
১৮ অক্টোবর, ২০২৫ ১৫:২২
ভোলার লালমোহনে বাংলাদেশ পল্লি উন্নয়ন বোর্ড (বিআরডিবি) এর আওতাভুক্ত কৃষক সমবায় সমিতির সদস্যদের শেয়ার ও সঞ্চয় আমানতের অর্থায়নে ক্রয়কৃত জমিতে লালমোহন পৌরসভা কর্তৃপক্ষ বিনা অনুমতিতে নিজেদের মতো প্লান করে সড়ক নির্মাণ করার অভিযোগ পাওয়া গেছে।
এ ব্যাপারে লালমোহন প্রেসক্লাবের সাংবাদিকদের কাছে লিখিত ভাবে দৈনিক পত্রিকায় প্রকাশের অনুরোধ করেছেন বিআরডিবির সাবেক ৩ চেয়ারম্যান শফিকুল হক, মো. আ: হক ও মো. জহিরুল ইসলাম মাসুদ।
লিখিত অভিযোগ থেকে জানা যায়, লালমোহন পৌরসভার ওয়েস্টার্ন পাড়া ৮ নং ওয়ার্ডে বিআরডিবির ইউসিসি লিমিটেড ভুক্ত সমবায়ী কৃষকগণ ২ একর ৪০ শতাংশ জমি ক্রয় করে।
উক্ত জমিতে লালমোহন পৌরসভা কর্তৃপক্ষ ২০২৩-২৪ অর্থবছরে ভূমির মালিক কর্তৃপক্ষের পূর্ব অনুমতি ও আলোচনা ব্যতিত রাস্তা নির্মাণের দরপত্র আহবান পূর্বক কাজ আরম্ভ করে। যাহা সম্পূর্ণ আইন বহির্ভূত।
কাজ শুরু করলে উপজেলা পল্লি উন্নয়ন কর্মকর্তা বাধা প্রদান করে কাজ বন্ধ করার ব্যবস্থা করেন। এরপর পৌর প্রশাসক বাংলাদেশ পল্লি উন্নয়ন বোর্ডের মহাপরিচালক বরাবর ওই জমিতে রাস্তা করার অনুমতির জন্য পত্র প্রেরণ করেন।
বর্তমান লালমোহন উপজেলা কর্মকর্তা মো. শাহ আজিজ পৌর প্রশাসক ও ইউসিসির এডহক কমিটির চেয়ারম্যানের দায়িত্বে রয়েছেন। গত ৮ বছর ইউসিসির নির্বাচন ব্যতিরেখে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইউসিসিকে অকার্যকর রেখে নিজেই চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করছে। তিনি দায়িত্ব পাওয়ার পর সমবায় সমিতির প্রতিনিধিদের সাধারণ সভা না ডেকে এবং প্রতিনিধিদের সম্মতি ছাড়া এখতিয়ার বহির্ভূত সমিতির জমি অন্য সংস্থাকে ব্যবহারের অনুমতি দিয়েছেন।
সমবায় সমিতির সদস্য ও সাবেক চেয়ারম্যানদের দাবি বিআরডিবির মহাপরিচালক দ্রুত কৃষকদের স্বার্থে রাস্তার কাজ বন্ধ রাখার নির্দেশ প্রদান করে। জমির মালিক কর্তৃপক্ষের অনুমতি ব্যতিত কিভাবে টেন্ডার আহবান ও কাজ বাস্তবায়ন করা হচ্ছে তা তদন্ত করার জন্য স্থানীয় সরকার ও জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় কর্তৃপক্ষের অনুরোধ জানান এবং আগামী এক মাসের মধ্যে ইউসিসির কার্যনির্বাহী কমিটি গঠনের উদ্যোগ গ্রহণ করে।
এ ব্যাপারে লালমোহন উপজেলা পল্লি উন্নয়ন কর্মকর্তা রিমা আক্তার বলেন, ওই জমিতে আমাদেরকে না জানিয়ে রাস্তার কাজ শুরু হয়েছে জানতে পেরে ঘটনাস্থলে গিয়ে কাজ বন্ধ করে দিয়েছি এবং বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে।
তাছাড়া রাস্তাটি করার জন্য পৌরসভা কর্তৃপক্ষ বিআরডিবির প্রধান কার্যালয়ে অনুমোদনে জন্য চিঠি পাঠিয়েছে। প্রধান কার্যালয়ের অনুমোদন ও সেখান থেকে যে নির্দেশনা প্রদান করবে সে অনুযায়ী পরবর্তী কাজ করা হবে।
লালমোহন উপজেলা কর্মকর্তা, পৌর প্রশাসক ও ইউসিসির এডহক কমিটির দায়িত্বপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মো. শাহ আজিজ এ ব্যাপারে বলেন, কাজটি পাশ করা হয়েছে আমি লালমোহনে যোগদানের পূর্বে।
তখন বিআরডিবি ও সমিতির সাথে আলোচনা হয়েছে কিনা আমার জানানেই। কাজটি শুরু হয়েছে এখন। ঠিকাদার কাজ শুরু করার পর বিআরডিবির লোকজন বাধা দেয়ায় কাজ বন্ধ রয়েছে। বর্তমানে আমরা কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্তের জন্য চিঠি পাঠিয়েছি। যেভাবে সিদ্ধান্ত আসবে সে অনুযায়ী
ভোলার লালমোহনে বাংলাদেশ পল্লি উন্নয়ন বোর্ড (বিআরডিবি) এর আওতাভুক্ত কৃষক সমবায় সমিতির সদস্যদের শেয়ার ও সঞ্চয় আমানতের অর্থায়নে ক্রয়কৃত জমিতে লালমোহন পৌরসভা কর্তৃপক্ষ বিনা অনুমতিতে নিজেদের মতো প্লান করে সড়ক নির্মাণ করার অভিযোগ পাওয়া গেছে।
এ ব্যাপারে লালমোহন প্রেসক্লাবের সাংবাদিকদের কাছে লিখিত ভাবে দৈনিক পত্রিকায় প্রকাশের অনুরোধ করেছেন বিআরডিবির সাবেক ৩ চেয়ারম্যান শফিকুল হক, মো. আ: হক ও মো. জহিরুল ইসলাম মাসুদ।
লিখিত অভিযোগ থেকে জানা যায়, লালমোহন পৌরসভার ওয়েস্টার্ন পাড়া ৮ নং ওয়ার্ডে বিআরডিবির ইউসিসি লিমিটেড ভুক্ত সমবায়ী কৃষকগণ ২ একর ৪০ শতাংশ জমি ক্রয় করে।
উক্ত জমিতে লালমোহন পৌরসভা কর্তৃপক্ষ ২০২৩-২৪ অর্থবছরে ভূমির মালিক কর্তৃপক্ষের পূর্ব অনুমতি ও আলোচনা ব্যতিত রাস্তা নির্মাণের দরপত্র আহবান পূর্বক কাজ আরম্ভ করে। যাহা সম্পূর্ণ আইন বহির্ভূত।
কাজ শুরু করলে উপজেলা পল্লি উন্নয়ন কর্মকর্তা বাধা প্রদান করে কাজ বন্ধ করার ব্যবস্থা করেন। এরপর পৌর প্রশাসক বাংলাদেশ পল্লি উন্নয়ন বোর্ডের মহাপরিচালক বরাবর ওই জমিতে রাস্তা করার অনুমতির জন্য পত্র প্রেরণ করেন।
বর্তমান লালমোহন উপজেলা কর্মকর্তা মো. শাহ আজিজ পৌর প্রশাসক ও ইউসিসির এডহক কমিটির চেয়ারম্যানের দায়িত্বে রয়েছেন। গত ৮ বছর ইউসিসির নির্বাচন ব্যতিরেখে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইউসিসিকে অকার্যকর রেখে নিজেই চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করছে। তিনি দায়িত্ব পাওয়ার পর সমবায় সমিতির প্রতিনিধিদের সাধারণ সভা না ডেকে এবং প্রতিনিধিদের সম্মতি ছাড়া এখতিয়ার বহির্ভূত সমিতির জমি অন্য সংস্থাকে ব্যবহারের অনুমতি দিয়েছেন।
সমবায় সমিতির সদস্য ও সাবেক চেয়ারম্যানদের দাবি বিআরডিবির মহাপরিচালক দ্রুত কৃষকদের স্বার্থে রাস্তার কাজ বন্ধ রাখার নির্দেশ প্রদান করে। জমির মালিক কর্তৃপক্ষের অনুমতি ব্যতিত কিভাবে টেন্ডার আহবান ও কাজ বাস্তবায়ন করা হচ্ছে তা তদন্ত করার জন্য স্থানীয় সরকার ও জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় কর্তৃপক্ষের অনুরোধ জানান এবং আগামী এক মাসের মধ্যে ইউসিসির কার্যনির্বাহী কমিটি গঠনের উদ্যোগ গ্রহণ করে।
এ ব্যাপারে লালমোহন উপজেলা পল্লি উন্নয়ন কর্মকর্তা রিমা আক্তার বলেন, ওই জমিতে আমাদেরকে না জানিয়ে রাস্তার কাজ শুরু হয়েছে জানতে পেরে ঘটনাস্থলে গিয়ে কাজ বন্ধ করে দিয়েছি এবং বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে।
তাছাড়া রাস্তাটি করার জন্য পৌরসভা কর্তৃপক্ষ বিআরডিবির প্রধান কার্যালয়ে অনুমোদনে জন্য চিঠি পাঠিয়েছে। প্রধান কার্যালয়ের অনুমোদন ও সেখান থেকে যে নির্দেশনা প্রদান করবে সে অনুযায়ী পরবর্তী কাজ করা হবে।
লালমোহন উপজেলা কর্মকর্তা, পৌর প্রশাসক ও ইউসিসির এডহক কমিটির দায়িত্বপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মো. শাহ আজিজ এ ব্যাপারে বলেন, কাজটি পাশ করা হয়েছে আমি লালমোহনে যোগদানের পূর্বে।
তখন বিআরডিবি ও সমিতির সাথে আলোচনা হয়েছে কিনা আমার জানানেই। কাজটি শুরু হয়েছে এখন। ঠিকাদার কাজ শুরু করার পর বিআরডিবির লোকজন বাধা দেয়ায় কাজ বন্ধ রয়েছে। বর্তমানে আমরা কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্তের জন্য চিঠি পাঠিয়েছি। যেভাবে সিদ্ধান্ত আসবে সে অনুযায়ী

১২ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:৫৬
ভোলায় অবৈধভাবে বাংলাদেশে প্রবেশের অভিযোগে এক ভারতীয় নাগরিককে আটক করেছে বাংলাদেশ কোস্টগার্ড।
কোস্টগার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট মো. আবুল কাশেম জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শনিবার (১১ এপ্রিল) বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে কোস্টগার্ড বেইস ভোলার একটি দল অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানকালে ভোলা সদর থানা এলাকার খেয়াঘাট ব্রিজ সংলগ্ন স্থান থেকে ওই ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, গ্রেপ্তার ব্যক্তি গত ৭ এপ্রিল দিনাজপুর জেলার বিরামপুর সীমান্ত দিয়ে মাদক পাচারকারী একটি চক্রের সহযোগিতায় আত্মগোপনের উদ্দেশ্যে অবৈধভাবে বাংলাদেশে প্রবেশ করেন।
আটক হলেন- আব্দুল মমিন (৩২)। তিনি ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যের সোনামুড়া জেলার যাত্রাপুর থানার বাঁশপুকুর গ্রামের বাসিন্দা। তার পিতার নাম বসার আলী।
পরবর্তীতে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য তাকে ভোলা সদর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
লেফটেন্যান্ট মো. আবুল কাশেম আরও জানান, দেশের সীমান্ত নিরাপত্তা জোরদার এবং অবৈধ অনুপ্রবেশ রোধে বাংলাদেশ কোস্টগার্ড ভবিষ্যতেও এ ধরনের অভিযান অব্যাহত রাখবে।
বরিশাল টাইমস
ভোলায় অবৈধভাবে বাংলাদেশে প্রবেশের অভিযোগে এক ভারতীয় নাগরিককে আটক করেছে বাংলাদেশ কোস্টগার্ড।
কোস্টগার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট মো. আবুল কাশেম জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শনিবার (১১ এপ্রিল) বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে কোস্টগার্ড বেইস ভোলার একটি দল অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানকালে ভোলা সদর থানা এলাকার খেয়াঘাট ব্রিজ সংলগ্ন স্থান থেকে ওই ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, গ্রেপ্তার ব্যক্তি গত ৭ এপ্রিল দিনাজপুর জেলার বিরামপুর সীমান্ত দিয়ে মাদক পাচারকারী একটি চক্রের সহযোগিতায় আত্মগোপনের উদ্দেশ্যে অবৈধভাবে বাংলাদেশে প্রবেশ করেন।
আটক হলেন- আব্দুল মমিন (৩২)। তিনি ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যের সোনামুড়া জেলার যাত্রাপুর থানার বাঁশপুকুর গ্রামের বাসিন্দা। তার পিতার নাম বসার আলী।
পরবর্তীতে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য তাকে ভোলা সদর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
লেফটেন্যান্ট মো. আবুল কাশেম আরও জানান, দেশের সীমান্ত নিরাপত্তা জোরদার এবং অবৈধ অনুপ্রবেশ রোধে বাংলাদেশ কোস্টগার্ড ভবিষ্যতেও এ ধরনের অভিযান অব্যাহত রাখবে।
বরিশাল টাইমস

১১ এপ্রিল, ২০২৬ ২০:০৭
ভোলার লালমোহন উপজেলার খাদ্য নিয়ন্ত্রক অবনী মোহন দাসের বিরুদ্ধে সমঝোতার মাধ্যমে সরকারি খাদ্য গুদাম থেকে চাল ও গমের ডেলিভারি অর্ডার (ডিও) বিতরণের গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের সমর্থনে টাকার লেনদেনসংক্রান্ত একাধিক গোপন ভিডিও ফুটেজও এই প্রতিনিধির হাতে পৌঁছেছে।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার (পিআইও) কার্যালয় থেকে চাল বা গম বরাদ্দের ছাড়পত্র নিয়ে সংশ্লিষ্ট ডিলার বা কাবিখা-কাবিটা প্রকল্পের বরাদ্দপ্রাপ্তরা খাদ্য নিয়ন্ত্রকের কাছে ডিও নিতে গেলে তাদের কাছ থেকে প্রতি টনে সর্বনিম্ন ৫শ থেকে সর্বোচ্চ একহাজার টাকা পর্যন্ত দাবি করা হয়। নির্ধারিত এই সমঝোতার টাকা পরিশোধের পরই দ্রুত ডিও ইস্যু করা হয় এবং বরাদ্দকৃত চাল-গম উত্তোলনের অনুমতি দেওয়া হয়।
গোপন ভিডিও ফুটেজ পর্যালোচনায় দেখা গেছে, ৯ টন চালের ডিও প্রদানের জন্য ৪ হাজার ৫শ টাকা গ্রহণ করা হচ্ছে। টাকা গ্রহণের পরপরই দ্রুততার সঙ্গে ডিও লেটার প্রস্তুত ও ইস্যু করা হয়। ফুটেজে এ সংক্রান্ত কথোপকথনের কিছু অংশও ধরা পড়েছে।
আরও অভিযোগ রয়েছে, সমঝোতার টাকা পেলে নিয়ম বহির্ভূতভাবে একাধিক কিস্তির ডিও একবারেই প্রস্তুত করে দেওয়া হয়, যা সরকারি বিধিমালার পরিপন্থী বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।
এ বিষয়ে খাদ্য নিয়ন্ত্রক অবনী মোহন দাসের কাছে অভিযোগ ও গোপন ভিডিও প্রসঙ্গে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ওরা খুশি হয়ে যা দেয়, তা আমি রাখি। আমি কাউকে জোর করি না।
তবে পরবর্তীতে কথোপকথনের একপর্যায়ে সমঝোতার বিষয়টি তিনি স্বীকার করেন।এ ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে এবং বিষয়টি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নজরে এনে তদন্তের দাবি উঠেছে।
ভোলার লালমোহন উপজেলার খাদ্য নিয়ন্ত্রক অবনী মোহন দাসের বিরুদ্ধে সমঝোতার মাধ্যমে সরকারি খাদ্য গুদাম থেকে চাল ও গমের ডেলিভারি অর্ডার (ডিও) বিতরণের গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের সমর্থনে টাকার লেনদেনসংক্রান্ত একাধিক গোপন ভিডিও ফুটেজও এই প্রতিনিধির হাতে পৌঁছেছে।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার (পিআইও) কার্যালয় থেকে চাল বা গম বরাদ্দের ছাড়পত্র নিয়ে সংশ্লিষ্ট ডিলার বা কাবিখা-কাবিটা প্রকল্পের বরাদ্দপ্রাপ্তরা খাদ্য নিয়ন্ত্রকের কাছে ডিও নিতে গেলে তাদের কাছ থেকে প্রতি টনে সর্বনিম্ন ৫শ থেকে সর্বোচ্চ একহাজার টাকা পর্যন্ত দাবি করা হয়। নির্ধারিত এই সমঝোতার টাকা পরিশোধের পরই দ্রুত ডিও ইস্যু করা হয় এবং বরাদ্দকৃত চাল-গম উত্তোলনের অনুমতি দেওয়া হয়।
গোপন ভিডিও ফুটেজ পর্যালোচনায় দেখা গেছে, ৯ টন চালের ডিও প্রদানের জন্য ৪ হাজার ৫শ টাকা গ্রহণ করা হচ্ছে। টাকা গ্রহণের পরপরই দ্রুততার সঙ্গে ডিও লেটার প্রস্তুত ও ইস্যু করা হয়। ফুটেজে এ সংক্রান্ত কথোপকথনের কিছু অংশও ধরা পড়েছে।
আরও অভিযোগ রয়েছে, সমঝোতার টাকা পেলে নিয়ম বহির্ভূতভাবে একাধিক কিস্তির ডিও একবারেই প্রস্তুত করে দেওয়া হয়, যা সরকারি বিধিমালার পরিপন্থী বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।
এ বিষয়ে খাদ্য নিয়ন্ত্রক অবনী মোহন দাসের কাছে অভিযোগ ও গোপন ভিডিও প্রসঙ্গে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ওরা খুশি হয়ে যা দেয়, তা আমি রাখি। আমি কাউকে জোর করি না।
তবে পরবর্তীতে কথোপকথনের একপর্যায়ে সমঝোতার বিষয়টি তিনি স্বীকার করেন।এ ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে এবং বিষয়টি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নজরে এনে তদন্তের দাবি উঠেছে।

১১ এপ্রিল, ২০২৬ ১৬:৪৮
দীর্ঘ ১৫ বছর পর ভোলা প্রেস ক্লাবের কার্যনির্বাহী কমিটির দ্বি-বার্ষিক নির্বাচন উৎসবমুখর পরিবেশে সম্পন্ন হয়েছে। এতে সভাপতি পদে অ্যাডভোকেট নজরুল হক অনু এবং সাধারণ সম্পাদক পদে নাসির উদ্দিন লিটন নির্বাচিত হয়েছেন।
শনিবার (১১ এপ্রিল) দুপুরে ভোট গণনা শেষে আনুষ্ঠানিকভাবে ফলাফল ঘোষণা করেন নির্বাচন পরিচালনা উপ-কমিটির চেয়ারম্যান প্রফেসর জামাল হোসেন। এর আগে সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত ভোলা প্রেস ক্লাব মিলনায়তনে শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। ৪৬ সদস্যের মধ্যে ৪৫ জন এতে ভোট দেন।
ঘোষিত ফলাফল অনুযায়ী, সভাপতি পদে নজরুল হক অনু ২০ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন। সহ-সভাপতি পদে মো. সুলাইমান ১৯ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। সাধারণ সম্পাদক পদে নাসির উদ্দিন লিটন ২১ ভোট পেয়ে জয় লাভ করেন।
এ ছাড়া অন্যান্য পদে নির্বাচিতরা হলেন—যুগ্ম সম্পাদক পদে কামরুল ইসলাম, কোষাধ্যক্ষ পদে নুরে আলম ফয়জুল্লাহ। দপ্তর সম্পাদক পদে ছোটন সাহা ও নির্বাহী সদস্য পদে মোতাছিন বিল্লাহ বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন। তবে প্রার্থী না থাকায় ক্রীড়া সম্পাদক, পাঠাগার সম্পাদক, সাংস্কৃতিক সম্পাদক এবং নির্বাহী সদস্যের একটি পদ এখনো শূন্য রয়েছে।
জানা গেছে, প্রেস ক্লাবের মোট ৪৬ জন সদস্যের মধ্যে সাতটি পদের বিপরীতে ১৮ জন প্রার্থী নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। এর মধ্যে সভাপতি পদে ৩ জন, সহ-সভাপতি পদে ৩ জন এবং সাধারণ সম্পাদক পদে ৬ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন।
নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গেছে, স্বচ্ছ ও গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় নির্বাচন সম্পন্ন হয়েছে। নবনির্বাচিত কমিটি আগামী দুই বছর ভোলা প্রেস ক্লাবের দায়িত্ব পালন করবে।
দীর্ঘ ১৫ বছর পর ভোলা প্রেস ক্লাবের কার্যনির্বাহী কমিটির দ্বি-বার্ষিক নির্বাচন উৎসবমুখর পরিবেশে সম্পন্ন হয়েছে। এতে সভাপতি পদে অ্যাডভোকেট নজরুল হক অনু এবং সাধারণ সম্পাদক পদে নাসির উদ্দিন লিটন নির্বাচিত হয়েছেন।
শনিবার (১১ এপ্রিল) দুপুরে ভোট গণনা শেষে আনুষ্ঠানিকভাবে ফলাফল ঘোষণা করেন নির্বাচন পরিচালনা উপ-কমিটির চেয়ারম্যান প্রফেসর জামাল হোসেন। এর আগে সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত ভোলা প্রেস ক্লাব মিলনায়তনে শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। ৪৬ সদস্যের মধ্যে ৪৫ জন এতে ভোট দেন।
ঘোষিত ফলাফল অনুযায়ী, সভাপতি পদে নজরুল হক অনু ২০ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন। সহ-সভাপতি পদে মো. সুলাইমান ১৯ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। সাধারণ সম্পাদক পদে নাসির উদ্দিন লিটন ২১ ভোট পেয়ে জয় লাভ করেন।
এ ছাড়া অন্যান্য পদে নির্বাচিতরা হলেন—যুগ্ম সম্পাদক পদে কামরুল ইসলাম, কোষাধ্যক্ষ পদে নুরে আলম ফয়জুল্লাহ। দপ্তর সম্পাদক পদে ছোটন সাহা ও নির্বাহী সদস্য পদে মোতাছিন বিল্লাহ বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন। তবে প্রার্থী না থাকায় ক্রীড়া সম্পাদক, পাঠাগার সম্পাদক, সাংস্কৃতিক সম্পাদক এবং নির্বাহী সদস্যের একটি পদ এখনো শূন্য রয়েছে।
জানা গেছে, প্রেস ক্লাবের মোট ৪৬ জন সদস্যের মধ্যে সাতটি পদের বিপরীতে ১৮ জন প্রার্থী নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। এর মধ্যে সভাপতি পদে ৩ জন, সহ-সভাপতি পদে ৩ জন এবং সাধারণ সম্পাদক পদে ৬ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন।
নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গেছে, স্বচ্ছ ও গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় নির্বাচন সম্পন্ন হয়েছে। নবনির্বাচিত কমিটি আগামী দুই বছর ভোলা প্রেস ক্লাবের দায়িত্ব পালন করবে।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.