
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.

০১ অক্টোবর, ২০২৫ ০১:৩৯
বরিশালের উজিরপুর-বানারীপাড়া (বরিশাল-২) আসনে ব্যাপক শোডাউন করেছেন জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সাবেক সাধারণ সম্পাদক সাইফ মাহমুদ জুয়েল। মঙ্গলবার (৩০ সেপ্টেম্বর) দুপুরে তিনি প্রথমে নিজ উপজেলা উজিরপুরে প্রবেশ করলে ফুলের তোড়া নিয়ে নেতাকর্মীরা তাকে বরণ করে নেন। এ সময় দুই শতাধিক মোটরসাইকেল ও মাইক্রোবাস নিয়ে গাড়িবহর যুক্ত হয় তার সঙ্গে। পরে বিশাল বহর ও বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী নিয়ে তিনি বানারীপাড়া উপজেলায় পৌঁছান। সেখানেও সাধারণ মানুষের উচ্ছ্বসিত ভালোবাসায় সিক্ত হন তিনি।
বানারীপাড়ায় ৩১ দফা সম্বলিত লিফলেট বিতরণের সময় সাইফ মাহমুদ জুয়েল ঘোষণা দেন, আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি বিএনপির মনোনয়ন চাইবেন।
এ সময় তিনি বলেন, সাধারণ জনগণের ভালোবাসা আসলে বিএনপির প্রতি ভালোবাসা। এই ভালোবাসা দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া ও দেশনায়ক তারেক রহমানের প্রতি। ধানের শীষ জনগণের প্রতীক, ভালোবাসার প্রতীক। উজিরপুর ও বানারীপাড়ার মানুষের ঘরে ঘরে পৌঁছে দেব ৩১ দফা। এই এলাকায় কোনও চাঁদাবাজের আশ্রয় হবে না, জনগণ ভয়হীনভাবে বসবাস করবে।
তিনি আরও বলেন, ২০১৮ সালের নৈশ নির্বাচনে ধানের শীষের প্রার্থীর পক্ষে এক মাস ধরে কাজ করেছি। তখন দু’টি মামলার আসামি হয়েছিলাম। আজও দলের প্রতি অঙ্গীকারবদ্ধ। যাকেই দল মনোনয়ন দেবে, ধানের শীষের পক্ষেই কাজ করব। এ সময় নেতাকর্মীরা স্লোগান দেন- তারুণ্যের প্রথম ভোট, ধানের শীষের জন্য হোক।
পরে মধ্যরাত পর্যন্ত সাইফ মাহমুদ জুয়েল বানারীপাড়ার বিভিন্ন পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করেন। তাকে পেয়ে হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষরা উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন এবং ধানের শীষকে বিজয়ী করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।
তাদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, তারেক রহমানের নির্দেশে আপনাদের পাশে থাকার জন্য এসেছি। বাংলাদেশের প্রতিটি ধর্মাবলম্বী মানুষ যাতে আনন্দ-উৎসাহের সঙ্গে ধর্মীয় অনুষ্ঠান পালন করতে পারে, সেটিই আমাদের সামাজিক-সাংস্কৃতিক সৌন্দর্যের প্রতিফলন। এভাবেই গড়ে ওঠে সম্প্রীতি, সৌহার্দ্য ও ভ্রাতৃত্ব।
বরিশালের উজিরপুর-বানারীপাড়া (বরিশাল-২) আসনে ব্যাপক শোডাউন করেছেন জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সাবেক সাধারণ সম্পাদক সাইফ মাহমুদ জুয়েল। মঙ্গলবার (৩০ সেপ্টেম্বর) দুপুরে তিনি প্রথমে নিজ উপজেলা উজিরপুরে প্রবেশ করলে ফুলের তোড়া নিয়ে নেতাকর্মীরা তাকে বরণ করে নেন। এ সময় দুই শতাধিক মোটরসাইকেল ও মাইক্রোবাস নিয়ে গাড়িবহর যুক্ত হয় তার সঙ্গে। পরে বিশাল বহর ও বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী নিয়ে তিনি বানারীপাড়া উপজেলায় পৌঁছান। সেখানেও সাধারণ মানুষের উচ্ছ্বসিত ভালোবাসায় সিক্ত হন তিনি।
বানারীপাড়ায় ৩১ দফা সম্বলিত লিফলেট বিতরণের সময় সাইফ মাহমুদ জুয়েল ঘোষণা দেন, আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি বিএনপির মনোনয়ন চাইবেন।
এ সময় তিনি বলেন, সাধারণ জনগণের ভালোবাসা আসলে বিএনপির প্রতি ভালোবাসা। এই ভালোবাসা দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া ও দেশনায়ক তারেক রহমানের প্রতি। ধানের শীষ জনগণের প্রতীক, ভালোবাসার প্রতীক। উজিরপুর ও বানারীপাড়ার মানুষের ঘরে ঘরে পৌঁছে দেব ৩১ দফা। এই এলাকায় কোনও চাঁদাবাজের আশ্রয় হবে না, জনগণ ভয়হীনভাবে বসবাস করবে।
তিনি আরও বলেন, ২০১৮ সালের নৈশ নির্বাচনে ধানের শীষের প্রার্থীর পক্ষে এক মাস ধরে কাজ করেছি। তখন দু’টি মামলার আসামি হয়েছিলাম। আজও দলের প্রতি অঙ্গীকারবদ্ধ। যাকেই দল মনোনয়ন দেবে, ধানের শীষের পক্ষেই কাজ করব। এ সময় নেতাকর্মীরা স্লোগান দেন- তারুণ্যের প্রথম ভোট, ধানের শীষের জন্য হোক।
পরে মধ্যরাত পর্যন্ত সাইফ মাহমুদ জুয়েল বানারীপাড়ার বিভিন্ন পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করেন। তাকে পেয়ে হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষরা উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন এবং ধানের শীষকে বিজয়ী করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।
তাদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, তারেক রহমানের নির্দেশে আপনাদের পাশে থাকার জন্য এসেছি। বাংলাদেশের প্রতিটি ধর্মাবলম্বী মানুষ যাতে আনন্দ-উৎসাহের সঙ্গে ধর্মীয় অনুষ্ঠান পালন করতে পারে, সেটিই আমাদের সামাজিক-সাংস্কৃতিক সৌন্দর্যের প্রতিফলন। এভাবেই গড়ে ওঠে সম্প্রীতি, সৌহার্দ্য ও ভ্রাতৃত্ব।

২৯ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৯:০৬
বরিশাল জেলা বিএনপির সদস্য ও বানারীপাড়া উপজেলা বিএনপির সহসভাপতি গোলাম মাহমুদ মাহাবুব মাষ্টার দল থেকে পদত্যাগ করেছেন। এর মধ্য দিয়ে জননন্দিত এ নেতা তার দীর্ঘ ৪০ বছরের বিএনপির রাজনীতির ইতি টানলেন। বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারী) সকালে তিনি বরিশাল জেলা বিএনপির (দক্ষিণ) সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক বরাবর জেলা বিএনপির সদস্য ও উপজেলা শাখার সহসভাপতি পদ থেকে লিখিত অব্যাহতি পত্র জমা দেন।
তিনি তার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুক আইডিতেও এ পদত্যাগপত্র পোষ্ট করেন। পদত্যাগের কারন হিসেবে তিনি অব্যাহতি পত্রে উল্লেখ করেন দীর্ঘ চার দশক ধরে তিনি সুনাম ও নিষ্ঠার সঙ্গে জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির একজন নিবেদিত প্রাণ কর্মী হিসেবে রাজনীতি করেছেন।
এ দীর্ঘ সময় বিএনপির রাজনীতি করতে গিয়ে তিনি মামলা-হামলা,জেল,জুলুম, নীপিড়ন ও নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। বর্তমানে তিনি নিজ দলে লাঞ্চিত, বঞ্চিত ও ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছেন।
তাই দল থেকে পদত্যাগ করেছেন। প্রসঙ্গত গোলাম মাহমুদ মাহাবুব মাষ্টার এর আগে বানারীপাড়া পৌর ও উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। গত বছর জুলাইতে অনুষ্ঠিত বানারীপাড়া উপজেলা বিএনপির ত্রি-বার্ষিক কাউন্সিলে তিনি সাধারণ সম্পাদক পদ প্রত্যাশী ছিলেন। সেই কাউন্সিলে তাকে ২ নম্বর সহসভাপতি পদ দেওয়া হয়।

২৯ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৮:৫৯
বরিশালের হিজলা উপজেলার মেমানিয়া ইউনিয়নের ছোট লক্ষীপুর গ্রাম সংক্রান্ত বিরোধী ১৩ জন নিরীহ চাষাকে মিথ্যা মামলায় ফাঁসানোর অভিযোগ পাওয়া গেছে।
জানাযায় গত ২০ শে জানুয়ারি হিজলা থানায় আমির হোসেন গাজী বাদী হয়ে এ মামলা দায়ের করেন। মিথ্যা মামলার বিষয়ে সরোজমিনে গেলে জানাযায় আব্দুল হাকিম গাজি গং ও আব্দুল গনি গাজী গং দীর্ঘ ৪০ বছর তাদের প্রায় ২১ একর পৈত্রিক সম্পত্তি ভোগ দখল করে আসছে।
এ জমির মালিকানা আমির হোসেন গাজী দাবি করে আদালতে মামলা দায়ের করলে এখনো মামলা চলমান রয়েছে। ঘটনা স্থানে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান,ঘটনার দিন সকাল এগারোটায় আমির হোসেন গাজী ৫০ /৬০ জন মানুষ ও ৪ টি ট্রাক্টর নিয়ে সয়াবিন চাষ করা জমিতে পূণরায় সয়াবিন চাষ করা করতে আসে।
তখন দ্রুত গতিতে ট্রাক্টর চালানোর কারণে উল্টে পড়ে যায়। ট্রাক্টর ড্রাইভার ছিটকে নিচে পড়ে।তাতে ধারালো ব্লেড পায়ে ঢুকে পরে।পরে স্থানীয়রা উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যায়।
কিছু দিন পর চাষারা জানতে পারেন তাদের বিরুদ্ধে মামলা দিয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দা প্রত্যক্ষদর্শী আলমগীর হাওলাদারের স্ত্রী সেলিনা জানান সেদিন বিরোধী জমিতে কোনো মারামারি হয়নি। অনেক গুলো ট্রাক্টর একসাথে জোরে চালানোর কারণে উল্টে পড়ে এই দুর্ঘটনা হয়। প্রতিপক্ষকে ঘায়েল করার জন্য মিথ্যা মামলা দিয়েছে।
মামলার বাদী পক্ষের আনোয়ার হোসেন বলেন আমির হোসেন গাজী লক্ষীপুর মৌজায় ২১ একর পৈতৃক সম্পত্তির মালিক।এ জমি হাকিম গাজি গং ও গনি গাজী গং জোর দখল ভোগদখল করে আসছে। ঘটনার দিন আমির গাজী চাষাবাদ করতে গেলে তাদের ধাওয়া দেয়। তখন ট্রাক্টর ড্রাইভার গুরুতর আহত হয়।
হিজলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোঃ আদিল হোসেন জানান জমি বিরোধ কে কেন্দ্র করে একজনকে কুপিয়ে জখম করা হয়েছে মর্মে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। সঠিক তদন্ত সাপেক্ষে আদালতে প্রতিবেদন দেওয়া হবে।

২৯ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৭:৫০
সাইবার মামলায় বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (ববি) শারীরিক শিক্ষা দপ্তরের সহকারী পরিচালক সেলিনা বেগমের জামিন নামঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছে আদালত। বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) বরিশাল অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে শুনানি শেষে বিচারক এই আদেশ দেন।
বিশ্ববিদ্যালয় ও মামলার নথিপত্রে জানা গেছে, সেলিনা বেগমের বিরুদ্ধে একাধিক বিয়ে, সরকারি কর্মকর্তাদের সঙ্গে অনৈতিক সম্পর্ক স্থাপন, ব্ল্যাকমেইল ও শারীরিক নির্যাতনের অভিযোগ রয়েছে। এসব সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে ২০২৫ সালের ৫ ডিসেম্বর তার বিরুদ্ধে সাইবার ট্রাইব্যুনালে একটি মামলা দায়ের করা হয়।
এছাড়া সম্প্রতি লালমনিরহাট জেলা শিল্পকলা অ্যাকাডেমির সাবেক এক কালচারাল কর্মকর্তাকে অফিসকক্ষে নির্যাতনের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে বিষয়টি নতুন করে আলোচনায় আসে।
বাদি পক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট আবুল কালাম আজাদ ইমন বলেন, আদালত ও তদন্তকারী কর্মকর্তাকে মিথ্যা তথ্য দিয়ে বিভ্রান্তি করায় আমাদের আবেদনের প্রেক্ষিতে আদালত তার জামিন নামঞ্জুর করে জেল হাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
এই বিষয়ে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যকে ড. মোহাম্মদ তৌফিক আলম বলেন, বিষয়টি আদালতে বিচারাধীন রয়েছে। তাই আদালত যে সিদ্ধান্ত দেবেন, বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ সে অনুযায়ীই পরবর্তী পদক্ষেপ নেবে।
বরিশাল জেলা বিএনপির সদস্য ও বানারীপাড়া উপজেলা বিএনপির সহসভাপতি গোলাম মাহমুদ মাহাবুব মাষ্টার দল থেকে পদত্যাগ করেছেন। এর মধ্য দিয়ে জননন্দিত এ নেতা তার দীর্ঘ ৪০ বছরের বিএনপির রাজনীতির ইতি টানলেন। বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারী) সকালে তিনি বরিশাল জেলা বিএনপির (দক্ষিণ) সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক বরাবর জেলা বিএনপির সদস্য ও উপজেলা শাখার সহসভাপতি পদ থেকে লিখিত অব্যাহতি পত্র জমা দেন।
তিনি তার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুক আইডিতেও এ পদত্যাগপত্র পোষ্ট করেন। পদত্যাগের কারন হিসেবে তিনি অব্যাহতি পত্রে উল্লেখ করেন দীর্ঘ চার দশক ধরে তিনি সুনাম ও নিষ্ঠার সঙ্গে জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির একজন নিবেদিত প্রাণ কর্মী হিসেবে রাজনীতি করেছেন।
এ দীর্ঘ সময় বিএনপির রাজনীতি করতে গিয়ে তিনি মামলা-হামলা,জেল,জুলুম, নীপিড়ন ও নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। বর্তমানে তিনি নিজ দলে লাঞ্চিত, বঞ্চিত ও ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছেন।
তাই দল থেকে পদত্যাগ করেছেন। প্রসঙ্গত গোলাম মাহমুদ মাহাবুব মাষ্টার এর আগে বানারীপাড়া পৌর ও উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। গত বছর জুলাইতে অনুষ্ঠিত বানারীপাড়া উপজেলা বিএনপির ত্রি-বার্ষিক কাউন্সিলে তিনি সাধারণ সম্পাদক পদ প্রত্যাশী ছিলেন। সেই কাউন্সিলে তাকে ২ নম্বর সহসভাপতি পদ দেওয়া হয়।
বরিশালের হিজলা উপজেলার মেমানিয়া ইউনিয়নের ছোট লক্ষীপুর গ্রাম সংক্রান্ত বিরোধী ১৩ জন নিরীহ চাষাকে মিথ্যা মামলায় ফাঁসানোর অভিযোগ পাওয়া গেছে।
জানাযায় গত ২০ শে জানুয়ারি হিজলা থানায় আমির হোসেন গাজী বাদী হয়ে এ মামলা দায়ের করেন। মিথ্যা মামলার বিষয়ে সরোজমিনে গেলে জানাযায় আব্দুল হাকিম গাজি গং ও আব্দুল গনি গাজী গং দীর্ঘ ৪০ বছর তাদের প্রায় ২১ একর পৈত্রিক সম্পত্তি ভোগ দখল করে আসছে।
এ জমির মালিকানা আমির হোসেন গাজী দাবি করে আদালতে মামলা দায়ের করলে এখনো মামলা চলমান রয়েছে। ঘটনা স্থানে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান,ঘটনার দিন সকাল এগারোটায় আমির হোসেন গাজী ৫০ /৬০ জন মানুষ ও ৪ টি ট্রাক্টর নিয়ে সয়াবিন চাষ করা জমিতে পূণরায় সয়াবিন চাষ করা করতে আসে।
তখন দ্রুত গতিতে ট্রাক্টর চালানোর কারণে উল্টে পড়ে যায়। ট্রাক্টর ড্রাইভার ছিটকে নিচে পড়ে।তাতে ধারালো ব্লেড পায়ে ঢুকে পরে।পরে স্থানীয়রা উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যায়।
কিছু দিন পর চাষারা জানতে পারেন তাদের বিরুদ্ধে মামলা দিয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দা প্রত্যক্ষদর্শী আলমগীর হাওলাদারের স্ত্রী সেলিনা জানান সেদিন বিরোধী জমিতে কোনো মারামারি হয়নি। অনেক গুলো ট্রাক্টর একসাথে জোরে চালানোর কারণে উল্টে পড়ে এই দুর্ঘটনা হয়। প্রতিপক্ষকে ঘায়েল করার জন্য মিথ্যা মামলা দিয়েছে।
মামলার বাদী পক্ষের আনোয়ার হোসেন বলেন আমির হোসেন গাজী লক্ষীপুর মৌজায় ২১ একর পৈতৃক সম্পত্তির মালিক।এ জমি হাকিম গাজি গং ও গনি গাজী গং জোর দখল ভোগদখল করে আসছে। ঘটনার দিন আমির গাজী চাষাবাদ করতে গেলে তাদের ধাওয়া দেয়। তখন ট্রাক্টর ড্রাইভার গুরুতর আহত হয়।
হিজলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোঃ আদিল হোসেন জানান জমি বিরোধ কে কেন্দ্র করে একজনকে কুপিয়ে জখম করা হয়েছে মর্মে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। সঠিক তদন্ত সাপেক্ষে আদালতে প্রতিবেদন দেওয়া হবে।
সাইবার মামলায় বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (ববি) শারীরিক শিক্ষা দপ্তরের সহকারী পরিচালক সেলিনা বেগমের জামিন নামঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছে আদালত। বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) বরিশাল অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে শুনানি শেষে বিচারক এই আদেশ দেন।
বিশ্ববিদ্যালয় ও মামলার নথিপত্রে জানা গেছে, সেলিনা বেগমের বিরুদ্ধে একাধিক বিয়ে, সরকারি কর্মকর্তাদের সঙ্গে অনৈতিক সম্পর্ক স্থাপন, ব্ল্যাকমেইল ও শারীরিক নির্যাতনের অভিযোগ রয়েছে। এসব সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে ২০২৫ সালের ৫ ডিসেম্বর তার বিরুদ্ধে সাইবার ট্রাইব্যুনালে একটি মামলা দায়ের করা হয়।
এছাড়া সম্প্রতি লালমনিরহাট জেলা শিল্পকলা অ্যাকাডেমির সাবেক এক কালচারাল কর্মকর্তাকে অফিসকক্ষে নির্যাতনের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে বিষয়টি নতুন করে আলোচনায় আসে।
বাদি পক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট আবুল কালাম আজাদ ইমন বলেন, আদালত ও তদন্তকারী কর্মকর্তাকে মিথ্যা তথ্য দিয়ে বিভ্রান্তি করায় আমাদের আবেদনের প্রেক্ষিতে আদালত তার জামিন নামঞ্জুর করে জেল হাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
এই বিষয়ে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যকে ড. মোহাম্মদ তৌফিক আলম বলেন, বিষয়টি আদালতে বিচারাধীন রয়েছে। তাই আদালত যে সিদ্ধান্ত দেবেন, বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ সে অনুযায়ীই পরবর্তী পদক্ষেপ নেবে।
২৯ জানুয়ারি, ২০২৬ ২৩:৩৫
২৯ জানুয়ারি, ২০২৬ ২১:১৭
২৯ জানুয়ারি, ২০২৬ ২০:৫৮
২৯ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৯:৩৮