আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন শেষে নিহতের মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
এ ঘটনায় নিহতের পরিবার ও স্বজনদের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

২১ জুন, ২০২৬ ২৩:২৯
গাইবান্ধার সাঘাটা উপজেলার বোনারপাড়ায় একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি নির্বাচনকে কেন্দ্র করে বিরোধের জেরে সাইফুল ইসলাম (২২) নামের এক ছাত্রশিবির কর্মীকে ছুরিকাঘাতে হত্যা করা হয়েছে। এই ঘটনায় সালাউদ্দিন নামের আরও একজন গুরুতর আহত হয়েছেন।
রোববার (২১ জুন) দুপুর আড়াইটার দিকে বোনারপাড়া চৌরাস্তা মোড়ে এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। নিহত সাইফুল ইসলাম বোনারপাড়া ইউনিয়ন ছাত্রশিবিরের সভাপতি এবং শিমুল তাইড় গ্রামের হাবিবুর রহমানের ছেলে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, দুপুরে বোনারপাড়া চৌরাস্তা মোড়ে কচুয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক হাবিবুল্লাহর সঙ্গে ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি নির্বাচন নিয়ে বাটি গ্রামের জাহিদুল ইসলামের ছেলে মুকুলের কথা কাটাকাটি হচ্ছিল। ওই সময় ছাত্রশিবির নেতা সাইফুল ইসলাম ও সালাউদ্দিন সেখানে উপস্থিত হয়ে প্রধান শিক্ষকের সঙ্গে এমন আচরণের প্রতিবাদ জানান। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে মুকুল, তার সহোদর ভাই পলাশ এবং জনৈক আশরাফ ধারালো ছুরি দিয়ে সাইফুল ও সালাউদ্দিনকে উপর্যুপরি ছুরিকাঘাত করে পালিয়ে যায়।
পরে স্থানীয় লোকজন রক্তাক্ত অবস্থায় দুজনকে উদ্ধার করে গাইবান্ধা জেলা সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক সাইফুল ইসলামকে মৃত ঘোষণা করেন। অন্যদিকে, আশঙ্কাজনক অবস্থায় সালাউদ্দিনকে বগুড়ার শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে, যেখানে তিনি বর্তমানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
সাঘাটা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মাহবুব আলম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, হত্যাকাণ্ডের পর থেকে এলাকায় চরম উত্তেজনা ও থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। জড়িতদের গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান চলছে।
কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীকে কেন্দ্র করে রাজধানী ঢাকাসহ ছয় জেলায় সেনাবাহিনীর মোতায়েনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ঢাকার বাইরের জেলাগুলো হলো- নারায়ণগঞ্জ, গাজীপুর, গোপালগঞ্জ, ফরিদপুর ও চট্টগ্রাম।
সোমবার (২২ জুন) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে জারি করা এক চিঠিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
চিঠিতে বলা হয়েছে, কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষিত বিভিন্ন সংগঠন কর্তৃক দেশের বিভিন্ন স্থানে বেআইনি মিছিল, শোডাউন ও অন্যান্য কর্মসূচির মাধ্যমে নাশকতা ও বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির আশঙ্কা রয়েছে। এর ফলে দেশের বিভিন্ন জেলার সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটার পাশাপাশি জানমালের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির সম্ভাবনা রয়েছে।
এমতাবস্থায়, ঢাকা মেট্রোপলিটন এলাকা, চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন এলাকা, গাজীপুর মেট্রোপলিটন এলাকা, নারায়ণগঞ্জ জেলা, গোপালগঞ্জ জেলা এবং ফরিদপুর জেলার শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষা, জননিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং জনগণের জানমালের সুরক্ষার লক্ষ্যে ২২ জুন থেকে ৩০ জুন পর্যন্ত 'ইন এইড টু সিভিল পাওয়ার'-এর আওতায় প্রয়োজনীয় সংখ্যক সেনাসদস্য মোতায়েনের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য নির্দেশক্রমে অনুরোধ করা হলো।
বরিশাল টাইমস
নেত্রকোনার কলমাকান্দা উপজেলার পোগলা ইউনিয়নের বাহাত্তরকাহন গ্রামে বিদ্যুৎস্পর্শে বাচ্চু খান (৬৫) নামে এক বৃদ্ধের মৃত্যু হয়েছে। নিহত বাচ্চু খান ওই গ্রামের মৃত আবাল হোসেন খানের ছেলে।
রোববার (২১ জুন) সন্ধ্যা আনুমানিক ৮টার দিকে নিজ বাড়িতে অটোরিকশার ব্যাটারিতে চার্জ দেওয়ার সময় হঠাৎ শর্টসার্কিটের ঘটনায় তিনি বিদ্যুৎস্পর্শ হন। এ সময় পরিবারের সদস্যরা তাকে দ্রুত উদ্ধার করে কলমাকান্দা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। তবে হাসপাতালে পৌঁছানোর পর কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
কলমাকান্দা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার ডা. শৌভিক শ্রাবণ দত্ত বলেন, বাচ্চু খানকে হাসপাতালে আনার আগেই তার মৃত্যু হয়েছে।
ঘটনার খবর পেয়ে কলমাকান্দা থানা পুলিশ হাসপাতাল ও ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে।
কলমাকান্দা থানার ওসি (তদন্ত) সজল সরকার ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল ও হাসপাতালে যায়। আজ রাতেই আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন শেষে নিহতের মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
এ ঘটনায় নিহতের পরিবার ও স্বজনদের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
গাইবান্ধার সাঘাটা উপজেলার বোনারপাড়ায় একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি নির্বাচনকে কেন্দ্র করে বিরোধের জেরে সাইফুল ইসলাম (২২) নামের এক ছাত্রশিবির কর্মীকে ছুরিকাঘাতে হত্যা করা হয়েছে। এই ঘটনায় সালাউদ্দিন নামের আরও একজন গুরুতর আহত হয়েছেন।
রোববার (২১ জুন) দুপুর আড়াইটার দিকে বোনারপাড়া চৌরাস্তা মোড়ে এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। নিহত সাইফুল ইসলাম বোনারপাড়া ইউনিয়ন ছাত্রশিবিরের সভাপতি এবং শিমুল তাইড় গ্রামের হাবিবুর রহমানের ছেলে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, দুপুরে বোনারপাড়া চৌরাস্তা মোড়ে কচুয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক হাবিবুল্লাহর সঙ্গে ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি নির্বাচন নিয়ে বাটি গ্রামের জাহিদুল ইসলামের ছেলে মুকুলের কথা কাটাকাটি হচ্ছিল। ওই সময় ছাত্রশিবির নেতা সাইফুল ইসলাম ও সালাউদ্দিন সেখানে উপস্থিত হয়ে প্রধান শিক্ষকের সঙ্গে এমন আচরণের প্রতিবাদ জানান। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে মুকুল, তার সহোদর ভাই পলাশ এবং জনৈক আশরাফ ধারালো ছুরি দিয়ে সাইফুল ও সালাউদ্দিনকে উপর্যুপরি ছুরিকাঘাত করে পালিয়ে যায়।
পরে স্থানীয় লোকজন রক্তাক্ত অবস্থায় দুজনকে উদ্ধার করে গাইবান্ধা জেলা সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক সাইফুল ইসলামকে মৃত ঘোষণা করেন। অন্যদিকে, আশঙ্কাজনক অবস্থায় সালাউদ্দিনকে বগুড়ার শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে, যেখানে তিনি বর্তমানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
সাঘাটা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মাহবুব আলম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, হত্যাকাণ্ডের পর থেকে এলাকায় চরম উত্তেজনা ও থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। জড়িতদের গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান চলছে।