যশোরের শার্শা উপজেলা ও বেনাপোলে এলাকায় এ বছর সোনালী আঁশ পাটের ফলন ভালো। হলেও শ্রমিক সংকট ও অধিক মজুরি কৃষকদের কষ্টের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। পাট কাটা থেকে শুরু করে আঁশ ছাড়ানোর প্রতিটি ধাপেই শ্রমিকদের উচ্চ মজুরি দিতে হচ্ছে কৃষকদের। ফলে ভালো ফলনের আনন্দেও মিশেছে দুশ্চিন্তার ছাপ।
কৃষকদের অভিযোগ, গত বছরের তুলনায় এ বছর পাটের দাম কিছুটা কম। বর্তমানে বাজারে প্রতি মণ পাট বিক্রি হচ্ছে ৩২০০ থেকে ৩৫০০ টাকার মধ্যে। অন্যদিকে শ্রমিক সংকটের কারণে মজুরি বেড়ে যাওয়ায় খরচও অনেক বেড়েছে। এতে কৃষকরা কাঙ্ক্ষিত লাভ থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। অনেকে পাটকাঠি কেনাবেচাকে ব্যবসা হিসেবে নিয়েছেন। এতে নতুন কর্মসংস্থার সৃষ্টি হয়েছে,
উপজেলার কৃষকরা জানান, দূর দুরান্ত থেকে ব্যবসায়ীরা এসে পাটকাঠি কিনে নিচ্ছেন। এবং ভাল দাম দিচ্ছেন,বর্তমানে এক মণ বিক্রি হচ্ছে ৮০০ থেকে ১০০০ টাকায়। যেখানে এক সময় ১২০থেকে ২৩০ টাকায় বিক্রি হতো। আর পাটকাঠি তাদের প্রকৃত লাভের মুখ দেখাচ্ছে।
কৃষকেরা পাট ও পাটকাঠি শুকিয়ে ঘরে তুলার ব্যস্ত সময় পার করছেন। তারা এখন পাটকাঠি যত্ন করে মজুদ করছেন। এই সময় পাটকাঠি প্রধারত গ্রামের অসচ্ছল পরিবারের ঘরের বেড়া ও জ্বালানি হিসেবে ব্যবহার হতো।
কিন্তু প্রযুক্তির কল্যাণে এটি এখন অর্থ কারী পূর্ণ হয়ে উঠেছে। পাটকাঠির ব্যাপক চাহিদা তৈরি হয়েছে। ফলে পাটকাঠি বিক্রয় করে আর্থিক ভাবে লাভবান হওয়ার স্বপ্ন দেখছেন। স্থানীয় চাষিরা পাটের উপজাত এই পাটখড়ি এখন চড়া দামে বিক্রি হচ্ছে।
তবে এ বছর আশার আলো জুগিয়েছে পাটখড়ি। গত বছর যেখানে প্রতি আঁটি পাটখড়ি ১৫ থেকে ২০ টাকায় বিক্রি হয়েছে, সেখানে এ বছর সেই আঁটির দাম দাঁড়িয়েছে ৫০ থেকে ৭০ টাকায়। আঁশের দামে ক্ষতি হলেও পাটখড়ি বিক্রি করে কিছুটা সান্ত্বনা পাচ্ছেন কৃষকেরা।
পাট জাগ দেওয়ার জন্য পর্যাপ্ত পানি সরবরাহ থাকায় কৃষকেরা তুলনামূলকভাবে সুবিধা পেয়েছেন। হাকর, খাল, বিল, বেতনা, কেউ ছোট ডোবায় আবার কেউ নিজস্ব জমিতে পাট কেটে জাগ দিয়েছেন।
ডিহি ইউনিয়নের কৃষক আলমগীর হোসেন বলেন, এক বিঘা জমিতে পাট আবাদ করতে ১০ থেকে ১২ হাজার টাকা খরচ হয়েছে। ঠিকভাবে হিসাব করলে দেখা যায়, ন্যায্য দাম আমরা পাইনা।
উপজেলার কায়বা ইউনিয়নের কৃষক আব্দুর রহমান জানান, ফলন ভালো, দামও সন্তোষজনক। তবে কতদিন এ দাম থাকবে, তা নিয়ে শঙ্কায় আছে। উপজেলা কৃষি অফিসার দীপক কুমার সাহা জানান, এই বছর সোনালী আঁশ (পাটের) ফলন ভালো হয়েছে।
এই উপজেলায় একটি পৌরসভা ও ১১ টি ইউনিয়নে অর্থবছরে২০২৪-২৫মোট ৫৪৬৫হেক্টর জমিতে,চলতি বছরে২০২৫-২৬মোট৫৯২৯=হেক্টর, এই বছরে বেশি ৪৬৪ হেক্টর জমিতে পাট উৎপাদন হয়। আগের বছর তুলনায। গত এক দশকে ধরেই এই জ্বালানির বাজার
বারছে। অনেকে পাটকাঠি কেনাবেচাকে ব্যবসা হিসেবে নিয়েছেন। এতে নতুন কর্মসংস্থার সৃষ্টি হয়েছে। এই বছর পাট জাগ দেওয়ার জন্য পর্যাপ্ত পানি সরবরাহ থাকায় কৃষকেরা তুলনামূলক ভাবে সুবিধা পেয়েছেন।

২০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ২২:৪৪
নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ উপজেলার শরীফপুর ইউনিয়নে পঞ্চম শ্রেণির এক শিক্ষার্থীকে বলাৎকারের অভিযোগে মো. আলমগীর হোসেন ফরাজী (৪৫) নামে জামায়াতে ইসলামীর এক সাবেক নেতাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
আলমগীর শরীফপুর ইউনিয়নের পশ্চিম খানপুর গ্রামের মৃত ইউনুছ আলীর ছেলে। তিনি স্থানীয় বাজারে কবিরাজি ওষুধ বিক্রির পাশাপাশি ঝাড়ফুঁক করতেন। দলীয় সূত্রে জানা গেছে, ২০২২ সাল পর্যন্ত তিনি শরীফপুর ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ড জামায়াতের বায়তুল মাল সম্পাদক, সেক্রেটারি ও সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। বর্তমানে তিনি দলের কোনো কার্যক্রমে সক্রিয় নন বলে জানিয়েছে স্থানীয় জামায়াত।
মামলার এজাহার ও শিশুটির পরিবারের বরাতে জানা যায়, গত ১৩ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় মাথাব্যথা নিয়ে আলমগীরের দোকানে যায় শিশুটি। এ সময় ঝাড়ফুঁক করার কথা বলে তাকে বলাৎকার করা হয় বলে অভিযোগ করা হয়েছে। ঘটনাটি কাউকে জানালে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয় বলেও এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।
পরে শিশুটি অসুস্থ হয়ে পড়লে পরিবারের কাছে পুরো ঘটনা জানায়। এরপর শিশুটির বাবা বাদী হয়ে বেগমগঞ্জ মডেল থানায় মামলা করেন। মামলার পর পুলিশ গত রাতে নিজ বাড়ি থেকে আলমগীরকে গ্রেপ্তার করে।
বেগমগঞ্জ মডেল ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা(ওসি)মো. শামসুজ্জামান জানান, আলমগীরকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে নোয়াখালী চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে পাঠানো হয়েছে। আদালতে শুনানি শেষে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়।
আদালতের জিআরও মো. সাইফুল ইসলাম জানান, শিশুটির শারীরিক পরীক্ষা সম্পন্ন হওয়ার পর একই আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধির ২২ ধারায় তার জবানবন্দি রেকর্ড করার কথা রয়েছে।
এদিকে শরীফপুর ইউনিয়ন জামায়াতের সেক্রেটারি মোজাম্মেল হোসেন জানান, আলমগীর ২০২২ সাল পর্যন্ত দলীয় বিভিন্ন পদে থাকলেও বর্তমানে তিনি নিষ্ক্রিয় এবং দলের কার্যক্রমের সঙ্গে তার কোনো সম্পৃক্ততা নেই।
নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ উপজেলার শরীফপুর ইউনিয়নে পঞ্চম শ্রেণির এক শিক্ষার্থীকে বলাৎকারের অভিযোগে মো. আলমগীর হোসেন ফরাজী (৪৫) নামে জামায়াতে ইসলামীর এক সাবেক নেতাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
আলমগীর শরীফপুর ইউনিয়নের পশ্চিম খানপুর গ্রামের মৃত ইউনুছ আলীর ছেলে। তিনি স্থানীয় বাজারে কবিরাজি ওষুধ বিক্রির পাশাপাশি ঝাড়ফুঁক করতেন। দলীয় সূত্রে জানা গেছে, ২০২২ সাল পর্যন্ত তিনি শরীফপুর ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ড জামায়াতের বায়তুল মাল সম্পাদক, সেক্রেটারি ও সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। বর্তমানে তিনি দলের কোনো কার্যক্রমে সক্রিয় নন বলে জানিয়েছে স্থানীয় জামায়াত।
মামলার এজাহার ও শিশুটির পরিবারের বরাতে জানা যায়, গত ১৩ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় মাথাব্যথা নিয়ে আলমগীরের দোকানে যায় শিশুটি। এ সময় ঝাড়ফুঁক করার কথা বলে তাকে বলাৎকার করা হয় বলে অভিযোগ করা হয়েছে। ঘটনাটি কাউকে জানালে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয় বলেও এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।
পরে শিশুটি অসুস্থ হয়ে পড়লে পরিবারের কাছে পুরো ঘটনা জানায়। এরপর শিশুটির বাবা বাদী হয়ে বেগমগঞ্জ মডেল থানায় মামলা করেন। মামলার পর পুলিশ গত রাতে নিজ বাড়ি থেকে আলমগীরকে গ্রেপ্তার করে।
বেগমগঞ্জ মডেল ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা(ওসি)মো. শামসুজ্জামান জানান, আলমগীরকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে নোয়াখালী চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে পাঠানো হয়েছে। আদালতে শুনানি শেষে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়।
আদালতের জিআরও মো. সাইফুল ইসলাম জানান, শিশুটির শারীরিক পরীক্ষা সম্পন্ন হওয়ার পর একই আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধির ২২ ধারায় তার জবানবন্দি রেকর্ড করার কথা রয়েছে।
এদিকে শরীফপুর ইউনিয়ন জামায়াতের সেক্রেটারি মোজাম্মেল হোসেন জানান, আলমগীর ২০২২ সাল পর্যন্ত দলীয় বিভিন্ন পদে থাকলেও বর্তমানে তিনি নিষ্ক্রিয় এবং দলের কার্যক্রমের সঙ্গে তার কোনো সম্পৃক্ততা নেই।

২০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ২১:৩১
চলতি বছরের প্রথম আট মাসে দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে নিখোঁজ ৩৬ শিশুর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। একই সময়ে এখনো নিখোঁজ রয়েছে ২ হাজার ৩৮ শিশু। শিশু নিখোঁজ ও হত্যার ধারাবাহিক ঘটনায় উদ্বেগ বাড়ছে।
মানবাধিকার সংগঠন আইন ও সালিশ কেন্দ্রের (আসক) পরিসংখ্যান বলছে, জানুয়ারি থেকে আগস্ট পর্যন্ত বিভিন্ন ঘটনায় মোট ১৫৫ শিশু নিহত হয়েছে। এর মধ্যে শারীরিক নির্যাতনে ৬৮, পারিবারিক পরিসরে নির্যাতনে ৪৯, ধর্ষণের পর ২৬ এবং ধর্ষণচেষ্টার পর চার শিশু নিহত হয়েছে।
এ ছাড়া গুলিতে তিন, গৃহকর্মী হিসেবে নির্যাতনে দুই, উত্ত্যক্তকারীর হাতে দুই এবং অপহরণের পর একজন শিশুকে হত্যা করা হয়েছে।
সম্প্রতি কুমিল্লায় নিখোঁজের পর ১৩ বছরের শিশু ইশায়াত শাহরিয়ার অপ্রতীমের মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় শিশু নিখোঁজ ও হত্যার বিষয়টি ফের আলোচনায় এসেছে। এর আগেও নিখোঁজ শিশুদের কারও মরদেহ মাটিচাপা অবস্থায়, আবার কারও মরদেহ নদী বা ডোবা থেকে উদ্ধার হয়েছে।
শুধু হত্যাই নয়, শিশু নিখোঁজের সংখ্যাও উদ্বেগজনক। পুলিশ সদরদপ্তরের ৩ সেপ্টেম্বরের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের প্রথম সাত মাসে দেশে ১৫ হাজার ৭১৭ শিশু নিখোঁজ হওয়ার তথ্য পাওয়া গেছে। এর মধ্যে ১৩ হাজার ৬৭৯ শিশুকে উদ্ধার করা হয়েছে। সেই হিসাবে এখনো নিখোঁজ রয়েছে ২ হাজার ৩৮ শিশু, যা মোট নিখোঁজের প্রায় ১৩ শতাংশ।
আসকের হিসাবে, একই সময়ে আত্মহত্যা, রহস্যজনক মৃত্যু ও মরদেহ উদ্ধারের আরও ৯৯টি ঘটনাও নথিভুক্ত হয়েছে।
চলতি বছরের প্রথম আট মাসে দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে নিখোঁজ ৩৬ শিশুর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। একই সময়ে এখনো নিখোঁজ রয়েছে ২ হাজার ৩৮ শিশু। শিশু নিখোঁজ ও হত্যার ধারাবাহিক ঘটনায় উদ্বেগ বাড়ছে।
মানবাধিকার সংগঠন আইন ও সালিশ কেন্দ্রের (আসক) পরিসংখ্যান বলছে, জানুয়ারি থেকে আগস্ট পর্যন্ত বিভিন্ন ঘটনায় মোট ১৫৫ শিশু নিহত হয়েছে। এর মধ্যে শারীরিক নির্যাতনে ৬৮, পারিবারিক পরিসরে নির্যাতনে ৪৯, ধর্ষণের পর ২৬ এবং ধর্ষণচেষ্টার পর চার শিশু নিহত হয়েছে।
এ ছাড়া গুলিতে তিন, গৃহকর্মী হিসেবে নির্যাতনে দুই, উত্ত্যক্তকারীর হাতে দুই এবং অপহরণের পর একজন শিশুকে হত্যা করা হয়েছে।
সম্প্রতি কুমিল্লায় নিখোঁজের পর ১৩ বছরের শিশু ইশায়াত শাহরিয়ার অপ্রতীমের মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় শিশু নিখোঁজ ও হত্যার বিষয়টি ফের আলোচনায় এসেছে। এর আগেও নিখোঁজ শিশুদের কারও মরদেহ মাটিচাপা অবস্থায়, আবার কারও মরদেহ নদী বা ডোবা থেকে উদ্ধার হয়েছে।
শুধু হত্যাই নয়, শিশু নিখোঁজের সংখ্যাও উদ্বেগজনক। পুলিশ সদরদপ্তরের ৩ সেপ্টেম্বরের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের প্রথম সাত মাসে দেশে ১৫ হাজার ৭১৭ শিশু নিখোঁজ হওয়ার তথ্য পাওয়া গেছে। এর মধ্যে ১৩ হাজার ৬৭৯ শিশুকে উদ্ধার করা হয়েছে। সেই হিসাবে এখনো নিখোঁজ রয়েছে ২ হাজার ৩৮ শিশু, যা মোট নিখোঁজের প্রায় ১৩ শতাংশ।
আসকের হিসাবে, একই সময়ে আত্মহত্যা, রহস্যজনক মৃত্যু ও মরদেহ উদ্ধারের আরও ৯৯টি ঘটনাও নথিভুক্ত হয়েছে।
২০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ২০:১২
রাজধানীর ন্যাম ভবনের একটি ফ্ল্যাট থেকে সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামের দ্বিতীয় স্ত্রী মোছা. মরিয়ম খাতুনের (১৯) ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।
রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় শেরেবাংলা নগর থানাধীন ন্যাম ভবনের ৫ নম্বর বিল্ডিংয়ের তৃতীয় তলার ২০৩ নম্বর ফ্ল্যাটে তার মরদেহ ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পাওয়া যায়।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন তেজগাঁও বিভাগের ডিসি ইবনে মিজান।
সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে তিনি জানান, মরদেহ তখনও ঝুলন্ত অবস্থায় ছিল। ঘটনাস্থলে সিআইডির ফরেনসিক টিম পাঠানো হচ্ছে।
ডিসি তেজগাঁও বলেন, “লাশ এখনও ঝুলন্ত অবস্থায় আছে। সিআইডির ফরেনসিক টিম আসছে। আমরা পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা নিচ্ছি।”
মরিয়ম খাতুনের মৃত্যুর কারণ তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি। ফরেনসিক পরীক্ষা ও তদন্তের পর এ বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য জানা যাবে।
রাজধানীর ন্যাম ভবনের একটি ফ্ল্যাট থেকে সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামের দ্বিতীয় স্ত্রী মোছা. মরিয়ম খাতুনের (১৯) ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।
রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় শেরেবাংলা নগর থানাধীন ন্যাম ভবনের ৫ নম্বর বিল্ডিংয়ের তৃতীয় তলার ২০৩ নম্বর ফ্ল্যাটে তার মরদেহ ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পাওয়া যায়।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন তেজগাঁও বিভাগের ডিসি ইবনে মিজান।
সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে তিনি জানান, মরদেহ তখনও ঝুলন্ত অবস্থায় ছিল। ঘটনাস্থলে সিআইডির ফরেনসিক টিম পাঠানো হচ্ছে।
ডিসি তেজগাঁও বলেন, “লাশ এখনও ঝুলন্ত অবস্থায় আছে। সিআইডির ফরেনসিক টিম আসছে। আমরা পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা নিচ্ছি।”
মরিয়ম খাতুনের মৃত্যুর কারণ তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি। ফরেনসিক পরীক্ষা ও তদন্তের পর এ বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য জানা যাবে।

১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ ১৫:৩৭
যশোরের শার্শা উপজেলা ও বেনাপোলে এলাকায় এ বছর সোনালী আঁশ পাটের ফলন ভালো। হলেও শ্রমিক সংকট ও অধিক মজুরি কৃষকদের কষ্টের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। পাট কাটা থেকে শুরু করে আঁশ ছাড়ানোর প্রতিটি ধাপেই শ্রমিকদের উচ্চ মজুরি দিতে হচ্ছে কৃষকদের। ফলে ভালো ফলনের আনন্দেও মিশেছে দুশ্চিন্তার ছাপ।
কৃষকদের অভিযোগ, গত বছরের তুলনায় এ বছর পাটের দাম কিছুটা কম। বর্তমানে বাজারে প্রতি মণ পাট বিক্রি হচ্ছে ৩২০০ থেকে ৩৫০০ টাকার মধ্যে। অন্যদিকে শ্রমিক সংকটের কারণে মজুরি বেড়ে যাওয়ায় খরচও অনেক বেড়েছে। এতে কৃষকরা কাঙ্ক্ষিত লাভ থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। অনেকে পাটকাঠি কেনাবেচাকে ব্যবসা হিসেবে নিয়েছেন। এতে নতুন কর্মসংস্থার সৃষ্টি হয়েছে,
উপজেলার কৃষকরা জানান, দূর দুরান্ত থেকে ব্যবসায়ীরা এসে পাটকাঠি কিনে নিচ্ছেন। এবং ভাল দাম দিচ্ছেন,বর্তমানে এক মণ বিক্রি হচ্ছে ৮০০ থেকে ১০০০ টাকায়। যেখানে এক সময় ১২০থেকে ২৩০ টাকায় বিক্রি হতো। আর পাটকাঠি তাদের প্রকৃত লাভের মুখ দেখাচ্ছে।
কৃষকেরা পাট ও পাটকাঠি শুকিয়ে ঘরে তুলার ব্যস্ত সময় পার করছেন। তারা এখন পাটকাঠি যত্ন করে মজুদ করছেন। এই সময় পাটকাঠি প্রধারত গ্রামের অসচ্ছল পরিবারের ঘরের বেড়া ও জ্বালানি হিসেবে ব্যবহার হতো।
কিন্তু প্রযুক্তির কল্যাণে এটি এখন অর্থ কারী পূর্ণ হয়ে উঠেছে। পাটকাঠির ব্যাপক চাহিদা তৈরি হয়েছে। ফলে পাটকাঠি বিক্রয় করে আর্থিক ভাবে লাভবান হওয়ার স্বপ্ন দেখছেন। স্থানীয় চাষিরা পাটের উপজাত এই পাটখড়ি এখন চড়া দামে বিক্রি হচ্ছে।
তবে এ বছর আশার আলো জুগিয়েছে পাটখড়ি। গত বছর যেখানে প্রতি আঁটি পাটখড়ি ১৫ থেকে ২০ টাকায় বিক্রি হয়েছে, সেখানে এ বছর সেই আঁটির দাম দাঁড়িয়েছে ৫০ থেকে ৭০ টাকায়। আঁশের দামে ক্ষতি হলেও পাটখড়ি বিক্রি করে কিছুটা সান্ত্বনা পাচ্ছেন কৃষকেরা।
পাট জাগ দেওয়ার জন্য পর্যাপ্ত পানি সরবরাহ থাকায় কৃষকেরা তুলনামূলকভাবে সুবিধা পেয়েছেন। হাকর, খাল, বিল, বেতনা, কেউ ছোট ডোবায় আবার কেউ নিজস্ব জমিতে পাট কেটে জাগ দিয়েছেন।
ডিহি ইউনিয়নের কৃষক আলমগীর হোসেন বলেন, এক বিঘা জমিতে পাট আবাদ করতে ১০ থেকে ১২ হাজার টাকা খরচ হয়েছে। ঠিকভাবে হিসাব করলে দেখা যায়, ন্যায্য দাম আমরা পাইনা।
উপজেলার কায়বা ইউনিয়নের কৃষক আব্দুর রহমান জানান, ফলন ভালো, দামও সন্তোষজনক। তবে কতদিন এ দাম থাকবে, তা নিয়ে শঙ্কায় আছে। উপজেলা কৃষি অফিসার দীপক কুমার সাহা জানান, এই বছর সোনালী আঁশ (পাটের) ফলন ভালো হয়েছে।
এই উপজেলায় একটি পৌরসভা ও ১১ টি ইউনিয়নে অর্থবছরে২০২৪-২৫মোট ৫৪৬৫হেক্টর জমিতে,চলতি বছরে২০২৫-২৬মোট৫৯২৯=হেক্টর, এই বছরে বেশি ৪৬৪ হেক্টর জমিতে পাট উৎপাদন হয়। আগের বছর তুলনায। গত এক দশকে ধরেই এই জ্বালানির বাজার
বারছে। অনেকে পাটকাঠি কেনাবেচাকে ব্যবসা হিসেবে নিয়েছেন। এতে নতুন কর্মসংস্থার সৃষ্টি হয়েছে। এই বছর পাট জাগ দেওয়ার জন্য পর্যাপ্ত পানি সরবরাহ থাকায় কৃষকেরা তুলনামূলক ভাবে সুবিধা পেয়েছেন।
২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৮:১২
২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৭:১৩
২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৩:৪৩
২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১১:০৫