
২০ মে, ২০২৬ ১৯:০১
চট্টগ্রাম নগরীর চাঁন্দগাঁওয়ে জ্বীন তাড়ানো, অলৌকিক আংটি ও লকেট দেওয়া এবং ব্যবসায়িক অংশীদার করার নামে এক নারীর কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ ওঠেছে।
বুধবার (২০ মে) চাঁদগাঁও থানায় এ ঘটনায় মামলা করেন ভুক্তভোগী ওই নারী। মামলায় মোট ৩২ লাখ ৮০ হাজার টাকা আত্মসাৎ করার কথা উল্লেখ করা হয়েছে।
এজাহার সূত্রে জানা যায়, মামলার বাদী তাজমিন আক্তার (৪৬) চান্দগাঁও থানার খাজা রোড এলাকার বাসিন্দা। অন্যদিকে অভিযুক্ত আসামি হলেন ফেরদৌস আলম নয়ন (৪৫)। তিনি কক্সবাজার জেলার রামু থানার কচ্ছপিয়া এলাকার বাসিন্দা হলেও বর্তমানে চান্দগাঁও খাজা রোডের সিকদার ভবনের দ্বিতীয় তলায় ভাড়াটিয়া হিসেবে বসবাস করছেন।
এজাহার অনুযায়ী, ২০২৪ সালের মার্চ থেকে চলতি বছরের মার্চ পর্যন্ত মধ্যবর্তী সময়ে বিভিন্ন সময়ে এই প্রতারণার ঘটনা ঘটে। তাজমিন আক্তারের ছেলে তাসিফুর রহমান (২৩) সাতকানিয়া এলাকায় একটি ফিড মিলের ব্যবসা পরিচালনা করেন। দীর্ঘদিনের শারীরিক অসুস্থতার কারণে এক ব্যক্তির মাধ্যমে ভুক্তভোগী তাজমিন আক্তার কবিরাজি চিকিৎসার জন্য ফেরদৌস আলমের বাসায় যান। সেখানে নয়ন নিজেকে একজন অভিজ্ঞ কবিরাজ হিসেবে পরিচয় দেন এবং তাজমিনের পরিবারকে বিভিন্ন কুসংস্কার ও অলৌকিক ভয়-ভীতি দেখাতে শুরু করেন।
একপর্যায়ে নয়ন তাজমিনের পরিবারকে জানান যে- তাদের ওপর বান মারা হয়েছে। এসবের হাত থেকে বাঁচতে হলে বিশেষ আংটি ও লকেট ব্যবহার করতে হবে। এসব অলৌকিক আংটি ও চিকিৎসার নামে ধাপে ধাপে বাদীর কাছ থেকে মোট ৫ লাখ ৫০ হাজার টাকা হাতিয়ে নেন তিনি।
পরে তাজমিনকে মা ডেকে আবেগপ্রবণ করেন নয়ন। তার মাছ ধরার বোটে জলদস্যুদের হামলার নাটক সাজিয়ে জরুরি ভিত্তিতে টাকা ধার চান। জলদস্যুদের কবল থেকে বোট মুক্ত করার অজুহাতে তিনি তাজমিনের কাছ থেকে নগদ এবং স্বর্ণ বন্ধক রাখিয়ে আরও ১০ লাখ টাকা নেন। এরপর একইভাবে টেকনাফ হয়ে বার্মা থেকে বিশেষ মেডিসিন আনা এবং ছেলের চিকিৎসার অজুহাতে বিভিন্ন সময়ে ব্যাংক লেনদেন ও নগদ অর্থসহ মোট ৩২ লাখ ৮০ হাজার টাকা আত্মসাৎ করেন।
টাকা ফেরতের জন্য চাপ দিলে গত ২৬ এপ্রিল তারিখে সন্ধ্যায় নয়ন টাকা ফেরত দিতে অস্বীকৃতি জানান এবং উল্টো তাজমিনকে হত্যা করে লাশ গুম করার হুমকিও দেন। এই ঘটনায় বুধবার চাঁন্দগাঁও থানায় মামলা করেন তাজমিন।
চাঁন্দগাঁও থানার ওসি মো. নূর হোসেন মামুন বলেন, ভুক্তভোগী নারীর লিখিত এজাহারের ভিত্তিতে আমরা মামলাটি দণ্ডবিধির ৪০৬, ৪২০ ও ৫০৬ ধারায় রুজু করেছি।
চট্টগ্রাম নগরীর চাঁন্দগাঁওয়ে জ্বীন তাড়ানো, অলৌকিক আংটি ও লকেট দেওয়া এবং ব্যবসায়িক অংশীদার করার নামে এক নারীর কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ ওঠেছে।
বুধবার (২০ মে) চাঁদগাঁও থানায় এ ঘটনায় মামলা করেন ভুক্তভোগী ওই নারী। মামলায় মোট ৩২ লাখ ৮০ হাজার টাকা আত্মসাৎ করার কথা উল্লেখ করা হয়েছে।
এজাহার সূত্রে জানা যায়, মামলার বাদী তাজমিন আক্তার (৪৬) চান্দগাঁও থানার খাজা রোড এলাকার বাসিন্দা। অন্যদিকে অভিযুক্ত আসামি হলেন ফেরদৌস আলম নয়ন (৪৫)। তিনি কক্সবাজার জেলার রামু থানার কচ্ছপিয়া এলাকার বাসিন্দা হলেও বর্তমানে চান্দগাঁও খাজা রোডের সিকদার ভবনের দ্বিতীয় তলায় ভাড়াটিয়া হিসেবে বসবাস করছেন।
এজাহার অনুযায়ী, ২০২৪ সালের মার্চ থেকে চলতি বছরের মার্চ পর্যন্ত মধ্যবর্তী সময়ে বিভিন্ন সময়ে এই প্রতারণার ঘটনা ঘটে। তাজমিন আক্তারের ছেলে তাসিফুর রহমান (২৩) সাতকানিয়া এলাকায় একটি ফিড মিলের ব্যবসা পরিচালনা করেন। দীর্ঘদিনের শারীরিক অসুস্থতার কারণে এক ব্যক্তির মাধ্যমে ভুক্তভোগী তাজমিন আক্তার কবিরাজি চিকিৎসার জন্য ফেরদৌস আলমের বাসায় যান। সেখানে নয়ন নিজেকে একজন অভিজ্ঞ কবিরাজ হিসেবে পরিচয় দেন এবং তাজমিনের পরিবারকে বিভিন্ন কুসংস্কার ও অলৌকিক ভয়-ভীতি দেখাতে শুরু করেন।
একপর্যায়ে নয়ন তাজমিনের পরিবারকে জানান যে- তাদের ওপর বান মারা হয়েছে। এসবের হাত থেকে বাঁচতে হলে বিশেষ আংটি ও লকেট ব্যবহার করতে হবে। এসব অলৌকিক আংটি ও চিকিৎসার নামে ধাপে ধাপে বাদীর কাছ থেকে মোট ৫ লাখ ৫০ হাজার টাকা হাতিয়ে নেন তিনি।
পরে তাজমিনকে মা ডেকে আবেগপ্রবণ করেন নয়ন। তার মাছ ধরার বোটে জলদস্যুদের হামলার নাটক সাজিয়ে জরুরি ভিত্তিতে টাকা ধার চান। জলদস্যুদের কবল থেকে বোট মুক্ত করার অজুহাতে তিনি তাজমিনের কাছ থেকে নগদ এবং স্বর্ণ বন্ধক রাখিয়ে আরও ১০ লাখ টাকা নেন। এরপর একইভাবে টেকনাফ হয়ে বার্মা থেকে বিশেষ মেডিসিন আনা এবং ছেলের চিকিৎসার অজুহাতে বিভিন্ন সময়ে ব্যাংক লেনদেন ও নগদ অর্থসহ মোট ৩২ লাখ ৮০ হাজার টাকা আত্মসাৎ করেন।
টাকা ফেরতের জন্য চাপ দিলে গত ২৬ এপ্রিল তারিখে সন্ধ্যায় নয়ন টাকা ফেরত দিতে অস্বীকৃতি জানান এবং উল্টো তাজমিনকে হত্যা করে লাশ গুম করার হুমকিও দেন। এই ঘটনায় বুধবার চাঁন্দগাঁও থানায় মামলা করেন তাজমিন।
চাঁন্দগাঁও থানার ওসি মো. নূর হোসেন মামুন বলেন, ভুক্তভোগী নারীর লিখিত এজাহারের ভিত্তিতে আমরা মামলাটি দণ্ডবিধির ৪০৬, ৪২০ ও ৫০৬ ধারায় রুজু করেছি।

১৮ জুন, ২০২৬ ১৭:২৩
স্ত্রী আফরা ইভনাত ইকরা আত্মহত্যার প্ররোচনার অভিযোগে করা মামলায় অভিনেতা জাহের আলভী ওরফে মো. নিয়ামত উল্লাহ ভূঁইয়াকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত।
বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) দুপুরে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট কামাল উদ্দিনের আদালতে আত্মসমর্পণ করে আইনজীবীদের মাধ্যমে জামিন আবেদন করেন আলভী। আদালত শুনানি শেষে দুপুর আড়াইটার দিকে আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
এদিন দুপুর দেড়টার দিকে আদালতে আসেন জাহের আলভী। পরে দুপুর ১টা ৫৬ মিনিটে শুনানি শুরু হলে কাঠগড়ায় দাঁড়ান এ অভিনেতা।
শুনানিতে জাহের আলভীর পক্ষে আইনজীবী ঢাকা বারের সভাপতি আনোয়ার জাহিদ ভূইয়া সহ অনেকেই শুনানি করেন। অপরদিকে বাদীপক্ষের আইনজীবীরা তার জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর আবেদেনের শুনানি করেন।
আলভীর জামিন আবেদনে উল্লেখ করা হয়, আসামি এই ঘটনার সঙ্গে কোনোভাবেই সম্পৃক্ত নয়। প্রেমের বিয়ে করার কারণে বাদী শুধুমাত্র ব্যক্তিগত জিদ ও প্রতিহিংসার বশবর্তী হয়ে হয়রানিমূলকভাবে মামলাটির দায়ের করেন। মামলার এজাহারে তার বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট কোন অভিযোগ নেই। আসামি ঈদ উপলক্ষে নাটক নির্মাণের জন্য গত ২৫ ফেব্রুয়ারি নেপালে অবস্থানকালে তার বিরুদ্ধে মামলাটি দায়ের করেন।
মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি মিরপুরের ডিওএইচএসে বাসা থেকে সিলিং ফ্যানের সঙ্গে ওড়না দিয়ে গলায় ফাঁস দেওয়া অবস্থায় ইকরাকে উদ্ধার করে পরিবারের সদস্যরা। পরে বাসার মালিকসহ স্বজনরা মিলে তাকে কুর্মিটোলা হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। ওইদিন রাতেই মামলা করেন ইকরার বাবা কবির হায়াত খান। দীর্ঘদিনের ‘পারিবারিক কলহ ও বিভিন্ন ধরনের নির্যাতনের কারণেই’ ইকরা আত্মহত্যা করতে ‘বাধ্য হয়েছেন’ বলে মামলায় অভিযোগ করেন তিনি।
আলভী ও ইকরা বিয়ে করেন ২০১০ সালে; তাদের সংসারে একটি ছেলে সন্তান রয়েছে। এই মামলায় গত ৪ জুন জাহের আলভীর মা নাসরিন সুলতানা শিউলি আত্মসমর্পণ করে জামিন পেয়েছেন।
বরিশাল টাইমস

১৮ জুন, ২০২৬ ১৭:১০
হামের উপসর্গ নিয়ে দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় (বুধবার সকাল ৮টা থেকে বৃহস্পতিবার সকাল আটটা) আরও পাঁচ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এ সময়ে হাম ও হামের উপসর্গে আক্রান্ত হয়েছে এক হাজার ১৪৮ জন।
এ পর্যন্ত দেশে হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে মৃতের সংখ্যা ৬৬৬ জনে পৌঁছেছে। তাদের মধ্যে হামের উপসর্গ নিয়ে ৫৭৩ শিশু ও নিশ্চিত হামে ৯৩ শিশুর মৃত্যু হয়েছে।
আজ বৃহস্পতিবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সর্বশেষ প্রতিবেদন থেকে এসব তথ্য জানা গেছে।
গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে যে পাঁচ শিশুর মৃত্যু হয়েছে, তার মধ্যে দুটি শিশু মারা গেছে সিলেট বিভাগে। এ ছাড়া ঢাকা, চট্টগ্রাম ও খুলনা বিভাগে একটি করে শিশুর মৃত্যু হয়েছে।
এই সময়ে সন্দেহভাজন হাম রোগী হিসেবে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ৯০৭ জন। তাদের মধ্যে ৩৩১টি শিশুই ঢাকা বিভাগের। এরপর আছে চট্টগ্রাম (১৭৫) ও বরিশাল (১৩৫)।
গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়ে ৮১৫ জন হাসপাতাল থেকে ছুটিও পেয়েছেন।
গত ১৫ মার্চ দেশে প্রথম হাম রোগী শনাক্ত হয়। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সর্বশেষ প্রতিবেদনে দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, গত ৯৫ দিনে হামের উপসর্গ দেখা গেছে ৮৯ হাজার ৯০৪ জনের মধ্যে। হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ৭৪ হাজার ১৮৪ জন। মোট হাম শনাক্ত হয়েছে ১০ হাজার ৭৭৩ জনের। এ ছাড়া ৯৫ দিনে হাসপাতাল থেকে ছুটি পেয়েছেন ৭০ হাজার ৫০৩ জন।

১৮ জুন, ২০২৬ ১৪:০৭
গাইবান্ধা শহরে সরকারি হাসপাতালের বিপুল পরিমাণ ইনজেকশন সিরিঞ্জ বাইরে বিক্রির জন্য বহনকালে রওশনা বেগম (৪০) নামের এক নারীকে আটক করেছে স্থানীয় লোকজন।
এ সময় তার কাছে সরকারি ৩০০ ইনজেকশন সিরিঞ্জ পাওয়া গেছে বলে নিশ্চিত করেছেন হাসপাতাল সংশ্লিষ্টরা। ওই নারীকে দিয়ে হাসপাতালের বিভিন্ন কাজ করানো হয় বলে জানা গেছে।
বুধবার (১৭ জুন) রাত সাড়ে ১০ টার দিকে বিষয়টি ঢাকা পোস্টকে নিশ্চিত করেন গাইবান্ধা জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা (আরএমও) আসিফ রহমান। বিকেলে শহরের হাসপাতাল রোডের ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের সামনে এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্র জানায়, বিকেলে সন্দেহজনকভাবে একটি বস্তা বহন করছিলেন ওই নারী। এ সময় স্থানীয়রা তাকে থামিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করলে বস্তার ভেতর থেকে বিপুল পরিমাণ সরকারি সিরিঞ্জ পাওয়া যায়।
পরে তাকে জিজ্ঞাসাবাদের এক পর্যায়ে তিনি দাবি করেন, গাইবান্ধা জেনারেল হাসপাতালের ডায়রিয়া ওয়ার্ডের ঝরনা বেগম নামের দায়িত্বপ্রাপ্ত এক নার্স তাকে এসব সিরিঞ্জ দিয়েছেন। তবে তিনি কেন এগুলো বাইরে নিচ্ছিলেন, সে বিষয়ে স্পষ্ট কোনো ব্যাখ্যা দিতে পারেননি।
গাইবান্ধা জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) আসিফ রহমান তত্বাবধায়কের বরাতে বলেন, সরকারি সিরিঞ্জ বাইরে যাওয়ার ঘটনায় একটি কমিটি গঠন করা হবে এবং কমিটির ৩ দিনের মধ্যে প্রতিবেদন পেলে জড়িতদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এসময় এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, সিরিঞ্জ প্রথমত স্টোর কিপারের দায়িত্বে থাকে। সেখান থেকে নার্স ইনচার্জ, পরে ডিউটিরত নার্সদেরকে দেওয়া হয়। তিনি জানান, প্রাথমিকভাবে নিশ্চিত হওয়া গেছে হাসপাতলের ৩০০ সিরিঞ্জ ওই নারী বাহিরে নিয়ে যান। যা ওয়ার্ড থেকে নেওয়া হয়েছে।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
স্ত্রী আফরা ইভনাত ইকরা আত্মহত্যার প্ররোচনার অভিযোগে করা মামলায় অভিনেতা জাহের আলভী ওরফে মো. নিয়ামত উল্লাহ ভূঁইয়াকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত।
বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) দুপুরে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট কামাল উদ্দিনের আদালতে আত্মসমর্পণ করে আইনজীবীদের মাধ্যমে জামিন আবেদন করেন আলভী। আদালত শুনানি শেষে দুপুর আড়াইটার দিকে আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
এদিন দুপুর দেড়টার দিকে আদালতে আসেন জাহের আলভী। পরে দুপুর ১টা ৫৬ মিনিটে শুনানি শুরু হলে কাঠগড়ায় দাঁড়ান এ অভিনেতা।
শুনানিতে জাহের আলভীর পক্ষে আইনজীবী ঢাকা বারের সভাপতি আনোয়ার জাহিদ ভূইয়া সহ অনেকেই শুনানি করেন। অপরদিকে বাদীপক্ষের আইনজীবীরা তার জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর আবেদেনের শুনানি করেন।
আলভীর জামিন আবেদনে উল্লেখ করা হয়, আসামি এই ঘটনার সঙ্গে কোনোভাবেই সম্পৃক্ত নয়। প্রেমের বিয়ে করার কারণে বাদী শুধুমাত্র ব্যক্তিগত জিদ ও প্রতিহিংসার বশবর্তী হয়ে হয়রানিমূলকভাবে মামলাটির দায়ের করেন। মামলার এজাহারে তার বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট কোন অভিযোগ নেই। আসামি ঈদ উপলক্ষে নাটক নির্মাণের জন্য গত ২৫ ফেব্রুয়ারি নেপালে অবস্থানকালে তার বিরুদ্ধে মামলাটি দায়ের করেন।
মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি মিরপুরের ডিওএইচএসে বাসা থেকে সিলিং ফ্যানের সঙ্গে ওড়না দিয়ে গলায় ফাঁস দেওয়া অবস্থায় ইকরাকে উদ্ধার করে পরিবারের সদস্যরা। পরে বাসার মালিকসহ স্বজনরা মিলে তাকে কুর্মিটোলা হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। ওইদিন রাতেই মামলা করেন ইকরার বাবা কবির হায়াত খান। দীর্ঘদিনের ‘পারিবারিক কলহ ও বিভিন্ন ধরনের নির্যাতনের কারণেই’ ইকরা আত্মহত্যা করতে ‘বাধ্য হয়েছেন’ বলে মামলায় অভিযোগ করেন তিনি।
আলভী ও ইকরা বিয়ে করেন ২০১০ সালে; তাদের সংসারে একটি ছেলে সন্তান রয়েছে। এই মামলায় গত ৪ জুন জাহের আলভীর মা নাসরিন সুলতানা শিউলি আত্মসমর্পণ করে জামিন পেয়েছেন।
বরিশাল টাইমস
হামের উপসর্গ নিয়ে দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় (বুধবার সকাল ৮টা থেকে বৃহস্পতিবার সকাল আটটা) আরও পাঁচ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এ সময়ে হাম ও হামের উপসর্গে আক্রান্ত হয়েছে এক হাজার ১৪৮ জন।
এ পর্যন্ত দেশে হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে মৃতের সংখ্যা ৬৬৬ জনে পৌঁছেছে। তাদের মধ্যে হামের উপসর্গ নিয়ে ৫৭৩ শিশু ও নিশ্চিত হামে ৯৩ শিশুর মৃত্যু হয়েছে।
আজ বৃহস্পতিবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সর্বশেষ প্রতিবেদন থেকে এসব তথ্য জানা গেছে।
গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে যে পাঁচ শিশুর মৃত্যু হয়েছে, তার মধ্যে দুটি শিশু মারা গেছে সিলেট বিভাগে। এ ছাড়া ঢাকা, চট্টগ্রাম ও খুলনা বিভাগে একটি করে শিশুর মৃত্যু হয়েছে।
এই সময়ে সন্দেহভাজন হাম রোগী হিসেবে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ৯০৭ জন। তাদের মধ্যে ৩৩১টি শিশুই ঢাকা বিভাগের। এরপর আছে চট্টগ্রাম (১৭৫) ও বরিশাল (১৩৫)।
গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়ে ৮১৫ জন হাসপাতাল থেকে ছুটিও পেয়েছেন।
গত ১৫ মার্চ দেশে প্রথম হাম রোগী শনাক্ত হয়। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সর্বশেষ প্রতিবেদনে দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, গত ৯৫ দিনে হামের উপসর্গ দেখা গেছে ৮৯ হাজার ৯০৪ জনের মধ্যে। হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ৭৪ হাজার ১৮৪ জন। মোট হাম শনাক্ত হয়েছে ১০ হাজার ৭৭৩ জনের। এ ছাড়া ৯৫ দিনে হাসপাতাল থেকে ছুটি পেয়েছেন ৭০ হাজার ৫০৩ জন।
গাইবান্ধা শহরে সরকারি হাসপাতালের বিপুল পরিমাণ ইনজেকশন সিরিঞ্জ বাইরে বিক্রির জন্য বহনকালে রওশনা বেগম (৪০) নামের এক নারীকে আটক করেছে স্থানীয় লোকজন।
এ সময় তার কাছে সরকারি ৩০০ ইনজেকশন সিরিঞ্জ পাওয়া গেছে বলে নিশ্চিত করেছেন হাসপাতাল সংশ্লিষ্টরা। ওই নারীকে দিয়ে হাসপাতালের বিভিন্ন কাজ করানো হয় বলে জানা গেছে।
বুধবার (১৭ জুন) রাত সাড়ে ১০ টার দিকে বিষয়টি ঢাকা পোস্টকে নিশ্চিত করেন গাইবান্ধা জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা (আরএমও) আসিফ রহমান। বিকেলে শহরের হাসপাতাল রোডের ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের সামনে এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্র জানায়, বিকেলে সন্দেহজনকভাবে একটি বস্তা বহন করছিলেন ওই নারী। এ সময় স্থানীয়রা তাকে থামিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করলে বস্তার ভেতর থেকে বিপুল পরিমাণ সরকারি সিরিঞ্জ পাওয়া যায়।
পরে তাকে জিজ্ঞাসাবাদের এক পর্যায়ে তিনি দাবি করেন, গাইবান্ধা জেনারেল হাসপাতালের ডায়রিয়া ওয়ার্ডের ঝরনা বেগম নামের দায়িত্বপ্রাপ্ত এক নার্স তাকে এসব সিরিঞ্জ দিয়েছেন। তবে তিনি কেন এগুলো বাইরে নিচ্ছিলেন, সে বিষয়ে স্পষ্ট কোনো ব্যাখ্যা দিতে পারেননি।
গাইবান্ধা জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) আসিফ রহমান তত্বাবধায়কের বরাতে বলেন, সরকারি সিরিঞ্জ বাইরে যাওয়ার ঘটনায় একটি কমিটি গঠন করা হবে এবং কমিটির ৩ দিনের মধ্যে প্রতিবেদন পেলে জড়িতদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এসময় এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, সিরিঞ্জ প্রথমত স্টোর কিপারের দায়িত্বে থাকে। সেখান থেকে নার্স ইনচার্জ, পরে ডিউটিরত নার্সদেরকে দেওয়া হয়। তিনি জানান, প্রাথমিকভাবে নিশ্চিত হওয়া গেছে হাসপাতলের ৩০০ সিরিঞ্জ ওই নারী বাহিরে নিয়ে যান। যা ওয়ার্ড থেকে নেওয়া হয়েছে।
১৯ জুন, ২০২৬ ১৬:১১
১৮ জুন, ২০২৬ ২৩:৩৯
১৮ জুন, ২০২৬ ১৯:৫৪
১৮ জুন, ২০২৬ ১৯:২১