ভোলার লালমোহনে বাংলাদেশ পল্লি উন্নয়ন বোর্ড (বিআরডিবি) এর আওতাভুক্ত কৃষক সমবায় সমিতির সদস্যদের শেয়ার ও সঞ্চয় আমানতের অর্থায়নে ক্রয়কৃত জমিতে লালমোহন পৌরসভা কর্তৃপক্ষ বিনা অনুমতিতে নিজেদের মতো প্লান করে সড়ক নির্মাণ করার অভিযোগ পাওয়া গেছে।
এ ব্যাপারে লালমোহন প্রেসক্লাবের সাংবাদিকদের কাছে লিখিত ভাবে দৈনিক পত্রিকায় প্রকাশের অনুরোধ করেছেন বিআরডিবির সাবেক ৩ চেয়ারম্যান শফিকুল হক, মো. আ: হক ও মো. জহিরুল ইসলাম মাসুদ।
লিখিত অভিযোগ থেকে জানা যায়, লালমোহন পৌরসভার ওয়েস্টার্ন পাড়া ৮ নং ওয়ার্ডে বিআরডিবির ইউসিসি লিমিটেড ভুক্ত সমবায়ী কৃষকগণ ২ একর ৪০ শতাংশ জমি ক্রয় করে।
উক্ত জমিতে লালমোহন পৌরসভা কর্তৃপক্ষ ২০২৩-২৪ অর্থবছরে ভূমির মালিক কর্তৃপক্ষের পূর্ব অনুমতি ও আলোচনা ব্যতিত রাস্তা নির্মাণের দরপত্র আহবান পূর্বক কাজ আরম্ভ করে। যাহা সম্পূর্ণ আইন বহির্ভূত।
কাজ শুরু করলে উপজেলা পল্লি উন্নয়ন কর্মকর্তা বাধা প্রদান করে কাজ বন্ধ করার ব্যবস্থা করেন। এরপর পৌর প্রশাসক বাংলাদেশ পল্লি উন্নয়ন বোর্ডের মহাপরিচালক বরাবর ওই জমিতে রাস্তা করার অনুমতির জন্য পত্র প্রেরণ করেন।
বর্তমান লালমোহন উপজেলা কর্মকর্তা মো. শাহ আজিজ পৌর প্রশাসক ও ইউসিসির এডহক কমিটির চেয়ারম্যানের দায়িত্বে রয়েছেন। গত ৮ বছর ইউসিসির নির্বাচন ব্যতিরেখে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইউসিসিকে অকার্যকর রেখে নিজেই চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করছে। তিনি দায়িত্ব পাওয়ার পর সমবায় সমিতির প্রতিনিধিদের সাধারণ সভা না ডেকে এবং প্রতিনিধিদের সম্মতি ছাড়া এখতিয়ার বহির্ভূত সমিতির জমি অন্য সংস্থাকে ব্যবহারের অনুমতি দিয়েছেন।
সমবায় সমিতির সদস্য ও সাবেক চেয়ারম্যানদের দাবি বিআরডিবির মহাপরিচালক দ্রুত কৃষকদের স্বার্থে রাস্তার কাজ বন্ধ রাখার নির্দেশ প্রদান করে। জমির মালিক কর্তৃপক্ষের অনুমতি ব্যতিত কিভাবে টেন্ডার আহবান ও কাজ বাস্তবায়ন করা হচ্ছে তা তদন্ত করার জন্য স্থানীয় সরকার ও জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় কর্তৃপক্ষের অনুরোধ জানান এবং আগামী এক মাসের মধ্যে ইউসিসির কার্যনির্বাহী কমিটি গঠনের উদ্যোগ গ্রহণ করে।
এ ব্যাপারে লালমোহন উপজেলা পল্লি উন্নয়ন কর্মকর্তা রিমা আক্তার বলেন, ওই জমিতে আমাদেরকে না জানিয়ে রাস্তার কাজ শুরু হয়েছে জানতে পেরে ঘটনাস্থলে গিয়ে কাজ বন্ধ করে দিয়েছি এবং বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে।
তাছাড়া রাস্তাটি করার জন্য পৌরসভা কর্তৃপক্ষ বিআরডিবির প্রধান কার্যালয়ে অনুমোদনে জন্য চিঠি পাঠিয়েছে। প্রধান কার্যালয়ের অনুমোদন ও সেখান থেকে যে নির্দেশনা প্রদান করবে সে অনুযায়ী পরবর্তী কাজ করা হবে।
লালমোহন উপজেলা কর্মকর্তা, পৌর প্রশাসক ও ইউসিসির এডহক কমিটির দায়িত্বপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মো. শাহ আজিজ এ ব্যাপারে বলেন, কাজটি পাশ করা হয়েছে আমি লালমোহনে যোগদানের পূর্বে।
তখন বিআরডিবি ও সমিতির সাথে আলোচনা হয়েছে কিনা আমার জানানেই। কাজটি শুরু হয়েছে এখন। ঠিকাদার কাজ শুরু করার পর বিআরডিবির লোকজন বাধা দেয়ায় কাজ বন্ধ রয়েছে। বর্তমানে আমরা কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্তের জন্য চিঠি পাঠিয়েছি। যেভাবে সিদ্ধান্ত আসবে সে অনুযায়ী

৩১ জুলাই, ২০২৬ ১৭:৫০
ভোলার লালমোহন উপজেলায় এক গৃহবধূকে দেশীয় অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে ডাকাতি ও শ্লীলতাহানির ঘটনায় তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শুক্রবার সকালে তাদের আদালতে পাঠানো হয়েছে। এরআগে বৃহস্পতিবার এ ঘটনায় থানায় মামলা দায়ের করেন ভুক্তভোগী গৃহবধূ রোজিনা বেগম। তিনি লালমোহন পৌরসভার ২ নম্বর ওয়ার্ডের মো. খোকনের স্ত্রী। মামলার পরপরই অভিযান চালিয়ে অভিযুক্তদের মধ্যে তিনজনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
গ্রেপ্তাররা হলেন- উপজেলার পশ্চিম চরউমেদ ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের গজারিয়া এলাকার মো. পলাশ মৃধার ছেলে মো. শাহাদৎ হোসেন (২৪), জুয়েল স্বর্ণকারের ছেলে মো. জুবায়ের (২১) এবং একই ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের মো. মিলন পাটোয়ারির ছেলে মো. নাঈম (২৪)।
জানা গেছে, গত ২৯ জুলাই বিকেলে রোজিনা বেগম (৩৫) নামে এক গৃহবধূ চরফ্যাশন থেকে সিএনজিযোগে লালমোহনের গজারিয়া বাজার এলাকায় আসেন। সেখান থেকে পৌরসভায় অবস্থিত নিজ বাসায় ফেরার জন্য তিনি একটি অটোরিকশায় ওঠেন। অটোরিকশাটি গজারিয়া নৌকাপট্টিতে পৌঁছালে স্থানীয় মো. শাহাদাত হোসেন, মো. নাঈম এবং মো. জুবায়েরসহ আরও কয়েকজন মিলে অটোরিকশার গতিরোধ করে ভেতরে উঠে পড়েন এবং দেশীয় অস্ত্র দেখিয়ে ওই গৃহবধূকে ভয়ভীতি প্রদর্শন করেন। এরপর তারা অটোরিকশাটি ঘুরিয়ে সৈনিক বাজার সংলগ্ন একটি নির্জন স্থানে নিয়ে যান। সেখানে নিয়ে তারা চাকুর ভয় দেখিয়ে ওই গৃহবধূর কান থেকে ২৫ হাজার টাকা মূল্যের এক জোড়া স্বর্ণের কানের রিং, ৫০ হাজার টাকা মূল্যের এক জোড়া কানের দুল এবং ভেনিটি ব্যাগে থাকা নগদ ৪ হাজার টাকা ছিনিয়ে নিয়ে যান। এ সময় তারা ওই গৃহবধূকে শ্লীলতাহানিও চালান। পরে পালিয়ে যান অভিযুক্তরা।
এ বিষয়ে লালমোহন থানার ওসি মো. অলিউল ইসলাম বলেন, ভুক্তভোগী ওই গৃহবধূ মামলা দায়েরের পর উপজেলার পশ্চিম চরউমেদ ইউনিয়নের গজারিয়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে অভিযুক্তদের মধ্যে তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ সময় তাদের কাছ থেকে লুণ্ঠিত স্বর্ণালঙ্কার উদ্ধার করা হয়েছে। শুক্রবার সকালে গ্রেপ্তারকৃত তিনজনকে আদালত পাঠানো হয়েছে। এছাড়া বাকি আসামিদেরও গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।
ভোলার লালমোহন উপজেলায় এক গৃহবধূকে দেশীয় অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে ডাকাতি ও শ্লীলতাহানির ঘটনায় তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শুক্রবার সকালে তাদের আদালতে পাঠানো হয়েছে। এরআগে বৃহস্পতিবার এ ঘটনায় থানায় মামলা দায়ের করেন ভুক্তভোগী গৃহবধূ রোজিনা বেগম। তিনি লালমোহন পৌরসভার ২ নম্বর ওয়ার্ডের মো. খোকনের স্ত্রী। মামলার পরপরই অভিযান চালিয়ে অভিযুক্তদের মধ্যে তিনজনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
গ্রেপ্তাররা হলেন- উপজেলার পশ্চিম চরউমেদ ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের গজারিয়া এলাকার মো. পলাশ মৃধার ছেলে মো. শাহাদৎ হোসেন (২৪), জুয়েল স্বর্ণকারের ছেলে মো. জুবায়ের (২১) এবং একই ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের মো. মিলন পাটোয়ারির ছেলে মো. নাঈম (২৪)।
জানা গেছে, গত ২৯ জুলাই বিকেলে রোজিনা বেগম (৩৫) নামে এক গৃহবধূ চরফ্যাশন থেকে সিএনজিযোগে লালমোহনের গজারিয়া বাজার এলাকায় আসেন। সেখান থেকে পৌরসভায় অবস্থিত নিজ বাসায় ফেরার জন্য তিনি একটি অটোরিকশায় ওঠেন। অটোরিকশাটি গজারিয়া নৌকাপট্টিতে পৌঁছালে স্থানীয় মো. শাহাদাত হোসেন, মো. নাঈম এবং মো. জুবায়েরসহ আরও কয়েকজন মিলে অটোরিকশার গতিরোধ করে ভেতরে উঠে পড়েন এবং দেশীয় অস্ত্র দেখিয়ে ওই গৃহবধূকে ভয়ভীতি প্রদর্শন করেন। এরপর তারা অটোরিকশাটি ঘুরিয়ে সৈনিক বাজার সংলগ্ন একটি নির্জন স্থানে নিয়ে যান। সেখানে নিয়ে তারা চাকুর ভয় দেখিয়ে ওই গৃহবধূর কান থেকে ২৫ হাজার টাকা মূল্যের এক জোড়া স্বর্ণের কানের রিং, ৫০ হাজার টাকা মূল্যের এক জোড়া কানের দুল এবং ভেনিটি ব্যাগে থাকা নগদ ৪ হাজার টাকা ছিনিয়ে নিয়ে যান। এ সময় তারা ওই গৃহবধূকে শ্লীলতাহানিও চালান। পরে পালিয়ে যান অভিযুক্তরা।
এ বিষয়ে লালমোহন থানার ওসি মো. অলিউল ইসলাম বলেন, ভুক্তভোগী ওই গৃহবধূ মামলা দায়েরের পর উপজেলার পশ্চিম চরউমেদ ইউনিয়নের গজারিয়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে অভিযুক্তদের মধ্যে তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ সময় তাদের কাছ থেকে লুণ্ঠিত স্বর্ণালঙ্কার উদ্ধার করা হয়েছে। শুক্রবার সকালে গ্রেপ্তারকৃত তিনজনকে আদালত পাঠানো হয়েছে। এছাড়া বাকি আসামিদেরও গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

২৮ জুলাই, ২০২৬ ১৬:৪৩
ভোলায় একটি ভাড়া বাসা থেকে পুলিশ সদস্যের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার হয়েছে। মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) দুপুরের দিকে ভোলা পৌর এলাকার অফিসার পাড়ার একটি বাসা থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।
নিহত পুলিশ সদস্যের নাম মো. শাহাবুদ্দিন ফকির (৪৫)। তিনি ভোলা কোর্ট পুলিশে কনস্টেবল হিসেবে কর্মরত ছিলেন। শাহাবুদ্দিন বরিশাল জেলার গৌরনদী থানা দক্ষিণ বিজয়পুর গ্রামের আদম আলী ফকিরের ছেলে।
ভোলা কোর্ট ইন্সপেক্টর মো. নাছির উদ্দিন সাংবাদিকদের বলেন, কনস্টেবল শাহাবুদ্দিন অফিসার পাড়ায় একটি ভাড়া বাসায় পরিবারের নিয়ে থাকতেন। তবে কয়েক দিন আগে তার স্ত্রী গ্রামের বাড়িতে যান। মঙ্গলবার সকালে কোর্টে ডিউটি ছিলো শাহাবুদ্দিনের। সে ডিউটিতে যোগদান না করায় তাকে একাধিকবার ফোন দেওয়া হয়। কিন্তু ফোন না ধরায় তার বাসায় গিয়ে বাড়ির মালিকসহ ডাকাডাকি করি। তখনও কোনো সাড়াশব্দ না পেয়ে ঘরের দরজা ভেঙে তার ঝুলন্ত মরদেহ দেখতে পাই। পরে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ভোলা ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, এর আগে গত ৪ মে শাহাবুদ্দিনের একমাত্র সন্তান চৌত্রি ওই বাড়িতে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেন। এরপর থেকে শাহাবুদ্দিন মানসিকভাবে ভেঙে পরেন।’
ভোলায় একটি ভাড়া বাসা থেকে পুলিশ সদস্যের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার হয়েছে। মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) দুপুরের দিকে ভোলা পৌর এলাকার অফিসার পাড়ার একটি বাসা থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।
নিহত পুলিশ সদস্যের নাম মো. শাহাবুদ্দিন ফকির (৪৫)। তিনি ভোলা কোর্ট পুলিশে কনস্টেবল হিসেবে কর্মরত ছিলেন। শাহাবুদ্দিন বরিশাল জেলার গৌরনদী থানা দক্ষিণ বিজয়পুর গ্রামের আদম আলী ফকিরের ছেলে।
ভোলা কোর্ট ইন্সপেক্টর মো. নাছির উদ্দিন সাংবাদিকদের বলেন, কনস্টেবল শাহাবুদ্দিন অফিসার পাড়ায় একটি ভাড়া বাসায় পরিবারের নিয়ে থাকতেন। তবে কয়েক দিন আগে তার স্ত্রী গ্রামের বাড়িতে যান। মঙ্গলবার সকালে কোর্টে ডিউটি ছিলো শাহাবুদ্দিনের। সে ডিউটিতে যোগদান না করায় তাকে একাধিকবার ফোন দেওয়া হয়। কিন্তু ফোন না ধরায় তার বাসায় গিয়ে বাড়ির মালিকসহ ডাকাডাকি করি। তখনও কোনো সাড়াশব্দ না পেয়ে ঘরের দরজা ভেঙে তার ঝুলন্ত মরদেহ দেখতে পাই। পরে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ভোলা ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, এর আগে গত ৪ মে শাহাবুদ্দিনের একমাত্র সন্তান চৌত্রি ওই বাড়িতে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেন। এরপর থেকে শাহাবুদ্দিন মানসিকভাবে ভেঙে পরেন।’

২৫ জুলাই, ২০২৬ ১৯:২৮
ভোলার লালমোহন উপজেলায় যাত্রীবাহী বাস চাপায় মোসা. মাইশা আক্তার (৬) নামে এক শিশু নিহত হয়েছে। শনিবার বিকেলে উপজেলার পশ্চিম চরউমেদ ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের ভোলা-চরফ্যাশন আঞ্চলিক মহাসড়কের সৈনিক বাজার এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত শিশু মাইশা ওই এলাকার মো. বিল্লাল হোসেনের মেয়ে।
জানা গেছে, শনিবার বিকেলে লালমোহন উপজেলার সৈনিক বাজার এলাকায় সড়ক পার হচ্ছিল শিশু মাইশা আক্তার। এ সময় ভোলা থেকে ছেড়ে আসা চরফ্যাশনগামী দ্রুতগতির একটি যাত্রীবাহী বাস তাকে চাপা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই মারা যায় শিশু মাইশা। ঘটনা বুঝতে পেরে বাস নিয়ে চলে যান চালক। খবর পেয়ে ওই শিশুর স্বজন ও স্থানীয়রা ঘটনাস্থলে ছুটে যান। তারা সড়কের ওপর গাছ ফেলে সব ধরনের যানবাহন চলাচল বন্ধ করে দেন।
এ বিষয়ে লালমোহন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. অলিউল ইসলাম বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশের একটি টিম পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।’
ভোলার লালমোহন উপজেলায় যাত্রীবাহী বাস চাপায় মোসা. মাইশা আক্তার (৬) নামে এক শিশু নিহত হয়েছে। শনিবার বিকেলে উপজেলার পশ্চিম চরউমেদ ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের ভোলা-চরফ্যাশন আঞ্চলিক মহাসড়কের সৈনিক বাজার এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত শিশু মাইশা ওই এলাকার মো. বিল্লাল হোসেনের মেয়ে।
জানা গেছে, শনিবার বিকেলে লালমোহন উপজেলার সৈনিক বাজার এলাকায় সড়ক পার হচ্ছিল শিশু মাইশা আক্তার। এ সময় ভোলা থেকে ছেড়ে আসা চরফ্যাশনগামী দ্রুতগতির একটি যাত্রীবাহী বাস তাকে চাপা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই মারা যায় শিশু মাইশা। ঘটনা বুঝতে পেরে বাস নিয়ে চলে যান চালক। খবর পেয়ে ওই শিশুর স্বজন ও স্থানীয়রা ঘটনাস্থলে ছুটে যান। তারা সড়কের ওপর গাছ ফেলে সব ধরনের যানবাহন চলাচল বন্ধ করে দেন।
এ বিষয়ে লালমোহন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. অলিউল ইসলাম বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশের একটি টিম পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।’

১৮ অক্টোবর, ২০২৫ ১৫:২২
ভোলার লালমোহনে বাংলাদেশ পল্লি উন্নয়ন বোর্ড (বিআরডিবি) এর আওতাভুক্ত কৃষক সমবায় সমিতির সদস্যদের শেয়ার ও সঞ্চয় আমানতের অর্থায়নে ক্রয়কৃত জমিতে লালমোহন পৌরসভা কর্তৃপক্ষ বিনা অনুমতিতে নিজেদের মতো প্লান করে সড়ক নির্মাণ করার অভিযোগ পাওয়া গেছে।
এ ব্যাপারে লালমোহন প্রেসক্লাবের সাংবাদিকদের কাছে লিখিত ভাবে দৈনিক পত্রিকায় প্রকাশের অনুরোধ করেছেন বিআরডিবির সাবেক ৩ চেয়ারম্যান শফিকুল হক, মো. আ: হক ও মো. জহিরুল ইসলাম মাসুদ।
লিখিত অভিযোগ থেকে জানা যায়, লালমোহন পৌরসভার ওয়েস্টার্ন পাড়া ৮ নং ওয়ার্ডে বিআরডিবির ইউসিসি লিমিটেড ভুক্ত সমবায়ী কৃষকগণ ২ একর ৪০ শতাংশ জমি ক্রয় করে।
উক্ত জমিতে লালমোহন পৌরসভা কর্তৃপক্ষ ২০২৩-২৪ অর্থবছরে ভূমির মালিক কর্তৃপক্ষের পূর্ব অনুমতি ও আলোচনা ব্যতিত রাস্তা নির্মাণের দরপত্র আহবান পূর্বক কাজ আরম্ভ করে। যাহা সম্পূর্ণ আইন বহির্ভূত।
কাজ শুরু করলে উপজেলা পল্লি উন্নয়ন কর্মকর্তা বাধা প্রদান করে কাজ বন্ধ করার ব্যবস্থা করেন। এরপর পৌর প্রশাসক বাংলাদেশ পল্লি উন্নয়ন বোর্ডের মহাপরিচালক বরাবর ওই জমিতে রাস্তা করার অনুমতির জন্য পত্র প্রেরণ করেন।
বর্তমান লালমোহন উপজেলা কর্মকর্তা মো. শাহ আজিজ পৌর প্রশাসক ও ইউসিসির এডহক কমিটির চেয়ারম্যানের দায়িত্বে রয়েছেন। গত ৮ বছর ইউসিসির নির্বাচন ব্যতিরেখে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইউসিসিকে অকার্যকর রেখে নিজেই চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করছে। তিনি দায়িত্ব পাওয়ার পর সমবায় সমিতির প্রতিনিধিদের সাধারণ সভা না ডেকে এবং প্রতিনিধিদের সম্মতি ছাড়া এখতিয়ার বহির্ভূত সমিতির জমি অন্য সংস্থাকে ব্যবহারের অনুমতি দিয়েছেন।
সমবায় সমিতির সদস্য ও সাবেক চেয়ারম্যানদের দাবি বিআরডিবির মহাপরিচালক দ্রুত কৃষকদের স্বার্থে রাস্তার কাজ বন্ধ রাখার নির্দেশ প্রদান করে। জমির মালিক কর্তৃপক্ষের অনুমতি ব্যতিত কিভাবে টেন্ডার আহবান ও কাজ বাস্তবায়ন করা হচ্ছে তা তদন্ত করার জন্য স্থানীয় সরকার ও জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় কর্তৃপক্ষের অনুরোধ জানান এবং আগামী এক মাসের মধ্যে ইউসিসির কার্যনির্বাহী কমিটি গঠনের উদ্যোগ গ্রহণ করে।
এ ব্যাপারে লালমোহন উপজেলা পল্লি উন্নয়ন কর্মকর্তা রিমা আক্তার বলেন, ওই জমিতে আমাদেরকে না জানিয়ে রাস্তার কাজ শুরু হয়েছে জানতে পেরে ঘটনাস্থলে গিয়ে কাজ বন্ধ করে দিয়েছি এবং বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে।
তাছাড়া রাস্তাটি করার জন্য পৌরসভা কর্তৃপক্ষ বিআরডিবির প্রধান কার্যালয়ে অনুমোদনে জন্য চিঠি পাঠিয়েছে। প্রধান কার্যালয়ের অনুমোদন ও সেখান থেকে যে নির্দেশনা প্রদান করবে সে অনুযায়ী পরবর্তী কাজ করা হবে।
লালমোহন উপজেলা কর্মকর্তা, পৌর প্রশাসক ও ইউসিসির এডহক কমিটির দায়িত্বপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মো. শাহ আজিজ এ ব্যাপারে বলেন, কাজটি পাশ করা হয়েছে আমি লালমোহনে যোগদানের পূর্বে।
তখন বিআরডিবি ও সমিতির সাথে আলোচনা হয়েছে কিনা আমার জানানেই। কাজটি শুরু হয়েছে এখন। ঠিকাদার কাজ শুরু করার পর বিআরডিবির লোকজন বাধা দেয়ায় কাজ বন্ধ রয়েছে। বর্তমানে আমরা কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্তের জন্য চিঠি পাঠিয়েছি। যেভাবে সিদ্ধান্ত আসবে সে অনুযায়ী
০১ আগস্ট, ২০২৬ ১৮:৪২
০১ আগস্ট, ২০২৬ ১৮:৪০
০১ আগস্ট, ২০২৬ ১৮:৩৪
০১ আগস্ট, ২০২৬ ১৮:০১