
০৯ ডিসেম্বর, ২০২৫ ১২:৫১
কারাবন্দিদের জন্য ভিডিও কলের মাধ্যমে স্বজনদের সঙ্গে কথা বলার ব্যবস্থার উদ্যোগ নিয়েছে কারা কর্তৃপক্ষ। বর্তমানে ফিঙ্গারপ্রিন্টের মাধ্যমে নির্দিষ্ট ফোন নম্বরে সাত দিন পর পর একবার কথা বলার সুযোগ পান কারাবন্দিরা। তারা ১০ টাকার বিনিময়ে ১০ মিনিট কথা বলার সুযোগ পান। এবার একই পদ্ধতিতে ভিডিও কলেও কথা বলার সুযোগ পেতে যাচ্ছেন তারা।
সব ঠিক থাকলে দ্রুতই দেশের সব কারাগারে আইপি ফোন স্থাপন করা হবে। এটি বাস্তবায়িত হলে বন্দির স্বজনদের সাক্ষাতের ভোগান্তি কমবে বলে আশা করছে কারা কর্তৃপক্ষ।
কারা অধিদপ্তর সূত্র জানায়, সারা দেশে বিভিন্ন কারাগারে থাকা বন্দিদের দেখতে যান স্বজনরা। অনেক সময় বন্দির স্ত্রী একা আসেন।
কখনো কখনো সন্তানদের নিয়ে আসেন। এ ছাড়া বাবা-মা, ভাই-বোনরাও আসেন। এতে খরচ অনেক সময় অপচয় হয়। কারা কর্তৃপক্ষের হিসাবে দেখা গেছে, প্রতিবার সাক্ষাতে জনপ্রতি বন্দির স্বজনদের গড়ে প্রায় ৩ হাজার টাকা খরচ হয়।
এই টাকা জোগাড় করা সব স্বজনের পক্ষে সম্ভব হয় না। বেশির ভাগই ধারদেনা করে সাক্ষাতে আসেন। এই দুর্ভোগ কাটাতে ভিডিও কলে কথা বলার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এতে বন্দিরা নিজ নিজ পিসি থেকে ১৫ টাকা খরচে পরিবারের সঙ্গে সপ্তাহে ১০ মিনিট ভিডিও কলে কথা বলার সুযোগ পাবেন।
কয়েকটি কারাগারের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, একসময় ভাবা হতো কারাগারে টেলিফোন স্থাপন করা সম্ভব নয়।
এর পেছনে বিভিন্ন সীমাবদ্ধতার কথা সামনে আনা হতো। কিন্তু ঠিকই ফোন স্থাপন সম্ভব হয়েছে এবং সফটওয়্যারের মাধ্যমে সব কিছু নিয়ন্ত্রণ করা যাচ্ছে। সুতরাং আইপি ফোন স্থাপন করে বন্দিদের যোগাযোগব্যবস্থা আধুনিক করা তেমন কোনো কঠিন কাজ নয়। কারাগারে বন্দিদের সব স্বজন আসতে পারেন না। ভিডিও কলে কারাবন্দিরা সবাইকে দেখতে পারবে। এতে বন্দিদের বিষণ্ণতা কিছুটা হলেও কমবে।
কারা অধিদপ্তরের সহকারী কারা মহাপরিদর্শক (উন্নয়ন) মো. জান্নাত-উল ফরহাদ বলেন, ‘কারাগারকে আধুনিকায়নের ধারাবাহিকতায় বন্দিদের ভিডিও কলে কথা বলার বিষয়েও অধিদপ্তর উদ্যোগ নিয়েছে। বিশেষ করে ফিঙ্গার প্রিন্টের মাধ্যমে বন্দিদের কথা বলার কার্যক্রম সফল হওয়ায় আইপি ফোনের মাধ্যমে ভিডিও কলের বিষয়টি গুরুত্ব পায়।’
কারাবন্দিদের জন্য ভিডিও কলের মাধ্যমে স্বজনদের সঙ্গে কথা বলার ব্যবস্থার উদ্যোগ নিয়েছে কারা কর্তৃপক্ষ। বর্তমানে ফিঙ্গারপ্রিন্টের মাধ্যমে নির্দিষ্ট ফোন নম্বরে সাত দিন পর পর একবার কথা বলার সুযোগ পান কারাবন্দিরা। তারা ১০ টাকার বিনিময়ে ১০ মিনিট কথা বলার সুযোগ পান। এবার একই পদ্ধতিতে ভিডিও কলেও কথা বলার সুযোগ পেতে যাচ্ছেন তারা।
সব ঠিক থাকলে দ্রুতই দেশের সব কারাগারে আইপি ফোন স্থাপন করা হবে। এটি বাস্তবায়িত হলে বন্দির স্বজনদের সাক্ষাতের ভোগান্তি কমবে বলে আশা করছে কারা কর্তৃপক্ষ।
কারা অধিদপ্তর সূত্র জানায়, সারা দেশে বিভিন্ন কারাগারে থাকা বন্দিদের দেখতে যান স্বজনরা। অনেক সময় বন্দির স্ত্রী একা আসেন।
কখনো কখনো সন্তানদের নিয়ে আসেন। এ ছাড়া বাবা-মা, ভাই-বোনরাও আসেন। এতে খরচ অনেক সময় অপচয় হয়। কারা কর্তৃপক্ষের হিসাবে দেখা গেছে, প্রতিবার সাক্ষাতে জনপ্রতি বন্দির স্বজনদের গড়ে প্রায় ৩ হাজার টাকা খরচ হয়।
এই টাকা জোগাড় করা সব স্বজনের পক্ষে সম্ভব হয় না। বেশির ভাগই ধারদেনা করে সাক্ষাতে আসেন। এই দুর্ভোগ কাটাতে ভিডিও কলে কথা বলার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এতে বন্দিরা নিজ নিজ পিসি থেকে ১৫ টাকা খরচে পরিবারের সঙ্গে সপ্তাহে ১০ মিনিট ভিডিও কলে কথা বলার সুযোগ পাবেন।
কয়েকটি কারাগারের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, একসময় ভাবা হতো কারাগারে টেলিফোন স্থাপন করা সম্ভব নয়।
এর পেছনে বিভিন্ন সীমাবদ্ধতার কথা সামনে আনা হতো। কিন্তু ঠিকই ফোন স্থাপন সম্ভব হয়েছে এবং সফটওয়্যারের মাধ্যমে সব কিছু নিয়ন্ত্রণ করা যাচ্ছে। সুতরাং আইপি ফোন স্থাপন করে বন্দিদের যোগাযোগব্যবস্থা আধুনিক করা তেমন কোনো কঠিন কাজ নয়। কারাগারে বন্দিদের সব স্বজন আসতে পারেন না। ভিডিও কলে কারাবন্দিরা সবাইকে দেখতে পারবে। এতে বন্দিদের বিষণ্ণতা কিছুটা হলেও কমবে।
কারা অধিদপ্তরের সহকারী কারা মহাপরিদর্শক (উন্নয়ন) মো. জান্নাত-উল ফরহাদ বলেন, ‘কারাগারকে আধুনিকায়নের ধারাবাহিকতায় বন্দিদের ভিডিও কলে কথা বলার বিষয়েও অধিদপ্তর উদ্যোগ নিয়েছে। বিশেষ করে ফিঙ্গার প্রিন্টের মাধ্যমে বন্দিদের কথা বলার কার্যক্রম সফল হওয়ায় আইপি ফোনের মাধ্যমে ভিডিও কলের বিষয়টি গুরুত্ব পায়।’
১৫ মার্চ, ২০২৬ ১৭:৩৫
১৫ মার্চ, ২০২৬ ১৭:০৮
১৫ মার্চ, ২০২৬ ১৩:৩৮
১৫ মার্চ, ২০২৬ ১৩:১৩

১৫ মার্চ, ২০২৬ ১৩:১৩
জুলাই সনদ আমরা অক্ষরে অক্ষরে পালন করব। তবে সেটা আইন-কানুন, বিধি-বিধান ও সংবিধানের মধ্য দিয়ে। রোববার দুপর সোয়া ১২টার দিকে জুলাই সনদ নিয়ে বিরোধী দলের নেতা জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমানের বক্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ সংসদে এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, সংবিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি জাতীয় সংসদের অধিবেশন আহ্বান করেছেন, এখানে ‘সংস্কার পরিষদ’ নামে কোনো কিছুর অস্তিত্ব নেই। জুলাই জাতীয় সনদ অনুযায়ী সংবিধান সংস্কার পরিষদ বাস্তবায়ন করতে হলে আগে সংবিধানে সংশোধনী আনতে হবে।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, রাষ্ট্রপতি জাতীয় সংসদের অধিবেশন আহ্বান করেছেন, কোনো ‘সংস্কার পরিষদের’ অধিবেশন আহ্বান করেননি। আমরা এখন সাংবিধানিকভাবে জাতীয় সংসদের অধিবেশনে অংশ নিচ্ছি।
তিনি আরও বলেন, জুলাই জাতীয় সনদের আওতায় যে পরিষদের কথা বলা হচ্ছে, তার সাংবিধানিক বৈধতা নিয়ে ইতোমধ্যে আদালতে চ্যালেঞ্জ হয়েছে এবং এ বিষয়ে রুল জারি রয়েছে। বিষয়টি এখন বিচার বিভাগের বিবেচনায়।
সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, সংবিধান অনুযায়ী বর্তমানে এমন কোনো পরিষদের অস্তিত্ব নেই। যদি গণভোটের রায়ের ভিত্তিতে এ ধরনের পরিষদ গঠন করতে হয়, তাহলে আগে সংবিধানে সংশোধনী আনতে হবে।
সংসদে আলোচনা শেষে সংবিধান সংশোধন হলে তবেই সেটি সংবিধানে অন্তর্ভুক্ত হবে এবং পরে প্রয়োজন হলে পরিষদ গঠন ও শপথ গ্রহণের বিষয়টি আসতে পারে।
জুলাই সনদ আমরা অক্ষরে অক্ষরে পালন করব। তবে সেটা আইন-কানুন, বিধি-বিধান ও সংবিধানের মধ্য দিয়ে। রোববার দুপর সোয়া ১২টার দিকে জুলাই সনদ নিয়ে বিরোধী দলের নেতা জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমানের বক্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ সংসদে এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, সংবিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি জাতীয় সংসদের অধিবেশন আহ্বান করেছেন, এখানে ‘সংস্কার পরিষদ’ নামে কোনো কিছুর অস্তিত্ব নেই। জুলাই জাতীয় সনদ অনুযায়ী সংবিধান সংস্কার পরিষদ বাস্তবায়ন করতে হলে আগে সংবিধানে সংশোধনী আনতে হবে।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, রাষ্ট্রপতি জাতীয় সংসদের অধিবেশন আহ্বান করেছেন, কোনো ‘সংস্কার পরিষদের’ অধিবেশন আহ্বান করেননি। আমরা এখন সাংবিধানিকভাবে জাতীয় সংসদের অধিবেশনে অংশ নিচ্ছি।
তিনি আরও বলেন, জুলাই জাতীয় সনদের আওতায় যে পরিষদের কথা বলা হচ্ছে, তার সাংবিধানিক বৈধতা নিয়ে ইতোমধ্যে আদালতে চ্যালেঞ্জ হয়েছে এবং এ বিষয়ে রুল জারি রয়েছে। বিষয়টি এখন বিচার বিভাগের বিবেচনায়।
সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, সংবিধান অনুযায়ী বর্তমানে এমন কোনো পরিষদের অস্তিত্ব নেই। যদি গণভোটের রায়ের ভিত্তিতে এ ধরনের পরিষদ গঠন করতে হয়, তাহলে আগে সংবিধানে সংশোধনী আনতে হবে।
সংসদে আলোচনা শেষে সংবিধান সংশোধন হলে তবেই সেটি সংবিধানে অন্তর্ভুক্ত হবে এবং পরে প্রয়োজন হলে পরিষদ গঠন ও শপথ গ্রহণের বিষয়টি আসতে পারে।

১৫ মার্চ, ২০২৬ ১২:১১
প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা ও বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস উন্নত চিকিৎসার জন্য এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে সিঙ্গাপুরের উদ্দেশে রওনা হয়েছেন।
রোববার (১৫ মার্চ) তাকে বহনকারী এয়ার অ্যাম্বুলেন্স সকাল ৯টা১০ মিনিটে ঢাকায় এসে পৌঁছেছে। সকাল ১১টায় তাকে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতাল থেকে এয়ারপোর্টের উদ্দেশ্যে নিয়ে যাওয়া হয়।Maps
মির্জা আব্বাসকে বহনকারী এয়ার এম্বুলেন্সটি সিঙ্গাপুরের উদ্দেশ্যে ১১টা ২০ মিনিট নাগাদ উড্ডয়ন করেছে। মির্জা আব্বাসের ভাগ্নে ও ঢাকা মহানগর পূর্ব ছাত্রদলের সিনিয়র সহ-সভাপতি আব্দুল্লাহ জামাল চৌধুরী আদিত্য বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
মির্জা আব্বাসকে বহনকারী এয়ার এ্যাম্বুলেন্স এসময় তিনি পরিবারের পক্ষ থেকে দেশবাসীর কাছে দোয়ার আবেদন করেছেন। মির্জা আব্বাসের সঙ্গে এয়ার এম্বুলেন্সে তার স্ত্রী জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের সভানেত্রী আফরোজা আব্বাস ও বড় ছেলে মির্জা ইয়াসির আব্বাস রয়েছেন।
উল্লেখ্য, গত বৃহস্পতিবার ইফতারের পর মাগরিবের নামাজ পড়ার সময় হঠাৎ জ্ঞান হারান মির্জা আব্বাস। পরে অবস্থার অবনতি হলে রাতেই তাকে এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সিটি স্ক্যান রিপোর্টে জটিলতা ধরা পড়লে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের নিয়ে ভার্চুয়াল মেডিক্যাল বোর্ড বসে এবং অস্ত্রোপচারের সিদ্ধান্ত নেয়।
গত শুক্রবার তার মস্তিষ্কে অস্ত্রোপচার করা হয়। অস্ত্রোপচারের পর তাকে নিবিড় পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে। শনিবার সকালে করা মস্তিষ্কের সিটি স্ক্যানের রিপোর্ট ভালো এসেছে বলে জানিয়েছেন বিএনপির স্বাস্থ্যবিষয়ক সম্পাদক ডা. রফিকুল ইসলাম।
প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা ও বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস উন্নত চিকিৎসার জন্য এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে সিঙ্গাপুরের উদ্দেশে রওনা হয়েছেন।
রোববার (১৫ মার্চ) তাকে বহনকারী এয়ার অ্যাম্বুলেন্স সকাল ৯টা১০ মিনিটে ঢাকায় এসে পৌঁছেছে। সকাল ১১টায় তাকে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতাল থেকে এয়ারপোর্টের উদ্দেশ্যে নিয়ে যাওয়া হয়।Maps
মির্জা আব্বাসকে বহনকারী এয়ার এম্বুলেন্সটি সিঙ্গাপুরের উদ্দেশ্যে ১১টা ২০ মিনিট নাগাদ উড্ডয়ন করেছে। মির্জা আব্বাসের ভাগ্নে ও ঢাকা মহানগর পূর্ব ছাত্রদলের সিনিয়র সহ-সভাপতি আব্দুল্লাহ জামাল চৌধুরী আদিত্য বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
মির্জা আব্বাসকে বহনকারী এয়ার এ্যাম্বুলেন্স এসময় তিনি পরিবারের পক্ষ থেকে দেশবাসীর কাছে দোয়ার আবেদন করেছেন। মির্জা আব্বাসের সঙ্গে এয়ার এম্বুলেন্সে তার স্ত্রী জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের সভানেত্রী আফরোজা আব্বাস ও বড় ছেলে মির্জা ইয়াসির আব্বাস রয়েছেন।
উল্লেখ্য, গত বৃহস্পতিবার ইফতারের পর মাগরিবের নামাজ পড়ার সময় হঠাৎ জ্ঞান হারান মির্জা আব্বাস। পরে অবস্থার অবনতি হলে রাতেই তাকে এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সিটি স্ক্যান রিপোর্টে জটিলতা ধরা পড়লে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের নিয়ে ভার্চুয়াল মেডিক্যাল বোর্ড বসে এবং অস্ত্রোপচারের সিদ্ধান্ত নেয়।
গত শুক্রবার তার মস্তিষ্কে অস্ত্রোপচার করা হয়। অস্ত্রোপচারের পর তাকে নিবিড় পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে। শনিবার সকালে করা মস্তিষ্কের সিটি স্ক্যানের রিপোর্ট ভালো এসেছে বলে জানিয়েছেন বিএনপির স্বাস্থ্যবিষয়ক সম্পাদক ডা. রফিকুল ইসলাম।

১৪ মার্চ, ২০২৬ ২০:২৭
মধ্যপ্রাচ্যে সৃষ্ট নিরাপত্তা পরিস্থিতিতে ইরান, ইরাক, কুয়েত, সংযুক্ত আরব আমিরাত, বাহরাইন, কাতার ও জর্ডান তাদের আকাশসীমা বন্ধ করে দিয়েছে।
এর প্রভাবে গত কয়েকদিনে ঢাকার হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে ৪৭৭টি ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে। এর মধ্যে আজ (শনিবার, ১৪ মার্চ) শাহজালাল বিমানবন্দর থেকে বাতিল হয়েছে ২৬টি ফ্লাইট।
বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) জনসংযোগ দপ্তরের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। আজ কুয়েত এয়ারলাইন্সের ২টি, জাজিরার (কুয়েত) ৪টি, এয়ার অ্যারাবিয়ার (শারজাহ, ইউএইউ) ২টি, গালফ এয়ারের (বাহরাইন) ৪টি, কাতার এয়ারওয়েজের (কাতার) ৪টি, ফ্লাইদুবাই ৪টি, ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের ২টি ও এমিরেটস এয়ারলাইনসের (সংযুক্ত আরব আমিরাত) ৪টি ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে।
এর আগে, ২৮ ফেব্রুয়ারি ২৩টি, ১ মার্চ ৪০টি, ২ মার্চ ৪৬টি, ৩ মার্চ ৩৯টি, ৪ মার্চ ২৮টি, ৫ মার্চ ৩৬টি, ৬ মার্চ ৩৪টি, ৭ মার্চ ২৮টি, ৮ মার্চ ২৮টি, ৯ মার্চ ৩৩টি, ১০ মার্চ ৩২টি ১১ মার্চ ২৭টি, ১২মার্চ ২৮টি ও ১৩মার্চ ২৫টি ফ্লাইট বাতিল করা হয়।
মধ্যপ্রাচ্যে সৃষ্ট নিরাপত্তা পরিস্থিতিতে ইরান, ইরাক, কুয়েত, সংযুক্ত আরব আমিরাত, বাহরাইন, কাতার ও জর্ডান তাদের আকাশসীমা বন্ধ করে দিয়েছে।
এর প্রভাবে গত কয়েকদিনে ঢাকার হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে ৪৭৭টি ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে। এর মধ্যে আজ (শনিবার, ১৪ মার্চ) শাহজালাল বিমানবন্দর থেকে বাতিল হয়েছে ২৬টি ফ্লাইট।
বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) জনসংযোগ দপ্তরের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। আজ কুয়েত এয়ারলাইন্সের ২টি, জাজিরার (কুয়েত) ৪টি, এয়ার অ্যারাবিয়ার (শারজাহ, ইউএইউ) ২টি, গালফ এয়ারের (বাহরাইন) ৪টি, কাতার এয়ারওয়েজের (কাতার) ৪টি, ফ্লাইদুবাই ৪টি, ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের ২টি ও এমিরেটস এয়ারলাইনসের (সংযুক্ত আরব আমিরাত) ৪টি ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে।
এর আগে, ২৮ ফেব্রুয়ারি ২৩টি, ১ মার্চ ৪০টি, ২ মার্চ ৪৬টি, ৩ মার্চ ৩৯টি, ৪ মার্চ ২৮টি, ৫ মার্চ ৩৬টি, ৬ মার্চ ৩৪টি, ৭ মার্চ ২৮টি, ৮ মার্চ ২৮টি, ৯ মার্চ ৩৩টি, ১০ মার্চ ৩২টি ১১ মার্চ ২৭টি, ১২মার্চ ২৮টি ও ১৩মার্চ ২৫টি ফ্লাইট বাতিল করা হয়।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.