
১৫ নভেম্বর, ২০২৫ ১৫:৪৪
ইথিওপিয়া দেশটির দক্ষিণাঞ্চলে মারবার্গ ভাইরাসের প্রথম প্রাদুর্ভাব নিশ্চিত করেছে। দেশটিতে এখন পর্যন্ত ৯ জন আক্রান্ত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) বলেছে, ইথিওপিয়ার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় ও সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলো দ্রুত ও স্বচ্ছভাবে পরিস্থিতি সামলাচ্ছে।
শুক্রবার এক পোস্টে ডব্লিউএইচও মহাপরিচালক টেড্রোস আধানম গেব্রিয়েসুস লেখেন, ‘এই দ্রুত পদক্ষেপ দেশটির প্রাদুর্ভাব ঠেকাতে দৃঢ় প্রতিশ্রুতির প্রমাণ।
এর আগের দিন ডব্লিউএইচও জানিয়েছিল, ইথিওপিয়ার কর্তৃপক্ষ অজানা ‘ভাইরাল হেমোরেজিক জ্বর’-এর সন্দেহজনক মামলার তদন্ত শুরু করেছে।
মারবার্গ ভাইরাস ইবোলার মতো একই ফাইলোভিরিডি পরিবারের সদস্য। তবে এটি অনেক মারাত্মক হতে পারে। মার্কিন রোগ নিয়ন্ত্রণ ও প্রতিরোধ কেন্দ্র (সিডিসি) একে ‘দুর্লভ কিন্তু অত্যন্ত গুরুতর’ রোগ হিসেবে উল্লেখ করেছে।
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রোগ নিয়ন্ত্রণ সংস্থা সিডিসি জানায়, মারবুর্গ একটি ‘দুর্লভ কিন্তু মারাত্মক’ হেমোরেজিক জ্বর। এটি অনেক সময় প্রাণঘাতী হয়। ভাইরাসটি প্রথম আসে মিসরের ফলখেকো বাদুড় থেকে। একজন আক্রান্ত ব্যক্তির শরীরের তরল বা সেই তরলে দূষিত বস্তু, যেমন জামাকাপড় বা বিছানার চাদর ছুঁলেই এটি ছড়াতে পারে।
রোগের উপসর্গের মধ্যে জ্বর, চামড়ায় র্যাশ এবং তীব্র রক্তক্ষরণ দেখা যায়।
সিডিসি আরো জানায়, মারবুর্গের কোনো নির্দিষ্ট ওষুধ বা টিকা নেই। চিকিৎসা সীমিত সহায়তামূলক পরিচর্যা, বিশ্রাম এবং শরীরে পানি ধরে রাখার ওপর নির্ভর করে।
ইথিওপিয়ার দক্ষিণের ওমো অঞ্চলে এই প্রাদুর্ভাব দেখা দিয়েছে, যা দক্ষিণ সুদানের সীমান্তবর্তী এলাকা। আফ্রিকা সিডিসির মহাপরিচালক জ্যঁ কাসেয়া সতর্ক করে বলেন, ‘দক্ষিণ সুদান খুব দূরে নয় এবং দেশটির স্বাস্থ্যব্যবস্থা অত্যন্ত নাজুক।
সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে আফ্রিকার অন্য কোনো দেশে মারবার্গ আক্রান্তের খবর পাওয়া যায়নি।
ডব্লিউএইচও প্রধান টেড্রোস জানিয়েছেন, জাতিসংঘের সংস্থা ইথিওপিয়াকে সক্রিয়ভাবে সহায়তা করছে:সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণ, আক্রান্তদের চিকিৎসা এবং সীমান্ত পেরিয়ে রোগ ছড়িয়ে পড়া ঠেকাতে।
ইথিওপিয়ার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, আক্রান্ত ব্যক্তিদের বিচ্ছিন্ন করে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। সম্ভাব্য সংস্পর্শে আসা ব্যক্তিদের শনাক্ত করতে কাজ চলছে। পাশাপাশি সম্প্রদায়ভিত্তিক স্ক্রিনিং ও জনসচেতনতা বৃদ্ধির প্রচারণাও চালানো হচ্ছে। মন্ত্রণালয় জনগণকে আতঙ্কিত না হয়ে স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা অনুসরণ করতে এবং কোনো উপসর্গ দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসা নিতে আহ্বান জানিয়েছে।
ইথিওপিয়া দেশটির দক্ষিণাঞ্চলে মারবার্গ ভাইরাসের প্রথম প্রাদুর্ভাব নিশ্চিত করেছে। দেশটিতে এখন পর্যন্ত ৯ জন আক্রান্ত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) বলেছে, ইথিওপিয়ার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় ও সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলো দ্রুত ও স্বচ্ছভাবে পরিস্থিতি সামলাচ্ছে।
শুক্রবার এক পোস্টে ডব্লিউএইচও মহাপরিচালক টেড্রোস আধানম গেব্রিয়েসুস লেখেন, ‘এই দ্রুত পদক্ষেপ দেশটির প্রাদুর্ভাব ঠেকাতে দৃঢ় প্রতিশ্রুতির প্রমাণ।
এর আগের দিন ডব্লিউএইচও জানিয়েছিল, ইথিওপিয়ার কর্তৃপক্ষ অজানা ‘ভাইরাল হেমোরেজিক জ্বর’-এর সন্দেহজনক মামলার তদন্ত শুরু করেছে।
মারবার্গ ভাইরাস ইবোলার মতো একই ফাইলোভিরিডি পরিবারের সদস্য। তবে এটি অনেক মারাত্মক হতে পারে। মার্কিন রোগ নিয়ন্ত্রণ ও প্রতিরোধ কেন্দ্র (সিডিসি) একে ‘দুর্লভ কিন্তু অত্যন্ত গুরুতর’ রোগ হিসেবে উল্লেখ করেছে।
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রোগ নিয়ন্ত্রণ সংস্থা সিডিসি জানায়, মারবুর্গ একটি ‘দুর্লভ কিন্তু মারাত্মক’ হেমোরেজিক জ্বর। এটি অনেক সময় প্রাণঘাতী হয়। ভাইরাসটি প্রথম আসে মিসরের ফলখেকো বাদুড় থেকে। একজন আক্রান্ত ব্যক্তির শরীরের তরল বা সেই তরলে দূষিত বস্তু, যেমন জামাকাপড় বা বিছানার চাদর ছুঁলেই এটি ছড়াতে পারে।
রোগের উপসর্গের মধ্যে জ্বর, চামড়ায় র্যাশ এবং তীব্র রক্তক্ষরণ দেখা যায়।
সিডিসি আরো জানায়, মারবুর্গের কোনো নির্দিষ্ট ওষুধ বা টিকা নেই। চিকিৎসা সীমিত সহায়তামূলক পরিচর্যা, বিশ্রাম এবং শরীরে পানি ধরে রাখার ওপর নির্ভর করে।
ইথিওপিয়ার দক্ষিণের ওমো অঞ্চলে এই প্রাদুর্ভাব দেখা দিয়েছে, যা দক্ষিণ সুদানের সীমান্তবর্তী এলাকা। আফ্রিকা সিডিসির মহাপরিচালক জ্যঁ কাসেয়া সতর্ক করে বলেন, ‘দক্ষিণ সুদান খুব দূরে নয় এবং দেশটির স্বাস্থ্যব্যবস্থা অত্যন্ত নাজুক।
সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে আফ্রিকার অন্য কোনো দেশে মারবার্গ আক্রান্তের খবর পাওয়া যায়নি।
ডব্লিউএইচও প্রধান টেড্রোস জানিয়েছেন, জাতিসংঘের সংস্থা ইথিওপিয়াকে সক্রিয়ভাবে সহায়তা করছে:সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণ, আক্রান্তদের চিকিৎসা এবং সীমান্ত পেরিয়ে রোগ ছড়িয়ে পড়া ঠেকাতে।
ইথিওপিয়ার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, আক্রান্ত ব্যক্তিদের বিচ্ছিন্ন করে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। সম্ভাব্য সংস্পর্শে আসা ব্যক্তিদের শনাক্ত করতে কাজ চলছে। পাশাপাশি সম্প্রদায়ভিত্তিক স্ক্রিনিং ও জনসচেতনতা বৃদ্ধির প্রচারণাও চালানো হচ্ছে। মন্ত্রণালয় জনগণকে আতঙ্কিত না হয়ে স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা অনুসরণ করতে এবং কোনো উপসর্গ দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসা নিতে আহ্বান জানিয়েছে।

২৮ জুন, ২০২৬ ১৭:০৮
ভারতে অবস্থানরত ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জানিয়েছেন, তিনি চলতি বছরেই বাংলাদেশে ফিরবেন। ভারতীয় সংবাদ মাধ্যম এনডিটিভিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এ কথা জানিয়েছেন। রোববার সাক্ষাৎকারটি প্রকাশ হয়।
ভারতে অবস্থানরত ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জানিয়েছেন, তিনি চলতি বছরেই বাংলাদেশে ফিরবেন। ভারতীয় সংবাদ মাধ্যম এনডিটিভিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এ কথা জানিয়েছেন। রোববার সাক্ষাৎকারটি প্রকাশ হয়।

২৫ জুন, ২০২৬ ১২:৫৭
বুধবার ভেনেজুয়েলায় ৭ মাত্রা ছাড়িয়ে যাওয়া বিধ্বংসী জোড়া ভূমিকম্পে নিহতের সংখ্যা ১ লাখে পৌঁছাতে পারে বলে ধারণা করছে যুক্তরাষ্ট্রের ভূতত্ত্ব জরিপ ও গবেষণা সংস্থা ইউনাইটেড স্টেটস জিওলজিক্যাল সার্ভে (ইউএসজিএস)। বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) ইউএসজিএস থেকে দেওয়া এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে এ তথ্য।
কিন্তু কিসের ভিত্তিতে এই অনুমান করেছে ইউএসজিএস—সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের উত্তরে সংস্থাটির সদস্য এবং যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূতত্ত্ববিদ ভাশান রাইটস জানান, প্রম্প অ্যাসেসমেন্ট অব গ্লোবাল আর্থকোয়েক রেসপন্স বা পেজার নামে একটি অগ্রসর ও উন্নত প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে এ তথ্য জানতে পেরেছেন তারা।
সাংবাদিকদের তিনি বলেন, “পেজার প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে ভূমিকম্পের মাত্রা, গভীরতা, অবস্থান, জনসংখ্যার ঘনত্ব, অতীতের ভূমিকম্পের রেকর্ড এবং ভবন নির্মাণের ধরন প্রভৃতি সম্পর্কিত সমস্ত জ্ঞাত তথ্য নিয়ে ও বিশ্লেষণ করে একটি পূর্বাভাস দেওয়া যায় যে কী ঘটতে পারে। অনেক সময়ই পেজারের পূর্বাভাস প্রকৃত মৃতের সংখ্যার বেশ কাছাকাছি থাকে।”
ইউএসজিএসের বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, “ভূমিকম্পে প্রচুরসংখ্যক হতাহত এবং ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা রয়েওছে এবং এই দুর্যোগটি সম্ভবত বিস্তৃত হবে।”
গতকাল বুধবার স্থানীয় সময় সন্ধ্যা ৬টা ৪ মিনিটে দিকে ৭ দশমিক ২ এবং ৭ দশমিক ৫ মাত্রার ভূমিকম্প আঘাত হানে ভেনেজুয়েলায়। দুই ভূমিকম্পের মাঝখানে সময়ের ব্যবধান ছিল মাত্র ৪০ সেকেন্ড ছিল বলে এক বিবৃতিতে জানিয়েছে ইউএসজিএস।
প্রেসিডেন্ট দেলসি রদ্রিগুয়েজ ইতোমধ্যে দেশজুড়ে জরুরি অবস্থা জারি করেছেন। মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএনের জিওলোকেশন করা একাধিক ভিডিওতে ভেনিজুয়েলা জুড়ে ভবন ও অবকাঠামোর ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি দেখা গেছে, যার মধ্যে রাজধানী কারাকাস এবং উপকূলীয় শহর কাতিয়া লা মারও রয়েছে। সেখানে একটি পাহাড়ের ঢালে বেশ কয়েকটি ভবন ধসে পড়তে দেখা গেছে। বিভিন্ন ভিডিওতে দেখা গেছে, আতঙ্কিত বাসিন্দারা তাদের প্রিয়জন ও পোষা প্রাণীসহ ভবনগুলো থেকে বেরিয়ে এসে রাস্তায় জড়ো হচ্ছেন।
সরকারি-বেসরকারি উদ্যোগে উদ্ধার তৎপরতা শুরু হয়েছে ভেনেজুয়েলায়। ইতোমধ্যে রাজধানী কারাকাসসহ বিভিন্ন শহর-গ্রাম থেকে ৩২ জনের মরদেহ এবং ৭ শতাধিক মানুষকে আহত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছে।
ভেনেজুয়েলার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী দিওসদাদো কাবেল্লো রাষ্ট্রায়ত্ব টেলিভিশনে প্রদান করা এক বক্তব্যে বলেছেন, “আমাদের অনেক ভবন, বাড়িঘর ধসে পড়েছে এবং নিরাপত্তা ও বেসামরিক সহায়তার ক্ষেত্রে আমাদের কাছে যা কিছু আছে, সেসব দিয়েই আমরা পরিস্থিতি সামাল দিচ্ছি।”
বুধবার ভেনেজুয়েলায় ৭ মাত্রা ছাড়িয়ে যাওয়া বিধ্বংসী জোড়া ভূমিকম্পে নিহতের সংখ্যা ১ লাখে পৌঁছাতে পারে বলে ধারণা করছে যুক্তরাষ্ট্রের ভূতত্ত্ব জরিপ ও গবেষণা সংস্থা ইউনাইটেড স্টেটস জিওলজিক্যাল সার্ভে (ইউএসজিএস)। বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) ইউএসজিএস থেকে দেওয়া এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে এ তথ্য।
কিন্তু কিসের ভিত্তিতে এই অনুমান করেছে ইউএসজিএস—সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের উত্তরে সংস্থাটির সদস্য এবং যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূতত্ত্ববিদ ভাশান রাইটস জানান, প্রম্প অ্যাসেসমেন্ট অব গ্লোবাল আর্থকোয়েক রেসপন্স বা পেজার নামে একটি অগ্রসর ও উন্নত প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে এ তথ্য জানতে পেরেছেন তারা।
সাংবাদিকদের তিনি বলেন, “পেজার প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে ভূমিকম্পের মাত্রা, গভীরতা, অবস্থান, জনসংখ্যার ঘনত্ব, অতীতের ভূমিকম্পের রেকর্ড এবং ভবন নির্মাণের ধরন প্রভৃতি সম্পর্কিত সমস্ত জ্ঞাত তথ্য নিয়ে ও বিশ্লেষণ করে একটি পূর্বাভাস দেওয়া যায় যে কী ঘটতে পারে। অনেক সময়ই পেজারের পূর্বাভাস প্রকৃত মৃতের সংখ্যার বেশ কাছাকাছি থাকে।”
ইউএসজিএসের বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, “ভূমিকম্পে প্রচুরসংখ্যক হতাহত এবং ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা রয়েওছে এবং এই দুর্যোগটি সম্ভবত বিস্তৃত হবে।”
গতকাল বুধবার স্থানীয় সময় সন্ধ্যা ৬টা ৪ মিনিটে দিকে ৭ দশমিক ২ এবং ৭ দশমিক ৫ মাত্রার ভূমিকম্প আঘাত হানে ভেনেজুয়েলায়। দুই ভূমিকম্পের মাঝখানে সময়ের ব্যবধান ছিল মাত্র ৪০ সেকেন্ড ছিল বলে এক বিবৃতিতে জানিয়েছে ইউএসজিএস।
প্রেসিডেন্ট দেলসি রদ্রিগুয়েজ ইতোমধ্যে দেশজুড়ে জরুরি অবস্থা জারি করেছেন। মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএনের জিওলোকেশন করা একাধিক ভিডিওতে ভেনিজুয়েলা জুড়ে ভবন ও অবকাঠামোর ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি দেখা গেছে, যার মধ্যে রাজধানী কারাকাস এবং উপকূলীয় শহর কাতিয়া লা মারও রয়েছে। সেখানে একটি পাহাড়ের ঢালে বেশ কয়েকটি ভবন ধসে পড়তে দেখা গেছে। বিভিন্ন ভিডিওতে দেখা গেছে, আতঙ্কিত বাসিন্দারা তাদের প্রিয়জন ও পোষা প্রাণীসহ ভবনগুলো থেকে বেরিয়ে এসে রাস্তায় জড়ো হচ্ছেন।
সরকারি-বেসরকারি উদ্যোগে উদ্ধার তৎপরতা শুরু হয়েছে ভেনেজুয়েলায়। ইতোমধ্যে রাজধানী কারাকাসসহ বিভিন্ন শহর-গ্রাম থেকে ৩২ জনের মরদেহ এবং ৭ শতাধিক মানুষকে আহত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছে।
ভেনেজুয়েলার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী দিওসদাদো কাবেল্লো রাষ্ট্রায়ত্ব টেলিভিশনে প্রদান করা এক বক্তব্যে বলেছেন, “আমাদের অনেক ভবন, বাড়িঘর ধসে পড়েছে এবং নিরাপত্তা ও বেসামরিক সহায়তার ক্ষেত্রে আমাদের কাছে যা কিছু আছে, সেসব দিয়েই আমরা পরিস্থিতি সামাল দিচ্ছি।”

২২ জুন, ২০২৬ ২০:৪১
মালয়েশিয়ার জোহর অঙ্গরাজ্যের পেকান নেনাস ইমিগ্রেশন ডিপো থেকে জুনের তৃতীয় সপ্তাহজুড়ে বিভিন্ন দেশের ১৮০ জন বিদেশি বন্দিকে নিজ নিজ দেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে।
রোববার (২১ জুন) এক বিবৃতিতে মালয়েশিয়ার ইমিগ্রেশন বিভাগ জানায়, ফেরত পাঠানোদের মধ্যে ১৩২ জন মিয়ানমারের, ২২ জন বাংলাদেশের, ১২ জন ভিয়েতনামের, ৯ জন থাইল্যান্ডের, ২ জন নেপালের এবং শ্রীলঙ্কা, চীন ও সিঙ্গাপুরের একজন করে নাগরিক রয়েছেন।
ইমিগ্রেশন বিভাগ জানায়, বন্দিদের কুয়ালালামপুর আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের (কেএলআইএ-১ ও কেএলআইএ-২), সেনাই আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর এবং সুলতান ইস্কান্দার ভবন আইসিকিউএস কমপ্লেক্সের মাধ্যমে নিজ নিজ দেশে পাঠানো হয়েছে।
প্রত্যাবাসনের বিমান টিকিটের ব্যয় বন্দিদের ব্যক্তিগত সঞ্চয়, তাদের পরিবারের আর্থিক সহায়তা এবং বিশেষ কিছু ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট দূতাবাস বহন করেছে।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, এসব বিদেশি নাগরিক মালয়েশিয়ার বিভিন্ন আইনের আওতায় সাজা ভোগ শেষে দেশে ফেরত গেছেন।
ইমিগ্রেশন বিভাগ জানিয়েছে, প্রত্যাবাসিত সব বিদেশিকে বিভাগীয় কালো তালিকাভুক্ত (ব্ল্যাকলিস্ট) করা হয়েছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে তারা কোনো উদ্দেশ্যেই মালয়েশিয়ায় পুনরায় প্রবেশ করতে পারবেন না।
মালয়েশিয়ার জোহর অঙ্গরাজ্যের পেকান নেনাস ইমিগ্রেশন ডিপো থেকে জুনের তৃতীয় সপ্তাহজুড়ে বিভিন্ন দেশের ১৮০ জন বিদেশি বন্দিকে নিজ নিজ দেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে।
রোববার (২১ জুন) এক বিবৃতিতে মালয়েশিয়ার ইমিগ্রেশন বিভাগ জানায়, ফেরত পাঠানোদের মধ্যে ১৩২ জন মিয়ানমারের, ২২ জন বাংলাদেশের, ১২ জন ভিয়েতনামের, ৯ জন থাইল্যান্ডের, ২ জন নেপালের এবং শ্রীলঙ্কা, চীন ও সিঙ্গাপুরের একজন করে নাগরিক রয়েছেন।
ইমিগ্রেশন বিভাগ জানায়, বন্দিদের কুয়ালালামপুর আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের (কেএলআইএ-১ ও কেএলআইএ-২), সেনাই আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর এবং সুলতান ইস্কান্দার ভবন আইসিকিউএস কমপ্লেক্সের মাধ্যমে নিজ নিজ দেশে পাঠানো হয়েছে।
প্রত্যাবাসনের বিমান টিকিটের ব্যয় বন্দিদের ব্যক্তিগত সঞ্চয়, তাদের পরিবারের আর্থিক সহায়তা এবং বিশেষ কিছু ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট দূতাবাস বহন করেছে।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, এসব বিদেশি নাগরিক মালয়েশিয়ার বিভিন্ন আইনের আওতায় সাজা ভোগ শেষে দেশে ফেরত গেছেন।
ইমিগ্রেশন বিভাগ জানিয়েছে, প্রত্যাবাসিত সব বিদেশিকে বিভাগীয় কালো তালিকাভুক্ত (ব্ল্যাকলিস্ট) করা হয়েছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে তারা কোনো উদ্দেশ্যেই মালয়েশিয়ায় পুনরায় প্রবেশ করতে পারবেন না।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.