
৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ ১৩:৩৭
ভোলার মনপুরায় বিগত বছরে এই সময়ে ইলিশের ছড়াছড়ি থাকলেও এবার জেলেদের জালে মিলছে না কাঙ্ক্ষিত ইলিশ। এতে দিশেহারা হয়ে পড়েছেন উপজেলার ৫০ হাজার জেলে পরিবার। এদিকে ইলিশসহ মাছ শিকারে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে সরকার। এতেই উপজেলাজুড়ে উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা বিরাজ করেছে জেলে ও মৎস্য ব্যবসায়ীদের মাঝে। পরিবারে নেমে এসেছে বিষাদের ছায়া।
জানা গেছে, গত বছর ১২ অক্টোবর থেকে নিষেধাজ্ঞার সময় শুরু হলেও এবার ৩ অক্টোবর মধ্যরাত থেকে ২৫ অক্টোবর রাত ১২টা পর্যন্ত ইলিশ নিধন ও সংরক্ষণ নিষেধ করেছে সরকার। তবে এই বছরের সরকারের দেওয়া নিষেধাজ্ঞার সময় পরিবর্তনের দাবি করছেন জেলে ও মৎস্য ব্যসায়ীরা।
জেলে ও মৎস্য ব্যবসায়ীরা জানান, ভরা মৌসুমে নদী ও সাগরে ইলিশ ধরা পড়েনি। খালি হাতে ফিরছে বেশিরভাগ জেলে। যখনি নদী ও সাগরে ইলিশ দেখা মিলছে, তখনই সরকার মাছ ধরার নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে। সরকার ঘোষিত নিষেধাজ্ঞার সময় পরিবর্তনের দাবি করেন তারা।
তারা আরও জানান, প্রতি বছর বাংলাদেশে যখন মাছ ধরার নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়, তখন ভারতীয় জেলেরা বাংলাদেশের সীমানায় প্রবেশ ইলিশ শিকার করেন। তাই তারা ভারতের সঙ্গে মিল রেখে নিষেধাজ্ঞার সময় নির্ধারণের দাবি করেন।
জনতা বাজার এলাকার সমুদ্রগামী টলারের জেলে রফিক জানান, গত দুই বছর নিষেধাজ্ঞা পালন করতে গিয়ে তার শতকোটি টাকার ক্ষতি হয়। এছাড়াও এই বছরে ইলিশ শিকার করে যা আয় করছেন তা ঋণ পরিশোধ করে হাতে কিছু থাকছে না। এতে তার সংসারে অভাব ছাড়ছে না।
মাস্টারহাট এলাকার জেলে হোসেন মাঝি জানান, কিস্তির বোঝা মাথায় নিয়ে প্রতিনিয়ত মেঘনায় জাল ফেলে আসছি। কোনো দিন খালি হাতে ফিরেছি, আবার কোনো দিন দু-একটা ইলিশ নিয়ে ফিরেছি।
এখন যখন আজকাল কমবেশি ইলিশ পড়তে শুরু করেছে, শুনছি সরকার মাছ ধরার নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে। এতে করে দেনা কীভাবে মিটাব আবার নিষেধাজ্ঞার সময় পরিবারের খরচ কীভাবে জোগাড় করব তা নিয়ে দিশেহারা হয়ে পড়েছি।
হাজিরহাট ঘাটের মাঝি আবব্দুর রব, মিজান, সফিজলসহ অনেক জেলেরা অভিযোগ করেন, নিষেধাজ্ঞার সময় সরকারি সাহায্য তারা পান না। এতে তাদের পরিবার পরিজন নিয়ে সংসার চালাতে হিমশিম খেতে হয়।
মৎস্য ব্যবসায়ী হাবিব, হেলাল ও লিটন শাহ জানান, গত ২০ বছর ধরে ইলিশের ব্যবসা করে আসছি। যখন জেলেদের জালে ইলিশ ধরা পড়া শুরু করছে তখনই সরকার নিষেধাজ্ঞা দিয়ে দিয়েছে। তবে গত বছর ১২ অক্টোবর নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে। এই বছর ৩ অক্টোবর কেন দেওয়া হলো তা তারা বুঝতে পারছে না। তাই তারা নিষেধাজ্ঞার সময় পরিবর্তনের দাবি করছেন।
এ বিষয়ে উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা না থাকায় উপজেলা মৎস্য অফিসের ক্ষেত্র সহকারী মো. মনির জানান, জেলেরা নিষেধাজ্ঞা পেছানোর দাবি করেছেন। তবে উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তার দায়িত্বে থাকা লালমোহন মৎস্য কর্মকর্তাকে অবহিত করা হয়েছে।
মনপুরা উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তার দায়িত্বে থাকা লালমোহন উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. আলী আখতার জানান, নদীতে আবহাওয়া পরিবর্তনের কারণে ইলিশের সংরক্ষণ কমে গেছে। তবে মা ইলিশ রক্ষা করা গেলে আগামীতে জেলেদের জালে ইলিশের দেখা মিলবে। তাই সরকারের নিষেধাজ্ঞার যাতে সঠিকভাবে পালন করা হয় সে বিষয়ে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
ইলিশের প্রধান প্রজনন মৌসুমে মা ইলিশ রক্ষায় আগামী ৪ থেকে ২৫ অক্টোবর পর্যন্ত সারা দেশে ২২ দিনের বিশেষ অভিযান চালানো হবে। এ সময় ইলিশ আহরণ, পরিবহন, বিপণন ও মজুত নিষিদ্ধ থাকবে। এ অভিযানে মৎস্য কর্মকর্তাদের পাশাপাশি নৌ পুলিশ, কোস্টগার্ড, নৌবাহিনী, বিমানবাহিনীসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী অংশ নেবে।
ভোলার মনপুরায় বিগত বছরে এই সময়ে ইলিশের ছড়াছড়ি থাকলেও এবার জেলেদের জালে মিলছে না কাঙ্ক্ষিত ইলিশ। এতে দিশেহারা হয়ে পড়েছেন উপজেলার ৫০ হাজার জেলে পরিবার। এদিকে ইলিশসহ মাছ শিকারে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে সরকার। এতেই উপজেলাজুড়ে উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা বিরাজ করেছে জেলে ও মৎস্য ব্যবসায়ীদের মাঝে। পরিবারে নেমে এসেছে বিষাদের ছায়া।
জানা গেছে, গত বছর ১২ অক্টোবর থেকে নিষেধাজ্ঞার সময় শুরু হলেও এবার ৩ অক্টোবর মধ্যরাত থেকে ২৫ অক্টোবর রাত ১২টা পর্যন্ত ইলিশ নিধন ও সংরক্ষণ নিষেধ করেছে সরকার। তবে এই বছরের সরকারের দেওয়া নিষেধাজ্ঞার সময় পরিবর্তনের দাবি করছেন জেলে ও মৎস্য ব্যসায়ীরা।
জেলে ও মৎস্য ব্যবসায়ীরা জানান, ভরা মৌসুমে নদী ও সাগরে ইলিশ ধরা পড়েনি। খালি হাতে ফিরছে বেশিরভাগ জেলে। যখনি নদী ও সাগরে ইলিশ দেখা মিলছে, তখনই সরকার মাছ ধরার নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে। সরকার ঘোষিত নিষেধাজ্ঞার সময় পরিবর্তনের দাবি করেন তারা।
তারা আরও জানান, প্রতি বছর বাংলাদেশে যখন মাছ ধরার নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়, তখন ভারতীয় জেলেরা বাংলাদেশের সীমানায় প্রবেশ ইলিশ শিকার করেন। তাই তারা ভারতের সঙ্গে মিল রেখে নিষেধাজ্ঞার সময় নির্ধারণের দাবি করেন।
জনতা বাজার এলাকার সমুদ্রগামী টলারের জেলে রফিক জানান, গত দুই বছর নিষেধাজ্ঞা পালন করতে গিয়ে তার শতকোটি টাকার ক্ষতি হয়। এছাড়াও এই বছরে ইলিশ শিকার করে যা আয় করছেন তা ঋণ পরিশোধ করে হাতে কিছু থাকছে না। এতে তার সংসারে অভাব ছাড়ছে না।
মাস্টারহাট এলাকার জেলে হোসেন মাঝি জানান, কিস্তির বোঝা মাথায় নিয়ে প্রতিনিয়ত মেঘনায় জাল ফেলে আসছি। কোনো দিন খালি হাতে ফিরেছি, আবার কোনো দিন দু-একটা ইলিশ নিয়ে ফিরেছি।
এখন যখন আজকাল কমবেশি ইলিশ পড়তে শুরু করেছে, শুনছি সরকার মাছ ধরার নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে। এতে করে দেনা কীভাবে মিটাব আবার নিষেধাজ্ঞার সময় পরিবারের খরচ কীভাবে জোগাড় করব তা নিয়ে দিশেহারা হয়ে পড়েছি।
হাজিরহাট ঘাটের মাঝি আবব্দুর রব, মিজান, সফিজলসহ অনেক জেলেরা অভিযোগ করেন, নিষেধাজ্ঞার সময় সরকারি সাহায্য তারা পান না। এতে তাদের পরিবার পরিজন নিয়ে সংসার চালাতে হিমশিম খেতে হয়।
মৎস্য ব্যবসায়ী হাবিব, হেলাল ও লিটন শাহ জানান, গত ২০ বছর ধরে ইলিশের ব্যবসা করে আসছি। যখন জেলেদের জালে ইলিশ ধরা পড়া শুরু করছে তখনই সরকার নিষেধাজ্ঞা দিয়ে দিয়েছে। তবে গত বছর ১২ অক্টোবর নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে। এই বছর ৩ অক্টোবর কেন দেওয়া হলো তা তারা বুঝতে পারছে না। তাই তারা নিষেধাজ্ঞার সময় পরিবর্তনের দাবি করছেন।
এ বিষয়ে উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা না থাকায় উপজেলা মৎস্য অফিসের ক্ষেত্র সহকারী মো. মনির জানান, জেলেরা নিষেধাজ্ঞা পেছানোর দাবি করেছেন। তবে উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তার দায়িত্বে থাকা লালমোহন মৎস্য কর্মকর্তাকে অবহিত করা হয়েছে।
মনপুরা উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তার দায়িত্বে থাকা লালমোহন উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. আলী আখতার জানান, নদীতে আবহাওয়া পরিবর্তনের কারণে ইলিশের সংরক্ষণ কমে গেছে। তবে মা ইলিশ রক্ষা করা গেলে আগামীতে জেলেদের জালে ইলিশের দেখা মিলবে। তাই সরকারের নিষেধাজ্ঞার যাতে সঠিকভাবে পালন করা হয় সে বিষয়ে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
ইলিশের প্রধান প্রজনন মৌসুমে মা ইলিশ রক্ষায় আগামী ৪ থেকে ২৫ অক্টোবর পর্যন্ত সারা দেশে ২২ দিনের বিশেষ অভিযান চালানো হবে। এ সময় ইলিশ আহরণ, পরিবহন, বিপণন ও মজুত নিষিদ্ধ থাকবে। এ অভিযানে মৎস্য কর্মকর্তাদের পাশাপাশি নৌ পুলিশ, কোস্টগার্ড, নৌবাহিনী, বিমানবাহিনীসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী অংশ নেবে।

২৮ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৭:০৯
ভোলা-৪ আসনে ইসলামী আন্দোলনের মনোনীত প্রার্থীর নারী কর্মীদের ওপর একই আসনের জামায়াত প্রার্থীর কর্মীদের হামলার অভিযোগ উঠেছে। এতে ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থী কামাল উদ্দিনের তিন কর্মী আহত হয়েছেন।
বুধবার (২৮ জানুয়ারি) সকাল ৯টায় চরফ্যাশন পৌরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ডে ইসলামী আন্দোলনের মনোনীত প্রার্থীর পক্ষে নির্বাচনি প্রচারণা চলাকালে এ হামলা ও মারধরের ঘটনা ঘটে।
স্থানীয়রা আহত তিনজনকে উদ্ধার করে চরফ্যাশন হাসপাতালে পাঠিয়েছেন। এই ঘটনায় ইসলামী আন্দোলনের পক্ষ থেকে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তার বরাবর একটি অভিযোগ করা হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ভোলা-৪ আসনে ইসলামী আন্দোলনের মনোনীত হাতা পাখা প্রতীকের প্রার্থী কামাল উদ্দিনের মেয়ে মারিয়া কামাল ও তার দুই ভাইসহ কয়েকজন নারী কর্মীদের নিয়ে পৌরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ডের সকাল ৯টার দিকে তার বাবার পক্ষে নির্বাচনি প্রচারণা চালান।
এ সময় জামায়াত ইসলামীর প্রার্থী মোস্তফা কামালের কর্মী সোহেল ও আলাউদ্দিন তাদের নির্বাচনি প্রচারণায় বাঁধা দেন। এ নিয়ে উভয় পক্ষের মধ্যে বাকবিতণ্ডা হয়। পরে সোহেল ও আলাউদ্দিন দলবদ্ধ হয়ে হাত পাখার কর্মীদের ওপর হামলা চালায়।
ভোলা-৪ আসনে ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থী কামাল উদ্দিনের মেয়ে মারিয়া কামাল চরফ্যাশন প্রেসক্লাবে লিখিত বক্তব্যে জানান, তিনি তার দুই ভাই ফয়সাল আহমেদ ও তাহজিবসহ ৭/৮ জন নারী কর্মীকে নিয়ে সকাল ৯টায় পৌরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ডের নির্বাচনি প্রচারণা চালায়।
এ সময় জামায়াত ইসলামীর কর্মী সোহেল ও আলাউদ্দিন তাদের প্রচারণায় বাধা দেন এবং এলাকা ছেড়ে যেতে হুমকি দেন। এ নিয়ে তাদের সাথে বাকবিতণ্ডা শুরু হয়। এ সময় জামায়াত ইসলামীর কর্মীরা দলবদ্ধভাবে তাদের ওপর হামলা চালায়। পরে স্বজন ও স্থানীয়রা আহত অবস্থায় তাদের উদ্ধার করে চরফ্যাশন হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়েছেন।
ভোলা-৪ আসনে ইসলামী আন্দোলনের হাতপাখা প্রতীকের প্রার্থী কামাল উদ্দিন জানান, জামায়াত ইসলামীর কর্মীরা আমাদের নারী কর্মীদের ওপর হামলা চালিয়েছে। তারা বিভিন্নভাবে আমার নির্বাচনি প্রচারণা বানচাল করতে চায়। এতে নির্বাচনের পরিবেশ বিঘ্ন সৃষ্টি হয়। তারা স্থানীয়দের মধ্যে আতংক সৃষ্টি করছে।
ঘটনার পরপরই জামায়াত কর্মী আলাউদ্দিন ও সোহেল মোবাইল ফোন বন্ধ করে আত্মগোপনে চলে যাওয়ায় তাদের বক্তব্য নেওয়া যায়নি। তবে চরফ্যাশন উপজেলা জামায়াত ইসলামীর আমীর অধ্যক্ষ মীর মো. শরিফ জানান, যদি আমাদের কর্মী এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকে তাহলে তার বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. লোকমান হোসেন জানান, ইসলামী আন্দোলনের পক্ষ থেকে আমাকে ঘটনাটি অবগত করেছে। তবে তারা নিজেরাই সমঝোতা করবে বলেও জানিয়েছে।
ভোলা-৪ আসনে ইসলামী আন্দোলনের মনোনীত প্রার্থীর নারী কর্মীদের ওপর একই আসনের জামায়াত প্রার্থীর কর্মীদের হামলার অভিযোগ উঠেছে। এতে ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থী কামাল উদ্দিনের তিন কর্মী আহত হয়েছেন।
বুধবার (২৮ জানুয়ারি) সকাল ৯টায় চরফ্যাশন পৌরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ডে ইসলামী আন্দোলনের মনোনীত প্রার্থীর পক্ষে নির্বাচনি প্রচারণা চলাকালে এ হামলা ও মারধরের ঘটনা ঘটে।
স্থানীয়রা আহত তিনজনকে উদ্ধার করে চরফ্যাশন হাসপাতালে পাঠিয়েছেন। এই ঘটনায় ইসলামী আন্দোলনের পক্ষ থেকে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তার বরাবর একটি অভিযোগ করা হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ভোলা-৪ আসনে ইসলামী আন্দোলনের মনোনীত হাতা পাখা প্রতীকের প্রার্থী কামাল উদ্দিনের মেয়ে মারিয়া কামাল ও তার দুই ভাইসহ কয়েকজন নারী কর্মীদের নিয়ে পৌরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ডের সকাল ৯টার দিকে তার বাবার পক্ষে নির্বাচনি প্রচারণা চালান।
এ সময় জামায়াত ইসলামীর প্রার্থী মোস্তফা কামালের কর্মী সোহেল ও আলাউদ্দিন তাদের নির্বাচনি প্রচারণায় বাঁধা দেন। এ নিয়ে উভয় পক্ষের মধ্যে বাকবিতণ্ডা হয়। পরে সোহেল ও আলাউদ্দিন দলবদ্ধ হয়ে হাত পাখার কর্মীদের ওপর হামলা চালায়।
ভোলা-৪ আসনে ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থী কামাল উদ্দিনের মেয়ে মারিয়া কামাল চরফ্যাশন প্রেসক্লাবে লিখিত বক্তব্যে জানান, তিনি তার দুই ভাই ফয়সাল আহমেদ ও তাহজিবসহ ৭/৮ জন নারী কর্মীকে নিয়ে সকাল ৯টায় পৌরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ডের নির্বাচনি প্রচারণা চালায়।
এ সময় জামায়াত ইসলামীর কর্মী সোহেল ও আলাউদ্দিন তাদের প্রচারণায় বাধা দেন এবং এলাকা ছেড়ে যেতে হুমকি দেন। এ নিয়ে তাদের সাথে বাকবিতণ্ডা শুরু হয়। এ সময় জামায়াত ইসলামীর কর্মীরা দলবদ্ধভাবে তাদের ওপর হামলা চালায়। পরে স্বজন ও স্থানীয়রা আহত অবস্থায় তাদের উদ্ধার করে চরফ্যাশন হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়েছেন।
ভোলা-৪ আসনে ইসলামী আন্দোলনের হাতপাখা প্রতীকের প্রার্থী কামাল উদ্দিন জানান, জামায়াত ইসলামীর কর্মীরা আমাদের নারী কর্মীদের ওপর হামলা চালিয়েছে। তারা বিভিন্নভাবে আমার নির্বাচনি প্রচারণা বানচাল করতে চায়। এতে নির্বাচনের পরিবেশ বিঘ্ন সৃষ্টি হয়। তারা স্থানীয়দের মধ্যে আতংক সৃষ্টি করছে।
ঘটনার পরপরই জামায়াত কর্মী আলাউদ্দিন ও সোহেল মোবাইল ফোন বন্ধ করে আত্মগোপনে চলে যাওয়ায় তাদের বক্তব্য নেওয়া যায়নি। তবে চরফ্যাশন উপজেলা জামায়াত ইসলামীর আমীর অধ্যক্ষ মীর মো. শরিফ জানান, যদি আমাদের কর্মী এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকে তাহলে তার বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. লোকমান হোসেন জানান, ইসলামী আন্দোলনের পক্ষ থেকে আমাকে ঘটনাটি অবগত করেছে। তবে তারা নিজেরাই সমঝোতা করবে বলেও জানিয়েছে।

২৬ জানুয়ারি, ২০২৬ ২০:১৩
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও ভোলা-৩ আসনে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ধানের শীষের প্রার্থী মেজর অব. হাফিজ উদ্দিন আহমেদ (বীরবিক্রম) বলেছেন, জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়ার শাসনামল ছিল বাংলাদেশের জন্য স্বর্ণযুগ। বিএনপি ক্ষমতায় গেলে দেশে সুশাসন ফিরে আসবে। তারেক রহমানের নেতৃত্বে আগামীর বাংলাদেশ একটি শান্তিপূর্ণ দেশে পরিনত হবে। সোমবার (২৬ জানুয়ারী) বিকেলে লালমোহন পৌরসভার বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের মাঠে নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।
মেজর হাফিজ আরো বলেন, প্রফেসর ইউনুসের সরকারের সময় দেশে সুবিচার কায়েম শুরু হয়েছে। যে বিচারের মাধ্যমে ফ্যাসিস্ট সরকারের সময় বিনা বিচারে ঘুম খুন করে মানুষ হত্যাকারী, সন্ত্রাসী, দূর্ণীতিবাজদের ফাসির রায় হচ্ছে, আশা করি তা দ্রুত বাস্তবায়নও হবে। বাংলাদেশে ৯৫% মুসলমান ইসলাম ধর্মের অনুসারী । সে দেশে ইসলামের নিয়মমুযায়ী দেশ পরিচালনা হবে এটাই স্বাভাবিক। বিএনপি এমন একটি দল যারা সন্ত্রাসী লালন করেনা। বিএনপি এমন রাস্ট্র কায়েম করতে চায় যে রাস্ট্রে মানুষ শান্তিতে বসবাস করতে পারবে।
লালমোহন পৌরসভা বিএনপির সভাপতি সাদেক মিয়া জান্টু‘র সভাপতিত্বে এসময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির সভাপতি মো. জাফর ইকবাল, সাধারণ সম্পাদক শফিকুল ইসলাম বাবুল, সাবেক যুগ্ম আহবায়ক শফিউল্যাহ হাওলাদার, সোহেল আজিজ শাহীন, পৌরসভা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক কামরুজ্জামান বাবুল পাটোয়ারী, উপজেলা যুবদলের সভাপতি শাহিনুল ইসলাম কবির হাওলাদার, পৌর যুবদলের সভাপতি জাকির ইমরান, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব শহিদুল ইসলাম হাওলাদারসহ বিএনপির বিভিন্ন অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীবৃন্দ।
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও ভোলা-৩ আসনে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ধানের শীষের প্রার্থী মেজর অব. হাফিজ উদ্দিন আহমেদ (বীরবিক্রম) বলেছেন, জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়ার শাসনামল ছিল বাংলাদেশের জন্য স্বর্ণযুগ। বিএনপি ক্ষমতায় গেলে দেশে সুশাসন ফিরে আসবে। তারেক রহমানের নেতৃত্বে আগামীর বাংলাদেশ একটি শান্তিপূর্ণ দেশে পরিনত হবে। সোমবার (২৬ জানুয়ারী) বিকেলে লালমোহন পৌরসভার বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের মাঠে নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।
মেজর হাফিজ আরো বলেন, প্রফেসর ইউনুসের সরকারের সময় দেশে সুবিচার কায়েম শুরু হয়েছে। যে বিচারের মাধ্যমে ফ্যাসিস্ট সরকারের সময় বিনা বিচারে ঘুম খুন করে মানুষ হত্যাকারী, সন্ত্রাসী, দূর্ণীতিবাজদের ফাসির রায় হচ্ছে, আশা করি তা দ্রুত বাস্তবায়নও হবে। বাংলাদেশে ৯৫% মুসলমান ইসলাম ধর্মের অনুসারী । সে দেশে ইসলামের নিয়মমুযায়ী দেশ পরিচালনা হবে এটাই স্বাভাবিক। বিএনপি এমন একটি দল যারা সন্ত্রাসী লালন করেনা। বিএনপি এমন রাস্ট্র কায়েম করতে চায় যে রাস্ট্রে মানুষ শান্তিতে বসবাস করতে পারবে।
লালমোহন পৌরসভা বিএনপির সভাপতি সাদেক মিয়া জান্টু‘র সভাপতিত্বে এসময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির সভাপতি মো. জাফর ইকবাল, সাধারণ সম্পাদক শফিকুল ইসলাম বাবুল, সাবেক যুগ্ম আহবায়ক শফিউল্যাহ হাওলাদার, সোহেল আজিজ শাহীন, পৌরসভা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক কামরুজ্জামান বাবুল পাটোয়ারী, উপজেলা যুবদলের সভাপতি শাহিনুল ইসলাম কবির হাওলাদার, পৌর যুবদলের সভাপতি জাকির ইমরান, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব শহিদুল ইসলাম হাওলাদারসহ বিএনপির বিভিন্ন অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীবৃন্দ।

২৬ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৮:৪১
ভোলার লালমোহন ও বোরহানউদ্দিনে পৃথক দুর্ঘটনায় চারজন নিহত হয়েছেন। এদের মধ্যে লালমোহনে বাস ও অটোরিকশার সংঘর্ষে এক নারীসহ তিনজন এবং বোরহানউদ্দিনে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় এক যুবক নিহত হয়েছেন। তারা হলেন, শিল্পী রানী দাস, তুষার দাস ও মো. সোহাগ। অপরজনের পরিচয় পাওয়া যায়নি।
সোমবার (২৬ জানুয়ারি) দুপুর আনুমানিক পৌনে ৩টার দিকে লালমোহন উপজেলার গজারিয়া বাজার সংলগ্ন ডা. আজহার উদ্দিন ডিগ্রি কলেজের সামনে ভোলা–চরফ্যাশন সড়কে এবং বোরহানউদ্দিন উপজেলার উদয়পুর রাস্তার মাথা সংলগ্ন কামাল চেয়ারম্যানের বাড়ির সামনে পৃথক সড়ক দুর্ঘটনাগুলো ঘটে।
স্থানীয়রা জানান, অটোরিকশাটি যাত্রী নিয়ে গজারিয়া বাজার এলাকায় যাওয়ার সময় ডা. আজহার উদ্দিন ডিগ্রি কলেজের সামনে আসলে ভোলা থেকে চরফ্যাশনগামী যাত্রীবাহী বাসের সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়।
এতে অটোরিকশাটি দুমড়ে-মুচড়ে যায়। এ সময় এক নারীসহ অটোরিকশার তিন যাত্রী ঘটনাস্থলে নিহত হন। এছাড়া বাসটি রাস্তার পাশে পড়ে যায়। এ ঘটনায় বাস ও অটোরিকশার কয়েকজন যাত্রী আহত হন। অপরদিকে ভোলার বোরহানউদ্দিনে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় মো. সোহাগ হোসেন নামে এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে।
স্থানীয়রা জানান, দুপুরের দিকে সোহাগ ও তার বন্ধু সিয়াম কুঞ্জেরহাট থেকে মোটরসাইকেল চালিয়ে বোরহানউদ্দিন যাচ্ছিলেন। পরে উদয়পুর রাস্তার মাথা সংলগ্ন কামাল চেয়ারম্যানের বাড়ির সামনে ভোলা–চরফ্যাশন সড়কে মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রাস্তার বাইরে পড়ে যায়। এতে ঘটনাস্থলে সোহাগ নিহত হন এবং তার বন্ধু সিয়াম গুরুতর আহত হন। পরে স্থানীয়রা তাকে ভোলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করেন।
লালমোহন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আলিউল ইসলাম ও বোরহানউদ্দিন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুজ্জামান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
ভোলার লালমোহন ও বোরহানউদ্দিনে পৃথক দুর্ঘটনায় চারজন নিহত হয়েছেন। এদের মধ্যে লালমোহনে বাস ও অটোরিকশার সংঘর্ষে এক নারীসহ তিনজন এবং বোরহানউদ্দিনে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় এক যুবক নিহত হয়েছেন। তারা হলেন, শিল্পী রানী দাস, তুষার দাস ও মো. সোহাগ। অপরজনের পরিচয় পাওয়া যায়নি।
সোমবার (২৬ জানুয়ারি) দুপুর আনুমানিক পৌনে ৩টার দিকে লালমোহন উপজেলার গজারিয়া বাজার সংলগ্ন ডা. আজহার উদ্দিন ডিগ্রি কলেজের সামনে ভোলা–চরফ্যাশন সড়কে এবং বোরহানউদ্দিন উপজেলার উদয়পুর রাস্তার মাথা সংলগ্ন কামাল চেয়ারম্যানের বাড়ির সামনে পৃথক সড়ক দুর্ঘটনাগুলো ঘটে।
স্থানীয়রা জানান, অটোরিকশাটি যাত্রী নিয়ে গজারিয়া বাজার এলাকায় যাওয়ার সময় ডা. আজহার উদ্দিন ডিগ্রি কলেজের সামনে আসলে ভোলা থেকে চরফ্যাশনগামী যাত্রীবাহী বাসের সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়।
এতে অটোরিকশাটি দুমড়ে-মুচড়ে যায়। এ সময় এক নারীসহ অটোরিকশার তিন যাত্রী ঘটনাস্থলে নিহত হন। এছাড়া বাসটি রাস্তার পাশে পড়ে যায়। এ ঘটনায় বাস ও অটোরিকশার কয়েকজন যাত্রী আহত হন। অপরদিকে ভোলার বোরহানউদ্দিনে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় মো. সোহাগ হোসেন নামে এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে।
স্থানীয়রা জানান, দুপুরের দিকে সোহাগ ও তার বন্ধু সিয়াম কুঞ্জেরহাট থেকে মোটরসাইকেল চালিয়ে বোরহানউদ্দিন যাচ্ছিলেন। পরে উদয়পুর রাস্তার মাথা সংলগ্ন কামাল চেয়ারম্যানের বাড়ির সামনে ভোলা–চরফ্যাশন সড়কে মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রাস্তার বাইরে পড়ে যায়। এতে ঘটনাস্থলে সোহাগ নিহত হন এবং তার বন্ধু সিয়াম গুরুতর আহত হন। পরে স্থানীয়রা তাকে ভোলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করেন।
লালমোহন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আলিউল ইসলাম ও বোরহানউদ্দিন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুজ্জামান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.