
০১ মার্চ, ২০২৬ ১৪:১২
শনিবার মধ্যরাত থেকে ভোলার মেঘনা ও তেঁতুলিয়া নদীতে ইলিশসহ সব ধরনের মাছ শিকারের ওপর দীর্ঘ দুই মাসের নিষেধাজ্ঞা শুরু হয়েছে।
ইলিশের অভয়াশ্রমের কারণে ১ মার্চ থেকে ৩০ এপ্রিল রাত ১২টা পর্যন্ত ভোলার মেঘনা ও তেঁতুলিয়া নদীর ১৯০ কিলোমিটার এলাকায় এই নিষেধাজ্ঞা চলবে। এসময় মাছ আহরণের পাশাপাশি পরিবহন, বাজারজাত ও ক্রয়-বিক্রয়ের ওপরও নিষেধাজ্ঞা থাকবে।
এদিকে নিষেধাজ্ঞার কারণে নদী থেকে তীরে ফিরেছেন জেলেরা। দীর্ঘ দুই মাসের এই নিষেধাজ্ঞায় কর্মহীন হয়ে পড়েছেন ভোলার সাত উপজেলার প্রায় ৩ লাখ জেলে। নিষেধাজ্ঞা চলাকালীন সময়ে দ্রুত চাল বিতরণের পাশাপাশি দুই মাসের জন্য এনজিওর কিস্তি আদায় বন্ধের দাবিও জানিয়েছেন তারা।
ভোলা সদর উপজেলার শিবপুর ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা ও মেঘনা নদীর জেলে মো. আকবর মাঝি ও মো. মহিউদ্দিন মাঝি জানান, ১ মার্চ থেকে নদীতে মাছ ধরার ওপর দুই মাসের নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে সরকার। তাই আগেভাগেই নদী থেকে ট্রলার নিয়ে তীরে ফিরে এসেছেন। নিষেধাজ্ঞা শেষ হলে দুই মাস পর আবার নদীতে গিয়ে মাছ ধরবেন।
একই এলাকার রুহুল আমিন মাঝি, শাকিল মাঝি ও মো. মনির মাঝি জানান, সরকার প্রতি বছরই ১ মার্চ থেকে ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত নদীতে অভিযান চালায়। কিন্তু জেলেদের এনজিওর কিস্তি থাকে, যা বন্ধ হয় না। ফলে অনেক জেলে কিস্তির চাপে গোপনে নদীতে গিয়ে মাছ ধরেন।
তারা জানান, সরকার যদি এ বছর দুই মাসের অভিযান শতভাগ সফল করতে চায়, তাহলে এই সময়ের জন্য এনজিওর কিস্তি আদায় বন্ধ রাখতে হবে। তাহলে জেলেরা নদীতে যাবে না এবং কেউ মাছ ধরবে না— তবেই অভিযানের সফলতা আসবে।
একই ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের ভোলার খাল এলাকার জেলে মো. জাকির হোসেন মাঝি ও মো. নোমান মাঝি জানান, সরকার জাটকা সংরক্ষণের জন্য চাল দেয়, কিন্তু প্রতি বছর অভিযানের শেষের দিকে তা বিতরণ করা হয়। এবার রোজা ও সামনে ঈদ থাকায় তারা আগেভাগে চাল বিতরণের দাবি জানিয়েছেন। পাশাপাশি চালের সঙ্গে অন্যান্য নিত্যপ্রয়োজনীয় সামগ্রী দেওয়ারও দাবি জানান তারা।
ভোলা জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. ইকবাল হোসেন জানান, ইলিশের অভয়াশ্রমের জন্য আলাদাভাবে চাল দেওয়া হয় না; তবে জাটকা সংরক্ষণের জন্য প্রতি জেলের নামে চার মাসে মোট ৪০ কেজি করে চাল দেওয়া হয়। এ বছরও ভোলার নিবন্ধিত ১ লাখ ৬৮ হাজার জেলের মধ্যে প্রায় ৯০ হাজার জেলেকে চাল দেওয়া হবে। মার্চ মাসের প্রথম সপ্তাহেই তা বিতরণের চেষ্টা করা হবে।
প্রথমবারের মতো এ বছর ‘ইলিশ সম্পদ উন্নয়ন ও ব্যবস্থাপনা’ শীর্ষক প্রকল্পের আওতায় ভোলার সাত উপজেলার ১৩ হাজার ৬০০ জেলের মাঝে আটা, ডাল, তেল, আলু, চিনি ও লবণ বিতরণ করা হবে। এছাড়া নিষেধাজ্ঞার সময় জেলেদের ঋণের কিস্তি আদায় বন্ধ রাখার বিষয়ে পদক্ষেপ নেওয়া হবে এবং দ্রুত সময়ের মধ্যে জাটকা সংরক্ষণের চাল জেলেদের মাঝে বিতরণের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে জানান তিনি।
শনিবার মধ্যরাত থেকে ভোলার মেঘনা ও তেঁতুলিয়া নদীতে ইলিশসহ সব ধরনের মাছ শিকারের ওপর দীর্ঘ দুই মাসের নিষেধাজ্ঞা শুরু হয়েছে।
ইলিশের অভয়াশ্রমের কারণে ১ মার্চ থেকে ৩০ এপ্রিল রাত ১২টা পর্যন্ত ভোলার মেঘনা ও তেঁতুলিয়া নদীর ১৯০ কিলোমিটার এলাকায় এই নিষেধাজ্ঞা চলবে। এসময় মাছ আহরণের পাশাপাশি পরিবহন, বাজারজাত ও ক্রয়-বিক্রয়ের ওপরও নিষেধাজ্ঞা থাকবে।
এদিকে নিষেধাজ্ঞার কারণে নদী থেকে তীরে ফিরেছেন জেলেরা। দীর্ঘ দুই মাসের এই নিষেধাজ্ঞায় কর্মহীন হয়ে পড়েছেন ভোলার সাত উপজেলার প্রায় ৩ লাখ জেলে। নিষেধাজ্ঞা চলাকালীন সময়ে দ্রুত চাল বিতরণের পাশাপাশি দুই মাসের জন্য এনজিওর কিস্তি আদায় বন্ধের দাবিও জানিয়েছেন তারা।
ভোলা সদর উপজেলার শিবপুর ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা ও মেঘনা নদীর জেলে মো. আকবর মাঝি ও মো. মহিউদ্দিন মাঝি জানান, ১ মার্চ থেকে নদীতে মাছ ধরার ওপর দুই মাসের নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে সরকার। তাই আগেভাগেই নদী থেকে ট্রলার নিয়ে তীরে ফিরে এসেছেন। নিষেধাজ্ঞা শেষ হলে দুই মাস পর আবার নদীতে গিয়ে মাছ ধরবেন।
একই এলাকার রুহুল আমিন মাঝি, শাকিল মাঝি ও মো. মনির মাঝি জানান, সরকার প্রতি বছরই ১ মার্চ থেকে ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত নদীতে অভিযান চালায়। কিন্তু জেলেদের এনজিওর কিস্তি থাকে, যা বন্ধ হয় না। ফলে অনেক জেলে কিস্তির চাপে গোপনে নদীতে গিয়ে মাছ ধরেন।
তারা জানান, সরকার যদি এ বছর দুই মাসের অভিযান শতভাগ সফল করতে চায়, তাহলে এই সময়ের জন্য এনজিওর কিস্তি আদায় বন্ধ রাখতে হবে। তাহলে জেলেরা নদীতে যাবে না এবং কেউ মাছ ধরবে না— তবেই অভিযানের সফলতা আসবে।
একই ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের ভোলার খাল এলাকার জেলে মো. জাকির হোসেন মাঝি ও মো. নোমান মাঝি জানান, সরকার জাটকা সংরক্ষণের জন্য চাল দেয়, কিন্তু প্রতি বছর অভিযানের শেষের দিকে তা বিতরণ করা হয়। এবার রোজা ও সামনে ঈদ থাকায় তারা আগেভাগে চাল বিতরণের দাবি জানিয়েছেন। পাশাপাশি চালের সঙ্গে অন্যান্য নিত্যপ্রয়োজনীয় সামগ্রী দেওয়ারও দাবি জানান তারা।
ভোলা জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. ইকবাল হোসেন জানান, ইলিশের অভয়াশ্রমের জন্য আলাদাভাবে চাল দেওয়া হয় না; তবে জাটকা সংরক্ষণের জন্য প্রতি জেলের নামে চার মাসে মোট ৪০ কেজি করে চাল দেওয়া হয়। এ বছরও ভোলার নিবন্ধিত ১ লাখ ৬৮ হাজার জেলের মধ্যে প্রায় ৯০ হাজার জেলেকে চাল দেওয়া হবে। মার্চ মাসের প্রথম সপ্তাহেই তা বিতরণের চেষ্টা করা হবে।
প্রথমবারের মতো এ বছর ‘ইলিশ সম্পদ উন্নয়ন ও ব্যবস্থাপনা’ শীর্ষক প্রকল্পের আওতায় ভোলার সাত উপজেলার ১৩ হাজার ৬০০ জেলের মাঝে আটা, ডাল, তেল, আলু, চিনি ও লবণ বিতরণ করা হবে। এছাড়া নিষেধাজ্ঞার সময় জেলেদের ঋণের কিস্তি আদায় বন্ধ রাখার বিষয়ে পদক্ষেপ নেওয়া হবে এবং দ্রুত সময়ের মধ্যে জাটকা সংরক্ষণের চাল জেলেদের মাঝে বিতরণের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে জানান তিনি।

২৯ এপ্রিল, ২০২৬ ২০:৪০
ভোলার তজুমদ্দিন উপজেলায় কালবৈশাখীর তীব্র ঝড়ে একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভবন মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) আকস্মিক ঝড়ো হাওয়া ও বজ্রসহ বৃষ্টিতে বিদ্যালয়টির টিনের ছাউনি উড়ে যায়। ফলে শিক্ষা কার্যক্রম বন্ধ হয়ে পড়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উপজেলার দুর্গম চর জহিরউদ্দিন এলাকায় অবস্থিত ৬৩ নম্বর মরিয়ম সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়টি বিকেলে কালবৈশাখীর ঝড়ে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির শিকার হয়। ঝড়ের তীব্রতায় বিদ্যালয় ভবনের পুরো চাল উপড়ে গিয়ে দূরে ছিটকে পড়ে। এতে বিদ্যালয়ের আসবাবপত্র ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং শ্রেণিকক্ষে পাঠদান অনুপযোগী হয়ে পড়ে।
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আবুল কাশেম জানান, হঠাৎ আকাশ কালো হয়ে ঝড় শুরু হলে আমরা দ্রুত শিক্ষার্থীদের ছুটি দিয়ে দিই। সৌভাগ্যবশত, ঝড়ের সময় কোনো শিক্ষার্থী বিদ্যালয়ে না থাকায় বড় ধরনের দুর্ঘটনা এড়ানো গেছে। তবে বিদ্যালয়ের ভেতরের আসবাবপত্র ব্যাপকভাবে নষ্ট হয়েছে।
স্থানীয় বাসিন্দারা দ্রুত বিদ্যালয়টি সংস্কারের দাবি জানিয়েছেন। তারা বলেন, দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে শিক্ষার্থীদের পাঠদান ব্যাহত হবে।
এ বিষয়ে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. রিয়াজ আলম জানান, ক্ষতিগ্রস্ত বিদ্যালয়ের ছবি সংযুক্ত করে জরুরি বরাদ্দের জন্য ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন পাঠানো হয়েছে। বরাদ্দ পাওয়া গেলে দ্রুত বিদ্যালয়টি মেরামত করে শিক্ষার স্বাভাবিক পরিবেশ ফিরিয়ে আনা হবে।
ভোলার তজুমদ্দিন উপজেলায় কালবৈশাখীর তীব্র ঝড়ে একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভবন মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) আকস্মিক ঝড়ো হাওয়া ও বজ্রসহ বৃষ্টিতে বিদ্যালয়টির টিনের ছাউনি উড়ে যায়। ফলে শিক্ষা কার্যক্রম বন্ধ হয়ে পড়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উপজেলার দুর্গম চর জহিরউদ্দিন এলাকায় অবস্থিত ৬৩ নম্বর মরিয়ম সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়টি বিকেলে কালবৈশাখীর ঝড়ে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির শিকার হয়। ঝড়ের তীব্রতায় বিদ্যালয় ভবনের পুরো চাল উপড়ে গিয়ে দূরে ছিটকে পড়ে। এতে বিদ্যালয়ের আসবাবপত্র ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং শ্রেণিকক্ষে পাঠদান অনুপযোগী হয়ে পড়ে।
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আবুল কাশেম জানান, হঠাৎ আকাশ কালো হয়ে ঝড় শুরু হলে আমরা দ্রুত শিক্ষার্থীদের ছুটি দিয়ে দিই। সৌভাগ্যবশত, ঝড়ের সময় কোনো শিক্ষার্থী বিদ্যালয়ে না থাকায় বড় ধরনের দুর্ঘটনা এড়ানো গেছে। তবে বিদ্যালয়ের ভেতরের আসবাবপত্র ব্যাপকভাবে নষ্ট হয়েছে।
স্থানীয় বাসিন্দারা দ্রুত বিদ্যালয়টি সংস্কারের দাবি জানিয়েছেন। তারা বলেন, দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে শিক্ষার্থীদের পাঠদান ব্যাহত হবে।
এ বিষয়ে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. রিয়াজ আলম জানান, ক্ষতিগ্রস্ত বিদ্যালয়ের ছবি সংযুক্ত করে জরুরি বরাদ্দের জন্য ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন পাঠানো হয়েছে। বরাদ্দ পাওয়া গেলে দ্রুত বিদ্যালয়টি মেরামত করে শিক্ষার স্বাভাবিক পরিবেশ ফিরিয়ে আনা হবে।

২৮ এপ্রিল, ২০২৬ ১৮:০২
টেলিগ্রামভিত্তিক পর্নোগ্রাফি কনটেন্ট বাণিজ্যের সঙ্গে জড়িত একটি সাইবার অপরাধ চক্রের পাঁচ সদস্যকে ভোলা জেলা থেকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব-৮, বরিশাল।
র্যাব জানায়, দীর্ঘদিন ধরে দেশের বিভিন্ন স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়পড়ুয়া মেয়েদের ব্যক্তিগত ছবি ও ভিডিও সংগ্রহ, সংরক্ষণ এবং অর্থের বিনিময়ে বিক্রি করে আসছিল একটি সংঘবদ্ধ চক্র। তারা মূলত টেলিগ্রাম প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে বিভিন্ন প্রাইভেট চ্যানেলের মাধ্যমে অশ্লীল ছবি ও ভিডিও সরবরাহ করত।
র্যাব-৮ সোমবার (২৭ এপ্রিল) রাতে এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, সম্প্রতি দেশের বিভিন্ন গণমাধ্যমে টেলিগ্রাম অ্যাপের অপব্যবহার, সাইবার ব্ল্যাকমেইল এবং গোপন ছবি-ভিডিও ফাঁসের ঘটনা নিয়ে সংবাদ প্রকাশিত হলে বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত শুরু করে র্যাব।
অনুসন্ধানে জানা যায়, চক্রটি ফেসবুক ও ব্যক্তিগত ডিভাইস হ্যাকিং, ব্রেকআপের পর প্রাক্তন প্রেমিকদের কাছ থেকে ছবি-ভিডিও সংগ্রহ এবং ব্যক্তিগত শত্রুতার জেরে গোপন ছবি ও ভিডিও সংগ্রহ করে তা অর্থের বিনিময়ে বিক্রি করত।
র্যাব জানায়, অভিযুক্তদের ব্যবহৃত মোবাইল ফোন থেকে প্রায় দেড় লাখ নগ্ন ও স্পর্শকাতর ছবি-ভিডিও এবং প্রায় ৩৫০টি গ্রুপ ও চ্যানেলের সন্ধান পাওয়া গেছে।
এ ঘটনায় গত ২৬ এপ্রিল রাতে র্যাব-৮-এর একটি আভিযানিক দল ভোলা ও বরিশাল জেলার বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে চক্রের পাঁচ সদস্যকে গ্রেপ্তার করে।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন- মেরাজুর রহমান আরমান (২১), বিল্লাল হোসেন অন্তর (২১), রবি আলম মমিন (২১), আল আমিন ইসলাম মাহি (১৯) এবং মো. হাসিব (২৩)।
এ সময় তাদের কাছ থেকে অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে ব্যবহৃত ১২টি মোবাইল ফোনও উদ্ধার করা হয়।
র্যাব-৮-এর কোম্পানি অধিনায়ক অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. কামরুজ্জামান বলেন, আইনের শাসন সমুন্নত রাখা, মানবাধিকার রক্ষা এবং নাগরিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে র্যাব ভবিষ্যতেও এ ধরনের অপরাধ দমনে আরও কঠোরভাবে অভিযান পরিচালনা করবে।
বরিশাল টাইমস
টেলিগ্রামভিত্তিক পর্নোগ্রাফি কনটেন্ট বাণিজ্যের সঙ্গে জড়িত একটি সাইবার অপরাধ চক্রের পাঁচ সদস্যকে ভোলা জেলা থেকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব-৮, বরিশাল।
র্যাব জানায়, দীর্ঘদিন ধরে দেশের বিভিন্ন স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়পড়ুয়া মেয়েদের ব্যক্তিগত ছবি ও ভিডিও সংগ্রহ, সংরক্ষণ এবং অর্থের বিনিময়ে বিক্রি করে আসছিল একটি সংঘবদ্ধ চক্র। তারা মূলত টেলিগ্রাম প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে বিভিন্ন প্রাইভেট চ্যানেলের মাধ্যমে অশ্লীল ছবি ও ভিডিও সরবরাহ করত।
র্যাব-৮ সোমবার (২৭ এপ্রিল) রাতে এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, সম্প্রতি দেশের বিভিন্ন গণমাধ্যমে টেলিগ্রাম অ্যাপের অপব্যবহার, সাইবার ব্ল্যাকমেইল এবং গোপন ছবি-ভিডিও ফাঁসের ঘটনা নিয়ে সংবাদ প্রকাশিত হলে বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত শুরু করে র্যাব।
অনুসন্ধানে জানা যায়, চক্রটি ফেসবুক ও ব্যক্তিগত ডিভাইস হ্যাকিং, ব্রেকআপের পর প্রাক্তন প্রেমিকদের কাছ থেকে ছবি-ভিডিও সংগ্রহ এবং ব্যক্তিগত শত্রুতার জেরে গোপন ছবি ও ভিডিও সংগ্রহ করে তা অর্থের বিনিময়ে বিক্রি করত।
র্যাব জানায়, অভিযুক্তদের ব্যবহৃত মোবাইল ফোন থেকে প্রায় দেড় লাখ নগ্ন ও স্পর্শকাতর ছবি-ভিডিও এবং প্রায় ৩৫০টি গ্রুপ ও চ্যানেলের সন্ধান পাওয়া গেছে।
এ ঘটনায় গত ২৬ এপ্রিল রাতে র্যাব-৮-এর একটি আভিযানিক দল ভোলা ও বরিশাল জেলার বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে চক্রের পাঁচ সদস্যকে গ্রেপ্তার করে।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন- মেরাজুর রহমান আরমান (২১), বিল্লাল হোসেন অন্তর (২১), রবি আলম মমিন (২১), আল আমিন ইসলাম মাহি (১৯) এবং মো. হাসিব (২৩)।
এ সময় তাদের কাছ থেকে অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে ব্যবহৃত ১২টি মোবাইল ফোনও উদ্ধার করা হয়।
র্যাব-৮-এর কোম্পানি অধিনায়ক অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. কামরুজ্জামান বলেন, আইনের শাসন সমুন্নত রাখা, মানবাধিকার রক্ষা এবং নাগরিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে র্যাব ভবিষ্যতেও এ ধরনের অপরাধ দমনে আরও কঠোরভাবে অভিযান পরিচালনা করবে।
বরিশাল টাইমস

২৮ এপ্রিল, ২০২৬ ১৭:১২
ভোলার মনপুরা উপজেলায় নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুতের দাবিতে বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করেছেন স্থানীয়রা। এ সময় ওয়েস্টার্ন সোলার মিনি গ্রিড বিদ্যুৎ কেন্দ্রের অফিস ঘেরাও করে কর্মচারীদের অবরুদ্ধ করার ঘটনাও ঘটে।
মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে উপজেলার দক্ষিণ সাকুচিয়া ইউনিয়নে অবস্থিত ওয়েস্টার্ন সোলার মিনি গ্রিড বিদ্যুৎ কেন্দ্রের সামনে প্রায় পাঁচ শতাধিক মানুষের উপস্থিতিতে এ বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত হয়।
বিক্ষোভে অংশ নেওয়া স্থানীয় বাসিন্দা আজাদ খলিফা, জসিম মিজি ও মো. ফরহাদ অভিযোগ করেন, ওয়েস্টার্ন রিনিউএবল এনার্জি পরিচালিত সোলার মিনি গ্রিড কোম্পানি নিয়মিত বিদ্যুৎ সরবরাহে ব্যর্থ হচ্ছে।
তাদের দাবি, দিনে মাত্র দুই থেকে তিন ঘণ্টা বিদ্যুৎ দেওয়া হচ্ছে, যা সাধারণ মানুষের জন্য চরম ভোগান্তির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
তারা আরও অভিযোগ করেন, সরেজমিনে ডিজেল মজুদ থাকার পরও কর্তৃপক্ষ “ডিজেল সংকট” দেখিয়ে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ রাখছে, যা নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভ তৈরি হয়েছে।
এ বিষয়ে সোলার মিনি গ্রিড বিদ্যুৎ কেন্দ্রের লাইনম্যান এনায়েত হোসেন বলেন, দেশের চলমান জ্বালানি সংকটের কারণে নিয়মিত বিদ্যুৎ সরবরাহ করা সম্ভব হচ্ছে না।
তিনি বিক্ষোভকারীদের দাবিকে যৌক্তিক বলে উল্লেখ করে জানান, বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে এবং দ্রুত সমাধানের আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।
এ ঘটনায় এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করলেও পরিস্থিতি বর্তমানে নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। স্থানীয়রা দ্রুত স্থায়ী সমাধানের দাবি জানিয়েছেন।
বরিশাল টাইমস
ভোলার মনপুরা উপজেলায় নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুতের দাবিতে বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করেছেন স্থানীয়রা। এ সময় ওয়েস্টার্ন সোলার মিনি গ্রিড বিদ্যুৎ কেন্দ্রের অফিস ঘেরাও করে কর্মচারীদের অবরুদ্ধ করার ঘটনাও ঘটে।
মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে উপজেলার দক্ষিণ সাকুচিয়া ইউনিয়নে অবস্থিত ওয়েস্টার্ন সোলার মিনি গ্রিড বিদ্যুৎ কেন্দ্রের সামনে প্রায় পাঁচ শতাধিক মানুষের উপস্থিতিতে এ বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত হয়।
বিক্ষোভে অংশ নেওয়া স্থানীয় বাসিন্দা আজাদ খলিফা, জসিম মিজি ও মো. ফরহাদ অভিযোগ করেন, ওয়েস্টার্ন রিনিউএবল এনার্জি পরিচালিত সোলার মিনি গ্রিড কোম্পানি নিয়মিত বিদ্যুৎ সরবরাহে ব্যর্থ হচ্ছে।
তাদের দাবি, দিনে মাত্র দুই থেকে তিন ঘণ্টা বিদ্যুৎ দেওয়া হচ্ছে, যা সাধারণ মানুষের জন্য চরম ভোগান্তির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
তারা আরও অভিযোগ করেন, সরেজমিনে ডিজেল মজুদ থাকার পরও কর্তৃপক্ষ “ডিজেল সংকট” দেখিয়ে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ রাখছে, যা নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভ তৈরি হয়েছে।
এ বিষয়ে সোলার মিনি গ্রিড বিদ্যুৎ কেন্দ্রের লাইনম্যান এনায়েত হোসেন বলেন, দেশের চলমান জ্বালানি সংকটের কারণে নিয়মিত বিদ্যুৎ সরবরাহ করা সম্ভব হচ্ছে না।
তিনি বিক্ষোভকারীদের দাবিকে যৌক্তিক বলে উল্লেখ করে জানান, বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে এবং দ্রুত সমাধানের আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।
এ ঘটনায় এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করলেও পরিস্থিতি বর্তমানে নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। স্থানীয়রা দ্রুত স্থায়ী সমাধানের দাবি জানিয়েছেন।
বরিশাল টাইমস
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.