
৩১ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৪:০১
ভোলা-২ আসনের বোরহানউদ্দিন উপজেলায় নির্বাচনী প্রচারণাকে কেন্দ্র করে জামায়াতে ইসলামী ও বিএনপির কর্মী সমর্থকদের মধ্যে উত্তেজনা ও সংঘর্ষের খবর পাওয়া গেছে। এতে দুই পক্ষের অন্তত ১৫ জন আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে। তাদের মধ্যে ৬ জনকে বোরহানউদ্দিন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ও দুজনের অবস্থা গুরুতর হওয়ায় তাদেরকে ভোলা ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
শনিবার (৩১ জানুয়ারি) সকাল সাড়ে ৮টার দিকে উপজেলার টবগী ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের মনিরাম বাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় দুই পক্ষ একে অপরকে দায়ী করেন।
বোরহানউদ্দিন উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির মাওলানা মাকসুদুর রহমান জানান, আজ সকালের দিকে টবগী ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডে জামায়াতের নেতাকর্মীরা দাঁড়িপাল্লার নির্বাচনী প্রচারণার যান। এসময় স্থানীয় চকিদার বাড়ির সামনে দিয়ে যাওয়ার সময় সেখানকার বিএনপির কর্মী বাহার ও সৌরভের নেতৃত্বে বিএনপি কর্মী ইউছুফ, আইয়ুব, শামিম, সোহাগ ও ইউনুস তাদেরকে বাধা দেন এবং লাঠিসোঁটা নিয়ে তাদের ওপর হামলা চালান। এতে ইউনিয়ন জামায়াতের আমির আব্দুল হালিমসহ তাদের ১০-১২ জন আহত হয়েছে।
তিনি আরো জানান, হামলায় গুরুতর আহতরা হলেন: ফয়জুল্লাহ, ইমন, আবদুল হালিম, শাহে আলম, রায়হান, শামিম ও তানজিল। তাদের মধ্যে ৬ জনকে বোরহানউদ্দিন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ও দুজনকে ভোলা ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এ ঘটনায় টবগী ইউনিয়ন জামায়াতে ইসলামী তাৎক্ষনিক প্রতিবাদ মিছিল করেছেন।
এদিকে, পাল্টা অভিযোগ করে উপজেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক সরোয়ার আলম খান জানান, সকাল ৭টার দিকে জামায়াতের কিছু কর্মী বিএনপি কর্মীর বাড়িতে প্রচারণায় যান। এসময় বাড়িতে এক নারী গোসল করছিলেন। এর মধ্যে প্রচারণায় যাওয়াকে কেন্দ্র করে কর্মীদের বাকবিতণ্ডা হয়। এর জেরে স্থানীয় বাজারে বিএনপি কর্মীদের সঙ্গে জামায়াতে কর্মীদের হাতাহাতি হয়। এতে তাদের ৪-৫ জন আহত হয়েছেন। পরে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনী গিয়ে পরিস্থিতি শান্ত করে।
পরে জামায়াতের লোকজন জড়ো হয়ে এলাকায় মহড়া দেয়। বোরহানউদ্দনি থানার ওসি মো. মনরিুজ্জামান জানান, গণসংযোগকালে দুই পক্ষের মধ্যে হাতাহাতি হয়ছে। খবর পেয়ে পুলিশ ও নৌবাহিনী গিয়ে পরিস্থিতি শান্ত করে। এ বিষয়ে কোনো অভিযোগ থাকলে সহকারী রিটার্নিং অফিসারকে জানানোর জন্য বলা হয়ছে।
বোরাহানউদ্দিন উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা ও সহকারী রিটার্নিং অফিসার মনোরঞ্জন বর্মন জানান, এ ঘটনায় বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর পক্ষ থেকে মুঠোফোনে বিষয়টি জানালে সংঘর্ষ এড়াতে তাক্ষনিক ঘটনাস্থলে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীর সদস্যদের পাঠানো হয়েছে। তবে এ ঘটনায় এখনো লিখিত অভিযোগ পাননি তিনি।
ভোলা-২ আসনের বোরহানউদ্দিন উপজেলায় নির্বাচনী প্রচারণাকে কেন্দ্র করে জামায়াতে ইসলামী ও বিএনপির কর্মী সমর্থকদের মধ্যে উত্তেজনা ও সংঘর্ষের খবর পাওয়া গেছে। এতে দুই পক্ষের অন্তত ১৫ জন আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে। তাদের মধ্যে ৬ জনকে বোরহানউদ্দিন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ও দুজনের অবস্থা গুরুতর হওয়ায় তাদেরকে ভোলা ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
শনিবার (৩১ জানুয়ারি) সকাল সাড়ে ৮টার দিকে উপজেলার টবগী ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের মনিরাম বাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় দুই পক্ষ একে অপরকে দায়ী করেন।
বোরহানউদ্দিন উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির মাওলানা মাকসুদুর রহমান জানান, আজ সকালের দিকে টবগী ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডে জামায়াতের নেতাকর্মীরা দাঁড়িপাল্লার নির্বাচনী প্রচারণার যান। এসময় স্থানীয় চকিদার বাড়ির সামনে দিয়ে যাওয়ার সময় সেখানকার বিএনপির কর্মী বাহার ও সৌরভের নেতৃত্বে বিএনপি কর্মী ইউছুফ, আইয়ুব, শামিম, সোহাগ ও ইউনুস তাদেরকে বাধা দেন এবং লাঠিসোঁটা নিয়ে তাদের ওপর হামলা চালান। এতে ইউনিয়ন জামায়াতের আমির আব্দুল হালিমসহ তাদের ১০-১২ জন আহত হয়েছে।
তিনি আরো জানান, হামলায় গুরুতর আহতরা হলেন: ফয়জুল্লাহ, ইমন, আবদুল হালিম, শাহে আলম, রায়হান, শামিম ও তানজিল। তাদের মধ্যে ৬ জনকে বোরহানউদ্দিন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ও দুজনকে ভোলা ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এ ঘটনায় টবগী ইউনিয়ন জামায়াতে ইসলামী তাৎক্ষনিক প্রতিবাদ মিছিল করেছেন।
এদিকে, পাল্টা অভিযোগ করে উপজেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক সরোয়ার আলম খান জানান, সকাল ৭টার দিকে জামায়াতের কিছু কর্মী বিএনপি কর্মীর বাড়িতে প্রচারণায় যান। এসময় বাড়িতে এক নারী গোসল করছিলেন। এর মধ্যে প্রচারণায় যাওয়াকে কেন্দ্র করে কর্মীদের বাকবিতণ্ডা হয়। এর জেরে স্থানীয় বাজারে বিএনপি কর্মীদের সঙ্গে জামায়াতে কর্মীদের হাতাহাতি হয়। এতে তাদের ৪-৫ জন আহত হয়েছেন। পরে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনী গিয়ে পরিস্থিতি শান্ত করে।
পরে জামায়াতের লোকজন জড়ো হয়ে এলাকায় মহড়া দেয়। বোরহানউদ্দনি থানার ওসি মো. মনরিুজ্জামান জানান, গণসংযোগকালে দুই পক্ষের মধ্যে হাতাহাতি হয়ছে। খবর পেয়ে পুলিশ ও নৌবাহিনী গিয়ে পরিস্থিতি শান্ত করে। এ বিষয়ে কোনো অভিযোগ থাকলে সহকারী রিটার্নিং অফিসারকে জানানোর জন্য বলা হয়ছে।
বোরাহানউদ্দিন উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা ও সহকারী রিটার্নিং অফিসার মনোরঞ্জন বর্মন জানান, এ ঘটনায় বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর পক্ষ থেকে মুঠোফোনে বিষয়টি জানালে সংঘর্ষ এড়াতে তাক্ষনিক ঘটনাস্থলে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীর সদস্যদের পাঠানো হয়েছে। তবে এ ঘটনায় এখনো লিখিত অভিযোগ পাননি তিনি।

০৭ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:৩৯
ভোলার তেঁতুলিয়া নদীতে অভিযান চালিয়ে ৪ হাজার লিটার অবৈধ জ্বালানি তেলসহ একজনকে আটক করেছে কোস্টগার্ড দক্ষিণ জোন।সোমবার (৬ এপ্রিল) বিকেলে ভোলার তেঁতুলিয়া নদী এলাকায় এই অভিযান চালানো হয়। আটক ব্যক্তির নাম মামুন মিজি। তার বাড়ি বরিশাল জেলার মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলার শ্রীপুর এলাকায়।
কোস্টগার্ড দক্ষিণ জোন সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদ ছিল যে বরিশাল থেকে জলপথে জ্বালানি তেলের একটি অবৈধ চালান ভোলার দিকে আসছে। এই সংবাদের ভিত্তিতে কোস্টগার্ডের একটি চৌকস দল তেঁতুলিয়া নদীতে অবস্থান নেয়। অভিযানকালে একটি স্টিল বডির ট্রলার তল্লাশি করে ২০টি ব্যারেলে থাকা মোট ৪ হাজার লিটার জ্বালানি তেল উদ্ধার করা হয়।
এ সময় ট্রলারে থাকা মামুন মিজি তেলের কোনো বৈধ কাগজপত্র দেখাতে পারেননি। পরে তেলসহ ট্রলারটি জব্দ করে ভেদুরিয়া লঞ্চঘাট সংলগ্ন কোস্টগার্ড স্টেশনে নিয়ে আসা হয়। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট উপস্থিত থেকে জব্দ করা তেল স্থানীয় ডিলারের কাছে সরকারি নির্ধারিত মূল্যে হস্তান্তর করেন। বিক্রয়ের পর সেই টাকা রাষ্ট্রীয় কোষাগারে জমা দেয়া হয়েছে।
ভোলার তেঁতুলিয়া নদীতে অভিযান চালিয়ে ৪ হাজার লিটার অবৈধ জ্বালানি তেলসহ একজনকে আটক করেছে কোস্টগার্ড দক্ষিণ জোন।সোমবার (৬ এপ্রিল) বিকেলে ভোলার তেঁতুলিয়া নদী এলাকায় এই অভিযান চালানো হয়। আটক ব্যক্তির নাম মামুন মিজি। তার বাড়ি বরিশাল জেলার মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলার শ্রীপুর এলাকায়।
কোস্টগার্ড দক্ষিণ জোন সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদ ছিল যে বরিশাল থেকে জলপথে জ্বালানি তেলের একটি অবৈধ চালান ভোলার দিকে আসছে। এই সংবাদের ভিত্তিতে কোস্টগার্ডের একটি চৌকস দল তেঁতুলিয়া নদীতে অবস্থান নেয়। অভিযানকালে একটি স্টিল বডির ট্রলার তল্লাশি করে ২০টি ব্যারেলে থাকা মোট ৪ হাজার লিটার জ্বালানি তেল উদ্ধার করা হয়।
এ সময় ট্রলারে থাকা মামুন মিজি তেলের কোনো বৈধ কাগজপত্র দেখাতে পারেননি। পরে তেলসহ ট্রলারটি জব্দ করে ভেদুরিয়া লঞ্চঘাট সংলগ্ন কোস্টগার্ড স্টেশনে নিয়ে আসা হয়। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট উপস্থিত থেকে জব্দ করা তেল স্থানীয় ডিলারের কাছে সরকারি নির্ধারিত মূল্যে হস্তান্তর করেন। বিক্রয়ের পর সেই টাকা রাষ্ট্রীয় কোষাগারে জমা দেয়া হয়েছে।

০৫ এপ্রিল, ২০২৬ ১৮:০১
ভোলার তজুমদ্দিন উপজেলায় দিন দিন জনপ্রিয় হয়ে উঠছে সূর্যমুখী ফুলের চাষ। কম খরচে অধিক ফলন ও লাভজনক হওয়ায় আলু এবং টমেটোর মতো প্রথাগত চাষাবাদ ছেড়ে সূর্যমুখী চাষে ঝুঁকছেন কৃষকেরা। ভোজ্যতেলের মূল্য বৃদ্ধি পাওয়ায় বিকল্প পদ্ধতিতে অধিক লাভের আশায় দিন দিন সূর্যমুখীর চাষ বাড়ছে বলে জানান কৃষক ও কৃষি বিভাগের কর্মকর্তারা।
উপজেলার বিভিন্ন স্থানে বিস্তীর্ণ মাঠজুড়ে সবুজ পাতার মাঝে হলুদ সূর্যমুখী ফুল শোভা ছড়াচ্ছে। প্রতিটি ফুল যেন সূর্যের আলোয় হাসিমুখে দাঁড়িয়ে আছে। হলুদ ফুল আর সবুজ গাছের এই সমন্বয়ে তৈরি হয়েছে অপরূপ দৃশ্য। আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে ভালো লাভের আশায় আছেন চাষিরা।
উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, গত কয়েক বছর ধরে কৃষি প্রণোদনা কর্মসূচির আওতায় এবং কৃষি অফিসের পরামর্শে উপজেলার বিভিন্ন স্থানে সূর্যমুখীর চাষ শুরু হয়। এ বছর পার্টনার প্রকল্পের মাধ্যমে ৩টি এবং তেল ফসল প্রকল্পের মাধ্যমে ১৫টি প্রদর্শনীসহ প্রণোদনা কর্মসূচির আওতায় উপজেলায় প্রায় ৮৫ হেক্টর জমিতে সূর্যমুখীর চাষ হয়েছে।
লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৮২ হেক্টর, অর্থাৎ লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ৩ হেক্টর বেশি জমিতে চাষ হয়েছে। এ অঞ্চলে সাধারণত ‘প্রজাপতি’ জাতের সূর্যমুখীর চাষ হচ্ছে। প্রাকৃতিক দুর্যোগ না হলে ভালো ফলনের সম্ভাবনা রয়েছে।
সোনাপুর ইউনিয়নের চরজহিরউদ্দিন গ্রামের চাষি মো. মামুন বলেন, আমি এ বছর ৩৩ শতাংশ জমিতে সূর্যমুখী চাষ করেছি। আগে সরিষা চাষ করতাম, তবে গত কয়েক বছর ধরে সূর্যমুখী চাষ করছি। কারণ সরিষার তুলনায় সূর্যমুখী চাষে খরচ কম এবং লাভ বেশি। তাই এখন অনেকেই সরিষা বাদ দিয়ে সূর্যমুখী চাষ করছেন।
আড়ালিয়া গ্রামের চাষি মেঘনাথ দাস বলেন, আমি গত তিন বছর ধরে সূর্যমুখী চাষ করছি। বিগত বছরগুলোতে যে পরিমাণ ফসল পেয়েছি, তা নিজেদের তেল ব্যবহারের পাশাপাশি বিক্রিও করেছি। কম খরচে অন্য ফসলের তুলনায় ভালো ফলন হওয়ায় এ বছর কৃষি অফিস থেকে বীজ সংগ্রহ করে প্রায় ৩০ শতাংশ জমিতে চাষ করেছি।
জমি চাষ থেকে শুরু করে এখন পর্যন্ত প্রায় ৮ হাজার টাকা খরচ হয়েছে। আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে ৮ থেকে ৯ মণ ফলন পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। কয়েক দিনের মধ্যেই ফসল ঘরে তুলতে পারব বলে আশা করছি।
মেঘনাথ দাসের চাষাবাদ দেখে একই গ্রামের ভাস্কর চন্দ্র মজুমদার, জকির হোসেন, শ্যামল চন্দ্র দাসসহ অনেকেই সূর্যমুখী চাষে আগ্রহী হয়েছেন। উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মো. ইব্রাহিম আসাদ বলেন, সূর্যমুখী একটি তেলজাতীয় ফসল, যা দেশের ভোজ্যতেলের চাহিদা পূরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। কৃষি অফিস থেকে নিয়মিত পরামর্শ ও মনিটরিং অব্যাহত রয়েছে।
প্রণোদনার আওতায় কৃষকদের সার ও বীজ দেওয়া হয়েছে। এ বছর উচ্চফলনশীল জাত ‘হাইব্রিড চ্যাম’ এবং ‘হাইসান-৩৬’ বেশি চাষ হয়েছে। সূর্যমুখী শুধু লাভজনকই নয়, এটি দেশের খাদ্য নিরাপত্তা ও অর্থনীতিতেও গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখতে পারে।
ভোলার তজুমদ্দিন উপজেলায় দিন দিন জনপ্রিয় হয়ে উঠছে সূর্যমুখী ফুলের চাষ। কম খরচে অধিক ফলন ও লাভজনক হওয়ায় আলু এবং টমেটোর মতো প্রথাগত চাষাবাদ ছেড়ে সূর্যমুখী চাষে ঝুঁকছেন কৃষকেরা। ভোজ্যতেলের মূল্য বৃদ্ধি পাওয়ায় বিকল্প পদ্ধতিতে অধিক লাভের আশায় দিন দিন সূর্যমুখীর চাষ বাড়ছে বলে জানান কৃষক ও কৃষি বিভাগের কর্মকর্তারা।
উপজেলার বিভিন্ন স্থানে বিস্তীর্ণ মাঠজুড়ে সবুজ পাতার মাঝে হলুদ সূর্যমুখী ফুল শোভা ছড়াচ্ছে। প্রতিটি ফুল যেন সূর্যের আলোয় হাসিমুখে দাঁড়িয়ে আছে। হলুদ ফুল আর সবুজ গাছের এই সমন্বয়ে তৈরি হয়েছে অপরূপ দৃশ্য। আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে ভালো লাভের আশায় আছেন চাষিরা।
উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, গত কয়েক বছর ধরে কৃষি প্রণোদনা কর্মসূচির আওতায় এবং কৃষি অফিসের পরামর্শে উপজেলার বিভিন্ন স্থানে সূর্যমুখীর চাষ শুরু হয়। এ বছর পার্টনার প্রকল্পের মাধ্যমে ৩টি এবং তেল ফসল প্রকল্পের মাধ্যমে ১৫টি প্রদর্শনীসহ প্রণোদনা কর্মসূচির আওতায় উপজেলায় প্রায় ৮৫ হেক্টর জমিতে সূর্যমুখীর চাষ হয়েছে।
লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৮২ হেক্টর, অর্থাৎ লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ৩ হেক্টর বেশি জমিতে চাষ হয়েছে। এ অঞ্চলে সাধারণত ‘প্রজাপতি’ জাতের সূর্যমুখীর চাষ হচ্ছে। প্রাকৃতিক দুর্যোগ না হলে ভালো ফলনের সম্ভাবনা রয়েছে।
সোনাপুর ইউনিয়নের চরজহিরউদ্দিন গ্রামের চাষি মো. মামুন বলেন, আমি এ বছর ৩৩ শতাংশ জমিতে সূর্যমুখী চাষ করেছি। আগে সরিষা চাষ করতাম, তবে গত কয়েক বছর ধরে সূর্যমুখী চাষ করছি। কারণ সরিষার তুলনায় সূর্যমুখী চাষে খরচ কম এবং লাভ বেশি। তাই এখন অনেকেই সরিষা বাদ দিয়ে সূর্যমুখী চাষ করছেন।
আড়ালিয়া গ্রামের চাষি মেঘনাথ দাস বলেন, আমি গত তিন বছর ধরে সূর্যমুখী চাষ করছি। বিগত বছরগুলোতে যে পরিমাণ ফসল পেয়েছি, তা নিজেদের তেল ব্যবহারের পাশাপাশি বিক্রিও করেছি। কম খরচে অন্য ফসলের তুলনায় ভালো ফলন হওয়ায় এ বছর কৃষি অফিস থেকে বীজ সংগ্রহ করে প্রায় ৩০ শতাংশ জমিতে চাষ করেছি।
জমি চাষ থেকে শুরু করে এখন পর্যন্ত প্রায় ৮ হাজার টাকা খরচ হয়েছে। আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে ৮ থেকে ৯ মণ ফলন পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। কয়েক দিনের মধ্যেই ফসল ঘরে তুলতে পারব বলে আশা করছি।
মেঘনাথ দাসের চাষাবাদ দেখে একই গ্রামের ভাস্কর চন্দ্র মজুমদার, জকির হোসেন, শ্যামল চন্দ্র দাসসহ অনেকেই সূর্যমুখী চাষে আগ্রহী হয়েছেন। উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মো. ইব্রাহিম আসাদ বলেন, সূর্যমুখী একটি তেলজাতীয় ফসল, যা দেশের ভোজ্যতেলের চাহিদা পূরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। কৃষি অফিস থেকে নিয়মিত পরামর্শ ও মনিটরিং অব্যাহত রয়েছে।
প্রণোদনার আওতায় কৃষকদের সার ও বীজ দেওয়া হয়েছে। এ বছর উচ্চফলনশীল জাত ‘হাইব্রিড চ্যাম’ এবং ‘হাইসান-৩৬’ বেশি চাষ হয়েছে। সূর্যমুখী শুধু লাভজনকই নয়, এটি দেশের খাদ্য নিরাপত্তা ও অর্থনীতিতেও গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখতে পারে।

০১ এপ্রিল, ২০২৬ ১৭:০৯
ভোলার বিসিক শিল্পনগরীতে অভিযান চালিয়ে অবৈধভাবে মজুত করা ৫ হাজার ৯৭৪ লিটার ডিজেল জব্দ করেন জেলা প্রশাসনের ভ্রাম্যমাণ আদালত। এই ঘটনায় দুই ব্যবসায়ীকে দেড় লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) দিবাগত রাত ৯টা থেকে ২টা পর্যন্ত সদর উপজেলার খেয়াঘাট এলাকার বিসিক শিল্পনগরীতে খান ফ্লাওয়ার মিলস ও তৃষ্ণা বেকারিতে এই অভিযান চালানো হয়। জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সাইয়েদ মাহমুদ বুলবুল ভ্রাম্যমাণ আদালতের নেতৃত্ব দেন। অভিযান শেষে ফেরার পথে মিলের কিছু শ্রমিক ইট ও বালুর বস্তা ফেলে ব্যারিকেড সৃষ্টি করেন এবং বিসিক শিল্পনগরীর প্রধান ফটকে তালা ঝুলিয়ে দেন। এতে রাত ১১টা পর্যন্ত ম্যাজিস্ট্রেট, পুলিশসহ অভিযানে অংশ নেওয়া সবাই সেখানে অবরুদ্ধ হয়ে পড়েন। পরে ব্যারিকেড সরিয়ে ফেলা হলে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়।
ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা গেছে, বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে জ্বালানি তেলের সংকটের মধ্যে অবৈধ মজুত রোধে দেশজুড়ে অভিযান চলছে। এর অংশ হিসেবে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মঙ্গলবার রাতে বিসিক শিল্পনগরীতে অভিযান পরিচালনা করা হয়।
প্রথমে খান ফ্লাওয়ার মিলসে অভিযান চালিয়ে ৩ হাজার ৯৭৪ লিটার ডিজেল জব্দ করা হয়। এ সময় প্রতিষ্ঠানটির মালিক মো. জামাল হোসেনকে ১ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়। জরিমানা অনাদায়ে তাঁকে এক মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।
সরেজমিনে দেখা যায়, মিলের সামনে একটি গুদামে কয়েকটি প্লাস্টিকের ড্রামে ডিজেল সংরক্ষণ করা ছিল। পরে রাত সাড়ে ১০টার দিকে মজুত রাখা ডিজেলসহ গুদামটি সিলগালা করে দেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।
অভিযান শেষে ফেরার পথে মিলের কিছু শ্রমিক ইট ও বালুর বস্তা ফেলে ব্যারিকেড সৃষ্টি করেন এবং বিসিক শিল্পনগরীর প্রধান ফটকে তালা ঝুলিয়ে দেন। এতে রাত ১১টা পর্যন্ত ম্যাজিস্ট্রেট, পুলিশসহ অভিযান পরিচালনাকারীরা সেখানে অবরুদ্ধ হয়ে পড়েন। পরে ব্যারিকেড সরিয়ে ফেলা হলে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়।
খান ফ্লাওয়ার মিলসের মালিক মো. জামাল হোসেন দাবি করেন, তাঁর কারখানায় রাখা ডিজেল বৈধ। তিনি বলেন, কারখানা ও যানবাহনে ব্যবহারের জন্য জেলা প্রশাসনের অনুমতি নিয়ে তেল সংরক্ষণ করা হয়েছে। তবে এ সময় তিনি জেলা প্রশাসনের কোনো লিখিত অনুমতি দেখাতে পারেননি।
পরে রাত সাড়ে ১১টা থেকে রাত ২টা পর্যন্ত পাশের তৃষ্ণা বেকারিতে অভিযান চালিয়ে অবৈধভাবে মজুত রাখা আরও ২ হাজার লিটার ডিজেল জব্দ করা হয়। এ সময় বেকারির মালিক মো. এনামুল হক জুয়েলকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। জরিমানা অনাদায়ে তাঁকে এক মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দেওয়া হয়। অভিযানে থানা-পুলিশ, গোয়েন্দা সংস্থা ও জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা অংশ নেন।
নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সাইয়েদ মাহমুদ বুলবুল সাংবাদিকদের বলেন, তেল বিক্রির লাইসেন্স না থাকায় দুটি প্রতিষ্ঠানের মালিককে দেড় লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে এবং অবৈধভাবে মজুত করা ৫ হাজার ৯৭৪ লিটার ডিজেল জব্দ করা হয়েছে।’
ভোলার বিসিক শিল্পনগরীতে অভিযান চালিয়ে অবৈধভাবে মজুত করা ৫ হাজার ৯৭৪ লিটার ডিজেল জব্দ করেন জেলা প্রশাসনের ভ্রাম্যমাণ আদালত। এই ঘটনায় দুই ব্যবসায়ীকে দেড় লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) দিবাগত রাত ৯টা থেকে ২টা পর্যন্ত সদর উপজেলার খেয়াঘাট এলাকার বিসিক শিল্পনগরীতে খান ফ্লাওয়ার মিলস ও তৃষ্ণা বেকারিতে এই অভিযান চালানো হয়। জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সাইয়েদ মাহমুদ বুলবুল ভ্রাম্যমাণ আদালতের নেতৃত্ব দেন। অভিযান শেষে ফেরার পথে মিলের কিছু শ্রমিক ইট ও বালুর বস্তা ফেলে ব্যারিকেড সৃষ্টি করেন এবং বিসিক শিল্পনগরীর প্রধান ফটকে তালা ঝুলিয়ে দেন। এতে রাত ১১টা পর্যন্ত ম্যাজিস্ট্রেট, পুলিশসহ অভিযানে অংশ নেওয়া সবাই সেখানে অবরুদ্ধ হয়ে পড়েন। পরে ব্যারিকেড সরিয়ে ফেলা হলে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়।
ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা গেছে, বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে জ্বালানি তেলের সংকটের মধ্যে অবৈধ মজুত রোধে দেশজুড়ে অভিযান চলছে। এর অংশ হিসেবে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মঙ্গলবার রাতে বিসিক শিল্পনগরীতে অভিযান পরিচালনা করা হয়।
প্রথমে খান ফ্লাওয়ার মিলসে অভিযান চালিয়ে ৩ হাজার ৯৭৪ লিটার ডিজেল জব্দ করা হয়। এ সময় প্রতিষ্ঠানটির মালিক মো. জামাল হোসেনকে ১ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়। জরিমানা অনাদায়ে তাঁকে এক মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।
সরেজমিনে দেখা যায়, মিলের সামনে একটি গুদামে কয়েকটি প্লাস্টিকের ড্রামে ডিজেল সংরক্ষণ করা ছিল। পরে রাত সাড়ে ১০টার দিকে মজুত রাখা ডিজেলসহ গুদামটি সিলগালা করে দেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।
অভিযান শেষে ফেরার পথে মিলের কিছু শ্রমিক ইট ও বালুর বস্তা ফেলে ব্যারিকেড সৃষ্টি করেন এবং বিসিক শিল্পনগরীর প্রধান ফটকে তালা ঝুলিয়ে দেন। এতে রাত ১১টা পর্যন্ত ম্যাজিস্ট্রেট, পুলিশসহ অভিযান পরিচালনাকারীরা সেখানে অবরুদ্ধ হয়ে পড়েন। পরে ব্যারিকেড সরিয়ে ফেলা হলে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়।
খান ফ্লাওয়ার মিলসের মালিক মো. জামাল হোসেন দাবি করেন, তাঁর কারখানায় রাখা ডিজেল বৈধ। তিনি বলেন, কারখানা ও যানবাহনে ব্যবহারের জন্য জেলা প্রশাসনের অনুমতি নিয়ে তেল সংরক্ষণ করা হয়েছে। তবে এ সময় তিনি জেলা প্রশাসনের কোনো লিখিত অনুমতি দেখাতে পারেননি।
পরে রাত সাড়ে ১১টা থেকে রাত ২টা পর্যন্ত পাশের তৃষ্ণা বেকারিতে অভিযান চালিয়ে অবৈধভাবে মজুত রাখা আরও ২ হাজার লিটার ডিজেল জব্দ করা হয়। এ সময় বেকারির মালিক মো. এনামুল হক জুয়েলকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। জরিমানা অনাদায়ে তাঁকে এক মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দেওয়া হয়। অভিযানে থানা-পুলিশ, গোয়েন্দা সংস্থা ও জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা অংশ নেন।
নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সাইয়েদ মাহমুদ বুলবুল সাংবাদিকদের বলেন, তেল বিক্রির লাইসেন্স না থাকায় দুটি প্রতিষ্ঠানের মালিককে দেড় লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে এবং অবৈধভাবে মজুত করা ৫ হাজার ৯৭৪ লিটার ডিজেল জব্দ করা হয়েছে।’
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.