
০৫ মার্চ, ২০২৬ ২০:১২
যুক্তরাষ্ট্রের শীর্ষ সামরিক কর্মকর্তারা গত মঙ্গলবার এক রুদ্ধদ্বার ব্রিফিংয়ে আইনপ্রণেতাদের জানিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক স্থাপনা ও সম্পদের ওপর ইরানের হামলায় ব্যবহৃত প্রতিটি ড্রোন তাঁরা ভূপাতিত না–ও করতে পারেন। তাঁদের এই সক্ষমতা না–ও থাকতে পারে। এই বিষয়ের সঙ্গে পরিচিত দুজন ব্যক্তি এই তথ্য জানিয়েছেন।
জয়েন্ট চিফস অব স্টাফের চেয়ারম্যান জেনারেল ড্যান কেইনের নেতৃত্বে কর্মকর্তারা বলেছেন, ইরান হাজার হাজার ‘ওয়ান-ওয়ে’ (একমুখী) অ্যাটাক ড্রোন মোতায়েন করছে। যুক্তরাষ্ট্রের অধিকাংশ ড্রোন ভূপাতিত করার সক্ষমতা আছে ঠিকই। তবে এই বিশাল সংখ্যার সব কটি ঠেকানো সম্ভব নয়।
ক্যাপিটল হিলে আইনপ্রণেতাদের দেওয়া এক গোপন ব্রিফিংয়ে কর্মকর্তারা জানান, এ অবস্থায় যুক্তরাষ্ট্র যত দ্রুত সম্ভব ইরানের ড্রোন এবং প্রচলিত ক্ষেপণাস্ত্রের উৎক্ষেপণ কেন্দ্রগুলো (লঞ্চ সাইট) ধ্বংস করার দিকে মনোযোগ দিচ্ছে।
স্পর্শকাতর বিষয় হওয়ায় তথ্যদাতা ব্যক্তিরা নিজেদের নাম প্রকাশ না করার শর্তে এ কথাগুলো বলেছেন।
যুক্তরাষ্ট্রের হামলার প্রতিশোধ নিতে ইরান তাদের কম খরচের ‘শাহেদ’ ড্রোন উৎক্ষেপণ করছে। এগুলো নিচু দিয়ে এবং ধীরগতিতে ওড়ার কারণে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের তুলনায় প্রচলিত আকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থাকে বেশি ফাঁকি দিতে সক্ষম বলে ধারণা করা হচ্ছে।
মার্কিন প্রশাসনের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বলেছেন, ইরানের ড্রোন কৌশল হলো যুক্তরাষ্ট্রকে তাদের সবচেয়ে আধুনিক ‘প্যাট্রিয়ট’ এবং ‘থাড’ ইন্টারসেপ্টর (ক্ষেপণাস্ত্র নিষ্ক্রিয়কারী অস্ত্র) খরচ করতে বাধ্য করা। তবে এই কৌশল ভুল এবং সফল নয়। কারণ, যুক্তরাষ্ট্র বিভিন্ন পন্থায় এসব ড্রোন ধ্বংস করছে।
তবু কংগ্রেসের শীর্ষ ডেমোক্র্যাটরা উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেছেন, ইরান থেকে ছোঁড়া ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরোধ করতে গিয়ে যুক্তরাষ্ট্র প্রচুর পরিমাণে ইন্টারসেপ্টর পুড়িয়ে ফেলছে।
এ বিষয়ের সঙ্গে পরিচিত এক ব্যক্তি জানান, জেনারেল ড্যান কেইন জনসমক্ষে গোলাবারুদের মজুত নিয়ে আত্মবিশ্বাস দেখালেও ব্যক্তিগতভাবে এ নিয়ে উদ্বেগের কথা স্বীকার করেছেন।
গতকাল বুধবার সকালে পেন্টাগনে এক সংবাদ সম্মেলনে কেইন বলেন, ‘আক্রমণ এবং প্রতিরক্ষা—দুই কাজের জন্যই আমাদের কাছে পর্যাপ্ত নিখুঁত গোলাবারুদ রয়েছে।’
তবে কেইন এ বিষয়ে কোনো বিস্তারিত বা সুনির্দিষ্ট তথ্য দেননি।
ইরান আগ্রাসনে এই উচ্চ হারের গোলাগুলি বা হামলা চালানো বেশ ব্যয়বহুল হয়ে দাঁড়িয়েছে। প্রতিরক্ষা বিভাগের প্রাথমিক এক বিশ্লেষণের সঙ্গে পরিচিত এক ব্যক্তি বলছেন, যুদ্ধের প্রথম দিনগুলোতে যুক্তরাষ্ট্র প্রতিদিন প্রায় ২০০ কোটি ডলার করে খরচ করেছে। অবশ্য বর্তমানে সেই খরচ কমে ১০০ কোটি ডলারের কাছাকাছি এসে ঠেকেছে। যুদ্ধ চলতে থাকলে এই খরচ আরও কমবে বলে আশা করা হচ্ছে।
হোয়াইট হাউসের এক মুখপাত্র এ বিষয়ে মন্তব্যের অনুরোধে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো মন্তব্য করতে অস্বীকৃতি জানান। জয়েন্ট চিফস অব স্টাফের একজন মুখপাত্র অপারেশনাল নিরাপত্তার কারণে মন্তব্য করতে অস্বীকৃতি জানিয়েছেন।
গত সোমবার রাতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে লিখেছেন, যুক্তরাষ্ট্র অনির্দিষ্টকাল ধরে এই হারে হামলা চালিয়ে যাওয়ার সক্ষমতা রাখে। যুক্তরাষ্ট্রের কাছে ‘মাঝারি ও উচ্চ মাঝারি মানের’ গোলাবারুদের মজুত ‘কার্যত অসীম’।
ট্রাম্প অবশ্য স্বীকার করেছেন, ‘সর্বোচ্চ মানের’ অস্ত্রগুলোর মজুত ‘যেমন থাকা উচিত তেমন পর্যায়ে নেই’।
গতকাল বুধবার ব্রিফিংয়ে হোয়াইট হাউসের প্রেস সেক্রেটারি ক্যারোলাইন লেভিট বলেছেন, ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ দীর্ঘায়িত হলেও তা চালানোর মতো যুক্তরাষ্ট্রের কাছে পর্যাপ্ত অস্ত্র রয়েছে। তিনি দাবি করেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ট্রাম্পের দেওয়া পোস্টটি মূলত ইউক্রেনে অস্ত্র পাঠানোর বিষয়ে বাইডেন প্রশাসনের সিদ্ধান্তের সমালোচনা ছিল।
লেভিট বলেন, ‘এমন সব জায়গায় আমাদের অস্ত্রের মজুত রয়েছে, যা বিশ্বের অনেকে জানেও না। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প এটাই বোঝাচ্ছিলেন, দুর্ভাগ্যবশত চার বছর ধরে এই হোয়াইট হাউসে একজন অত্যন্ত বোকা এবং অযোগ্য নেতা (বাইডেন) ছিলেন, যিনি আমাদের অনেক সেরা অস্ত্র বিনা শর্তে বিলিয়ে দিয়েছেন।’
বরিশাল টাইমস
যুক্তরাষ্ট্রের জয়েন্ট চিফস অব স্টাফের চেয়ারম্যান জেনারেল ড্যান কেইনছবি: রয়টার্স
যুক্তরাষ্ট্রের শীর্ষ সামরিক কর্মকর্তারা গত মঙ্গলবার এক রুদ্ধদ্বার ব্রিফিংয়ে আইনপ্রণেতাদের জানিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক স্থাপনা ও সম্পদের ওপর ইরানের হামলায় ব্যবহৃত প্রতিটি ড্রোন তাঁরা ভূপাতিত না–ও করতে পারেন। তাঁদের এই সক্ষমতা না–ও থাকতে পারে। এই বিষয়ের সঙ্গে পরিচিত দুজন ব্যক্তি এই তথ্য জানিয়েছেন।
জয়েন্ট চিফস অব স্টাফের চেয়ারম্যান জেনারেল ড্যান কেইনের নেতৃত্বে কর্মকর্তারা বলেছেন, ইরান হাজার হাজার ‘ওয়ান-ওয়ে’ (একমুখী) অ্যাটাক ড্রোন মোতায়েন করছে। যুক্তরাষ্ট্রের অধিকাংশ ড্রোন ভূপাতিত করার সক্ষমতা আছে ঠিকই। তবে এই বিশাল সংখ্যার সব কটি ঠেকানো সম্ভব নয়।
ক্যাপিটল হিলে আইনপ্রণেতাদের দেওয়া এক গোপন ব্রিফিংয়ে কর্মকর্তারা জানান, এ অবস্থায় যুক্তরাষ্ট্র যত দ্রুত সম্ভব ইরানের ড্রোন এবং প্রচলিত ক্ষেপণাস্ত্রের উৎক্ষেপণ কেন্দ্রগুলো (লঞ্চ সাইট) ধ্বংস করার দিকে মনোযোগ দিচ্ছে।
স্পর্শকাতর বিষয় হওয়ায় তথ্যদাতা ব্যক্তিরা নিজেদের নাম প্রকাশ না করার শর্তে এ কথাগুলো বলেছেন।
যুক্তরাষ্ট্রের হামলার প্রতিশোধ নিতে ইরান তাদের কম খরচের ‘শাহেদ’ ড্রোন উৎক্ষেপণ করছে। এগুলো নিচু দিয়ে এবং ধীরগতিতে ওড়ার কারণে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের তুলনায় প্রচলিত আকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থাকে বেশি ফাঁকি দিতে সক্ষম বলে ধারণা করা হচ্ছে।
মার্কিন প্রশাসনের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বলেছেন, ইরানের ড্রোন কৌশল হলো যুক্তরাষ্ট্রকে তাদের সবচেয়ে আধুনিক ‘প্যাট্রিয়ট’ এবং ‘থাড’ ইন্টারসেপ্টর (ক্ষেপণাস্ত্র নিষ্ক্রিয়কারী অস্ত্র) খরচ করতে বাধ্য করা। তবে এই কৌশল ভুল এবং সফল নয়। কারণ, যুক্তরাষ্ট্র বিভিন্ন পন্থায় এসব ড্রোন ধ্বংস করছে।
তবু কংগ্রেসের শীর্ষ ডেমোক্র্যাটরা উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেছেন, ইরান থেকে ছোঁড়া ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরোধ করতে গিয়ে যুক্তরাষ্ট্র প্রচুর পরিমাণে ইন্টারসেপ্টর পুড়িয়ে ফেলছে।
এ বিষয়ের সঙ্গে পরিচিত এক ব্যক্তি জানান, জেনারেল ড্যান কেইন জনসমক্ষে গোলাবারুদের মজুত নিয়ে আত্মবিশ্বাস দেখালেও ব্যক্তিগতভাবে এ নিয়ে উদ্বেগের কথা স্বীকার করেছেন।
গতকাল বুধবার সকালে পেন্টাগনে এক সংবাদ সম্মেলনে কেইন বলেন, ‘আক্রমণ এবং প্রতিরক্ষা—দুই কাজের জন্যই আমাদের কাছে পর্যাপ্ত নিখুঁত গোলাবারুদ রয়েছে।’
তবে কেইন এ বিষয়ে কোনো বিস্তারিত বা সুনির্দিষ্ট তথ্য দেননি।
ইরান আগ্রাসনে এই উচ্চ হারের গোলাগুলি বা হামলা চালানো বেশ ব্যয়বহুল হয়ে দাঁড়িয়েছে। প্রতিরক্ষা বিভাগের প্রাথমিক এক বিশ্লেষণের সঙ্গে পরিচিত এক ব্যক্তি বলছেন, যুদ্ধের প্রথম দিনগুলোতে যুক্তরাষ্ট্র প্রতিদিন প্রায় ২০০ কোটি ডলার করে খরচ করেছে। অবশ্য বর্তমানে সেই খরচ কমে ১০০ কোটি ডলারের কাছাকাছি এসে ঠেকেছে। যুদ্ধ চলতে থাকলে এই খরচ আরও কমবে বলে আশা করা হচ্ছে।
হোয়াইট হাউসের এক মুখপাত্র এ বিষয়ে মন্তব্যের অনুরোধে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো মন্তব্য করতে অস্বীকৃতি জানান। জয়েন্ট চিফস অব স্টাফের একজন মুখপাত্র অপারেশনাল নিরাপত্তার কারণে মন্তব্য করতে অস্বীকৃতি জানিয়েছেন।
গত সোমবার রাতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে লিখেছেন, যুক্তরাষ্ট্র অনির্দিষ্টকাল ধরে এই হারে হামলা চালিয়ে যাওয়ার সক্ষমতা রাখে। যুক্তরাষ্ট্রের কাছে ‘মাঝারি ও উচ্চ মাঝারি মানের’ গোলাবারুদের মজুত ‘কার্যত অসীম’।
ট্রাম্প অবশ্য স্বীকার করেছেন, ‘সর্বোচ্চ মানের’ অস্ত্রগুলোর মজুত ‘যেমন থাকা উচিত তেমন পর্যায়ে নেই’।
গতকাল বুধবার ব্রিফিংয়ে হোয়াইট হাউসের প্রেস সেক্রেটারি ক্যারোলাইন লেভিট বলেছেন, ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ দীর্ঘায়িত হলেও তা চালানোর মতো যুক্তরাষ্ট্রের কাছে পর্যাপ্ত অস্ত্র রয়েছে। তিনি দাবি করেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ট্রাম্পের দেওয়া পোস্টটি মূলত ইউক্রেনে অস্ত্র পাঠানোর বিষয়ে বাইডেন প্রশাসনের সিদ্ধান্তের সমালোচনা ছিল।
লেভিট বলেন, ‘এমন সব জায়গায় আমাদের অস্ত্রের মজুত রয়েছে, যা বিশ্বের অনেকে জানেও না। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প এটাই বোঝাচ্ছিলেন, দুর্ভাগ্যবশত চার বছর ধরে এই হোয়াইট হাউসে একজন অত্যন্ত বোকা এবং অযোগ্য নেতা (বাইডেন) ছিলেন, যিনি আমাদের অনেক সেরা অস্ত্র বিনা শর্তে বিলিয়ে দিয়েছেন।’
বরিশাল টাইমস

০৭ মার্চ, ২০২৬ ০১:২৭
লেবানন সীমান্তে ইসরায়েলি অর্থমন্ত্রী বেজালেল স্মোত্রিচের ছেলে আহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে দেশটির সংবাদমাধ্যম হারেৎজ। তবে তিনি ঠিক কীভাবে আহত হয়েছেন, তা নিয়ে বিস্তারিত কিছু জানা যায়নি।
ইসরায়েল একসঙ্গে দুই ফ্রন্টে যুদ্ধ চালিয়ে যাচ্ছে। একদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে মিলে গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ইরানে হামলা অব্যাহত রেখেছে। অন্যদিকে, ইরানে হামলার প্রতিবাদে লেবাননের সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহর বিরুদ্ধে হামলা চালাচ্ছে তারা।
জানা গেছে, লেবানন সীমান্তে এখন তুমুল যুদ্ধ চলছে। ইসরায়েল দক্ষিণ লেবানন ও রাজধানী বৈরুতে নির্বিচারে বিমান হামলা চালাচ্ছে। এতে এখন পর্যন্ত শতাধিক মানুষের প্রাণহানি হয়েছে।
হিজবুল্লাহও পিছু হটছে না। সীমান্তবর্তী ইসরায়েলি সামরিক ঘাঁটি ও চৌকিগুলোতে তারা একের পর এক রকেট ছুড়ছে। শুক্রবার (৬ মার্চ) ভোরে সংগঠনটি তাদের টেলিগ্রাম চ্যানেলে হিব্রু ভাষায় একটি বার্তা প্রকাশ করে। সেখানে ইসরায়েলি বাসিন্দাদের লেবানন সীমান্ত থেকে ৫ কিলোমিটার (প্রায় ৩ মাইল) এলাকার মধ্যে থাকা শহরগুলো খালি করার আহ্বান জানানো হয়।
বার্তায় হিজবুল্লাহ জানায়, লেবাননের সার্বভৌমত্ব ও সাধারণ নাগরিকদের ওপর যে সামরিক আগ্রাসন, বেসামরিক অবকাঠামো ধ্বংস এবং উচ্ছেদ অভিযান চালানো হচ্ছে, তার জবাব অবশ্যই দেওয়া হবে।
বরিশাল টাইমস
লেবানন সীমান্তে ইসরায়েলি অর্থমন্ত্রী বেজালেল স্মোত্রিচের ছেলে আহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে দেশটির সংবাদমাধ্যম হারেৎজ। তবে তিনি ঠিক কীভাবে আহত হয়েছেন, তা নিয়ে বিস্তারিত কিছু জানা যায়নি।
ইসরায়েল একসঙ্গে দুই ফ্রন্টে যুদ্ধ চালিয়ে যাচ্ছে। একদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে মিলে গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ইরানে হামলা অব্যাহত রেখেছে। অন্যদিকে, ইরানে হামলার প্রতিবাদে লেবাননের সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহর বিরুদ্ধে হামলা চালাচ্ছে তারা।
জানা গেছে, লেবানন সীমান্তে এখন তুমুল যুদ্ধ চলছে। ইসরায়েল দক্ষিণ লেবানন ও রাজধানী বৈরুতে নির্বিচারে বিমান হামলা চালাচ্ছে। এতে এখন পর্যন্ত শতাধিক মানুষের প্রাণহানি হয়েছে।
হিজবুল্লাহও পিছু হটছে না। সীমান্তবর্তী ইসরায়েলি সামরিক ঘাঁটি ও চৌকিগুলোতে তারা একের পর এক রকেট ছুড়ছে। শুক্রবার (৬ মার্চ) ভোরে সংগঠনটি তাদের টেলিগ্রাম চ্যানেলে হিব্রু ভাষায় একটি বার্তা প্রকাশ করে। সেখানে ইসরায়েলি বাসিন্দাদের লেবানন সীমান্ত থেকে ৫ কিলোমিটার (প্রায় ৩ মাইল) এলাকার মধ্যে থাকা শহরগুলো খালি করার আহ্বান জানানো হয়।
বার্তায় হিজবুল্লাহ জানায়, লেবাননের সার্বভৌমত্ব ও সাধারণ নাগরিকদের ওপর যে সামরিক আগ্রাসন, বেসামরিক অবকাঠামো ধ্বংস এবং উচ্ছেদ অভিযান চালানো হচ্ছে, তার জবাব অবশ্যই দেওয়া হবে।
বরিশাল টাইমস

০৬ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমারকে ব্যক্তিগতভাবে ‘লুজার’ বলে উল্লেখ করেছেন, এমন দাবি করে প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দৈনিক দ্য টেলিগ্রাফ।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, প্রায় দুই সপ্তাহ আগে একটি ব্যক্তিগত নৈশভোজে দরজার আড়ালে ট্রাম্প স্টারমারকে ‘লুজার’ বলে মন্তব্য করেন।
টেলিগ্রাফকে সূত্র জানায়, ট্রাম্প মনে করেন স্টারমারের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ নেই বলেই তিনি এ ধরনের মন্তব্য করেছেন।
গত মঙ্গলবার জনসমক্ষেও ট্রাম্প ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর সমালোচনা করেন। তিনি বলেন, স্টারমার ‘উইনস্টন চার্চিল’ নন- এবং তিনি যুক্তরাষ্ট্র–যুক্তরাজ্যের মধ্যে সম্পর্ক নষ্ট করে দিয়েছেন।
এই মন্তব্য এমন সময় এসেছে, যখন ট্রাম্প যুক্তরাজ্যের অভিবাসন ও জ্বালানি নীতিকে ‘ভয়াবহ’ বলে সমালোচনা করেছেন।
একই সঙ্গে তিনি স্টারমারকে ‘শরিয়া আদালত’ অপসারণ এবং উত্তর সাগরকে নতুন করে তেল ও গ্যাস খননের জন্য উন্মুক্ত করার আহ্বান জানান।
এ ছাড়া চাগোস দ্বীপপুঞ্জের ডিয়েগো গার্সিয়া সামরিক ঘাঁটি থেকে ইরানের বিরুদ্ধে সম্ভাব্য মার্কিন হামলা চালানোর বিষয়ে স্টারমারের প্রাথমিক অনীহাও ট্রাম্পকে ক্ষুব্ধ করে তোলে বলে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে
ট্রাম্প অভিযোগ করেন, ‘স্টারমারের মন পরিবর্তন করতে অনেক সময় লেগেছে।’
পরে স্টারমার শেষ পর্যন্ত ডিয়েগো গার্সিয়া থেকে হামলা চালানোর অনুমতি দেন। তিনি যুক্তি দেন, ইরান সাইপ্রাসে যুক্তরাজ্যের বিমানঘাঁটি আরএএফ আক্রোতিরিতে হামলা চালিয়েছে।
তবে যুক্তরাজ্যের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় পরে জানায়, ওই বিমানঘাঁটিতে যে ড্রোন হামলা হয়েছিল, সেটি ইরান থেকে ছোড়া হয়নি।
উল্লেখ্য, ওই ঘাঁটি থেকেই গাজার ওপর নজরদারি ফ্লাইট পরিচালনা করা হচ্ছিল, যখন সেখানে ইসরায়েলের সামরিক অভিযান চলছিল।
সোফিয়া শিরা নোভারা মিডিয়ার সোশ্যাল মিডিয়া টিমের একজন সাংবাদিক।
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমারকে ব্যক্তিগতভাবে ‘লুজার’ বলে উল্লেখ করেছেন, এমন দাবি করে প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দৈনিক দ্য টেলিগ্রাফ।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, প্রায় দুই সপ্তাহ আগে একটি ব্যক্তিগত নৈশভোজে দরজার আড়ালে ট্রাম্প স্টারমারকে ‘লুজার’ বলে মন্তব্য করেন।
টেলিগ্রাফকে সূত্র জানায়, ট্রাম্প মনে করেন স্টারমারের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ নেই বলেই তিনি এ ধরনের মন্তব্য করেছেন।
গত মঙ্গলবার জনসমক্ষেও ট্রাম্প ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর সমালোচনা করেন। তিনি বলেন, স্টারমার ‘উইনস্টন চার্চিল’ নন- এবং তিনি যুক্তরাষ্ট্র–যুক্তরাজ্যের মধ্যে সম্পর্ক নষ্ট করে দিয়েছেন।
এই মন্তব্য এমন সময় এসেছে, যখন ট্রাম্প যুক্তরাজ্যের অভিবাসন ও জ্বালানি নীতিকে ‘ভয়াবহ’ বলে সমালোচনা করেছেন।
একই সঙ্গে তিনি স্টারমারকে ‘শরিয়া আদালত’ অপসারণ এবং উত্তর সাগরকে নতুন করে তেল ও গ্যাস খননের জন্য উন্মুক্ত করার আহ্বান জানান।
এ ছাড়া চাগোস দ্বীপপুঞ্জের ডিয়েগো গার্সিয়া সামরিক ঘাঁটি থেকে ইরানের বিরুদ্ধে সম্ভাব্য মার্কিন হামলা চালানোর বিষয়ে স্টারমারের প্রাথমিক অনীহাও ট্রাম্পকে ক্ষুব্ধ করে তোলে বলে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে
ট্রাম্প অভিযোগ করেন, ‘স্টারমারের মন পরিবর্তন করতে অনেক সময় লেগেছে।’
পরে স্টারমার শেষ পর্যন্ত ডিয়েগো গার্সিয়া থেকে হামলা চালানোর অনুমতি দেন। তিনি যুক্তি দেন, ইরান সাইপ্রাসে যুক্তরাজ্যের বিমানঘাঁটি আরএএফ আক্রোতিরিতে হামলা চালিয়েছে।
তবে যুক্তরাজ্যের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় পরে জানায়, ওই বিমানঘাঁটিতে যে ড্রোন হামলা হয়েছিল, সেটি ইরান থেকে ছোড়া হয়নি।
উল্লেখ্য, ওই ঘাঁটি থেকেই গাজার ওপর নজরদারি ফ্লাইট পরিচালনা করা হচ্ছিল, যখন সেখানে ইসরায়েলের সামরিক অভিযান চলছিল।
সোফিয়া শিরা নোভারা মিডিয়ার সোশ্যাল মিডিয়া টিমের একজন সাংবাদিক।

০৬ মার্চ, ২০২৬ ১১:৪১
ইরানের সঙ্গে চলমান যুদ্ধের জেরে যুক্তরাষ্ট্রে জ্বালানি গ্যাসের মূল্যবৃদ্ধি নিয়ে কোনো ধরনের উদ্বেগ প্রকাশ করেননি প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি বলেন, গ্যাসের দাম বাড়লে বাড়বে, এটা নিয়ে আমার কোনো দুশ্চিন্তা নেই।
রয়টার্সকে দেওয়া এক একান্ত সাক্ষাৎকারে তিনি সরাসরি এসব কথা বলেন।
ট্রাম্পের মতে, যুদ্ধ শেষ হওয়া মাত্রই দাম দ্রুত কমে যাবে এবং বর্তমান পরিস্থিতির গুরুত্ব তেলের সামান্য মূল্যবৃদ্ধির চেয়ে অনেক বেশি। যুদ্ধ শুরু হওয়ার মাত্র কয়েক দিনের ব্যবধানে যুক্তরাষ্ট্রে প্রতি গ্যালন গ্যাসে ২০ সেন্ট বা প্রায় ৭ শতাংশ দাম বেড়েছে।
জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় লুইজিয়ানা ও টেক্সাসের ভূগর্ভস্থ লবণের গুহায় সংরক্ষিত বিশ্বের বৃহত্তম জরুরি তেলের মজুদ বা 'স্ট্র্যাটেজিক পেট্রোলিয়াম রিজার্ভ' ব্যবহারের কোনো পরিকল্পনা আপাতত নেই বলেও সাফ জানিয়ে দিয়েছেন ট্রাম্প। তেলের দাম বাড়ার চাপের মুখেও তিনি জাতীয় এই জরুরি ভাণ্ডার উন্মুক্ত করতে আগ্রহী নন। অথচ মাত্র এক সপ্তাহ আগে স্টেট অব দ্য ইউনিয়ন ভাষণে তিনি দেশে তেলের দাম কমার সাফল্যের কথা গর্বভরে প্রচার করেছিলেন।
বিশ্বের মোট জ্বালানি তেলের এক-পঞ্চমাংশ সরবরাহকারী গুরুত্বপূর্ণ সমুদ্রপথ হরমুজ প্রণালী নিয়েও আত্মবিশ্বাসী অবস্থান ব্যক্ত করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। ইরানের দক্ষিণ উপকূলের এই কৌশলগত জলপথটি খোলা থাকবে কি না, এমন প্রশ্নের জবাবে ট্রাম্প বিদ্রূপের সুরে বলেন, এটি অবশ্যই খোলা থাকবে কারণ ইরানের নৌবাহিনী এখন 'সমুদ্রের তলদেশে' রয়েছে।
মধ্যপ্রাচ্যের এই উত্তপ্ত পরিস্থিতির মাঝে ট্রাম্পের এমন মন্তব্য বিশ্ব জ্বালানি বাজারে নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
বরিশাল টাইমস
ইরানের সঙ্গে চলমান যুদ্ধের জেরে যুক্তরাষ্ট্রে জ্বালানি গ্যাসের মূল্যবৃদ্ধি নিয়ে কোনো ধরনের উদ্বেগ প্রকাশ করেননি প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি বলেন, গ্যাসের দাম বাড়লে বাড়বে, এটা নিয়ে আমার কোনো দুশ্চিন্তা নেই।
রয়টার্সকে দেওয়া এক একান্ত সাক্ষাৎকারে তিনি সরাসরি এসব কথা বলেন।
ট্রাম্পের মতে, যুদ্ধ শেষ হওয়া মাত্রই দাম দ্রুত কমে যাবে এবং বর্তমান পরিস্থিতির গুরুত্ব তেলের সামান্য মূল্যবৃদ্ধির চেয়ে অনেক বেশি। যুদ্ধ শুরু হওয়ার মাত্র কয়েক দিনের ব্যবধানে যুক্তরাষ্ট্রে প্রতি গ্যালন গ্যাসে ২০ সেন্ট বা প্রায় ৭ শতাংশ দাম বেড়েছে।
জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় লুইজিয়ানা ও টেক্সাসের ভূগর্ভস্থ লবণের গুহায় সংরক্ষিত বিশ্বের বৃহত্তম জরুরি তেলের মজুদ বা 'স্ট্র্যাটেজিক পেট্রোলিয়াম রিজার্ভ' ব্যবহারের কোনো পরিকল্পনা আপাতত নেই বলেও সাফ জানিয়ে দিয়েছেন ট্রাম্প। তেলের দাম বাড়ার চাপের মুখেও তিনি জাতীয় এই জরুরি ভাণ্ডার উন্মুক্ত করতে আগ্রহী নন। অথচ মাত্র এক সপ্তাহ আগে স্টেট অব দ্য ইউনিয়ন ভাষণে তিনি দেশে তেলের দাম কমার সাফল্যের কথা গর্বভরে প্রচার করেছিলেন।
বিশ্বের মোট জ্বালানি তেলের এক-পঞ্চমাংশ সরবরাহকারী গুরুত্বপূর্ণ সমুদ্রপথ হরমুজ প্রণালী নিয়েও আত্মবিশ্বাসী অবস্থান ব্যক্ত করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। ইরানের দক্ষিণ উপকূলের এই কৌশলগত জলপথটি খোলা থাকবে কি না, এমন প্রশ্নের জবাবে ট্রাম্প বিদ্রূপের সুরে বলেন, এটি অবশ্যই খোলা থাকবে কারণ ইরানের নৌবাহিনী এখন 'সমুদ্রের তলদেশে' রয়েছে।
মধ্যপ্রাচ্যের এই উত্তপ্ত পরিস্থিতির মাঝে ট্রাম্পের এমন মন্তব্য বিশ্ব জ্বালানি বাজারে নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
বরিশাল টাইমস
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.