Loading news...

২১ মে, ২০২৬ ১৩:১৬
পিরোজপুরে আশঙ্কাজনক হারে বাড়ছে হাম রোগের সংক্রমণ। বিশেষ করে শিশুদের মধ্যে রোগটির বিস্তার বাড়ায় ১০০ শয্যার পিরোজপুর জেলা হাসপাতালের শিশু ওয়ার্ডে তীব্র চাপ সৃষ্টি হয়েছে। মাত্র ১৪ শয্যার বিপরীতে বর্তমানে ভর্তি রয়েছে ৭০ জন শিশু রোগী। তাদের অধিকাংশই হাম আক্রান্ত। পাশাপাশি ডেঙ্গু আক্রান্ত শিশুর সংখ্যাও উল্লেখযোগ্য।
হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, ১০০ শয্যার এই হাসপাতালে বর্তমানে মোট ভর্তি রোগীর সংখ্যা প্রায় আড়াইশ। শিশু ওয়ার্ড ছাড়াও হাসপাতালের বাকি ৮৬ শয্যার বিপরীতে ভর্তি রয়েছেন আরও প্রায় ১৬০ জন রোগী। অতিরিক্ত রোগীর চাপে হাসপাতালের স্বাভাবিক পরিবেশ ব্যাহত হচ্ছে।
জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ জানিয়েছে, পিরোজপুরে এখন পর্যন্ত সন্দেহভাজন হাম রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৩৩৭ জনে। গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে শনাক্ত হয়েছে আরও ১২ জন সন্দেহভাজন রোগী। পরীক্ষার মাধ্যমে ইতোমধ্যে ২০ জনের হাম রোগ নিশ্চিত হয়েছে। এ পর্যন্ত হামের উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হওয়া ২১১ জন রোগীকে চিকিৎসাসেবা দেওয়া হয়েছে। তাদের মধ্যে ১৯২ জন সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছে। বর্তমানে অনেক শিশু হাসপাতালে ভর্তি থেকে চিকিৎসা নিচ্ছে।
হাসপাতালে গিয়ে দেখা যায়, শিশু ওয়ার্ডের প্রতিটি বেডে একাধিক রোগী এবং অনেক শিশুকে মেঝে ও বারান্দায় চিকিৎসা নিতে হচ্ছে। অতিরিক্ত রোগীর চাপ সামাল দিতে চিকিৎসক ও নার্সদের হিমশিম খাচ্ছেন।
হামে আক্রান্ত এক শিশুর মা সুমাইয়া বলেন, হাসপাতালে খুব ভিড়। তারপরও ডাক্তাররা চেষ্টা করছেন। আমার সন্তানকে নিয়ে খুব দুশ্চিন্তায় আছি।
হাম আক্রান্ত শিশু কৌশিকের মা মৌমিতা বেগম বলেন, আমার ছেলের বয়স মাত্র ছয় মাস। পাঁচ দিন ধরে হাসপাতালে ভর্তি আছে। এখন কিছুটা সুস্থ হয়েছে, তবে ডাক্তার বলেছেন আরও কয়েকদিন থাকতে হবে।
আরেক অভিভাবক মুক্তা বেগম বলেন, আমার ছেলে ইয়াসিনের বয়স সাত মাস। তিন দিন ধরে হাসপাতালে ভর্তি আছে। এখনো তেমন উন্নতি হয়নি।
নাজিরপুর উপজেলা থেকে আসা ইলিয়াস হোসেন বলেন, আমার ছেলে আয়ানের বয়স সাড়ে চার বছর। প্রথমে নাজিরপুর উপজেলা হাসপাতালে ভর্তি ছিল। অবস্থার উন্নতি না হওয়ায় সদর হাসপাতালে এনেছি।
স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, এখন পর্যন্ত জেলায় হাম আক্রান্ত কোনো রোগীর মৃত্যু হয়নি। সীমিত সুযোগ-সুবিধার মধ্যেও কাউকে চিকিৎসাসেবা থেকে বঞ্চিত করা হচ্ছে না।
পিরোজপুরের সিভিল সার্জন ডা. মো. মতিউর রহমান বলেন, হাম রোগীর সংখ্যা বাড়লেও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি। চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীরা নিরলসভাবে কাজ করছেন। অভিভাবকদের সচেতন হতে হবে এবং শিশুদের সময়মতো টিকা নিশ্চিত করতে হবে।
স্বাস্থ্য বিভাগ জানিয়েছে, কোনো শিশুর জ্বর, শরীরে র্যাশ বা শ্বাসকষ্ট দেখা দিলে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে আসতে হবে। হাম প্রতিরোধে টিকাদান কার্যক্রম আরও জোরদার করা হচ্ছে। এর আগে গত ৫ এপ্রিল জেলায় ৯ থেকে ১৫ মাস বয়সি শিশুদের জন্য বিশেষ হাম টিকাদান কর্মসূচি শুরু করা হয়।
পিরোজপুরে আশঙ্কাজনক হারে বাড়ছে হাম রোগের সংক্রমণ। বিশেষ করে শিশুদের মধ্যে রোগটির বিস্তার বাড়ায় ১০০ শয্যার পিরোজপুর জেলা হাসপাতালের শিশু ওয়ার্ডে তীব্র চাপ সৃষ্টি হয়েছে। মাত্র ১৪ শয্যার বিপরীতে বর্তমানে ভর্তি রয়েছে ৭০ জন শিশু রোগী। তাদের অধিকাংশই হাম আক্রান্ত। পাশাপাশি ডেঙ্গু আক্রান্ত শিশুর সংখ্যাও উল্লেখযোগ্য।
হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, ১০০ শয্যার এই হাসপাতালে বর্তমানে মোট ভর্তি রোগীর সংখ্যা প্রায় আড়াইশ। শিশু ওয়ার্ড ছাড়াও হাসপাতালের বাকি ৮৬ শয্যার বিপরীতে ভর্তি রয়েছেন আরও প্রায় ১৬০ জন রোগী। অতিরিক্ত রোগীর চাপে হাসপাতালের স্বাভাবিক পরিবেশ ব্যাহত হচ্ছে।
জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ জানিয়েছে, পিরোজপুরে এখন পর্যন্ত সন্দেহভাজন হাম রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৩৩৭ জনে। গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে শনাক্ত হয়েছে আরও ১২ জন সন্দেহভাজন রোগী। পরীক্ষার মাধ্যমে ইতোমধ্যে ২০ জনের হাম রোগ নিশ্চিত হয়েছে। এ পর্যন্ত হামের উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হওয়া ২১১ জন রোগীকে চিকিৎসাসেবা দেওয়া হয়েছে। তাদের মধ্যে ১৯২ জন সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছে। বর্তমানে অনেক শিশু হাসপাতালে ভর্তি থেকে চিকিৎসা নিচ্ছে।
হাসপাতালে গিয়ে দেখা যায়, শিশু ওয়ার্ডের প্রতিটি বেডে একাধিক রোগী এবং অনেক শিশুকে মেঝে ও বারান্দায় চিকিৎসা নিতে হচ্ছে। অতিরিক্ত রোগীর চাপ সামাল দিতে চিকিৎসক ও নার্সদের হিমশিম খাচ্ছেন।
হামে আক্রান্ত এক শিশুর মা সুমাইয়া বলেন, হাসপাতালে খুব ভিড়। তারপরও ডাক্তাররা চেষ্টা করছেন। আমার সন্তানকে নিয়ে খুব দুশ্চিন্তায় আছি।
হাম আক্রান্ত শিশু কৌশিকের মা মৌমিতা বেগম বলেন, আমার ছেলের বয়স মাত্র ছয় মাস। পাঁচ দিন ধরে হাসপাতালে ভর্তি আছে। এখন কিছুটা সুস্থ হয়েছে, তবে ডাক্তার বলেছেন আরও কয়েকদিন থাকতে হবে।
আরেক অভিভাবক মুক্তা বেগম বলেন, আমার ছেলে ইয়াসিনের বয়স সাত মাস। তিন দিন ধরে হাসপাতালে ভর্তি আছে। এখনো তেমন উন্নতি হয়নি।
নাজিরপুর উপজেলা থেকে আসা ইলিয়াস হোসেন বলেন, আমার ছেলে আয়ানের বয়স সাড়ে চার বছর। প্রথমে নাজিরপুর উপজেলা হাসপাতালে ভর্তি ছিল। অবস্থার উন্নতি না হওয়ায় সদর হাসপাতালে এনেছি।
স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, এখন পর্যন্ত জেলায় হাম আক্রান্ত কোনো রোগীর মৃত্যু হয়নি। সীমিত সুযোগ-সুবিধার মধ্যেও কাউকে চিকিৎসাসেবা থেকে বঞ্চিত করা হচ্ছে না।
পিরোজপুরের সিভিল সার্জন ডা. মো. মতিউর রহমান বলেন, হাম রোগীর সংখ্যা বাড়লেও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি। চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীরা নিরলসভাবে কাজ করছেন। অভিভাবকদের সচেতন হতে হবে এবং শিশুদের সময়মতো টিকা নিশ্চিত করতে হবে।
স্বাস্থ্য বিভাগ জানিয়েছে, কোনো শিশুর জ্বর, শরীরে র্যাশ বা শ্বাসকষ্ট দেখা দিলে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে আসতে হবে। হাম প্রতিরোধে টিকাদান কার্যক্রম আরও জোরদার করা হচ্ছে। এর আগে গত ৫ এপ্রিল জেলায় ৯ থেকে ১৫ মাস বয়সি শিশুদের জন্য বিশেষ হাম টিকাদান কর্মসূচি শুরু করা হয়।

২০ মে, ২০২৬ ১৩:১১
পিরোজপুরের মঠবাড়িয়া পৌর শহরের হাসপাতাল সড়কে ধান হাটার পাশে বেসরকারি স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠান টপটেন জেনারেল হাসপাতালে ভুল চিকিৎসায় এক নবজাতক শিশুর মৃত্যুর অভিযোগ উঠেছে।
বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার জন্য হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে গতকাল মঙ্গলবার বিকেল থেকে আজ বুধবার দুপুর পর্যন্ত বিভিন্ন ব্যক্তির কাছে দৌড়ঝাঁপ করতে দেখা গেছে।
জানা যায়, মঠবাড়িয়া উপজেলার আমড়াগাছিয়া ইউনিয়নের গোলবুনিয়া গ্রামের বাসিন্দা ফেরদৌসী বেগম প্রসূতি অবস্থায় ওই টপটেন জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি হন। পরবর্তীতে তিনি একটি সন্তান জন্ম দেন।
পরিবারের দাবি, জন্মের পর শিশুটি সুস্থ ছিল। তবে দুই দিন পর হাসপাতালের ভুল চিকিৎসা এবং দায়িত্বে অবহেলার কারণে শিশুটির অবস্থার অবনতি ঘটে।
পরবর্তীতে শিশুটিকে ডা. আশীষ দেবনাথ লিজনের চেম্বারে নেওয়া হলে তিনি তাকে সরকারি হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নেওয়ার পরামর্শ দেন।
ফেরদৌসীর মা জানান, গর্ভাবস্থায় তার মেয়েকে মঠবাড়িয়ার টপটেন জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সন্তান জন্মের পর নবজাতকটি সুস্থই ছিল বলে পরিবারের দাবি। তবে জন্মের দুই দিন পর শিশুটির নাক ও মুখ দিয়ে রক্ত বের হতে শুরু করলে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ তাদের একজন শিশু বিশেষজ্ঞ ডাক্তার দেখানোর পরামর্শ দেয়। আমরা ডা. আশীষ দেবনাথ লিজনের কাছে নিলে তিনি জানান, শিশুটির অবস্থা খুবই খারাপ, তাকে জরুরি বিভাগে নিয়ে যান।
টপটেন জেনারেল হাসপাতালের মালিক সাকিব সোহেল জানান, তাদের হাসপাতালে ফেরদৌসীর সিজার সম্পন্ন হয় এবং জন্মের পর নবজাতকটি সুস্থ ছিল। তবে হঠাৎ করে শিশুটি অসুস্থ হয়ে পড়লে পরিবারের সদস্যদের একজন শিশু বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়ার কথা বলা হয়। পরে চিকিৎসকের কাছে নেওয়ার সময় সেখানেই শিশুটির মৃত্যু হয় বলে তিনি দাবি করেন।
ডা. আশীষ দেবনাথ লিজন জানান, তিনি তার চেম্বারে রোগী দেখার সময় নবজাতক শিশুটিকে তার কাছে আনা হয়। তবে শিশুটিকে আনার আগেই তার অবস্থা আশঙ্কাজনক ছিল। শিশুটির মুখ ও নাক দিয়ে রক্ত পড়ছিল। পরিস্থিতি গুরুতর দেখে তিনি দ্রুত শিশুটিকে জরুরি বিভাগে নেওয়ার পরামর্শ দেন।
মঠবাড়িয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. সৌমিত্র সিংহ রায় জানান, বিষয়টি জানার পরপরই তিনি এবং উপজেলা মেডিকেল অফিসার ডা. চঞ্চল গোলদারের সমন্বয়ে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। আগামী তিন কর্মদিবসের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়া হবে বলেও তিনি জানান।
মঠবাড়িয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা শাকিল সরোয়ার জানান, বিষয়টি তাদের নজরে এসেছে এবং এ ঘটনায় একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন হাতে পাওয়ার পর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলেও তিনি জানান।
পিরোজপুরের মঠবাড়িয়া পৌর শহরের হাসপাতাল সড়কে ধান হাটার পাশে বেসরকারি স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠান টপটেন জেনারেল হাসপাতালে ভুল চিকিৎসায় এক নবজাতক শিশুর মৃত্যুর অভিযোগ উঠেছে।
বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার জন্য হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে গতকাল মঙ্গলবার বিকেল থেকে আজ বুধবার দুপুর পর্যন্ত বিভিন্ন ব্যক্তির কাছে দৌড়ঝাঁপ করতে দেখা গেছে।
জানা যায়, মঠবাড়িয়া উপজেলার আমড়াগাছিয়া ইউনিয়নের গোলবুনিয়া গ্রামের বাসিন্দা ফেরদৌসী বেগম প্রসূতি অবস্থায় ওই টপটেন জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি হন। পরবর্তীতে তিনি একটি সন্তান জন্ম দেন।
পরিবারের দাবি, জন্মের পর শিশুটি সুস্থ ছিল। তবে দুই দিন পর হাসপাতালের ভুল চিকিৎসা এবং দায়িত্বে অবহেলার কারণে শিশুটির অবস্থার অবনতি ঘটে।
পরবর্তীতে শিশুটিকে ডা. আশীষ দেবনাথ লিজনের চেম্বারে নেওয়া হলে তিনি তাকে সরকারি হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নেওয়ার পরামর্শ দেন।
ফেরদৌসীর মা জানান, গর্ভাবস্থায় তার মেয়েকে মঠবাড়িয়ার টপটেন জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সন্তান জন্মের পর নবজাতকটি সুস্থই ছিল বলে পরিবারের দাবি। তবে জন্মের দুই দিন পর শিশুটির নাক ও মুখ দিয়ে রক্ত বের হতে শুরু করলে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ তাদের একজন শিশু বিশেষজ্ঞ ডাক্তার দেখানোর পরামর্শ দেয়। আমরা ডা. আশীষ দেবনাথ লিজনের কাছে নিলে তিনি জানান, শিশুটির অবস্থা খুবই খারাপ, তাকে জরুরি বিভাগে নিয়ে যান।
টপটেন জেনারেল হাসপাতালের মালিক সাকিব সোহেল জানান, তাদের হাসপাতালে ফেরদৌসীর সিজার সম্পন্ন হয় এবং জন্মের পর নবজাতকটি সুস্থ ছিল। তবে হঠাৎ করে শিশুটি অসুস্থ হয়ে পড়লে পরিবারের সদস্যদের একজন শিশু বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়ার কথা বলা হয়। পরে চিকিৎসকের কাছে নেওয়ার সময় সেখানেই শিশুটির মৃত্যু হয় বলে তিনি দাবি করেন।
ডা. আশীষ দেবনাথ লিজন জানান, তিনি তার চেম্বারে রোগী দেখার সময় নবজাতক শিশুটিকে তার কাছে আনা হয়। তবে শিশুটিকে আনার আগেই তার অবস্থা আশঙ্কাজনক ছিল। শিশুটির মুখ ও নাক দিয়ে রক্ত পড়ছিল। পরিস্থিতি গুরুতর দেখে তিনি দ্রুত শিশুটিকে জরুরি বিভাগে নেওয়ার পরামর্শ দেন।
মঠবাড়িয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. সৌমিত্র সিংহ রায় জানান, বিষয়টি জানার পরপরই তিনি এবং উপজেলা মেডিকেল অফিসার ডা. চঞ্চল গোলদারের সমন্বয়ে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। আগামী তিন কর্মদিবসের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়া হবে বলেও তিনি জানান।
মঠবাড়িয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা শাকিল সরোয়ার জানান, বিষয়টি তাদের নজরে এসেছে এবং এ ঘটনায় একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন হাতে পাওয়ার পর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলেও তিনি জানান।

২০ মে, ২০২৬ ১৩:১০
পিরোজপুরের মঠবাড়িয়া পৌর শহরের হাসপাতাল সড়কে ধান হাটার পাশে বেসরকারি স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠান টপটেন জেনারেল হাসপাতালে ভুল চিকিৎসায় এক নবজাতক শিশুর মৃত্যুর অভিযোগ উঠেছে।
বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার জন্য হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে গতকাল মঙ্গলবার বিকেল থেকে আজ বুধবার দুপুর পর্যন্ত বিভিন্ন ব্যক্তির কাছে দৌড়ঝাঁপ করতে দেখা গেছে।
জানা যায়, মঠবাড়িয়া উপজেলার আমড়াগাছিয়া ইউনিয়নের গোলবুনিয়া গ্রামের বাসিন্দা ফেরদৌসী বেগম প্রসূতি অবস্থায় ওই টপটেন জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি হন। পরবর্তীতে তিনি একটি সন্তান জন্ম দেন।
পরিবারের দাবি, জন্মের পর শিশুটি সুস্থ ছিল। তবে দুই দিন পর হাসপাতালের ভুল চিকিৎসা এবং দায়িত্বে অবহেলার কারণে শিশুটির অবস্থার অবনতি ঘটে।
পরবর্তীতে শিশুটিকে ডা. আশীষ দেবনাথ লিজনের চেম্বারে নেওয়া হলে তিনি তাকে সরকারি হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নেওয়ার পরামর্শ দেন।
ফেরদৌসীর মা জানান, গর্ভাবস্থায় তার মেয়েকে মঠবাড়িয়ার টপটেন জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সন্তান জন্মের পর নবজাতকটি সুস্থই ছিল বলে পরিবারের দাবি। তবে জন্মের দুই দিন পর শিশুটির নাক ও মুখ দিয়ে রক্ত বের হতে শুরু করলে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ তাদের একজন শিশু বিশেষজ্ঞ ডাক্তার দেখানোর পরামর্শ দেয়। আমরা ডা. আশীষ দেবনাথ লিজনের কাছে নিলে তিনি জানান, শিশুটির অবস্থা খুবই খারাপ, তাকে জরুরি বিভাগে নিয়ে যান।
টপটেন জেনারেল হাসপাতালের মালিক সাকিব সোহেল জানান, তাদের হাসপাতালে ফেরদৌসীর সিজার সম্পন্ন হয় এবং জন্মের পর নবজাতকটি সুস্থ ছিল। তবে হঠাৎ করে শিশুটি অসুস্থ হয়ে পড়লে পরিবারের সদস্যদের একজন শিশু বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়ার কথা বলা হয়। পরে চিকিৎসকের কাছে নেওয়ার সময় সেখানেই শিশুটির মৃত্যু হয় বলে তিনি দাবি করেন।
ডা. আশীষ দেবনাথ লিজন জানান, তিনি তার চেম্বারে রোগী দেখার সময় নবজাতক শিশুটিকে তার কাছে আনা হয়। তবে শিশুটিকে আনার আগেই তার অবস্থা আশঙ্কাজনক ছিল। শিশুটির মুখ ও নাক দিয়ে রক্ত পড়ছিল। পরিস্থিতি গুরুতর দেখে তিনি দ্রুত শিশুটিকে জরুরি বিভাগে নেওয়ার পরামর্শ দেন।
মঠবাড়িয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. সৌমিত্র সিংহ রায় জানান, বিষয়টি জানার পরপরই তিনি এবং উপজেলা মেডিকেল অফিসার ডা. চঞ্চল গোলদারের সমন্বয়ে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। আগামী তিন কর্মদিবসের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়া হবে বলেও তিনি জানান।
মঠবাড়িয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা শাকিল সরোয়ার জানান, বিষয়টি তাদের নজরে এসেছে এবং এ ঘটনায় একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন হাতে পাওয়ার পর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলেও তিনি জানান।
পিরোজপুরের মঠবাড়িয়া পৌর শহরের হাসপাতাল সড়কে ধান হাটার পাশে বেসরকারি স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠান টপটেন জেনারেল হাসপাতালে ভুল চিকিৎসায় এক নবজাতক শিশুর মৃত্যুর অভিযোগ উঠেছে।
বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার জন্য হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে গতকাল মঙ্গলবার বিকেল থেকে আজ বুধবার দুপুর পর্যন্ত বিভিন্ন ব্যক্তির কাছে দৌড়ঝাঁপ করতে দেখা গেছে।
জানা যায়, মঠবাড়িয়া উপজেলার আমড়াগাছিয়া ইউনিয়নের গোলবুনিয়া গ্রামের বাসিন্দা ফেরদৌসী বেগম প্রসূতি অবস্থায় ওই টপটেন জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি হন। পরবর্তীতে তিনি একটি সন্তান জন্ম দেন।
পরিবারের দাবি, জন্মের পর শিশুটি সুস্থ ছিল। তবে দুই দিন পর হাসপাতালের ভুল চিকিৎসা এবং দায়িত্বে অবহেলার কারণে শিশুটির অবস্থার অবনতি ঘটে।
পরবর্তীতে শিশুটিকে ডা. আশীষ দেবনাথ লিজনের চেম্বারে নেওয়া হলে তিনি তাকে সরকারি হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নেওয়ার পরামর্শ দেন।
ফেরদৌসীর মা জানান, গর্ভাবস্থায় তার মেয়েকে মঠবাড়িয়ার টপটেন জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সন্তান জন্মের পর নবজাতকটি সুস্থই ছিল বলে পরিবারের দাবি। তবে জন্মের দুই দিন পর শিশুটির নাক ও মুখ দিয়ে রক্ত বের হতে শুরু করলে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ তাদের একজন শিশু বিশেষজ্ঞ ডাক্তার দেখানোর পরামর্শ দেয়। আমরা ডা. আশীষ দেবনাথ লিজনের কাছে নিলে তিনি জানান, শিশুটির অবস্থা খুবই খারাপ, তাকে জরুরি বিভাগে নিয়ে যান।
টপটেন জেনারেল হাসপাতালের মালিক সাকিব সোহেল জানান, তাদের হাসপাতালে ফেরদৌসীর সিজার সম্পন্ন হয় এবং জন্মের পর নবজাতকটি সুস্থ ছিল। তবে হঠাৎ করে শিশুটি অসুস্থ হয়ে পড়লে পরিবারের সদস্যদের একজন শিশু বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়ার কথা বলা হয়। পরে চিকিৎসকের কাছে নেওয়ার সময় সেখানেই শিশুটির মৃত্যু হয় বলে তিনি দাবি করেন।
ডা. আশীষ দেবনাথ লিজন জানান, তিনি তার চেম্বারে রোগী দেখার সময় নবজাতক শিশুটিকে তার কাছে আনা হয়। তবে শিশুটিকে আনার আগেই তার অবস্থা আশঙ্কাজনক ছিল। শিশুটির মুখ ও নাক দিয়ে রক্ত পড়ছিল। পরিস্থিতি গুরুতর দেখে তিনি দ্রুত শিশুটিকে জরুরি বিভাগে নেওয়ার পরামর্শ দেন।
মঠবাড়িয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. সৌমিত্র সিংহ রায় জানান, বিষয়টি জানার পরপরই তিনি এবং উপজেলা মেডিকেল অফিসার ডা. চঞ্চল গোলদারের সমন্বয়ে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। আগামী তিন কর্মদিবসের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়া হবে বলেও তিনি জানান।
মঠবাড়িয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা শাকিল সরোয়ার জানান, বিষয়টি তাদের নজরে এসেছে এবং এ ঘটনায় একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন হাতে পাওয়ার পর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলেও তিনি জানান।

১৭ মে, ২০২৬ ১৪:৫১
পিরোজপুরের মঠবাড়িয়ায় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে স্কুল ফিডিং ডিমের বরাদ্দ ভাগাভাগি নিয়ে ঠিকাদারের সঙ্গে দুটি বিদ্যালয়ের শিক্ষকের আলাপচারিতা সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে।
গত মঙ্গলবার বিষয়টি জানাজানি হলেও রোববার (১০ মে) ঘটেছে বলে জানা গেছে। এ ঘটনায় জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসের ৩ সদস্যের গঠিত কমিটি তদন্ত শুরু করেছে।
ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে দেখা যায়, ৯ মিনিট ৫৬ সেকেন্ডের ওই ভিডিওটি উপজেলার ৫৬ নম্বর মঠবাড়িয়া মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের অফিসকক্ষে ধারণ করা।
এতে বিদ্যালয়টির প্রধান শিক্ষক মো. নাসির উদ্দীন ও ৬৫ নম্বর সূর্যমনি নেছারিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক মো. হাবিবুর রহমানের সঙ্গে স্কুল ফিডিং কর্মসূচির খাবার সরবরাহকারী ভোলার বেসরকারি প্রতিষ্ঠান গ্রামীণ উন্নয়নের ঠিকাদার নুরুন্নবীসহ কয়েকজনকে দেখা যায়।
ভিডিওর শুরুতেই দুই প্রধান শিক্ষককে ধূমপান করতে দেখা যায়। এ সময় ঠিকাদার নুরুন্নবী শিডিউল অনুযায়ী সরবরাহ ও ডিম বণ্টন নিয়ে কথা বলছিলেন। এক পর্যায়ে ১২ হাজার ছাত্রের জন্য ১৮ হাজার ডিমের বরাদ্দ ও ব্যবহার নিয়ে নানা হিসাব-নিকাশ করেন তারা। এতে দুই শিক্ষক অতিরিক্ত ছয় হাজার ডিম বা সমপরিমাণ ডিমের টাকা কীভাবে ভাগবাঁটোয়ারা করবেন, এ নিয়ে তাদের মধ্যে আলোচনা হয়। শিক্ষকরা ঠিকাদারের সঙ্গে বিষয়টি নিয়ে সমন্বয়ের প্রস্তাব দেন। ঠিকাদার শিডিউল অনুযায়ী কাজ করার পক্ষে অবস্থান নেন। তিনি নিয়মবহির্ভূত কোনো কাজে নিজেকে না জড়ানোর কথা বলেন।
এ বিষয়ে মঠবাড়িয়া মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. নাসির উদ্দীনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। সূর্যমনি নেছারিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক মো. হাবিবুর রহমানের দাবি, ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে তাদের কথোপকথনকে ভুলভাবে উপস্থাপন করা হচ্ছে। এ বিষয়টি তদন্তাধীন জানিয়ে আর মন্তব্য করতে চাননি তিনি। ঠিকাদার নুরুন্নবীর সঙ্গে কয়েক দফায় চেষ্টা করেও বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
পিরোজপুর জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোল্লা বখতিয়ার রহমান জানান, প্রধান শিক্ষক ও ঠিকাদারের মধ্যে কথোপকথন সোস্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হওয়ার বিষয় নিয়ে তদন্ত কমিটি গঠন হয়েছে। কমিটির কার্যক্রম চলমান রয়েছে এবং তদন্ত রিপোর্ট পাওয়ার পরে এ বিষয়ে পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
মঠবাড়িয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আকলিমা আক্তার জানান, ভাইরাল হওয়া ভিডিওর বিষয় নিয়ে জেলা পর্যায়ে তদন্ত কমিটি গঠন হয়েছে এবং তাদের প্রতিবেদন জেলা প্রশাসকের নিকট দাখিল করা হবে। পাশাপাশি উপজেলায় ফিডিং কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে পরিচালিত হচ্ছে।
পিরোজপুরের মঠবাড়িয়ায় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে স্কুল ফিডিং ডিমের বরাদ্দ ভাগাভাগি নিয়ে ঠিকাদারের সঙ্গে দুটি বিদ্যালয়ের শিক্ষকের আলাপচারিতা সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে।
গত মঙ্গলবার বিষয়টি জানাজানি হলেও রোববার (১০ মে) ঘটেছে বলে জানা গেছে। এ ঘটনায় জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসের ৩ সদস্যের গঠিত কমিটি তদন্ত শুরু করেছে।
ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে দেখা যায়, ৯ মিনিট ৫৬ সেকেন্ডের ওই ভিডিওটি উপজেলার ৫৬ নম্বর মঠবাড়িয়া মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের অফিসকক্ষে ধারণ করা।
এতে বিদ্যালয়টির প্রধান শিক্ষক মো. নাসির উদ্দীন ও ৬৫ নম্বর সূর্যমনি নেছারিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক মো. হাবিবুর রহমানের সঙ্গে স্কুল ফিডিং কর্মসূচির খাবার সরবরাহকারী ভোলার বেসরকারি প্রতিষ্ঠান গ্রামীণ উন্নয়নের ঠিকাদার নুরুন্নবীসহ কয়েকজনকে দেখা যায়।
ভিডিওর শুরুতেই দুই প্রধান শিক্ষককে ধূমপান করতে দেখা যায়। এ সময় ঠিকাদার নুরুন্নবী শিডিউল অনুযায়ী সরবরাহ ও ডিম বণ্টন নিয়ে কথা বলছিলেন। এক পর্যায়ে ১২ হাজার ছাত্রের জন্য ১৮ হাজার ডিমের বরাদ্দ ও ব্যবহার নিয়ে নানা হিসাব-নিকাশ করেন তারা। এতে দুই শিক্ষক অতিরিক্ত ছয় হাজার ডিম বা সমপরিমাণ ডিমের টাকা কীভাবে ভাগবাঁটোয়ারা করবেন, এ নিয়ে তাদের মধ্যে আলোচনা হয়। শিক্ষকরা ঠিকাদারের সঙ্গে বিষয়টি নিয়ে সমন্বয়ের প্রস্তাব দেন। ঠিকাদার শিডিউল অনুযায়ী কাজ করার পক্ষে অবস্থান নেন। তিনি নিয়মবহির্ভূত কোনো কাজে নিজেকে না জড়ানোর কথা বলেন।
এ বিষয়ে মঠবাড়িয়া মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. নাসির উদ্দীনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। সূর্যমনি নেছারিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক মো. হাবিবুর রহমানের দাবি, ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে তাদের কথোপকথনকে ভুলভাবে উপস্থাপন করা হচ্ছে। এ বিষয়টি তদন্তাধীন জানিয়ে আর মন্তব্য করতে চাননি তিনি। ঠিকাদার নুরুন্নবীর সঙ্গে কয়েক দফায় চেষ্টা করেও বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
পিরোজপুর জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোল্লা বখতিয়ার রহমান জানান, প্রধান শিক্ষক ও ঠিকাদারের মধ্যে কথোপকথন সোস্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হওয়ার বিষয় নিয়ে তদন্ত কমিটি গঠন হয়েছে। কমিটির কার্যক্রম চলমান রয়েছে এবং তদন্ত রিপোর্ট পাওয়ার পরে এ বিষয়ে পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
মঠবাড়িয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আকলিমা আক্তার জানান, ভাইরাল হওয়া ভিডিওর বিষয় নিয়ে জেলা পর্যায়ে তদন্ত কমিটি গঠন হয়েছে এবং তাদের প্রতিবেদন জেলা প্রশাসকের নিকট দাখিল করা হবে। পাশাপাশি উপজেলায় ফিডিং কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে পরিচালিত হচ্ছে।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.