
১১ অক্টোবর, ২০২৫ ১৩:০৭
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পটুয়াখালী-১ আসনের জন্য বিএনপির মনোনয়নপ্রত্যাশী ৪ নেতা দলীয় গুলশান কার্যালয়ে ডাক পেয়েছেন।
তারা সবাই আলাদা আলাদাভাবে তাদের বক্তব্য তুলে ধরেছেন। গত বৃহস্পতিবার (৯ অক্টোবর) বিকালে গুলশান বিএনপির কার্যালয়ে মনোনয়ন বাছাই কমিটির সামনে সশরীরে উপস্থিত হন তারা।
গুলশান কার্যালয়ে ডাক পাওয়া ওই ৪ নেতা হলেন সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও বাণিজ্যমন্ত্রী এয়ার ভাইস মার্শাল (অব.) আলহাজ আলতাফ হোসেন চৌধুরী, জেলা বিএনপির সভাপতি স্নেহাংশু সরকার কুট্টি, জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক অ্যাড. মজিবুর রহমান টোটন ও জেলা বিএনপি সদস্য, সাবেক পৌর মেয়র মোশতাক আহমেদ পিনু।
জেলা বিএনপি সূত্রে জানা গেছে, বরিশাল বিভাগীয় প্রাথমিক মনোনয়ন যাচাই-বাছাইয়ের তিন সদস্য বিশিষ্ট কমিটিতে উপস্থিত ছিলেন- বিএনপি জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য, বেগম খালেদা জিয়ার উপদেষ্টা ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন, বিএনপি জাতীয় নির্বাহী কমিটি বরিশাল বিভাগের সহসাংগঠনিক সম্পাদক আকন কুদ্দুসুর রহমান, বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির বরিশাল বিভাগের সহসাংগঠনিক সম্পাদক মাহাবুবুল হক নান্নু।
এ সময় কমিটির সদস্যরা পটুয়াখালী-১ আসনের মনোনয়নপ্রত্যাশী জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক অ্যাড. মজিবুর রহমান টোটনকে প্রশ্ন করেছিলেন, কেন আপনি মনোনয়ন চান? এর উত্তরে মজিবুর রহমান টোটন তাদেরকে জানান, তারেক রহমানের ৩১ দফা বাস্তবায়ন, তৃণমূল নেতাকর্মীদের একত্রীকরণ, বিগত ২০ বছর ধরে কয়েক হাজার নেতাকর্মীর মিথ্যা মামলা নিয়ে বিগত সরকারের সঙ্গে মোকাবিলা করা, তাদের জামিনসহ মামলা থেকে অব্যাহতিসহ সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় তারেক রহমানের বার্তা পৌঁছে দেওয়া ছিল আমার প্রতিদিনের কাজ।
দলীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে আমি নিজেও একাধিক মিথ্যা মামলায় বছরের পর বছর জেল খেটেছি, হামলার শিকার হয়েছি, বাসাবাড়িতে হামলার শিকার হয়েছে আমার গোটা পরিবার। এতকিছুর পরেও এক মুহূর্তের জন্য আমি দলীয় নেতাকর্মীদের একা রেখে এই শহর ছেড়ে যায়নি।
তিনি আরও বলেন, বিএনপির ইতিহাসে স্মরণকালের নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তাবলয়ে সম্পূর্ণ গোপন ব্যালটের মাধ্যমে কাউন্সিলে দলীয় নেতাকর্মীরা আমাকে বিপুল ভোটের ব্যবধানে সাধারণ সম্পাদক পদে বিজয়ী করেছে-যেটি ছিল বরিশাল বিভাগের মধ্যে সর্বপ্রথম এবং স্মরণীয়।
এমনকি সেই ভোটের ব্যালটপেপার গণনার প্রক্রিয়াটি সরাসরি মিডিয়ায় প্রকাশ হয়েছিল। যেটি তারেক রহমানের দৃষ্টিগোচর হয়েছে। বিএনপি গণতন্ত্রে বিশ্বাস করে। সেটি আমরা আমাদের কাউন্সিলেও প্রকাশ করলাম।
মজিবুর রহমান টোটন বলেন, এসবের পাশাপাশি আমি দীর্ঘদিন ধরে পটুয়াখালী, মির্জাগঞ্জ ও দুমকী উপজেলার বিভিন্ন সামাজিক কার্যক্রমও পরিচালনা করে আসছি।
গরিব অসহায় মানুষের পাশে ছুটে গেছি। সাহায্য সহযোগিতা করেছি। আমার বিশ্বাস আমাকে মনোনয়ন দিলে আমি বিপুল ভোটের ব্যবধানে পটুয়াখালী-১ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হব।
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পটুয়াখালী-১ আসনের জন্য বিএনপির মনোনয়নপ্রত্যাশী ৪ নেতা দলীয় গুলশান কার্যালয়ে ডাক পেয়েছেন।
তারা সবাই আলাদা আলাদাভাবে তাদের বক্তব্য তুলে ধরেছেন। গত বৃহস্পতিবার (৯ অক্টোবর) বিকালে গুলশান বিএনপির কার্যালয়ে মনোনয়ন বাছাই কমিটির সামনে সশরীরে উপস্থিত হন তারা।
গুলশান কার্যালয়ে ডাক পাওয়া ওই ৪ নেতা হলেন সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও বাণিজ্যমন্ত্রী এয়ার ভাইস মার্শাল (অব.) আলহাজ আলতাফ হোসেন চৌধুরী, জেলা বিএনপির সভাপতি স্নেহাংশু সরকার কুট্টি, জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক অ্যাড. মজিবুর রহমান টোটন ও জেলা বিএনপি সদস্য, সাবেক পৌর মেয়র মোশতাক আহমেদ পিনু।
জেলা বিএনপি সূত্রে জানা গেছে, বরিশাল বিভাগীয় প্রাথমিক মনোনয়ন যাচাই-বাছাইয়ের তিন সদস্য বিশিষ্ট কমিটিতে উপস্থিত ছিলেন- বিএনপি জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য, বেগম খালেদা জিয়ার উপদেষ্টা ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন, বিএনপি জাতীয় নির্বাহী কমিটি বরিশাল বিভাগের সহসাংগঠনিক সম্পাদক আকন কুদ্দুসুর রহমান, বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির বরিশাল বিভাগের সহসাংগঠনিক সম্পাদক মাহাবুবুল হক নান্নু।
এ সময় কমিটির সদস্যরা পটুয়াখালী-১ আসনের মনোনয়নপ্রত্যাশী জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক অ্যাড. মজিবুর রহমান টোটনকে প্রশ্ন করেছিলেন, কেন আপনি মনোনয়ন চান? এর উত্তরে মজিবুর রহমান টোটন তাদেরকে জানান, তারেক রহমানের ৩১ দফা বাস্তবায়ন, তৃণমূল নেতাকর্মীদের একত্রীকরণ, বিগত ২০ বছর ধরে কয়েক হাজার নেতাকর্মীর মিথ্যা মামলা নিয়ে বিগত সরকারের সঙ্গে মোকাবিলা করা, তাদের জামিনসহ মামলা থেকে অব্যাহতিসহ সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় তারেক রহমানের বার্তা পৌঁছে দেওয়া ছিল আমার প্রতিদিনের কাজ।
দলীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে আমি নিজেও একাধিক মিথ্যা মামলায় বছরের পর বছর জেল খেটেছি, হামলার শিকার হয়েছি, বাসাবাড়িতে হামলার শিকার হয়েছে আমার গোটা পরিবার। এতকিছুর পরেও এক মুহূর্তের জন্য আমি দলীয় নেতাকর্মীদের একা রেখে এই শহর ছেড়ে যায়নি।
তিনি আরও বলেন, বিএনপির ইতিহাসে স্মরণকালের নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তাবলয়ে সম্পূর্ণ গোপন ব্যালটের মাধ্যমে কাউন্সিলে দলীয় নেতাকর্মীরা আমাকে বিপুল ভোটের ব্যবধানে সাধারণ সম্পাদক পদে বিজয়ী করেছে-যেটি ছিল বরিশাল বিভাগের মধ্যে সর্বপ্রথম এবং স্মরণীয়।
এমনকি সেই ভোটের ব্যালটপেপার গণনার প্রক্রিয়াটি সরাসরি মিডিয়ায় প্রকাশ হয়েছিল। যেটি তারেক রহমানের দৃষ্টিগোচর হয়েছে। বিএনপি গণতন্ত্রে বিশ্বাস করে। সেটি আমরা আমাদের কাউন্সিলেও প্রকাশ করলাম।
মজিবুর রহমান টোটন বলেন, এসবের পাশাপাশি আমি দীর্ঘদিন ধরে পটুয়াখালী, মির্জাগঞ্জ ও দুমকী উপজেলার বিভিন্ন সামাজিক কার্যক্রমও পরিচালনা করে আসছি।
গরিব অসহায় মানুষের পাশে ছুটে গেছি। সাহায্য সহযোগিতা করেছি। আমার বিশ্বাস আমাকে মনোনয়ন দিলে আমি বিপুল ভোটের ব্যবধানে পটুয়াখালী-১ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হব।

২৭ জুন, ২০২৬ ১৩:০০
পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগে পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে এক সাংবাদিককে অকথ্য ভাষায় গালাগাল, মারধর এবং খুন-জখমের হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে নামধারী দুই সংবাদকর্মীর বিরুদ্ধে। এই ঘটনায় ভুক্তভোগী সাংবাদিক এএইচএম আবুবকর সিদ্দিক (৫৩) বাউফল থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছন। জিডি নং- ১৬৮৩।
জিডির বিবরণ ও ভুক্তভোগী সূত্রে জানা গেছে, আবেদনকারী এএইচএম আবুবকর সিদ্দিক পেশায় একজন সাংবাদিক। শুক্রবার ( ২৬ জুন) বিকেল ৬টার দিকে তিনি (আবু বক্কর) সংবাদ সংগ্রহের জন্য বাউফল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগে অবস্থান করছিলেন। এ সময় অভিযুক্ত মো. রিয়াজ (৩০), ‘জাগো জনতা’ পত্রিকার ‘বাউফল প্রতিনিধি’ ও মো.:এনামুল হক এনা (৩০) ‘বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা (বাসস)’ ও ‘এ দিন’ পত্রিকার প্রতিনিধি সেখানে উপস্থিত হয়ে সাংবাদিক আবুবকর সিদ্দিককে দেখতে পেয়ে হঠাৎ অকথ্য ভাষায় গালাগাল শুরু করে।
এ সময় সাংবাদিক আবু সিদ্দিক গালাগাল করতে নিষেধ করলে, তারা আরও ক্ষিপ্ত হয়ে তাকে টানা হেঁচড়া করে মারধর করার চেষ্টা করে। এ সময় সেখানে উপস্থিত স্থানীয় মো: মাসুম বিল্লাহ, মো জসিম, মো: বশারসহ কয়েকজন সাক্ষী এগিয়ে এসে বিবাদীদ্বয়কে নিবৃত্ত করেন। উপস্থিত সাক্ষীদের সামনেই বিবাদীদ্বয় ও তাদের সাথে থাকা অজ্ঞাতনামা আরও ২ জন সহযোগী ভুক্তভোগী সাংবাদিককে ভবিষ্যতে খুন ও জখম করার হুমকি প্রদান করে চলে যায়।
জিডিতে আরও উল্লেখ করা হয়, বিবাদীদ্বয় এলাকায় সংবাদকর্মীর পরিচয় দিয়ে প্রভাব খাটিয়ে বিভিন্ন লোকজনকে দীর্ঘদিন ধরে নির্যাতন ও হয়রানি করে আসছে। ঘটনার পর ভুক্তভোগী সাংবাদিক স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গের সাথে আলোচনা করে নিজের ভবিষ্যতের নিরাপত্তার স্বার্থে বাউফল থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) আবেদন করেন। এ ঘটনায় অভিযুক্ত এনামুল হক এনা ও রিয়াজের সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করে তাদের পাওয়া যায়নি।
বাউফল থানা পুলিশ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জিডিটি গ্রহণ করেছে । থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. সিরাজুল ইসলাম জিডিটি নথিভুক্ত করে তদন্ত এবং প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য এসআই (নিরস্ত্র) খোরশেদ আলীকে দায়িত্ব প্রদান করেছেন। এই ঘটনার পর স্থানীয় প্রকৃত সাংবাদিকদের মাঝে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ বিরাজ করছে। তারা দ্রুত তদন্ত সাপেক্ষে দোষীদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক আইনি ব্যবস্থার দাবি জানিয়েছেন।’
পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগে পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে এক সাংবাদিককে অকথ্য ভাষায় গালাগাল, মারধর এবং খুন-জখমের হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে নামধারী দুই সংবাদকর্মীর বিরুদ্ধে। এই ঘটনায় ভুক্তভোগী সাংবাদিক এএইচএম আবুবকর সিদ্দিক (৫৩) বাউফল থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছন। জিডি নং- ১৬৮৩।
জিডির বিবরণ ও ভুক্তভোগী সূত্রে জানা গেছে, আবেদনকারী এএইচএম আবুবকর সিদ্দিক পেশায় একজন সাংবাদিক। শুক্রবার ( ২৬ জুন) বিকেল ৬টার দিকে তিনি (আবু বক্কর) সংবাদ সংগ্রহের জন্য বাউফল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগে অবস্থান করছিলেন। এ সময় অভিযুক্ত মো. রিয়াজ (৩০), ‘জাগো জনতা’ পত্রিকার ‘বাউফল প্রতিনিধি’ ও মো.:এনামুল হক এনা (৩০) ‘বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা (বাসস)’ ও ‘এ দিন’ পত্রিকার প্রতিনিধি সেখানে উপস্থিত হয়ে সাংবাদিক আবুবকর সিদ্দিককে দেখতে পেয়ে হঠাৎ অকথ্য ভাষায় গালাগাল শুরু করে।
এ সময় সাংবাদিক আবু সিদ্দিক গালাগাল করতে নিষেধ করলে, তারা আরও ক্ষিপ্ত হয়ে তাকে টানা হেঁচড়া করে মারধর করার চেষ্টা করে। এ সময় সেখানে উপস্থিত স্থানীয় মো: মাসুম বিল্লাহ, মো জসিম, মো: বশারসহ কয়েকজন সাক্ষী এগিয়ে এসে বিবাদীদ্বয়কে নিবৃত্ত করেন। উপস্থিত সাক্ষীদের সামনেই বিবাদীদ্বয় ও তাদের সাথে থাকা অজ্ঞাতনামা আরও ২ জন সহযোগী ভুক্তভোগী সাংবাদিককে ভবিষ্যতে খুন ও জখম করার হুমকি প্রদান করে চলে যায়।
জিডিতে আরও উল্লেখ করা হয়, বিবাদীদ্বয় এলাকায় সংবাদকর্মীর পরিচয় দিয়ে প্রভাব খাটিয়ে বিভিন্ন লোকজনকে দীর্ঘদিন ধরে নির্যাতন ও হয়রানি করে আসছে। ঘটনার পর ভুক্তভোগী সাংবাদিক স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গের সাথে আলোচনা করে নিজের ভবিষ্যতের নিরাপত্তার স্বার্থে বাউফল থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) আবেদন করেন। এ ঘটনায় অভিযুক্ত এনামুল হক এনা ও রিয়াজের সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করে তাদের পাওয়া যায়নি।
বাউফল থানা পুলিশ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জিডিটি গ্রহণ করেছে । থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. সিরাজুল ইসলাম জিডিটি নথিভুক্ত করে তদন্ত এবং প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য এসআই (নিরস্ত্র) খোরশেদ আলীকে দায়িত্ব প্রদান করেছেন। এই ঘটনার পর স্থানীয় প্রকৃত সাংবাদিকদের মাঝে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ বিরাজ করছে। তারা দ্রুত তদন্ত সাপেক্ষে দোষীদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক আইনি ব্যবস্থার দাবি জানিয়েছেন।’

২৫ জুন, ২০২৬ ২২:০১
কুয়াকাটার লেম্বুরবন সংলগ্ন সৈকত থেকে শাহাবুদ্দিন (৫৫) নামের এক জেলের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৭ টায় তার মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। মৃত ওই জেলের বাড়ি ভোলার লক্ষ্মীপুর গ্রামে ।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গত ২৩ জুন গঙ্গামতি থেকে মাছ শিকারের উদ্দেশ্যে ফাইবার ট্রলার যোগে গভীর সমুদ্রে যান জেলেরা। ওইদিন সকাল ১০টার দিকে হঠাৎ ঝড়ের কবলে পড়ে ঢেউয়ের তান্ডবে ট্রলার থেকে জেলে শাহাবুদ্দিন ছিকটে পরে। ঘটনার পর সহকর্মীরা অনেক খোঁজাখুঁজি করেও তার কোনো সন্ধান পাননি।
মহিপুর থানার ওসি শামীম হাওলাদার জানান, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
কুয়াকাটার লেম্বুরবন সংলগ্ন সৈকত থেকে শাহাবুদ্দিন (৫৫) নামের এক জেলের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৭ টায় তার মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। মৃত ওই জেলের বাড়ি ভোলার লক্ষ্মীপুর গ্রামে ।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গত ২৩ জুন গঙ্গামতি থেকে মাছ শিকারের উদ্দেশ্যে ফাইবার ট্রলার যোগে গভীর সমুদ্রে যান জেলেরা। ওইদিন সকাল ১০টার দিকে হঠাৎ ঝড়ের কবলে পড়ে ঢেউয়ের তান্ডবে ট্রলার থেকে জেলে শাহাবুদ্দিন ছিকটে পরে। ঘটনার পর সহকর্মীরা অনেক খোঁজাখুঁজি করেও তার কোনো সন্ধান পাননি।
মহিপুর থানার ওসি শামীম হাওলাদার জানান, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

২৫ জুন, ২০২৬ ১৭:১৭
পটুয়াখালীতে মাদকের বিরুদ্ধে বিশেষ অভিযান চালিয়ে ৭ হাজার ৫০০ পিস ইয়াবাসহ এক মাদক কারবারিকে আটক করেছে বাংলাদেশ কোস্টগার্ড। এ সময় তার কাছ থেকে ৪ হাজার ৪৫ টাকা নগদ অর্থও জব্দ করা হয়। বৃহস্পতিবার (২৫ জুন ২০২৬) দুপুরে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানান কোস্টগার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন।
তিনি জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বৃহস্পতিবার ভোর সাড়ে ৪টার দিকে পটুয়াখালীর দুমকি থানাধীন লেবুখালী টোলপ্লাজাসংলগ্ন এলাকায় কোস্টগার্ড স্টেশন পটুয়াখালী একটি বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে। অভিযান চলাকালে সন্দেহজনক একটি যাত্রীবাহী বাসে তল্লাশি চালিয়ে প্রায় ৩৭ লাখ ৫০ হাজার টাকা মূল্যের ৭ হাজার ৫০০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। এ সময় ইয়াবা বহনের অভিযোগে এক মাদক কারবারিকে আটক করা হয়। তার কাছ থেকে ৪ হাজার ৪৫ টাকা নগদ অর্থও জব্দ করা হয়েছে।
কোস্টগার্ড সূত্রে জানা গেছে, জব্দ ইয়াবা, নগদ অর্থ এবং আটক ব্যক্তির বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
এ বিষয়ে কোস্টগার্ডের লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন বরিশালটাইমসকে বলেন, দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে মাদকের ভয়াবহ বিস্তার রোধে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করছে। মাদকের বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।’
পটুয়াখালীতে মাদকের বিরুদ্ধে বিশেষ অভিযান চালিয়ে ৭ হাজার ৫০০ পিস ইয়াবাসহ এক মাদক কারবারিকে আটক করেছে বাংলাদেশ কোস্টগার্ড। এ সময় তার কাছ থেকে ৪ হাজার ৪৫ টাকা নগদ অর্থও জব্দ করা হয়। বৃহস্পতিবার (২৫ জুন ২০২৬) দুপুরে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানান কোস্টগার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন।
তিনি জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বৃহস্পতিবার ভোর সাড়ে ৪টার দিকে পটুয়াখালীর দুমকি থানাধীন লেবুখালী টোলপ্লাজাসংলগ্ন এলাকায় কোস্টগার্ড স্টেশন পটুয়াখালী একটি বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে। অভিযান চলাকালে সন্দেহজনক একটি যাত্রীবাহী বাসে তল্লাশি চালিয়ে প্রায় ৩৭ লাখ ৫০ হাজার টাকা মূল্যের ৭ হাজার ৫০০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। এ সময় ইয়াবা বহনের অভিযোগে এক মাদক কারবারিকে আটক করা হয়। তার কাছ থেকে ৪ হাজার ৪৫ টাকা নগদ অর্থও জব্দ করা হয়েছে।
কোস্টগার্ড সূত্রে জানা গেছে, জব্দ ইয়াবা, নগদ অর্থ এবং আটক ব্যক্তির বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
এ বিষয়ে কোস্টগার্ডের লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন বরিশালটাইমসকে বলেন, দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে মাদকের ভয়াবহ বিস্তার রোধে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করছে। মাদকের বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।’
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
৩০ জুন, ২০২৬ ১২:৪৬
২৯ জুন, ২০২৬ ২০:৩০
২৯ জুন, ২০২৬ ১৯:৫০
২৯ জুন, ২০২৬ ১৯:০৩