রিটার্নিং অফিসার অধ্যক্ষের কাছ থেকে দোয়াত-কলম প্রতীক নিচ্ছেন প্রার্থী আজিজুল হক
বরিশালের বাবুগঞ্জ ডিগ্রি কলেজে গভর্নিং বডির অভিভাবক সদস্য নির্বাচনে ৩ প্রার্থীকে প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। একইসাথে মেয়ের দ্বৈত ভর্তির তথ্য গোপন ও প্রতারণার আশ্রয় নেওয়ার অভিযোগে এক অভিভাবক সদস্য প্রার্থীর প্রতীক বরাদ্দ স্থগিত করে কারণ দর্শানোর নোটিশ (শোকজ) দেওয়া হয়েছে। শোকজপ্রাপ্ত প্রার্থী হলেন বাবুগঞ্জ ডিগ্রি কলেজের অবসরপ্রাপ্ত প্রধান করণিক ও অভিভাবক সদস্য প্রার্থী রফিকুল ইসলাম ওরফে বাবুল সিকদার।
প্রতীক বরাদ্দ পাওয়া ৩ অভিভাবক সদস্য প্রার্থী হলেন- সরকারি বাবুগঞ্জ পাইলট মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক ও বরিশাল মহানগর ছাত্রদলের সহ-সভাপতি আজিজুল হক (দোয়াত-কলম), রহমতপুর ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক সদস্য হারুন-অর-রশিদ (চেয়ার) এবং বাবুগঞ্জ বন্দরের ব্যবসায়ী এনায়েত সিকদার (বই)। বুধবার (৪ জুন) বিকেলে আনুষ্ঠানিকভাবে অভিভাবক সদস্য প্রার্থীদের মাঝে প্রতীক বরাদ্দ দেন বাবুগঞ্জ ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ ও নির্বাচনের রিটার্নিং অফিসার আ.ন.ম আবদুল হালিম।
প্রতীক বিতরণকালে সাবেক ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ শাহে আলম, সহকারী অধ্যাপক শহিদুল ইসলাম, বিমানবন্দর প্রেসক্লাব সভাপতি ও সুজন সম্পাদক আরিফ আহমেদ মুন্না, বাবুগঞ্জ প্রেসক্লাব সভাপতি সাইফুল রহিম, সাবেক সভাপতি সাইফুল ইসলাম, সম্পাদক আরিফ হোসেন, যুগ্ম-সম্পাদক আবদুল্লাহ মামুন, রিপোর্টার্স ইউনিটির সভাপতি শাহাব উদ্দিন বাচ্চু, বিমানবন্দর প্রেসক্লাব সম্পাদক রোকন মিয়া, সাংবাদিক আবুল বাশার, রফিকুল ইসলাম ছোটন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
বাবুগঞ্জ ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ ও নির্বাচনের রিটার্নিং অফিসার আ.ন.ম আবদুল হালিম বলেন, 'বাবুগঞ্জ ডিগ্রি কলেজের অবসরপ্রাপ্ত প্রধান করণিক ও প্রার্থী রফিকুল ইসলাম বাবুলের বিরুদ্ধে গুরুতর অনিয়ম এবং তথ্য গোপন করে প্রতারণার মাধ্যমে প্রার্থী হওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। অপর ৩ প্রার্থী সম্মিলিতভাবে তার বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। প্রাথমিক তদন্তে এর সত্যতা পাওয়া গেছে। তার মেয়ে ২০২০ সালে বাবুগঞ্জ ডিগ্রি কলেজ থেকে বিজ্ঞান বিভাগ এইচএসসি পাস করে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে স্নাতক (সম্মান) শ্রেণিতে ইংরেজি বিভাগের নিয়মিত ছাত্রী হিসেবে চাখার শেরে বাংলা ডিগ্রি কলেজে অধ্যায়ন করছেন। একইসঙ্গে তিনি আবার সেই তথ্য গোপন করে নিজের মেয়েকে অত্র কলেজে ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষে এইচএসসি ব্যবসায় ব্যবস্থাপনা (বিএম) শাখায় ভর্তি দেখিয়ে অভিভাবক ভোটার হয়েছেন এবং অত্র নির্বাচনের প্রার্থী হয়েছেন। এমন গুরুতর অনিয়মের ঘটনা ফাঁস হওয়ার পরে প্রতিদ্বন্দ্বী ৩ প্রার্থীর লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে তার প্রতীক বরাদ্দ স্থগিত করে তাকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে এবং একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। তদন্ত কমিটির রিপোর্ট এবং তার জবাব পাওয়ার পরে তার বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।'

২০ অক্টোবর, ২০২৬ ১৪:৫২
নাটোরের বড়াইগ্রাম উপজেলার বনপাড়ায় যাত্রীবাহী বাস ও বালুবোঝাই ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষে ১৪ জন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন অন্তত ৩০ জন। নিহতদের মধ্যে শিশুও রয়েছে।
মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) ভোর ৪টার দিকে নাটোর-পাবনা মহাসড়কের বনপাড়া পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের সামনে সরকারপাড়া এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। ঘটনাস্থলেই ৯ জনের মৃত্যু হয়। পরে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান আরও পাঁচজন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন নাটোরের জেলা প্রশাসক সুমনী আক্তার ও পুলিশের কর্মকর্তারা।
পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, বরিশাল থেকে রাজশাহীগামী আরপি পরিবহনের একটি যাত্রীবাহী বাসের সঙ্গে বিপরীত দিক থেকে আসা বালুবোঝাই ট্রাকের সংঘর্ষ হয়। বাসটি পটুয়াখালীর কুয়াকাটা থেকে চাঁপাইনবাবগঞ্জ যাচ্ছিল। অন্যদিকে ট্রাকটি কুড়িগ্রাম থেকে পাবনার দিকে যাচ্ছিল বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
দুর্ঘটনার পর ফায়ার সার্ভিসের তিনটি ইউনিট, পুলিশ ও স্থানীয় লোকজন উদ্ধারকাজে অংশ নেন। আহতদের উদ্ধার করে বড়াইগ্রাম উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, নাটোর জেনারেল হাসপাতাল এবং রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালসহ বিভিন্ন হাসপাতালে পাঠানো হয়। দুর্ঘটনায় বাসটি দুমড়েমুচড়ে যায়।
প্রাথমিকভাবে নিহতদের মধ্যে কয়েকজনের পরিচয় শনাক্ত হয়েছে। তাঁদের মধ্যে রয়েছেন রাজশাহীর গোদাগাড়ীর বাসচালক সোহেল রানা (৪০), রাজশাহীর বাগমারার আনোয়ার হক (৩০), পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জের আট বছর বয়সী তাসফিয়া খাতুন এবং শরীয়তপুরের জাজিরা এলাকার কয়েকজন বাসযাত্রী। বাকিদের পরিচয় শনাক্তে কাজ করছে পুলিশ।
এদিকে, দুর্ঘটনার কারণ অনুসন্ধানে সাত সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেছে নাটোর জেলা প্রশাসন। অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আবুল হায়াতকে কমিটির প্রধান করা হয়েছে। কমিটিকে দুর্ঘটনার কারণ অনুসন্ধান করে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে।
দুর্ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন জাতীয় সংসদের হুইপ ও নাটোর-২ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট এম রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু, জেলা প্রশাসক সুমনী আক্তার এবং পুলিশ সুপার মোহাম্মদ শরিফুল হক। দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ তদন্তের পর জানা যাবে।’
নাটোরের বড়াইগ্রাম উপজেলার বনপাড়ায় যাত্রীবাহী বাস ও বালুবোঝাই ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষে ১৪ জন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন অন্তত ৩০ জন। নিহতদের মধ্যে শিশুও রয়েছে।
মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) ভোর ৪টার দিকে নাটোর-পাবনা মহাসড়কের বনপাড়া পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের সামনে সরকারপাড়া এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। ঘটনাস্থলেই ৯ জনের মৃত্যু হয়। পরে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান আরও পাঁচজন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন নাটোরের জেলা প্রশাসক সুমনী আক্তার ও পুলিশের কর্মকর্তারা।
পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, বরিশাল থেকে রাজশাহীগামী আরপি পরিবহনের একটি যাত্রীবাহী বাসের সঙ্গে বিপরীত দিক থেকে আসা বালুবোঝাই ট্রাকের সংঘর্ষ হয়। বাসটি পটুয়াখালীর কুয়াকাটা থেকে চাঁপাইনবাবগঞ্জ যাচ্ছিল। অন্যদিকে ট্রাকটি কুড়িগ্রাম থেকে পাবনার দিকে যাচ্ছিল বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
দুর্ঘটনার পর ফায়ার সার্ভিসের তিনটি ইউনিট, পুলিশ ও স্থানীয় লোকজন উদ্ধারকাজে অংশ নেন। আহতদের উদ্ধার করে বড়াইগ্রাম উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, নাটোর জেনারেল হাসপাতাল এবং রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালসহ বিভিন্ন হাসপাতালে পাঠানো হয়। দুর্ঘটনায় বাসটি দুমড়েমুচড়ে যায়।
প্রাথমিকভাবে নিহতদের মধ্যে কয়েকজনের পরিচয় শনাক্ত হয়েছে। তাঁদের মধ্যে রয়েছেন রাজশাহীর গোদাগাড়ীর বাসচালক সোহেল রানা (৪০), রাজশাহীর বাগমারার আনোয়ার হক (৩০), পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জের আট বছর বয়সী তাসফিয়া খাতুন এবং শরীয়তপুরের জাজিরা এলাকার কয়েকজন বাসযাত্রী। বাকিদের পরিচয় শনাক্তে কাজ করছে পুলিশ।
এদিকে, দুর্ঘটনার কারণ অনুসন্ধানে সাত সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেছে নাটোর জেলা প্রশাসন। অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আবুল হায়াতকে কমিটির প্রধান করা হয়েছে। কমিটিকে দুর্ঘটনার কারণ অনুসন্ধান করে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে।
দুর্ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন জাতীয় সংসদের হুইপ ও নাটোর-২ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট এম রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু, জেলা প্রশাসক সুমনী আক্তার এবং পুলিশ সুপার মোহাম্মদ শরিফুল হক। দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ তদন্তের পর জানা যাবে।’

১৯ অক্টোবর, ২০২৬ ১৯:০১
সরকারি বরিশাল কলেজের পুকুরের ভরাট করা অংশ থেকে বালু সরিয়ে জলাশয়টি আগের অবস্থায় ফিরিয়ে আনতে কলেজ অধ্যক্ষকে সাত কর্মদিবসের সময় বেঁধে দিয়েছে পরিবেশ অধিদপ্তর। আগামী ২৫ অক্টোবরের মধ্যে নির্দেশনা বাস্তবায়ন করতে বলা হয়েছে। অন্যথায় আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছে সংস্থাটি। রোববার (১৮ অক্টোবর) পরিবেশ অধিদপ্তরের বরিশাল জেলা কার্যালয় থেকে এ নির্দেশ দেওয়া হয়। একই সঙ্গে জমির মালিকানা-সংক্রান্ত কাগজপত্র জমা দিতে বলা হয়েছে।
নগরীর উত্তর মল্লিক রোডে অবস্থিত কলেজটির পুকুরে রাতের আঁধারে ট্রাকে করে বালু ফেলে ভরাট করা হচ্ছে—এমন অভিযোগ পেয়ে সরেজমিনে পরিদর্শন করে পরিবেশ অধিদপ্তর। অভিযোগের সত্যতা পাওয়ার পর সহকারী পরিচালক কাজী সাইফুদ্দীনের স্বাক্ষরিত চিঠিতে বালু অপসারণের নির্দেশ দেওয়া হয়।
কলেজ কর্তৃপক্ষের ভাষ্য, শিক্ষার্থীদের আবাসনসংকট নিরসনে ওই জমিতে ১০ তলা ভবন নির্মাণের পরিকল্পনা ছিল। এ জন্য মাটির পরীক্ষা বা সয়েল টেস্টও করা হয়। সেই কাজের অংশ হিসেবে ডোবার একাংশে বালু ফেলা শুরু হয়েছিল। পরিবেশ অধিদপ্তর আপত্তি জানানোর পর কাজ বন্ধ রাখা হয়েছে।
অধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মো. মহিউদ্দিন বলেন, সরকারি বরিশাল কলেজে আবাসিক ব্যবস্থা না থাকায় শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি কমছে। এ পরিস্থিতিতে কলেজের প্রবেশমুখে মসজিদসংলগ্ন এক একর জমির অর্ধেক অংশে ছাত্রাবাস নির্মাণের পরিকল্পনা করা হয়েছিল।
তিনি দাবি করেন, ডোবার অর্ধেক আগেই ভরাট করা হয়েছে। বাকি অংশে ক্লিনিকের বর্জ্য ও আশপাশের বাসিন্দাদের ফেলা ময়লায় মশার প্রজননক্ষেত্র তৈরি হয়েছে। ডোবাটি ভরাট করে টিন-কাঠের আবাসন নির্মাণ করা হলে অন্তত ২৫ শিক্ষার্থীর থাকার ব্যবস্থা করা যেত।
পরিবেশ সংরক্ষণ আইন অনুযায়ী, জলাধার হিসেবে চিহ্নিত জমির শ্রেণি পরিবর্তন বা ভরাটের ক্ষেত্রে বিধিনিষেধ রয়েছে। ব্যক্তিমালিকানাধীন জমি হলেও নির্ধারিত জলাশয় ইচ্ছামতো ভরাটের সুযোগ নেই। বিশেষ ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অনুমোদন প্রয়োজন হতে পারে।
বাংলাদেশ পরিবেশ আইনবিদ সমিতির (বেলা) বরিশাল বিভাগের সমন্বয়কারী লিংকন বায়েন বলেন, বরিশালে জলাশয় রক্ষায় আদালতেও মামলা হয়েছে। সরকারি বরিশাল কলেজের পুকুর ভরাটের বিষয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা পেলে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
সচেতন নাগরিক কমিটির (সনাক) সদস্য কবি হেনরী স্বপন বলেন, এর আগেও একাধিকবার সরকারি বরিশাল কলেজের পুকুর ভরাটের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। নাগরিকদের আন্দোলনের কারণে সেসব উদ্যোগ সফল হয়নি।
এদিকে বরিশাল সিটি করপোরেশনের প্রশাসক বিলকিস আক্তার জাহান শিরিন বলেন, নিয়ম না মেনেই কলেজ কর্তৃপক্ষ পুকুরে বালু ফেলে ভরাটের কাজ শুরু করেছিল। খবর পেয়ে সিটি করপোরেশনের কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে গিয়ে কাজ বন্ধ করে দেন।
এখন পরিবেশ অধিদপ্তরের নির্দেশ অনুযায়ী, আগামী ২৫ অক্টোবরের মধ্যে ভরাট করা বালু সরিয়ে পুকুরটি আগের অবস্থায় ফিরিয়ে আনার কথা রয়েছে।'
সরকারি বরিশাল কলেজের পুকুরের ভরাট করা অংশ থেকে বালু সরিয়ে জলাশয়টি আগের অবস্থায় ফিরিয়ে আনতে কলেজ অধ্যক্ষকে সাত কর্মদিবসের সময় বেঁধে দিয়েছে পরিবেশ অধিদপ্তর। আগামী ২৫ অক্টোবরের মধ্যে নির্দেশনা বাস্তবায়ন করতে বলা হয়েছে। অন্যথায় আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছে সংস্থাটি। রোববার (১৮ অক্টোবর) পরিবেশ অধিদপ্তরের বরিশাল জেলা কার্যালয় থেকে এ নির্দেশ দেওয়া হয়। একই সঙ্গে জমির মালিকানা-সংক্রান্ত কাগজপত্র জমা দিতে বলা হয়েছে।
নগরীর উত্তর মল্লিক রোডে অবস্থিত কলেজটির পুকুরে রাতের আঁধারে ট্রাকে করে বালু ফেলে ভরাট করা হচ্ছে—এমন অভিযোগ পেয়ে সরেজমিনে পরিদর্শন করে পরিবেশ অধিদপ্তর। অভিযোগের সত্যতা পাওয়ার পর সহকারী পরিচালক কাজী সাইফুদ্দীনের স্বাক্ষরিত চিঠিতে বালু অপসারণের নির্দেশ দেওয়া হয়।
কলেজ কর্তৃপক্ষের ভাষ্য, শিক্ষার্থীদের আবাসনসংকট নিরসনে ওই জমিতে ১০ তলা ভবন নির্মাণের পরিকল্পনা ছিল। এ জন্য মাটির পরীক্ষা বা সয়েল টেস্টও করা হয়। সেই কাজের অংশ হিসেবে ডোবার একাংশে বালু ফেলা শুরু হয়েছিল। পরিবেশ অধিদপ্তর আপত্তি জানানোর পর কাজ বন্ধ রাখা হয়েছে।
অধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মো. মহিউদ্দিন বলেন, সরকারি বরিশাল কলেজে আবাসিক ব্যবস্থা না থাকায় শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি কমছে। এ পরিস্থিতিতে কলেজের প্রবেশমুখে মসজিদসংলগ্ন এক একর জমির অর্ধেক অংশে ছাত্রাবাস নির্মাণের পরিকল্পনা করা হয়েছিল।
তিনি দাবি করেন, ডোবার অর্ধেক আগেই ভরাট করা হয়েছে। বাকি অংশে ক্লিনিকের বর্জ্য ও আশপাশের বাসিন্দাদের ফেলা ময়লায় মশার প্রজননক্ষেত্র তৈরি হয়েছে। ডোবাটি ভরাট করে টিন-কাঠের আবাসন নির্মাণ করা হলে অন্তত ২৫ শিক্ষার্থীর থাকার ব্যবস্থা করা যেত।
পরিবেশ সংরক্ষণ আইন অনুযায়ী, জলাধার হিসেবে চিহ্নিত জমির শ্রেণি পরিবর্তন বা ভরাটের ক্ষেত্রে বিধিনিষেধ রয়েছে। ব্যক্তিমালিকানাধীন জমি হলেও নির্ধারিত জলাশয় ইচ্ছামতো ভরাটের সুযোগ নেই। বিশেষ ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অনুমোদন প্রয়োজন হতে পারে।
বাংলাদেশ পরিবেশ আইনবিদ সমিতির (বেলা) বরিশাল বিভাগের সমন্বয়কারী লিংকন বায়েন বলেন, বরিশালে জলাশয় রক্ষায় আদালতেও মামলা হয়েছে। সরকারি বরিশাল কলেজের পুকুর ভরাটের বিষয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা পেলে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
সচেতন নাগরিক কমিটির (সনাক) সদস্য কবি হেনরী স্বপন বলেন, এর আগেও একাধিকবার সরকারি বরিশাল কলেজের পুকুর ভরাটের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। নাগরিকদের আন্দোলনের কারণে সেসব উদ্যোগ সফল হয়নি।
এদিকে বরিশাল সিটি করপোরেশনের প্রশাসক বিলকিস আক্তার জাহান শিরিন বলেন, নিয়ম না মেনেই কলেজ কর্তৃপক্ষ পুকুরে বালু ফেলে ভরাটের কাজ শুরু করেছিল। খবর পেয়ে সিটি করপোরেশনের কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে গিয়ে কাজ বন্ধ করে দেন।
এখন পরিবেশ অধিদপ্তরের নির্দেশ অনুযায়ী, আগামী ২৫ অক্টোবরের মধ্যে ভরাট করা বালু সরিয়ে পুকুরটি আগের অবস্থায় ফিরিয়ে আনার কথা রয়েছে।'

১৯ অক্টোবর, ২০২৬ ১৭:৫৩
বরিশাল নগরীতে অভিযান চালিয়ে ২০০ পিস ইয়াবাসহ স্বামী-স্ত্রীকে গ্রেপ্তার করেছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর। সোমবার (১৯ অক্টোবর) সকাল ৭টার দিকে নগরীর বিএম কলেজ রোডের তালভিটা লেন এলাকায় এ অভিযান চালানো হয়।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন মো. নয়ন (২৫) এবং তাঁর স্ত্রী মুক্তা আক্তার (২৯)। তাঁরা নগরীর ১৯ নম্বর ওয়ার্ডের তালভিটা লেনের কাশেম মহলের একটি বাড়িতে ভাড়া থাকতেন।
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর বরিশালের বিভাগীয় গোয়েন্দা কার্যালয়ের উপ-পরিচালক মোহাম্মদ খোরশিদ আলমের পাঠানো তথ্যে জানানো হয়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সোমবার সকালে বিএম কলেজসংলগ্ন এলাকায় অভিযান চালানো হয়। এ সময় সন্দেহভাজন ওই দুজনকে তল্লাশি করে ২০০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট ও একটি ইনফিনিক্স স্মার্টফোন জব্দ করা হয়।
এ ঘটনায় গ্রেপ্তার দুজনের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে বরিশাল কোতয়ালি মডেল থানায় মামলা করা হয়েছে।'
বরিশাল নগরীতে অভিযান চালিয়ে ২০০ পিস ইয়াবাসহ স্বামী-স্ত্রীকে গ্রেপ্তার করেছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর। সোমবার (১৯ অক্টোবর) সকাল ৭টার দিকে নগরীর বিএম কলেজ রোডের তালভিটা লেন এলাকায় এ অভিযান চালানো হয়।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন মো. নয়ন (২৫) এবং তাঁর স্ত্রী মুক্তা আক্তার (২৯)। তাঁরা নগরীর ১৯ নম্বর ওয়ার্ডের তালভিটা লেনের কাশেম মহলের একটি বাড়িতে ভাড়া থাকতেন।
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর বরিশালের বিভাগীয় গোয়েন্দা কার্যালয়ের উপ-পরিচালক মোহাম্মদ খোরশিদ আলমের পাঠানো তথ্যে জানানো হয়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সোমবার সকালে বিএম কলেজসংলগ্ন এলাকায় অভিযান চালানো হয়। এ সময় সন্দেহভাজন ওই দুজনকে তল্লাশি করে ২০০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট ও একটি ইনফিনিক্স স্মার্টফোন জব্দ করা হয়।
এ ঘটনায় গ্রেপ্তার দুজনের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে বরিশাল কোতয়ালি মডেল থানায় মামলা করা হয়েছে।'

০৫ জুন, ২০২৫ ১৭:৩৯
বরিশালের বাবুগঞ্জ ডিগ্রি কলেজে গভর্নিং বডির অভিভাবক সদস্য নির্বাচনে ৩ প্রার্থীকে প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। একইসাথে মেয়ের দ্বৈত ভর্তির তথ্য গোপন ও প্রতারণার আশ্রয় নেওয়ার অভিযোগে এক অভিভাবক সদস্য প্রার্থীর প্রতীক বরাদ্দ স্থগিত করে কারণ দর্শানোর নোটিশ (শোকজ) দেওয়া হয়েছে। শোকজপ্রাপ্ত প্রার্থী হলেন বাবুগঞ্জ ডিগ্রি কলেজের অবসরপ্রাপ্ত প্রধান করণিক ও অভিভাবক সদস্য প্রার্থী রফিকুল ইসলাম ওরফে বাবুল সিকদার।
প্রতীক বরাদ্দ পাওয়া ৩ অভিভাবক সদস্য প্রার্থী হলেন- সরকারি বাবুগঞ্জ পাইলট মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক ও বরিশাল মহানগর ছাত্রদলের সহ-সভাপতি আজিজুল হক (দোয়াত-কলম), রহমতপুর ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক সদস্য হারুন-অর-রশিদ (চেয়ার) এবং বাবুগঞ্জ বন্দরের ব্যবসায়ী এনায়েত সিকদার (বই)। বুধবার (৪ জুন) বিকেলে আনুষ্ঠানিকভাবে অভিভাবক সদস্য প্রার্থীদের মাঝে প্রতীক বরাদ্দ দেন বাবুগঞ্জ ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ ও নির্বাচনের রিটার্নিং অফিসার আ.ন.ম আবদুল হালিম।
প্রতীক বিতরণকালে সাবেক ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ শাহে আলম, সহকারী অধ্যাপক শহিদুল ইসলাম, বিমানবন্দর প্রেসক্লাব সভাপতি ও সুজন সম্পাদক আরিফ আহমেদ মুন্না, বাবুগঞ্জ প্রেসক্লাব সভাপতি সাইফুল রহিম, সাবেক সভাপতি সাইফুল ইসলাম, সম্পাদক আরিফ হোসেন, যুগ্ম-সম্পাদক আবদুল্লাহ মামুন, রিপোর্টার্স ইউনিটির সভাপতি শাহাব উদ্দিন বাচ্চু, বিমানবন্দর প্রেসক্লাব সম্পাদক রোকন মিয়া, সাংবাদিক আবুল বাশার, রফিকুল ইসলাম ছোটন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
বাবুগঞ্জ ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ ও নির্বাচনের রিটার্নিং অফিসার আ.ন.ম আবদুল হালিম বলেন, 'বাবুগঞ্জ ডিগ্রি কলেজের অবসরপ্রাপ্ত প্রধান করণিক ও প্রার্থী রফিকুল ইসলাম বাবুলের বিরুদ্ধে গুরুতর অনিয়ম এবং তথ্য গোপন করে প্রতারণার মাধ্যমে প্রার্থী হওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। অপর ৩ প্রার্থী সম্মিলিতভাবে তার বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। প্রাথমিক তদন্তে এর সত্যতা পাওয়া গেছে। তার মেয়ে ২০২০ সালে বাবুগঞ্জ ডিগ্রি কলেজ থেকে বিজ্ঞান বিভাগ এইচএসসি পাস করে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে স্নাতক (সম্মান) শ্রেণিতে ইংরেজি বিভাগের নিয়মিত ছাত্রী হিসেবে চাখার শেরে বাংলা ডিগ্রি কলেজে অধ্যায়ন করছেন। একইসঙ্গে তিনি আবার সেই তথ্য গোপন করে নিজের মেয়েকে অত্র কলেজে ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষে এইচএসসি ব্যবসায় ব্যবস্থাপনা (বিএম) শাখায় ভর্তি দেখিয়ে অভিভাবক ভোটার হয়েছেন এবং অত্র নির্বাচনের প্রার্থী হয়েছেন। এমন গুরুতর অনিয়মের ঘটনা ফাঁস হওয়ার পরে প্রতিদ্বন্দ্বী ৩ প্রার্থীর লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে তার প্রতীক বরাদ্দ স্থগিত করে তাকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে এবং একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। তদন্ত কমিটির রিপোর্ট এবং তার জবাব পাওয়ার পরে তার বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।'
২৩ অক্টোবর, ২০২৬ ১১:২০
২৩ অক্টোবর, ২০২৬ ০৯:৩৬
২৩ অক্টোবর, ২০২৬ ০১:১১
২৩ অক্টোবর, ২০২৬ ০০:৫৮