Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.

০৪ নভেম্বর, ২০২৫ ১৪:৩১
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) সাবেক ভিপি ও গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুরের নিজ আসন পটুয়াখালী-৩ (গলাচিপা ও দশমিনা) এ প্রার্থী দেয়নি বিএনপি।
একইভাবে এবি পার্টির সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদের নিজ আসন বরিশাল-৩ (বাবুগঞ্জ ও মুলাদী) এ প্রার্থী দেয়নি বিএনপি। দলের ঘোষিত ২৩৭ আসনের প্রার্থী তালিকায় এই দুইটিসহ বিভাগের আরো ৫টি আসনে প্রার্থীর নাম নেই। বিএনপি নেতাকর্মীরা বলছেন, আসন ৫টি নুরুল হক নুর এবং আসাদুজ্জামান ফুয়াদসহ শরীকদের জন্যই ‘খালি’ রাখা হয়েছে।
সোমবার (৩ নভেম্বর) বিকেলে রাজধানীর গুলশানে বিএনপির চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সাংবাদিক সম্মেলনে প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করেন।
এদিন পটুয়াখালী জেলার চারটি আসনের মধ্যে ১ ও ৪ নম্বর আসনে প্রার্থী দেওয়া হলেও ২ ও ৩ নম্বর আসন শূন্য রাখা হয়। অপরদিকে বরিশালের ৬টি আসনের মধ্যে বরিশাল-৩ আসন শূন্য রাখা হয়।
পটুয়াখালী-২ আসনেও প্রার্থী দেওয়া হয়নি।
সেখানে জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কার্যকরী সদস্য ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদের নাম আলোচনায় রয়েছে। স্থানীয় রাজনীতির মাঠে এখন জোটের হিসাব–নিকাশই আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু।
ঘোষিত তালিকায় পটুয়াখালী-১ আসনে প্রার্থী হয়েছেন দলের কেন্দ্রীয় ভাইস চেয়ারম্যান ও সাবেক স্বরাষ্ট্র ও বাণিজ্যমন্ত্রী এয়ার ভাইস মার্শাল (অব.) আলতাফ হোসেন চৌধুরী। আর পটুয়াখালী-৪ আসনে মনোনয়ন পেয়েছেন দলের কেন্দ্রীয় প্রশিক্ষণ বিষয়ক সম্পাদক এবিএম মোশাররফ হোসেন।
তবে ২ ও ৩ আসনে কেন প্রার্থী দেওয়া হয়নি, সে বিষয়ে দলের ভেতরে নানা আলোচনা চলছে। কেন্দ্রীয় নেতারা বলছেন, ওই দুই আসনে শরিক দলের সমন্বয় ও প্রভাবশালী সম্ভাব্য প্রার্থীদের উপস্থিতির কারণে ‘চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত’ স্থগিত রাখা হয়েছে।
পটুয়াখালী-৩ আসনে বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশী ছিলেন কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য হাসান মামুন। বিএনপির প্রার্থী তালিকা ঘোষণার পর সন্ধ্যায় তিনি নিজের ফেসবুক পেজে লেখেন, ‘প্রিয় গলাচিপা-দশমিনাবাসী, আপনারা ধৈর্য ও আশঙ্কামুক্ত থাকুন। যেকোনো পরিস্থিতিতেই পটুয়াখালী-৩ আসনে বিএনপি দলীয় প্রার্থী ঘোষণা করবে ইনশাআল্লাহ।’
অন্যদিকে, ওই আসন থেকে গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুর ইতোমধ্যে নির্বাচনে অংশ নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন। স্থানীয় বিএনপি ও গণঅধিকার পরিষদের মধ্যে সমন্বয়ের ইঙ্গিতও মিলছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অনেকে লিখছেন, আসনটি মূলত নুরুল হক নুরের জন্যই ফাঁকা রাখা হয়েছে।
এদিকে বরিশাল-১ (গৌরনদী-আগৈলঝাড়া) জহির উদ্দিন স্বপন, বরিশাল-২ (উজিরপুর-বানারীপাড়া) এস সরফুদ্দিন সান্টু, বরিশাল-৪ (হিজলা-মেহেন্দীগঞ্জ) রাজীব আহসান, বরিশাল-৫ (মহানগর ও সদর উপজেলা) মজিবর রহমান সরোয়ার এবং বরিশাল-৬ (বাকেরগঞ্জ) আবুল হোসেন খান।
তবে বরিশাল-৩ (বাবুগঞ্জ-মুলাদী) শূন্য রাখা হয়েছে। মনোনয়ন আলোচনার শীর্ষে থাকা বরিশাল-৩ আসনে প্রার্থী ঘোষণা করেনি বিএনপি। মুলাদী-বাবুগঞ্জ উপজেলা নিয়ে গঠিত এ আসনে মনোনয়ন আলোচনায় রয়েছেন দলের দুই শীর্ষ নেতা। তারা হলেন- বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য বেগম সেলিমা রহমান ও কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির ভাইস চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদীন।
তবে আসনটিতে আমার বাংলাদেশ পার্টির (এবি পার্টি) সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন বলে ঘোষণা দিয়েছেন।
তিনি নির্বাচনে অংশ নিলে জোটের স্বার্থে বিএনপির পক্ষ থেকে আসনটি ছাড় দেওয়া হতে পারে বলে আলোচনা দীর্ঘদিনের। সেই আলোচনা আরো তীব্র করেছে আসনটিতে বিএনপি মনোনীত প্রার্থীর নাম ঘোষণা না করা।
গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুর এবং ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদের মোবাইল নম্বরে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাঁরা সাড়া দেননি।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) সাবেক ভিপি ও গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুরের নিজ আসন পটুয়াখালী-৩ (গলাচিপা ও দশমিনা) এ প্রার্থী দেয়নি বিএনপি।
একইভাবে এবি পার্টির সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদের নিজ আসন বরিশাল-৩ (বাবুগঞ্জ ও মুলাদী) এ প্রার্থী দেয়নি বিএনপি। দলের ঘোষিত ২৩৭ আসনের প্রার্থী তালিকায় এই দুইটিসহ বিভাগের আরো ৫টি আসনে প্রার্থীর নাম নেই। বিএনপি নেতাকর্মীরা বলছেন, আসন ৫টি নুরুল হক নুর এবং আসাদুজ্জামান ফুয়াদসহ শরীকদের জন্যই ‘খালি’ রাখা হয়েছে।
সোমবার (৩ নভেম্বর) বিকেলে রাজধানীর গুলশানে বিএনপির চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সাংবাদিক সম্মেলনে প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করেন।
এদিন পটুয়াখালী জেলার চারটি আসনের মধ্যে ১ ও ৪ নম্বর আসনে প্রার্থী দেওয়া হলেও ২ ও ৩ নম্বর আসন শূন্য রাখা হয়। অপরদিকে বরিশালের ৬টি আসনের মধ্যে বরিশাল-৩ আসন শূন্য রাখা হয়।
পটুয়াখালী-২ আসনেও প্রার্থী দেওয়া হয়নি।
সেখানে জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কার্যকরী সদস্য ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদের নাম আলোচনায় রয়েছে। স্থানীয় রাজনীতির মাঠে এখন জোটের হিসাব–নিকাশই আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু।
ঘোষিত তালিকায় পটুয়াখালী-১ আসনে প্রার্থী হয়েছেন দলের কেন্দ্রীয় ভাইস চেয়ারম্যান ও সাবেক স্বরাষ্ট্র ও বাণিজ্যমন্ত্রী এয়ার ভাইস মার্শাল (অব.) আলতাফ হোসেন চৌধুরী। আর পটুয়াখালী-৪ আসনে মনোনয়ন পেয়েছেন দলের কেন্দ্রীয় প্রশিক্ষণ বিষয়ক সম্পাদক এবিএম মোশাররফ হোসেন।
তবে ২ ও ৩ আসনে কেন প্রার্থী দেওয়া হয়নি, সে বিষয়ে দলের ভেতরে নানা আলোচনা চলছে। কেন্দ্রীয় নেতারা বলছেন, ওই দুই আসনে শরিক দলের সমন্বয় ও প্রভাবশালী সম্ভাব্য প্রার্থীদের উপস্থিতির কারণে ‘চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত’ স্থগিত রাখা হয়েছে।
পটুয়াখালী-৩ আসনে বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশী ছিলেন কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য হাসান মামুন। বিএনপির প্রার্থী তালিকা ঘোষণার পর সন্ধ্যায় তিনি নিজের ফেসবুক পেজে লেখেন, ‘প্রিয় গলাচিপা-দশমিনাবাসী, আপনারা ধৈর্য ও আশঙ্কামুক্ত থাকুন। যেকোনো পরিস্থিতিতেই পটুয়াখালী-৩ আসনে বিএনপি দলীয় প্রার্থী ঘোষণা করবে ইনশাআল্লাহ।’
অন্যদিকে, ওই আসন থেকে গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুর ইতোমধ্যে নির্বাচনে অংশ নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন। স্থানীয় বিএনপি ও গণঅধিকার পরিষদের মধ্যে সমন্বয়ের ইঙ্গিতও মিলছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অনেকে লিখছেন, আসনটি মূলত নুরুল হক নুরের জন্যই ফাঁকা রাখা হয়েছে।
এদিকে বরিশাল-১ (গৌরনদী-আগৈলঝাড়া) জহির উদ্দিন স্বপন, বরিশাল-২ (উজিরপুর-বানারীপাড়া) এস সরফুদ্দিন সান্টু, বরিশাল-৪ (হিজলা-মেহেন্দীগঞ্জ) রাজীব আহসান, বরিশাল-৫ (মহানগর ও সদর উপজেলা) মজিবর রহমান সরোয়ার এবং বরিশাল-৬ (বাকেরগঞ্জ) আবুল হোসেন খান।
তবে বরিশাল-৩ (বাবুগঞ্জ-মুলাদী) শূন্য রাখা হয়েছে। মনোনয়ন আলোচনার শীর্ষে থাকা বরিশাল-৩ আসনে প্রার্থী ঘোষণা করেনি বিএনপি। মুলাদী-বাবুগঞ্জ উপজেলা নিয়ে গঠিত এ আসনে মনোনয়ন আলোচনায় রয়েছেন দলের দুই শীর্ষ নেতা। তারা হলেন- বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য বেগম সেলিমা রহমান ও কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির ভাইস চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদীন।
তবে আসনটিতে আমার বাংলাদেশ পার্টির (এবি পার্টি) সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন বলে ঘোষণা দিয়েছেন।
তিনি নির্বাচনে অংশ নিলে জোটের স্বার্থে বিএনপির পক্ষ থেকে আসনটি ছাড় দেওয়া হতে পারে বলে আলোচনা দীর্ঘদিনের। সেই আলোচনা আরো তীব্র করেছে আসনটিতে বিএনপি মনোনীত প্রার্থীর নাম ঘোষণা না করা।
গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুর এবং ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদের মোবাইল নম্বরে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাঁরা সাড়া দেননি।

১২ এপ্রিল, ২০২৬ ২০:১৮

১১ এপ্রিল, ২০২৬ ২২:১০
বরিশালের বাবুগঞ্জে প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষার্থীদের শিক্ষা উপকরণ প্রদান করেছেন বরিশাল মহানগর ছাত্রদলের সহ-সভাপতি ও সরকারি বাবুগঞ্জ পাইলট মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের খণ্ডকালীন সহকারী শিক্ষক আজিজুল হক। শনিবার (১১ এপ্রিল) দুপুরে তিনি নিজ উদ্যোগে এবং অর্থায়নে বাবুগঞ্জ সরকারি মডেল প্রাথমিক বিদ্যালয় মিলনায়তনে পঞ্চম শ্রেণির ৪৮ জন জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষার্থীদের মাঝে ক্লিপ বোর্ড, স্কেল, কলম, ফাইলসহ বিভিন্ন শিক্ষা উপকরণ বিতরণ করেন। এসময় সেখানে এক সংক্ষিপ্ত মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।
বাবুগঞ্জ সরকারি মডেল প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোসম্মৎ আমিনার সভাপতিত্বে এসময় বক্তব্য রাখেন বরিশাল মহানগর ছাত্রদলের সহ-সভাপতি আজিজুল হক মাস্টার, বিমানবন্দর প্রেসক্লাবের সভাপতি ও সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) সম্পাদক আরিফ আহমেদ মুন্না এবং বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক আবদুস সালাম। এসময় সেখানে শিক্ষা উপকরণ উপহারপ্রাপ্ত পঞ্চম শ্রেণির বৃত্তি পরীক্ষার্থী ছাড়াও তাদের অভিভাবক, বিদ্যালয়ের শিক্ষকবৃন্দ, সাংবাদিক ও সুশীল সমাজের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষার্থীদের বিনামূল্যে শিক্ষা উপকরণ বিতরণ প্রসঙ্গে বরিশাল মহানগর ছাত্রদলের সহ-সভাপতি আজিজুল হক মাস্টার বলেন, 'শিক্ষা জীবনের প্রাথমিক ধাপটা অতিক্রম করার সময় মেধাবী বৃত্তি পরীক্ষার্থীদের একটু উৎসাহ এবং অনুপ্রেরণা দিতেই আমার এই ক্ষুদ্র প্রয়াস। এর আগেও আমি সরকারি বাবুগঞ্জ পাইলট মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মাঝে বিভিন্ন সময়ে শিক্ষা উপকরণ বিতরণ করেছি। এর পাশাপাশি বিভিন্ন গরীব, অসহায় শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন সাহায্য সহযোগিতা করাসহ তাদের পাশে থাকার চেষ্টা করেছি। ছাত্রদলের একজন কর্মী হিসেবে সবসময় ছাত্র-ছাত্রীদের পাশে থাকা আমার দায়িত্ব বলে মনে করি। আমার সাধ অনেক কিন্তু সাধ্য সীমিত। তবুও সেই সীমিত সাধ্য দিয়েই যতটুকু সম্ভব মানুষের কল্যাণে সবসময় কাজ করে যেতে চাই।' #


১১ এপ্রিল, ২০২৬ ১৯:৪৭
মধুমাস জ্যৈষ্ঠ অত্যাসন্ন। ফলের মৌসুমের শুরুতে চৈত্রেই গাছে গাছে ঝুঁলছে আম, কাঁঠাল, জাম্বুরা, লিচু,কলা,পেয়ারাসহ নানা রসাঁলো ফল। ক্ষেতে তরমুজ ফুটি/ভাঙ্গিসহ প্রভৃতি ফল জানান দিচ্ছে এসেছে ফলের মৌসুম।
এ বছর আম-কাঁঠালের বাম্পার ফলণের সম্ভাবনা উঁকি দিচ্ছে। দেশের প্রতিটি বাড়িতে,বাগানে আম,কাঁঠাল, জাম্বুরার ফলণ রেকর্ড সৃষ্টি করেছে। ক্ষেতের তরমুজ, ফুটি-ভাঙ্গি সেই রমজান থেকেই বাজারে পাওয়া যাচ্ছে।
আগাম কাঁচা-পাকা আমেরও দেখা মিলছে হাট-বাজারে। বরিশালের বানারীপাড়া পৌর শহরের ২ নম্বর ওয়ার্ডে ঘরের আঙিনায় সাইদুর রহমানের এক গাছে শতাধিক কাঁঠাল যেন দেশজুড়ে কাঁঠালের বাম্পার ফলণেরই প্রতিচ্ছবি ফুটে উঠেছে।
মাত্র ৪ বছর বয়সী এ গাছটির গোড়া থেকে আগা পর্যন্ত থোকায় থোকায় ঝুলে আছে সুস্বাদু রসালো ফল কাঁঠাল। সাইদুর রহমান বলেন, আল্লাহর রহমতে কাঁঠালগুলো পরিপক্ব হয়ে পাকার পরে নিজের পরিবারের সদস্যদের নিয়ে খাওয়ার পাশাপাশি প্রতিবেশীসহ আত্মীয়-স্বজনদের মাঝে বিতরণ করবেন।
বরিশালের বাকেরগঞ্জ উপজেলার কবাই ইউনিয়নের কালেরকাঠি গ্রামে ২ কোটি ২৩ লাখ টাকা ব্যয়ে নির্মিত একটি সেতু ব্যবহার অনুপযোগী হয়ে পড়েছে সংযোগ সড়ক না থাকায়। ফলে দীর্ঘদিন ধরে সেতুটি কাজে লাগাতে না পেরে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন কবাই ইউনিয়নের ৫ গ্রামের হাজারো মানুষ।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, জনসাধারণের চলাচল সহজ করতে ও এলাকার যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নের লক্ষ্যে কালেরকাঠি গ্রামের পোরাবর্ধন খালের উপর ২০২৩ সালে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের তত্ত্বাবধানে একটি সেতু নির্মাণ করা হয়। সেতুটি নির্মাণ কাজ করেন এমএস রুপালি কনস্ট্রাকশন নামের একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। সেতুটি নির্মাণের প্রায় এক বছর শেষ হলেও এখন পর্যন্ত সংযোগ সড়ক নির্মাণ করেনি কর্তৃপক্ষ। সেতুর দুই পাশে সংযোগ সড়ক নির্মাণ না করায় এটি কার্যত অচল অবস্থায় পড়ে আছে। সেতু থাকলেও রাস্তা না থাকায় মানুষকে এখনও পুরনো ঝুঁকিপূর্ণ পথ ব্যবহার করতে হচ্ছে।
স্থানীয় বাসিন্দা অহিদুল তালুকদার জানান, এখানে একটি ভাঙ্গা সেতু ছিল যে সেতুটি পারাপার হতে গিয়ে একযুগেরও বেশি সময় এই এলাকার সাধারণ মানুষের ভোগান্তি ছিল। এখন নতুন সেতু হলেও সংযোগ সড়ক না থাকায় আগের মতোই দুর্ভোগ রয়ে গেছে। এই এলাকার সাধারণ মানুষের বর্ষা মৌসুমে চলাচল আরও কষ্টকর হয়ে পড়ে। স্কুল-কলেজগামী শিক্ষার্থী, কৃষক ও সাধারণ মানুষ প্রতিনিয়ত দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন। জরুরি প্রয়োজনে রোগী পরিবহন করতেও দেখা দেয় মারাত্মক সমস্যা।
এ বিষয়ে এলাকার একাধিক ভুক্তভোগী বলেন, কবাই ইউনিয়নের কালেরকাঠি, ঢোলা,শিয়ালঘুনি, হানুয়া, পেয়ারপুর সহ পাঁচ গ্রামের মানুষ এই সেতুটি ব্যবহার করে। সরকার কোটি কোটি টাকা খরচ করে সেতু নির্মাণ করেছে, কিন্তু সংযোগ সড়ক না থাকায় এর কোনো সুফল পাচ্ছি না। দ্রুত রাস্তা নির্মাণ করা না হলে এ সেতু শুধু দেখার জিনিস হিসেবেই থেকে যাবে।
এদিকে স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা জানান, সংযোগ সড়ক নির্মাণের বিষয়টি সংশ্লিষ্ট দপ্তরে জানানো হয়েছে এবং দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস পাওয়া গেছে।
এলাকাবাসীর দাবি, অবিলম্বে সংযোগ সড়ক নির্মাণ করে সেতুটি চলাচলের উপযোগী করা হোক, যাতে জনসাধারণের দুর্ভোগ লাঘব হয় এবং সরকারের উন্নয়ন প্রকল্পের সঠিক সুফল তারা পেতে পারে।
উপজেলা এলজিইডি নির্বাহী প্রকৌশলী মো: হাসনাইন আহমেদ বলেন, সেতুটি সংযোগ সড়ক নির্মাণের জন্য উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ বরাবর নতুন করে ডিজাইন করে রিভাইস পাঠানো হয়েছে। প্রয়োজনীয় বরাদ্দ আসলেই দ্রুত সময়ের মধ্যে সেতুটির সংযোগ সড়ক নির্মাণ করা হবে।
বরিশাল টাইমস
বরিশালের বাকেরগঞ্জ উপজেলার কবাই ইউনিয়নের কালেরকাঠি গ্রামে ২ কোটি ২৩ লাখ টাকা ব্যয়ে নির্মিত একটি সেতু ব্যবহার অনুপযোগী হয়ে পড়েছে সংযোগ সড়ক না থাকায়। ফলে দীর্ঘদিন ধরে সেতুটি কাজে লাগাতে না পেরে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন কবাই ইউনিয়নের ৫ গ্রামের হাজারো মানুষ।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, জনসাধারণের চলাচল সহজ করতে ও এলাকার যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নের লক্ষ্যে কালেরকাঠি গ্রামের পোরাবর্ধন খালের উপর ২০২৩ সালে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের তত্ত্বাবধানে একটি সেতু নির্মাণ করা হয়। সেতুটি নির্মাণ কাজ করেন এমএস রুপালি কনস্ট্রাকশন নামের একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। সেতুটি নির্মাণের প্রায় এক বছর শেষ হলেও এখন পর্যন্ত সংযোগ সড়ক নির্মাণ করেনি কর্তৃপক্ষ। সেতুর দুই পাশে সংযোগ সড়ক নির্মাণ না করায় এটি কার্যত অচল অবস্থায় পড়ে আছে। সেতু থাকলেও রাস্তা না থাকায় মানুষকে এখনও পুরনো ঝুঁকিপূর্ণ পথ ব্যবহার করতে হচ্ছে।
স্থানীয় বাসিন্দা অহিদুল তালুকদার জানান, এখানে একটি ভাঙ্গা সেতু ছিল যে সেতুটি পারাপার হতে গিয়ে একযুগেরও বেশি সময় এই এলাকার সাধারণ মানুষের ভোগান্তি ছিল। এখন নতুন সেতু হলেও সংযোগ সড়ক না থাকায় আগের মতোই দুর্ভোগ রয়ে গেছে। এই এলাকার সাধারণ মানুষের বর্ষা মৌসুমে চলাচল আরও কষ্টকর হয়ে পড়ে। স্কুল-কলেজগামী শিক্ষার্থী, কৃষক ও সাধারণ মানুষ প্রতিনিয়ত দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন। জরুরি প্রয়োজনে রোগী পরিবহন করতেও দেখা দেয় মারাত্মক সমস্যা।
এ বিষয়ে এলাকার একাধিক ভুক্তভোগী বলেন, কবাই ইউনিয়নের কালেরকাঠি, ঢোলা,শিয়ালঘুনি, হানুয়া, পেয়ারপুর সহ পাঁচ গ্রামের মানুষ এই সেতুটি ব্যবহার করে। সরকার কোটি কোটি টাকা খরচ করে সেতু নির্মাণ করেছে, কিন্তু সংযোগ সড়ক না থাকায় এর কোনো সুফল পাচ্ছি না। দ্রুত রাস্তা নির্মাণ করা না হলে এ সেতু শুধু দেখার জিনিস হিসেবেই থেকে যাবে।
এদিকে স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা জানান, সংযোগ সড়ক নির্মাণের বিষয়টি সংশ্লিষ্ট দপ্তরে জানানো হয়েছে এবং দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস পাওয়া গেছে।
এলাকাবাসীর দাবি, অবিলম্বে সংযোগ সড়ক নির্মাণ করে সেতুটি চলাচলের উপযোগী করা হোক, যাতে জনসাধারণের দুর্ভোগ লাঘব হয় এবং সরকারের উন্নয়ন প্রকল্পের সঠিক সুফল তারা পেতে পারে।
উপজেলা এলজিইডি নির্বাহী প্রকৌশলী মো: হাসনাইন আহমেদ বলেন, সেতুটি সংযোগ সড়ক নির্মাণের জন্য উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ বরাবর নতুন করে ডিজাইন করে রিভাইস পাঠানো হয়েছে। প্রয়োজনীয় বরাদ্দ আসলেই দ্রুত সময়ের মধ্যে সেতুটির সংযোগ সড়ক নির্মাণ করা হবে।
বরিশাল টাইমস
বরিশালের বাবুগঞ্জে প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষার্থীদের শিক্ষা উপকরণ প্রদান করেছেন বরিশাল মহানগর ছাত্রদলের সহ-সভাপতি ও সরকারি বাবুগঞ্জ পাইলট মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের খণ্ডকালীন সহকারী শিক্ষক আজিজুল হক। শনিবার (১১ এপ্রিল) দুপুরে তিনি নিজ উদ্যোগে এবং অর্থায়নে বাবুগঞ্জ সরকারি মডেল প্রাথমিক বিদ্যালয় মিলনায়তনে পঞ্চম শ্রেণির ৪৮ জন জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষার্থীদের মাঝে ক্লিপ বোর্ড, স্কেল, কলম, ফাইলসহ বিভিন্ন শিক্ষা উপকরণ বিতরণ করেন। এসময় সেখানে এক সংক্ষিপ্ত মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।
বাবুগঞ্জ সরকারি মডেল প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোসম্মৎ আমিনার সভাপতিত্বে এসময় বক্তব্য রাখেন বরিশাল মহানগর ছাত্রদলের সহ-সভাপতি আজিজুল হক মাস্টার, বিমানবন্দর প্রেসক্লাবের সভাপতি ও সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) সম্পাদক আরিফ আহমেদ মুন্না এবং বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক আবদুস সালাম। এসময় সেখানে শিক্ষা উপকরণ উপহারপ্রাপ্ত পঞ্চম শ্রেণির বৃত্তি পরীক্ষার্থী ছাড়াও তাদের অভিভাবক, বিদ্যালয়ের শিক্ষকবৃন্দ, সাংবাদিক ও সুশীল সমাজের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষার্থীদের বিনামূল্যে শিক্ষা উপকরণ বিতরণ প্রসঙ্গে বরিশাল মহানগর ছাত্রদলের সহ-সভাপতি আজিজুল হক মাস্টার বলেন, 'শিক্ষা জীবনের প্রাথমিক ধাপটা অতিক্রম করার সময় মেধাবী বৃত্তি পরীক্ষার্থীদের একটু উৎসাহ এবং অনুপ্রেরণা দিতেই আমার এই ক্ষুদ্র প্রয়াস। এর আগেও আমি সরকারি বাবুগঞ্জ পাইলট মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মাঝে বিভিন্ন সময়ে শিক্ষা উপকরণ বিতরণ করেছি। এর পাশাপাশি বিভিন্ন গরীব, অসহায় শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন সাহায্য সহযোগিতা করাসহ তাদের পাশে থাকার চেষ্টা করেছি। ছাত্রদলের একজন কর্মী হিসেবে সবসময় ছাত্র-ছাত্রীদের পাশে থাকা আমার দায়িত্ব বলে মনে করি। আমার সাধ অনেক কিন্তু সাধ্য সীমিত। তবুও সেই সীমিত সাধ্য দিয়েই যতটুকু সম্ভব মানুষের কল্যাণে সবসময় কাজ করে যেতে চাই।' #

মধুমাস জ্যৈষ্ঠ অত্যাসন্ন। ফলের মৌসুমের শুরুতে চৈত্রেই গাছে গাছে ঝুঁলছে আম, কাঁঠাল, জাম্বুরা, লিচু,কলা,পেয়ারাসহ নানা রসাঁলো ফল। ক্ষেতে তরমুজ ফুটি/ভাঙ্গিসহ প্রভৃতি ফল জানান দিচ্ছে এসেছে ফলের মৌসুম।
এ বছর আম-কাঁঠালের বাম্পার ফলণের সম্ভাবনা উঁকি দিচ্ছে। দেশের প্রতিটি বাড়িতে,বাগানে আম,কাঁঠাল, জাম্বুরার ফলণ রেকর্ড সৃষ্টি করেছে। ক্ষেতের তরমুজ, ফুটি-ভাঙ্গি সেই রমজান থেকেই বাজারে পাওয়া যাচ্ছে।
আগাম কাঁচা-পাকা আমেরও দেখা মিলছে হাট-বাজারে। বরিশালের বানারীপাড়া পৌর শহরের ২ নম্বর ওয়ার্ডে ঘরের আঙিনায় সাইদুর রহমানের এক গাছে শতাধিক কাঁঠাল যেন দেশজুড়ে কাঁঠালের বাম্পার ফলণেরই প্রতিচ্ছবি ফুটে উঠেছে।
মাত্র ৪ বছর বয়সী এ গাছটির গোড়া থেকে আগা পর্যন্ত থোকায় থোকায় ঝুলে আছে সুস্বাদু রসালো ফল কাঁঠাল। সাইদুর রহমান বলেন, আল্লাহর রহমতে কাঁঠালগুলো পরিপক্ব হয়ে পাকার পরে নিজের পরিবারের সদস্যদের নিয়ে খাওয়ার পাশাপাশি প্রতিবেশীসহ আত্মীয়-স্বজনদের মাঝে বিতরণ করবেন।