
২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ ১৩:৪৮
বরিশালের বানারীপাড়া উপজেলার সৈয়দকাঠী ইউনিয়ন কৃষক দলের সাধারণ সম্পাদক আবদুল লতিফ (৫৫) হত্যা মামলার অন্যতম আসামী তুহিনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
থানা সুত্রে জানা গেছে, সোমবার (২৯ সেপ্টেম্বর) ভোরে ভোলা শহর থেকে বরিশাল র ্যাব-৮ ও বানারীপাড়া থানা পুলিশের যৌথ অভিযানে তাকে গ্রেফতার করা হয়।
এর আগে রোববার (২৮ সেপ্টেম্বর) নিহত আব্দুল লতিফের স্ত্রী পারভীনা বেগম বাদী হয়ে উপজেলার করফাকর গ্রামের দেলোয়ার হোসেন ঘরামী ও তার জামাতা তুহিনসহ ৯ জনকে সুনির্দিষ্ট ও বেশ কয়েকজনকে অজ্ঞাতনামা আসামী করে বানারীপাড়া থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন।
এ প্রসঙ্গে বানারীপাড়া থানার ওসির দায়িত্বে থাকা ইন্সপেক্টর (তদন্ত) শতদল মজুমদার জানান, হত্যা মামলার এজাহারনামীয় দুই নম্বর আসামী তুহিনকে গ্রেফতার করা হয়েছে বাকী আসামীদের গ্রেফতারে অভিযান চলছে।
প্রসঙ্গত, শনিবার (২৭ সেপ্টেম্বর) বিকালে উপজেলার সৈয়দকাঠী ইউনিয়নের করফাকর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনে স্থানীয় দেলোয়ার হোসেন ঘরামীর সঙ্গে রাজনৈতিক নানান বিষয় নিয়ে কথা কাটাকাটি হয় আবদুল লতিফের।
একপর্যায়ে দেলোয়ার হোসেন ঘরামী ও তার জামাতা তুহিনসহ আসামীদের বেধরক মারধরে আহত হন আবদুল লতিফ। স্বজন ও স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে বানারীপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স নিয়ে গেলে জরুরী বিভাগের চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
এদিকে এ হত্যাকান্ডের ঘটনায় গোটা উপজেলা উত্তাল হয়ে উঠেছে। হত্যাকান্ডের প্রতিবাদে শনিবার রাতে বানারীপাড়া উপজেলা ও পৌর বিএনপি এবং এর অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা পৌর শহরে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করে।
রোববার (২৮ সেপ্টেম্বর) সকালে এর প্রতিবাদে একযোগে উপজেলার ৮ ইউনিয়নে বিএনপি ও এর অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীরা বিক্ষোভ মিছিল-সমাবেশ করে ঘাতকদের গ্রেফতার ও ফাঁসির দাবি জানান।
অপরদিকে বরিশাল শেবাচিম হাসপাতালে মরদেহের ময়না তদন্ত শেষে রোববার (২৮ সেপ্টেম্বর) বাদ আসর সৈয়দকাঠী ইউনিয়নের করফাকর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে নিহত কৃষকদল নেতা আব্দুল লতিফের অনুষ্ঠিত জানাজায় মানুষের ঢল নামে।
এসময় জানাজায় উপস্থিত নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে ভার্চুয়ালি বক্তব্য রাখেন বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য এস সরফুদ্দিন আহমেদ সান্টু। তিনি আইনের প্রতি শ্রদ্ধা রেখে নেতাকর্মীদের শান্ত থাকার আহবান জানান। এবং শোক সন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়ে নিহত আব্দুল লতিফের রুহের মাগফেরাত কামনা করেন।
জানাযায় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক সাইফ মাহমুদ জুয়েল, জাতীয়তাবাদী কৃষক দলের কেন্দ্রীয় সহ-সাধারণ সম্পাদক লায়ন আক্তার হোসেন সেন্টু,
বরিশাল জেলা (দক্ষিণ) বিএনপির সদস্য সচিব অ্যাড আবুল কালাম শাহীন,জেলা যুবদলের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মামুন রেজা খান,জেলা কৃষক দলের সাধারণ সম্পাদক মোঃ সফরুল আলম, বানারীপাড়া উপজেলা বিএনপির সভাপতি মো: শাহ আলম মিঞা, সহ-সভাপতি গোলাম মাহমুদ মাহবুব মাস্টার, সাধারণ সম্পাদক রিয়াজ উদ্দিন আহমেদ মৃধা, পৌর বিএনপি'র জ্যেষ্ঠ সহ-সভাপতি আব্দুস সালাম,
সাধারণ সম্পাদক মোঃ হাবিবুর রহমান জুয়েল, উপজেলা বিএনপি'র সাংগঠনিক সম্পাদক রুহুল আমিন মল্লিক, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ জামাল রেজা,পৌর বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক শফিকুল আলম রিপন, উপজেলা যুবদলের আহবায়ক সাব্বির আহমেদ সুমন, সদস্য সচিব মিজানুর রহমান, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহবায়ক মোঃ সাইদুল ইসলাম, উপজেলা শ্রমিক দলের সভাপতি সম্রাট তালুকদার প্রমুখ। জানাজা শেষে করফাকর গ্রামের পারিবারিক কবরস্থানে সৈয়দকাঠী ইউনিয়ন কৃষকদলের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল লতিফের মরদেহ দাফন করা হয়। এদিকে তাকে হারিয়ে পরিবারে বইছে শোকের মাতম। গোটা এলাকায় শোকাবহ পরিবেশ বিরাজ করছে।
বরিশালের বানারীপাড়া উপজেলার সৈয়দকাঠী ইউনিয়ন কৃষক দলের সাধারণ সম্পাদক আবদুল লতিফ (৫৫) হত্যা মামলার অন্যতম আসামী তুহিনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
থানা সুত্রে জানা গেছে, সোমবার (২৯ সেপ্টেম্বর) ভোরে ভোলা শহর থেকে বরিশাল র ্যাব-৮ ও বানারীপাড়া থানা পুলিশের যৌথ অভিযানে তাকে গ্রেফতার করা হয়।
এর আগে রোববার (২৮ সেপ্টেম্বর) নিহত আব্দুল লতিফের স্ত্রী পারভীনা বেগম বাদী হয়ে উপজেলার করফাকর গ্রামের দেলোয়ার হোসেন ঘরামী ও তার জামাতা তুহিনসহ ৯ জনকে সুনির্দিষ্ট ও বেশ কয়েকজনকে অজ্ঞাতনামা আসামী করে বানারীপাড়া থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন।
এ প্রসঙ্গে বানারীপাড়া থানার ওসির দায়িত্বে থাকা ইন্সপেক্টর (তদন্ত) শতদল মজুমদার জানান, হত্যা মামলার এজাহারনামীয় দুই নম্বর আসামী তুহিনকে গ্রেফতার করা হয়েছে বাকী আসামীদের গ্রেফতারে অভিযান চলছে।
প্রসঙ্গত, শনিবার (২৭ সেপ্টেম্বর) বিকালে উপজেলার সৈয়দকাঠী ইউনিয়নের করফাকর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনে স্থানীয় দেলোয়ার হোসেন ঘরামীর সঙ্গে রাজনৈতিক নানান বিষয় নিয়ে কথা কাটাকাটি হয় আবদুল লতিফের।
একপর্যায়ে দেলোয়ার হোসেন ঘরামী ও তার জামাতা তুহিনসহ আসামীদের বেধরক মারধরে আহত হন আবদুল লতিফ। স্বজন ও স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে বানারীপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স নিয়ে গেলে জরুরী বিভাগের চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
এদিকে এ হত্যাকান্ডের ঘটনায় গোটা উপজেলা উত্তাল হয়ে উঠেছে। হত্যাকান্ডের প্রতিবাদে শনিবার রাতে বানারীপাড়া উপজেলা ও পৌর বিএনপি এবং এর অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা পৌর শহরে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করে।
রোববার (২৮ সেপ্টেম্বর) সকালে এর প্রতিবাদে একযোগে উপজেলার ৮ ইউনিয়নে বিএনপি ও এর অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীরা বিক্ষোভ মিছিল-সমাবেশ করে ঘাতকদের গ্রেফতার ও ফাঁসির দাবি জানান।
অপরদিকে বরিশাল শেবাচিম হাসপাতালে মরদেহের ময়না তদন্ত শেষে রোববার (২৮ সেপ্টেম্বর) বাদ আসর সৈয়দকাঠী ইউনিয়নের করফাকর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে নিহত কৃষকদল নেতা আব্দুল লতিফের অনুষ্ঠিত জানাজায় মানুষের ঢল নামে।
এসময় জানাজায় উপস্থিত নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে ভার্চুয়ালি বক্তব্য রাখেন বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য এস সরফুদ্দিন আহমেদ সান্টু। তিনি আইনের প্রতি শ্রদ্ধা রেখে নেতাকর্মীদের শান্ত থাকার আহবান জানান। এবং শোক সন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়ে নিহত আব্দুল লতিফের রুহের মাগফেরাত কামনা করেন।
জানাযায় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক সাইফ মাহমুদ জুয়েল, জাতীয়তাবাদী কৃষক দলের কেন্দ্রীয় সহ-সাধারণ সম্পাদক লায়ন আক্তার হোসেন সেন্টু,
বরিশাল জেলা (দক্ষিণ) বিএনপির সদস্য সচিব অ্যাড আবুল কালাম শাহীন,জেলা যুবদলের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মামুন রেজা খান,জেলা কৃষক দলের সাধারণ সম্পাদক মোঃ সফরুল আলম, বানারীপাড়া উপজেলা বিএনপির সভাপতি মো: শাহ আলম মিঞা, সহ-সভাপতি গোলাম মাহমুদ মাহবুব মাস্টার, সাধারণ সম্পাদক রিয়াজ উদ্দিন আহমেদ মৃধা, পৌর বিএনপি'র জ্যেষ্ঠ সহ-সভাপতি আব্দুস সালাম,
সাধারণ সম্পাদক মোঃ হাবিবুর রহমান জুয়েল, উপজেলা বিএনপি'র সাংগঠনিক সম্পাদক রুহুল আমিন মল্লিক, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ জামাল রেজা,পৌর বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক শফিকুল আলম রিপন, উপজেলা যুবদলের আহবায়ক সাব্বির আহমেদ সুমন, সদস্য সচিব মিজানুর রহমান, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহবায়ক মোঃ সাইদুল ইসলাম, উপজেলা শ্রমিক দলের সভাপতি সম্রাট তালুকদার প্রমুখ। জানাজা শেষে করফাকর গ্রামের পারিবারিক কবরস্থানে সৈয়দকাঠী ইউনিয়ন কৃষকদলের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল লতিফের মরদেহ দাফন করা হয়। এদিকে তাকে হারিয়ে পরিবারে বইছে শোকের মাতম। গোটা এলাকায় শোকাবহ পরিবেশ বিরাজ করছে।

১৭ মার্চ, ২০২৬ ০০:৩৯
আজ ১৭ মার্চ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ১০৭তম জন্মদিন। ১৯২০ সালের এই দিনে ফরিদপুর জেলার তৎকালীন গোপালগঞ্জ মহকুমার টুঙ্গিপাড়া গ্রামে সম্ভ্রান্ত শেখ পরিবারে তিনি জন্মগ্রহণ করেন।
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন, ১৯৫৪ সালের যুক্তফ্রন্ট নির্বাচন, ১৯৬২ সালের শিক্ষা আন্দোলনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। ১৯৭১ সালে স্বাধীনতা অর্জনের পর তিনি প্রথমে বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি ও পরবর্তী সময়ে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেন।
ব্রিটিশ ভারত এবং পরবর্তী সময়ে পূর্ব পাকিস্তানে মানুষের অধিকার আদায়ের লক্ষ্যেও তিনি সোচ্চার ছিলেন। রাজনৈতিক জীবনে তাকে বহুবার কারাবরণ করতে হয়।
১৯৬৬ সালে তিনি ঐতিহাসিক ৬ দফা পেশ করেন। ১৯৬৮ সালে তাকে আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলার প্রধান আসামি করা হয়। ১৯৬৯ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি গণঅভ্যুত্থান ও জনগণের চাপের মুখে পাকিস্তান সরকার আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা প্রত্যাহার করে শেখ মুজিবসহ অন্যান্য আসামিকে মুক্তি দেয়। মুক্তিলাভের পর ছাত্র-জনতা শেখ মুজিবকে বঙ্গবন্ধু উপাধি দিয়ে সম্মানিত করেন। শিশুকালে ‘খোকা’ নামে পরিচিত মুজিবের ১৯৭১ সালে দেওয়া ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণ বিশ্বপ্রামাণ্য ঐতিহ্য হিসেবে স্বীকৃতি প্রদান করে ইউনেস্কো।
১৯৭০ সালের নির্বাচনে পাকিস্তানের সংখ্যাগরিষ্ঠ জনগণের ম্যান্ডেট লাভ করে আওয়ামী লীগ। কিন্তু পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠী ক্ষমতা হস্তান্তরে গড়িমসি চালায়। এ প্রেক্ষাপটে ১৯৭১ সালের মার্চে অসহযোগ আন্দোলন শুরু হয়। ওই বছরের ৭ মার্চ তৎকালীন রেসকোর্স ময়দানে (বর্তমান সোহরাওয়ার্দী উদ্যান) ঐতিহাসিক ভাষণ দেন বঙ্গবন্ধু। ২৫ মার্চ রাতে তিনি গ্রেপ্তার হয়ে মুক্তিযুদ্ধের ৯ মাস পাকিস্তানের কারাগারে ছিলেন। ১৯৭২ সালের ১০ জানুয়ারি তিনি পাকিস্তানের কারাগার থেকে মুক্তি পান। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট ধানমন্ডির বাসভবনে সপরিবারের নিহত হন বঙ্গবন্ধু।
২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকার পতনের পর গঠিত অন্তর্বর্তী সরকার দিনটির রাষ্ট্রীয় মর্যাদা ও সরকারি ছুটি বাতিল করে। সেইসঙ্গে ২০০৯ সাল থেকে শুরু হওয়া জাতীয় শিশু দিবস পালনও বন্ধ হয়ে যায়। পরিবর্তিত প্রেক্ষাপটে এবারও বঙ্গবন্ধুর জন্মদিন ঘিরে কোনো কর্মসূচি পালন হচ্ছে না।’

১৬ মার্চ, ২০২৬ ২০:২৪
বরিশালে ওষুধ কোম্পানি অপসোনিন ফার্মাসিউটিক্যালসের গ্লোবাল ক্যাপসুল কারখানায় অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। সোমবার (১৬ মার্চ) বিকেলে নগরীর রূপাতলী কারখানায় এই অগ্নিকাণ্ড ঘটে। পরে ফায়ার সার্ভিসের ৫টি ইউনিট ঘণ্টাব্যাপী চেষ্টা চালিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।
বরিশাল ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন অফিসার রবিউল ইসলাম জানান, কারখানার বয়লারের জ্বালানির জন্য কাঠের গুড়ি স্তূপ করে রাখা ছিল। অসাবধানতাবশত ওই কাঠের গুড়িতে আগুন লেগে যায়। ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা খবর পেয়ে ছুটে এসে দ্রুত আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। তবে কাঠের গুড়ি হওয়ায় পুরোপুরি নিভে যেতে সময় লাগবে।
রবিউল ইসলাম আরও বলেন, কী কারণে আগুনের সূত্রপাত ও কত টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে তা তাৎক্ষণিক জানা সম্ভব নয়, পরবর্তীতে তদন্ত সাপেক্ষে সঠিক তথ্য জানা যাবে।

১৬ মার্চ, ২০২৬ ২০:১৭
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
আজ ১৭ মার্চ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ১০৭তম জন্মদিন। ১৯২০ সালের এই দিনে ফরিদপুর জেলার তৎকালীন গোপালগঞ্জ মহকুমার টুঙ্গিপাড়া গ্রামে সম্ভ্রান্ত শেখ পরিবারে তিনি জন্মগ্রহণ করেন।
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন, ১৯৫৪ সালের যুক্তফ্রন্ট নির্বাচন, ১৯৬২ সালের শিক্ষা আন্দোলনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। ১৯৭১ সালে স্বাধীনতা অর্জনের পর তিনি প্রথমে বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি ও পরবর্তী সময়ে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেন।
ব্রিটিশ ভারত এবং পরবর্তী সময়ে পূর্ব পাকিস্তানে মানুষের অধিকার আদায়ের লক্ষ্যেও তিনি সোচ্চার ছিলেন। রাজনৈতিক জীবনে তাকে বহুবার কারাবরণ করতে হয়।
১৯৬৬ সালে তিনি ঐতিহাসিক ৬ দফা পেশ করেন। ১৯৬৮ সালে তাকে আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলার প্রধান আসামি করা হয়। ১৯৬৯ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি গণঅভ্যুত্থান ও জনগণের চাপের মুখে পাকিস্তান সরকার আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা প্রত্যাহার করে শেখ মুজিবসহ অন্যান্য আসামিকে মুক্তি দেয়। মুক্তিলাভের পর ছাত্র-জনতা শেখ মুজিবকে বঙ্গবন্ধু উপাধি দিয়ে সম্মানিত করেন। শিশুকালে ‘খোকা’ নামে পরিচিত মুজিবের ১৯৭১ সালে দেওয়া ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণ বিশ্বপ্রামাণ্য ঐতিহ্য হিসেবে স্বীকৃতি প্রদান করে ইউনেস্কো।
১৯৭০ সালের নির্বাচনে পাকিস্তানের সংখ্যাগরিষ্ঠ জনগণের ম্যান্ডেট লাভ করে আওয়ামী লীগ। কিন্তু পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠী ক্ষমতা হস্তান্তরে গড়িমসি চালায়। এ প্রেক্ষাপটে ১৯৭১ সালের মার্চে অসহযোগ আন্দোলন শুরু হয়। ওই বছরের ৭ মার্চ তৎকালীন রেসকোর্স ময়দানে (বর্তমান সোহরাওয়ার্দী উদ্যান) ঐতিহাসিক ভাষণ দেন বঙ্গবন্ধু। ২৫ মার্চ রাতে তিনি গ্রেপ্তার হয়ে মুক্তিযুদ্ধের ৯ মাস পাকিস্তানের কারাগারে ছিলেন। ১৯৭২ সালের ১০ জানুয়ারি তিনি পাকিস্তানের কারাগার থেকে মুক্তি পান। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট ধানমন্ডির বাসভবনে সপরিবারের নিহত হন বঙ্গবন্ধু।
২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকার পতনের পর গঠিত অন্তর্বর্তী সরকার দিনটির রাষ্ট্রীয় মর্যাদা ও সরকারি ছুটি বাতিল করে। সেইসঙ্গে ২০০৯ সাল থেকে শুরু হওয়া জাতীয় শিশু দিবস পালনও বন্ধ হয়ে যায়। পরিবর্তিত প্রেক্ষাপটে এবারও বঙ্গবন্ধুর জন্মদিন ঘিরে কোনো কর্মসূচি পালন হচ্ছে না।’
বরিশালে ওষুধ কোম্পানি অপসোনিন ফার্মাসিউটিক্যালসের গ্লোবাল ক্যাপসুল কারখানায় অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। সোমবার (১৬ মার্চ) বিকেলে নগরীর রূপাতলী কারখানায় এই অগ্নিকাণ্ড ঘটে। পরে ফায়ার সার্ভিসের ৫টি ইউনিট ঘণ্টাব্যাপী চেষ্টা চালিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।
বরিশাল ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন অফিসার রবিউল ইসলাম জানান, কারখানার বয়লারের জ্বালানির জন্য কাঠের গুড়ি স্তূপ করে রাখা ছিল। অসাবধানতাবশত ওই কাঠের গুড়িতে আগুন লেগে যায়। ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা খবর পেয়ে ছুটে এসে দ্রুত আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। তবে কাঠের গুড়ি হওয়ায় পুরোপুরি নিভে যেতে সময় লাগবে।
রবিউল ইসলাম আরও বলেন, কী কারণে আগুনের সূত্রপাত ও কত টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে তা তাৎক্ষণিক জানা সম্ভব নয়, পরবর্তীতে তদন্ত সাপেক্ষে সঠিক তথ্য জানা যাবে।
বরিশালের বাবুগঞ্জে কু-প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় ৯ বছর বয়সী এক শিশুকে পুড়িয়ে মারার অভিযোগ উঠেছে প্রতিবেশী কিশোরের বিরুদ্ধে। রোববার (১৫ মার্চ) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে অগ্নিসংযোগের পর রাত সাড়ে ১০টার দিকে ঢাকা শেখ হাসিনা বার্ন ইউনিটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
নিহত শিশু রাইসা বাবুগঞ্জ উপজেলার দেহেরগতি ইউনিয়নের চার নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা দিনমজুর নজরুল ইসলামের মেয়ে। সে স্থানীয় একটি মাদ্রাসার তৃতীয় শ্রেণির ছাত্রী বলে জানা গেছে।
মৃত্যুর আগে অগ্নিদগ্ধ রাইসার একটি ভিডিও বক্তব্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। সেখানে রাইসাকে বলতে শোনা যায়, আমারে খারাপ জিনিস কইছে, আমি হুনিনাই দেইখা শিফাত আমার গায় আগুন দিছে।
ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী স্থানীয় বাসিন্দা তসলিম জানান, রাইসারা এক ভাই, এক বোন। মা তাদের ফেলে রেখে অন্যত্র বিয়ে করেছেন। বড় ভাই ঢাকার একটি ফলের দোকানে চাকরি করেন। বাবা কাঠমিস্ত্রি।
তিনি বলেন, রাইসা স্থানীয় একটি মাদ্রাসার তৃতীয় শ্রেণিতে পড়ে। ঘটনার সময় ওর বাবা বাড়িতে ছিল না। দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে মানুষের ডাকাডাকি এবং রাইসার চিৎকার শুনে ওর ঘরের সামনে ছুটে যায়। দেখতে পাই সারা শরীরের দাউ দাউ করে আগুন জ্বলছে। দ্রুত এক বাতলি পানি মেরে আগুন নেভানোর চেষ্টা করি। পরে ওরে কোলে নিয়ে পাশে থাকা নদীতে ঝাঁপ দিয়ে আগুন নেভাই।
তসলিম বলেন, ‘রাইসাকে উদ্ধার করে যখন হাসপাতালে নিয়ে যাই তখন প্রতিবেশী জালাল সিকদারকে রাইসা দেখতে পায়। তখন রাইসা কাঁদতে কাঁদতে বলতে থাকে— জালাল সিকদারের ছেলে শিফাতের জন্য তার শরীরের আগুন লেগেছে।
তবে ঘটনার পর শিফাতকে ঘটনাস্থলের আশপাশে দেখা যায়নি। আদৌ কেউ ওর গায়ে আগুন দিয়েছে নাকি আগুন লেগেছে, অথবা নিজেই আগুন দিয়েছে কিনা আমার জানা নেই।
তসলিম জানান, ঘটনার পর রাইসাকে পার্শ্ববর্তী উজিরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাই। সেখান থেকে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।
অবস্থা খারাপ হওয়ায় সেখানেও তাকে না রেখে ঢাকা মেডিকেলের শেখ হাসিনা বার্ন ইউনিটে প্রেরণ করে। সেখানে পৌঁছাতে রাত হয়ে যায়। ভর্তি করে অপারেশন থিয়েটার পর্যন্ত যেতে ২ ঘণ্টা সময় লাগে।
চিকিৎসক জানান, রাইসার শরীরের ৮০ শতাংশ পুড়ে গেছে, অবস্থা ভালো না। এরপর অপারেশন থিয়েটারে নেওয়ার কিছুক্ষণ পরই চিকিৎসক জানান রাইসা মারা গেছে। তখন রাত সাড়ে ১০টার মতো বাজতে পারে। বর্তমানে রাইসার মরদেহ মর্গে রয়েছে।
বাবুগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ শেখ মো. এহতেশামুল ইসলাম বলেন, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এমন একটি ঘটনার ভিডিও দেখেছি। তবে এমন অভিযোগ নিয়ে কেউ থানায় আসেনি বা কেউ পুলিশকে জানায়নি। লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
বরিশালের বাবুগঞ্জে কু-প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় ৯ বছর বয়সী এক শিশুকে পুড়িয়ে মারার অভিযোগ উঠেছে প্রতিবেশী কিশোরের বিরুদ্ধে। রোববার (১৫ মার্চ) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে অগ্নিসংযোগের পর রাত সাড়ে ১০টার দিকে ঢাকা শেখ হাসিনা বার্ন ইউনিটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
নিহত শিশু রাইসা বাবুগঞ্জ উপজেলার দেহেরগতি ইউনিয়নের চার নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা দিনমজুর নজরুল ইসলামের মেয়ে। সে স্থানীয় একটি মাদ্রাসার তৃতীয় শ্রেণির ছাত্রী বলে জানা গেছে।
মৃত্যুর আগে অগ্নিদগ্ধ রাইসার একটি ভিডিও বক্তব্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। সেখানে রাইসাকে বলতে শোনা যায়, আমারে খারাপ জিনিস কইছে, আমি হুনিনাই দেইখা শিফাত আমার গায় আগুন দিছে।
ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী স্থানীয় বাসিন্দা তসলিম জানান, রাইসারা এক ভাই, এক বোন। মা তাদের ফেলে রেখে অন্যত্র বিয়ে করেছেন। বড় ভাই ঢাকার একটি ফলের দোকানে চাকরি করেন। বাবা কাঠমিস্ত্রি।
তিনি বলেন, রাইসা স্থানীয় একটি মাদ্রাসার তৃতীয় শ্রেণিতে পড়ে। ঘটনার সময় ওর বাবা বাড়িতে ছিল না। দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে মানুষের ডাকাডাকি এবং রাইসার চিৎকার শুনে ওর ঘরের সামনে ছুটে যায়। দেখতে পাই সারা শরীরের দাউ দাউ করে আগুন জ্বলছে। দ্রুত এক বাতলি পানি মেরে আগুন নেভানোর চেষ্টা করি। পরে ওরে কোলে নিয়ে পাশে থাকা নদীতে ঝাঁপ দিয়ে আগুন নেভাই।
তসলিম বলেন, ‘রাইসাকে উদ্ধার করে যখন হাসপাতালে নিয়ে যাই তখন প্রতিবেশী জালাল সিকদারকে রাইসা দেখতে পায়। তখন রাইসা কাঁদতে কাঁদতে বলতে থাকে— জালাল সিকদারের ছেলে শিফাতের জন্য তার শরীরের আগুন লেগেছে।
তবে ঘটনার পর শিফাতকে ঘটনাস্থলের আশপাশে দেখা যায়নি। আদৌ কেউ ওর গায়ে আগুন দিয়েছে নাকি আগুন লেগেছে, অথবা নিজেই আগুন দিয়েছে কিনা আমার জানা নেই।
তসলিম জানান, ঘটনার পর রাইসাকে পার্শ্ববর্তী উজিরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাই। সেখান থেকে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।
অবস্থা খারাপ হওয়ায় সেখানেও তাকে না রেখে ঢাকা মেডিকেলের শেখ হাসিনা বার্ন ইউনিটে প্রেরণ করে। সেখানে পৌঁছাতে রাত হয়ে যায়। ভর্তি করে অপারেশন থিয়েটার পর্যন্ত যেতে ২ ঘণ্টা সময় লাগে।
চিকিৎসক জানান, রাইসার শরীরের ৮০ শতাংশ পুড়ে গেছে, অবস্থা ভালো না। এরপর অপারেশন থিয়েটারে নেওয়ার কিছুক্ষণ পরই চিকিৎসক জানান রাইসা মারা গেছে। তখন রাত সাড়ে ১০টার মতো বাজতে পারে। বর্তমানে রাইসার মরদেহ মর্গে রয়েছে।
বাবুগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ শেখ মো. এহতেশামুল ইসলাম বলেন, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এমন একটি ঘটনার ভিডিও দেখেছি। তবে এমন অভিযোগ নিয়ে কেউ থানায় আসেনি বা কেউ পুলিশকে জানায়নি। লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।