Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.

০৫ জুন, ২০২৫ ১৭:৩৯
বরিশালের বাবুগঞ্জ ডিগ্রি কলেজে গভর্নিং বডির অভিভাবক সদস্য নির্বাচনে ৩ প্রার্থীকে প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। একইসাথে মেয়ের দ্বৈত ভর্তির তথ্য গোপন ও প্রতারণার আশ্রয় নেওয়ার অভিযোগে এক অভিভাবক সদস্য প্রার্থীর প্রতীক বরাদ্দ স্থগিত করে কারণ দর্শানোর নোটিশ (শোকজ) দেওয়া হয়েছে। শোকজপ্রাপ্ত প্রার্থী হলেন বাবুগঞ্জ ডিগ্রি কলেজের অবসরপ্রাপ্ত প্রধান করণিক ও অভিভাবক সদস্য প্রার্থী রফিকুল ইসলাম ওরফে বাবুল সিকদার।
প্রতীক বরাদ্দ পাওয়া ৩ অভিভাবক সদস্য প্রার্থী হলেন- সরকারি বাবুগঞ্জ পাইলট মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক ও বরিশাল মহানগর ছাত্রদলের সহ-সভাপতি আজিজুল হক (দোয়াত-কলম), রহমতপুর ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক সদস্য হারুন-অর-রশিদ (চেয়ার) এবং বাবুগঞ্জ বন্দরের ব্যবসায়ী এনায়েত সিকদার (বই)। বুধবার (৪ জুন) বিকেলে আনুষ্ঠানিকভাবে অভিভাবক সদস্য প্রার্থীদের মাঝে প্রতীক বরাদ্দ দেন বাবুগঞ্জ ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ ও নির্বাচনের রিটার্নিং অফিসার আ.ন.ম আবদুল হালিম।
প্রতীক বিতরণকালে সাবেক ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ শাহে আলম, সহকারী অধ্যাপক শহিদুল ইসলাম, বিমানবন্দর প্রেসক্লাব সভাপতি ও সুজন সম্পাদক আরিফ আহমেদ মুন্না, বাবুগঞ্জ প্রেসক্লাব সভাপতি সাইফুল রহিম, সাবেক সভাপতি সাইফুল ইসলাম, সম্পাদক আরিফ হোসেন, যুগ্ম-সম্পাদক আবদুল্লাহ মামুন, রিপোর্টার্স ইউনিটির সভাপতি শাহাব উদ্দিন বাচ্চু, বিমানবন্দর প্রেসক্লাব সম্পাদক রোকন মিয়া, সাংবাদিক আবুল বাশার, রফিকুল ইসলাম ছোটন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
বাবুগঞ্জ ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ ও নির্বাচনের রিটার্নিং অফিসার আ.ন.ম আবদুল হালিম বলেন, 'বাবুগঞ্জ ডিগ্রি কলেজের অবসরপ্রাপ্ত প্রধান করণিক ও প্রার্থী রফিকুল ইসলাম বাবুলের বিরুদ্ধে গুরুতর অনিয়ম এবং তথ্য গোপন করে প্রতারণার মাধ্যমে প্রার্থী হওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। অপর ৩ প্রার্থী সম্মিলিতভাবে তার বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। প্রাথমিক তদন্তে এর সত্যতা পাওয়া গেছে। তার মেয়ে ২০২০ সালে বাবুগঞ্জ ডিগ্রি কলেজ থেকে বিজ্ঞান বিভাগ এইচএসসি পাস করে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে স্নাতক (সম্মান) শ্রেণিতে ইংরেজি বিভাগের নিয়মিত ছাত্রী হিসেবে চাখার শেরে বাংলা ডিগ্রি কলেজে অধ্যায়ন করছেন। একইসঙ্গে তিনি আবার সেই তথ্য গোপন করে নিজের মেয়েকে অত্র কলেজে ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষে এইচএসসি ব্যবসায় ব্যবস্থাপনা (বিএম) শাখায় ভর্তি দেখিয়ে অভিভাবক ভোটার হয়েছেন এবং অত্র নির্বাচনের প্রার্থী হয়েছেন। এমন গুরুতর অনিয়মের ঘটনা ফাঁস হওয়ার পরে প্রতিদ্বন্দ্বী ৩ প্রার্থীর লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে তার প্রতীক বরাদ্দ স্থগিত করে তাকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে এবং একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। তদন্ত কমিটির রিপোর্ট এবং তার জবাব পাওয়ার পরে তার বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।'
রিটার্নিং অফিসার অধ্যক্ষের কাছ থেকে দোয়াত-কলম প্রতীক নিচ্ছেন প্রার্থী আজিজুল হক
বরিশালের বাবুগঞ্জ ডিগ্রি কলেজে গভর্নিং বডির অভিভাবক সদস্য নির্বাচনে ৩ প্রার্থীকে প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। একইসাথে মেয়ের দ্বৈত ভর্তির তথ্য গোপন ও প্রতারণার আশ্রয় নেওয়ার অভিযোগে এক অভিভাবক সদস্য প্রার্থীর প্রতীক বরাদ্দ স্থগিত করে কারণ দর্শানোর নোটিশ (শোকজ) দেওয়া হয়েছে। শোকজপ্রাপ্ত প্রার্থী হলেন বাবুগঞ্জ ডিগ্রি কলেজের অবসরপ্রাপ্ত প্রধান করণিক ও অভিভাবক সদস্য প্রার্থী রফিকুল ইসলাম ওরফে বাবুল সিকদার।
প্রতীক বরাদ্দ পাওয়া ৩ অভিভাবক সদস্য প্রার্থী হলেন- সরকারি বাবুগঞ্জ পাইলট মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক ও বরিশাল মহানগর ছাত্রদলের সহ-সভাপতি আজিজুল হক (দোয়াত-কলম), রহমতপুর ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক সদস্য হারুন-অর-রশিদ (চেয়ার) এবং বাবুগঞ্জ বন্দরের ব্যবসায়ী এনায়েত সিকদার (বই)। বুধবার (৪ জুন) বিকেলে আনুষ্ঠানিকভাবে অভিভাবক সদস্য প্রার্থীদের মাঝে প্রতীক বরাদ্দ দেন বাবুগঞ্জ ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ ও নির্বাচনের রিটার্নিং অফিসার আ.ন.ম আবদুল হালিম।
প্রতীক বিতরণকালে সাবেক ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ শাহে আলম, সহকারী অধ্যাপক শহিদুল ইসলাম, বিমানবন্দর প্রেসক্লাব সভাপতি ও সুজন সম্পাদক আরিফ আহমেদ মুন্না, বাবুগঞ্জ প্রেসক্লাব সভাপতি সাইফুল রহিম, সাবেক সভাপতি সাইফুল ইসলাম, সম্পাদক আরিফ হোসেন, যুগ্ম-সম্পাদক আবদুল্লাহ মামুন, রিপোর্টার্স ইউনিটির সভাপতি শাহাব উদ্দিন বাচ্চু, বিমানবন্দর প্রেসক্লাব সম্পাদক রোকন মিয়া, সাংবাদিক আবুল বাশার, রফিকুল ইসলাম ছোটন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
বাবুগঞ্জ ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ ও নির্বাচনের রিটার্নিং অফিসার আ.ন.ম আবদুল হালিম বলেন, 'বাবুগঞ্জ ডিগ্রি কলেজের অবসরপ্রাপ্ত প্রধান করণিক ও প্রার্থী রফিকুল ইসলাম বাবুলের বিরুদ্ধে গুরুতর অনিয়ম এবং তথ্য গোপন করে প্রতারণার মাধ্যমে প্রার্থী হওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। অপর ৩ প্রার্থী সম্মিলিতভাবে তার বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। প্রাথমিক তদন্তে এর সত্যতা পাওয়া গেছে। তার মেয়ে ২০২০ সালে বাবুগঞ্জ ডিগ্রি কলেজ থেকে বিজ্ঞান বিভাগ এইচএসসি পাস করে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে স্নাতক (সম্মান) শ্রেণিতে ইংরেজি বিভাগের নিয়মিত ছাত্রী হিসেবে চাখার শেরে বাংলা ডিগ্রি কলেজে অধ্যায়ন করছেন। একইসঙ্গে তিনি আবার সেই তথ্য গোপন করে নিজের মেয়েকে অত্র কলেজে ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষে এইচএসসি ব্যবসায় ব্যবস্থাপনা (বিএম) শাখায় ভর্তি দেখিয়ে অভিভাবক ভোটার হয়েছেন এবং অত্র নির্বাচনের প্রার্থী হয়েছেন। এমন গুরুতর অনিয়মের ঘটনা ফাঁস হওয়ার পরে প্রতিদ্বন্দ্বী ৩ প্রার্থীর লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে তার প্রতীক বরাদ্দ স্থগিত করে তাকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে এবং একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। তদন্ত কমিটির রিপোর্ট এবং তার জবাব পাওয়ার পরে তার বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।'

২৭ জুন, ২০২৬ ১৫:০৪

২৬ জুন, ২০২৬ ১৮:৫৪

২৫ জুন, ২০২৬ ২২:১৩
বরিশাল নগরীতে দৈনিক আজকের তালাশ পত্রিকা অফিসে দুঃসাহসিক চুরির ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে কোতোয়ালি মডেল থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) রাত আনুমানিক ৩টা থেকে ভোর ৬টার মধ্যে নগরীর ১৭ নম্বর ওয়ার্ডের রাখালবাবু লেনস্থ রাজ্জাক মঞ্জিলের সামনে অবস্থিত দৈনিক আজকের তালাশ অফিসের একটি লাইটিং সাইনবোর্ড এবং প্রায় ৫০ গজ তামার বৈদ্যুতিক তার চুরি করে নিয়ে যায় দুর্বৃত্তরা।
প্রতিষ্ঠানটির প্রকাশক ও সম্পাদক মারুফ হোসেন জানান, সকালে অফিসে এসে চুরির বিষয়টি জানতে পারেন। পরে আশপাশে খোঁজখবর নিয়েও চুরি হওয়া মালামাল উদ্ধার কিংবা জড়িতদের শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি।
এ ঘটনায় কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার (ওসি) কাছে লিখিত অভিযোগ দাখিল করা হয়েছে। অভিযোগে ঘটনাটি তদন্ত করে চুরি হওয়া মালামাল উদ্ধার এবং জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানানো হয়েছে।
পুলিশ জানিয়েছে, অভিযোগ পেয়েছি, ঘটনাটি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
প্রস্তাবিত বাজেটে দক্ষিণবাংলা তথা বরিশাল বিভাগকে চরমভাবে বঞ্চিত করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন বিএনপি চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল। সকালে রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে দীর্ঘ লাইনের মানববন্ধনে সংহতি প্রকাশ করে তিনি এ কথা বলেন।
দক্ষিণবাংলা ফোরাম ও বরিশাল জেলা সমিতিসহ প্রায় ১০টি সংগঠনের আয়োজনে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। এতে মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল বলেন, এর আগে একনেকে অনুমোদিত হওয়া সত্ত্বেও ভাঙ্গা-কুয়াকাটা মহাসড়ক ৬ লেনে উন্নীত করার জন্য নতুন বাজেটে কোনো বরাদ্দ রাখা হয়নি। অথচ দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এই দুই লেনের মহাসড়কে প্রতিদিনই দুর্ঘটনায় প্রাণ হারাচ্ছেন মানুষ।
দক্ষিণবাংলা ফোরামের মুখপাত্র সাংবাদিক বদরুল আলম নাবিল বলেন, ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে চট্টগ্রামের ৪০টি গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্পের জন্য মোট ১১ হাজার ৬২৮ কোটি টাকার বিশেষ বরাদ্দ রাখা হয়েছে। কিন্তু বরিশাল বিভাগ তথা দক্ষিণবাংলার জন্য বাজেটে কোনো বিশেষ বরাদ্দের প্রস্তাব নেই।
বিশিষ্ট শিল্পপতি ইঞ্জিনিয়ার তৌহিদুর রহমান ক্রমবর্ধমান বৈদেশিক বাণিজ্যের চাপ সামলাতে বিকল্প বন্দর হিসেবে পায়রা বন্দর সচল করার পরামর্শ দেন। তিনি বলেন, নতুন এই বন্দরটির ড্রেজিং ও রক্ষণাবেক্ষণের জন্য ৫ হাজার কোটি টাকা ব্যয় করলে বছরে ৫০ হাজার কোটি টাকা সরকারের আয় হবে—এমন তথ্য দিয়েছেন খোদ পায়রা বন্দরের চেয়ারম্যান।
প্রায় দুই ঘণ্টাব্যাপী এই মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, ভোলা-বরিশাল সেতু নির্মাণ, নদীভাঙন রোধে দক্ষিণাঞ্চলের সব জেলায় টেকসই বেড়িবাঁধ নির্মাণ, ভোলার অব্যবহৃত গ্যাস দিয়ে ভোলা-বরিশাল-পটুয়াখালী অঞ্চলে শিল্পকারখানা গড়ে তোলা, শেরেবাংলা মেডিকেল কলেজকে বিশ্ববিদ্যালয়ে উন্নীত করা, কুয়াকাটায় বিমানবন্দর ও উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ গঠন এবং ভাঙ্গা-কুয়াকাটা রেললাইন নির্মাণের মতো গুরুত্বপূর্ণ জনদাবিগুলো বাজেটে অন্তর্ভুক্ত করার দাবি জানান।
প্রস্তাবিত বাজেটে সংশোধনী এনে এসব প্রকল্পে বিশেষ বরাদ্দ দেওয়ার মাধ্যমে পিছিয়ে থাকা দক্ষিণবাংলার সামগ্রিক উন্নয়নে প্রধানমন্ত্রী ও অর্থমন্ত্রীর সুদৃষ্টি কামনা করেন দক্ষিণের ৬টি জেলা থেকে আসা বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ।
মানববন্ধনে দক্ষিণবাংলা ফোরাম ছাড়াও বরিশাল বিভাগ সমিতি, বরিশাল জেলা সমিতি, পটুয়াখালী জেলা সমিতি, বরগুনা জেলা সমিতি, বরিশাল বিভাগ সাংবাদিক সমিতি, পটুয়াখালী জেলা সাংবাদিক ফোরামসহ দক্ষিণবাংলার বিভিন্ন জেলা ও উপজেলা সমিতি, সাংবাদিক এবং শিক্ষার্থী সংগঠনের প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করেন।
প্রস্তাবিত বাজেটে দক্ষিণবাংলা তথা বরিশাল বিভাগকে চরমভাবে বঞ্চিত করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন বিএনপি চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল। সকালে রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে দীর্ঘ লাইনের মানববন্ধনে সংহতি প্রকাশ করে তিনি এ কথা বলেন।
দক্ষিণবাংলা ফোরাম ও বরিশাল জেলা সমিতিসহ প্রায় ১০টি সংগঠনের আয়োজনে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। এতে মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল বলেন, এর আগে একনেকে অনুমোদিত হওয়া সত্ত্বেও ভাঙ্গা-কুয়াকাটা মহাসড়ক ৬ লেনে উন্নীত করার জন্য নতুন বাজেটে কোনো বরাদ্দ রাখা হয়নি। অথচ দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এই দুই লেনের মহাসড়কে প্রতিদিনই দুর্ঘটনায় প্রাণ হারাচ্ছেন মানুষ।
দক্ষিণবাংলা ফোরামের মুখপাত্র সাংবাদিক বদরুল আলম নাবিল বলেন, ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে চট্টগ্রামের ৪০টি গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্পের জন্য মোট ১১ হাজার ৬২৮ কোটি টাকার বিশেষ বরাদ্দ রাখা হয়েছে। কিন্তু বরিশাল বিভাগ তথা দক্ষিণবাংলার জন্য বাজেটে কোনো বিশেষ বরাদ্দের প্রস্তাব নেই।
বিশিষ্ট শিল্পপতি ইঞ্জিনিয়ার তৌহিদুর রহমান ক্রমবর্ধমান বৈদেশিক বাণিজ্যের চাপ সামলাতে বিকল্প বন্দর হিসেবে পায়রা বন্দর সচল করার পরামর্শ দেন। তিনি বলেন, নতুন এই বন্দরটির ড্রেজিং ও রক্ষণাবেক্ষণের জন্য ৫ হাজার কোটি টাকা ব্যয় করলে বছরে ৫০ হাজার কোটি টাকা সরকারের আয় হবে—এমন তথ্য দিয়েছেন খোদ পায়রা বন্দরের চেয়ারম্যান।
প্রায় দুই ঘণ্টাব্যাপী এই মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, ভোলা-বরিশাল সেতু নির্মাণ, নদীভাঙন রোধে দক্ষিণাঞ্চলের সব জেলায় টেকসই বেড়িবাঁধ নির্মাণ, ভোলার অব্যবহৃত গ্যাস দিয়ে ভোলা-বরিশাল-পটুয়াখালী অঞ্চলে শিল্পকারখানা গড়ে তোলা, শেরেবাংলা মেডিকেল কলেজকে বিশ্ববিদ্যালয়ে উন্নীত করা, কুয়াকাটায় বিমানবন্দর ও উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ গঠন এবং ভাঙ্গা-কুয়াকাটা রেললাইন নির্মাণের মতো গুরুত্বপূর্ণ জনদাবিগুলো বাজেটে অন্তর্ভুক্ত করার দাবি জানান।
প্রস্তাবিত বাজেটে সংশোধনী এনে এসব প্রকল্পে বিশেষ বরাদ্দ দেওয়ার মাধ্যমে পিছিয়ে থাকা দক্ষিণবাংলার সামগ্রিক উন্নয়নে প্রধানমন্ত্রী ও অর্থমন্ত্রীর সুদৃষ্টি কামনা করেন দক্ষিণের ৬টি জেলা থেকে আসা বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ।
মানববন্ধনে দক্ষিণবাংলা ফোরাম ছাড়াও বরিশাল বিভাগ সমিতি, বরিশাল জেলা সমিতি, পটুয়াখালী জেলা সমিতি, বরগুনা জেলা সমিতি, বরিশাল বিভাগ সাংবাদিক সমিতি, পটুয়াখালী জেলা সাংবাদিক ফোরামসহ দক্ষিণবাংলার বিভিন্ন জেলা ও উপজেলা সমিতি, সাংবাদিক এবং শিক্ষার্থী সংগঠনের প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করেন।
ছয়লেন মহাসড়কের দাবিতে বরিশাল-ঢাকা মহাসড়কের গৌরনদী উপজেলার ভূরঘাটা বাসটার্মিনাল থেকে ইল্লা বাসস্ট্যান্ড পর্যন্ত প্রায় তিন কিলোমিটার মহাসড়কজুড়ে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করা হয়েছে। এসময় মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ প্রদর্শন করা হয়। বিক্ষোভে এলাকাবাসীর সাথে একাত্মতা প্রকাশ করে অবরোধের ফলে আটকে পরা যানবাহনের চালক, স্টাফ ও যাত্রীরাও অংশগ্রহণ করেন।
শুক্রবার (২৬ জুন) বাদ জুম্মা গৌরনদীর খাঞ্জাপুর ইউনিয়নবাসীর ব্যানারে "নিরাপদ সড়ক চাই, জীবন বাঁচাতে ভাঙা থেকে কুয়াকাটা পর্যন্ত ছয়লেন মহাসড়ক চাই" শ্লোগানকে সামনে রেখে এ মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করা হয়েছে। কর্মসূচিতে জুম্মার নামাজের পর মহাসড়কের পাশের বিভিন্ন মসজিদের মুসুল্লীগণ স্ব-স্ব এলাকায় মানববন্ধনে অংশগ্রহণ করেন। এছাড়াও কর্মসূচিতে বরিশালের গৌরনদী ও উজিরপুর উপজেলা এবং মাদারীপুরের কালকিনিসহ বিভিন্ন উপজেলার সচেতন জনগন স্বর্তস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করেন। এসময় মানববন্ধনে অংশগ্রহণকারীদের হাতে ছয়লেন মহাসড়কের পক্ষে বিভিন্ন যৌক্তিক দাবি সম্বলিত ফেস্টুন ও প্লাকার্ড শোভা পায়।
প্রায় দুইঘন্টাব্যাপী মানববন্ধন চলাকালীন মহাসড়ক দিয়ে বরিশালের প্রবেশদ্বার গৌরনদীর ভূরঘাটা বাস টার্মিনালে আলোচনা সভায় অনুষ্ঠিত হয়। সভায় বক্তারা গত ২৩ জুন মহাসড়কের গৌরনদীর খাঞ্জাপুরের বটতলা এলাকায় মর্মান্তিক সড়ক দূর্ঘটনায় নিহত কুয়েত প্রবাসী সোহেল ফকিরের (২৪) হত্যাকারী ঘাতক পরিবহনের চালকের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি করেন।
অনুষ্ঠিত সভায় সংগঠক কাজী সুজন তার বক্তব্যে বলেন, ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কটি দেশের দক্ষিণাঞ্চলের সাথে রাজধানী ঢাকার যোগাযোগের প্রধান ধমনী। পদ্মা সেতু চালুর পর এই মহাসড়কে যানবাহনের চাপ বহুগুণ বেড়ে গেছে। ফলে বর্তমানের দুই লেনের সরু এই মহাসড়কটি এখন আর পর্যাপ্ত নয়।
তিনি জনগুরুত্বপূর্ণ মহাসড়কটি দ্রুত ছয়লেনে উন্নত করার দাবি জানিয়ে আরও বলেন, মহাসড়কের ভাঙা থেকে কুয়াকাটা পর্যন্ত সড়কটি ছয়লেনে উন্নতি করা হলে তীব্র যানজট নিরসন, সময় সাশ্রয় ও দুর্ঘটনা কমে আসবে। কারণ পদ্মা সেতু চালু হওয়ার পর দক্ষিণাঞ্চলের ২১টি জেলার মানুষ অত্যন্ত কম সময়ে তাদের গন্তব্যে যাতায়াত করতে পারছেন। কিন্তু ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কের সরু রাস্তার কারণে ফেরিঘাটের আগের যানজট এখন মহাসড়কের বিভিন্ন পয়েন্টে যেমন- ভাঙ্গা, টেকেরহাট, মোস্তফাপুর, ভুরঘাটা, গৌরনদী, টরকী, বাটাজোরসহ বিভিন্নস্থানে এসে স্থানান্তরিত হয়েছে। রাস্তাটি ছয়লেনে উন্নীত হলে যানবাহনের গতি বাড়ার পাশাপাশি যাতায়াতের সময় নাটকীয়ভাবে কমে আসবে।
খাঞ্জাপুর এলাকার যুব প্রতিনিধি আতিক মৃধা বলেন, বর্তমান দুই লেনের সরু রাস্তায় ছোট-বড় সবধরনের গাড়ি একইসাথে চলাচল করছে। দূরপাল্লার দ্রুতগতির বাসের পাশাপাশি নসিমন, করিমন, ইজিবাইকের মতো ধীরগতির স্থানীয় যানবাহন একই লেনে চলাচল করায় প্রতিনিয়ত ভয়াবহ মুখোমুখি সংঘর্ষ বা ওভারটেকিংয়ের কারণে দুর্ঘটনা লেগেই রয়েছে। তিনি আরও বলেন, ছয়লেনের মহাসড়ক নির্মিত হলে ধীর ও দ্রুতগতির যানবাহনের জন্য আলাদা লেনের (সার্ভিস লেন) ব্যবস্থা থাকবে, যা সড়ক দুর্ঘটনা প্রায় শূন্যের কোঠায় নামিয়ে আনবে।
সমাজ সেবক মো. পান্নু মৃধা বলেন, বরিশাল বিভাগে প্রচুর পরিমাণে কৃষিপণ্য, মাছ এবং পোল্ট্রি উৎপাদিত হয়। সড়ক সরু ও যানজট থাকার কারণে এই পচনশীল পণ্যগুলো সময়মতো ঢাকায় পৌঁছানো কঠিন হয়ে পরে। ছয়লেন মহাসড়ক হলে কৃষকরা তাদের পণ্যের সঠিক মূল্য পাবেন। পায়রা গভীর সমুদ্র বন্দর ও মোংলা বন্দরের পণ্য পরিবহন আরও দ্রুত ও সহজ হবে। তেমনি দক্ষিণাঞ্চলে নতুন নতুন শিল্পকারখানা গড়ে উঠবে, যা কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে বড় ভূমিকা রাখবে।
চাকরিজীবী ফেরদাউস হোসেন সোহাগ বলেন, দেশের সর্বদক্ষিণের কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকত, গুঠিয়া মসজিদ, দুর্গাসাগর দীঘি বা ভাসমান পেয়ারা বাজারের মতো অসংখ্য পর্যটন কেন্দ্র রয়েছে বরিশাল অঞ্চলে। শুধুমাত্র যাতায়াত ব্যবস্থা আরামদায়ক এবং যানজটমুক্ত না হওয়ায় অনেক পর্যটকই এই অঞ্চলে ভ্রমণ করতে চায় না। যেকারণে ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কের ভাঙা থেকে কুয়াকাটা পর্যন্ত সরু মহাসড়কটি ছয়লেন হলে পর্যটনখাতে এক বিশাল বিপ্লব ঘটবে।
খাঞ্জাপুর ইউনিয়ন বিএনপির আহবায়ক কমিটির সদস্য ছোটন হাওলাদার বলেন, শুধু দক্ষিণাঞ্চলের মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনের জন্যই নয়, বরং সামগ্রিক জাতীয় অর্থনীতিকে আরও গতিশীল এবং নিরাপদ করতে ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কটি চারলেনের মূল সড়ক ও দুই পাশে দুটি সার্ভিস লেনসহ মোট ছয়লেনে রূপান্তর করা এখন সময়ের দাবি।
অনুষ্ঠিত সভায় অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন-সমাজ সেবক এমারাত সরদার, জুয়েল হাওলাদার, মাইনুল ইসলামসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক, মুক্তিযোদ্ধা, সাংবাদিক ও সুশীল সমাজের নেতৃবৃন্দরা।
বক্তারা অনতিবিলম্বে ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কের ভাঙা থেকে সাগরকন্যা কুয়াকাটা পর্যন্ত দুইলেনের সরু মহাসড়ক ছয়লেনে উন্নতি করার জন্য সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের উর্ধ্বতন কর্মকর্তা, মন্ত্রী ও প্রধানমন্ত্রীর আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। অনতিবিলম্বে তাদের এ দাবি পূরণ না হলে ভবিষ্যতে বড়ধরনের আন্দোলন কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে বলেও উল্লেখ করেন। সবশেষে ভূরঘাটা বাসস্ট্যান্ডের মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ প্রদর্শন করা হয়।
প্রায় আধাঘন্টাব্যাপী মহাসড়ক অবরোধের কারণে মহাসড়কের উভয়পাশে শত শত যানবাহন আটকা পরে। এসময় বিক্ষোভে এলাকাবাসীর সাথে একাত্মতা প্রকাশ করে অবরোধের ফলে আটকে পরা যানবাহনের চালক, স্টাফ ও যাত্রীরা অংশগ্রহণ করে অনতিবিলম্বে ছয়লেন মহাসড়ক নির্মানের দাবি বাস্তবায়নের জন্য সংশ্লিষ্ট উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
ছয়লেন মহাসড়কের দাবিতে বরিশাল-ঢাকা মহাসড়কের গৌরনদী উপজেলার ভূরঘাটা বাসটার্মিনাল থেকে ইল্লা বাসস্ট্যান্ড পর্যন্ত প্রায় তিন কিলোমিটার মহাসড়কজুড়ে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করা হয়েছে। এসময় মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ প্রদর্শন করা হয়। বিক্ষোভে এলাকাবাসীর সাথে একাত্মতা প্রকাশ করে অবরোধের ফলে আটকে পরা যানবাহনের চালক, স্টাফ ও যাত্রীরাও অংশগ্রহণ করেন।
শুক্রবার (২৬ জুন) বাদ জুম্মা গৌরনদীর খাঞ্জাপুর ইউনিয়নবাসীর ব্যানারে "নিরাপদ সড়ক চাই, জীবন বাঁচাতে ভাঙা থেকে কুয়াকাটা পর্যন্ত ছয়লেন মহাসড়ক চাই" শ্লোগানকে সামনে রেখে এ মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করা হয়েছে। কর্মসূচিতে জুম্মার নামাজের পর মহাসড়কের পাশের বিভিন্ন মসজিদের মুসুল্লীগণ স্ব-স্ব এলাকায় মানববন্ধনে অংশগ্রহণ করেন। এছাড়াও কর্মসূচিতে বরিশালের গৌরনদী ও উজিরপুর উপজেলা এবং মাদারীপুরের কালকিনিসহ বিভিন্ন উপজেলার সচেতন জনগন স্বর্তস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করেন। এসময় মানববন্ধনে অংশগ্রহণকারীদের হাতে ছয়লেন মহাসড়কের পক্ষে বিভিন্ন যৌক্তিক দাবি সম্বলিত ফেস্টুন ও প্লাকার্ড শোভা পায়।
প্রায় দুইঘন্টাব্যাপী মানববন্ধন চলাকালীন মহাসড়ক দিয়ে বরিশালের প্রবেশদ্বার গৌরনদীর ভূরঘাটা বাস টার্মিনালে আলোচনা সভায় অনুষ্ঠিত হয়। সভায় বক্তারা গত ২৩ জুন মহাসড়কের গৌরনদীর খাঞ্জাপুরের বটতলা এলাকায় মর্মান্তিক সড়ক দূর্ঘটনায় নিহত কুয়েত প্রবাসী সোহেল ফকিরের (২৪) হত্যাকারী ঘাতক পরিবহনের চালকের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি করেন।
অনুষ্ঠিত সভায় সংগঠক কাজী সুজন তার বক্তব্যে বলেন, ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কটি দেশের দক্ষিণাঞ্চলের সাথে রাজধানী ঢাকার যোগাযোগের প্রধান ধমনী। পদ্মা সেতু চালুর পর এই মহাসড়কে যানবাহনের চাপ বহুগুণ বেড়ে গেছে। ফলে বর্তমানের দুই লেনের সরু এই মহাসড়কটি এখন আর পর্যাপ্ত নয়।
তিনি জনগুরুত্বপূর্ণ মহাসড়কটি দ্রুত ছয়লেনে উন্নত করার দাবি জানিয়ে আরও বলেন, মহাসড়কের ভাঙা থেকে কুয়াকাটা পর্যন্ত সড়কটি ছয়লেনে উন্নতি করা হলে তীব্র যানজট নিরসন, সময় সাশ্রয় ও দুর্ঘটনা কমে আসবে। কারণ পদ্মা সেতু চালু হওয়ার পর দক্ষিণাঞ্চলের ২১টি জেলার মানুষ অত্যন্ত কম সময়ে তাদের গন্তব্যে যাতায়াত করতে পারছেন। কিন্তু ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কের সরু রাস্তার কারণে ফেরিঘাটের আগের যানজট এখন মহাসড়কের বিভিন্ন পয়েন্টে যেমন- ভাঙ্গা, টেকেরহাট, মোস্তফাপুর, ভুরঘাটা, গৌরনদী, টরকী, বাটাজোরসহ বিভিন্নস্থানে এসে স্থানান্তরিত হয়েছে। রাস্তাটি ছয়লেনে উন্নীত হলে যানবাহনের গতি বাড়ার পাশাপাশি যাতায়াতের সময় নাটকীয়ভাবে কমে আসবে।
খাঞ্জাপুর এলাকার যুব প্রতিনিধি আতিক মৃধা বলেন, বর্তমান দুই লেনের সরু রাস্তায় ছোট-বড় সবধরনের গাড়ি একইসাথে চলাচল করছে। দূরপাল্লার দ্রুতগতির বাসের পাশাপাশি নসিমন, করিমন, ইজিবাইকের মতো ধীরগতির স্থানীয় যানবাহন একই লেনে চলাচল করায় প্রতিনিয়ত ভয়াবহ মুখোমুখি সংঘর্ষ বা ওভারটেকিংয়ের কারণে দুর্ঘটনা লেগেই রয়েছে। তিনি আরও বলেন, ছয়লেনের মহাসড়ক নির্মিত হলে ধীর ও দ্রুতগতির যানবাহনের জন্য আলাদা লেনের (সার্ভিস লেন) ব্যবস্থা থাকবে, যা সড়ক দুর্ঘটনা প্রায় শূন্যের কোঠায় নামিয়ে আনবে।
সমাজ সেবক মো. পান্নু মৃধা বলেন, বরিশাল বিভাগে প্রচুর পরিমাণে কৃষিপণ্য, মাছ এবং পোল্ট্রি উৎপাদিত হয়। সড়ক সরু ও যানজট থাকার কারণে এই পচনশীল পণ্যগুলো সময়মতো ঢাকায় পৌঁছানো কঠিন হয়ে পরে। ছয়লেন মহাসড়ক হলে কৃষকরা তাদের পণ্যের সঠিক মূল্য পাবেন। পায়রা গভীর সমুদ্র বন্দর ও মোংলা বন্দরের পণ্য পরিবহন আরও দ্রুত ও সহজ হবে। তেমনি দক্ষিণাঞ্চলে নতুন নতুন শিল্পকারখানা গড়ে উঠবে, যা কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে বড় ভূমিকা রাখবে।
চাকরিজীবী ফেরদাউস হোসেন সোহাগ বলেন, দেশের সর্বদক্ষিণের কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকত, গুঠিয়া মসজিদ, দুর্গাসাগর দীঘি বা ভাসমান পেয়ারা বাজারের মতো অসংখ্য পর্যটন কেন্দ্র রয়েছে বরিশাল অঞ্চলে। শুধুমাত্র যাতায়াত ব্যবস্থা আরামদায়ক এবং যানজটমুক্ত না হওয়ায় অনেক পর্যটকই এই অঞ্চলে ভ্রমণ করতে চায় না। যেকারণে ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কের ভাঙা থেকে কুয়াকাটা পর্যন্ত সরু মহাসড়কটি ছয়লেন হলে পর্যটনখাতে এক বিশাল বিপ্লব ঘটবে।
খাঞ্জাপুর ইউনিয়ন বিএনপির আহবায়ক কমিটির সদস্য ছোটন হাওলাদার বলেন, শুধু দক্ষিণাঞ্চলের মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনের জন্যই নয়, বরং সামগ্রিক জাতীয় অর্থনীতিকে আরও গতিশীল এবং নিরাপদ করতে ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কটি চারলেনের মূল সড়ক ও দুই পাশে দুটি সার্ভিস লেনসহ মোট ছয়লেনে রূপান্তর করা এখন সময়ের দাবি।
অনুষ্ঠিত সভায় অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন-সমাজ সেবক এমারাত সরদার, জুয়েল হাওলাদার, মাইনুল ইসলামসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক, মুক্তিযোদ্ধা, সাংবাদিক ও সুশীল সমাজের নেতৃবৃন্দরা।
বক্তারা অনতিবিলম্বে ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কের ভাঙা থেকে সাগরকন্যা কুয়াকাটা পর্যন্ত দুইলেনের সরু মহাসড়ক ছয়লেনে উন্নতি করার জন্য সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের উর্ধ্বতন কর্মকর্তা, মন্ত্রী ও প্রধানমন্ত্রীর আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। অনতিবিলম্বে তাদের এ দাবি পূরণ না হলে ভবিষ্যতে বড়ধরনের আন্দোলন কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে বলেও উল্লেখ করেন। সবশেষে ভূরঘাটা বাসস্ট্যান্ডের মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ প্রদর্শন করা হয়।
প্রায় আধাঘন্টাব্যাপী মহাসড়ক অবরোধের কারণে মহাসড়কের উভয়পাশে শত শত যানবাহন আটকা পরে। এসময় বিক্ষোভে এলাকাবাসীর সাথে একাত্মতা প্রকাশ করে অবরোধের ফলে আটকে পরা যানবাহনের চালক, স্টাফ ও যাত্রীরা অংশগ্রহণ করে অনতিবিলম্বে ছয়লেন মহাসড়ক নির্মানের দাবি বাস্তবায়নের জন্য সংশ্লিষ্ট উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
বরিশাল নগরীতে দৈনিক আজকের তালাশ পত্রিকা অফিসে দুঃসাহসিক চুরির ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে কোতোয়ালি মডেল থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) রাত আনুমানিক ৩টা থেকে ভোর ৬টার মধ্যে নগরীর ১৭ নম্বর ওয়ার্ডের রাখালবাবু লেনস্থ রাজ্জাক মঞ্জিলের সামনে অবস্থিত দৈনিক আজকের তালাশ অফিসের একটি লাইটিং সাইনবোর্ড এবং প্রায় ৫০ গজ তামার বৈদ্যুতিক তার চুরি করে নিয়ে যায় দুর্বৃত্তরা।
প্রতিষ্ঠানটির প্রকাশক ও সম্পাদক মারুফ হোসেন জানান, সকালে অফিসে এসে চুরির বিষয়টি জানতে পারেন। পরে আশপাশে খোঁজখবর নিয়েও চুরি হওয়া মালামাল উদ্ধার কিংবা জড়িতদের শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি।
এ ঘটনায় কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার (ওসি) কাছে লিখিত অভিযোগ দাখিল করা হয়েছে। অভিযোগে ঘটনাটি তদন্ত করে চুরি হওয়া মালামাল উদ্ধার এবং জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানানো হয়েছে।
পুলিশ জানিয়েছে, অভিযোগ পেয়েছি, ঘটনাটি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।