
২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ ১৩:৪৮
বরিশালের বানারীপাড়া উপজেলার সৈয়দকাঠী ইউনিয়ন কৃষক দলের সাধারণ সম্পাদক আবদুল লতিফ (৫৫) হত্যা মামলার অন্যতম আসামী তুহিনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
থানা সুত্রে জানা গেছে, সোমবার (২৯ সেপ্টেম্বর) ভোরে ভোলা শহর থেকে বরিশাল র ্যাব-৮ ও বানারীপাড়া থানা পুলিশের যৌথ অভিযানে তাকে গ্রেফতার করা হয়।
এর আগে রোববার (২৮ সেপ্টেম্বর) নিহত আব্দুল লতিফের স্ত্রী পারভীনা বেগম বাদী হয়ে উপজেলার করফাকর গ্রামের দেলোয়ার হোসেন ঘরামী ও তার জামাতা তুহিনসহ ৯ জনকে সুনির্দিষ্ট ও বেশ কয়েকজনকে অজ্ঞাতনামা আসামী করে বানারীপাড়া থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন।
এ প্রসঙ্গে বানারীপাড়া থানার ওসির দায়িত্বে থাকা ইন্সপেক্টর (তদন্ত) শতদল মজুমদার জানান, হত্যা মামলার এজাহারনামীয় দুই নম্বর আসামী তুহিনকে গ্রেফতার করা হয়েছে বাকী আসামীদের গ্রেফতারে অভিযান চলছে।
প্রসঙ্গত, শনিবার (২৭ সেপ্টেম্বর) বিকালে উপজেলার সৈয়দকাঠী ইউনিয়নের করফাকর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনে স্থানীয় দেলোয়ার হোসেন ঘরামীর সঙ্গে রাজনৈতিক নানান বিষয় নিয়ে কথা কাটাকাটি হয় আবদুল লতিফের।
একপর্যায়ে দেলোয়ার হোসেন ঘরামী ও তার জামাতা তুহিনসহ আসামীদের বেধরক মারধরে আহত হন আবদুল লতিফ। স্বজন ও স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে বানারীপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স নিয়ে গেলে জরুরী বিভাগের চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
এদিকে এ হত্যাকান্ডের ঘটনায় গোটা উপজেলা উত্তাল হয়ে উঠেছে। হত্যাকান্ডের প্রতিবাদে শনিবার রাতে বানারীপাড়া উপজেলা ও পৌর বিএনপি এবং এর অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা পৌর শহরে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করে।
রোববার (২৮ সেপ্টেম্বর) সকালে এর প্রতিবাদে একযোগে উপজেলার ৮ ইউনিয়নে বিএনপি ও এর অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীরা বিক্ষোভ মিছিল-সমাবেশ করে ঘাতকদের গ্রেফতার ও ফাঁসির দাবি জানান।
অপরদিকে বরিশাল শেবাচিম হাসপাতালে মরদেহের ময়না তদন্ত শেষে রোববার (২৮ সেপ্টেম্বর) বাদ আসর সৈয়দকাঠী ইউনিয়নের করফাকর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে নিহত কৃষকদল নেতা আব্দুল লতিফের অনুষ্ঠিত জানাজায় মানুষের ঢল নামে।
এসময় জানাজায় উপস্থিত নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে ভার্চুয়ালি বক্তব্য রাখেন বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য এস সরফুদ্দিন আহমেদ সান্টু। তিনি আইনের প্রতি শ্রদ্ধা রেখে নেতাকর্মীদের শান্ত থাকার আহবান জানান। এবং শোক সন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়ে নিহত আব্দুল লতিফের রুহের মাগফেরাত কামনা করেন।
জানাযায় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক সাইফ মাহমুদ জুয়েল, জাতীয়তাবাদী কৃষক দলের কেন্দ্রীয় সহ-সাধারণ সম্পাদক লায়ন আক্তার হোসেন সেন্টু,
বরিশাল জেলা (দক্ষিণ) বিএনপির সদস্য সচিব অ্যাড আবুল কালাম শাহীন,জেলা যুবদলের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মামুন রেজা খান,জেলা কৃষক দলের সাধারণ সম্পাদক মোঃ সফরুল আলম, বানারীপাড়া উপজেলা বিএনপির সভাপতি মো: শাহ আলম মিঞা, সহ-সভাপতি গোলাম মাহমুদ মাহবুব মাস্টার, সাধারণ সম্পাদক রিয়াজ উদ্দিন আহমেদ মৃধা, পৌর বিএনপি'র জ্যেষ্ঠ সহ-সভাপতি আব্দুস সালাম,
সাধারণ সম্পাদক মোঃ হাবিবুর রহমান জুয়েল, উপজেলা বিএনপি'র সাংগঠনিক সম্পাদক রুহুল আমিন মল্লিক, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ জামাল রেজা,পৌর বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক শফিকুল আলম রিপন, উপজেলা যুবদলের আহবায়ক সাব্বির আহমেদ সুমন, সদস্য সচিব মিজানুর রহমান, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহবায়ক মোঃ সাইদুল ইসলাম, উপজেলা শ্রমিক দলের সভাপতি সম্রাট তালুকদার প্রমুখ। জানাজা শেষে করফাকর গ্রামের পারিবারিক কবরস্থানে সৈয়দকাঠী ইউনিয়ন কৃষকদলের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল লতিফের মরদেহ দাফন করা হয়। এদিকে তাকে হারিয়ে পরিবারে বইছে শোকের মাতম। গোটা এলাকায় শোকাবহ পরিবেশ বিরাজ করছে।
বরিশালের বানারীপাড়া উপজেলার সৈয়দকাঠী ইউনিয়ন কৃষক দলের সাধারণ সম্পাদক আবদুল লতিফ (৫৫) হত্যা মামলার অন্যতম আসামী তুহিনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
থানা সুত্রে জানা গেছে, সোমবার (২৯ সেপ্টেম্বর) ভোরে ভোলা শহর থেকে বরিশাল র ্যাব-৮ ও বানারীপাড়া থানা পুলিশের যৌথ অভিযানে তাকে গ্রেফতার করা হয়।
এর আগে রোববার (২৮ সেপ্টেম্বর) নিহত আব্দুল লতিফের স্ত্রী পারভীনা বেগম বাদী হয়ে উপজেলার করফাকর গ্রামের দেলোয়ার হোসেন ঘরামী ও তার জামাতা তুহিনসহ ৯ জনকে সুনির্দিষ্ট ও বেশ কয়েকজনকে অজ্ঞাতনামা আসামী করে বানারীপাড়া থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন।
এ প্রসঙ্গে বানারীপাড়া থানার ওসির দায়িত্বে থাকা ইন্সপেক্টর (তদন্ত) শতদল মজুমদার জানান, হত্যা মামলার এজাহারনামীয় দুই নম্বর আসামী তুহিনকে গ্রেফতার করা হয়েছে বাকী আসামীদের গ্রেফতারে অভিযান চলছে।
প্রসঙ্গত, শনিবার (২৭ সেপ্টেম্বর) বিকালে উপজেলার সৈয়দকাঠী ইউনিয়নের করফাকর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনে স্থানীয় দেলোয়ার হোসেন ঘরামীর সঙ্গে রাজনৈতিক নানান বিষয় নিয়ে কথা কাটাকাটি হয় আবদুল লতিফের।
একপর্যায়ে দেলোয়ার হোসেন ঘরামী ও তার জামাতা তুহিনসহ আসামীদের বেধরক মারধরে আহত হন আবদুল লতিফ। স্বজন ও স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে বানারীপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স নিয়ে গেলে জরুরী বিভাগের চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
এদিকে এ হত্যাকান্ডের ঘটনায় গোটা উপজেলা উত্তাল হয়ে উঠেছে। হত্যাকান্ডের প্রতিবাদে শনিবার রাতে বানারীপাড়া উপজেলা ও পৌর বিএনপি এবং এর অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা পৌর শহরে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করে।
রোববার (২৮ সেপ্টেম্বর) সকালে এর প্রতিবাদে একযোগে উপজেলার ৮ ইউনিয়নে বিএনপি ও এর অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীরা বিক্ষোভ মিছিল-সমাবেশ করে ঘাতকদের গ্রেফতার ও ফাঁসির দাবি জানান।
অপরদিকে বরিশাল শেবাচিম হাসপাতালে মরদেহের ময়না তদন্ত শেষে রোববার (২৮ সেপ্টেম্বর) বাদ আসর সৈয়দকাঠী ইউনিয়নের করফাকর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে নিহত কৃষকদল নেতা আব্দুল লতিফের অনুষ্ঠিত জানাজায় মানুষের ঢল নামে।
এসময় জানাজায় উপস্থিত নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে ভার্চুয়ালি বক্তব্য রাখেন বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য এস সরফুদ্দিন আহমেদ সান্টু। তিনি আইনের প্রতি শ্রদ্ধা রেখে নেতাকর্মীদের শান্ত থাকার আহবান জানান। এবং শোক সন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়ে নিহত আব্দুল লতিফের রুহের মাগফেরাত কামনা করেন।
জানাযায় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক সাইফ মাহমুদ জুয়েল, জাতীয়তাবাদী কৃষক দলের কেন্দ্রীয় সহ-সাধারণ সম্পাদক লায়ন আক্তার হোসেন সেন্টু,
বরিশাল জেলা (দক্ষিণ) বিএনপির সদস্য সচিব অ্যাড আবুল কালাম শাহীন,জেলা যুবদলের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মামুন রেজা খান,জেলা কৃষক দলের সাধারণ সম্পাদক মোঃ সফরুল আলম, বানারীপাড়া উপজেলা বিএনপির সভাপতি মো: শাহ আলম মিঞা, সহ-সভাপতি গোলাম মাহমুদ মাহবুব মাস্টার, সাধারণ সম্পাদক রিয়াজ উদ্দিন আহমেদ মৃধা, পৌর বিএনপি'র জ্যেষ্ঠ সহ-সভাপতি আব্দুস সালাম,
সাধারণ সম্পাদক মোঃ হাবিবুর রহমান জুয়েল, উপজেলা বিএনপি'র সাংগঠনিক সম্পাদক রুহুল আমিন মল্লিক, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ জামাল রেজা,পৌর বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক শফিকুল আলম রিপন, উপজেলা যুবদলের আহবায়ক সাব্বির আহমেদ সুমন, সদস্য সচিব মিজানুর রহমান, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহবায়ক মোঃ সাইদুল ইসলাম, উপজেলা শ্রমিক দলের সভাপতি সম্রাট তালুকদার প্রমুখ। জানাজা শেষে করফাকর গ্রামের পারিবারিক কবরস্থানে সৈয়দকাঠী ইউনিয়ন কৃষকদলের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল লতিফের মরদেহ দাফন করা হয়। এদিকে তাকে হারিয়ে পরিবারে বইছে শোকের মাতম। গোটা এলাকায় শোকাবহ পরিবেশ বিরাজ করছে।

২৯ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৯:০৬
বরিশাল জেলা বিএনপির সদস্য ও বানারীপাড়া উপজেলা বিএনপির সহসভাপতি গোলাম মাহমুদ মাহাবুব মাষ্টার দল থেকে পদত্যাগ করেছেন। এর মধ্য দিয়ে জননন্দিত এ নেতা তার দীর্ঘ ৪০ বছরের বিএনপির রাজনীতির ইতি টানলেন। বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারী) সকালে তিনি বরিশাল জেলা বিএনপির (দক্ষিণ) সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক বরাবর জেলা বিএনপির সদস্য ও উপজেলা শাখার সহসভাপতি পদ থেকে লিখিত অব্যাহতি পত্র জমা দেন।
তিনি তার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুক আইডিতেও এ পদত্যাগপত্র পোষ্ট করেন। পদত্যাগের কারন হিসেবে তিনি অব্যাহতি পত্রে উল্লেখ করেন দীর্ঘ চার দশক ধরে তিনি সুনাম ও নিষ্ঠার সঙ্গে জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির একজন নিবেদিত প্রাণ কর্মী হিসেবে রাজনীতি করেছেন।
এ দীর্ঘ সময় বিএনপির রাজনীতি করতে গিয়ে তিনি মামলা-হামলা,জেল,জুলুম, নীপিড়ন ও নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। বর্তমানে তিনি নিজ দলে লাঞ্চিত, বঞ্চিত ও ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছেন।
তাই দল থেকে পদত্যাগ করেছেন। প্রসঙ্গত গোলাম মাহমুদ মাহাবুব মাষ্টার এর আগে বানারীপাড়া পৌর ও উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। গত বছর জুলাইতে অনুষ্ঠিত বানারীপাড়া উপজেলা বিএনপির ত্রি-বার্ষিক কাউন্সিলে তিনি সাধারণ সম্পাদক পদ প্রত্যাশী ছিলেন। সেই কাউন্সিলে তাকে ২ নম্বর সহসভাপতি পদ দেওয়া হয়।
বরিশাল জেলা বিএনপির সদস্য ও বানারীপাড়া উপজেলা বিএনপির সহসভাপতি গোলাম মাহমুদ মাহাবুব মাষ্টার দল থেকে পদত্যাগ করেছেন। এর মধ্য দিয়ে জননন্দিত এ নেতা তার দীর্ঘ ৪০ বছরের বিএনপির রাজনীতির ইতি টানলেন। বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারী) সকালে তিনি বরিশাল জেলা বিএনপির (দক্ষিণ) সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক বরাবর জেলা বিএনপির সদস্য ও উপজেলা শাখার সহসভাপতি পদ থেকে লিখিত অব্যাহতি পত্র জমা দেন।
তিনি তার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুক আইডিতেও এ পদত্যাগপত্র পোষ্ট করেন। পদত্যাগের কারন হিসেবে তিনি অব্যাহতি পত্রে উল্লেখ করেন দীর্ঘ চার দশক ধরে তিনি সুনাম ও নিষ্ঠার সঙ্গে জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির একজন নিবেদিত প্রাণ কর্মী হিসেবে রাজনীতি করেছেন।
এ দীর্ঘ সময় বিএনপির রাজনীতি করতে গিয়ে তিনি মামলা-হামলা,জেল,জুলুম, নীপিড়ন ও নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। বর্তমানে তিনি নিজ দলে লাঞ্চিত, বঞ্চিত ও ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছেন।
তাই দল থেকে পদত্যাগ করেছেন। প্রসঙ্গত গোলাম মাহমুদ মাহাবুব মাষ্টার এর আগে বানারীপাড়া পৌর ও উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। গত বছর জুলাইতে অনুষ্ঠিত বানারীপাড়া উপজেলা বিএনপির ত্রি-বার্ষিক কাউন্সিলে তিনি সাধারণ সম্পাদক পদ প্রত্যাশী ছিলেন। সেই কাউন্সিলে তাকে ২ নম্বর সহসভাপতি পদ দেওয়া হয়।

২৯ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৮:৫৯
বরিশালের হিজলা উপজেলার মেমানিয়া ইউনিয়নের ছোট লক্ষীপুর গ্রাম সংক্রান্ত বিরোধী ১৩ জন নিরীহ চাষাকে মিথ্যা মামলায় ফাঁসানোর অভিযোগ পাওয়া গেছে।
জানাযায় গত ২০ শে জানুয়ারি হিজলা থানায় আমির হোসেন গাজী বাদী হয়ে এ মামলা দায়ের করেন। মিথ্যা মামলার বিষয়ে সরোজমিনে গেলে জানাযায় আব্দুল হাকিম গাজি গং ও আব্দুল গনি গাজী গং দীর্ঘ ৪০ বছর তাদের প্রায় ২১ একর পৈত্রিক সম্পত্তি ভোগ দখল করে আসছে।
এ জমির মালিকানা আমির হোসেন গাজী দাবি করে আদালতে মামলা দায়ের করলে এখনো মামলা চলমান রয়েছে। ঘটনা স্থানে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান,ঘটনার দিন সকাল এগারোটায় আমির হোসেন গাজী ৫০ /৬০ জন মানুষ ও ৪ টি ট্রাক্টর নিয়ে সয়াবিন চাষ করা জমিতে পূণরায় সয়াবিন চাষ করা করতে আসে।
তখন দ্রুত গতিতে ট্রাক্টর চালানোর কারণে উল্টে পড়ে যায়। ট্রাক্টর ড্রাইভার ছিটকে নিচে পড়ে।তাতে ধারালো ব্লেড পায়ে ঢুকে পরে।পরে স্থানীয়রা উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যায়।
কিছু দিন পর চাষারা জানতে পারেন তাদের বিরুদ্ধে মামলা দিয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দা প্রত্যক্ষদর্শী আলমগীর হাওলাদারের স্ত্রী সেলিনা জানান সেদিন বিরোধী জমিতে কোনো মারামারি হয়নি। অনেক গুলো ট্রাক্টর একসাথে জোরে চালানোর কারণে উল্টে পড়ে এই দুর্ঘটনা হয়। প্রতিপক্ষকে ঘায়েল করার জন্য মিথ্যা মামলা দিয়েছে।
মামলার বাদী পক্ষের আনোয়ার হোসেন বলেন আমির হোসেন গাজী লক্ষীপুর মৌজায় ২১ একর পৈতৃক সম্পত্তির মালিক।এ জমি হাকিম গাজি গং ও গনি গাজী গং জোর দখল ভোগদখল করে আসছে। ঘটনার দিন আমির গাজী চাষাবাদ করতে গেলে তাদের ধাওয়া দেয়। তখন ট্রাক্টর ড্রাইভার গুরুতর আহত হয়।
হিজলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোঃ আদিল হোসেন জানান জমি বিরোধ কে কেন্দ্র করে একজনকে কুপিয়ে জখম করা হয়েছে মর্মে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। সঠিক তদন্ত সাপেক্ষে আদালতে প্রতিবেদন দেওয়া হবে।
বরিশালের হিজলা উপজেলার মেমানিয়া ইউনিয়নের ছোট লক্ষীপুর গ্রাম সংক্রান্ত বিরোধী ১৩ জন নিরীহ চাষাকে মিথ্যা মামলায় ফাঁসানোর অভিযোগ পাওয়া গেছে।
জানাযায় গত ২০ শে জানুয়ারি হিজলা থানায় আমির হোসেন গাজী বাদী হয়ে এ মামলা দায়ের করেন। মিথ্যা মামলার বিষয়ে সরোজমিনে গেলে জানাযায় আব্দুল হাকিম গাজি গং ও আব্দুল গনি গাজী গং দীর্ঘ ৪০ বছর তাদের প্রায় ২১ একর পৈত্রিক সম্পত্তি ভোগ দখল করে আসছে।
এ জমির মালিকানা আমির হোসেন গাজী দাবি করে আদালতে মামলা দায়ের করলে এখনো মামলা চলমান রয়েছে। ঘটনা স্থানে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান,ঘটনার দিন সকাল এগারোটায় আমির হোসেন গাজী ৫০ /৬০ জন মানুষ ও ৪ টি ট্রাক্টর নিয়ে সয়াবিন চাষ করা জমিতে পূণরায় সয়াবিন চাষ করা করতে আসে।
তখন দ্রুত গতিতে ট্রাক্টর চালানোর কারণে উল্টে পড়ে যায়। ট্রাক্টর ড্রাইভার ছিটকে নিচে পড়ে।তাতে ধারালো ব্লেড পায়ে ঢুকে পরে।পরে স্থানীয়রা উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যায়।
কিছু দিন পর চাষারা জানতে পারেন তাদের বিরুদ্ধে মামলা দিয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দা প্রত্যক্ষদর্শী আলমগীর হাওলাদারের স্ত্রী সেলিনা জানান সেদিন বিরোধী জমিতে কোনো মারামারি হয়নি। অনেক গুলো ট্রাক্টর একসাথে জোরে চালানোর কারণে উল্টে পড়ে এই দুর্ঘটনা হয়। প্রতিপক্ষকে ঘায়েল করার জন্য মিথ্যা মামলা দিয়েছে।
মামলার বাদী পক্ষের আনোয়ার হোসেন বলেন আমির হোসেন গাজী লক্ষীপুর মৌজায় ২১ একর পৈতৃক সম্পত্তির মালিক।এ জমি হাকিম গাজি গং ও গনি গাজী গং জোর দখল ভোগদখল করে আসছে। ঘটনার দিন আমির গাজী চাষাবাদ করতে গেলে তাদের ধাওয়া দেয়। তখন ট্রাক্টর ড্রাইভার গুরুতর আহত হয়।
হিজলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোঃ আদিল হোসেন জানান জমি বিরোধ কে কেন্দ্র করে একজনকে কুপিয়ে জখম করা হয়েছে মর্মে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। সঠিক তদন্ত সাপেক্ষে আদালতে প্রতিবেদন দেওয়া হবে।

২৯ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৭:৫০
সাইবার মামলায় বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (ববি) শারীরিক শিক্ষা দপ্তরের সহকারী পরিচালক সেলিনা বেগমের জামিন নামঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছে আদালত। বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) বরিশাল অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে শুনানি শেষে বিচারক এই আদেশ দেন।
বিশ্ববিদ্যালয় ও মামলার নথিপত্রে জানা গেছে, সেলিনা বেগমের বিরুদ্ধে একাধিক বিয়ে, সরকারি কর্মকর্তাদের সঙ্গে অনৈতিক সম্পর্ক স্থাপন, ব্ল্যাকমেইল ও শারীরিক নির্যাতনের অভিযোগ রয়েছে। এসব সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে ২০২৫ সালের ৫ ডিসেম্বর তার বিরুদ্ধে সাইবার ট্রাইব্যুনালে একটি মামলা দায়ের করা হয়।
এছাড়া সম্প্রতি লালমনিরহাট জেলা শিল্পকলা অ্যাকাডেমির সাবেক এক কালচারাল কর্মকর্তাকে অফিসকক্ষে নির্যাতনের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে বিষয়টি নতুন করে আলোচনায় আসে।
বাদি পক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট আবুল কালাম আজাদ ইমন বলেন, আদালত ও তদন্তকারী কর্মকর্তাকে মিথ্যা তথ্য দিয়ে বিভ্রান্তি করায় আমাদের আবেদনের প্রেক্ষিতে আদালত তার জামিন নামঞ্জুর করে জেল হাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
এই বিষয়ে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যকে ড. মোহাম্মদ তৌফিক আলম বলেন, বিষয়টি আদালতে বিচারাধীন রয়েছে। তাই আদালত যে সিদ্ধান্ত দেবেন, বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ সে অনুযায়ীই পরবর্তী পদক্ষেপ নেবে।
সাইবার মামলায় বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (ববি) শারীরিক শিক্ষা দপ্তরের সহকারী পরিচালক সেলিনা বেগমের জামিন নামঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছে আদালত। বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) বরিশাল অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে শুনানি শেষে বিচারক এই আদেশ দেন।
বিশ্ববিদ্যালয় ও মামলার নথিপত্রে জানা গেছে, সেলিনা বেগমের বিরুদ্ধে একাধিক বিয়ে, সরকারি কর্মকর্তাদের সঙ্গে অনৈতিক সম্পর্ক স্থাপন, ব্ল্যাকমেইল ও শারীরিক নির্যাতনের অভিযোগ রয়েছে। এসব সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে ২০২৫ সালের ৫ ডিসেম্বর তার বিরুদ্ধে সাইবার ট্রাইব্যুনালে একটি মামলা দায়ের করা হয়।
এছাড়া সম্প্রতি লালমনিরহাট জেলা শিল্পকলা অ্যাকাডেমির সাবেক এক কালচারাল কর্মকর্তাকে অফিসকক্ষে নির্যাতনের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে বিষয়টি নতুন করে আলোচনায় আসে।
বাদি পক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট আবুল কালাম আজাদ ইমন বলেন, আদালত ও তদন্তকারী কর্মকর্তাকে মিথ্যা তথ্য দিয়ে বিভ্রান্তি করায় আমাদের আবেদনের প্রেক্ষিতে আদালত তার জামিন নামঞ্জুর করে জেল হাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
এই বিষয়ে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যকে ড. মোহাম্মদ তৌফিক আলম বলেন, বিষয়টি আদালতে বিচারাধীন রয়েছে। তাই আদালত যে সিদ্ধান্ত দেবেন, বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ সে অনুযায়ীই পরবর্তী পদক্ষেপ নেবে।

Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
২৯ জানুয়ারি, ২০২৬ ২১:১৭
২৯ জানুয়ারি, ২০২৬ ২০:৫৮
২৯ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৯:৩৮
২৯ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৯:০৬