
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.

২৭ আগস্ট, ২০২৫ ১৩:৪৮
বরিশাল শহরে ফেয়ার হেলথ ক্লিনিকে ভুল চিকিৎসায় হাফসা আক্তার রুপা (২৫) নামে এক রোগীর মৃত্যুর অভিযোগ উঠেছে। এ নিয়ে স্থানীয়দের মাঝে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। দবে ক্লিনিক কর্তৃপক্ষের দাবি, রোগী ও তাদের স্বজনদের খামখেয়ালির কারণে মৃত্যু হয়েছে।
জানা গেছে, পেটে ব্যথা নিয়ে গত ১৫ মে নগরীর কালি বাড়ি রোডের ফেয়ার হেলথ ক্লিনিকে ডাক্তার দেখাতে যান পার্শ্ববর্তী নতুন বাজার গুপ্ত কর্নার এলাকার নাসিমা বেগমের মেয়ে রুপা। সেখানে ১ হাজার টাকা ভিজিট দিয়ে গাইনি ডাক্তার হাসিনা মর্তুজাকে দেখায় তার পরিবার।
পরে চিকিৎসক হাসিনা মর্তুজা রোগীর পেটে ওভারিয়ান টিউমার হয়েছে বলে অপারেশন করার কথা জানায়। তার কথা অনুযায়ী ২৫ হাজার টাকা জমা দিয়ে একই মাসের ২২ মে অপারেশন করায় রুপার পরিবার। এর ৪-৫ দিন পর রুপাকে বাসায় নিয়ে যান পরিবারের সদস্যরা। কিন্তু বাসায় নেওয়ার পর থেকে কোনো কিছুই খেতে পারতেন না রুপা। বিষয়টি চিকিৎসক হাসিনা মর্তুজাকে জানালে তিনি ক্লিনিকে নিয়ে যেতে বলে।
এর পর পর্যায়ক্রমে দুই এক দিন পর রুপাকে ক্লিনিকে নিয়ে চিকিৎসা দেয়া হাসিনা মর্তুজা। এর প্রতিবারই এক হাজার টাকা করে ১৮ বারে ১৮ হাজার টাকা ভিজিট নেওয়ার পাশাপাশি বিভিন্ন ধরনের হাজার হাজার টাকার টেস্ট করায় বলে জাগো নিউজের কাছে অভিযোগ করেন রুপার মা নাসিমা বেগম। প্রতিটি টেস্টই তাদের ওখানেই করাতে বাধ্য করা হয় বলেও অভিযোগ করেন তিনি।
নাসিমা বেগম অভিযোগ করে বলেন, এভাবে বেশ কিছুদিন চিকিৎসা শেষে চিকিৎসক হাসিনা মর্তুজা গত জুলাই মাসে রুপাকে পেটের নারীতে পেচ পড়েছে জানিয়ে ওই ক্লিনিকের মালিক সার্জারি চিকিৎসক জহিরুল হক মানিকের কাছে রেফার করেন। তখন মানিক রুপাকে আবার ক্লিনিকে ভর্তি করে অপারেশন করার কথা জানান।
সার্জারি চিকিৎসক মানিক রুপার মা-বাবার কাছে অপারেশনের জন্য নতুন করে ৬৫ হাজার টাকা ও আগের অপারেশনে কোনো ত্রুটি থাকলে তা নিরাময়ের জন্য আরও ১০ হাজার টাকাসহ ক্লিনিকের খরচ ব্যাবদ মোট এক লাখ টাকা দাবি করেন। এছাড়াও তার মালিকানাধীন অ্যাপোলো হাসপাতালে চিকিৎসা করালে ৪৫ হাজার টাকা লাগবে বলেও জানান।
রুপার মা আরও জানান, এর আগে চিকিৎসা ব্যাবদ ধার দেনা করে ৭৫ হাজার টাকা খরচ করেছেন তারা। পরে চিকিৎসার জন্য অন্য হাসপাতালে যেতে চাইলেও তারা যেতে দেয়নি। অথচ দীর্ঘদিনেও ফেয়ার হেলথ ক্লিনিক কর্তৃপক্ষ কোনো রোগ নির্ণয় করতে পারেনি।
সবশেষ চলতি মাসের ১০ তারিখ রাতে রুপা পেট ফুলে অসুস্থ হয়ে পড়ে। এসময় তাকে ফেয়ার হেলথ ক্লিনিকে নিয়ে গেলে ক্লিনিক কর্তৃপক্ষ তাদের ওখানে ঢুকতে না দিয়ে শেরেবাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠিয়ে দেয়। সেসময় হাসপাতালে যাওয়ার পথে রাত ১০ টায় রুপা মারা যায়।
চোখের সামনে মেয়ের মৃত্যুর পর থেকে বাকরুদ্ধ হয়ে পড়েন মা-বাবাসহ পরিবারের সদস্যরা। তারা ফেয়ার হেলথ ক্লিনিক কর্তৃপক্ষের ভুল চিকিৎসার কারণে মেয়েকে হারিয়েছেন বলে জানান। তারা ভুল চিকিৎসার জন্য দায়ীদের শাস্তি দাবি করছেন।
এ বিষয়ে ফেয়ার হেলথ ক্লিনিকের গাইনি চিকিৎসক হাসিনা মর্তুজা বলেন, দুই মাসে আগে অপারেশন হয়েছে। পরে তাকে সার্জারি চিকিৎসক জহিরুল হক মানিকের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। তার সঙ্গে যোগাযোগ করুন।
ফেয়ার হেলথ ক্লিনিকের মালিক সার্জারি চিকিৎসক জহিরুল হক মানিক বলেন, তারা নিজেদের দোষ অন্যের ঘাড়ে চাপিয়ে দিচ্ছে। তাদের গরীব দেখে অনেক কম খরচে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। অতিরিক্ত কোনো টাকা চাওয়া হয়নি। হাসিনা মর্তুজা কোনো ভুল চিকিৎসা দিয়েছেন কিনা জানতে চাইলে তিনি বিষয়টি এড়িয়ে যান ও ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলবেন বলে জানান।
এদিকে চিকিৎসক হাসিনা মর্তুজা ফেয়ার হেলথ ক্লিনিকের মালিক জহিরুল হক মানিকের শ্যালিকা বলে জানা গেছে। এছাড়াও ওই ক্লিনিকের বিভিন্ন বিভাগে তার আত্মীয় স্বজনদের দিয়ে কাজ করান বলে জানা গেছে।
বরিশাল শহরে ফেয়ার হেলথ ক্লিনিকে ভুল চিকিৎসায় হাফসা আক্তার রুপা (২৫) নামে এক রোগীর মৃত্যুর অভিযোগ উঠেছে। এ নিয়ে স্থানীয়দের মাঝে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। দবে ক্লিনিক কর্তৃপক্ষের দাবি, রোগী ও তাদের স্বজনদের খামখেয়ালির কারণে মৃত্যু হয়েছে।
জানা গেছে, পেটে ব্যথা নিয়ে গত ১৫ মে নগরীর কালি বাড়ি রোডের ফেয়ার হেলথ ক্লিনিকে ডাক্তার দেখাতে যান পার্শ্ববর্তী নতুন বাজার গুপ্ত কর্নার এলাকার নাসিমা বেগমের মেয়ে রুপা। সেখানে ১ হাজার টাকা ভিজিট দিয়ে গাইনি ডাক্তার হাসিনা মর্তুজাকে দেখায় তার পরিবার।
পরে চিকিৎসক হাসিনা মর্তুজা রোগীর পেটে ওভারিয়ান টিউমার হয়েছে বলে অপারেশন করার কথা জানায়। তার কথা অনুযায়ী ২৫ হাজার টাকা জমা দিয়ে একই মাসের ২২ মে অপারেশন করায় রুপার পরিবার। এর ৪-৫ দিন পর রুপাকে বাসায় নিয়ে যান পরিবারের সদস্যরা। কিন্তু বাসায় নেওয়ার পর থেকে কোনো কিছুই খেতে পারতেন না রুপা। বিষয়টি চিকিৎসক হাসিনা মর্তুজাকে জানালে তিনি ক্লিনিকে নিয়ে যেতে বলে।
এর পর পর্যায়ক্রমে দুই এক দিন পর রুপাকে ক্লিনিকে নিয়ে চিকিৎসা দেয়া হাসিনা মর্তুজা। এর প্রতিবারই এক হাজার টাকা করে ১৮ বারে ১৮ হাজার টাকা ভিজিট নেওয়ার পাশাপাশি বিভিন্ন ধরনের হাজার হাজার টাকার টেস্ট করায় বলে জাগো নিউজের কাছে অভিযোগ করেন রুপার মা নাসিমা বেগম। প্রতিটি টেস্টই তাদের ওখানেই করাতে বাধ্য করা হয় বলেও অভিযোগ করেন তিনি।
নাসিমা বেগম অভিযোগ করে বলেন, এভাবে বেশ কিছুদিন চিকিৎসা শেষে চিকিৎসক হাসিনা মর্তুজা গত জুলাই মাসে রুপাকে পেটের নারীতে পেচ পড়েছে জানিয়ে ওই ক্লিনিকের মালিক সার্জারি চিকিৎসক জহিরুল হক মানিকের কাছে রেফার করেন। তখন মানিক রুপাকে আবার ক্লিনিকে ভর্তি করে অপারেশন করার কথা জানান।
সার্জারি চিকিৎসক মানিক রুপার মা-বাবার কাছে অপারেশনের জন্য নতুন করে ৬৫ হাজার টাকা ও আগের অপারেশনে কোনো ত্রুটি থাকলে তা নিরাময়ের জন্য আরও ১০ হাজার টাকাসহ ক্লিনিকের খরচ ব্যাবদ মোট এক লাখ টাকা দাবি করেন। এছাড়াও তার মালিকানাধীন অ্যাপোলো হাসপাতালে চিকিৎসা করালে ৪৫ হাজার টাকা লাগবে বলেও জানান।
রুপার মা আরও জানান, এর আগে চিকিৎসা ব্যাবদ ধার দেনা করে ৭৫ হাজার টাকা খরচ করেছেন তারা। পরে চিকিৎসার জন্য অন্য হাসপাতালে যেতে চাইলেও তারা যেতে দেয়নি। অথচ দীর্ঘদিনেও ফেয়ার হেলথ ক্লিনিক কর্তৃপক্ষ কোনো রোগ নির্ণয় করতে পারেনি।
সবশেষ চলতি মাসের ১০ তারিখ রাতে রুপা পেট ফুলে অসুস্থ হয়ে পড়ে। এসময় তাকে ফেয়ার হেলথ ক্লিনিকে নিয়ে গেলে ক্লিনিক কর্তৃপক্ষ তাদের ওখানে ঢুকতে না দিয়ে শেরেবাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠিয়ে দেয়। সেসময় হাসপাতালে যাওয়ার পথে রাত ১০ টায় রুপা মারা যায়।
চোখের সামনে মেয়ের মৃত্যুর পর থেকে বাকরুদ্ধ হয়ে পড়েন মা-বাবাসহ পরিবারের সদস্যরা। তারা ফেয়ার হেলথ ক্লিনিক কর্তৃপক্ষের ভুল চিকিৎসার কারণে মেয়েকে হারিয়েছেন বলে জানান। তারা ভুল চিকিৎসার জন্য দায়ীদের শাস্তি দাবি করছেন।
এ বিষয়ে ফেয়ার হেলথ ক্লিনিকের গাইনি চিকিৎসক হাসিনা মর্তুজা বলেন, দুই মাসে আগে অপারেশন হয়েছে। পরে তাকে সার্জারি চিকিৎসক জহিরুল হক মানিকের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। তার সঙ্গে যোগাযোগ করুন।
ফেয়ার হেলথ ক্লিনিকের মালিক সার্জারি চিকিৎসক জহিরুল হক মানিক বলেন, তারা নিজেদের দোষ অন্যের ঘাড়ে চাপিয়ে দিচ্ছে। তাদের গরীব দেখে অনেক কম খরচে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। অতিরিক্ত কোনো টাকা চাওয়া হয়নি। হাসিনা মর্তুজা কোনো ভুল চিকিৎসা দিয়েছেন কিনা জানতে চাইলে তিনি বিষয়টি এড়িয়ে যান ও ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলবেন বলে জানান।
এদিকে চিকিৎসক হাসিনা মর্তুজা ফেয়ার হেলথ ক্লিনিকের মালিক জহিরুল হক মানিকের শ্যালিকা বলে জানা গেছে। এছাড়াও ওই ক্লিনিকের বিভিন্ন বিভাগে তার আত্মীয় স্বজনদের দিয়ে কাজ করান বলে জানা গেছে।

২৯ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৫:১৬
শেরপুরের শ্রীবরদী উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি ও ফতেহপুর ফাজিল মাদরাসার আরবির প্রভাষক মাওলানা রেজাউল করিমের মৃত্যুতে শোক প্রকাশ ও শোকাহত পরিবারের প্রতি সহমর্মিতা জ্ঞাপন করেছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীম (চরমোনাই পীর)।
তিনি বলেছেন, শেরপুরের ঝিনাইগাতীতে চেয়ারে বসার মতো তুচ্ছ বিষয়কে কেন্দ্র করে যে ধরনের সহিংসতার ঘটনা ঘটেছে এবং বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর একজন নেতাকে যে নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়েছে তা উদ্বেগজনক। জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পরে পরিবর্তিত রাজনৈতিক সংস্কৃতিতে এই ধরণের নৃশংসতা জাতিকে হতাশ করেছে।
এই ধরনের পরিস্থিতি এড়ানোর জন্য রাজনৈতিক দল ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে আরও দায়িত্বশীল ও সতর্ক আচরণ করতে হবে। বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) সকালে এক বিবৃতিতে তিনি এসব কথা বলেন।
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির বলেন, এই ঘটনার পুঙ্খানুপুঙ্খ তদন্ত হতে হবে। সহিংসতা তৈরি ও সহিংসতার সঙ্গে যারা দায়ী তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হবে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর দায়িত্ব পালনে কোনো অবহেলা বা শিথিলতা থাকলে তাও তদন্ত করতে হবে এবং কার্যকর ব্যবস্থা নিতে হবে।

২৯ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৩:৪৭
নির্বাচন পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের জ্যেষ্ঠ নায়েবে আমির মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ ফয়জুল করীম। তিনি বলেন, ‘নির্বাচনের পরিবেশ দিন দিন খারাপের দিকে যাচ্ছে। এর মধ্যে শেরপুরে একজন নিহত হয়েছেন। ভোলায় আমাদের নারী কর্মীদের প্রচারে হামলার ঘটনা ঘটেছে। বরিশালেও ভয়ভীতি দেখানো শুরু হয়েছে।’
আজ বৃহস্পতিবার সকালে বরিশাল সদর উপজেলার কর্ণকাঠি এলাকায় নির্বাচনী প্রচারণার সময় সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এ কথাগুলো বলেন মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ ফয়জুল করীম। তিনি সবার প্রতি নির্বাচনী পরিবেশ সুন্দর রাখার পাশাপাশি প্রশাসনের প্রতি পক্ষপাতদুষ্ট আচরণ থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানান।
ইসলামপন্থীরা ক্ষমতায় এলে নারীরা আরও বেশি অধিকার ও মর্যাদা পাবেন বলে মন্তব্য করেছেন মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ ফয়জুল করীম। তিনি বলেন, ইসলামের চেয়ে অন্য কোনো ধর্ম নারীদের এত বেশি সম্মান দেয়নি। এ কারণে হাতপাখা প্রতীকের পক্ষে ৮০ শতাংশ ভোট নারীদের কাছ থেকে আসবে। ভবিষ্যতে ভোটের এই হার আরও বাড়বে।
বরিশাল-৫ ও বরিশাল-৬ আসনে হাতপাখা বিজয়ী হবে জানিয়ে ফয়জুল করীম বলেন, মাঠের পরিস্থিতি অনুকূলে না থাকায় ও দিন দিন খারাপ হওয়ায় বিএনপির নেতা-কর্মীদের মেজাজ ঠিক নেই।
বরিশাল-৫ আসনে বিএনপি প্রার্থী মজিবর রহমানের উদ্দেশে ফয়জুল করীম বলেন, ‘আপনি কাজ (গণসংযোগ) বাড়ালে আমারও কাজ বাড়বে। চলুন, সবাই একসঙ্গে জনগণের কাছে যাই। জনগণ যাকে পছন্দ করবে, তিনিই জয়ী হবেন।’
এক কর্মীকে আওয়ামী লীগ তকমা দিয়ে গ্রেপ্তার হয়েছে জানিয়ে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের এই নেতা বলেন, ‘এটা স্পষ্ট করে বলছি, আমার কর্মীদের এভাবে হয়রানি করা হলে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়াব। এ জন্য প্রশাসনকে নিরপেক্ষভাবে কাজ করার আহ্বান জানাই।’

২৯ জানুয়ারি, ২০২৬ ১২:৪৩
শেরপুরের শ্রীবরদী উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি ও ফতেহপুর ফাজিল মাদরাসার আরবির প্রভাষক মাওলানা রেজাউল করিমের মৃত্যুতে শোক প্রকাশ ও শোকাহত পরিবারের প্রতি সহমর্মিতা জ্ঞাপন করেছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীম (চরমোনাই পীর)।
তিনি বলেছেন, শেরপুরের ঝিনাইগাতীতে চেয়ারে বসার মতো তুচ্ছ বিষয়কে কেন্দ্র করে যে ধরনের সহিংসতার ঘটনা ঘটেছে এবং বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর একজন নেতাকে যে নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়েছে তা উদ্বেগজনক। জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পরে পরিবর্তিত রাজনৈতিক সংস্কৃতিতে এই ধরণের নৃশংসতা জাতিকে হতাশ করেছে।
এই ধরনের পরিস্থিতি এড়ানোর জন্য রাজনৈতিক দল ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে আরও দায়িত্বশীল ও সতর্ক আচরণ করতে হবে। বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) সকালে এক বিবৃতিতে তিনি এসব কথা বলেন।
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির বলেন, এই ঘটনার পুঙ্খানুপুঙ্খ তদন্ত হতে হবে। সহিংসতা তৈরি ও সহিংসতার সঙ্গে যারা দায়ী তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হবে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর দায়িত্ব পালনে কোনো অবহেলা বা শিথিলতা থাকলে তাও তদন্ত করতে হবে এবং কার্যকর ব্যবস্থা নিতে হবে।
নির্বাচন পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের জ্যেষ্ঠ নায়েবে আমির মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ ফয়জুল করীম। তিনি বলেন, ‘নির্বাচনের পরিবেশ দিন দিন খারাপের দিকে যাচ্ছে। এর মধ্যে শেরপুরে একজন নিহত হয়েছেন। ভোলায় আমাদের নারী কর্মীদের প্রচারে হামলার ঘটনা ঘটেছে। বরিশালেও ভয়ভীতি দেখানো শুরু হয়েছে।’
আজ বৃহস্পতিবার সকালে বরিশাল সদর উপজেলার কর্ণকাঠি এলাকায় নির্বাচনী প্রচারণার সময় সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এ কথাগুলো বলেন মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ ফয়জুল করীম। তিনি সবার প্রতি নির্বাচনী পরিবেশ সুন্দর রাখার পাশাপাশি প্রশাসনের প্রতি পক্ষপাতদুষ্ট আচরণ থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানান।
ইসলামপন্থীরা ক্ষমতায় এলে নারীরা আরও বেশি অধিকার ও মর্যাদা পাবেন বলে মন্তব্য করেছেন মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ ফয়জুল করীম। তিনি বলেন, ইসলামের চেয়ে অন্য কোনো ধর্ম নারীদের এত বেশি সম্মান দেয়নি। এ কারণে হাতপাখা প্রতীকের পক্ষে ৮০ শতাংশ ভোট নারীদের কাছ থেকে আসবে। ভবিষ্যতে ভোটের এই হার আরও বাড়বে।
বরিশাল-৫ ও বরিশাল-৬ আসনে হাতপাখা বিজয়ী হবে জানিয়ে ফয়জুল করীম বলেন, মাঠের পরিস্থিতি অনুকূলে না থাকায় ও দিন দিন খারাপ হওয়ায় বিএনপির নেতা-কর্মীদের মেজাজ ঠিক নেই।
বরিশাল-৫ আসনে বিএনপি প্রার্থী মজিবর রহমানের উদ্দেশে ফয়জুল করীম বলেন, ‘আপনি কাজ (গণসংযোগ) বাড়ালে আমারও কাজ বাড়বে। চলুন, সবাই একসঙ্গে জনগণের কাছে যাই। জনগণ যাকে পছন্দ করবে, তিনিই জয়ী হবেন।’
এক কর্মীকে আওয়ামী লীগ তকমা দিয়ে গ্রেপ্তার হয়েছে জানিয়ে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের এই নেতা বলেন, ‘এটা স্পষ্ট করে বলছি, আমার কর্মীদের এভাবে হয়রানি করা হলে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়াব। এ জন্য প্রশাসনকে নিরপেক্ষভাবে কাজ করার আহ্বান জানাই।’
পাঠদান বন্ধ রেখে বরিশাল-৫ (সদর ও নগর) আসনে বিএনপির প্রার্থী মজিবর রহমান সরোয়ারের সঙ্গে ইবতেদায়ি মাদ্রাসার শিক্ষকেরা মতবিনিময় করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।
আজ বুধবার (২৮ জানুয়ারি) বেলা ১টার দিকে সদর উপজেলা ইবতেদায়ি মাদ্রাসা শিক্ষক সমিতির উদ্যোগে নগরের ১ নম্বর ওয়ার্ডের সাধুর বটতলা এলাকায় সরোয়ারের বাসভবনে এই মতবিনিময় সভা হয়।
সভায় ধানের শীষের প্রার্থী মজিবর রহমান সরোয়ার ইবতেদায়ি শিক্ষাব্যবস্থা ও শিক্ষকদের জন্য উন্নয়নমূলক কাজ করার আশ্বাস দেন বলেও অভিযোগ উঠেছে।
সভায় অংশ নেওয়া একাধিক ইবতেদায়ি মাদ্রাসাশিক্ষক জানান, সমিতির নেতারা তাঁদের দুপুর ১২টার মধ্যে মজিবর রহমান সরোয়ারের বাসার সামনে থাকতে বলেছেন। তাই এ দিন পাঠদান নিতে পারেননি। নেতারা বলেছেন, তাঁদের ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করে এই সভায় থাকা দরকার।
জানতে চাইলে বাংলাদেশ স্বতন্ত্র ইবতেদায়ি মাদ্রাসা শিক্ষক সমিতির সদর উপজেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক মাওলানা মুহাম্মদ মশিউর রহমান বলেন, ‘ইবতেদায়ি মাদ্রাসা বৈষম্যের শিকার। সরোয়ার ভাই বলেছেন, সরকার গঠন করলে আমাদের দেখবেন। এরপর তিনি ধানের শীষের পাশে থাকার আহ্বান জানিয়েছেন।’
মুহাম্মদ মশিউর রহমান আরও বলেন, ‘সদর ও নগরের শতাধিক শিক্ষক মতবিনিময় সভায় ছিলেন। সব সময় বেলা দেড়টায় মাদ্রাসা ছুটি দেওয়া হয়, কিন্তু সভার কারণে আজ ১২টা পর্যন্ত ক্লাস নিয়ে শিক্ষার্থীদের ছুটি দেওয়া হয়েছে।’
জানা গেছে, মাদ্রাসা বোর্ড অনুমোদিত বরিশাল সদর ও নগরের ৩১টি ইবতেদায়ি মাদ্রাসা থেকে ১১০ জন শিক্ষক এই সভায় অংশ নেন। তাঁরা সভায় বঞ্চনার কথা তুলে ধরার পাশাপাশি ধানের শীষের প্রার্থীর পাশে থাকার প্রতিশ্রুতি দেন।
এ প্রসঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বী ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থীর নির্বাচন পরিচালনা কমিটির মিডিয়া সেলের আহ্বায়ক নাসির উদ্দিন নাইস বলেন, নির্বাচনী আচরণবিধিতে শিক্ষক-কর্মচারীদের নিয়ে এভাবে মতবিনিময় সভা করা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।
ধানের শীষের প্রার্থী এর আগে হাতেম আলী কলেজে গিয়ে শিক্ষার্থীদের পরিবহন বাস দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেন। আজ আবার ইবতেদায়ি মাদ্রাসা বন্ধ রেখে শিক্ষকদের বাসভবনে এনে মতবিনিময় করে ভোটে প্রভাব ফেলছেন। এসব বিষয় রিটার্নিং কর্মকর্তাকে জানালেও কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।
অভিযোগের বিষয়ে জানতে বিএনপির প্রার্থী মজিবর রহমান সরোয়ারকে মোবাইল ফোনে কল দেওয়া হলে তিনি তা ধরেননি। বরিশাল মহানগর বিএনপির সদস্যসচিব জিয়া উদ্দিন সিকদার বলেন, ‘শিক্ষকেরা যদি প্রার্থীর কাছে স্বপ্রণোদিত হয়ে আসেন, তাহলে আমাদের কী করার আছে। বিএনপি তো তাঁদের ধরে আনেনি। তবে মাদ্রাসার পাঠদান বন্ধ রেখে যদি শিক্ষকেরা সভায় যোগদান করে থাকেন, তাহলে তাতে প্রশ্ন থেকে যায়।’
বরিশাল রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক মো. খায়রুল আলম সুমন বলেন, ‘ইবতেদায়ি মাদ্রাসার শিক্ষকেরা প্রকৃতপক্ষে শিক্ষকের ব্যানারে ওখানে কোনো কিছু পাওয়ার জন্য গিয়েছেন কি না, তা জানতে হবে।
তাহলে তো এটা অবশ্যই আচরণবিধির লঙ্ঘন। আমরা নির্বাচনী তদন্ত কমিটিতে এ বিষয়ে অভিযোগ পাঠাব। দৈনিকই এমন অভিযোগ আমরা তদন্তে পাঠাই।’
পাঠদান বন্ধ রেখে বরিশাল-৫ (সদর ও নগর) আসনে বিএনপির প্রার্থী মজিবর রহমান সরোয়ারের সঙ্গে ইবতেদায়ি মাদ্রাসার শিক্ষকেরা মতবিনিময় করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।
আজ বুধবার (২৮ জানুয়ারি) বেলা ১টার দিকে সদর উপজেলা ইবতেদায়ি মাদ্রাসা শিক্ষক সমিতির উদ্যোগে নগরের ১ নম্বর ওয়ার্ডের সাধুর বটতলা এলাকায় সরোয়ারের বাসভবনে এই মতবিনিময় সভা হয়।
সভায় ধানের শীষের প্রার্থী মজিবর রহমান সরোয়ার ইবতেদায়ি শিক্ষাব্যবস্থা ও শিক্ষকদের জন্য উন্নয়নমূলক কাজ করার আশ্বাস দেন বলেও অভিযোগ উঠেছে।
সভায় অংশ নেওয়া একাধিক ইবতেদায়ি মাদ্রাসাশিক্ষক জানান, সমিতির নেতারা তাঁদের দুপুর ১২টার মধ্যে মজিবর রহমান সরোয়ারের বাসার সামনে থাকতে বলেছেন। তাই এ দিন পাঠদান নিতে পারেননি। নেতারা বলেছেন, তাঁদের ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করে এই সভায় থাকা দরকার।
জানতে চাইলে বাংলাদেশ স্বতন্ত্র ইবতেদায়ি মাদ্রাসা শিক্ষক সমিতির সদর উপজেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক মাওলানা মুহাম্মদ মশিউর রহমান বলেন, ‘ইবতেদায়ি মাদ্রাসা বৈষম্যের শিকার। সরোয়ার ভাই বলেছেন, সরকার গঠন করলে আমাদের দেখবেন। এরপর তিনি ধানের শীষের পাশে থাকার আহ্বান জানিয়েছেন।’
মুহাম্মদ মশিউর রহমান আরও বলেন, ‘সদর ও নগরের শতাধিক শিক্ষক মতবিনিময় সভায় ছিলেন। সব সময় বেলা দেড়টায় মাদ্রাসা ছুটি দেওয়া হয়, কিন্তু সভার কারণে আজ ১২টা পর্যন্ত ক্লাস নিয়ে শিক্ষার্থীদের ছুটি দেওয়া হয়েছে।’
জানা গেছে, মাদ্রাসা বোর্ড অনুমোদিত বরিশাল সদর ও নগরের ৩১টি ইবতেদায়ি মাদ্রাসা থেকে ১১০ জন শিক্ষক এই সভায় অংশ নেন। তাঁরা সভায় বঞ্চনার কথা তুলে ধরার পাশাপাশি ধানের শীষের প্রার্থীর পাশে থাকার প্রতিশ্রুতি দেন।
এ প্রসঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বী ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থীর নির্বাচন পরিচালনা কমিটির মিডিয়া সেলের আহ্বায়ক নাসির উদ্দিন নাইস বলেন, নির্বাচনী আচরণবিধিতে শিক্ষক-কর্মচারীদের নিয়ে এভাবে মতবিনিময় সভা করা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।
ধানের শীষের প্রার্থী এর আগে হাতেম আলী কলেজে গিয়ে শিক্ষার্থীদের পরিবহন বাস দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেন। আজ আবার ইবতেদায়ি মাদ্রাসা বন্ধ রেখে শিক্ষকদের বাসভবনে এনে মতবিনিময় করে ভোটে প্রভাব ফেলছেন। এসব বিষয় রিটার্নিং কর্মকর্তাকে জানালেও কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।
অভিযোগের বিষয়ে জানতে বিএনপির প্রার্থী মজিবর রহমান সরোয়ারকে মোবাইল ফোনে কল দেওয়া হলে তিনি তা ধরেননি। বরিশাল মহানগর বিএনপির সদস্যসচিব জিয়া উদ্দিন সিকদার বলেন, ‘শিক্ষকেরা যদি প্রার্থীর কাছে স্বপ্রণোদিত হয়ে আসেন, তাহলে আমাদের কী করার আছে। বিএনপি তো তাঁদের ধরে আনেনি। তবে মাদ্রাসার পাঠদান বন্ধ রেখে যদি শিক্ষকেরা সভায় যোগদান করে থাকেন, তাহলে তাতে প্রশ্ন থেকে যায়।’
বরিশাল রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক মো. খায়রুল আলম সুমন বলেন, ‘ইবতেদায়ি মাদ্রাসার শিক্ষকেরা প্রকৃতপক্ষে শিক্ষকের ব্যানারে ওখানে কোনো কিছু পাওয়ার জন্য গিয়েছেন কি না, তা জানতে হবে।
তাহলে তো এটা অবশ্যই আচরণবিধির লঙ্ঘন। আমরা নির্বাচনী তদন্ত কমিটিতে এ বিষয়ে অভিযোগ পাঠাব। দৈনিকই এমন অভিযোগ আমরা তদন্তে পাঠাই।’
২৯ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৫:১৬
২৯ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৫:১৪
২৯ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৫:০৪
২৯ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৪:১৭