Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.

২৮ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৯:৪২
শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী-ঝিনাইগাতী) আসনে নির্বাচনী ইশতেহার পাঠ অনুষ্ঠানে মঞ্চে বসাকে কেন্দ্র করে বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে অন্তত ৩০ জন আহতের খবর পাওয়া গেছে। বুধবার (২৮ জানুয়ারি) দুপুরে ঝিনাইগাতী উপজেলা মিনি স্টেডিয়াম মাঠে উপজেলা প্রশাসন আয়োজিত অনুষ্ঠানে এ ঘটনা ঘটে।
উপজেলা প্রশাসন ও স্থানীয়রা জানান, বুধবার সকালে প্রমাসনের আয়োজনে নির্বাচনী ইশতেহার পাঠের নির্ধারিত দিনক্ষণ ছিল। এই অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে সকাল থেকে বিভিন্ন দলের প্রার্থীরা অনুষ্ঠানস্থলে হাজির হন। দুপুরের দিকে অনুষ্ঠান শুরুর মুহূর্তে স্থানীয় বিএনপি ও জামায়াতের কয়েকজন কর্মী-সমর্থকরা সমানে সারিতে চেয়ার বসতে না পেরে হট্টগোল শুরু করেন।
এসময় কথা কাটাটির একপর্যায়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন দুই পক্ষের নেতাকর্মীরা এবং দুপক্ষের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া শুরু হয়। এ সময় মঞ্চের সামনে রাখা কয়েকশ চেয়ার ভাঙচুর করে। ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও সংঘর্ষ চলাকালে দুই পক্ষের অন্তত ৩০ জন আহতের খবর পাওয়া গেছে।
জামায়াতের মনোনীত প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদলের অভিযোগ করে বলেন, ‘পূর্ব পরিকল্পিতভাবে বিএনপি ও তাদের সমর্থকরা আমাদের কর্মী-সমর্থকদের ওপর হামলা করে। এতে আমাদের দলের কমপক্ষে ১৫ জন কর্মী-সমর্থক আহত হয়েছে। আমরা প্রশাসনের কাছে এর সুষ্ঠু বিচার দাবি করছি।’
বিএনপির মনোনীত ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী মাহমুদুল হক রুবেল বলেন, ‘উগ্রবাদী জঙ্গি জামাতিরা পরিকল্পিতভাবে ষড়যন্ত্র করছে। তারা দেশকে বিশৃঙ্খলা তৈরি করতে চাচ্ছে। এরই ধারাবাহিকতায় ঝিনাইগাতীর ইশতেহার অনুষ্ঠান শুরুর প্রাক্কালে পূর্ব প্রস্তুতি নিয়ে হামলা চালিয়েছে। এতে আমাদের দলের অনেক নেতাকর্মী আহত হয়েছে। বর্তমানে তারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি রয়েছেন।’
ঝিনাইগাতী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা আশরাফুল আলম রাসেল সাংবাদিকদের জানান, সকল প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের নিয়ে আমরা ইশতেহার অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছিলাম। কিন্তু সেখানে বসাকে কেন্দ্র করে একটু ঝামেলা হয়েছে। পরিস্থিতি আমরা নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করছি। একইসঙ্গে এ ঘটনাটি আমরা ঊর্ধ্বতনকে জানিয়েছি। এ ঘটনায় পরবর্তী যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
শেরপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) মো. মিজানুর রহমান ভূঁঞা জানান, পুলিশ ও সেনাবাহিনী যৌথভাবে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনেছে। বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। এ ঘটনায় এখনো কোনো মামলা হয়নি। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী-ঝিনাইগাতী) আসনে নির্বাচনী ইশতেহার পাঠ অনুষ্ঠানে মঞ্চে বসাকে কেন্দ্র করে বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে অন্তত ৩০ জন আহতের খবর পাওয়া গেছে। বুধবার (২৮ জানুয়ারি) দুপুরে ঝিনাইগাতী উপজেলা মিনি স্টেডিয়াম মাঠে উপজেলা প্রশাসন আয়োজিত অনুষ্ঠানে এ ঘটনা ঘটে।
উপজেলা প্রশাসন ও স্থানীয়রা জানান, বুধবার সকালে প্রমাসনের আয়োজনে নির্বাচনী ইশতেহার পাঠের নির্ধারিত দিনক্ষণ ছিল। এই অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে সকাল থেকে বিভিন্ন দলের প্রার্থীরা অনুষ্ঠানস্থলে হাজির হন। দুপুরের দিকে অনুষ্ঠান শুরুর মুহূর্তে স্থানীয় বিএনপি ও জামায়াতের কয়েকজন কর্মী-সমর্থকরা সমানে সারিতে চেয়ার বসতে না পেরে হট্টগোল শুরু করেন।
এসময় কথা কাটাটির একপর্যায়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন দুই পক্ষের নেতাকর্মীরা এবং দুপক্ষের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া শুরু হয়। এ সময় মঞ্চের সামনে রাখা কয়েকশ চেয়ার ভাঙচুর করে। ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও সংঘর্ষ চলাকালে দুই পক্ষের অন্তত ৩০ জন আহতের খবর পাওয়া গেছে।
জামায়াতের মনোনীত প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদলের অভিযোগ করে বলেন, ‘পূর্ব পরিকল্পিতভাবে বিএনপি ও তাদের সমর্থকরা আমাদের কর্মী-সমর্থকদের ওপর হামলা করে। এতে আমাদের দলের কমপক্ষে ১৫ জন কর্মী-সমর্থক আহত হয়েছে। আমরা প্রশাসনের কাছে এর সুষ্ঠু বিচার দাবি করছি।’
বিএনপির মনোনীত ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী মাহমুদুল হক রুবেল বলেন, ‘উগ্রবাদী জঙ্গি জামাতিরা পরিকল্পিতভাবে ষড়যন্ত্র করছে। তারা দেশকে বিশৃঙ্খলা তৈরি করতে চাচ্ছে। এরই ধারাবাহিকতায় ঝিনাইগাতীর ইশতেহার অনুষ্ঠান শুরুর প্রাক্কালে পূর্ব প্রস্তুতি নিয়ে হামলা চালিয়েছে। এতে আমাদের দলের অনেক নেতাকর্মী আহত হয়েছে। বর্তমানে তারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি রয়েছেন।’
ঝিনাইগাতী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা আশরাফুল আলম রাসেল সাংবাদিকদের জানান, সকল প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের নিয়ে আমরা ইশতেহার অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছিলাম। কিন্তু সেখানে বসাকে কেন্দ্র করে একটু ঝামেলা হয়েছে। পরিস্থিতি আমরা নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করছি। একইসঙ্গে এ ঘটনাটি আমরা ঊর্ধ্বতনকে জানিয়েছি। এ ঘটনায় পরবর্তী যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
শেরপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) মো. মিজানুর রহমান ভূঁঞা জানান, পুলিশ ও সেনাবাহিনী যৌথভাবে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনেছে। বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। এ ঘটনায় এখনো কোনো মামলা হয়নি। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

০৯ এপ্রিল, ২০২৬ ১৫:৩৭
বগুড়া-৬ আসনে উপনির্বাচন এবং শেরপুর-৩ আসনে সাধারণ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ চলছে। বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) সকাল সাড়ে ৭টায় এ ভোটগ্রহণ শুরু হয়, চলবে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত।
এরই মাঝে এই নির্বাচনকে কেন্দ্র করে ফেসবুকে একটি স্ট্যাটাস দিয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ও জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান।
বৃহস্পতিবার দুপুর ১টার দিকে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া ওই স্ট্যাটাসে তিনি লিখেন, ‘দলীয় সরকারের অধীনে বগুড়া-৬ এবং শেরপুর-৩—দুটি উপনির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে। দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচন কী হতে পারে, তার বীভৎস রূপ ইতিমধ্যেই জাতির সামনে চলে এসেছে।’
তিনি বলেন, ‘জাতীয় সংসদ একটি পবিত্র আমানতের জায়গা। সেই জায়গায় যারা আসবেন, তারা যদি জনগণের রায়কে গায়ের জোরে পাল্টে দিয়ে আসেন, তাহলে তাদের দ্বারা দেশ ও জাতির ক্ষতি ছাড়া লাভ হওয়ার কোনো সম্ভাবনা নেই। জনগণের রায়ের প্রতি যাদের আস্থা আছে, তারা গায়ের জোর কখনোই খাটাতে চায় না।’
এদিকে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন জানিয়েছেন, ‘শেরপুর-৩ ও বগুড়া-৬ আসনে সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোটগ্রহণ করা হচ্ছে।’
তিনি বলেন, ‘এই দুই আসনের নির্বাচন যেন আগের যেকোনো নির্বাচনের চেয়ে ভালো হয় এবং কোনোভাবেই খারাপ না হয়, সে লক্ষ্যে নির্বাচন কমিশন সর্বোচ্চ প্রস্তুতি নিয়েছে। সিসি ক্যামেরার মাধ্যমে ভোটের পরিবেশ পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। বিশেষ করে শেরপুর-৩ আসন সীমান্তবর্তী এলাকা হওয়ায় সেখানে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে এবং অতিরিক্ত আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী মোতায়েন রয়েছে। বিজিবি, র্যাব, আনসারসহ সংশ্লিষ্ট বাহিনী কার্যকরভাবে দায়িত্ব পালন করছে।’

০৯ এপ্রিল, ২০২৬ ১৩:১৪
চাঁদপুরের শাহরাস্তিতে জ্বরের চিকিৎসা নিতে আসা পাঁচ বছরের শিশু আলিফাকে দেওয়া হলো অন্য রোগীর জন্য আনা কুকুরে কামড়ানোর ভ্যাকসিন। বুধবার (৮ এপ্রিল) চাঁদপুরের শাহরাস্তি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এ ঘটনা ঘটে।
জানা গেছে, ওই দিন কচুয়া উপজেলার আশ্রাফপুর গ্রামের এমরান হোসেন তার পাঁচ বছরের সন্তান আলিফাকে জ্বরের রোগী হিসেবে জরুরি বিভাগে চিকিৎসাসেবা নিতে আসেন। একই সময়ে হাসপাতালের জরুরি বিভাগে শাহরাস্তি উপজেলার আহম্মদ নগর গ্রামের রুবেল তার ১৪ বছরের সন্তান নাজমুলকে কুকুরের কামড়ের রোগী হিসেবে চিকিৎসা নিতে আসেন।
উভয় রোগীকে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগে নেওয়া হলে চিকিৎসক সাইফুল ইসলাম উভয়কে পৃথক পৃথক চিকিৎসাপত্র দেন। জরুরি বিভাগে দায়িত্বরত উপসহকারী কমিউনিটি মেডিকেল অফিসার (সেকমো) আবু ইউসুফ চিকিৎসকের ব্যবস্থাপত্র না দেখেই জ্বরের রোগী আলিফাকে কুকুরের ভ্যাকসিন পুশ করেন। এ ঘটনা নিয়ে রোগীর অভিভাবকদের সঙ্গে বাগ্বিতণ্ডা শুরু হয়।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত চিকিৎসক আবু ইউসুফ বলেন, এ ভ্যাকসিনে কোনো ক্ষতি হবে না, তবে আমি ভুল করে অন্য রোগীর ভ্যাকসিন শিশুটিকে দিয়ে দিয়েছি।
উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা আকলিমা জাহান বলেন, এ বিষয়ে আমি অবগত হয়েছি। আমরা বাচ্চাটাকে ভর্তি রেখে পর্যবেক্ষণে রাখার কথা বলেছি। তারপরও দায়িত্বে অবহেলা করার কারণে দায়িত্বরত মেডিকেল অফিসারকে শোকজ করা হবে।

০৯ এপ্রিল, ২০২৬ ১৩:০৬
চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে শ্বশুরবাড়ি থেকে তুলে নিয়ে মোহাম্মদ শামীম নামে এক আওয়ামী লীগ নেতাকে পিটিয়ে ও রগ কেটে হত্যা করা হয়েছে। বুধবার (৮ এপ্রিল) রাতে উপজেলার মুরাদপুর ইউনিয়নের মধ্য ভাটেরখিল এলাকায় তার শ্বশুরবাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে কুপিয়ে ও রগ কেটে হত্যা করা হয়।
শামীম সীতাকুণ্ড পৌরসভার শিবপুর এলাকার আবছারের বাড়ির আবুল মনসুরের ছেলে। তিনি নিষিদ্ধ ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদকের দায়িত্বে ছিলেন।
পুলিশ ও পরিবারের দাবি, পূর্ব শত্রুতার জেরে তাকে ঘর থেকে ডেকে নিয়ে হত্যা করা হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে দুইজনকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করছে পুলিশ।
নিহতের ভাই মো. সেলিম জানান, অনেক অভাব অনটনে দিন কাটছে শামীমের। দীর্ঘদিন ধরে আওয়ামী লীগ করার কারণে আত্মগোপনে ছিলেন। বুধবার রাতে তার স্ত্রী সীতাকুণ্ড বাজারে কিছু স্বর্ণ বন্ধক রেখে টাকা নিয়ে বাপের বাড়িতে যান। শামীমও সন্ধ্যায় ওখানে (শ্বশুরবাড়ি) যান। রাত ৮টার সময় শ্বশুরবাড়িতে যাওয়ার পর তাকে স্থানীয় জাফর ও ইরানের নেতৃত্বে ৩০ থেকে ৪০ জনের একটি অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী দল তুলে নিয়ে কুপিয়ে ও রগ কেটে হত্যা করেন। পরে মরদেহ বেড়িবাঁধ তালতলা এলাকায় ফেলে রেখে যায়।
তিনি আরও বলেন, ‘আমার ভাইয়ের সঙ্গে অনেকদিন ধরে দ্বন্দ্ব ছিল তাদের। পূর্বশত্রুতার জেরে দ্বন্দ্বকে কাজে লাগিয়ে হত্যা করে জাফর ও ইরানরা।’
সীতাকুণ্ড মডেল থানার ওসি মোহাম্মদ মহিনুল ইসলাম বলেন, হত্যাকাণ্ডে জড়িত সন্দেহে দুজনকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। তদন্তের স্বার্থে তাদের নাম এখন প্রকাশ করা হচ্ছে না।
তিনি আরও বলেন, যারা হত্যা করেছে, আর যে হত্যার শিকার হয়েছে, তাদের কারো পূর্বের রেকর্ড ভালো না। প্রকৃত ঘটনা উদঘাটনে পুলিশের টিম কাজ করছে।
বগুড়া-৬ আসনে উপনির্বাচন এবং শেরপুর-৩ আসনে সাধারণ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ চলছে। বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) সকাল সাড়ে ৭টায় এ ভোটগ্রহণ শুরু হয়, চলবে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত।
এরই মাঝে এই নির্বাচনকে কেন্দ্র করে ফেসবুকে একটি স্ট্যাটাস দিয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ও জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান।
বৃহস্পতিবার দুপুর ১টার দিকে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া ওই স্ট্যাটাসে তিনি লিখেন, ‘দলীয় সরকারের অধীনে বগুড়া-৬ এবং শেরপুর-৩—দুটি উপনির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে। দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচন কী হতে পারে, তার বীভৎস রূপ ইতিমধ্যেই জাতির সামনে চলে এসেছে।’
তিনি বলেন, ‘জাতীয় সংসদ একটি পবিত্র আমানতের জায়গা। সেই জায়গায় যারা আসবেন, তারা যদি জনগণের রায়কে গায়ের জোরে পাল্টে দিয়ে আসেন, তাহলে তাদের দ্বারা দেশ ও জাতির ক্ষতি ছাড়া লাভ হওয়ার কোনো সম্ভাবনা নেই। জনগণের রায়ের প্রতি যাদের আস্থা আছে, তারা গায়ের জোর কখনোই খাটাতে চায় না।’
এদিকে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন জানিয়েছেন, ‘শেরপুর-৩ ও বগুড়া-৬ আসনে সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোটগ্রহণ করা হচ্ছে।’
তিনি বলেন, ‘এই দুই আসনের নির্বাচন যেন আগের যেকোনো নির্বাচনের চেয়ে ভালো হয় এবং কোনোভাবেই খারাপ না হয়, সে লক্ষ্যে নির্বাচন কমিশন সর্বোচ্চ প্রস্তুতি নিয়েছে। সিসি ক্যামেরার মাধ্যমে ভোটের পরিবেশ পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। বিশেষ করে শেরপুর-৩ আসন সীমান্তবর্তী এলাকা হওয়ায় সেখানে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে এবং অতিরিক্ত আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী মোতায়েন রয়েছে। বিজিবি, র্যাব, আনসারসহ সংশ্লিষ্ট বাহিনী কার্যকরভাবে দায়িত্ব পালন করছে।’
চাঁদপুরের শাহরাস্তিতে জ্বরের চিকিৎসা নিতে আসা পাঁচ বছরের শিশু আলিফাকে দেওয়া হলো অন্য রোগীর জন্য আনা কুকুরে কামড়ানোর ভ্যাকসিন। বুধবার (৮ এপ্রিল) চাঁদপুরের শাহরাস্তি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এ ঘটনা ঘটে।
জানা গেছে, ওই দিন কচুয়া উপজেলার আশ্রাফপুর গ্রামের এমরান হোসেন তার পাঁচ বছরের সন্তান আলিফাকে জ্বরের রোগী হিসেবে জরুরি বিভাগে চিকিৎসাসেবা নিতে আসেন। একই সময়ে হাসপাতালের জরুরি বিভাগে শাহরাস্তি উপজেলার আহম্মদ নগর গ্রামের রুবেল তার ১৪ বছরের সন্তান নাজমুলকে কুকুরের কামড়ের রোগী হিসেবে চিকিৎসা নিতে আসেন।
উভয় রোগীকে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগে নেওয়া হলে চিকিৎসক সাইফুল ইসলাম উভয়কে পৃথক পৃথক চিকিৎসাপত্র দেন। জরুরি বিভাগে দায়িত্বরত উপসহকারী কমিউনিটি মেডিকেল অফিসার (সেকমো) আবু ইউসুফ চিকিৎসকের ব্যবস্থাপত্র না দেখেই জ্বরের রোগী আলিফাকে কুকুরের ভ্যাকসিন পুশ করেন। এ ঘটনা নিয়ে রোগীর অভিভাবকদের সঙ্গে বাগ্বিতণ্ডা শুরু হয়।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত চিকিৎসক আবু ইউসুফ বলেন, এ ভ্যাকসিনে কোনো ক্ষতি হবে না, তবে আমি ভুল করে অন্য রোগীর ভ্যাকসিন শিশুটিকে দিয়ে দিয়েছি।
উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা আকলিমা জাহান বলেন, এ বিষয়ে আমি অবগত হয়েছি। আমরা বাচ্চাটাকে ভর্তি রেখে পর্যবেক্ষণে রাখার কথা বলেছি। তারপরও দায়িত্বে অবহেলা করার কারণে দায়িত্বরত মেডিকেল অফিসারকে শোকজ করা হবে।
চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে শ্বশুরবাড়ি থেকে তুলে নিয়ে মোহাম্মদ শামীম নামে এক আওয়ামী লীগ নেতাকে পিটিয়ে ও রগ কেটে হত্যা করা হয়েছে। বুধবার (৮ এপ্রিল) রাতে উপজেলার মুরাদপুর ইউনিয়নের মধ্য ভাটেরখিল এলাকায় তার শ্বশুরবাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে কুপিয়ে ও রগ কেটে হত্যা করা হয়।
শামীম সীতাকুণ্ড পৌরসভার শিবপুর এলাকার আবছারের বাড়ির আবুল মনসুরের ছেলে। তিনি নিষিদ্ধ ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদকের দায়িত্বে ছিলেন।
পুলিশ ও পরিবারের দাবি, পূর্ব শত্রুতার জেরে তাকে ঘর থেকে ডেকে নিয়ে হত্যা করা হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে দুইজনকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করছে পুলিশ।
নিহতের ভাই মো. সেলিম জানান, অনেক অভাব অনটনে দিন কাটছে শামীমের। দীর্ঘদিন ধরে আওয়ামী লীগ করার কারণে আত্মগোপনে ছিলেন। বুধবার রাতে তার স্ত্রী সীতাকুণ্ড বাজারে কিছু স্বর্ণ বন্ধক রেখে টাকা নিয়ে বাপের বাড়িতে যান। শামীমও সন্ধ্যায় ওখানে (শ্বশুরবাড়ি) যান। রাত ৮টার সময় শ্বশুরবাড়িতে যাওয়ার পর তাকে স্থানীয় জাফর ও ইরানের নেতৃত্বে ৩০ থেকে ৪০ জনের একটি অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী দল তুলে নিয়ে কুপিয়ে ও রগ কেটে হত্যা করেন। পরে মরদেহ বেড়িবাঁধ তালতলা এলাকায় ফেলে রেখে যায়।
তিনি আরও বলেন, ‘আমার ভাইয়ের সঙ্গে অনেকদিন ধরে দ্বন্দ্ব ছিল তাদের। পূর্বশত্রুতার জেরে দ্বন্দ্বকে কাজে লাগিয়ে হত্যা করে জাফর ও ইরানরা।’
সীতাকুণ্ড মডেল থানার ওসি মোহাম্মদ মহিনুল ইসলাম বলেন, হত্যাকাণ্ডে জড়িত সন্দেহে দুজনকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। তদন্তের স্বার্থে তাদের নাম এখন প্রকাশ করা হচ্ছে না।
তিনি আরও বলেন, যারা হত্যা করেছে, আর যে হত্যার শিকার হয়েছে, তাদের কারো পূর্বের রেকর্ড ভালো না। প্রকৃত ঘটনা উদঘাটনে পুলিশের টিম কাজ করছে।