Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.

০৭ মে, ২০২৬ ১৩:০৮
মুন্সীগঞ্জের লৌহজং-টঙ্গিবাড়ী উপজেলার ডহরী-তালতলা খালে চাঁদা দিয়ে চলছে বালুবাহী বাল্কহেড। প্রশাসন নিষিদ্ধ ঘোষণা করলেও চালকদের কাছ থেকে চাঁদা নিয়ে কয়েকটি চক্র বাল্কহেড চলাচলে সহায়তা করছে।
প্রতিদিন সকাল থেকে রাত পর্যন্ত খালে শতাধিক বাল্কহেড নিয়মিত চলাচল করছে বলে খালপাড়ের বাসিন্দারা জানিয়েছেন। এতে বিভিন্ন স্থানের খালপাড়ে ভাঙন দেখা দিয়েছে।
২০২৩ সালের ৫ আগস্ট খিদিরপাড়া ইউনিয়নের রসকাঠি এলাকায় বাল্কহেডের ধাক্কায় পিকনিকের ট্রলার ডুবে নারী ও শিশুসহ ১০ জন নিহত হন। এরপর প্রশাসন এই খালে বাল্কহেড চলাচলে নিষেধাজ্ঞা দেয়। কিন্তু এরপরও চাঁদাবাজ চক্রের সহায়তায় নির্বিঘ্নে চলাচল করছে বাল্কহেড।
গৌরগঞ্জ-তালতলা-ডহরী খাল নামে পরিচিত খালটি লৌহজং ও টঙ্গিবাড়ী উভয় উপজেলায় পড়েছে। পদ্মা নদীর ডহরী থেকে নূরপুর পর্যন্ত খালের দুই পাড় লৌহজং উপজেলায় এবং নূরপুর থেকে সুবচনী বাজার পর্যন্ত খালের পশ্চিম পাড় লৌহজং ও পূর্ব পাড় টঙ্গিবাড়ী উপজেলায় অবস্থিত।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বাল্কহেড চালকরা জানান, টঙ্গিবাড়ী উপজেলার বালিগাঁও বাজার এলাকার রাজন মুন্সী, সাজন মুন্সী এবং লৌহজং উপজেলার রুবেল মাদবর, শামুরবাড়ি গ্রামের রিপন ওস্তাকার, আনোয়ার ঢালী, রাহাত চাকলাদার, ওসমান ওস্তাকার, শাকিল ওস্তাকাররা বাল্কহেড পারাপার করে দিচ্ছেন। এজন্য যানপ্রতি তারা এক থেকে দুই হাজার টাকা নেন।
স্থানীয়রা জানান, মূলত অবৈধ বালুখেকো চক্র এ খাল ব্যবহার করে। পদ্মা নদীর বিভিন্ন স্থান থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করে সহজে নারায়ণগঞ্জ, ঢাকার কামরাঙ্গীরচরসহ বিভিন্ন স্থানে পাঠাতে এ রুট ব্যবহার করা হয়। এ সুযোগে চলে চাঁদাবাজি।
গত বছরের ২০ সেপ্টেম্বর চাঁদাবাজ চক্রের সদস্য রাহাত চাকলাদার ও দীপু ওস্তাকারকে ডহরী খালে চাঁদাবাজির মামলায় গ্রেপ্তার করে লৌহজং থানা পুলিশ। চাঁদাবাজি ও হত্যা মামলার আসামি রিপন ওস্তাকারকে ১২ নভেম্বর গ্রেপ্তার করা হয়।
এর আগে ৪ সেপ্টেম্বর বাল্কহেড থেকে চাঁদাবাজির দায়ে রুবেল মাদবরকে দুই লাখ টাকা জরিমানা ও তিন মাসের কারাদণ্ড দেন ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও লৌহজং উপজেলার এসিল্যান্ড আব্দুল্লাহ আল ইমরান। তাদের গ্রেপ্তারের পর এলাকার জনমনে স্বস্তি ফিরেছিল।
তবে তারা কিছুদিন জেল খেটে জামিনে বেরিয়ে আবারও চাঁদাবাজিতে জড়িয়ে পড়েছেন। তাদের নামে লৌহজং, শরীয়তপুর সদর ও জাজিরা থানায় চাঁদাবাজি ও ডাকাতির একাধিক মামলা রয়েছে।
খালপাড়ের বাসিন্দাদের ভাষ্য, ডহরী-তালতলা খালে দিন-রাত চলছে বাল্কহেডগুলো। এগুলোর বেপরোয়া চলাচলে খালের দুই তীরে ভাঙন শুরু হয়েছে। অতিরিক্ত বাল্কহেড চলাচলে প্রতিদিন ঘটছে কোনো না কোনো দুর্ঘটনা।
আগের ইউএনও এসব বাল্কহেডের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিয়েছিলেন। এই বালুবাহী বাল্কহেড চলাচল বন্ধ করতে না পারলে একসময় বাপ-দাদার বসত ভিটে হারাতে হবে।
গাওদিয়া ইউনিয়নের হাড়িদিয়া গ্রামের খালপাড়ের বাসিন্দা লিটন ও স্বপন জানান, খালে পানি বাড়তে শুরু করায় বাল্কহেড চলাচল বেড়েছে। এতে খালের দুই পাড়ে ভাঙন শুরু হয়েছে।
খিদিরপাড়া ইউনিয়নের বাসুদিয়া গ্রামের বাসিন্দা নজরুল ইসলাম বলেন, বাল্কহেড চলাচলের কারণে ঢেউয়ের আঘাতে দুই বছরে আমার বসতবাড়ির অর্ধেক খালে বিলীন হয়ে গেছে। বাল্কহেড চলাচল বন্ধ না হলে অচিরেই পুরো বাড়িটা যাবে।
এ বিষয়ে যোগাযোগ করলে চাঁদাবাজ চক্রের অন্যতম সদস্য রুবেল বলেন, বাল্কহেড আমরা একা পার করি না, ২০ থেকে ৩০ জন এর সঙ্গে যুক্ত। একাধিক মামলার কথা স্বীকার করে সব মামলায় জামিনে আছেন বলে জানান। তিনি বলেন, আমার আন্ডারে বাল্কহেড আসে, সুকানি ভাইরা খুশি হইয়া কিছু টাকা দেয়। কত পত্রিকায় রিপোর্ট করল বাল্কহেড তো থামল না।
লৌহজং ইউএনও ফারাজানা ববি মিতু বলেন, খালটি লৌহজং ও টঙ্গিবাড়ী উভয় উপজেলার অংশে রয়েছে। টঙ্গিবাড়ী ইউএনওর সঙ্গে আলোচনা করে বাল্কহেড বন্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
মুন্সীগঞ্জের লৌহজং-টঙ্গিবাড়ী উপজেলার ডহরী-তালতলা খালে চাঁদা দিয়ে চলছে বালুবাহী বাল্কহেড। প্রশাসন নিষিদ্ধ ঘোষণা করলেও চালকদের কাছ থেকে চাঁদা নিয়ে কয়েকটি চক্র বাল্কহেড চলাচলে সহায়তা করছে।
প্রতিদিন সকাল থেকে রাত পর্যন্ত খালে শতাধিক বাল্কহেড নিয়মিত চলাচল করছে বলে খালপাড়ের বাসিন্দারা জানিয়েছেন। এতে বিভিন্ন স্থানের খালপাড়ে ভাঙন দেখা দিয়েছে।
২০২৩ সালের ৫ আগস্ট খিদিরপাড়া ইউনিয়নের রসকাঠি এলাকায় বাল্কহেডের ধাক্কায় পিকনিকের ট্রলার ডুবে নারী ও শিশুসহ ১০ জন নিহত হন। এরপর প্রশাসন এই খালে বাল্কহেড চলাচলে নিষেধাজ্ঞা দেয়। কিন্তু এরপরও চাঁদাবাজ চক্রের সহায়তায় নির্বিঘ্নে চলাচল করছে বাল্কহেড।
গৌরগঞ্জ-তালতলা-ডহরী খাল নামে পরিচিত খালটি লৌহজং ও টঙ্গিবাড়ী উভয় উপজেলায় পড়েছে। পদ্মা নদীর ডহরী থেকে নূরপুর পর্যন্ত খালের দুই পাড় লৌহজং উপজেলায় এবং নূরপুর থেকে সুবচনী বাজার পর্যন্ত খালের পশ্চিম পাড় লৌহজং ও পূর্ব পাড় টঙ্গিবাড়ী উপজেলায় অবস্থিত।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বাল্কহেড চালকরা জানান, টঙ্গিবাড়ী উপজেলার বালিগাঁও বাজার এলাকার রাজন মুন্সী, সাজন মুন্সী এবং লৌহজং উপজেলার রুবেল মাদবর, শামুরবাড়ি গ্রামের রিপন ওস্তাকার, আনোয়ার ঢালী, রাহাত চাকলাদার, ওসমান ওস্তাকার, শাকিল ওস্তাকাররা বাল্কহেড পারাপার করে দিচ্ছেন। এজন্য যানপ্রতি তারা এক থেকে দুই হাজার টাকা নেন।
স্থানীয়রা জানান, মূলত অবৈধ বালুখেকো চক্র এ খাল ব্যবহার করে। পদ্মা নদীর বিভিন্ন স্থান থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করে সহজে নারায়ণগঞ্জ, ঢাকার কামরাঙ্গীরচরসহ বিভিন্ন স্থানে পাঠাতে এ রুট ব্যবহার করা হয়। এ সুযোগে চলে চাঁদাবাজি।
গত বছরের ২০ সেপ্টেম্বর চাঁদাবাজ চক্রের সদস্য রাহাত চাকলাদার ও দীপু ওস্তাকারকে ডহরী খালে চাঁদাবাজির মামলায় গ্রেপ্তার করে লৌহজং থানা পুলিশ। চাঁদাবাজি ও হত্যা মামলার আসামি রিপন ওস্তাকারকে ১২ নভেম্বর গ্রেপ্তার করা হয়।
এর আগে ৪ সেপ্টেম্বর বাল্কহেড থেকে চাঁদাবাজির দায়ে রুবেল মাদবরকে দুই লাখ টাকা জরিমানা ও তিন মাসের কারাদণ্ড দেন ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও লৌহজং উপজেলার এসিল্যান্ড আব্দুল্লাহ আল ইমরান। তাদের গ্রেপ্তারের পর এলাকার জনমনে স্বস্তি ফিরেছিল।
তবে তারা কিছুদিন জেল খেটে জামিনে বেরিয়ে আবারও চাঁদাবাজিতে জড়িয়ে পড়েছেন। তাদের নামে লৌহজং, শরীয়তপুর সদর ও জাজিরা থানায় চাঁদাবাজি ও ডাকাতির একাধিক মামলা রয়েছে।
খালপাড়ের বাসিন্দাদের ভাষ্য, ডহরী-তালতলা খালে দিন-রাত চলছে বাল্কহেডগুলো। এগুলোর বেপরোয়া চলাচলে খালের দুই তীরে ভাঙন শুরু হয়েছে। অতিরিক্ত বাল্কহেড চলাচলে প্রতিদিন ঘটছে কোনো না কোনো দুর্ঘটনা।
আগের ইউএনও এসব বাল্কহেডের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিয়েছিলেন। এই বালুবাহী বাল্কহেড চলাচল বন্ধ করতে না পারলে একসময় বাপ-দাদার বসত ভিটে হারাতে হবে।
গাওদিয়া ইউনিয়নের হাড়িদিয়া গ্রামের খালপাড়ের বাসিন্দা লিটন ও স্বপন জানান, খালে পানি বাড়তে শুরু করায় বাল্কহেড চলাচল বেড়েছে। এতে খালের দুই পাড়ে ভাঙন শুরু হয়েছে।
খিদিরপাড়া ইউনিয়নের বাসুদিয়া গ্রামের বাসিন্দা নজরুল ইসলাম বলেন, বাল্কহেড চলাচলের কারণে ঢেউয়ের আঘাতে দুই বছরে আমার বসতবাড়ির অর্ধেক খালে বিলীন হয়ে গেছে। বাল্কহেড চলাচল বন্ধ না হলে অচিরেই পুরো বাড়িটা যাবে।
এ বিষয়ে যোগাযোগ করলে চাঁদাবাজ চক্রের অন্যতম সদস্য রুবেল বলেন, বাল্কহেড আমরা একা পার করি না, ২০ থেকে ৩০ জন এর সঙ্গে যুক্ত। একাধিক মামলার কথা স্বীকার করে সব মামলায় জামিনে আছেন বলে জানান। তিনি বলেন, আমার আন্ডারে বাল্কহেড আসে, সুকানি ভাইরা খুশি হইয়া কিছু টাকা দেয়। কত পত্রিকায় রিপোর্ট করল বাল্কহেড তো থামল না।
লৌহজং ইউএনও ফারাজানা ববি মিতু বলেন, খালটি লৌহজং ও টঙ্গিবাড়ী উভয় উপজেলার অংশে রয়েছে। টঙ্গিবাড়ী ইউএনওর সঙ্গে আলোচনা করে বাল্কহেড বন্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

১৮ জুন, ২০২৬ ১৭:২৩
স্ত্রী আফরা ইভনাত ইকরা আত্মহত্যার প্ররোচনার অভিযোগে করা মামলায় অভিনেতা জাহের আলভী ওরফে মো. নিয়ামত উল্লাহ ভূঁইয়াকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত।
বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) দুপুরে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট কামাল উদ্দিনের আদালতে আত্মসমর্পণ করে আইনজীবীদের মাধ্যমে জামিন আবেদন করেন আলভী। আদালত শুনানি শেষে দুপুর আড়াইটার দিকে আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
এদিন দুপুর দেড়টার দিকে আদালতে আসেন জাহের আলভী। পরে দুপুর ১টা ৫৬ মিনিটে শুনানি শুরু হলে কাঠগড়ায় দাঁড়ান এ অভিনেতা।
শুনানিতে জাহের আলভীর পক্ষে আইনজীবী ঢাকা বারের সভাপতি আনোয়ার জাহিদ ভূইয়া সহ অনেকেই শুনানি করেন। অপরদিকে বাদীপক্ষের আইনজীবীরা তার জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর আবেদেনের শুনানি করেন।
আলভীর জামিন আবেদনে উল্লেখ করা হয়, আসামি এই ঘটনার সঙ্গে কোনোভাবেই সম্পৃক্ত নয়। প্রেমের বিয়ে করার কারণে বাদী শুধুমাত্র ব্যক্তিগত জিদ ও প্রতিহিংসার বশবর্তী হয়ে হয়রানিমূলকভাবে মামলাটির দায়ের করেন। মামলার এজাহারে তার বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট কোন অভিযোগ নেই। আসামি ঈদ উপলক্ষে নাটক নির্মাণের জন্য গত ২৫ ফেব্রুয়ারি নেপালে অবস্থানকালে তার বিরুদ্ধে মামলাটি দায়ের করেন।
মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি মিরপুরের ডিওএইচএসে বাসা থেকে সিলিং ফ্যানের সঙ্গে ওড়না দিয়ে গলায় ফাঁস দেওয়া অবস্থায় ইকরাকে উদ্ধার করে পরিবারের সদস্যরা। পরে বাসার মালিকসহ স্বজনরা মিলে তাকে কুর্মিটোলা হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। ওইদিন রাতেই মামলা করেন ইকরার বাবা কবির হায়াত খান। দীর্ঘদিনের ‘পারিবারিক কলহ ও বিভিন্ন ধরনের নির্যাতনের কারণেই’ ইকরা আত্মহত্যা করতে ‘বাধ্য হয়েছেন’ বলে মামলায় অভিযোগ করেন তিনি।
আলভী ও ইকরা বিয়ে করেন ২০১০ সালে; তাদের সংসারে একটি ছেলে সন্তান রয়েছে। এই মামলায় গত ৪ জুন জাহের আলভীর মা নাসরিন সুলতানা শিউলি আত্মসমর্পণ করে জামিন পেয়েছেন।
বরিশাল টাইমস
স্ত্রী আফরা ইভনাত ইকরা আত্মহত্যার প্ররোচনার অভিযোগে করা মামলায় অভিনেতা জাহের আলভী ওরফে মো. নিয়ামত উল্লাহ ভূঁইয়াকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত।
বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) দুপুরে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট কামাল উদ্দিনের আদালতে আত্মসমর্পণ করে আইনজীবীদের মাধ্যমে জামিন আবেদন করেন আলভী। আদালত শুনানি শেষে দুপুর আড়াইটার দিকে আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
এদিন দুপুর দেড়টার দিকে আদালতে আসেন জাহের আলভী। পরে দুপুর ১টা ৫৬ মিনিটে শুনানি শুরু হলে কাঠগড়ায় দাঁড়ান এ অভিনেতা।
শুনানিতে জাহের আলভীর পক্ষে আইনজীবী ঢাকা বারের সভাপতি আনোয়ার জাহিদ ভূইয়া সহ অনেকেই শুনানি করেন। অপরদিকে বাদীপক্ষের আইনজীবীরা তার জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর আবেদেনের শুনানি করেন।
আলভীর জামিন আবেদনে উল্লেখ করা হয়, আসামি এই ঘটনার সঙ্গে কোনোভাবেই সম্পৃক্ত নয়। প্রেমের বিয়ে করার কারণে বাদী শুধুমাত্র ব্যক্তিগত জিদ ও প্রতিহিংসার বশবর্তী হয়ে হয়রানিমূলকভাবে মামলাটির দায়ের করেন। মামলার এজাহারে তার বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট কোন অভিযোগ নেই। আসামি ঈদ উপলক্ষে নাটক নির্মাণের জন্য গত ২৫ ফেব্রুয়ারি নেপালে অবস্থানকালে তার বিরুদ্ধে মামলাটি দায়ের করেন।
মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি মিরপুরের ডিওএইচএসে বাসা থেকে সিলিং ফ্যানের সঙ্গে ওড়না দিয়ে গলায় ফাঁস দেওয়া অবস্থায় ইকরাকে উদ্ধার করে পরিবারের সদস্যরা। পরে বাসার মালিকসহ স্বজনরা মিলে তাকে কুর্মিটোলা হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। ওইদিন রাতেই মামলা করেন ইকরার বাবা কবির হায়াত খান। দীর্ঘদিনের ‘পারিবারিক কলহ ও বিভিন্ন ধরনের নির্যাতনের কারণেই’ ইকরা আত্মহত্যা করতে ‘বাধ্য হয়েছেন’ বলে মামলায় অভিযোগ করেন তিনি।
আলভী ও ইকরা বিয়ে করেন ২০১০ সালে; তাদের সংসারে একটি ছেলে সন্তান রয়েছে। এই মামলায় গত ৪ জুন জাহের আলভীর মা নাসরিন সুলতানা শিউলি আত্মসমর্পণ করে জামিন পেয়েছেন।
বরিশাল টাইমস

১৮ জুন, ২০২৬ ১৭:১০
হামের উপসর্গ নিয়ে দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় (বুধবার সকাল ৮টা থেকে বৃহস্পতিবার সকাল আটটা) আরও পাঁচ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এ সময়ে হাম ও হামের উপসর্গে আক্রান্ত হয়েছে এক হাজার ১৪৮ জন।
এ পর্যন্ত দেশে হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে মৃতের সংখ্যা ৬৬৬ জনে পৌঁছেছে। তাদের মধ্যে হামের উপসর্গ নিয়ে ৫৭৩ শিশু ও নিশ্চিত হামে ৯৩ শিশুর মৃত্যু হয়েছে।
আজ বৃহস্পতিবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সর্বশেষ প্রতিবেদন থেকে এসব তথ্য জানা গেছে।
গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে যে পাঁচ শিশুর মৃত্যু হয়েছে, তার মধ্যে দুটি শিশু মারা গেছে সিলেট বিভাগে। এ ছাড়া ঢাকা, চট্টগ্রাম ও খুলনা বিভাগে একটি করে শিশুর মৃত্যু হয়েছে।
এই সময়ে সন্দেহভাজন হাম রোগী হিসেবে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ৯০৭ জন। তাদের মধ্যে ৩৩১টি শিশুই ঢাকা বিভাগের। এরপর আছে চট্টগ্রাম (১৭৫) ও বরিশাল (১৩৫)।
গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়ে ৮১৫ জন হাসপাতাল থেকে ছুটিও পেয়েছেন।
গত ১৫ মার্চ দেশে প্রথম হাম রোগী শনাক্ত হয়। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সর্বশেষ প্রতিবেদনে দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, গত ৯৫ দিনে হামের উপসর্গ দেখা গেছে ৮৯ হাজার ৯০৪ জনের মধ্যে। হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ৭৪ হাজার ১৮৪ জন। মোট হাম শনাক্ত হয়েছে ১০ হাজার ৭৭৩ জনের। এ ছাড়া ৯৫ দিনে হাসপাতাল থেকে ছুটি পেয়েছেন ৭০ হাজার ৫০৩ জন।
হামের উপসর্গ নিয়ে দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় (বুধবার সকাল ৮টা থেকে বৃহস্পতিবার সকাল আটটা) আরও পাঁচ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এ সময়ে হাম ও হামের উপসর্গে আক্রান্ত হয়েছে এক হাজার ১৪৮ জন।
এ পর্যন্ত দেশে হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে মৃতের সংখ্যা ৬৬৬ জনে পৌঁছেছে। তাদের মধ্যে হামের উপসর্গ নিয়ে ৫৭৩ শিশু ও নিশ্চিত হামে ৯৩ শিশুর মৃত্যু হয়েছে।
আজ বৃহস্পতিবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সর্বশেষ প্রতিবেদন থেকে এসব তথ্য জানা গেছে।
গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে যে পাঁচ শিশুর মৃত্যু হয়েছে, তার মধ্যে দুটি শিশু মারা গেছে সিলেট বিভাগে। এ ছাড়া ঢাকা, চট্টগ্রাম ও খুলনা বিভাগে একটি করে শিশুর মৃত্যু হয়েছে।
এই সময়ে সন্দেহভাজন হাম রোগী হিসেবে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ৯০৭ জন। তাদের মধ্যে ৩৩১টি শিশুই ঢাকা বিভাগের। এরপর আছে চট্টগ্রাম (১৭৫) ও বরিশাল (১৩৫)।
গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়ে ৮১৫ জন হাসপাতাল থেকে ছুটিও পেয়েছেন।
গত ১৫ মার্চ দেশে প্রথম হাম রোগী শনাক্ত হয়। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সর্বশেষ প্রতিবেদনে দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, গত ৯৫ দিনে হামের উপসর্গ দেখা গেছে ৮৯ হাজার ৯০৪ জনের মধ্যে। হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ৭৪ হাজার ১৮৪ জন। মোট হাম শনাক্ত হয়েছে ১০ হাজার ৭৭৩ জনের। এ ছাড়া ৯৫ দিনে হাসপাতাল থেকে ছুটি পেয়েছেন ৭০ হাজার ৫০৩ জন।

১৮ জুন, ২০২৬ ১৪:০৭
গাইবান্ধা শহরে সরকারি হাসপাতালের বিপুল পরিমাণ ইনজেকশন সিরিঞ্জ বাইরে বিক্রির জন্য বহনকালে রওশনা বেগম (৪০) নামের এক নারীকে আটক করেছে স্থানীয় লোকজন।
এ সময় তার কাছে সরকারি ৩০০ ইনজেকশন সিরিঞ্জ পাওয়া গেছে বলে নিশ্চিত করেছেন হাসপাতাল সংশ্লিষ্টরা। ওই নারীকে দিয়ে হাসপাতালের বিভিন্ন কাজ করানো হয় বলে জানা গেছে।
বুধবার (১৭ জুন) রাত সাড়ে ১০ টার দিকে বিষয়টি ঢাকা পোস্টকে নিশ্চিত করেন গাইবান্ধা জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা (আরএমও) আসিফ রহমান। বিকেলে শহরের হাসপাতাল রোডের ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের সামনে এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্র জানায়, বিকেলে সন্দেহজনকভাবে একটি বস্তা বহন করছিলেন ওই নারী। এ সময় স্থানীয়রা তাকে থামিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করলে বস্তার ভেতর থেকে বিপুল পরিমাণ সরকারি সিরিঞ্জ পাওয়া যায়।
পরে তাকে জিজ্ঞাসাবাদের এক পর্যায়ে তিনি দাবি করেন, গাইবান্ধা জেনারেল হাসপাতালের ডায়রিয়া ওয়ার্ডের ঝরনা বেগম নামের দায়িত্বপ্রাপ্ত এক নার্স তাকে এসব সিরিঞ্জ দিয়েছেন। তবে তিনি কেন এগুলো বাইরে নিচ্ছিলেন, সে বিষয়ে স্পষ্ট কোনো ব্যাখ্যা দিতে পারেননি।
গাইবান্ধা জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) আসিফ রহমান তত্বাবধায়কের বরাতে বলেন, সরকারি সিরিঞ্জ বাইরে যাওয়ার ঘটনায় একটি কমিটি গঠন করা হবে এবং কমিটির ৩ দিনের মধ্যে প্রতিবেদন পেলে জড়িতদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এসময় এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, সিরিঞ্জ প্রথমত স্টোর কিপারের দায়িত্বে থাকে। সেখান থেকে নার্স ইনচার্জ, পরে ডিউটিরত নার্সদেরকে দেওয়া হয়। তিনি জানান, প্রাথমিকভাবে নিশ্চিত হওয়া গেছে হাসপাতলের ৩০০ সিরিঞ্জ ওই নারী বাহিরে নিয়ে যান। যা ওয়ার্ড থেকে নেওয়া হয়েছে।
গাইবান্ধা শহরে সরকারি হাসপাতালের বিপুল পরিমাণ ইনজেকশন সিরিঞ্জ বাইরে বিক্রির জন্য বহনকালে রওশনা বেগম (৪০) নামের এক নারীকে আটক করেছে স্থানীয় লোকজন।
এ সময় তার কাছে সরকারি ৩০০ ইনজেকশন সিরিঞ্জ পাওয়া গেছে বলে নিশ্চিত করেছেন হাসপাতাল সংশ্লিষ্টরা। ওই নারীকে দিয়ে হাসপাতালের বিভিন্ন কাজ করানো হয় বলে জানা গেছে।
বুধবার (১৭ জুন) রাত সাড়ে ১০ টার দিকে বিষয়টি ঢাকা পোস্টকে নিশ্চিত করেন গাইবান্ধা জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা (আরএমও) আসিফ রহমান। বিকেলে শহরের হাসপাতাল রোডের ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের সামনে এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্র জানায়, বিকেলে সন্দেহজনকভাবে একটি বস্তা বহন করছিলেন ওই নারী। এ সময় স্থানীয়রা তাকে থামিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করলে বস্তার ভেতর থেকে বিপুল পরিমাণ সরকারি সিরিঞ্জ পাওয়া যায়।
পরে তাকে জিজ্ঞাসাবাদের এক পর্যায়ে তিনি দাবি করেন, গাইবান্ধা জেনারেল হাসপাতালের ডায়রিয়া ওয়ার্ডের ঝরনা বেগম নামের দায়িত্বপ্রাপ্ত এক নার্স তাকে এসব সিরিঞ্জ দিয়েছেন। তবে তিনি কেন এগুলো বাইরে নিচ্ছিলেন, সে বিষয়ে স্পষ্ট কোনো ব্যাখ্যা দিতে পারেননি।
গাইবান্ধা জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) আসিফ রহমান তত্বাবধায়কের বরাতে বলেন, সরকারি সিরিঞ্জ বাইরে যাওয়ার ঘটনায় একটি কমিটি গঠন করা হবে এবং কমিটির ৩ দিনের মধ্যে প্রতিবেদন পেলে জড়িতদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এসময় এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, সিরিঞ্জ প্রথমত স্টোর কিপারের দায়িত্বে থাকে। সেখান থেকে নার্স ইনচার্জ, পরে ডিউটিরত নার্সদেরকে দেওয়া হয়। তিনি জানান, প্রাথমিকভাবে নিশ্চিত হওয়া গেছে হাসপাতলের ৩০০ সিরিঞ্জ ওই নারী বাহিরে নিয়ে যান। যা ওয়ার্ড থেকে নেওয়া হয়েছে।
১৯ জুন, ২০২৬ ১৬:১১
১৮ জুন, ২০২৬ ২৩:৩৯
১৮ জুন, ২০২৬ ১৯:৫৪
১৮ জুন, ২০২৬ ১৯:২১