Loading news...

২০ মে, ২০২৬ ১৯:০১
চট্টগ্রাম নগরীর চাঁন্দগাঁওয়ে জ্বীন তাড়ানো, অলৌকিক আংটি ও লকেট দেওয়া এবং ব্যবসায়িক অংশীদার করার নামে এক নারীর কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ ওঠেছে।
বুধবার (২০ মে) চাঁদগাঁও থানায় এ ঘটনায় মামলা করেন ভুক্তভোগী ওই নারী। মামলায় মোট ৩২ লাখ ৮০ হাজার টাকা আত্মসাৎ করার কথা উল্লেখ করা হয়েছে।
এজাহার সূত্রে জানা যায়, মামলার বাদী তাজমিন আক্তার (৪৬) চান্দগাঁও থানার খাজা রোড এলাকার বাসিন্দা। অন্যদিকে অভিযুক্ত আসামি হলেন ফেরদৌস আলম নয়ন (৪৫)। তিনি কক্সবাজার জেলার রামু থানার কচ্ছপিয়া এলাকার বাসিন্দা হলেও বর্তমানে চান্দগাঁও খাজা রোডের সিকদার ভবনের দ্বিতীয় তলায় ভাড়াটিয়া হিসেবে বসবাস করছেন।
এজাহার অনুযায়ী, ২০২৪ সালের মার্চ থেকে চলতি বছরের মার্চ পর্যন্ত মধ্যবর্তী সময়ে বিভিন্ন সময়ে এই প্রতারণার ঘটনা ঘটে। তাজমিন আক্তারের ছেলে তাসিফুর রহমান (২৩) সাতকানিয়া এলাকায় একটি ফিড মিলের ব্যবসা পরিচালনা করেন। দীর্ঘদিনের শারীরিক অসুস্থতার কারণে এক ব্যক্তির মাধ্যমে ভুক্তভোগী তাজমিন আক্তার কবিরাজি চিকিৎসার জন্য ফেরদৌস আলমের বাসায় যান। সেখানে নয়ন নিজেকে একজন অভিজ্ঞ কবিরাজ হিসেবে পরিচয় দেন এবং তাজমিনের পরিবারকে বিভিন্ন কুসংস্কার ও অলৌকিক ভয়-ভীতি দেখাতে শুরু করেন।
একপর্যায়ে নয়ন তাজমিনের পরিবারকে জানান যে- তাদের ওপর বান মারা হয়েছে। এসবের হাত থেকে বাঁচতে হলে বিশেষ আংটি ও লকেট ব্যবহার করতে হবে। এসব অলৌকিক আংটি ও চিকিৎসার নামে ধাপে ধাপে বাদীর কাছ থেকে মোট ৫ লাখ ৫০ হাজার টাকা হাতিয়ে নেন তিনি।
পরে তাজমিনকে মা ডেকে আবেগপ্রবণ করেন নয়ন। তার মাছ ধরার বোটে জলদস্যুদের হামলার নাটক সাজিয়ে জরুরি ভিত্তিতে টাকা ধার চান। জলদস্যুদের কবল থেকে বোট মুক্ত করার অজুহাতে তিনি তাজমিনের কাছ থেকে নগদ এবং স্বর্ণ বন্ধক রাখিয়ে আরও ১০ লাখ টাকা নেন। এরপর একইভাবে টেকনাফ হয়ে বার্মা থেকে বিশেষ মেডিসিন আনা এবং ছেলের চিকিৎসার অজুহাতে বিভিন্ন সময়ে ব্যাংক লেনদেন ও নগদ অর্থসহ মোট ৩২ লাখ ৮০ হাজার টাকা আত্মসাৎ করেন।
টাকা ফেরতের জন্য চাপ দিলে গত ২৬ এপ্রিল তারিখে সন্ধ্যায় নয়ন টাকা ফেরত দিতে অস্বীকৃতি জানান এবং উল্টো তাজমিনকে হত্যা করে লাশ গুম করার হুমকিও দেন। এই ঘটনায় বুধবার চাঁন্দগাঁও থানায় মামলা করেন তাজমিন।
চাঁন্দগাঁও থানার ওসি মো. নূর হোসেন মামুন বলেন, ভুক্তভোগী নারীর লিখিত এজাহারের ভিত্তিতে আমরা মামলাটি দণ্ডবিধির ৪০৬, ৪২০ ও ৫০৬ ধারায় রুজু করেছি।
চট্টগ্রাম নগরীর চাঁন্দগাঁওয়ে জ্বীন তাড়ানো, অলৌকিক আংটি ও লকেট দেওয়া এবং ব্যবসায়িক অংশীদার করার নামে এক নারীর কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ ওঠেছে।
বুধবার (২০ মে) চাঁদগাঁও থানায় এ ঘটনায় মামলা করেন ভুক্তভোগী ওই নারী। মামলায় মোট ৩২ লাখ ৮০ হাজার টাকা আত্মসাৎ করার কথা উল্লেখ করা হয়েছে।
এজাহার সূত্রে জানা যায়, মামলার বাদী তাজমিন আক্তার (৪৬) চান্দগাঁও থানার খাজা রোড এলাকার বাসিন্দা। অন্যদিকে অভিযুক্ত আসামি হলেন ফেরদৌস আলম নয়ন (৪৫)। তিনি কক্সবাজার জেলার রামু থানার কচ্ছপিয়া এলাকার বাসিন্দা হলেও বর্তমানে চান্দগাঁও খাজা রোডের সিকদার ভবনের দ্বিতীয় তলায় ভাড়াটিয়া হিসেবে বসবাস করছেন।
এজাহার অনুযায়ী, ২০২৪ সালের মার্চ থেকে চলতি বছরের মার্চ পর্যন্ত মধ্যবর্তী সময়ে বিভিন্ন সময়ে এই প্রতারণার ঘটনা ঘটে। তাজমিন আক্তারের ছেলে তাসিফুর রহমান (২৩) সাতকানিয়া এলাকায় একটি ফিড মিলের ব্যবসা পরিচালনা করেন। দীর্ঘদিনের শারীরিক অসুস্থতার কারণে এক ব্যক্তির মাধ্যমে ভুক্তভোগী তাজমিন আক্তার কবিরাজি চিকিৎসার জন্য ফেরদৌস আলমের বাসায় যান। সেখানে নয়ন নিজেকে একজন অভিজ্ঞ কবিরাজ হিসেবে পরিচয় দেন এবং তাজমিনের পরিবারকে বিভিন্ন কুসংস্কার ও অলৌকিক ভয়-ভীতি দেখাতে শুরু করেন।
একপর্যায়ে নয়ন তাজমিনের পরিবারকে জানান যে- তাদের ওপর বান মারা হয়েছে। এসবের হাত থেকে বাঁচতে হলে বিশেষ আংটি ও লকেট ব্যবহার করতে হবে। এসব অলৌকিক আংটি ও চিকিৎসার নামে ধাপে ধাপে বাদীর কাছ থেকে মোট ৫ লাখ ৫০ হাজার টাকা হাতিয়ে নেন তিনি।
পরে তাজমিনকে মা ডেকে আবেগপ্রবণ করেন নয়ন। তার মাছ ধরার বোটে জলদস্যুদের হামলার নাটক সাজিয়ে জরুরি ভিত্তিতে টাকা ধার চান। জলদস্যুদের কবল থেকে বোট মুক্ত করার অজুহাতে তিনি তাজমিনের কাছ থেকে নগদ এবং স্বর্ণ বন্ধক রাখিয়ে আরও ১০ লাখ টাকা নেন। এরপর একইভাবে টেকনাফ হয়ে বার্মা থেকে বিশেষ মেডিসিন আনা এবং ছেলের চিকিৎসার অজুহাতে বিভিন্ন সময়ে ব্যাংক লেনদেন ও নগদ অর্থসহ মোট ৩২ লাখ ৮০ হাজার টাকা আত্মসাৎ করেন।
টাকা ফেরতের জন্য চাপ দিলে গত ২৬ এপ্রিল তারিখে সন্ধ্যায় নয়ন টাকা ফেরত দিতে অস্বীকৃতি জানান এবং উল্টো তাজমিনকে হত্যা করে লাশ গুম করার হুমকিও দেন। এই ঘটনায় বুধবার চাঁন্দগাঁও থানায় মামলা করেন তাজমিন।
চাঁন্দগাঁও থানার ওসি মো. নূর হোসেন মামুন বলেন, ভুক্তভোগী নারীর লিখিত এজাহারের ভিত্তিতে আমরা মামলাটি দণ্ডবিধির ৪০৬, ৪২০ ও ৫০৬ ধারায় রুজু করেছি।

২১ মে, ২০২৬ ১৩:৫৭
জনপ্রিয় ম্যাগাজিন অনুষ্ঠান ইত্যাদির এবারের আয়োজনকে ঘিরে নরসিংদীর রায়পুরায় দেখা দিয়েছে চরম বিশৃঙ্খলা ও অব্যবস্থাপনার অভিযোগ। অনুষ্ঠানস্থলে প্রবেশের সময় ঠেলাঠেলি ও হট্টগোলের সুযোগে কয়েকজন সাংবাদিকসহ অন্তত শতাধিক দর্শকের মোবাইল ফোন চুরির ঘটনা ঘটেছে বলে দাবি করেছেন ভুক্তভোগীরা।
বুধবার (২০ মে) সন্ধ্যা ৭টায় রায়পুরার বীরশ্রেষ্ঠ মতিউরনগর গ্রামের রামনগর হাইস্কুল মাঠে অনুষ্ঠানটি শুরু হয়। তবে, অনুষ্ঠান শুরুর আগেই দর্শকদের প্রবেশকে কেন্দ্র করে সৃষ্টি হয় বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি।
ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, অনুষ্ঠানে প্রবেশের জন্য পাসের ব্যবস্থা থাকলেও আয়োজকদের অব্যবস্থাপনার কারণে নারী ও শিশুসহ বিভিন্ন বয়সী দর্শকদের তীব্র ঠেলাঠেলির মধ্যে দিয়ে প্রবেশ করতে হয়েছে। এই বিশৃঙ্খলার সুযোগে একটি সংঘবদ্ধ চক্র মোবাইল ফোন চুরি করে নিয়ে যায়। এতে বেশ কয়েকজন আহত হওয়ার ঘটনাও ঘটে।
জানা গেছে, প্রায় তিন হাজার অতিথির জন্য আসনের ব্যবস্থা থাকলেও কয়েক হাজার অতিরিক্ত ব্যক্তি অনধিকার প্রবেশ করেন। অনেকে পুলিশি বাধা উপেক্ষা করে দেয়াল টপকে অনুষ্ঠানস্থলে ঢুকে পড়েন। এতে প্রধান ফটকে চরম বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে বিপুলসংখ্যক পুলিশ সদস্য মোতায়েন থাকলেও তারা কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারেননি বলে অভিযোগ উঠেছে।
অনুষ্ঠানস্থলে উপস্থিত ইনডিপেনডেন্ট টেলিভিশনের জেলা প্রতিনিধি আসাদুজ্জামান রিপন বলেন, প্রধান ফটক দিয়ে প্রবেশের সময় প্রশাসনের অব্যবস্থাপনার কারণে হট্টগোল সৃষ্টি হয়। আমি ভেতরে প্রবেশের পর বুঝতে পারি আমার মোবাইল ফোনটি নেই। পরে পুলিশকে বিষয়টি জানালে প্রায় এক ঘণ্টা সেখানে অবস্থান করি। এ সময় ছয়জন সাংবাদিক, একজন জেলা প্রশাসনের কর্মচারীসহ অন্তত ৪০ থেকে ৪৫ জন মোবাইল চুরির অভিযোগ জানান। কিন্তু পুলিশের তেমন কোনো পদক্ষেপ চোখে পড়েনি।
আমন্ত্রিত অতিথি আশরাফুল ইসলাম সবুজ বলেন, অনুষ্ঠানে শৃঙ্খলা বলতে কিছুই ছিল না। টিকিট বা পাস ছাড়াই হাজার হাজার মানুষ প্রবেশ করেছে। প্রধান ফটক ভেঙে ফেলার মতো পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল। প্রশাসনের দায়িত্বশীল ভূমিকা দেখা যায়নি।
এ বিষয়ে নরসিংদীর পুলিশ সুপার আব্দুল্লাহ আল-ফারুক বলেন, ইত্যাদি অনুষ্ঠান উপভোগ করতে জেলা ও জেলার বাইরে থেকে হাজার হাজার মানুষ এসেছেন। তাদের সঙ্গে হয়তো চোরও এসেছে। বেশ কয়েকজনের মোবাইল হারানোর বিষয়টি জেনেছি। থানায় অভিযোগ করলে ফোন উদ্ধারের চেষ্টা করা হবে।
জনপ্রিয় ম্যাগাজিন অনুষ্ঠান ইত্যাদির এবারের আয়োজনকে ঘিরে নরসিংদীর রায়পুরায় দেখা দিয়েছে চরম বিশৃঙ্খলা ও অব্যবস্থাপনার অভিযোগ। অনুষ্ঠানস্থলে প্রবেশের সময় ঠেলাঠেলি ও হট্টগোলের সুযোগে কয়েকজন সাংবাদিকসহ অন্তত শতাধিক দর্শকের মোবাইল ফোন চুরির ঘটনা ঘটেছে বলে দাবি করেছেন ভুক্তভোগীরা।
বুধবার (২০ মে) সন্ধ্যা ৭টায় রায়পুরার বীরশ্রেষ্ঠ মতিউরনগর গ্রামের রামনগর হাইস্কুল মাঠে অনুষ্ঠানটি শুরু হয়। তবে, অনুষ্ঠান শুরুর আগেই দর্শকদের প্রবেশকে কেন্দ্র করে সৃষ্টি হয় বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি।
ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, অনুষ্ঠানে প্রবেশের জন্য পাসের ব্যবস্থা থাকলেও আয়োজকদের অব্যবস্থাপনার কারণে নারী ও শিশুসহ বিভিন্ন বয়সী দর্শকদের তীব্র ঠেলাঠেলির মধ্যে দিয়ে প্রবেশ করতে হয়েছে। এই বিশৃঙ্খলার সুযোগে একটি সংঘবদ্ধ চক্র মোবাইল ফোন চুরি করে নিয়ে যায়। এতে বেশ কয়েকজন আহত হওয়ার ঘটনাও ঘটে।
জানা গেছে, প্রায় তিন হাজার অতিথির জন্য আসনের ব্যবস্থা থাকলেও কয়েক হাজার অতিরিক্ত ব্যক্তি অনধিকার প্রবেশ করেন। অনেকে পুলিশি বাধা উপেক্ষা করে দেয়াল টপকে অনুষ্ঠানস্থলে ঢুকে পড়েন। এতে প্রধান ফটকে চরম বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে বিপুলসংখ্যক পুলিশ সদস্য মোতায়েন থাকলেও তারা কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারেননি বলে অভিযোগ উঠেছে।
অনুষ্ঠানস্থলে উপস্থিত ইনডিপেনডেন্ট টেলিভিশনের জেলা প্রতিনিধি আসাদুজ্জামান রিপন বলেন, প্রধান ফটক দিয়ে প্রবেশের সময় প্রশাসনের অব্যবস্থাপনার কারণে হট্টগোল সৃষ্টি হয়। আমি ভেতরে প্রবেশের পর বুঝতে পারি আমার মোবাইল ফোনটি নেই। পরে পুলিশকে বিষয়টি জানালে প্রায় এক ঘণ্টা সেখানে অবস্থান করি। এ সময় ছয়জন সাংবাদিক, একজন জেলা প্রশাসনের কর্মচারীসহ অন্তত ৪০ থেকে ৪৫ জন মোবাইল চুরির অভিযোগ জানান। কিন্তু পুলিশের তেমন কোনো পদক্ষেপ চোখে পড়েনি।
আমন্ত্রিত অতিথি আশরাফুল ইসলাম সবুজ বলেন, অনুষ্ঠানে শৃঙ্খলা বলতে কিছুই ছিল না। টিকিট বা পাস ছাড়াই হাজার হাজার মানুষ প্রবেশ করেছে। প্রধান ফটক ভেঙে ফেলার মতো পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল। প্রশাসনের দায়িত্বশীল ভূমিকা দেখা যায়নি।
এ বিষয়ে নরসিংদীর পুলিশ সুপার আব্দুল্লাহ আল-ফারুক বলেন, ইত্যাদি অনুষ্ঠান উপভোগ করতে জেলা ও জেলার বাইরে থেকে হাজার হাজার মানুষ এসেছেন। তাদের সঙ্গে হয়তো চোরও এসেছে। বেশ কয়েকজনের মোবাইল হারানোর বিষয়টি জেনেছি। থানায় অভিযোগ করলে ফোন উদ্ধারের চেষ্টা করা হবে।

২১ মে, ২০২৬ ১২:৫৮
নওগাঁর মান্দায় পুলিশের এক বিশেষ অভিযানে সরকারি বরাদ্দের ৯০০ কেজি ভিজিএফের চাল উদ্ধার করা হয়েছে। এ সময় সরকারি চাল কালোবাজারি ও পাচারের অভিযোগে উজ্জ্বল সাকিদার নামের এক ভ্যানচালককে আটক করেছে পুলিশ।
তবে অভিযানের বিষয়টি টের পেয়ে ঘটনার মূলহোতা মৈনম ইউনিয়নের কালোবাজারি বাবু মণ্ডলসহ তার সহযোগীরা পালিয়ে যান। বুধবার (২০ মে) বিকেলে উপজেলার মৈনম ইউনিয়ন পরিষদ সংলগ্ন এলাকায় এ অভিযানটি পরিচালনা করা হয়।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, মৈনম ইউনিয়ন পরিষদের দুস্থ ও অসহায় মানুষের মাঝে বিতরণের জন্য বরাদ্দ সরকারি ভিজিএফের চাল অবৈধভাবে মজুত করে খোলাবাজারে চড়া দামে বিক্রির পরিকল্পনা করা হচ্ছে— এমন একটি গোপন সংবাদ আসে পুলিশের কাছে। এরই পরিপ্রেক্ষিতে নওগাঁর পুলিশ সুপার মোহাম্মদ তারিকুল ইসলামের নির্দেশনায় মান্দা থানা পুলিশের একটি টিম ওই এলাকায় অভিযানে নামে।
অভিযানকালে সন্ধ্যা আনুমানিক সাড়ে ৬টার দিকে মৈনম ইউপি সংলগ্ন বাবু মণ্ডলের বাড়ির মূল ফটকের পাশে থাকা একটি টিনশেড রান্নাঘরে হানা দেয় পুলিশ। সেখান থেকে ৩০টি বস্তায় ভর্তি মোট ৯০০ কেজি সরকারি ভিজিএফের চাল জব্দ করা হয়।
এদিকে, একই সময়ে আশপাশের এলাকায় তল্লাশি চালানোর সময় নিন্দইন ব্রিজ মোড় থেকে মৈনম বাজার হয়ে বাবু মণ্ডলের বাড়ির দিকে যাওয়ার পথে একটি সন্দেহভাজন ভ্যান আটক করে পুলিশ। ভ্যানে থাকা সরকারি চালের বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে চালক উজ্জ্বল সাকিদার স্বীকার করেন যে, তিনি টিসিবির পণ্য ও সরকারি চাল অবৈধভাবে সংগ্রহ করে বেশি দামে বিক্রির উদ্দেশ্যে বাবু মণ্ডলের বাড়িতে নিয়ে যাচ্ছিলেন। পরে উপস্থিত সাক্ষীদের সামনে তাকে আটক এবং ভ্যানটি জব্দ করা হয়।
পুলিশ জানায়, আটক উজ্জ্বল সাকিদার, পলাতক বাবু মণ্ডলসহ অজ্ঞাতনামা সহযোগীরা পরস্পর যোগসাজশে দীর্ঘদিন ধরে অবৈধভাবে সরকারি চাল মজুত ও কালোবাজারি করে আসছিল। তারা দুস্থদের চাল খোলাবাজারে সরকার নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে বেশি দামে বিক্রি করার চেষ্টা চালাচ্ছিল। এ ঘটনায় আসামিদের বিরুদ্ধে ১৯৭৪ সালের বিশেষ ক্ষমতা আইনের ২৫(১)/২৫-ডি ধারায় মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে।
এ বিষয়ে নওগাঁর পুলিশ সুপার মোহাম্মদ তারিকুল ইসলাম বলেন, ঘটনাটি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে। একজনকে আটক করা হলেও এর সঙ্গে আরও কয়েকজন জড়িত রয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। পলাতকদের আটকে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
নওগাঁর মান্দায় পুলিশের এক বিশেষ অভিযানে সরকারি বরাদ্দের ৯০০ কেজি ভিজিএফের চাল উদ্ধার করা হয়েছে। এ সময় সরকারি চাল কালোবাজারি ও পাচারের অভিযোগে উজ্জ্বল সাকিদার নামের এক ভ্যানচালককে আটক করেছে পুলিশ।
তবে অভিযানের বিষয়টি টের পেয়ে ঘটনার মূলহোতা মৈনম ইউনিয়নের কালোবাজারি বাবু মণ্ডলসহ তার সহযোগীরা পালিয়ে যান। বুধবার (২০ মে) বিকেলে উপজেলার মৈনম ইউনিয়ন পরিষদ সংলগ্ন এলাকায় এ অভিযানটি পরিচালনা করা হয়।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, মৈনম ইউনিয়ন পরিষদের দুস্থ ও অসহায় মানুষের মাঝে বিতরণের জন্য বরাদ্দ সরকারি ভিজিএফের চাল অবৈধভাবে মজুত করে খোলাবাজারে চড়া দামে বিক্রির পরিকল্পনা করা হচ্ছে— এমন একটি গোপন সংবাদ আসে পুলিশের কাছে। এরই পরিপ্রেক্ষিতে নওগাঁর পুলিশ সুপার মোহাম্মদ তারিকুল ইসলামের নির্দেশনায় মান্দা থানা পুলিশের একটি টিম ওই এলাকায় অভিযানে নামে।
অভিযানকালে সন্ধ্যা আনুমানিক সাড়ে ৬টার দিকে মৈনম ইউপি সংলগ্ন বাবু মণ্ডলের বাড়ির মূল ফটকের পাশে থাকা একটি টিনশেড রান্নাঘরে হানা দেয় পুলিশ। সেখান থেকে ৩০টি বস্তায় ভর্তি মোট ৯০০ কেজি সরকারি ভিজিএফের চাল জব্দ করা হয়।
এদিকে, একই সময়ে আশপাশের এলাকায় তল্লাশি চালানোর সময় নিন্দইন ব্রিজ মোড় থেকে মৈনম বাজার হয়ে বাবু মণ্ডলের বাড়ির দিকে যাওয়ার পথে একটি সন্দেহভাজন ভ্যান আটক করে পুলিশ। ভ্যানে থাকা সরকারি চালের বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে চালক উজ্জ্বল সাকিদার স্বীকার করেন যে, তিনি টিসিবির পণ্য ও সরকারি চাল অবৈধভাবে সংগ্রহ করে বেশি দামে বিক্রির উদ্দেশ্যে বাবু মণ্ডলের বাড়িতে নিয়ে যাচ্ছিলেন। পরে উপস্থিত সাক্ষীদের সামনে তাকে আটক এবং ভ্যানটি জব্দ করা হয়।
পুলিশ জানায়, আটক উজ্জ্বল সাকিদার, পলাতক বাবু মণ্ডলসহ অজ্ঞাতনামা সহযোগীরা পরস্পর যোগসাজশে দীর্ঘদিন ধরে অবৈধভাবে সরকারি চাল মজুত ও কালোবাজারি করে আসছিল। তারা দুস্থদের চাল খোলাবাজারে সরকার নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে বেশি দামে বিক্রি করার চেষ্টা চালাচ্ছিল। এ ঘটনায় আসামিদের বিরুদ্ধে ১৯৭৪ সালের বিশেষ ক্ষমতা আইনের ২৫(১)/২৫-ডি ধারায় মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে।
এ বিষয়ে নওগাঁর পুলিশ সুপার মোহাম্মদ তারিকুল ইসলাম বলেন, ঘটনাটি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে। একজনকে আটক করা হলেও এর সঙ্গে আরও কয়েকজন জড়িত রয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। পলাতকদের আটকে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

২০ মে, ২০২৬ ২০:৪৬
চট্টগ্রাম নগরে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা চালকের ধাক্কায় ছিটকে পড়ে আহত এক পুলিশ সদস্যের চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু হয়েছে। তার নাম আবদুল কুদ্দুস (৫৫)। তিনি নগর পুলিশের ট্রাফিক পশ্চিম বিভাগে কর্মরত ছিলেন। বুধবার (২০ মে) সকালে চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে তার মৃত্যু হয়।
পুলিশ জানায়, গত শুক্রবার রাতে নগরের পাহাড়তলী থানার রাসমনি ঘাট এলাকায় একটি অবৈধ ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা আটক করেন আবদুল কুদ্দুস। এরপর তিনি সেটি চালকের সহায়তায় মনসুরাবাদের ডাম্পিং স্টেশনে নিয়ে যাচ্ছিলেন। অটোরিকশাটি নিয়ে যাওয়ার পথে চালক হঠাৎ পুলিশ সদস্য আবদুল কুদ্দুসকে ধাক্কা দিয়ে নিচে ফেলে দেন। তখন অটোরিকশা থেকে ছিটকে পড়ে সড়ক বিভাজকের সঙ্গে ধাক্কা লেগে আবদুল কুদ্দুস মাথায় গুরুতর আঘাত পান। তাকে উদ্ধার করে চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান স্থানীয় লোকজন। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আজ সকাল ১০টার দিকে মৃত্যু হয়।
নগর পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার (ট্রাফিক) ওয়াহিদুল হক চৌধুরী বলেন, ‘গত শুক্রবার অটোরিকশাচালকের ধাক্কায় মাথায় গুরুতর আঘাত পান পুলিশ সদস্য আবদুল কুদ্দুস।
আহত অবস্থায় তিনি চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের আইসিইউতে ভর্তি ছিলেন। সেখানেই মৃত্যু হয়েছে। পুলিশ সদস্যকে ধাক্কা দেওয়ার ঘটনায় ওই দিনই পাহাড়তলী থানায় একটি মামলা হয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের সহায়তায় অটোরিকশাচালক আবদুল জলিলকে তখন গ্রেফতার করা হয়। তিনি বর্তমানে কারাগারে আছেন।’
চট্টগ্রাম নগরে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা চালকের ধাক্কায় ছিটকে পড়ে আহত এক পুলিশ সদস্যের চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু হয়েছে। তার নাম আবদুল কুদ্দুস (৫৫)। তিনি নগর পুলিশের ট্রাফিক পশ্চিম বিভাগে কর্মরত ছিলেন। বুধবার (২০ মে) সকালে চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে তার মৃত্যু হয়।
পুলিশ জানায়, গত শুক্রবার রাতে নগরের পাহাড়তলী থানার রাসমনি ঘাট এলাকায় একটি অবৈধ ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা আটক করেন আবদুল কুদ্দুস। এরপর তিনি সেটি চালকের সহায়তায় মনসুরাবাদের ডাম্পিং স্টেশনে নিয়ে যাচ্ছিলেন। অটোরিকশাটি নিয়ে যাওয়ার পথে চালক হঠাৎ পুলিশ সদস্য আবদুল কুদ্দুসকে ধাক্কা দিয়ে নিচে ফেলে দেন। তখন অটোরিকশা থেকে ছিটকে পড়ে সড়ক বিভাজকের সঙ্গে ধাক্কা লেগে আবদুল কুদ্দুস মাথায় গুরুতর আঘাত পান। তাকে উদ্ধার করে চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান স্থানীয় লোকজন। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আজ সকাল ১০টার দিকে মৃত্যু হয়।
নগর পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার (ট্রাফিক) ওয়াহিদুল হক চৌধুরী বলেন, ‘গত শুক্রবার অটোরিকশাচালকের ধাক্কায় মাথায় গুরুতর আঘাত পান পুলিশ সদস্য আবদুল কুদ্দুস।
আহত অবস্থায় তিনি চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের আইসিইউতে ভর্তি ছিলেন। সেখানেই মৃত্যু হয়েছে। পুলিশ সদস্যকে ধাক্কা দেওয়ার ঘটনায় ওই দিনই পাহাড়তলী থানায় একটি মামলা হয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের সহায়তায় অটোরিকশাচালক আবদুল জলিলকে তখন গ্রেফতার করা হয়। তিনি বর্তমানে কারাগারে আছেন।’
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.