ভোলার সদর উপজেলার পূর্ব ইলিশার চর আনন্দে কুখ্যাত বারেক বাহিনীর হামলায় এক পরিবারের অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে গুরুতর আহত ৭ জনকে ভোলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে বুধবার সকালে।
এলাকাবাসী ও আহতরা জানান, সন্ত্রাসী বারেক বাহিনীর লোকেরা দীর্ঘদিন যাবৎ একই এলাকার কালূ ফরাজীর কাছে ২ লক্ষ টাকা চাঁদা দাবি করে আসছিল। কিন্তু নিরীহ কালু ফরাজীর পরিবার বারেক বাহিনীর ভয়ে মুখ খুলেনি। পরে বুধবার সকালে পূর্বের মোটরসাইকেল চুরির ঘটনাকে ইস্যু বানিয়ে কালু ফরাজির বাড়িতে ঢুকে তার ছেলে মিরাজের ওপর হামলা শুরু করে বারেক বাহিনী। এতে কালু ফরাজীর পরিবার প্রতিবাদ করলে শুরু হয় কুখ্যাত বারেক বাহীনির মধ্যযুগীয় কায়দার বর্বরতা। এ বর্বরতায় অংশ নেয় বারেক বাহিনীর শতাধিক লাঠিয়াল। একে একে শুরু হয় কালু ফরাজীর বাড়ির মালামাল লুট, বেপরোয়া হামলা, ওই পরিবারের নারীদের বিবস্ত্র করে নির্যাতন।
এ ব্যাপারে আহতরা জানান, বারেক বাহিনীর লাঠিয়ালরা রামদা, বগিদা ও লাঠিসোটা নিয়ে একযোগে তাদের ওপর হামলা, লুটপাট ও নারীদের শ্লীলতাহনী করে। এতে কালু ফরাজীর পরিবারের রুমা, মাকসুদ ফরাজী, আরজু, কুলসুম, মিরাজ ও কালু ফরাজীসহ ১০ জনকে আহত হন।
এ ব্যাপারে ভোলা সদর হাসপাতালের আরএমও সাংবাদিকদেও জানান, গুরুতর আহত রোগীদের চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। রোগীর অধিক ঝুকি দেখা গেলে তাদেও উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশাল পাঠানো হবে।
ভোলা সদর মডেল থানা পুলিশের ওসি হাসনাইন পারভেজ বলেন, ঘটনা জেনেছি। লিখিত অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এলাকাবাসী জানান, বারেক লাঠিয়াল আওয়ামী লীগের প্রভাবশালী নেতা তোফায়েল আহমেদের কথিত পুত্র পরিচয়ে এ এলাকায় প্রায় দীর্ঘ দুই যুগ ধরে সন্ত্রাসী চালিয়ে আসছে। পুলিশ ও প্রভাবশালীদের ছত্রছায়ায় তিনি পূর্ব ইলিশার চর আনন্দের প্রায় ১০ হাজার নিরীহ মানুষকে জিম্মি করে চাঁদাবাজি লুটতরাজসহ নানা অপকর্ম চালিয়ে যাচ্ছে। তার বাহিনীকে দ্রুত আটক না করলে এখানের মানুষের প্রাণনাশের ব্যাপক আশংকা রয়েছে।’

৩১ জুলাই, ২০২৬ ১৭:৫০
ভোলার লালমোহন উপজেলায় এক গৃহবধূকে দেশীয় অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে ডাকাতি ও শ্লীলতাহানির ঘটনায় তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শুক্রবার সকালে তাদের আদালতে পাঠানো হয়েছে। এরআগে বৃহস্পতিবার এ ঘটনায় থানায় মামলা দায়ের করেন ভুক্তভোগী গৃহবধূ রোজিনা বেগম। তিনি লালমোহন পৌরসভার ২ নম্বর ওয়ার্ডের মো. খোকনের স্ত্রী। মামলার পরপরই অভিযান চালিয়ে অভিযুক্তদের মধ্যে তিনজনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
গ্রেপ্তাররা হলেন- উপজেলার পশ্চিম চরউমেদ ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের গজারিয়া এলাকার মো. পলাশ মৃধার ছেলে মো. শাহাদৎ হোসেন (২৪), জুয়েল স্বর্ণকারের ছেলে মো. জুবায়ের (২১) এবং একই ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের মো. মিলন পাটোয়ারির ছেলে মো. নাঈম (২৪)।
জানা গেছে, গত ২৯ জুলাই বিকেলে রোজিনা বেগম (৩৫) নামে এক গৃহবধূ চরফ্যাশন থেকে সিএনজিযোগে লালমোহনের গজারিয়া বাজার এলাকায় আসেন। সেখান থেকে পৌরসভায় অবস্থিত নিজ বাসায় ফেরার জন্য তিনি একটি অটোরিকশায় ওঠেন। অটোরিকশাটি গজারিয়া নৌকাপট্টিতে পৌঁছালে স্থানীয় মো. শাহাদাত হোসেন, মো. নাঈম এবং মো. জুবায়েরসহ আরও কয়েকজন মিলে অটোরিকশার গতিরোধ করে ভেতরে উঠে পড়েন এবং দেশীয় অস্ত্র দেখিয়ে ওই গৃহবধূকে ভয়ভীতি প্রদর্শন করেন। এরপর তারা অটোরিকশাটি ঘুরিয়ে সৈনিক বাজার সংলগ্ন একটি নির্জন স্থানে নিয়ে যান। সেখানে নিয়ে তারা চাকুর ভয় দেখিয়ে ওই গৃহবধূর কান থেকে ২৫ হাজার টাকা মূল্যের এক জোড়া স্বর্ণের কানের রিং, ৫০ হাজার টাকা মূল্যের এক জোড়া কানের দুল এবং ভেনিটি ব্যাগে থাকা নগদ ৪ হাজার টাকা ছিনিয়ে নিয়ে যান। এ সময় তারা ওই গৃহবধূকে শ্লীলতাহানিও চালান। পরে পালিয়ে যান অভিযুক্তরা।
এ বিষয়ে লালমোহন থানার ওসি মো. অলিউল ইসলাম বলেন, ভুক্তভোগী ওই গৃহবধূ মামলা দায়েরের পর উপজেলার পশ্চিম চরউমেদ ইউনিয়নের গজারিয়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে অভিযুক্তদের মধ্যে তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ সময় তাদের কাছ থেকে লুণ্ঠিত স্বর্ণালঙ্কার উদ্ধার করা হয়েছে। শুক্রবার সকালে গ্রেপ্তারকৃত তিনজনকে আদালত পাঠানো হয়েছে। এছাড়া বাকি আসামিদেরও গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।
ভোলার লালমোহন উপজেলায় এক গৃহবধূকে দেশীয় অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে ডাকাতি ও শ্লীলতাহানির ঘটনায় তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শুক্রবার সকালে তাদের আদালতে পাঠানো হয়েছে। এরআগে বৃহস্পতিবার এ ঘটনায় থানায় মামলা দায়ের করেন ভুক্তভোগী গৃহবধূ রোজিনা বেগম। তিনি লালমোহন পৌরসভার ২ নম্বর ওয়ার্ডের মো. খোকনের স্ত্রী। মামলার পরপরই অভিযান চালিয়ে অভিযুক্তদের মধ্যে তিনজনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
গ্রেপ্তাররা হলেন- উপজেলার পশ্চিম চরউমেদ ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের গজারিয়া এলাকার মো. পলাশ মৃধার ছেলে মো. শাহাদৎ হোসেন (২৪), জুয়েল স্বর্ণকারের ছেলে মো. জুবায়ের (২১) এবং একই ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের মো. মিলন পাটোয়ারির ছেলে মো. নাঈম (২৪)।
জানা গেছে, গত ২৯ জুলাই বিকেলে রোজিনা বেগম (৩৫) নামে এক গৃহবধূ চরফ্যাশন থেকে সিএনজিযোগে লালমোহনের গজারিয়া বাজার এলাকায় আসেন। সেখান থেকে পৌরসভায় অবস্থিত নিজ বাসায় ফেরার জন্য তিনি একটি অটোরিকশায় ওঠেন। অটোরিকশাটি গজারিয়া নৌকাপট্টিতে পৌঁছালে স্থানীয় মো. শাহাদাত হোসেন, মো. নাঈম এবং মো. জুবায়েরসহ আরও কয়েকজন মিলে অটোরিকশার গতিরোধ করে ভেতরে উঠে পড়েন এবং দেশীয় অস্ত্র দেখিয়ে ওই গৃহবধূকে ভয়ভীতি প্রদর্শন করেন। এরপর তারা অটোরিকশাটি ঘুরিয়ে সৈনিক বাজার সংলগ্ন একটি নির্জন স্থানে নিয়ে যান। সেখানে নিয়ে তারা চাকুর ভয় দেখিয়ে ওই গৃহবধূর কান থেকে ২৫ হাজার টাকা মূল্যের এক জোড়া স্বর্ণের কানের রিং, ৫০ হাজার টাকা মূল্যের এক জোড়া কানের দুল এবং ভেনিটি ব্যাগে থাকা নগদ ৪ হাজার টাকা ছিনিয়ে নিয়ে যান। এ সময় তারা ওই গৃহবধূকে শ্লীলতাহানিও চালান। পরে পালিয়ে যান অভিযুক্তরা।
এ বিষয়ে লালমোহন থানার ওসি মো. অলিউল ইসলাম বলেন, ভুক্তভোগী ওই গৃহবধূ মামলা দায়েরের পর উপজেলার পশ্চিম চরউমেদ ইউনিয়নের গজারিয়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে অভিযুক্তদের মধ্যে তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ সময় তাদের কাছ থেকে লুণ্ঠিত স্বর্ণালঙ্কার উদ্ধার করা হয়েছে। শুক্রবার সকালে গ্রেপ্তারকৃত তিনজনকে আদালত পাঠানো হয়েছে। এছাড়া বাকি আসামিদেরও গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

২৮ জুলাই, ২০২৬ ১৬:৪৩
ভোলায় একটি ভাড়া বাসা থেকে পুলিশ সদস্যের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার হয়েছে। মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) দুপুরের দিকে ভোলা পৌর এলাকার অফিসার পাড়ার একটি বাসা থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।
নিহত পুলিশ সদস্যের নাম মো. শাহাবুদ্দিন ফকির (৪৫)। তিনি ভোলা কোর্ট পুলিশে কনস্টেবল হিসেবে কর্মরত ছিলেন। শাহাবুদ্দিন বরিশাল জেলার গৌরনদী থানা দক্ষিণ বিজয়পুর গ্রামের আদম আলী ফকিরের ছেলে।
ভোলা কোর্ট ইন্সপেক্টর মো. নাছির উদ্দিন সাংবাদিকদের বলেন, কনস্টেবল শাহাবুদ্দিন অফিসার পাড়ায় একটি ভাড়া বাসায় পরিবারের নিয়ে থাকতেন। তবে কয়েক দিন আগে তার স্ত্রী গ্রামের বাড়িতে যান। মঙ্গলবার সকালে কোর্টে ডিউটি ছিলো শাহাবুদ্দিনের। সে ডিউটিতে যোগদান না করায় তাকে একাধিকবার ফোন দেওয়া হয়। কিন্তু ফোন না ধরায় তার বাসায় গিয়ে বাড়ির মালিকসহ ডাকাডাকি করি। তখনও কোনো সাড়াশব্দ না পেয়ে ঘরের দরজা ভেঙে তার ঝুলন্ত মরদেহ দেখতে পাই। পরে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ভোলা ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, এর আগে গত ৪ মে শাহাবুদ্দিনের একমাত্র সন্তান চৌত্রি ওই বাড়িতে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেন। এরপর থেকে শাহাবুদ্দিন মানসিকভাবে ভেঙে পরেন।’
ভোলায় একটি ভাড়া বাসা থেকে পুলিশ সদস্যের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার হয়েছে। মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) দুপুরের দিকে ভোলা পৌর এলাকার অফিসার পাড়ার একটি বাসা থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।
নিহত পুলিশ সদস্যের নাম মো. শাহাবুদ্দিন ফকির (৪৫)। তিনি ভোলা কোর্ট পুলিশে কনস্টেবল হিসেবে কর্মরত ছিলেন। শাহাবুদ্দিন বরিশাল জেলার গৌরনদী থানা দক্ষিণ বিজয়পুর গ্রামের আদম আলী ফকিরের ছেলে।
ভোলা কোর্ট ইন্সপেক্টর মো. নাছির উদ্দিন সাংবাদিকদের বলেন, কনস্টেবল শাহাবুদ্দিন অফিসার পাড়ায় একটি ভাড়া বাসায় পরিবারের নিয়ে থাকতেন। তবে কয়েক দিন আগে তার স্ত্রী গ্রামের বাড়িতে যান। মঙ্গলবার সকালে কোর্টে ডিউটি ছিলো শাহাবুদ্দিনের। সে ডিউটিতে যোগদান না করায় তাকে একাধিকবার ফোন দেওয়া হয়। কিন্তু ফোন না ধরায় তার বাসায় গিয়ে বাড়ির মালিকসহ ডাকাডাকি করি। তখনও কোনো সাড়াশব্দ না পেয়ে ঘরের দরজা ভেঙে তার ঝুলন্ত মরদেহ দেখতে পাই। পরে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ভোলা ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, এর আগে গত ৪ মে শাহাবুদ্দিনের একমাত্র সন্তান চৌত্রি ওই বাড়িতে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেন। এরপর থেকে শাহাবুদ্দিন মানসিকভাবে ভেঙে পরেন।’

২৫ জুলাই, ২০২৬ ১৯:২৮
ভোলার লালমোহন উপজেলায় যাত্রীবাহী বাস চাপায় মোসা. মাইশা আক্তার (৬) নামে এক শিশু নিহত হয়েছে। শনিবার বিকেলে উপজেলার পশ্চিম চরউমেদ ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের ভোলা-চরফ্যাশন আঞ্চলিক মহাসড়কের সৈনিক বাজার এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত শিশু মাইশা ওই এলাকার মো. বিল্লাল হোসেনের মেয়ে।
জানা গেছে, শনিবার বিকেলে লালমোহন উপজেলার সৈনিক বাজার এলাকায় সড়ক পার হচ্ছিল শিশু মাইশা আক্তার। এ সময় ভোলা থেকে ছেড়ে আসা চরফ্যাশনগামী দ্রুতগতির একটি যাত্রীবাহী বাস তাকে চাপা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই মারা যায় শিশু মাইশা। ঘটনা বুঝতে পেরে বাস নিয়ে চলে যান চালক। খবর পেয়ে ওই শিশুর স্বজন ও স্থানীয়রা ঘটনাস্থলে ছুটে যান। তারা সড়কের ওপর গাছ ফেলে সব ধরনের যানবাহন চলাচল বন্ধ করে দেন।
এ বিষয়ে লালমোহন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. অলিউল ইসলাম বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশের একটি টিম পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।’
ভোলার লালমোহন উপজেলায় যাত্রীবাহী বাস চাপায় মোসা. মাইশা আক্তার (৬) নামে এক শিশু নিহত হয়েছে। শনিবার বিকেলে উপজেলার পশ্চিম চরউমেদ ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের ভোলা-চরফ্যাশন আঞ্চলিক মহাসড়কের সৈনিক বাজার এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত শিশু মাইশা ওই এলাকার মো. বিল্লাল হোসেনের মেয়ে।
জানা গেছে, শনিবার বিকেলে লালমোহন উপজেলার সৈনিক বাজার এলাকায় সড়ক পার হচ্ছিল শিশু মাইশা আক্তার। এ সময় ভোলা থেকে ছেড়ে আসা চরফ্যাশনগামী দ্রুতগতির একটি যাত্রীবাহী বাস তাকে চাপা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই মারা যায় শিশু মাইশা। ঘটনা বুঝতে পেরে বাস নিয়ে চলে যান চালক। খবর পেয়ে ওই শিশুর স্বজন ও স্থানীয়রা ঘটনাস্থলে ছুটে যান। তারা সড়কের ওপর গাছ ফেলে সব ধরনের যানবাহন চলাচল বন্ধ করে দেন।
এ বিষয়ে লালমোহন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. অলিউল ইসলাম বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশের একটি টিম পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।’

১৬ জুলাই, ২০২৫ ২৩:৪৮
ভোলার সদর উপজেলার পূর্ব ইলিশার চর আনন্দে কুখ্যাত বারেক বাহিনীর হামলায় এক পরিবারের অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে গুরুতর আহত ৭ জনকে ভোলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে বুধবার সকালে।
এলাকাবাসী ও আহতরা জানান, সন্ত্রাসী বারেক বাহিনীর লোকেরা দীর্ঘদিন যাবৎ একই এলাকার কালূ ফরাজীর কাছে ২ লক্ষ টাকা চাঁদা দাবি করে আসছিল। কিন্তু নিরীহ কালু ফরাজীর পরিবার বারেক বাহিনীর ভয়ে মুখ খুলেনি। পরে বুধবার সকালে পূর্বের মোটরসাইকেল চুরির ঘটনাকে ইস্যু বানিয়ে কালু ফরাজির বাড়িতে ঢুকে তার ছেলে মিরাজের ওপর হামলা শুরু করে বারেক বাহিনী। এতে কালু ফরাজীর পরিবার প্রতিবাদ করলে শুরু হয় কুখ্যাত বারেক বাহীনির মধ্যযুগীয় কায়দার বর্বরতা। এ বর্বরতায় অংশ নেয় বারেক বাহিনীর শতাধিক লাঠিয়াল। একে একে শুরু হয় কালু ফরাজীর বাড়ির মালামাল লুট, বেপরোয়া হামলা, ওই পরিবারের নারীদের বিবস্ত্র করে নির্যাতন।
এ ব্যাপারে আহতরা জানান, বারেক বাহিনীর লাঠিয়ালরা রামদা, বগিদা ও লাঠিসোটা নিয়ে একযোগে তাদের ওপর হামলা, লুটপাট ও নারীদের শ্লীলতাহনী করে। এতে কালু ফরাজীর পরিবারের রুমা, মাকসুদ ফরাজী, আরজু, কুলসুম, মিরাজ ও কালু ফরাজীসহ ১০ জনকে আহত হন।
এ ব্যাপারে ভোলা সদর হাসপাতালের আরএমও সাংবাদিকদেও জানান, গুরুতর আহত রোগীদের চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। রোগীর অধিক ঝুকি দেখা গেলে তাদেও উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশাল পাঠানো হবে।
ভোলা সদর মডেল থানা পুলিশের ওসি হাসনাইন পারভেজ বলেন, ঘটনা জেনেছি। লিখিত অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এলাকাবাসী জানান, বারেক লাঠিয়াল আওয়ামী লীগের প্রভাবশালী নেতা তোফায়েল আহমেদের কথিত পুত্র পরিচয়ে এ এলাকায় প্রায় দীর্ঘ দুই যুগ ধরে সন্ত্রাসী চালিয়ে আসছে। পুলিশ ও প্রভাবশালীদের ছত্রছায়ায় তিনি পূর্ব ইলিশার চর আনন্দের প্রায় ১০ হাজার নিরীহ মানুষকে জিম্মি করে চাঁদাবাজি লুটতরাজসহ নানা অপকর্ম চালিয়ে যাচ্ছে। তার বাহিনীকে দ্রুত আটক না করলে এখানের মানুষের প্রাণনাশের ব্যাপক আশংকা রয়েছে।’
০১ আগস্ট, ২০২৬ ১৮:৪২
০১ আগস্ট, ২০২৬ ১৮:৪০
০১ আগস্ট, ২০২৬ ১৮:৩৪
০১ আগস্ট, ২০২৬ ১৮:০১