
১৫ জুন, ২০২৬ ১৪:৩২
মাত্র ৬ হাজার টাকা পুঁজি নিয়ে কলেজের আবাসিক হলের কক্ষ থেকে শুরু করা এক শিক্ষার্থীর জার্সি ব্যবসা এখন দেশের ৬৪ জেলায় ছড়িয়ে পড়েছে। ফুটবল বিশ্বকাপকে কেন্দ্র করে জামালপুর সরকারি আশেক মাহমুদ কলেজের পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী মাহিদুল ইসলামের গড়ে তোলা এই অনলাইন ও অফলাইন উদ্যোগ মাত্র দুই মাসে লাখ টাকার ব্যবসায় রূপ নিয়েছে।
জামালপুর সদরের নান্দিনার বাসিন্দা মাহিদুল ইসলাম। ছোটোবেলা থেকেই কিছু করার স্বপ্ন ছিল তার, আর সেই স্বপ্নই একজন সফল তরুণ উদ্যোক্তা হিসেবে পরিচিতি এনে দিয়েছে তাকে। বিশ্বকাপ এলে জার্সির বাড়তি চাহিদা দেখে ব্যবসা শুরুর পরিকল্পনা করেন তিনি।
মাহিদুল মাত্র দুই মাস আগে পরিবারের কাছ থেকে ৬ হাজার টাকা নিয়ে ঢাকা থেকে আর্জেন্টিনা ও ব্রাজিল দলের কিছু জার্সি সংগ্রহ করেন। এরপর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি ফেসবুক পেজ চালু করে অনলাইনে বিক্রি শুরু করেন। শুরুতে অর্ডার ছিল খুবই কম। তবে তিনি হাল ছাড়েননি। বিশ্বকাপ শুরু না হতেই সে এখন প্রায় লাখ টাকার মালিক।
সরকারি আশেক মাহমুদ কলেজের আবাসিক হলের ৪১০ নম্বর কক্ষ এখন যেন একটি ছোট্ট স্পোর্টস শপ। অনলাইনের পাশাপাশি অফলাইনেও বিক্রি করছেন তিনি। কলেজের বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষার্থী, ফুটবলপ্রেমী তরুণ এবং স্থানীয় ক্রেতারা সরাসরি তার কক্ষে এসে পছন্দের জার্সি কিনে নিয়ে যান। আবার দেশের বিভিন্ন প্রান্তের ক্রেতারা সামাজিক মাধ্যমে অর্ডার দিয়ে জার্সি সংগ্রহ করছেন।
বিশ্বকাপের উন্মাদনা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে তার ব্যবসাও পেয়েছে নতুন গতি। বর্তমানে আর্জেন্টিনা ও ব্রাজিলের জার্সির চাহিদা সবচেয়ে বেশি। তবে ক্রেতাদের অনুরোধে অন্যান্য দলের জার্সিও সরবরাহ করছেন তিনি।
সহপাঠী ফয়সাল আহমেদ জুমান বলেন, ‘পড়াশোনার পাশাপাশি একজন শিক্ষার্থী কীভাবে নিজের উদ্যোগে সফল হতে পারে, মাহিদুল তার উদাহরণ। তার সাফল্য দেখে অনেক শিক্ষার্থী এখন উদ্যোক্তা হওয়ার স্বপ্ন দেখছে।’
হিসাববিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী নাঈম হাসান বলেন, ‘অল্প পুঁজি নিয়ে শুরু করে দেশের ৬৪ জেলায় ব্যবসা ছড়িয়ে দেওয়া সহজ বিষয় নয়। মাহিদুল আমাদের মতো তরুণদের জন্য অনুপ্রেরণা হয়ে উঠেছে।’
স্থানীয়দের মতে, বর্তমান সময়ে তরুণদের মধ্যে চাকরির পেছনে ছোটার প্রবণতা বেশি দেখা যায়। সেখানে মাহিদুল নিজেই কর্মসংস্থানের পথ তৈরি করেছেন। তার এই উদ্যোগ প্রমাণ করে, অল্প পুঁজি দিয়েও সঠিক পরিকল্পনা, পরিশ্রম ও আত্মবিশ্বাস থাকলে সফল হওয়া সম্ভব।
মাহিদুল ইসলাম বলেন, ‘শুরুতে অনেকেই বলেছিল, হলের রুমে বসে ব্যবসা করে সফল হওয়া সম্ভব নয়। কিন্তু আমি বিশ্বাস করতাম সততা ও পরিশ্রম থাকলে একদিন সফল হব। প্রথম দিকে লাভের কথা চিন্তা না করে ক্রেতাদের আস্থা অর্জনের চেষ্টা করেছি। বর্তমানে দেশের প্রায় সব জেলা থেকেই অর্ডার পাচ্ছি। অনেক সময় একসঙ্গে এত বেশি অর্ডার আসে যে সামলাতে কষ্ট হয়। তারপরও চেষ্টা করি সময়মতো পণ্য পৌঁছে দিতে। ক্রেতাদের সন্তুষ্টিই আমার সবচেয়ে বড় অর্জন।’
তিনি আরও বলেন, ‘আশাকরি আমার প্রতিষ্ঠান একদিন দেশের পরিচিত স্পোর্টস ব্র্যান্ড হিসেবে গড়ে উঠবে। বিশ্বকাপ কেন্দ্র করে শুরু হলেও সারা বছর খেলাধুলার বিভিন্ন পণ্য নিয়ে কাজ করার পাশাপাশি তরুণদের জন্য কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করতে চাই।’
মাত্র ৬ হাজার টাকা পুঁজি নিয়ে কলেজের আবাসিক হলের কক্ষ থেকে শুরু করা এক শিক্ষার্থীর জার্সি ব্যবসা এখন দেশের ৬৪ জেলায় ছড়িয়ে পড়েছে। ফুটবল বিশ্বকাপকে কেন্দ্র করে জামালপুর সরকারি আশেক মাহমুদ কলেজের পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী মাহিদুল ইসলামের গড়ে তোলা এই অনলাইন ও অফলাইন উদ্যোগ মাত্র দুই মাসে লাখ টাকার ব্যবসায় রূপ নিয়েছে।
জামালপুর সদরের নান্দিনার বাসিন্দা মাহিদুল ইসলাম। ছোটোবেলা থেকেই কিছু করার স্বপ্ন ছিল তার, আর সেই স্বপ্নই একজন সফল তরুণ উদ্যোক্তা হিসেবে পরিচিতি এনে দিয়েছে তাকে। বিশ্বকাপ এলে জার্সির বাড়তি চাহিদা দেখে ব্যবসা শুরুর পরিকল্পনা করেন তিনি।
মাহিদুল মাত্র দুই মাস আগে পরিবারের কাছ থেকে ৬ হাজার টাকা নিয়ে ঢাকা থেকে আর্জেন্টিনা ও ব্রাজিল দলের কিছু জার্সি সংগ্রহ করেন। এরপর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি ফেসবুক পেজ চালু করে অনলাইনে বিক্রি শুরু করেন। শুরুতে অর্ডার ছিল খুবই কম। তবে তিনি হাল ছাড়েননি। বিশ্বকাপ শুরু না হতেই সে এখন প্রায় লাখ টাকার মালিক।
সরকারি আশেক মাহমুদ কলেজের আবাসিক হলের ৪১০ নম্বর কক্ষ এখন যেন একটি ছোট্ট স্পোর্টস শপ। অনলাইনের পাশাপাশি অফলাইনেও বিক্রি করছেন তিনি। কলেজের বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষার্থী, ফুটবলপ্রেমী তরুণ এবং স্থানীয় ক্রেতারা সরাসরি তার কক্ষে এসে পছন্দের জার্সি কিনে নিয়ে যান। আবার দেশের বিভিন্ন প্রান্তের ক্রেতারা সামাজিক মাধ্যমে অর্ডার দিয়ে জার্সি সংগ্রহ করছেন।
বিশ্বকাপের উন্মাদনা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে তার ব্যবসাও পেয়েছে নতুন গতি। বর্তমানে আর্জেন্টিনা ও ব্রাজিলের জার্সির চাহিদা সবচেয়ে বেশি। তবে ক্রেতাদের অনুরোধে অন্যান্য দলের জার্সিও সরবরাহ করছেন তিনি।
সহপাঠী ফয়সাল আহমেদ জুমান বলেন, ‘পড়াশোনার পাশাপাশি একজন শিক্ষার্থী কীভাবে নিজের উদ্যোগে সফল হতে পারে, মাহিদুল তার উদাহরণ। তার সাফল্য দেখে অনেক শিক্ষার্থী এখন উদ্যোক্তা হওয়ার স্বপ্ন দেখছে।’
হিসাববিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী নাঈম হাসান বলেন, ‘অল্প পুঁজি নিয়ে শুরু করে দেশের ৬৪ জেলায় ব্যবসা ছড়িয়ে দেওয়া সহজ বিষয় নয়। মাহিদুল আমাদের মতো তরুণদের জন্য অনুপ্রেরণা হয়ে উঠেছে।’
স্থানীয়দের মতে, বর্তমান সময়ে তরুণদের মধ্যে চাকরির পেছনে ছোটার প্রবণতা বেশি দেখা যায়। সেখানে মাহিদুল নিজেই কর্মসংস্থানের পথ তৈরি করেছেন। তার এই উদ্যোগ প্রমাণ করে, অল্প পুঁজি দিয়েও সঠিক পরিকল্পনা, পরিশ্রম ও আত্মবিশ্বাস থাকলে সফল হওয়া সম্ভব।
মাহিদুল ইসলাম বলেন, ‘শুরুতে অনেকেই বলেছিল, হলের রুমে বসে ব্যবসা করে সফল হওয়া সম্ভব নয়। কিন্তু আমি বিশ্বাস করতাম সততা ও পরিশ্রম থাকলে একদিন সফল হব। প্রথম দিকে লাভের কথা চিন্তা না করে ক্রেতাদের আস্থা অর্জনের চেষ্টা করেছি। বর্তমানে দেশের প্রায় সব জেলা থেকেই অর্ডার পাচ্ছি। অনেক সময় একসঙ্গে এত বেশি অর্ডার আসে যে সামলাতে কষ্ট হয়। তারপরও চেষ্টা করি সময়মতো পণ্য পৌঁছে দিতে। ক্রেতাদের সন্তুষ্টিই আমার সবচেয়ে বড় অর্জন।’
তিনি আরও বলেন, ‘আশাকরি আমার প্রতিষ্ঠান একদিন দেশের পরিচিত স্পোর্টস ব্র্যান্ড হিসেবে গড়ে উঠবে। বিশ্বকাপ কেন্দ্র করে শুরু হলেও সারা বছর খেলাধুলার বিভিন্ন পণ্য নিয়ে কাজ করার পাশাপাশি তরুণদের জন্য কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করতে চাই।’

১২ জুলাই, ২০২৬ ১২:৩০
কুমিল্লার বুড়িচং উপজেলার পীরযাত্রাপুর ইউনিয়নের গোপিনাথপুর গ্রামের একটি পাঞ্জেগানা মসজিদে এশার আজান দেওয়ার সময় হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মাওলানা মো. আমিনুল ইসলাম (৪৮) নামে এক ইমামের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। শনিবার (১১ জুলাই) রাত আনুমানিক ৮টা ১৫ মিনিটে এ ঘটনা ঘটে। আল্লাহর ঘরে মুসল্লিদের নামাজের আহ্বান জানাতে গিয়ে তাঁর শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগের ঘটনায় এলাকায় গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
জানা যায়, উপজেলার পীরযাত্রাপুর ইউনিয়নের গোপিনাথপুর কাজীবাড়ি এলাকার মরহুম শামসুল আলমের ছেলে মাওলানা মো. আমিনুল ইসলাম দীর্ঘ তিন বছরেরও বেশি সময় ধরে স্থানীয় মাস্টারবাড়ি পাঞ্জেগানা মসজিদে ইমাম ও খতিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন। পাশাপাশি তিনি প্রায় এক দশক ধরে কণ্ঠনগর দক্ষিণপাড়া দারুল সুন্নাহ তাহফিজুল কোরআন মাদ্রাসার প্রধান শিক্ষক হিসেবে নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেন।
স্থানীয় সাবেক ইউপি সদস্য জহিরুল ইসলাম ও বর্তমান ইউপি সদস্য আবু জাহের সাংবাদিকদের জানান, প্রতিদিনের মতো শনিবার রাতেও তিনি এশার নামাজের আজান দিচ্ছিলেন। আজানের একপর্যায়ে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে মসজিদের ভেতরে লুটিয়ে পড়েন। পরে উপস্থিত মুসল্লিরা দ্রুত তাঁকে উদ্ধার করে বুড়িচং উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. গোলাম রব্বানী সোহেল পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।
স্থানীয়দের ভাষ্য, মাওলানা আমিনুল ইসলাম ছিলেন অত্যন্ত সাদাসিধে, বিনয়ী, ধর্মপ্রাণ ও সবার প্রিয় একজন আলেম। তাঁর ইমামতি, দ্বীনি শিক্ষা ও নৈতিক আদর্শ এলাকার মানুষের কাছে বিশেষভাবে সমাদৃত ছিল। তাঁর আকস্মিক মৃত্যুতে মুসল্লি, শিক্ষার্থী, শুভানুধ্যায়ী ও সর্বস্তরের মানুষের মাঝে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
পরিবার সূত্রে জানা গেছে, মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, দুই ছেলে, এক কন্যাসহ অসংখ্য আত্মীয়-স্বজন, শিক্ষার্থী ও গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। রোববার (১২ জুলাই) বাদ জোহর কণ্ঠনগর গ্রামে তাঁর জানাজার নামাজ অনুষ্ঠিত হবে। পরে পারিবারিক কবরস্থানে তাঁকে দাফন করা হবে। এ তথ্য সাংবাদিকদের নিশ্চিত করেছেন নিহতের স্ত্রীর ভাই ও উপজেলা বিএনপির প্রচার সম্পাদক নাজির মাহমুদ নছির।
আজানরত অবস্থায় একজন ইমামের মৃত্যুর ঘটনায় পুরো এলাকায় শোকের আবহ বিরাজ করছে। স্থানীয় মুসল্লি, আলেম-ওলামা ও সর্বস্তরের মানুষ তাঁর রুহের মাগফিরাত কামনা করে শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়েছেন।’
কুমিল্লার বুড়িচং উপজেলার পীরযাত্রাপুর ইউনিয়নের গোপিনাথপুর গ্রামের একটি পাঞ্জেগানা মসজিদে এশার আজান দেওয়ার সময় হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মাওলানা মো. আমিনুল ইসলাম (৪৮) নামে এক ইমামের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। শনিবার (১১ জুলাই) রাত আনুমানিক ৮টা ১৫ মিনিটে এ ঘটনা ঘটে। আল্লাহর ঘরে মুসল্লিদের নামাজের আহ্বান জানাতে গিয়ে তাঁর শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগের ঘটনায় এলাকায় গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
জানা যায়, উপজেলার পীরযাত্রাপুর ইউনিয়নের গোপিনাথপুর কাজীবাড়ি এলাকার মরহুম শামসুল আলমের ছেলে মাওলানা মো. আমিনুল ইসলাম দীর্ঘ তিন বছরেরও বেশি সময় ধরে স্থানীয় মাস্টারবাড়ি পাঞ্জেগানা মসজিদে ইমাম ও খতিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন। পাশাপাশি তিনি প্রায় এক দশক ধরে কণ্ঠনগর দক্ষিণপাড়া দারুল সুন্নাহ তাহফিজুল কোরআন মাদ্রাসার প্রধান শিক্ষক হিসেবে নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেন।
স্থানীয় সাবেক ইউপি সদস্য জহিরুল ইসলাম ও বর্তমান ইউপি সদস্য আবু জাহের সাংবাদিকদের জানান, প্রতিদিনের মতো শনিবার রাতেও তিনি এশার নামাজের আজান দিচ্ছিলেন। আজানের একপর্যায়ে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে মসজিদের ভেতরে লুটিয়ে পড়েন। পরে উপস্থিত মুসল্লিরা দ্রুত তাঁকে উদ্ধার করে বুড়িচং উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. গোলাম রব্বানী সোহেল পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।
স্থানীয়দের ভাষ্য, মাওলানা আমিনুল ইসলাম ছিলেন অত্যন্ত সাদাসিধে, বিনয়ী, ধর্মপ্রাণ ও সবার প্রিয় একজন আলেম। তাঁর ইমামতি, দ্বীনি শিক্ষা ও নৈতিক আদর্শ এলাকার মানুষের কাছে বিশেষভাবে সমাদৃত ছিল। তাঁর আকস্মিক মৃত্যুতে মুসল্লি, শিক্ষার্থী, শুভানুধ্যায়ী ও সর্বস্তরের মানুষের মাঝে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
পরিবার সূত্রে জানা গেছে, মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, দুই ছেলে, এক কন্যাসহ অসংখ্য আত্মীয়-স্বজন, শিক্ষার্থী ও গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। রোববার (১২ জুলাই) বাদ জোহর কণ্ঠনগর গ্রামে তাঁর জানাজার নামাজ অনুষ্ঠিত হবে। পরে পারিবারিক কবরস্থানে তাঁকে দাফন করা হবে। এ তথ্য সাংবাদিকদের নিশ্চিত করেছেন নিহতের স্ত্রীর ভাই ও উপজেলা বিএনপির প্রচার সম্পাদক নাজির মাহমুদ নছির।
আজানরত অবস্থায় একজন ইমামের মৃত্যুর ঘটনায় পুরো এলাকায় শোকের আবহ বিরাজ করছে। স্থানীয় মুসল্লি, আলেম-ওলামা ও সর্বস্তরের মানুষ তাঁর রুহের মাগফিরাত কামনা করে শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়েছেন।’

১১ জুলাই, ২০২৬ ২১:৩৭
সারা দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় হাম উপসর্গে আরও তিন শিশুর মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে নতুন করে আরও ৭৮৬ জনের শরীরে হাম ও এর উপসর্গ দেখা গেছে।
শনিবার (১১ জুলাই) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হামবিষয়ক নিয়মিত প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, গত একদিনে হামের উপসর্গ নিয়ে মোট তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। তবে একই সময়ে হামে কারো মৃত্যু হয়নি। সবমিলিয়ে গত ১৫ মার্চ থেকে শনিবার পর্যন্ত সারা দেশে হাম ও উপসর্গে মোট ৭৫৩ জনের মৃত্যু হলো।
এদিকে সারা দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে ৮৪ জনের হাম শনাক্ত হয়েছে। পাশাপাশি একই সময়ে আরও ৭০২ জনের মধ্যে রোগটির উপসর্গ দেখা গেছে। এনিয়ে গত ১৫ মার্চ থেকে শনিবার পর্যন্ত মোট ১ লাখ ১০ হাজার ৬০১ জনের শরীরে হামের উপসর্গ পাওয়া গেছে। সেই সঙ্গে একই সময়ে মোট ১৩ হাজার ৪১০ জনের হাম শনাক্ত হয়েছে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত ১৫ মার্চ থেকে শনিবার পর্যন্ত সারা দেশে হাম ও এর উপসর্গ নিয়ে মোট ৯৩ হাজার ৪৯১ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। তাদের মধ্যে এ পর্যন্ত সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে ৮৯ হাজার ৭৬২ জন ছাড়পত্র পেয়েছেন।
বরিশাল টাইমস
সারা দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় হাম উপসর্গে আরও তিন শিশুর মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে নতুন করে আরও ৭৮৬ জনের শরীরে হাম ও এর উপসর্গ দেখা গেছে।
শনিবার (১১ জুলাই) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হামবিষয়ক নিয়মিত প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, গত একদিনে হামের উপসর্গ নিয়ে মোট তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। তবে একই সময়ে হামে কারো মৃত্যু হয়নি। সবমিলিয়ে গত ১৫ মার্চ থেকে শনিবার পর্যন্ত সারা দেশে হাম ও উপসর্গে মোট ৭৫৩ জনের মৃত্যু হলো।
এদিকে সারা দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে ৮৪ জনের হাম শনাক্ত হয়েছে। পাশাপাশি একই সময়ে আরও ৭০২ জনের মধ্যে রোগটির উপসর্গ দেখা গেছে। এনিয়ে গত ১৫ মার্চ থেকে শনিবার পর্যন্ত মোট ১ লাখ ১০ হাজার ৬০১ জনের শরীরে হামের উপসর্গ পাওয়া গেছে। সেই সঙ্গে একই সময়ে মোট ১৩ হাজার ৪১০ জনের হাম শনাক্ত হয়েছে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত ১৫ মার্চ থেকে শনিবার পর্যন্ত সারা দেশে হাম ও এর উপসর্গ নিয়ে মোট ৯৩ হাজার ৪৯১ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। তাদের মধ্যে এ পর্যন্ত সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে ৮৯ হাজার ৭৬২ জন ছাড়পত্র পেয়েছেন।
বরিশাল টাইমস

১১ জুলাই, ২০২৬ ১৭:৩৮
দেশের নিম্ন ও মধ্যম আয়ের সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য একটি বড় স্বস্তির খবর আসছে। ক্রমবর্ধমান দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি ও জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধির প্রেক্ষাপটে সরকারি প্রতিষ্ঠানের ১২ থেকে ২০তম গ্রেডের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য রেশন সুবিধা চালুর সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।
মূল্যস্ফীতির কারণে আর্থিক সংকটে পড়ে অনেকেই ধার-দেনা ও ঋণের চাপে মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়ছেন, যা তাদের দাপ্তরিক দায়িত্ব পালনে নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে। সরকার মনে করছে, রেশন সুবিধা চালু হলে এই মানসিক চাপ কমবে এবং কর্মচারীদের কাজে মনোযোগ ও দক্ষতা বৃদ্ধি পাবে।
এই রেশন সুবিধা চালুর প্রস্তাবে ইতোমধ্যে অর্থ বিভাগ ও মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের নীতিগত সম্মতি মিলেছে। এ বিষয়ে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নিতে গত জুন মাসে অর্থ বিভাগের সচিবকে নির্দেশনা দিয়ে চিঠি পাঠিয়েছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। ওই চিঠিতে তিন মাস পর মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ ও বাস্তবায়নকারী মন্ত্রণালয়গুলোর সচিবদের নিয়ে একটি পর্যালোচনা বৈঠকে কাজের অগ্রগতি উপস্থাপনের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এর পাশাপাশি প্রতি মাসের ১০ তারিখের মধ্যে এই সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের মাসিক অগ্রগতিও মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের মাঠ প্রশাসন শাখায় পাঠাতে বলা হয়েছে।
মূলত, দেশজুড়ে ক্রমবর্ধমান জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধির বিষয়টি বিবেচনা করে ১২ থেকে ২০ গ্রেডের সরকারি কর্মচারীদের জন্য রেশন সুবিধা চালুর এই প্রস্তাবটি প্রথম উত্থাপন করেন পিরোজপুরের জেলা প্রশাসক। গত ৩ মে অনুষ্ঠিত জেলা প্রশাসক (ডিসি) সম্মেলনে এই প্রস্তাবটি তুলে ধরা হয়। সম্মেলনে বলা হয়, রেশন সুবিধা চালু হলে এই বৃহৎ জনগোষ্ঠীর জীবনযাত্রা অনেক সহজ হবে। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের মাঠ প্রশাসন অধিশাখার উপ-সচিব মো. মামুন জানান, ডিসি সম্মেলনে যেসব উন্নয়ন কার্যক্রম নিয়ে আলোচনা হয়েছে, তা বই আকারে প্রকাশের কাজ করছে বিজি প্রেস এবং সব মন্ত্রণালয়ের সচিবদের চিঠি দিয়ে তাদের করণীয় স্পষ্ট করে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে।
জনপ্রশাসন বিশেষজ্ঞ ও সরকারের সাবেক অতিরিক্ত সচিব ফিরোজ মিয়া সরকারের এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, ‘রেশন সুবিধা দেওয়ার প্রস্তাবটি ইতিবাচক এবং সময়োপযোগী। দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির কারণে সরকারি কর্মচারীদের জীবনযাপন বেশ কষ্টকর হয়ে উঠেছে। অনেকে দুর্নীতিতে জড়িয়ে পড়ার অজুহাত হিসেবে সুযোগ-সুবিধার অভাবের কথা বলেন, রেশন সুবিধা চালু হলে এই প্রবণতা নিয়ন্ত্রণে আসবে।’
তবে তিনি সতর্ক করে বলেন, সরকারকে এই রেশন বিতরণ ব্যবস্থাপনা অত্যন্ত সতর্কতার সঙ্গে পরিচালনা করতে হবে, যেন কোনো অনিয়ম না হয় এবং প্রকৃত উপকারভোগীরা এই সুবিধা পান।
মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের মাঠ প্রশাসন অধিশাখার উপসচিব মো. মামুন বলেন, ডিসি সম্মেলনের সিদ্ধান্তগুলো বাস্তবায়নে সংশ্লিষ্ট সব মন্ত্রণালয়কে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। প্রতি মাসের ১০ তারিখের মধ্যে বাস্তবায়নের অগ্রগতি মন্ত্রিপরিষদ বিভাগকে জানাতে বলা হয়েছে।
বর্তমানে সুলভ মূল্যে রেশন সুবিধা পাচ্ছেন সশস্ত্র বাহিনী, বাংলাদেশ পুলিশ, বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি), আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনী, কারা অধিদপ্তর, ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স, জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থা (এনএসআই), স্পেশাল সিকিউরিটি ফোর্স (এসএসএফ), দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) এবং মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের সদস্যরা।
১২তম গ্রেডের পদগুলোর মধ্যে রয়েছে অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিক, হিসাব সহকারী, ক্যাশিয়ার, সাঁট-মুদ্রাক্ষরিক কাম কম্পিউটার অপারেটর, গুদামরক্ষক, নিরাপত্তা পরিদর্শক, ডাটা এন্ট্রি সুপারভাইজার, অডিটর ও জুনিয়র ইনস্ট্রাক্টর। অন্যদিকে ২০তম গ্রেড সরকারি চাকরির সর্বনিম্ন স্তর, যেখানে অফিস সহায়ক, নিরাপত্তা প্রহরী, নৈশপ্রহরী, পিয়ন, মালী এবং পরিচ্ছন্নতাকর্মীর মতো পদ অন্তর্ভুক্ত।
এর আগে অন্তর্বর্তী সরকারের সময় সরকারি কর্মচারীরা রেশনসহ বিভিন্ন ভাতার দাবিতে আন্দোলন করেন। সে সময় খাদ্য উপদেষ্টা আলী ইমাম রেশন সুবিধা চালুর পক্ষে মত দিয়ে অর্থ বিভাগে চিঠি পাঠান। এরপর থেকেই বিষয়টি নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে আলোচনায় রয়েছে।
বরিশাল টাইমস
দেশের নিম্ন ও মধ্যম আয়ের সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য একটি বড় স্বস্তির খবর আসছে। ক্রমবর্ধমান দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি ও জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধির প্রেক্ষাপটে সরকারি প্রতিষ্ঠানের ১২ থেকে ২০তম গ্রেডের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য রেশন সুবিধা চালুর সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।
মূল্যস্ফীতির কারণে আর্থিক সংকটে পড়ে অনেকেই ধার-দেনা ও ঋণের চাপে মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়ছেন, যা তাদের দাপ্তরিক দায়িত্ব পালনে নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে। সরকার মনে করছে, রেশন সুবিধা চালু হলে এই মানসিক চাপ কমবে এবং কর্মচারীদের কাজে মনোযোগ ও দক্ষতা বৃদ্ধি পাবে।
এই রেশন সুবিধা চালুর প্রস্তাবে ইতোমধ্যে অর্থ বিভাগ ও মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের নীতিগত সম্মতি মিলেছে। এ বিষয়ে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নিতে গত জুন মাসে অর্থ বিভাগের সচিবকে নির্দেশনা দিয়ে চিঠি পাঠিয়েছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। ওই চিঠিতে তিন মাস পর মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ ও বাস্তবায়নকারী মন্ত্রণালয়গুলোর সচিবদের নিয়ে একটি পর্যালোচনা বৈঠকে কাজের অগ্রগতি উপস্থাপনের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এর পাশাপাশি প্রতি মাসের ১০ তারিখের মধ্যে এই সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের মাসিক অগ্রগতিও মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের মাঠ প্রশাসন শাখায় পাঠাতে বলা হয়েছে।
মূলত, দেশজুড়ে ক্রমবর্ধমান জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধির বিষয়টি বিবেচনা করে ১২ থেকে ২০ গ্রেডের সরকারি কর্মচারীদের জন্য রেশন সুবিধা চালুর এই প্রস্তাবটি প্রথম উত্থাপন করেন পিরোজপুরের জেলা প্রশাসক। গত ৩ মে অনুষ্ঠিত জেলা প্রশাসক (ডিসি) সম্মেলনে এই প্রস্তাবটি তুলে ধরা হয়। সম্মেলনে বলা হয়, রেশন সুবিধা চালু হলে এই বৃহৎ জনগোষ্ঠীর জীবনযাত্রা অনেক সহজ হবে। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের মাঠ প্রশাসন অধিশাখার উপ-সচিব মো. মামুন জানান, ডিসি সম্মেলনে যেসব উন্নয়ন কার্যক্রম নিয়ে আলোচনা হয়েছে, তা বই আকারে প্রকাশের কাজ করছে বিজি প্রেস এবং সব মন্ত্রণালয়ের সচিবদের চিঠি দিয়ে তাদের করণীয় স্পষ্ট করে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে।
জনপ্রশাসন বিশেষজ্ঞ ও সরকারের সাবেক অতিরিক্ত সচিব ফিরোজ মিয়া সরকারের এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, ‘রেশন সুবিধা দেওয়ার প্রস্তাবটি ইতিবাচক এবং সময়োপযোগী। দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির কারণে সরকারি কর্মচারীদের জীবনযাপন বেশ কষ্টকর হয়ে উঠেছে। অনেকে দুর্নীতিতে জড়িয়ে পড়ার অজুহাত হিসেবে সুযোগ-সুবিধার অভাবের কথা বলেন, রেশন সুবিধা চালু হলে এই প্রবণতা নিয়ন্ত্রণে আসবে।’
তবে তিনি সতর্ক করে বলেন, সরকারকে এই রেশন বিতরণ ব্যবস্থাপনা অত্যন্ত সতর্কতার সঙ্গে পরিচালনা করতে হবে, যেন কোনো অনিয়ম না হয় এবং প্রকৃত উপকারভোগীরা এই সুবিধা পান।
মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের মাঠ প্রশাসন অধিশাখার উপসচিব মো. মামুন বলেন, ডিসি সম্মেলনের সিদ্ধান্তগুলো বাস্তবায়নে সংশ্লিষ্ট সব মন্ত্রণালয়কে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। প্রতি মাসের ১০ তারিখের মধ্যে বাস্তবায়নের অগ্রগতি মন্ত্রিপরিষদ বিভাগকে জানাতে বলা হয়েছে।
বর্তমানে সুলভ মূল্যে রেশন সুবিধা পাচ্ছেন সশস্ত্র বাহিনী, বাংলাদেশ পুলিশ, বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি), আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনী, কারা অধিদপ্তর, ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স, জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থা (এনএসআই), স্পেশাল সিকিউরিটি ফোর্স (এসএসএফ), দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) এবং মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের সদস্যরা।
১২তম গ্রেডের পদগুলোর মধ্যে রয়েছে অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিক, হিসাব সহকারী, ক্যাশিয়ার, সাঁট-মুদ্রাক্ষরিক কাম কম্পিউটার অপারেটর, গুদামরক্ষক, নিরাপত্তা পরিদর্শক, ডাটা এন্ট্রি সুপারভাইজার, অডিটর ও জুনিয়র ইনস্ট্রাক্টর। অন্যদিকে ২০তম গ্রেড সরকারি চাকরির সর্বনিম্ন স্তর, যেখানে অফিস সহায়ক, নিরাপত্তা প্রহরী, নৈশপ্রহরী, পিয়ন, মালী এবং পরিচ্ছন্নতাকর্মীর মতো পদ অন্তর্ভুক্ত।
এর আগে অন্তর্বর্তী সরকারের সময় সরকারি কর্মচারীরা রেশনসহ বিভিন্ন ভাতার দাবিতে আন্দোলন করেন। সে সময় খাদ্য উপদেষ্টা আলী ইমাম রেশন সুবিধা চালুর পক্ষে মত দিয়ে অর্থ বিভাগে চিঠি পাঠান। এরপর থেকেই বিষয়টি নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে আলোচনায় রয়েছে।
বরিশাল টাইমস
১৩ জুলাই, ২০২৬ ২৩:৫৮
১৩ জুলাই, ২০২৬ ২১:৫১
১৩ জুলাই, ২০২৬ ২১:১৩
১৩ জুলাই, ২০২৬ ১৮:৩২