
২০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১১:২৬
নিজস্ব প্রতিবেদক, বরিশাল: চট্টগ্রামের চন্দনাইশ উপজেলায় দালালের প্রলোভনে দক্ষিণ আফ্রিকায় পাড়ি দিয়ে এক যুবকের করুণ মৃত্যু হয়েছে।
রোববার (১৫ ফেব্রুয়ারি) দক্ষিণ আফ্রিকায় মোহাম্মদ ফাহাদ (১৮) নামের যুবক মারা যান। নিহত ফাহাদ উপজেলার ৯নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা নুর মোহাম্মদের ছেলে। তার আকস্মিক মৃত্যুতে পরিবার ও এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, গত ৩০ জানুয়ারি ঢাকার ফারুক নামে এক দালালের মাধ্যমে ৯ লাখ টাকার চুক্তিতে দক্ষিণ আফ্রিকায় যাওয়ার ব্যবস্থা করা হয়। ওইদিন বিকেল ৪টা ৫০ মিনিটে হযরত শাহ্জালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে ইথিওপিয়া এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইটে ঢাকা ত্যাগ করেন ফাহাদ।
পরবর্তীতে বিভিন্ন দেশ ঘুরে দক্ষিণ আফ্রিকার সীমান্তের কাছাকাছি একটি স্থানে নামানো হয় তাকে। সেখান থেকে পায়ে হেঁটে সীমান্ত অতিক্রম করে তিনি দক্ষিণ আফ্রিকার মসিনা শহরে পৌঁছান। সেখানে দালাল ফারুক একটি ভাড়া বাসায় তাকে রাখেন।
দক্ষিণ আফ্রিকায় পৌঁছানোর ২/৩ দিনের মধ্যেই ফাহাদ মৃত্যুবরণ করেন। স্থানীয় প্রবাসী নোয়াখালীর মারুফ জানান, রোববার আসরের নামাজের সময় পুলিশ তার মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য নিয়ে যায়।
তিনি ব্যক্তিগতভাবে ফাহাদকে চিনতেন না, তবে বাংলাদেশি হওয়ায় বিষয়টি নজরে আসে। নিহতের পরিবার জানায়, ফাহাদের দুই মামা দক্ষিণ আফ্রিকায় অবস্থান করছেন। তারা মরদেহ দেশে পাঠানোর প্রক্রিয়া চালাচ্ছেন।
ফাহাদের পিতা নুর মোহাম্মদ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ‘ভালো ভবিষ্যতের আশায় ছেলেকে বিদেশে পাঠিয়েছিলাম। কিন্তু এখন তার লাশ দেশে আনতে হবে-এটা সহ্য করার মতো নয়।’
এ ঘটনায় এলাকায় দালাল চক্রের বিরুদ্ধে ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। স্থানীয়রা অবৈধ পথে বিদেশ গমনের ঝুঁকি সম্পর্কে সচেতনতা বাড়ানো এবং দালালদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।
নিজস্ব প্রতিবেদক, বরিশাল: চট্টগ্রামের চন্দনাইশ উপজেলায় দালালের প্রলোভনে দক্ষিণ আফ্রিকায় পাড়ি দিয়ে এক যুবকের করুণ মৃত্যু হয়েছে।
রোববার (১৫ ফেব্রুয়ারি) দক্ষিণ আফ্রিকায় মোহাম্মদ ফাহাদ (১৮) নামের যুবক মারা যান। নিহত ফাহাদ উপজেলার ৯নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা নুর মোহাম্মদের ছেলে। তার আকস্মিক মৃত্যুতে পরিবার ও এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, গত ৩০ জানুয়ারি ঢাকার ফারুক নামে এক দালালের মাধ্যমে ৯ লাখ টাকার চুক্তিতে দক্ষিণ আফ্রিকায় যাওয়ার ব্যবস্থা করা হয়। ওইদিন বিকেল ৪টা ৫০ মিনিটে হযরত শাহ্জালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে ইথিওপিয়া এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইটে ঢাকা ত্যাগ করেন ফাহাদ।
পরবর্তীতে বিভিন্ন দেশ ঘুরে দক্ষিণ আফ্রিকার সীমান্তের কাছাকাছি একটি স্থানে নামানো হয় তাকে। সেখান থেকে পায়ে হেঁটে সীমান্ত অতিক্রম করে তিনি দক্ষিণ আফ্রিকার মসিনা শহরে পৌঁছান। সেখানে দালাল ফারুক একটি ভাড়া বাসায় তাকে রাখেন।
দক্ষিণ আফ্রিকায় পৌঁছানোর ২/৩ দিনের মধ্যেই ফাহাদ মৃত্যুবরণ করেন। স্থানীয় প্রবাসী নোয়াখালীর মারুফ জানান, রোববার আসরের নামাজের সময় পুলিশ তার মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য নিয়ে যায়।
তিনি ব্যক্তিগতভাবে ফাহাদকে চিনতেন না, তবে বাংলাদেশি হওয়ায় বিষয়টি নজরে আসে। নিহতের পরিবার জানায়, ফাহাদের দুই মামা দক্ষিণ আফ্রিকায় অবস্থান করছেন। তারা মরদেহ দেশে পাঠানোর প্রক্রিয়া চালাচ্ছেন।
ফাহাদের পিতা নুর মোহাম্মদ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ‘ভালো ভবিষ্যতের আশায় ছেলেকে বিদেশে পাঠিয়েছিলাম। কিন্তু এখন তার লাশ দেশে আনতে হবে-এটা সহ্য করার মতো নয়।’
এ ঘটনায় এলাকায় দালাল চক্রের বিরুদ্ধে ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। স্থানীয়রা অবৈধ পথে বিদেশ গমনের ঝুঁকি সম্পর্কে সচেতনতা বাড়ানো এবং দালালদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

২০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৭:৪৭
চট্টগ্রাম নগরের কোতোয়ালী থানা এলাকা থেকে আওয়ামী লীগের নিষিদ্ধ সংগঠন যুবলীগের আট নেতাকর্মীকে আটক করেছে পুলিশ।শুক্রবার (২০ ফেব্রুয়ারি) সকালে রিয়াজ উদ্দিন বাজারের রাইফেল ক্লাব এলাকা থেকে তাদের আটক করা হয়। পুলিশ জানিয়েছে, শুক্রবার সকালে রাইফেল ক্লাব এলাকায় হঠাৎ আওয়ামী যুবলীগ চট্টগ্রাম মহানগরের ব্যানারে একটি ঝটিকা মিছিল বের করা হয়।
খবর পেয়ে কোতোয়ালী থানা পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে অভিযান চালিয়ে নিষিদ্ধঘোষিত বাংলাদেশ ছাত্রলীগ ও বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগের আট সদস্যকে আটক করে। আটকরা সবাই আওয়ামী লীগের অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মী।
আটক হওয়া ব্যক্তিরা হলেন– মো. তুষার, আব্দুল্লাহ আল নোমান, মো. রাকিব, ইব্রাহীম হোসেন বাবু, মো. শরীফ হোসেন মুন্না, সৈয়দ হামিদ মিয়াজী, মো. মাসুদুর রহমান ও মো. রিয়াজ হোসেন।
কোতোয়ালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আফতাব উদ্দিন বলেন, ঝটিকা মিছিল করার খবর পেয়ে পুলিশ তাৎক্ষণিকভাবে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে আটজনকে আটক করেছে। আসামিদের বিরুদ্ধে মামলাসহ প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
চট্টগ্রাম নগরের কোতোয়ালী থানা এলাকা থেকে আওয়ামী লীগের নিষিদ্ধ সংগঠন যুবলীগের আট নেতাকর্মীকে আটক করেছে পুলিশ।শুক্রবার (২০ ফেব্রুয়ারি) সকালে রিয়াজ উদ্দিন বাজারের রাইফেল ক্লাব এলাকা থেকে তাদের আটক করা হয়। পুলিশ জানিয়েছে, শুক্রবার সকালে রাইফেল ক্লাব এলাকায় হঠাৎ আওয়ামী যুবলীগ চট্টগ্রাম মহানগরের ব্যানারে একটি ঝটিকা মিছিল বের করা হয়।
খবর পেয়ে কোতোয়ালী থানা পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে অভিযান চালিয়ে নিষিদ্ধঘোষিত বাংলাদেশ ছাত্রলীগ ও বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগের আট সদস্যকে আটক করে। আটকরা সবাই আওয়ামী লীগের অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মী।
আটক হওয়া ব্যক্তিরা হলেন– মো. তুষার, আব্দুল্লাহ আল নোমান, মো. রাকিব, ইব্রাহীম হোসেন বাবু, মো. শরীফ হোসেন মুন্না, সৈয়দ হামিদ মিয়াজী, মো. মাসুদুর রহমান ও মো. রিয়াজ হোসেন।
কোতোয়ালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আফতাব উদ্দিন বলেন, ঝটিকা মিছিল করার খবর পেয়ে পুলিশ তাৎক্ষণিকভাবে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে আটজনকে আটক করেছে। আসামিদের বিরুদ্ধে মামলাসহ প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

২০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৭:২৯
প্রেমের টানে মৌলভীবাজারের রাজনগর উপজেলায় কামারচাক গ্রামে ছুটে এসেছেন ক্রিস হুই নামের এক চীনা নাগরিক। আগামীকাল শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) তারা বিয়ের পিঁড়িতে বসবেন। তাদের আগমন উপলক্ষে বরের পুরো বাড়ি সাজানো হয়েছে।
গত বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে উপজেলার কামারচাক ইউনিয়নের টিকরপাড়া গ্রামে হেলিকপ্টারে করেক্রিস হুইকে নিয়ে আসেন প্রেমিক সুকান্ত সেন।
সুকান্ত চীন প্রবাসী টিকরপাড়ার সেন বাড়ির প্রয়াত স্বপন কুমার সেন ও শিল্পী রানি সেনের ছেলে। আর কনে চীনের সাংহাইয়ের বাসিন্দা ক্রিস হুই।
স্থানীয়রা জানান, হবু বর-কনেকে একনজর দেখতে গ্রামের অনেকে ছুটে আসছেন। বিদেশি তরুণীর সঙ্গে প্রতিবেশী ছেলের বিয়ে হবে—এ কারণে বর-কনেকে একসঙ্গে দেখতে এসেছেন তারা।
জানা যায়, ২০১৮ সালে সুকান্ত চীনে পাড়ি জমান। সেখানে মাস্টার্স ডিগ্রি সম্পন্ন করার পর পরিচয় হয় ক্রিসের সঙ্গে। পরে তারা একসঙ্গে ব্যবসা শুরু করেন। ২০২৫ সালে সেখানে তারা বিবাহের রেজিস্ট্রেশন সম্পন্ন করেন।
বাংলাদেশে বিবাহ অনুষ্ঠানে ক্রিসের সঙ্গে তার মা-বাবা ও চাচা উপস্থিত রয়েছেন। আগামী ২১, ২২ ও ২৪ ফেব্রুয়ারি বর সুকান্তের গ্রামের বাড়িতে তাদের বিয়ের আয়োজন রয়েছে।
কনে ক্রিস হুই বলেন, ‘আমার জন্য বিশেষ মুহূর্ত। আমি বাংলাদেশে এসেছি আমার হাজবেন্ড সুকান্ত সেনের সঙ্গে। আমাদের লাভ স্টোরি অন্যদিন শুনাব। এখানে এসে খুবই খুশি আমি।’
বর সুকান্ত সেন বলেন, ‘২০১৮ সালে আমি চীনে যাই। সেখানে মাস্টার্স ডিগ্রি অর্জন করি। পরে সেখানে চাকরিতে যোগদান করি। ৩-৪ বছর পর ক্রিসের সঙ্গে পরিচিত হই এরপর একজনের প্রতি আরেকজনের ভালোবাসা তৈরি হয়। একপর্যায়ে আমাদের বিশ্বাস তৈরি হয়। ২০২৩ সালে আমরা একসঙ্গে ব্যবসা শুরু করি। এখন চীনে আমাদের একটি কম্পানি আছে।’
তিনি আরো বলেন, ‘২০২৫ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি সেখানে বিবাহের রেজিস্ট্রেশন করি আমরা। এরপর আমরা পরিকল্পনা করি কখন বাংলাদেশে আসব। অবশেষে দেশে এসে খুবই আনন্দিত। আমার পরিকল্পনা ছিল ভিন্ন কিছু করার, এ জন্য ঢাকা থেকে সরাসরি হেলিকপ্টারে বাড়িতে এসেছি।’
প্রেমের টানে মৌলভীবাজারের রাজনগর উপজেলায় কামারচাক গ্রামে ছুটে এসেছেন ক্রিস হুই নামের এক চীনা নাগরিক। আগামীকাল শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) তারা বিয়ের পিঁড়িতে বসবেন। তাদের আগমন উপলক্ষে বরের পুরো বাড়ি সাজানো হয়েছে।
গত বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে উপজেলার কামারচাক ইউনিয়নের টিকরপাড়া গ্রামে হেলিকপ্টারে করেক্রিস হুইকে নিয়ে আসেন প্রেমিক সুকান্ত সেন।
সুকান্ত চীন প্রবাসী টিকরপাড়ার সেন বাড়ির প্রয়াত স্বপন কুমার সেন ও শিল্পী রানি সেনের ছেলে। আর কনে চীনের সাংহাইয়ের বাসিন্দা ক্রিস হুই।
স্থানীয়রা জানান, হবু বর-কনেকে একনজর দেখতে গ্রামের অনেকে ছুটে আসছেন। বিদেশি তরুণীর সঙ্গে প্রতিবেশী ছেলের বিয়ে হবে—এ কারণে বর-কনেকে একসঙ্গে দেখতে এসেছেন তারা।
জানা যায়, ২০১৮ সালে সুকান্ত চীনে পাড়ি জমান। সেখানে মাস্টার্স ডিগ্রি সম্পন্ন করার পর পরিচয় হয় ক্রিসের সঙ্গে। পরে তারা একসঙ্গে ব্যবসা শুরু করেন। ২০২৫ সালে সেখানে তারা বিবাহের রেজিস্ট্রেশন সম্পন্ন করেন।
বাংলাদেশে বিবাহ অনুষ্ঠানে ক্রিসের সঙ্গে তার মা-বাবা ও চাচা উপস্থিত রয়েছেন। আগামী ২১, ২২ ও ২৪ ফেব্রুয়ারি বর সুকান্তের গ্রামের বাড়িতে তাদের বিয়ের আয়োজন রয়েছে।
কনে ক্রিস হুই বলেন, ‘আমার জন্য বিশেষ মুহূর্ত। আমি বাংলাদেশে এসেছি আমার হাজবেন্ড সুকান্ত সেনের সঙ্গে। আমাদের লাভ স্টোরি অন্যদিন শুনাব। এখানে এসে খুবই খুশি আমি।’
বর সুকান্ত সেন বলেন, ‘২০১৮ সালে আমি চীনে যাই। সেখানে মাস্টার্স ডিগ্রি অর্জন করি। পরে সেখানে চাকরিতে যোগদান করি। ৩-৪ বছর পর ক্রিসের সঙ্গে পরিচিত হই এরপর একজনের প্রতি আরেকজনের ভালোবাসা তৈরি হয়। একপর্যায়ে আমাদের বিশ্বাস তৈরি হয়। ২০২৩ সালে আমরা একসঙ্গে ব্যবসা শুরু করি। এখন চীনে আমাদের একটি কম্পানি আছে।’
তিনি আরো বলেন, ‘২০২৫ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি সেখানে বিবাহের রেজিস্ট্রেশন করি আমরা। এরপর আমরা পরিকল্পনা করি কখন বাংলাদেশে আসব। অবশেষে দেশে এসে খুবই আনন্দিত। আমার পরিকল্পনা ছিল ভিন্ন কিছু করার, এ জন্য ঢাকা থেকে সরাসরি হেলিকপ্টারে বাড়িতে এসেছি।’

২০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৪:০৭
নওগাঁয় পতাকা হাতে ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দেওয়ার ঘটনা ঘটেছে। এ-সংক্রান্ত একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। ভিডিওটি জেলা আওয়ামী লীগ অফিসের সামনে ধারণ করা বলে দাবি করেছেন কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা।
বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেখা যায়। তবে কখন পতাকা হাতে ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দেওয়া হয়েছে, সে বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
এদিকে, কার্যক্রম নিষিদ্ধ নওগাঁ জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিবিষয়ক সম্পাদক শফিকুর রহমানের নেতৃত্বে এদিন সকাল ৭টায় আওয়ামী লীগের কার্যালয়ে অবস্থান কর্মসূচি পালনসহ জাতীয় ও দলীয় পতাকা উত্তোলন করা হয় বলে দাবি করা হয়েছে। শফিকুর রহমান মামুন নিজেই তার ফেসবুক পেজে ভিডিওটি আপলোড করে শেয়ার করেছেন। এ ছাড়া জেলার একাধিক নেতাকর্মী ভিডিওটি শেয়ার দিয়েছেন।
৩৪ সেকেন্ডের ভিডিওতে সাদা টি-শার্ট পরা শফিকুর রহমান মামুনসহ ছয়-সাতজন আওয়ামী লীগের নেতাকর্মী ‘জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু’, ‘লড়াই, লড়াই, লড়াই চাই—লড়াই করে বাঁচতে চাই’ স্লোগান দিচ্ছিলেন। ক্যাপশনে লেখা হয়েছে, ‘দীর্ঘ ১৮ মাস পর স্লোগানে স্লোগানে মুখর নওগাঁ জেলা আওয়ামী লীগের দলীয় কার্যালয়।’ এ সময় উত্তোলন করা হয় জাতীয় ও দলীয় পতাকা।
জানতে চাইলে জেলা আওয়ামী লীগের পার্টি অফিসে ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দেওয়ার বিষয়টি সঠিক বলে নিশ্চিত করেছেন সদর থানার ওসি নিয়ামুল হক। তিনি মুঠোফোনে বলেন, ‘আজ ভোরের দিকে তারা পতাকা হাতে জয় বাংলা স্লোগান দিয়েছে। পরে পতাকাগুলো আমরা নিয়ে এসেছি।’
নওগাঁয় পতাকা হাতে ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দেওয়ার ঘটনা ঘটেছে। এ-সংক্রান্ত একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। ভিডিওটি জেলা আওয়ামী লীগ অফিসের সামনে ধারণ করা বলে দাবি করেছেন কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা।
বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেখা যায়। তবে কখন পতাকা হাতে ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দেওয়া হয়েছে, সে বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
এদিকে, কার্যক্রম নিষিদ্ধ নওগাঁ জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিবিষয়ক সম্পাদক শফিকুর রহমানের নেতৃত্বে এদিন সকাল ৭টায় আওয়ামী লীগের কার্যালয়ে অবস্থান কর্মসূচি পালনসহ জাতীয় ও দলীয় পতাকা উত্তোলন করা হয় বলে দাবি করা হয়েছে। শফিকুর রহমান মামুন নিজেই তার ফেসবুক পেজে ভিডিওটি আপলোড করে শেয়ার করেছেন। এ ছাড়া জেলার একাধিক নেতাকর্মী ভিডিওটি শেয়ার দিয়েছেন।
৩৪ সেকেন্ডের ভিডিওতে সাদা টি-শার্ট পরা শফিকুর রহমান মামুনসহ ছয়-সাতজন আওয়ামী লীগের নেতাকর্মী ‘জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু’, ‘লড়াই, লড়াই, লড়াই চাই—লড়াই করে বাঁচতে চাই’ স্লোগান দিচ্ছিলেন। ক্যাপশনে লেখা হয়েছে, ‘দীর্ঘ ১৮ মাস পর স্লোগানে স্লোগানে মুখর নওগাঁ জেলা আওয়ামী লীগের দলীয় কার্যালয়।’ এ সময় উত্তোলন করা হয় জাতীয় ও দলীয় পতাকা।
জানতে চাইলে জেলা আওয়ামী লীগের পার্টি অফিসে ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দেওয়ার বিষয়টি সঠিক বলে নিশ্চিত করেছেন সদর থানার ওসি নিয়ামুল হক। তিনি মুঠোফোনে বলেন, ‘আজ ভোরের দিকে তারা পতাকা হাতে জয় বাংলা স্লোগান দিয়েছে। পরে পতাকাগুলো আমরা নিয়ে এসেছি।’
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.