
১৫ এপ্রিল, ২০২৬ ২২:১৩
ঝালকাঠির নলছিটিতে প্রতিনিয়ত ছেলের শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনে ঘরছাড়া হওয়ার অভিযোগ করেছেন হাজেরা বিবি (৮৫) নামে এক বৃদ্ধা মা। এ ঘটনায় তিনি নলছিটি থানায় লিখিত অভিযোগ করেছেন।
অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, পৌরসভার শীতলপাড়া গ্রামের বাসিন্দা হাজেরা বিবির স্বামী সোবাহান হাওলাদার ১৭ বছর আগে মারা যান। এরপর থেকে তিনি স্বামীর ঘরেই বসবাস করে আসছিলেন। তাদের দুই ছেলে ও চার মেয়ে রয়েছে। মেয়েদের বিয়ে দেওয়া হয়েছে। ছেলেরা বাবার সম্পত্তির ভাগ নিয়ে আলাদা হয়ে গেছে।
বৃদ্ধা হাজেরা বিবি বলেন, আমার ছোট ছেলে খলিল (৩৫) দীর্ঘদিন ধরে আমাকে ঘর থেকে বের করে দেওয়ার চেষ্টা করছে। সে বিভিন্ন সময় আমাকে শারীরিক ও মানসিকভাবে নির্যাতন করে। গত (১০ এপ্রিল) রাত ১০টার দিকে খলিল গালাগাল করে ঘর থেকে বের করে দরজা বন্ধ করে দেয়।
মেয়ে নাজমা বেগম বলেন, আমাদের সবার ছোট ভাই খলিল। কিন্তু খলিল প্রতিনিয়ত মাকে অশ্লীল ভাষায় গালাগাল করে। খলিলের ছেলেসহ মাকে শারীরিক নির্যাতন করে ঘর থেকে বের করে দেয়।
স্থানীয়রা জানান, বৃদ্ধা হাজেরা বিবিকে দুই ছেলের কেউই দেখভাল করতে চায় না। গত কয়েক দিন আগে রাতে তাকে ঘর থেকে বের করে দিয়েছে। বর্তমানে অসহায় অবস্থায় থাকা হাজেরা বিবির নিরাপত্তার বিষয়টি এখন স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি করেছে। হাজেরা বিবি এখন প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে জীবনের শেষ দিনগুলো শান্তিতে কাটানোর জন্য আইনি সুরক্ষা ও সহযোগিতা চেয়েছেন। তার স্বামীর ঘরে বসবাসের অধিকার নিশ্চিত করতে প্রশাসনের কাছে আইনগত সহায়তা কামনা করেছেন।
অভিযুক্ত খলিল হাওলাদারেকে মুঠোফোনে কল দিলে রিসিভ না করায় মন্তব্য পাওয়া যায়নি।
নলছিটি থানার উপপরিদর্শক মো. নাজমুল হুদা বলেন, অভিযোগ পাওয়ার পরে বৃদ্ধা হাজেরা বিবিকে নিয়ে তাদের বাড়িতে গেলে তার দুই ছেলের কেউই দরজা খোলেনি। মায়ের জন্য ছেলেরা কেউ সুবিধাজনক নয় বলে মনে হচ্ছে।
আগামী শুক্রবার এলাকার ব্যক্তিদের নিয়ে ছেলেরা সালিশ করবেন বলে থানায় জানিয়েছেন।
ছবি- সংগৃহীত
ঝালকাঠির নলছিটিতে প্রতিনিয়ত ছেলের শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনে ঘরছাড়া হওয়ার অভিযোগ করেছেন হাজেরা বিবি (৮৫) নামে এক বৃদ্ধা মা। এ ঘটনায় তিনি নলছিটি থানায় লিখিত অভিযোগ করেছেন।
অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, পৌরসভার শীতলপাড়া গ্রামের বাসিন্দা হাজেরা বিবির স্বামী সোবাহান হাওলাদার ১৭ বছর আগে মারা যান। এরপর থেকে তিনি স্বামীর ঘরেই বসবাস করে আসছিলেন। তাদের দুই ছেলে ও চার মেয়ে রয়েছে। মেয়েদের বিয়ে দেওয়া হয়েছে। ছেলেরা বাবার সম্পত্তির ভাগ নিয়ে আলাদা হয়ে গেছে।
বৃদ্ধা হাজেরা বিবি বলেন, আমার ছোট ছেলে খলিল (৩৫) দীর্ঘদিন ধরে আমাকে ঘর থেকে বের করে দেওয়ার চেষ্টা করছে। সে বিভিন্ন সময় আমাকে শারীরিক ও মানসিকভাবে নির্যাতন করে। গত (১০ এপ্রিল) রাত ১০টার দিকে খলিল গালাগাল করে ঘর থেকে বের করে দরজা বন্ধ করে দেয়।
মেয়ে নাজমা বেগম বলেন, আমাদের সবার ছোট ভাই খলিল। কিন্তু খলিল প্রতিনিয়ত মাকে অশ্লীল ভাষায় গালাগাল করে। খলিলের ছেলেসহ মাকে শারীরিক নির্যাতন করে ঘর থেকে বের করে দেয়।
স্থানীয়রা জানান, বৃদ্ধা হাজেরা বিবিকে দুই ছেলের কেউই দেখভাল করতে চায় না। গত কয়েক দিন আগে রাতে তাকে ঘর থেকে বের করে দিয়েছে। বর্তমানে অসহায় অবস্থায় থাকা হাজেরা বিবির নিরাপত্তার বিষয়টি এখন স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি করেছে। হাজেরা বিবি এখন প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে জীবনের শেষ দিনগুলো শান্তিতে কাটানোর জন্য আইনি সুরক্ষা ও সহযোগিতা চেয়েছেন। তার স্বামীর ঘরে বসবাসের অধিকার নিশ্চিত করতে প্রশাসনের কাছে আইনগত সহায়তা কামনা করেছেন।
অভিযুক্ত খলিল হাওলাদারেকে মুঠোফোনে কল দিলে রিসিভ না করায় মন্তব্য পাওয়া যায়নি।
নলছিটি থানার উপপরিদর্শক মো. নাজমুল হুদা বলেন, অভিযোগ পাওয়ার পরে বৃদ্ধা হাজেরা বিবিকে নিয়ে তাদের বাড়িতে গেলে তার দুই ছেলের কেউই দরজা খোলেনি। মায়ের জন্য ছেলেরা কেউ সুবিধাজনক নয় বলে মনে হচ্ছে।
আগামী শুক্রবার এলাকার ব্যক্তিদের নিয়ে ছেলেরা সালিশ করবেন বলে থানায় জানিয়েছেন।

১৮ জুন, ২০২৬ ১৪:৩৫
বরিশাল-খুলনা আঞ্চলিক মহাসড়কের ঝালকাঠির বাসন্ডা নদীর ওপর আশির দশকে নির্মিত বেইলি ব্রিজটি ৮ বছর আগে ঝুঁকিপূর্ণ ঘোষণার পরও হয়নি নির্মান, ঝুঁকি নিয়েই চলছে যানবাহন।
পুরাতন এই ব্রিজটি মাঝে মাঝে জোড়াতালি দিয়ে সচল রাখা হলেও ক’দিন যেতে না যেতেই আবার যান চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়ে। সড়ক বিভাগ জানিয়েছে, এ ব্রীজের উন্নয়নের জন্য মন্ত্রণালয়ে প্রস্তাবনা পাঠানো হয়েছে।
বরিশাল-খুলনা আঞ্চলিক মহাসড়কের ঝালকাঠির বাসন্ডা নদীর ওপর আশির দশকে নির্মিত বেইলি ব্রিজটি ৮ বছর আগে ঝুঁকিপূর্ণ ঘোষণা করে সড়ক ও জনপথ বিভাগ। গুরুত্বপূর্ণ এই ব্রীজটি দিয়ে বরিশাল বা ঝালকাঠি থেকে পিরোজপুর, বাগেরহাট, খুলনাসহ দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের শত শত যানবহন যাতায়াত করে।
ব্রিজটির উপরে কোন যাত্রীবাহি বাস বা ট্রাক উঠলে, চালক ও যাত্রীরা অনুভব করেন ব্রিজটি দুলছে। এছাড়া এই ব্রীজের স্লাবগুলো আলগা হয়ে রয়েছে। প্রায়ই এখানে দুর্ঘটনা ঘটে। এ ব্রীজটি দ্রুত মেরামত বা নতুন করে নির্মাণ করা না হলে যে কোন সময় বড় ধরনের দূর্ঘটনার আশংকা করছেন এলাবকাবাসী।
ঝালকাঠি সড়ক ও জনপথ বিভাগের প্রকৌশলী জানান,ডিজাইন করেছি প্রাক্লন করেছি,ডিসি অফিসের জমি অধিগ্রহনের চিঠি পেয়েছি। ওজোপাডিকোর খুটি সরানোর টিম এসেছিলো তাদের কাজ চলমান। মুল কথা হচেছ সকল কাজ প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
দীর্ঘ দিনের পুরনো ও জরাজির্ণ ব্রিজগুলো ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে। মাঝে মধ্যে কিছু সংস্কার করে যানবাহন চলাচলের উপযোগী রাখার চেস্টা করলেও তা খুব বেশি কাজে আসছেনা।
বরিশাল-খুলনা আঞ্চলিক মহাসড়কের ঝালকাঠির বাসন্ডা নদীর ওপর আশির দশকে নির্মিত বেইলি ব্রিজটি ৮ বছর আগে ঝুঁকিপূর্ণ ঘোষণার পরও হয়নি নির্মান, ঝুঁকি নিয়েই চলছে যানবাহন।
পুরাতন এই ব্রিজটি মাঝে মাঝে জোড়াতালি দিয়ে সচল রাখা হলেও ক’দিন যেতে না যেতেই আবার যান চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়ে। সড়ক বিভাগ জানিয়েছে, এ ব্রীজের উন্নয়নের জন্য মন্ত্রণালয়ে প্রস্তাবনা পাঠানো হয়েছে।
বরিশাল-খুলনা আঞ্চলিক মহাসড়কের ঝালকাঠির বাসন্ডা নদীর ওপর আশির দশকে নির্মিত বেইলি ব্রিজটি ৮ বছর আগে ঝুঁকিপূর্ণ ঘোষণা করে সড়ক ও জনপথ বিভাগ। গুরুত্বপূর্ণ এই ব্রীজটি দিয়ে বরিশাল বা ঝালকাঠি থেকে পিরোজপুর, বাগেরহাট, খুলনাসহ দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের শত শত যানবহন যাতায়াত করে।
ব্রিজটির উপরে কোন যাত্রীবাহি বাস বা ট্রাক উঠলে, চালক ও যাত্রীরা অনুভব করেন ব্রিজটি দুলছে। এছাড়া এই ব্রীজের স্লাবগুলো আলগা হয়ে রয়েছে। প্রায়ই এখানে দুর্ঘটনা ঘটে। এ ব্রীজটি দ্রুত মেরামত বা নতুন করে নির্মাণ করা না হলে যে কোন সময় বড় ধরনের দূর্ঘটনার আশংকা করছেন এলাবকাবাসী।
ঝালকাঠি সড়ক ও জনপথ বিভাগের প্রকৌশলী জানান,ডিজাইন করেছি প্রাক্লন করেছি,ডিসি অফিসের জমি অধিগ্রহনের চিঠি পেয়েছি। ওজোপাডিকোর খুটি সরানোর টিম এসেছিলো তাদের কাজ চলমান। মুল কথা হচেছ সকল কাজ প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
দীর্ঘ দিনের পুরনো ও জরাজির্ণ ব্রিজগুলো ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে। মাঝে মধ্যে কিছু সংস্কার করে যানবাহন চলাচলের উপযোগী রাখার চেস্টা করলেও তা খুব বেশি কাজে আসছেনা।

১৮ জুন, ২০২৬ ১৩:৫৮
ঝালকাঠি জেলা আওয়ামী লীগের ২৫ নেতাকর্মীর ৩৩টি অস্ত্রের লাইসেন্স বাতিল করা হয়েছে। ঝালকাঠি জেলা প্রশাসনের এক অফিস আদেশে বলা হয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা অনুযায়ী জনস্বার্থে ৩৩টি অস্ত্রের লাইসেন্স বাতিল করা হলো।
অস্ত্রের লাইসেন্স বাতিল করা আওয়ামী লীগ নেতারা হলেন- সাবেক পৌর মেয়র আফজাল হোসেন রানা, জেলা আওয়ামী লীগের অর্থ সম্পাদক মনিরুল ইসলাম তালুকদার, সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান সৈয়দ রাজ্জাক আলী সেলিম, জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারন সম্পাদক মুজিবুল হক আকন, জেলা আওয়ামী লীগ নেতা রুহুল আমিন রেজভী, সদর উপজেলা আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক হাফিজ আল মাহামুদ, জেলা যুবলীগের আহবায়ক রেজাউল করিম জাকির ও যুগ্ম আহবায়ক কামাল শরিফ, কাঠালিয়া উপজেলা যুবলীগ মোহাম্মদ ফরিদুজ্জামান ও মোহাম্মদ জাকির হোসেন, ঝালকাঠি উপজেলা যুবলীগ মো. সোহেল আহমেদ, সৈয়দ জরুল হক স্বপন (ঝালকাঠি সদর যুবলীগ), ইয়াসমিন রাবি পপি (যুব মহিলা লীগ নেত্রী, রাজাপুর) নার্গিস আক্তার, (ঝালকাঠি সদর) চন্দ্রশেখর হালদার (রাজাপুর উপজেলার সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান) শাহিন মৃধা (রাজাপুর) আলম হোসেন (মেকার আলম, ঝালকাঠি সদর), আব্দুর রহিম মিয়া (কৃত্তিপাশা ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান), আমিনুল ইসলাম খান লিটন (গাভারামচন্দ্রপুর) এম এ কুদ্দুস খান (জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় নেতা), মো. আরিফ হোসেন (কাঠালিয়া), মাজেদ হাসান (ঝালকাঠি সদর), পলাশ মন্ডল (ঝালকাঠি সদর) ও মো. লোকমান মল্লিক (কাঠলিয়া)। ঝালকাঠি থানার সেকেন্ড অফিসার আসাদ আল গালিব বলেন, লাইসেন্স বাতিল করা সব অস্ত্র ঝালকাঠি জেলার ৪ থানায় জমা রয়েছে।
ঝালকাঠি জেলা আওয়ামী লীগের ২৫ নেতাকর্মীর ৩৩টি অস্ত্রের লাইসেন্স বাতিল করা হয়েছে। ঝালকাঠি জেলা প্রশাসনের এক অফিস আদেশে বলা হয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা অনুযায়ী জনস্বার্থে ৩৩টি অস্ত্রের লাইসেন্স বাতিল করা হলো।
অস্ত্রের লাইসেন্স বাতিল করা আওয়ামী লীগ নেতারা হলেন- সাবেক পৌর মেয়র আফজাল হোসেন রানা, জেলা আওয়ামী লীগের অর্থ সম্পাদক মনিরুল ইসলাম তালুকদার, সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান সৈয়দ রাজ্জাক আলী সেলিম, জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারন সম্পাদক মুজিবুল হক আকন, জেলা আওয়ামী লীগ নেতা রুহুল আমিন রেজভী, সদর উপজেলা আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক হাফিজ আল মাহামুদ, জেলা যুবলীগের আহবায়ক রেজাউল করিম জাকির ও যুগ্ম আহবায়ক কামাল শরিফ, কাঠালিয়া উপজেলা যুবলীগ মোহাম্মদ ফরিদুজ্জামান ও মোহাম্মদ জাকির হোসেন, ঝালকাঠি উপজেলা যুবলীগ মো. সোহেল আহমেদ, সৈয়দ জরুল হক স্বপন (ঝালকাঠি সদর যুবলীগ), ইয়াসমিন রাবি পপি (যুব মহিলা লীগ নেত্রী, রাজাপুর) নার্গিস আক্তার, (ঝালকাঠি সদর) চন্দ্রশেখর হালদার (রাজাপুর উপজেলার সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান) শাহিন মৃধা (রাজাপুর) আলম হোসেন (মেকার আলম, ঝালকাঠি সদর), আব্দুর রহিম মিয়া (কৃত্তিপাশা ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান), আমিনুল ইসলাম খান লিটন (গাভারামচন্দ্রপুর) এম এ কুদ্দুস খান (জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় নেতা), মো. আরিফ হোসেন (কাঠালিয়া), মাজেদ হাসান (ঝালকাঠি সদর), পলাশ মন্ডল (ঝালকাঠি সদর) ও মো. লোকমান মল্লিক (কাঠলিয়া)। ঝালকাঠি থানার সেকেন্ড অফিসার আসাদ আল গালিব বলেন, লাইসেন্স বাতিল করা সব অস্ত্র ঝালকাঠি জেলার ৪ থানায় জমা রয়েছে।

১৭ জুন, ২০২৬ ১৮:২৪
ঝালকাঠির ঐতিহাসিক বারচালা ও বড় বাজারসহ ১ নম্বর খতিয়ানভুক্ত সরকারি খাস সম্পত্তি রক্ষায় ৫১ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে।
বুধবার (১৭ জুন) বিকেলে টাউন হলের জাতীয়তাবাদী ফোরাম কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত জরুরি সভায় এ কমিটি গঠন করা হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন সাবেক যুবদল সভাপতি ওবায়দুল হক নান্না।
সভায় ঐতিহাসিক বারচালা রক্ষার প্রেক্ষাপট তুলে ধরে বক্তব্য রাখেন জেলা ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি মো. মাহাবুব আলম খান, অ্যাডভোকেট মো. আককাস সিকদার ও উন্নয়ন কর্মী মো. শাহ আলম খলিফা।
গঠিত কমিটিতে আহ্বায়ক করা হয়েছে প্রফেসর এস এম শাহজাহানকে, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক মো. মাহাবুব আলম খান এবং যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবে রয়েছেন মো. শাহ আলম খলিফা, মো. আল আমিন বাকলাই ও কামরুল হাসান খান।
এছাড়া সদস্য সচিব করা হয়েছে অ্যাডভোকেট মো. আককাস সিকদারকে। যুগ্ম সদস্য সচিব হিসেবে রয়েছেন মো. আইয়ুব খান, জিয়াউল হক শহীদ, আব্দুল কাদের খান, আকবর খলিফা ও মনিরুজ্জামান সোহাগ। এছাড়া অ্যাডভোকেট সাকিনা আলম লিজাকে আইন উপদেষ্টা করা হয়েছে।
কমিটির পক্ষ থেকে জানানো হয়, ১ নম্বর খাস খতিয়ানের জমি অবৈধভাবে অন্য নামে রেকর্ড হয়ে থাকলে তা সংশোধন করে পুনরায় খাস খতিয়ানে ফিরিয়ে আনা, জেলা প্রশাসকের সঙ্গে সাক্ষাৎ, বারচালা ভেঙে বহুতল মার্কেট নির্মাণের নকশা বাতিলের দাবি জানানো এবং সরকারি খাস জমি উদ্ধারে প্রয়োজনীয় আইনগত পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।
ঝালকাঠির ঐতিহাসিক বারচালা ও বড় বাজারসহ ১ নম্বর খতিয়ানভুক্ত সরকারি খাস সম্পত্তি রক্ষায় ৫১ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে।
বুধবার (১৭ জুন) বিকেলে টাউন হলের জাতীয়তাবাদী ফোরাম কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত জরুরি সভায় এ কমিটি গঠন করা হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন সাবেক যুবদল সভাপতি ওবায়দুল হক নান্না।
সভায় ঐতিহাসিক বারচালা রক্ষার প্রেক্ষাপট তুলে ধরে বক্তব্য রাখেন জেলা ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি মো. মাহাবুব আলম খান, অ্যাডভোকেট মো. আককাস সিকদার ও উন্নয়ন কর্মী মো. শাহ আলম খলিফা।
গঠিত কমিটিতে আহ্বায়ক করা হয়েছে প্রফেসর এস এম শাহজাহানকে, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক মো. মাহাবুব আলম খান এবং যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবে রয়েছেন মো. শাহ আলম খলিফা, মো. আল আমিন বাকলাই ও কামরুল হাসান খান।
এছাড়া সদস্য সচিব করা হয়েছে অ্যাডভোকেট মো. আককাস সিকদারকে। যুগ্ম সদস্য সচিব হিসেবে রয়েছেন মো. আইয়ুব খান, জিয়াউল হক শহীদ, আব্দুল কাদের খান, আকবর খলিফা ও মনিরুজ্জামান সোহাগ। এছাড়া অ্যাডভোকেট সাকিনা আলম লিজাকে আইন উপদেষ্টা করা হয়েছে।
কমিটির পক্ষ থেকে জানানো হয়, ১ নম্বর খাস খতিয়ানের জমি অবৈধভাবে অন্য নামে রেকর্ড হয়ে থাকলে তা সংশোধন করে পুনরায় খাস খতিয়ানে ফিরিয়ে আনা, জেলা প্রশাসকের সঙ্গে সাক্ষাৎ, বারচালা ভেঙে বহুতল মার্কেট নির্মাণের নকশা বাতিলের দাবি জানানো এবং সরকারি খাস জমি উদ্ধারে প্রয়োজনীয় আইনগত পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
১৮ জুন, ২০২৬ ২৩:৩৯
১৮ জুন, ২০২৬ ১৯:৫৪
১৮ জুন, ২০২৬ ১৯:২১
১৮ জুন, ২০২৬ ১৮:৫১