
১৪ জুন, ২০২৫ ১৩:৫৭
লালমনিরহাটের আদিতমারী উপজেলায় সেনাসদস্যের স্ত্রী দাবি করে অনশনে বসেছেন এক কলেজছাত্রী। শুক্রবার রাতে উপজেলার মহিষখোঁচা ইউনিয়নের গোবর্ধ্বন গ্রামের সেনাসদস্য রবিউল ইসলাম মেহেদির বাড়িতে এই অনশন শুরু করেন তিনি।
ভুক্তভোগী কলেজছাত্রীর দাবি, ২০২১ সালের ২৫ নভেম্বর রংপুর নোটারি পাবলিকের মাধ্যমে ৪৭২৫ নম্বর রেজিস্ট্রেশনে তাঁদের বিয়ে হয়, যার কাবিননামা ১০ লাখ টাকায় নির্ধারিত ছিল। ওই সময় সেনাসদস্য রবিউল ইসলামের পরিবার বিয়েতে সম্মত না হওয়ায় গোপনেই সংসার শুরু করেন তাঁরা।
রাবেয়া জানান, রবিউলের সঙ্গে তার প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে প্রায় পাঁচ বছর আগে। বিয়ের পর থেকে বিভিন্ন স্থানে স্বামী-স্ত্রীর পরিচয়ে চলাফেরা করেছেন তাঁরা। তবে ঈদের ছুটিতে বাড়ি ফিরে স্ত্রীকে ঘরে তোলার প্রতিশ্রুতি দিলেও পরিবার থেকে সম্মতি না পেয়ে গত ৬ জুন থেকে তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ বন্ধ করে দেন রবিউল।
এরপর শুক্রবার সন্ধ্যায় সেনাসদস্যের বাড়িতে গেলে কলেজছাত্রীকে মারধর করে ঘর থেকে বের করে দেওয়া হয়। এরপর তিনি সেখানেই অনশনে বসেন। রাতভর স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা আপসের চেষ্টা করেও ব্যর্থ হন।
ভুক্তভোগী ছাত্রী বলেন, ‘রবিউল দীর্ঘদিন স্ত্রী পরিচয়ে শারীরিক সম্পর্ক রেখে এখন মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছেন। স্ত্রীর স্বীকৃতি না পেলে রবিউলের বাড়ির উঠানেই আত্মহত্যা করব।’
রবিউলের বাবা মোখলেছুর রহমান বলেন, ‘ওই এফিডেভিট আদালত দুই বছর আগে বাতিল করে দিয়েছে। তাই এই বিয়ে আমরা মানি না।’ তবে তিনি কোনো লিখিত প্রমাণ দেখাতে পারেননি।
মহিষখোঁচা ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান আব্দুল মজিদ হোসেন বলেন, ‘কলেজছাত্রীর কাছে থাকা কাগজপত্র অনুযায়ী তাঁদের মধ্যে বিয়ে হয়েছে এবং তাঁরা গোপনে সংসারও করেছেন। এখন রবিউলের পরিবার বিয়ে মানতে নারাজ। ছাত্রীটি অনড় অবস্থানে রয়েছেন। নিরাপত্তার জন্য সেখানে গ্রাম পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।’
লালমনিরহাটের আদিতমারী উপজেলায় সেনাসদস্যের স্ত্রী দাবি করে অনশনে বসেছেন এক কলেজছাত্রী। শুক্রবার রাতে উপজেলার মহিষখোঁচা ইউনিয়নের গোবর্ধ্বন গ্রামের সেনাসদস্য রবিউল ইসলাম মেহেদির বাড়িতে এই অনশন শুরু করেন তিনি।
ভুক্তভোগী কলেজছাত্রীর দাবি, ২০২১ সালের ২৫ নভেম্বর রংপুর নোটারি পাবলিকের মাধ্যমে ৪৭২৫ নম্বর রেজিস্ট্রেশনে তাঁদের বিয়ে হয়, যার কাবিননামা ১০ লাখ টাকায় নির্ধারিত ছিল। ওই সময় সেনাসদস্য রবিউল ইসলামের পরিবার বিয়েতে সম্মত না হওয়ায় গোপনেই সংসার শুরু করেন তাঁরা।
রাবেয়া জানান, রবিউলের সঙ্গে তার প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে প্রায় পাঁচ বছর আগে। বিয়ের পর থেকে বিভিন্ন স্থানে স্বামী-স্ত্রীর পরিচয়ে চলাফেরা করেছেন তাঁরা। তবে ঈদের ছুটিতে বাড়ি ফিরে স্ত্রীকে ঘরে তোলার প্রতিশ্রুতি দিলেও পরিবার থেকে সম্মতি না পেয়ে গত ৬ জুন থেকে তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ বন্ধ করে দেন রবিউল।
এরপর শুক্রবার সন্ধ্যায় সেনাসদস্যের বাড়িতে গেলে কলেজছাত্রীকে মারধর করে ঘর থেকে বের করে দেওয়া হয়। এরপর তিনি সেখানেই অনশনে বসেন। রাতভর স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা আপসের চেষ্টা করেও ব্যর্থ হন।
ভুক্তভোগী ছাত্রী বলেন, ‘রবিউল দীর্ঘদিন স্ত্রী পরিচয়ে শারীরিক সম্পর্ক রেখে এখন মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছেন। স্ত্রীর স্বীকৃতি না পেলে রবিউলের বাড়ির উঠানেই আত্মহত্যা করব।’
রবিউলের বাবা মোখলেছুর রহমান বলেন, ‘ওই এফিডেভিট আদালত দুই বছর আগে বাতিল করে দিয়েছে। তাই এই বিয়ে আমরা মানি না।’ তবে তিনি কোনো লিখিত প্রমাণ দেখাতে পারেননি।
মহিষখোঁচা ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান আব্দুল মজিদ হোসেন বলেন, ‘কলেজছাত্রীর কাছে থাকা কাগজপত্র অনুযায়ী তাঁদের মধ্যে বিয়ে হয়েছে এবং তাঁরা গোপনে সংসারও করেছেন। এখন রবিউলের পরিবার বিয়ে মানতে নারাজ। ছাত্রীটি অনড় অবস্থানে রয়েছেন। নিরাপত্তার জন্য সেখানে গ্রাম পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।’

১১ মার্চ, ২০২৬ ১৯:১৩
পারিবারিক কলহের জেরে স্ত্রীকে ‘শিক্ষা দিতে’ এক প্রবাসীর স্ত্রীকে নিয়ে পালিয়ে বিয়ে করার অভিযোগ উঠেছে নাঈম হোসেন নামে এক যুবকের বিরুদ্ধে। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে ওই এলাকায় চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে।
বিজ্ঞাপন
মঙ্গলবার (১০ মার্চ) দুপুরে পাবনার ঈশ্বরদী উপজেলার কালিকাপুর ইউনিয়নের দেওয়ানপাড়া গ্রামে এই ঘটনা ঘটে। নাঈম ওই গ্রামেরই বাসিন্দা।
জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে নাঈম হোসেনের সঙ্গে তার স্ত্রীর পারিবারিক অশান্তি চলছিল। স্ত্রীর ওপর ক্ষুব্ধ হয়ে নাঈম পার্শ্ববর্তী গ্রামের এক গৃহবধূর সঙ্গে পরকীয়া প্রেমে জড়িয়ে পড়েন। মঙ্গলবার দুপুরে তিনি বাড়ি থেকে কাপড়-চোপড় গুছিয়ে ওই গৃহবধূকে নিয়ে পালিয়ে গিয়ে বিয়ে করেন বলে জানা গেছে।
ঘটনার বিষয়ে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে নাঈম হোসেন গণমাধ্যমের কাছে অকপটে নিজের কর্মকাণ্ডের কথা স্বীকার করেন। তিনি বলেন, মূলত আমার স্ত্রীকে শিক্ষা দেওয়ার জন্যই আমি আরেকজনের বউকে নিয়ে পালিয়েছি।
আমার স্ত্রী আমার কথামতো চলে না, সারাক্ষণ অশান্তি করে। এজন্য আমি এই বিয়ে করেছি। তবে কিছুদিন গেলে আবার আগের স্ত্রীর কাছেই ফিরে যাব।
এ বিষয়ে ঈশ্বরদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মমিনুজ্জামান গণমাধ্যমকে বলেন, বিষয়টি লোকমুখে শুনেছি। তবে এখন পর্যন্ত কোনো পক্ষ থেকেই থানায় লিখিত অভিযোগ করা হয়নি। অভিযোগ পেলে বিষয়টি খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

১১ মার্চ, ২০২৬ ১৮:৩৪
সৌদি আরবের পক্ষ থেকে উপহার হিসেবে পাওয়া সাড়ে ১২ হাজার কার্টুন খেজুর দেশের বিভিন্ন জেলায় বরাদ্দ দিয়েছে সরকার। এর মধ্যে কুমিল্লা জেলার জন্য ৫২০ কার্টন বরাদ্দ দেয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়। এর মধ্যে হদিস মিলছে না ২০ কার্টন খেজুরের।
দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের ওয়েবসাইট সূত্রে জানা গেছে, সৌদি যুবরাজের পক্ষ থেকে ১২ হাজার ৫০০ কার্টন খেজুর উপহার হিসেবে আসে বাংলাদেশে। গত ১ মার্চ সেসব খেজুর জেলাভিত্তিক বণ্টনের জন্য সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসকদের কাছে পাঠায় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তর। কুমিল্লায় মোট ৫২০ কার্টন খেজুর পাঠানো হয়, যে তথ্য দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের ওয়েবসাইটে এখনো রয়েছে।
জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা মো. আবেদ আলী বলেন, আমাদের কাছে ৫০০ কার্টন খেজুর এসেছিল। আমরা সেগুলোই বণ্টন করেছি। অধিদপ্তর সংশোধন করে সেটি পরে ৫০০ কার্টনই করেছে।
তালিকা সংশোধন করা হয়েছে কি না এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, তালিকা সংশোধন না, এটা বরাদ্দটাই ৫০০ ছিল। এটাই সংশোধন করা হয়েছে।
উল্লেখ্য,মঙ্গলবার (১০ মার্চ) রাতে ফেসবুকে লাইভে এসে নিজ এলাকার কর্মকাণ্ডের হিসেব তুলে ধরেন কুমিল্লা-৪ (দেবিদ্বার) আসনের সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহ। ওই লাইভে দেবিদ্বারে ৩৯ কার্টন খেজুর পাওয়ার বিষয়টি জানান তিনি। তার এই তথ্যের পর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে খেজুর নিয়ে তোলপাড় সৃষ্টি হলে বিষয়টি নিয়ে তুমুল আলোচনা শুরু হয়।

১১ মার্চ, ২০২৬ ১৮:১৮
ময়মনসিংহের গফরগাঁওয়ের ব্রহ্মপুত্র নদে মাছ ধরতে গিয়ে দুই বস্তা সরকারি ওষুধ পেয়েছেন জেলেরা। বুধবার (১১ মার্চ) সকালে উপজেলার তেঁতুলিয়া মসজিদ এলাকার নদে মাছ ধরার সময় ওষুধভর্তি দুটি বস্তা পান তারা।
স্থানীয় সূত্র জানায়, বুধবার সকাল ১১টার দিকে স্থানীয় জেলেরা ব্রহ্মপুত্র নদে জাল ফেলে মাছ ধরছিলেন। জাল টেনে তোলার সময় মুখ বাধা দুটি বড় পাটের বস্তা দেখতে পান তারা।
খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছয়। এ সময় বস্তার মুখ খুলে ভেতরে সরকারি হাসপাতালের বিভিন্ন প্রকারের ওষুধ পাওয়া যায়। পুলিশ ওষুধভর্তি বস্তা দুটি থানায় নিয়ে যায়।
উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মোহাম্মদ জামাল উদ্দিন বলেন, আমি যতদূর শুনেছি বস্তায় থাকা ওষুধ ২০২৩ সালের।
ওই সময় কেউ হয়তো নদীতে ফেলে থাকতে পারে। ওষুধের প্যাকেট পচনশীল না হওয়ায় এবং বস্তাভর্তি থাকায় পানির নিচে রয়ে যায়। তিনি বলেন, উদ্ধার ওষুধের বিষয়ে পুলিশ তদন্ত করে আইনি ব্যবস্থা নেবে। তদন্তের জন্য যে কোনো সহযোগিতা করা হবে।
গফরগাঁও থানার ওসি আ স ম আতিকুর রহমান বলেন, এ ঘটনায় থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করা হয়েছে। তদন্ত করে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
পারিবারিক কলহের জেরে স্ত্রীকে ‘শিক্ষা দিতে’ এক প্রবাসীর স্ত্রীকে নিয়ে পালিয়ে বিয়ে করার অভিযোগ উঠেছে নাঈম হোসেন নামে এক যুবকের বিরুদ্ধে। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে ওই এলাকায় চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে।
বিজ্ঞাপন
মঙ্গলবার (১০ মার্চ) দুপুরে পাবনার ঈশ্বরদী উপজেলার কালিকাপুর ইউনিয়নের দেওয়ানপাড়া গ্রামে এই ঘটনা ঘটে। নাঈম ওই গ্রামেরই বাসিন্দা।
জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে নাঈম হোসেনের সঙ্গে তার স্ত্রীর পারিবারিক অশান্তি চলছিল। স্ত্রীর ওপর ক্ষুব্ধ হয়ে নাঈম পার্শ্ববর্তী গ্রামের এক গৃহবধূর সঙ্গে পরকীয়া প্রেমে জড়িয়ে পড়েন। মঙ্গলবার দুপুরে তিনি বাড়ি থেকে কাপড়-চোপড় গুছিয়ে ওই গৃহবধূকে নিয়ে পালিয়ে গিয়ে বিয়ে করেন বলে জানা গেছে।
ঘটনার বিষয়ে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে নাঈম হোসেন গণমাধ্যমের কাছে অকপটে নিজের কর্মকাণ্ডের কথা স্বীকার করেন। তিনি বলেন, মূলত আমার স্ত্রীকে শিক্ষা দেওয়ার জন্যই আমি আরেকজনের বউকে নিয়ে পালিয়েছি।
আমার স্ত্রী আমার কথামতো চলে না, সারাক্ষণ অশান্তি করে। এজন্য আমি এই বিয়ে করেছি। তবে কিছুদিন গেলে আবার আগের স্ত্রীর কাছেই ফিরে যাব।
এ বিষয়ে ঈশ্বরদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মমিনুজ্জামান গণমাধ্যমকে বলেন, বিষয়টি লোকমুখে শুনেছি। তবে এখন পর্যন্ত কোনো পক্ষ থেকেই থানায় লিখিত অভিযোগ করা হয়নি। অভিযোগ পেলে বিষয়টি খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
সৌদি আরবের পক্ষ থেকে উপহার হিসেবে পাওয়া সাড়ে ১২ হাজার কার্টুন খেজুর দেশের বিভিন্ন জেলায় বরাদ্দ দিয়েছে সরকার। এর মধ্যে কুমিল্লা জেলার জন্য ৫২০ কার্টন বরাদ্দ দেয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়। এর মধ্যে হদিস মিলছে না ২০ কার্টন খেজুরের।
দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের ওয়েবসাইট সূত্রে জানা গেছে, সৌদি যুবরাজের পক্ষ থেকে ১২ হাজার ৫০০ কার্টন খেজুর উপহার হিসেবে আসে বাংলাদেশে। গত ১ মার্চ সেসব খেজুর জেলাভিত্তিক বণ্টনের জন্য সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসকদের কাছে পাঠায় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তর। কুমিল্লায় মোট ৫২০ কার্টন খেজুর পাঠানো হয়, যে তথ্য দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের ওয়েবসাইটে এখনো রয়েছে।
জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা মো. আবেদ আলী বলেন, আমাদের কাছে ৫০০ কার্টন খেজুর এসেছিল। আমরা সেগুলোই বণ্টন করেছি। অধিদপ্তর সংশোধন করে সেটি পরে ৫০০ কার্টনই করেছে।
তালিকা সংশোধন করা হয়েছে কি না এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, তালিকা সংশোধন না, এটা বরাদ্দটাই ৫০০ ছিল। এটাই সংশোধন করা হয়েছে।
উল্লেখ্য,মঙ্গলবার (১০ মার্চ) রাতে ফেসবুকে লাইভে এসে নিজ এলাকার কর্মকাণ্ডের হিসেব তুলে ধরেন কুমিল্লা-৪ (দেবিদ্বার) আসনের সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহ। ওই লাইভে দেবিদ্বারে ৩৯ কার্টন খেজুর পাওয়ার বিষয়টি জানান তিনি। তার এই তথ্যের পর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে খেজুর নিয়ে তোলপাড় সৃষ্টি হলে বিষয়টি নিয়ে তুমুল আলোচনা শুরু হয়।
ময়মনসিংহের গফরগাঁওয়ের ব্রহ্মপুত্র নদে মাছ ধরতে গিয়ে দুই বস্তা সরকারি ওষুধ পেয়েছেন জেলেরা। বুধবার (১১ মার্চ) সকালে উপজেলার তেঁতুলিয়া মসজিদ এলাকার নদে মাছ ধরার সময় ওষুধভর্তি দুটি বস্তা পান তারা।
স্থানীয় সূত্র জানায়, বুধবার সকাল ১১টার দিকে স্থানীয় জেলেরা ব্রহ্মপুত্র নদে জাল ফেলে মাছ ধরছিলেন। জাল টেনে তোলার সময় মুখ বাধা দুটি বড় পাটের বস্তা দেখতে পান তারা।
খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছয়। এ সময় বস্তার মুখ খুলে ভেতরে সরকারি হাসপাতালের বিভিন্ন প্রকারের ওষুধ পাওয়া যায়। পুলিশ ওষুধভর্তি বস্তা দুটি থানায় নিয়ে যায়।
উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মোহাম্মদ জামাল উদ্দিন বলেন, আমি যতদূর শুনেছি বস্তায় থাকা ওষুধ ২০২৩ সালের।
ওই সময় কেউ হয়তো নদীতে ফেলে থাকতে পারে। ওষুধের প্যাকেট পচনশীল না হওয়ায় এবং বস্তাভর্তি থাকায় পানির নিচে রয়ে যায়। তিনি বলেন, উদ্ধার ওষুধের বিষয়ে পুলিশ তদন্ত করে আইনি ব্যবস্থা নেবে। তদন্তের জন্য যে কোনো সহযোগিতা করা হবে।
গফরগাঁও থানার ওসি আ স ম আতিকুর রহমান বলেন, এ ঘটনায় থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করা হয়েছে। তদন্ত করে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।