ভোলার বোরহানউদ্দিন উপজেলায় ২০২৫-২৬ অর্থবছরের খরিফ-১ মৌসুমে কৃষি পুনর্বাসন কর্মসূচির আওতায় ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে বীজ ও রাসায়নিক সার বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়েছে। উফশী আউশ ধানের আবাদ ও উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষে এ কর্মসূচির আওতায় উপজেলার ৯টি ইউনিয়ন ও ১টি পৌরসভার মোট ৭ হাজার কৃষককে এ সহায়তা প্রদান করা হবে।
বুধবার (১৫ এপ্রিল) দুপুর ১২টায় উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে আয়োজিত অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালি প্রধান অতিথি হিসেবে যুক্ত হয়ে কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন ভোলা-২ আসনের সংসদ সদস্য মো. হাফিজ ইব্রাহিম। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে কৃষকদের হাতে বীজ ও সার তুলে দেন উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক মাফরুজা সুলতানা।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার মনোরঞ্জন বর্মনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত অনুষ্ঠানের শুরুতে স্বাগত বক্তব্য রাখেন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ গোবিন্দ মন্ডল। তিনি বলেন, সরকারের কৃষি পুনর্বাসন কর্মসূচি কৃষকদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি উদ্যোগ। এর মাধ্যমে প্রান্তিক কৃষকরা বিনামূল্যে উন্নতমানের বীজ ও সার পেয়ে আবাদ খরচ কমাতে পারবেন এবং উৎপাদন বৃদ্ধি করতে সক্ষম হবেন। তিনি আরও জানান, সময়মতো এসব উপকরণ সরবরাহের ফলে চলতি মৌসুমে আউশ ধানের আবাদ উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পাবে বলে আশা করা হচ্ছে।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে সংসদ সদস্য মো. হাফিজ ইব্রাহিম বলেন, কৃষিই দেশের অর্থনীতির মূল ভিত্তি। কৃষকদের সহায়তা করতে সরকার ধারাবাহিকভাবে বিভিন্ন কর্মসূচি বাস্তবায়ন করে যাচ্ছে। বিনামূল্যে বীজ ও সার বিতরণ কৃষকদের জন্য একটি বড় সহায়তা, যা খাদ্য উৎপাদন বৃদ্ধি ও খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ভূমিকা রাখবে। তিনি কৃষকদের আধুনিক কৃষি প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে অধিক ফলন অর্জনের আহ্বান জানান।
বিশেষ অতিথি মাফরুজা সুলতানা তার বক্তব্যে বলেন, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের হাত ধরেই দেশে সবুজ বিপ্লবের সূচনা হয়েছিল। তারই ধারাবাহিকতায় বর্তমান নেতৃত্ব কৃষকদের উন্নয়নে কাজ করছে। তিনি উল্লেখ করেন, কৃষকদের জন্য কৃষি কার্ড প্রকল্প চালু করা একটি যুগান্তকারী উদ্যোগ, যা কৃষকদের সরাসরি সহায়তা পৌঁছে দিতে সহায়ক হবে। তিনি কৃষকদের কল্যাণে এ ধরনের কার্যক্রম অব্যাহত রাখার আহ্বান জানান এবং কৃষিখাতে আরও সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধির দাবি জানান।
উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে কৃষকদের মধ্যে এ সহায়তা বিতরণ করা হবে। এর মধ্যে পৌরসভায় ১০০ জন, কাচিয়া ৮৫০ জন, গঙ্গাপুরে ৭৫০ জন, সাচরায় ৮০০ জন, দেউলায় ৮০০ জন, হাসাননগরে ৪০০ জন, টবগীতে ৮৫০ জন, পক্ষীয়ায় ৮০০ জন, বড়মানিকা ৮৫০ জন এবং কুতুবায় ৮০০ জন কৃষক এ সুবিধা পাবেন।
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা নাজনীন সুলতানা, উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মনোজ কুমার সাহা, উপজেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক সরোয়ার আলম খান, উপজেলা কৃষকদলের সভাপতি ইদ্রিস মিয়া প্রমুখ।
অনুষ্ঠান শেষে কৃষকদের মাঝে আনুষ্ঠানিকভাবে বীজ ও সার বিতরণ করা হয়। কৃষকরা এই সহায়তা পেয়ে সন্তোষ প্রকাশ করেন এবং বলেন, এতে তাদের উৎপাদন ব্যয় কমবে এবং তারা অধিক জমিতে আবাদ করতে উৎসাহিত হবেন।
সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন, এ উদ্যোগের মাধ্যমে চলতি মৌসুমে আউশ ধানের আবাদ ও উৎপাদন বৃদ্ধি পাবে এবং কৃষকদের আর্থিক অবস্থার উন্নয়ন ঘটবে। পাশাপাশি দেশের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতেও এটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

৩১ জুলাই, ২০২৬ ১৭:৫০
ভোলার লালমোহন উপজেলায় এক গৃহবধূকে দেশীয় অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে ডাকাতি ও শ্লীলতাহানির ঘটনায় তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শুক্রবার সকালে তাদের আদালতে পাঠানো হয়েছে। এরআগে বৃহস্পতিবার এ ঘটনায় থানায় মামলা দায়ের করেন ভুক্তভোগী গৃহবধূ রোজিনা বেগম। তিনি লালমোহন পৌরসভার ২ নম্বর ওয়ার্ডের মো. খোকনের স্ত্রী। মামলার পরপরই অভিযান চালিয়ে অভিযুক্তদের মধ্যে তিনজনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
গ্রেপ্তাররা হলেন- উপজেলার পশ্চিম চরউমেদ ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের গজারিয়া এলাকার মো. পলাশ মৃধার ছেলে মো. শাহাদৎ হোসেন (২৪), জুয়েল স্বর্ণকারের ছেলে মো. জুবায়ের (২১) এবং একই ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের মো. মিলন পাটোয়ারির ছেলে মো. নাঈম (২৪)।
জানা গেছে, গত ২৯ জুলাই বিকেলে রোজিনা বেগম (৩৫) নামে এক গৃহবধূ চরফ্যাশন থেকে সিএনজিযোগে লালমোহনের গজারিয়া বাজার এলাকায় আসেন। সেখান থেকে পৌরসভায় অবস্থিত নিজ বাসায় ফেরার জন্য তিনি একটি অটোরিকশায় ওঠেন। অটোরিকশাটি গজারিয়া নৌকাপট্টিতে পৌঁছালে স্থানীয় মো. শাহাদাত হোসেন, মো. নাঈম এবং মো. জুবায়েরসহ আরও কয়েকজন মিলে অটোরিকশার গতিরোধ করে ভেতরে উঠে পড়েন এবং দেশীয় অস্ত্র দেখিয়ে ওই গৃহবধূকে ভয়ভীতি প্রদর্শন করেন। এরপর তারা অটোরিকশাটি ঘুরিয়ে সৈনিক বাজার সংলগ্ন একটি নির্জন স্থানে নিয়ে যান। সেখানে নিয়ে তারা চাকুর ভয় দেখিয়ে ওই গৃহবধূর কান থেকে ২৫ হাজার টাকা মূল্যের এক জোড়া স্বর্ণের কানের রিং, ৫০ হাজার টাকা মূল্যের এক জোড়া কানের দুল এবং ভেনিটি ব্যাগে থাকা নগদ ৪ হাজার টাকা ছিনিয়ে নিয়ে যান। এ সময় তারা ওই গৃহবধূকে শ্লীলতাহানিও চালান। পরে পালিয়ে যান অভিযুক্তরা।
এ বিষয়ে লালমোহন থানার ওসি মো. অলিউল ইসলাম বলেন, ভুক্তভোগী ওই গৃহবধূ মামলা দায়েরের পর উপজেলার পশ্চিম চরউমেদ ইউনিয়নের গজারিয়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে অভিযুক্তদের মধ্যে তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ সময় তাদের কাছ থেকে লুণ্ঠিত স্বর্ণালঙ্কার উদ্ধার করা হয়েছে। শুক্রবার সকালে গ্রেপ্তারকৃত তিনজনকে আদালত পাঠানো হয়েছে। এছাড়া বাকি আসামিদেরও গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।
ভোলার লালমোহন উপজেলায় এক গৃহবধূকে দেশীয় অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে ডাকাতি ও শ্লীলতাহানির ঘটনায় তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শুক্রবার সকালে তাদের আদালতে পাঠানো হয়েছে। এরআগে বৃহস্পতিবার এ ঘটনায় থানায় মামলা দায়ের করেন ভুক্তভোগী গৃহবধূ রোজিনা বেগম। তিনি লালমোহন পৌরসভার ২ নম্বর ওয়ার্ডের মো. খোকনের স্ত্রী। মামলার পরপরই অভিযান চালিয়ে অভিযুক্তদের মধ্যে তিনজনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
গ্রেপ্তাররা হলেন- উপজেলার পশ্চিম চরউমেদ ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের গজারিয়া এলাকার মো. পলাশ মৃধার ছেলে মো. শাহাদৎ হোসেন (২৪), জুয়েল স্বর্ণকারের ছেলে মো. জুবায়ের (২১) এবং একই ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের মো. মিলন পাটোয়ারির ছেলে মো. নাঈম (২৪)।
জানা গেছে, গত ২৯ জুলাই বিকেলে রোজিনা বেগম (৩৫) নামে এক গৃহবধূ চরফ্যাশন থেকে সিএনজিযোগে লালমোহনের গজারিয়া বাজার এলাকায় আসেন। সেখান থেকে পৌরসভায় অবস্থিত নিজ বাসায় ফেরার জন্য তিনি একটি অটোরিকশায় ওঠেন। অটোরিকশাটি গজারিয়া নৌকাপট্টিতে পৌঁছালে স্থানীয় মো. শাহাদাত হোসেন, মো. নাঈম এবং মো. জুবায়েরসহ আরও কয়েকজন মিলে অটোরিকশার গতিরোধ করে ভেতরে উঠে পড়েন এবং দেশীয় অস্ত্র দেখিয়ে ওই গৃহবধূকে ভয়ভীতি প্রদর্শন করেন। এরপর তারা অটোরিকশাটি ঘুরিয়ে সৈনিক বাজার সংলগ্ন একটি নির্জন স্থানে নিয়ে যান। সেখানে নিয়ে তারা চাকুর ভয় দেখিয়ে ওই গৃহবধূর কান থেকে ২৫ হাজার টাকা মূল্যের এক জোড়া স্বর্ণের কানের রিং, ৫০ হাজার টাকা মূল্যের এক জোড়া কানের দুল এবং ভেনিটি ব্যাগে থাকা নগদ ৪ হাজার টাকা ছিনিয়ে নিয়ে যান। এ সময় তারা ওই গৃহবধূকে শ্লীলতাহানিও চালান। পরে পালিয়ে যান অভিযুক্তরা।
এ বিষয়ে লালমোহন থানার ওসি মো. অলিউল ইসলাম বলেন, ভুক্তভোগী ওই গৃহবধূ মামলা দায়েরের পর উপজেলার পশ্চিম চরউমেদ ইউনিয়নের গজারিয়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে অভিযুক্তদের মধ্যে তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ সময় তাদের কাছ থেকে লুণ্ঠিত স্বর্ণালঙ্কার উদ্ধার করা হয়েছে। শুক্রবার সকালে গ্রেপ্তারকৃত তিনজনকে আদালত পাঠানো হয়েছে। এছাড়া বাকি আসামিদেরও গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

২৮ জুলাই, ২০২৬ ১৬:৪৩
ভোলায় একটি ভাড়া বাসা থেকে পুলিশ সদস্যের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার হয়েছে। মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) দুপুরের দিকে ভোলা পৌর এলাকার অফিসার পাড়ার একটি বাসা থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।
নিহত পুলিশ সদস্যের নাম মো. শাহাবুদ্দিন ফকির (৪৫)। তিনি ভোলা কোর্ট পুলিশে কনস্টেবল হিসেবে কর্মরত ছিলেন। শাহাবুদ্দিন বরিশাল জেলার গৌরনদী থানা দক্ষিণ বিজয়পুর গ্রামের আদম আলী ফকিরের ছেলে।
ভোলা কোর্ট ইন্সপেক্টর মো. নাছির উদ্দিন সাংবাদিকদের বলেন, কনস্টেবল শাহাবুদ্দিন অফিসার পাড়ায় একটি ভাড়া বাসায় পরিবারের নিয়ে থাকতেন। তবে কয়েক দিন আগে তার স্ত্রী গ্রামের বাড়িতে যান। মঙ্গলবার সকালে কোর্টে ডিউটি ছিলো শাহাবুদ্দিনের। সে ডিউটিতে যোগদান না করায় তাকে একাধিকবার ফোন দেওয়া হয়। কিন্তু ফোন না ধরায় তার বাসায় গিয়ে বাড়ির মালিকসহ ডাকাডাকি করি। তখনও কোনো সাড়াশব্দ না পেয়ে ঘরের দরজা ভেঙে তার ঝুলন্ত মরদেহ দেখতে পাই। পরে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ভোলা ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, এর আগে গত ৪ মে শাহাবুদ্দিনের একমাত্র সন্তান চৌত্রি ওই বাড়িতে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেন। এরপর থেকে শাহাবুদ্দিন মানসিকভাবে ভেঙে পরেন।’
ভোলায় একটি ভাড়া বাসা থেকে পুলিশ সদস্যের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার হয়েছে। মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) দুপুরের দিকে ভোলা পৌর এলাকার অফিসার পাড়ার একটি বাসা থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।
নিহত পুলিশ সদস্যের নাম মো. শাহাবুদ্দিন ফকির (৪৫)। তিনি ভোলা কোর্ট পুলিশে কনস্টেবল হিসেবে কর্মরত ছিলেন। শাহাবুদ্দিন বরিশাল জেলার গৌরনদী থানা দক্ষিণ বিজয়পুর গ্রামের আদম আলী ফকিরের ছেলে।
ভোলা কোর্ট ইন্সপেক্টর মো. নাছির উদ্দিন সাংবাদিকদের বলেন, কনস্টেবল শাহাবুদ্দিন অফিসার পাড়ায় একটি ভাড়া বাসায় পরিবারের নিয়ে থাকতেন। তবে কয়েক দিন আগে তার স্ত্রী গ্রামের বাড়িতে যান। মঙ্গলবার সকালে কোর্টে ডিউটি ছিলো শাহাবুদ্দিনের। সে ডিউটিতে যোগদান না করায় তাকে একাধিকবার ফোন দেওয়া হয়। কিন্তু ফোন না ধরায় তার বাসায় গিয়ে বাড়ির মালিকসহ ডাকাডাকি করি। তখনও কোনো সাড়াশব্দ না পেয়ে ঘরের দরজা ভেঙে তার ঝুলন্ত মরদেহ দেখতে পাই। পরে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ভোলা ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, এর আগে গত ৪ মে শাহাবুদ্দিনের একমাত্র সন্তান চৌত্রি ওই বাড়িতে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেন। এরপর থেকে শাহাবুদ্দিন মানসিকভাবে ভেঙে পরেন।’

২৫ জুলাই, ২০২৬ ১৯:২৮
ভোলার লালমোহন উপজেলায় যাত্রীবাহী বাস চাপায় মোসা. মাইশা আক্তার (৬) নামে এক শিশু নিহত হয়েছে। শনিবার বিকেলে উপজেলার পশ্চিম চরউমেদ ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের ভোলা-চরফ্যাশন আঞ্চলিক মহাসড়কের সৈনিক বাজার এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত শিশু মাইশা ওই এলাকার মো. বিল্লাল হোসেনের মেয়ে।
জানা গেছে, শনিবার বিকেলে লালমোহন উপজেলার সৈনিক বাজার এলাকায় সড়ক পার হচ্ছিল শিশু মাইশা আক্তার। এ সময় ভোলা থেকে ছেড়ে আসা চরফ্যাশনগামী দ্রুতগতির একটি যাত্রীবাহী বাস তাকে চাপা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই মারা যায় শিশু মাইশা। ঘটনা বুঝতে পেরে বাস নিয়ে চলে যান চালক। খবর পেয়ে ওই শিশুর স্বজন ও স্থানীয়রা ঘটনাস্থলে ছুটে যান। তারা সড়কের ওপর গাছ ফেলে সব ধরনের যানবাহন চলাচল বন্ধ করে দেন।
এ বিষয়ে লালমোহন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. অলিউল ইসলাম বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশের একটি টিম পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।’
ভোলার লালমোহন উপজেলায় যাত্রীবাহী বাস চাপায় মোসা. মাইশা আক্তার (৬) নামে এক শিশু নিহত হয়েছে। শনিবার বিকেলে উপজেলার পশ্চিম চরউমেদ ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের ভোলা-চরফ্যাশন আঞ্চলিক মহাসড়কের সৈনিক বাজার এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত শিশু মাইশা ওই এলাকার মো. বিল্লাল হোসেনের মেয়ে।
জানা গেছে, শনিবার বিকেলে লালমোহন উপজেলার সৈনিক বাজার এলাকায় সড়ক পার হচ্ছিল শিশু মাইশা আক্তার। এ সময় ভোলা থেকে ছেড়ে আসা চরফ্যাশনগামী দ্রুতগতির একটি যাত্রীবাহী বাস তাকে চাপা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই মারা যায় শিশু মাইশা। ঘটনা বুঝতে পেরে বাস নিয়ে চলে যান চালক। খবর পেয়ে ওই শিশুর স্বজন ও স্থানীয়রা ঘটনাস্থলে ছুটে যান। তারা সড়কের ওপর গাছ ফেলে সব ধরনের যানবাহন চলাচল বন্ধ করে দেন।
এ বিষয়ে লালমোহন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. অলিউল ইসলাম বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশের একটি টিম পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।’

১৫ এপ্রিল, ২০২৬ ১৯:২৩
ভোলার বোরহানউদ্দিন উপজেলায় ২০২৫-২৬ অর্থবছরের খরিফ-১ মৌসুমে কৃষি পুনর্বাসন কর্মসূচির আওতায় ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে বীজ ও রাসায়নিক সার বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়েছে। উফশী আউশ ধানের আবাদ ও উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষে এ কর্মসূচির আওতায় উপজেলার ৯টি ইউনিয়ন ও ১টি পৌরসভার মোট ৭ হাজার কৃষককে এ সহায়তা প্রদান করা হবে।
বুধবার (১৫ এপ্রিল) দুপুর ১২টায় উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে আয়োজিত অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালি প্রধান অতিথি হিসেবে যুক্ত হয়ে কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন ভোলা-২ আসনের সংসদ সদস্য মো. হাফিজ ইব্রাহিম। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে কৃষকদের হাতে বীজ ও সার তুলে দেন উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক মাফরুজা সুলতানা।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার মনোরঞ্জন বর্মনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত অনুষ্ঠানের শুরুতে স্বাগত বক্তব্য রাখেন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ গোবিন্দ মন্ডল। তিনি বলেন, সরকারের কৃষি পুনর্বাসন কর্মসূচি কৃষকদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি উদ্যোগ। এর মাধ্যমে প্রান্তিক কৃষকরা বিনামূল্যে উন্নতমানের বীজ ও সার পেয়ে আবাদ খরচ কমাতে পারবেন এবং উৎপাদন বৃদ্ধি করতে সক্ষম হবেন। তিনি আরও জানান, সময়মতো এসব উপকরণ সরবরাহের ফলে চলতি মৌসুমে আউশ ধানের আবাদ উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পাবে বলে আশা করা হচ্ছে।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে সংসদ সদস্য মো. হাফিজ ইব্রাহিম বলেন, কৃষিই দেশের অর্থনীতির মূল ভিত্তি। কৃষকদের সহায়তা করতে সরকার ধারাবাহিকভাবে বিভিন্ন কর্মসূচি বাস্তবায়ন করে যাচ্ছে। বিনামূল্যে বীজ ও সার বিতরণ কৃষকদের জন্য একটি বড় সহায়তা, যা খাদ্য উৎপাদন বৃদ্ধি ও খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ভূমিকা রাখবে। তিনি কৃষকদের আধুনিক কৃষি প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে অধিক ফলন অর্জনের আহ্বান জানান।
বিশেষ অতিথি মাফরুজা সুলতানা তার বক্তব্যে বলেন, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের হাত ধরেই দেশে সবুজ বিপ্লবের সূচনা হয়েছিল। তারই ধারাবাহিকতায় বর্তমান নেতৃত্ব কৃষকদের উন্নয়নে কাজ করছে। তিনি উল্লেখ করেন, কৃষকদের জন্য কৃষি কার্ড প্রকল্প চালু করা একটি যুগান্তকারী উদ্যোগ, যা কৃষকদের সরাসরি সহায়তা পৌঁছে দিতে সহায়ক হবে। তিনি কৃষকদের কল্যাণে এ ধরনের কার্যক্রম অব্যাহত রাখার আহ্বান জানান এবং কৃষিখাতে আরও সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধির দাবি জানান।
উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে কৃষকদের মধ্যে এ সহায়তা বিতরণ করা হবে। এর মধ্যে পৌরসভায় ১০০ জন, কাচিয়া ৮৫০ জন, গঙ্গাপুরে ৭৫০ জন, সাচরায় ৮০০ জন, দেউলায় ৮০০ জন, হাসাননগরে ৪০০ জন, টবগীতে ৮৫০ জন, পক্ষীয়ায় ৮০০ জন, বড়মানিকা ৮৫০ জন এবং কুতুবায় ৮০০ জন কৃষক এ সুবিধা পাবেন।
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা নাজনীন সুলতানা, উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মনোজ কুমার সাহা, উপজেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক সরোয়ার আলম খান, উপজেলা কৃষকদলের সভাপতি ইদ্রিস মিয়া প্রমুখ।
অনুষ্ঠান শেষে কৃষকদের মাঝে আনুষ্ঠানিকভাবে বীজ ও সার বিতরণ করা হয়। কৃষকরা এই সহায়তা পেয়ে সন্তোষ প্রকাশ করেন এবং বলেন, এতে তাদের উৎপাদন ব্যয় কমবে এবং তারা অধিক জমিতে আবাদ করতে উৎসাহিত হবেন।
সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন, এ উদ্যোগের মাধ্যমে চলতি মৌসুমে আউশ ধানের আবাদ ও উৎপাদন বৃদ্ধি পাবে এবং কৃষকদের আর্থিক অবস্থার উন্নয়ন ঘটবে। পাশাপাশি দেশের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতেও এটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
০১ আগস্ট, ২০২৬ ১৮:৪২
০১ আগস্ট, ২০২৬ ১৮:৪০
০১ আগস্ট, ২০২৬ ১৮:৩৪
০১ আগস্ট, ২০২৬ ১৮:০১