
৩১ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৪:০১
ভোলা-২ আসনের বোরহানউদ্দিন উপজেলায় নির্বাচনী প্রচারণাকে কেন্দ্র করে জামায়াতে ইসলামী ও বিএনপির কর্মী সমর্থকদের মধ্যে উত্তেজনা ও সংঘর্ষের খবর পাওয়া গেছে। এতে দুই পক্ষের অন্তত ১৫ জন আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে। তাদের মধ্যে ৬ জনকে বোরহানউদ্দিন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ও দুজনের অবস্থা গুরুতর হওয়ায় তাদেরকে ভোলা ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
শনিবার (৩১ জানুয়ারি) সকাল সাড়ে ৮টার দিকে উপজেলার টবগী ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের মনিরাম বাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় দুই পক্ষ একে অপরকে দায়ী করেন।
বোরহানউদ্দিন উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির মাওলানা মাকসুদুর রহমান জানান, আজ সকালের দিকে টবগী ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডে জামায়াতের নেতাকর্মীরা দাঁড়িপাল্লার নির্বাচনী প্রচারণার যান। এসময় স্থানীয় চকিদার বাড়ির সামনে দিয়ে যাওয়ার সময় সেখানকার বিএনপির কর্মী বাহার ও সৌরভের নেতৃত্বে বিএনপি কর্মী ইউছুফ, আইয়ুব, শামিম, সোহাগ ও ইউনুস তাদেরকে বাধা দেন এবং লাঠিসোঁটা নিয়ে তাদের ওপর হামলা চালান। এতে ইউনিয়ন জামায়াতের আমির আব্দুল হালিমসহ তাদের ১০-১২ জন আহত হয়েছে।
তিনি আরো জানান, হামলায় গুরুতর আহতরা হলেন: ফয়জুল্লাহ, ইমন, আবদুল হালিম, শাহে আলম, রায়হান, শামিম ও তানজিল। তাদের মধ্যে ৬ জনকে বোরহানউদ্দিন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ও দুজনকে ভোলা ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এ ঘটনায় টবগী ইউনিয়ন জামায়াতে ইসলামী তাৎক্ষনিক প্রতিবাদ মিছিল করেছেন।
এদিকে, পাল্টা অভিযোগ করে উপজেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক সরোয়ার আলম খান জানান, সকাল ৭টার দিকে জামায়াতের কিছু কর্মী বিএনপি কর্মীর বাড়িতে প্রচারণায় যান। এসময় বাড়িতে এক নারী গোসল করছিলেন। এর মধ্যে প্রচারণায় যাওয়াকে কেন্দ্র করে কর্মীদের বাকবিতণ্ডা হয়। এর জেরে স্থানীয় বাজারে বিএনপি কর্মীদের সঙ্গে জামায়াতে কর্মীদের হাতাহাতি হয়। এতে তাদের ৪-৫ জন আহত হয়েছেন। পরে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনী গিয়ে পরিস্থিতি শান্ত করে।
পরে জামায়াতের লোকজন জড়ো হয়ে এলাকায় মহড়া দেয়। বোরহানউদ্দনি থানার ওসি মো. মনরিুজ্জামান জানান, গণসংযোগকালে দুই পক্ষের মধ্যে হাতাহাতি হয়ছে। খবর পেয়ে পুলিশ ও নৌবাহিনী গিয়ে পরিস্থিতি শান্ত করে। এ বিষয়ে কোনো অভিযোগ থাকলে সহকারী রিটার্নিং অফিসারকে জানানোর জন্য বলা হয়ছে।
বোরাহানউদ্দিন উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা ও সহকারী রিটার্নিং অফিসার মনোরঞ্জন বর্মন জানান, এ ঘটনায় বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর পক্ষ থেকে মুঠোফোনে বিষয়টি জানালে সংঘর্ষ এড়াতে তাক্ষনিক ঘটনাস্থলে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীর সদস্যদের পাঠানো হয়েছে। তবে এ ঘটনায় এখনো লিখিত অভিযোগ পাননি তিনি।
ভোলা-২ আসনের বোরহানউদ্দিন উপজেলায় নির্বাচনী প্রচারণাকে কেন্দ্র করে জামায়াতে ইসলামী ও বিএনপির কর্মী সমর্থকদের মধ্যে উত্তেজনা ও সংঘর্ষের খবর পাওয়া গেছে। এতে দুই পক্ষের অন্তত ১৫ জন আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে। তাদের মধ্যে ৬ জনকে বোরহানউদ্দিন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ও দুজনের অবস্থা গুরুতর হওয়ায় তাদেরকে ভোলা ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
শনিবার (৩১ জানুয়ারি) সকাল সাড়ে ৮টার দিকে উপজেলার টবগী ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের মনিরাম বাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় দুই পক্ষ একে অপরকে দায়ী করেন।
বোরহানউদ্দিন উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির মাওলানা মাকসুদুর রহমান জানান, আজ সকালের দিকে টবগী ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডে জামায়াতের নেতাকর্মীরা দাঁড়িপাল্লার নির্বাচনী প্রচারণার যান। এসময় স্থানীয় চকিদার বাড়ির সামনে দিয়ে যাওয়ার সময় সেখানকার বিএনপির কর্মী বাহার ও সৌরভের নেতৃত্বে বিএনপি কর্মী ইউছুফ, আইয়ুব, শামিম, সোহাগ ও ইউনুস তাদেরকে বাধা দেন এবং লাঠিসোঁটা নিয়ে তাদের ওপর হামলা চালান। এতে ইউনিয়ন জামায়াতের আমির আব্দুল হালিমসহ তাদের ১০-১২ জন আহত হয়েছে।
তিনি আরো জানান, হামলায় গুরুতর আহতরা হলেন: ফয়জুল্লাহ, ইমন, আবদুল হালিম, শাহে আলম, রায়হান, শামিম ও তানজিল। তাদের মধ্যে ৬ জনকে বোরহানউদ্দিন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ও দুজনকে ভোলা ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এ ঘটনায় টবগী ইউনিয়ন জামায়াতে ইসলামী তাৎক্ষনিক প্রতিবাদ মিছিল করেছেন।
এদিকে, পাল্টা অভিযোগ করে উপজেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক সরোয়ার আলম খান জানান, সকাল ৭টার দিকে জামায়াতের কিছু কর্মী বিএনপি কর্মীর বাড়িতে প্রচারণায় যান। এসময় বাড়িতে এক নারী গোসল করছিলেন। এর মধ্যে প্রচারণায় যাওয়াকে কেন্দ্র করে কর্মীদের বাকবিতণ্ডা হয়। এর জেরে স্থানীয় বাজারে বিএনপি কর্মীদের সঙ্গে জামায়াতে কর্মীদের হাতাহাতি হয়। এতে তাদের ৪-৫ জন আহত হয়েছেন। পরে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনী গিয়ে পরিস্থিতি শান্ত করে।
পরে জামায়াতের লোকজন জড়ো হয়ে এলাকায় মহড়া দেয়। বোরহানউদ্দনি থানার ওসি মো. মনরিুজ্জামান জানান, গণসংযোগকালে দুই পক্ষের মধ্যে হাতাহাতি হয়ছে। খবর পেয়ে পুলিশ ও নৌবাহিনী গিয়ে পরিস্থিতি শান্ত করে। এ বিষয়ে কোনো অভিযোগ থাকলে সহকারী রিটার্নিং অফিসারকে জানানোর জন্য বলা হয়ছে।
বোরাহানউদ্দিন উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা ও সহকারী রিটার্নিং অফিসার মনোরঞ্জন বর্মন জানান, এ ঘটনায় বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর পক্ষ থেকে মুঠোফোনে বিষয়টি জানালে সংঘর্ষ এড়াতে তাক্ষনিক ঘটনাস্থলে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীর সদস্যদের পাঠানো হয়েছে। তবে এ ঘটনায় এখনো লিখিত অভিযোগ পাননি তিনি।

২২ জুন, ২০২৬ ১৫:৩০
ভোলার মনপুরায় বিএনপি অফিসে জুয়ার আসর বসানোর ভিডিও ফেইসবুকে ভাইরাল হয়েছে।ভিডিওতে দেখা যায়, উপজেলার উত্তর সাকুচিয়া ইউনিয়নের আনন্দবাজার বিএনপি অফিসে এ জুয়ার আসরটি বসানো হয়।
গত কয়েকদিন ধরে এই ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। এতে এলাকায় ব্যাপক সমালোচনা ও তোলপাড় সৃষ্টি হয়।
এদিকে এই ঘটনা জানাজানি হওয়ার পর স্থানীয় সংসদ সদস্য নুরুল ইসলাম নয়ন থানা প্রশাসনকে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার নির্দেশ দেন বলে জানান বিএনপির একাধিক নেতা। পরে পুলিশ গিয়ে ওই অফিসটি বন্ধ করে দেয় বলে নিশ্চিত করেন মনপুরা থানার ওসি মাজহারুল ইসলাম।
এদিকে বিএনপির নেতারা দাবী করেন, এটি একটি ক্লাব। বিএনপির অফিস নয়।
ভিডিওতে দেখা যায়, উপজেলার আনন্দবাজার বিএনপির ব্যানার ফেস্টুন টাঙ্গানো অফিসটিতে দুই গ্রুপে বসে জুয়া খেলছে। চেয়ার-টেবিলে বসে এক গ্রুপ, অন্য গ্রুপ নিচে গোল হয়ে বসে খেলছে। এই সময় তাদের মধ্যে টাকা উঠানোকে নিয়ে তর্ক-বিতর্ক চলছিল।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, উপজেলা শ্রমিকদলের যুগ্ন সম্পাদক শামসুদ্দিন দোকান ঘরটি ভাড়া নিয়ে বিএনপি অফিস খুলেন। তাকে এলাকায় কোবা শামসু নামে পরিচিত। তিনি এখানকার সাবেক সংসদ সদস্য নাজিম উদ্দিন আলম গ্রুপ করতেন। তিনি উত্তর সাকুচিয়া ইউনিয়নের আনন্দবাজার সংলগ্ন ৩নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা। তিনি একই এলাকার বাসিন্দা ও ঘরের মালিক থেকে দোকানঘরটি ভাড়া নেন।
ওই শ্রমিকদল নেতার নেতৃত্বে গত ঈদুল আজহা থেকে কিছুদিন বিএনপির অফিসে জুয়ার আসর চলে। পরে অফিসটি পুলিশ বন্ধ করে দেয়। তারপর থেকে ওই শ্রমিকদল নেতা শামসুদ্দিন পলাতক রয়েছে।
এই ব্যাপারে মনপুরা উপজেলা বিএনপির সহসভাপতি ও উত্তর সাকুচিয়া ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান ডাঃ কামাল উদ্দিন জানান, এটি বিএনপির অফিস নয়, এটি শামসুদ্দিন নিজে ভাড়া নিয়ে ক্লাব করেছে। পরে এমপি সাহেবের হস্তক্ষেপে পুলিশ ক্লাবটি বন্ধ করে দেয়।
এই ব্যাপারে মনপুরা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মাজহারুল ইসলাম জানান, এমপি সাহেবের নির্দেশে পুলিশ গিয়ে ক্লাবটি বন্ধ করে দেয়। তবে এই ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থাসহ গ্রেফতারে পুলিশি অভিযান চলছে। এছাড়া মাদক ও অসামাজিক কার্যকলাপে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানে পুলিশ।
বরিশাল টাইমস
ভোলার মনপুরায় বিএনপি অফিসে জুয়ার আসর বসানোর ভিডিও ফেইসবুকে ভাইরাল হয়েছে।ভিডিওতে দেখা যায়, উপজেলার উত্তর সাকুচিয়া ইউনিয়নের আনন্দবাজার বিএনপি অফিসে এ জুয়ার আসরটি বসানো হয়।
গত কয়েকদিন ধরে এই ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। এতে এলাকায় ব্যাপক সমালোচনা ও তোলপাড় সৃষ্টি হয়।
এদিকে এই ঘটনা জানাজানি হওয়ার পর স্থানীয় সংসদ সদস্য নুরুল ইসলাম নয়ন থানা প্রশাসনকে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার নির্দেশ দেন বলে জানান বিএনপির একাধিক নেতা। পরে পুলিশ গিয়ে ওই অফিসটি বন্ধ করে দেয় বলে নিশ্চিত করেন মনপুরা থানার ওসি মাজহারুল ইসলাম।
এদিকে বিএনপির নেতারা দাবী করেন, এটি একটি ক্লাব। বিএনপির অফিস নয়।
ভিডিওতে দেখা যায়, উপজেলার আনন্দবাজার বিএনপির ব্যানার ফেস্টুন টাঙ্গানো অফিসটিতে দুই গ্রুপে বসে জুয়া খেলছে। চেয়ার-টেবিলে বসে এক গ্রুপ, অন্য গ্রুপ নিচে গোল হয়ে বসে খেলছে। এই সময় তাদের মধ্যে টাকা উঠানোকে নিয়ে তর্ক-বিতর্ক চলছিল।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, উপজেলা শ্রমিকদলের যুগ্ন সম্পাদক শামসুদ্দিন দোকান ঘরটি ভাড়া নিয়ে বিএনপি অফিস খুলেন। তাকে এলাকায় কোবা শামসু নামে পরিচিত। তিনি এখানকার সাবেক সংসদ সদস্য নাজিম উদ্দিন আলম গ্রুপ করতেন। তিনি উত্তর সাকুচিয়া ইউনিয়নের আনন্দবাজার সংলগ্ন ৩নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা। তিনি একই এলাকার বাসিন্দা ও ঘরের মালিক থেকে দোকানঘরটি ভাড়া নেন।
ওই শ্রমিকদল নেতার নেতৃত্বে গত ঈদুল আজহা থেকে কিছুদিন বিএনপির অফিসে জুয়ার আসর চলে। পরে অফিসটি পুলিশ বন্ধ করে দেয়। তারপর থেকে ওই শ্রমিকদল নেতা শামসুদ্দিন পলাতক রয়েছে।
এই ব্যাপারে মনপুরা উপজেলা বিএনপির সহসভাপতি ও উত্তর সাকুচিয়া ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান ডাঃ কামাল উদ্দিন জানান, এটি বিএনপির অফিস নয়, এটি শামসুদ্দিন নিজে ভাড়া নিয়ে ক্লাব করেছে। পরে এমপি সাহেবের হস্তক্ষেপে পুলিশ ক্লাবটি বন্ধ করে দেয়।
এই ব্যাপারে মনপুরা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মাজহারুল ইসলাম জানান, এমপি সাহেবের নির্দেশে পুলিশ গিয়ে ক্লাবটি বন্ধ করে দেয়। তবে এই ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থাসহ গ্রেফতারে পুলিশি অভিযান চলছে। এছাড়া মাদক ও অসামাজিক কার্যকলাপে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানে পুলিশ।
বরিশাল টাইমস

২১ জুন, ২০২৬ ১৯:৫১
ভোলার চরফ্যাশন উপজেলায় জমি নিয়ে বিরোধের জেরে জলিল পণ্ডিত নামে এক বৃদ্ধের মৃত্যুর পর তিন স্থানে কবর খোঁড়া হলেও অসিয়ত করে যাওয়ার স্থানে দাফন করতে দেননি সন্তানরা।
এমন অভিযোগ উঠেছে কয়েকজন সন্তানের বিরুদ্ধে। নজিরবিহীন এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। শনিবার (২০ জুন) দুপুর ২টার দিকে উপজেলার শশীভূষণ থানাধীন রসুলপুর ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডে এ ঘটনা ঘটে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, জলিল পণ্ডিত তার জীবদ্দশায় ৫টি বিয়ে করেন এবং বর্তমানে তার দুই স্ত্রী ও বিভিন্ন স্ত্রীদের ১০ জন ছেলে-মেয়ে রয়েছেন।
সন্তানদের অভিযোগ, তিনি রেখে যাওয়া সম্পত্তি ছোট স্ত্রীর মেয়ে খাদিজা আক্তারের নামে দলিল করে যান। এ সম্পত্তি নিয়ে বিরোধের জের ধরেই মরদেহ দাফনে এমন বাধা সৃষ্টি করেন তারা।
স্থানীয় বাসিন্দা আব্দুল বারেক বলেন, ভাই-বোনদের মধ্যে সম্পত্তি নিয়ে অনেক দিন ধরে বিরোধ চলছিল। মৃত্যুর আগে তাদের বাবা জলিল পণ্ডিত মীমাংসা করে দিতে পারেনি, তাই মৃত্যুর পরে এ জটিলাতার সৃষ্টি হয়।
পরবর্তীতে এলাকাবাসী সন্তানদের বুঝিয়ে মৃত জলিল পণ্ডিতের মরদেহ নিজ বাড়ির উঠানের এক কোণায় জানাজা শেষে তড়িঘড়ি করে দাফন সম্পন্ন করেন।
এদিকে এ ঘটনায় সন্তানদের একপক্ষের অভিযোগ, জলিল পণ্ডিতের চতুর্থ স্ত্রীর ছোট মেয়ে খাদিজা আক্তারের নামে গোপনে দলিল করে অধিকাংশ সম্পত্তি দিয়ে গেছেন এবং সে জমিতেই তাকে দাফন করতে হবে।
আর এতেই বাধে বিপত্তি। আরেকপক্ষ সে দাবি মানেনি। কবরের জন্য অসিহত করা স্থান নির্ধারণ নিয়েই মূলত বাবার মরদেহ দাফনের পরিবর্তে উঠানে রেখেই সন্তানদের মধ্যে বাগবিতণ্ডা ও হাতাহাতির ঘটনা ঘটে।
খবর পেয়ে শশীভূষণ থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছালেও উত্তেজনা পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়নি।
পুলিশের সামনেই কয়েক দফা সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। পরবর্তীতে এলাকাবাসী পরিস্থিতি শান্ত করার চেষ্টা করে সন্তানদের বুঝিয়ে জলিল পণ্ডিতের মরদেহ নিজ বাড়ির উঠানে নামমাত্র জানাজা শেষে তড়িঘড়ি করে দাফন সম্পন্ন করেন।
এ বিষয়ে শশীভূষণ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ফিরোজ আহমেদ বলেন, বর্তমানে জলিল পণ্ডিতের ২ স্ত্রী রয়েছেন। তাদের ১০ সন্তান।
সন্তানদের মধ্যে জমি নিয়ে বিরোধের জেরেই এ ঘটনার সূত্রপাত। পরবর্তীতে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তার সন্তানদের শান্ত করে মরদেহটি দাফন করা হয়েছে। তবে এ ঘটনায় থানায় লিখিত কোনো অভিযোগ পাইনি।
ভোলার চরফ্যাশন উপজেলায় জমি নিয়ে বিরোধের জেরে জলিল পণ্ডিত নামে এক বৃদ্ধের মৃত্যুর পর তিন স্থানে কবর খোঁড়া হলেও অসিয়ত করে যাওয়ার স্থানে দাফন করতে দেননি সন্তানরা।
এমন অভিযোগ উঠেছে কয়েকজন সন্তানের বিরুদ্ধে। নজিরবিহীন এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। শনিবার (২০ জুন) দুপুর ২টার দিকে উপজেলার শশীভূষণ থানাধীন রসুলপুর ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডে এ ঘটনা ঘটে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, জলিল পণ্ডিত তার জীবদ্দশায় ৫টি বিয়ে করেন এবং বর্তমানে তার দুই স্ত্রী ও বিভিন্ন স্ত্রীদের ১০ জন ছেলে-মেয়ে রয়েছেন।
সন্তানদের অভিযোগ, তিনি রেখে যাওয়া সম্পত্তি ছোট স্ত্রীর মেয়ে খাদিজা আক্তারের নামে দলিল করে যান। এ সম্পত্তি নিয়ে বিরোধের জের ধরেই মরদেহ দাফনে এমন বাধা সৃষ্টি করেন তারা।
স্থানীয় বাসিন্দা আব্দুল বারেক বলেন, ভাই-বোনদের মধ্যে সম্পত্তি নিয়ে অনেক দিন ধরে বিরোধ চলছিল। মৃত্যুর আগে তাদের বাবা জলিল পণ্ডিত মীমাংসা করে দিতে পারেনি, তাই মৃত্যুর পরে এ জটিলাতার সৃষ্টি হয়।
পরবর্তীতে এলাকাবাসী সন্তানদের বুঝিয়ে মৃত জলিল পণ্ডিতের মরদেহ নিজ বাড়ির উঠানের এক কোণায় জানাজা শেষে তড়িঘড়ি করে দাফন সম্পন্ন করেন।
এদিকে এ ঘটনায় সন্তানদের একপক্ষের অভিযোগ, জলিল পণ্ডিতের চতুর্থ স্ত্রীর ছোট মেয়ে খাদিজা আক্তারের নামে গোপনে দলিল করে অধিকাংশ সম্পত্তি দিয়ে গেছেন এবং সে জমিতেই তাকে দাফন করতে হবে।
আর এতেই বাধে বিপত্তি। আরেকপক্ষ সে দাবি মানেনি। কবরের জন্য অসিহত করা স্থান নির্ধারণ নিয়েই মূলত বাবার মরদেহ দাফনের পরিবর্তে উঠানে রেখেই সন্তানদের মধ্যে বাগবিতণ্ডা ও হাতাহাতির ঘটনা ঘটে।
খবর পেয়ে শশীভূষণ থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছালেও উত্তেজনা পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়নি।
পুলিশের সামনেই কয়েক দফা সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। পরবর্তীতে এলাকাবাসী পরিস্থিতি শান্ত করার চেষ্টা করে সন্তানদের বুঝিয়ে জলিল পণ্ডিতের মরদেহ নিজ বাড়ির উঠানে নামমাত্র জানাজা শেষে তড়িঘড়ি করে দাফন সম্পন্ন করেন।
এ বিষয়ে শশীভূষণ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ফিরোজ আহমেদ বলেন, বর্তমানে জলিল পণ্ডিতের ২ স্ত্রী রয়েছেন। তাদের ১০ সন্তান।
সন্তানদের মধ্যে জমি নিয়ে বিরোধের জেরেই এ ঘটনার সূত্রপাত। পরবর্তীতে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তার সন্তানদের শান্ত করে মরদেহটি দাফন করা হয়েছে। তবে এ ঘটনায় থানায় লিখিত কোনো অভিযোগ পাইনি।

২১ জুন, ২০২৬ ১৮:১৭
ভোলার আলোচিত গৃহবধূ সুমাইয়া আক্তার মিতুর মৃত্যুর ঘটনায় দায়ের করা আত্মহত্যা প্ররোচনার মামলায় গ্রেফতার স্বামী, শাশুড়ি ও খালা শাশুড়ির ২ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।
রবিবার (২১ জুন) দুপুরে ভোলার চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের ভারপ্রাপ্ত বিচারক মো. আরিফুল ইসলাম শুনানি শেষে এ আদেশ দেন।
আদালত সূত্রে জানা যায়, মামলার তদন্ত কর্মকর্তা আসামিদের জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ৩ দিনের রিমান্ড আবেদন করেন। শুনানি শেষে আদালত তাদের ২ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
রিমান্ডে নেওয়া আসামিরা হলেন, নিহত মিতুর স্বামী সোহাগ, শাশুড়ি কোহিনূর বেগম এবং খালা শাশুড়ি মুক্তা আক্তার। তারা মামলার এজাহারভুক্ত ১, ২ ও ৪ নম্বর আসামি।
মামলা সূত্রে জানা যায়, গত ৫ জুন ভোলা শহরের উকিলপাড়া এলাকার একটি ফ্ল্যাট থেকে গৃহবধূ সুমাইয়া আক্তার মিতুর মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। ঘটনার পর স্বামী, শাশুড়ি, ননদসহ শ্বশুরবাড়ির কয়েকজন সদস্য আত্মগোপনে চলে যান।
এ ঘটনায় ওইদিন রাতেই নিহতের বাবা বাদী হয়ে ভোলা সদর মডেল থানায় আত্মহত্যায় প্ররোচনার অভিযোগে ৪ জনের নাম উল্লেখ করে এবং আরও ৫ জনকে অজ্ঞাত আসামি করে মামলা দায়ের করেন।
পরে গত ১৬ জুন রাতে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় ভোলা র্যাব-৮ ও চট্টগ্রাম র্যাব-৭ এর যৌথ অভিযানে চট্টগ্রামের ইপিজেড এলাকার ব্যারিস্টার কলোনি থেকে সোহাগ, কোহিনূর বেগম ও মুক্তা আক্তারকে গ্রেফতার করা হয়। পরদিন আদালতে হাজির করা হলে তাদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়।
এদিকে আলোচিত এ মৃত্যুর ঘটনায় প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন ও দোষীদের বিচারের দাবিতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ বিভিন্ন মহলে চলছে ব্যাপক আলোচনা সমালোচনা।
ভোলার আলোচিত গৃহবধূ সুমাইয়া আক্তার মিতুর মৃত্যুর ঘটনায় দায়ের করা আত্মহত্যা প্ররোচনার মামলায় গ্রেফতার স্বামী, শাশুড়ি ও খালা শাশুড়ির ২ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।
রবিবার (২১ জুন) দুপুরে ভোলার চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের ভারপ্রাপ্ত বিচারক মো. আরিফুল ইসলাম শুনানি শেষে এ আদেশ দেন।
আদালত সূত্রে জানা যায়, মামলার তদন্ত কর্মকর্তা আসামিদের জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ৩ দিনের রিমান্ড আবেদন করেন। শুনানি শেষে আদালত তাদের ২ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
রিমান্ডে নেওয়া আসামিরা হলেন, নিহত মিতুর স্বামী সোহাগ, শাশুড়ি কোহিনূর বেগম এবং খালা শাশুড়ি মুক্তা আক্তার। তারা মামলার এজাহারভুক্ত ১, ২ ও ৪ নম্বর আসামি।
মামলা সূত্রে জানা যায়, গত ৫ জুন ভোলা শহরের উকিলপাড়া এলাকার একটি ফ্ল্যাট থেকে গৃহবধূ সুমাইয়া আক্তার মিতুর মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। ঘটনার পর স্বামী, শাশুড়ি, ননদসহ শ্বশুরবাড়ির কয়েকজন সদস্য আত্মগোপনে চলে যান।
এ ঘটনায় ওইদিন রাতেই নিহতের বাবা বাদী হয়ে ভোলা সদর মডেল থানায় আত্মহত্যায় প্ররোচনার অভিযোগে ৪ জনের নাম উল্লেখ করে এবং আরও ৫ জনকে অজ্ঞাত আসামি করে মামলা দায়ের করেন।
পরে গত ১৬ জুন রাতে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় ভোলা র্যাব-৮ ও চট্টগ্রাম র্যাব-৭ এর যৌথ অভিযানে চট্টগ্রামের ইপিজেড এলাকার ব্যারিস্টার কলোনি থেকে সোহাগ, কোহিনূর বেগম ও মুক্তা আক্তারকে গ্রেফতার করা হয়। পরদিন আদালতে হাজির করা হলে তাদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়।
এদিকে আলোচিত এ মৃত্যুর ঘটনায় প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন ও দোষীদের বিচারের দাবিতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ বিভিন্ন মহলে চলছে ব্যাপক আলোচনা সমালোচনা।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.