
০৩ জুন, ২০২৫ ১৪:৪৫
নেভি ট্রেনিং অ্যান্ড ডকট্রিন কমান্ড (এনটিডিসি)-এর তত্ত্বাবধানে এই ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্পে নৌবাহিনীর অভিজ্ঞ ও বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক দল সাধারণ রোগ নির্ণয়, প্রয়োজনীয় চিকিৎসা পরামর্শ এবং বিনামূল্যে ওষুধ বিতরণ করেন।
চিকিৎসা নিতে আসা স্থানীয় সফুরা বেগম (৭০) বলেন, ‘আমার শরীরটা মাঝেমাঝে খুব খারাপ হয়। কিন্তু দূরে গিয়ে চিকিৎসা নেওয়া কষ্টকর। আজকে ঘরের কাছে ডাক্তার পেয়ে অনেক উপকার হয়েছে।’
রেজাউল নামে একজন যুবক বলেন, ‘আমরা সাধারণ মানুষ, টাকার অভাবে অনেক সময় ডাক্তার দেখানো সম্ভব হয় না। নৌবাহিনীর এই উদ্যোগ খুবই ভালো। তারা যেন বারবার এসে এমন ক্যাম্প করে।’
স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরাও নৌবাহিনীর এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন। লালুয়া ইউনিয়ন পরিষদের ৩নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মো. মোজাম্মেল হক বলেন, ‘উপকূলীয় এই অঞ্চলে অনেকেই ন্যূনতম চিকিৎসা সেবার সুবিধা থেকে বঞ্চিত। এই ক্যাম্প মানুষের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিয়েছে। নৌবাহিনীর এমন উদ্যোগকে আমরা সাধুবাদ জানাই। আমরা চাই অন্তত তিনমাস পরপর এমন ক্যাম্পের আয়োজন করা হোক।’
বাংলাদেশ নৌবাহিনী জানায়, ক্যাম্পে আগতরা পেটের সমস্যা, চোখ ও ত্বকের রোগ, উচ্চ রক্তচাপ, বাতজ্বরসহ নানা স্বাস্থ্য জটিলতার চিকিৎসা সেবা গ্রহণ করেন। দেশের দুর্গম ও প্রত্যন্ত এলাকায় অসহায় ও দরিদ্র জনগণের জন্য তারা নিয়মিতভাবে এ ধরনের চিকিৎসা ক্যাম্প আয়োজন করে থাকেন। ভবিষ্যতেও এই কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।
নৌবাহিনীর এমন মানবিক উদ্যোগ শুধু চিকিৎসাসেবা নয় বরং রাষ্ট্রের প্রত্যন্ত জনগোষ্ঠীর পাশে দাঁড়ানোর একটি অনন্য দৃষ্টান্ত। এর মাধ্যমে একদিকে যেমন উপকৃত হচ্ছে স্থানীয় মানুষ, অন্যদিকে রাষ্ট্রীয় বাহিনী ও সাধারণ মানুষের মাঝে সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় হচ্ছে।
নেভি ট্রেনিং অ্যান্ড ডকট্রিন কমান্ড (এনটিডিসি)-এর তত্ত্বাবধানে এই ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্পে নৌবাহিনীর অভিজ্ঞ ও বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক দল সাধারণ রোগ নির্ণয়, প্রয়োজনীয় চিকিৎসা পরামর্শ এবং বিনামূল্যে ওষুধ বিতরণ করেন।
চিকিৎসা নিতে আসা স্থানীয় সফুরা বেগম (৭০) বলেন, ‘আমার শরীরটা মাঝেমাঝে খুব খারাপ হয়। কিন্তু দূরে গিয়ে চিকিৎসা নেওয়া কষ্টকর। আজকে ঘরের কাছে ডাক্তার পেয়ে অনেক উপকার হয়েছে।’
রেজাউল নামে একজন যুবক বলেন, ‘আমরা সাধারণ মানুষ, টাকার অভাবে অনেক সময় ডাক্তার দেখানো সম্ভব হয় না। নৌবাহিনীর এই উদ্যোগ খুবই ভালো। তারা যেন বারবার এসে এমন ক্যাম্প করে।’
স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরাও নৌবাহিনীর এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন। লালুয়া ইউনিয়ন পরিষদের ৩নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মো. মোজাম্মেল হক বলেন, ‘উপকূলীয় এই অঞ্চলে অনেকেই ন্যূনতম চিকিৎসা সেবার সুবিধা থেকে বঞ্চিত। এই ক্যাম্প মানুষের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিয়েছে। নৌবাহিনীর এমন উদ্যোগকে আমরা সাধুবাদ জানাই। আমরা চাই অন্তত তিনমাস পরপর এমন ক্যাম্পের আয়োজন করা হোক।’
বাংলাদেশ নৌবাহিনী জানায়, ক্যাম্পে আগতরা পেটের সমস্যা, চোখ ও ত্বকের রোগ, উচ্চ রক্তচাপ, বাতজ্বরসহ নানা স্বাস্থ্য জটিলতার চিকিৎসা সেবা গ্রহণ করেন। দেশের দুর্গম ও প্রত্যন্ত এলাকায় অসহায় ও দরিদ্র জনগণের জন্য তারা নিয়মিতভাবে এ ধরনের চিকিৎসা ক্যাম্প আয়োজন করে থাকেন। ভবিষ্যতেও এই কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।
নৌবাহিনীর এমন মানবিক উদ্যোগ শুধু চিকিৎসাসেবা নয় বরং রাষ্ট্রের প্রত্যন্ত জনগোষ্ঠীর পাশে দাঁড়ানোর একটি অনন্য দৃষ্টান্ত। এর মাধ্যমে একদিকে যেমন উপকৃত হচ্ছে স্থানীয় মানুষ, অন্যদিকে রাষ্ট্রীয় বাহিনী ও সাধারণ মানুষের মাঝে সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় হচ্ছে।
১১ মার্চ, ২০২৬ ১৪:৪১
১১ মার্চ, ২০২৬ ১৪:০৫
১১ মার্চ, ২০২৬ ১৩:৫৪
১১ মার্চ, ২০২৬ ১৩:৩৮

১১ মার্চ, ২০২৬ ১২:৪৫
পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় গ্রাম পুলিশ নিয়োগকে কেন্দ্র করে ৯ নম্বর ধুলাসার ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হাফেজ আব্দুর রহিমের টাকা লেনদেনের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। ভিডিওতে চেয়ারম্যানকে টাকার বান্ডিল নাড়াচাড়া করতে দেখা যায়। এ নিয়ে জনমনে চরম ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
মঙ্গলবার (১০ মার্চ) বিকেলে ছড়িয়ে পড়া ওই ভিডিও দেখা যায়, নিজ বাসভবনে খালি গায়ে লুঙ্গি পরিহিত অবস্থায় বসে আছেন চেয়ারম্যান হাফেজ আব্দুর রহিম। তার সামনে টাকার বান্ডিল নিয়ে কয়েকজন লোক বসে আছে।
টাকা গ্রহণের একপর্যায়ে তাকে বলতে শোনা যায়, নিয়োগ বোর্ড তিনি একাই নিয়ন্ত্রণ করছেন না। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এবং থানার ওসি নাম জড়িয়েও প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা করেন তিনি। এমনকি ইউএনও অফিসের এক পিয়নের সঙ্গে যোগসাজশ থাকার ইঙ্গিত পাওয়া যায় তার কথায়।
স্থানীয়দের দাবি, চারজন গ্রাম পুলিশ নিয়োগের বিপরীতে একেকজন প্রার্থীর কাছ থেকে ৫ থেকে ৬ লাখ টাকা পর্যন্ত হাতিয়ে নেওয়া হয়েছে। ভিডিওতে ৬ নম্বর ওয়ার্ডের প্রার্থী তামিমের কাছ থেকে টাকা নেওয়ার বিষয়টি ফুটে উঠলেও লেনদেনের পরিমাণ নিয়ে ধোঁয়াশা রয়েছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক জনৈক স্থানীয় বাসিন্দা বলেন, ‘স্বচ্ছতার বুলি আওড়ালেও পর্দার আড়ালে লাখ লাখ টাকার খেলা চলেছে, ওই ভিডিও তার জীবন্ত প্রমাণ। আমরা এর সুষ্ঠু বিচার চাই।’
এ বিষয়ে অভিযুক্ত ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুর রহিম গণমাধ্যমকে বলেন, আমাকে ফাঁসাতে টাকাটা একজন গ্রাম পুলিশের চাকরিপ্রত্যাশী রেখে গেছেন। আমি টাকাটা স্থানীয় একজনের কাছে জামানত রেখেছিলাম। তবে নিয়োগ বোর্ডের অন্যান্য সদস্যরা তাদের সম্পৃক্ততা অস্বীকার করেছেন।
মহিপুর থানার ওসি মো. মহব্বত খান দাবি করেন, পরীক্ষার দিন তিনি পটুয়াখালীতে মিটিংয়ে ছিলেন। লিখিত অভিযোগ পেলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) কাউছার হামিদ জানান, নিয়োগ প্রক্রিয়া স্বচ্ছ হয়েছে। ঘুষ লেনদেনের বিষয়টি তার জানা নেই। তবে ভিডিওর বিষয়টি তদন্ত করে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হবে।
বর্তমানে উপজেলাজুড়ে চায়ের দোকান থেকে শুরু করে ফেসবুকের নিউজফিড সর্বত্রই ওই ভিডিও নিয়ে আলোচনা-সমালোচনা চলছে।
এলাকাবাসীর দাবি, শুধু দায়সারা তদন্ত কিংবা বক্তব্য নয় বরং উচ্চতর তদন্তের মাধ্যমে পর্দার আড়ালের সত্য বের করে দোষীদের আইনের আওতায় আনতে হবে।
পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় গ্রাম পুলিশ নিয়োগকে কেন্দ্র করে ৯ নম্বর ধুলাসার ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হাফেজ আব্দুর রহিমের টাকা লেনদেনের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। ভিডিওতে চেয়ারম্যানকে টাকার বান্ডিল নাড়াচাড়া করতে দেখা যায়। এ নিয়ে জনমনে চরম ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
মঙ্গলবার (১০ মার্চ) বিকেলে ছড়িয়ে পড়া ওই ভিডিও দেখা যায়, নিজ বাসভবনে খালি গায়ে লুঙ্গি পরিহিত অবস্থায় বসে আছেন চেয়ারম্যান হাফেজ আব্দুর রহিম। তার সামনে টাকার বান্ডিল নিয়ে কয়েকজন লোক বসে আছে।
টাকা গ্রহণের একপর্যায়ে তাকে বলতে শোনা যায়, নিয়োগ বোর্ড তিনি একাই নিয়ন্ত্রণ করছেন না। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এবং থানার ওসি নাম জড়িয়েও প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা করেন তিনি। এমনকি ইউএনও অফিসের এক পিয়নের সঙ্গে যোগসাজশ থাকার ইঙ্গিত পাওয়া যায় তার কথায়।
স্থানীয়দের দাবি, চারজন গ্রাম পুলিশ নিয়োগের বিপরীতে একেকজন প্রার্থীর কাছ থেকে ৫ থেকে ৬ লাখ টাকা পর্যন্ত হাতিয়ে নেওয়া হয়েছে। ভিডিওতে ৬ নম্বর ওয়ার্ডের প্রার্থী তামিমের কাছ থেকে টাকা নেওয়ার বিষয়টি ফুটে উঠলেও লেনদেনের পরিমাণ নিয়ে ধোঁয়াশা রয়েছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক জনৈক স্থানীয় বাসিন্দা বলেন, ‘স্বচ্ছতার বুলি আওড়ালেও পর্দার আড়ালে লাখ লাখ টাকার খেলা চলেছে, ওই ভিডিও তার জীবন্ত প্রমাণ। আমরা এর সুষ্ঠু বিচার চাই।’
এ বিষয়ে অভিযুক্ত ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুর রহিম গণমাধ্যমকে বলেন, আমাকে ফাঁসাতে টাকাটা একজন গ্রাম পুলিশের চাকরিপ্রত্যাশী রেখে গেছেন। আমি টাকাটা স্থানীয় একজনের কাছে জামানত রেখেছিলাম। তবে নিয়োগ বোর্ডের অন্যান্য সদস্যরা তাদের সম্পৃক্ততা অস্বীকার করেছেন।
মহিপুর থানার ওসি মো. মহব্বত খান দাবি করেন, পরীক্ষার দিন তিনি পটুয়াখালীতে মিটিংয়ে ছিলেন। লিখিত অভিযোগ পেলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) কাউছার হামিদ জানান, নিয়োগ প্রক্রিয়া স্বচ্ছ হয়েছে। ঘুষ লেনদেনের বিষয়টি তার জানা নেই। তবে ভিডিওর বিষয়টি তদন্ত করে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হবে।
বর্তমানে উপজেলাজুড়ে চায়ের দোকান থেকে শুরু করে ফেসবুকের নিউজফিড সর্বত্রই ওই ভিডিও নিয়ে আলোচনা-সমালোচনা চলছে।
এলাকাবাসীর দাবি, শুধু দায়সারা তদন্ত কিংবা বক্তব্য নয় বরং উচ্চতর তদন্তের মাধ্যমে পর্দার আড়ালের সত্য বের করে দোষীদের আইনের আওতায় আনতে হবে।

১০ মার্চ, ২০২৬ ২২:০১
পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় রুবিনা আক্তার নামের এক গৃহবধূকে মুখ বেঁধে খালের পানিতে ডুবিয়ে হত্যাচেষ্টার অভিযোগ উঠেছে শ্বশুরবাড়ির লোকজনের বিরুদ্ধে।
মঙ্গলবার (১০ মার্চ) সকাল ৯টায় ভুক্তভোগীকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এর আগে ভোরে উপজেলার চম্পাপুর ইউপির চালিতাবুনিয়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
চিকিৎসাধীন ভুক্তভোগী রুবিনা আক্তার বলেন, বেশ কিছুদিন ধরে আমার স্বামীর সঙ্গে শ্বশুর শহীদ হাওলাদারসহ ভাসুর, ননদ, দেবর এবং চাচা শ্বশুরের বিরোধ চলে আসছিল। সোমবার (৯ মার্চ) সন্ধ্যায় তার চাচা শ্বশুর মনির আমার স্বামী বাদলকে হত্যা করার হুমকি দেয়।
তিনি আরও বলেন, এছাড়া যেকোনো বিষয় নিয়ে স্বামীর সঙ্গে আমাকেও দোষারোপ করে তারা। আজ ভোরে সেহরি ও নামাজের জন্য অজু করতে ঘরের বাইরে বের হই। এ সময় পেছন থেকে তাকে ৪/৫ জন মিলে মুখ বেঁধে জোর করে তুলে নিয়ে খালের মধ্যে ফেলে দেয় এবং ডুবিয়ে মারার চেষ্টা করে। এতে আমি জ্ঞান হারিয়ে ফেলে।
ভুক্তভোগীর স্বামী বাদল হাওলাদারের অভিযোগ, আমার স্ত্রীকে হত্যার উদ্দেশ্যে এ কাজ করেছে আমার পরিবার। বর্তমানে স্ত্রীকে বরিশালে উন্নত চিকিৎসার জন্য নিয়ে এসেছি।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে শ্বশুর শহীদ হাওলাদার কালবেলাকে বলেন, আমার সব জমি লিখে দিয়েছি তাদের। কিন্তু আমার থাকার জায়গা থেকে তারা আামকে সরাতে মিথ্যা নাটক সাজানো হয়েছে। এ হত্যাচেষ্টার বিষয়টি আমি জানি না।
কলাপাড়া থানার ওসি রবিউল ইসলাম বলেন, এ ঘটনায় একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত করে পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় রুবিনা আক্তার নামের এক গৃহবধূকে মুখ বেঁধে খালের পানিতে ডুবিয়ে হত্যাচেষ্টার অভিযোগ উঠেছে শ্বশুরবাড়ির লোকজনের বিরুদ্ধে।
মঙ্গলবার (১০ মার্চ) সকাল ৯টায় ভুক্তভোগীকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এর আগে ভোরে উপজেলার চম্পাপুর ইউপির চালিতাবুনিয়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
চিকিৎসাধীন ভুক্তভোগী রুবিনা আক্তার বলেন, বেশ কিছুদিন ধরে আমার স্বামীর সঙ্গে শ্বশুর শহীদ হাওলাদারসহ ভাসুর, ননদ, দেবর এবং চাচা শ্বশুরের বিরোধ চলে আসছিল। সোমবার (৯ মার্চ) সন্ধ্যায় তার চাচা শ্বশুর মনির আমার স্বামী বাদলকে হত্যা করার হুমকি দেয়।
তিনি আরও বলেন, এছাড়া যেকোনো বিষয় নিয়ে স্বামীর সঙ্গে আমাকেও দোষারোপ করে তারা। আজ ভোরে সেহরি ও নামাজের জন্য অজু করতে ঘরের বাইরে বের হই। এ সময় পেছন থেকে তাকে ৪/৫ জন মিলে মুখ বেঁধে জোর করে তুলে নিয়ে খালের মধ্যে ফেলে দেয় এবং ডুবিয়ে মারার চেষ্টা করে। এতে আমি জ্ঞান হারিয়ে ফেলে।
ভুক্তভোগীর স্বামী বাদল হাওলাদারের অভিযোগ, আমার স্ত্রীকে হত্যার উদ্দেশ্যে এ কাজ করেছে আমার পরিবার। বর্তমানে স্ত্রীকে বরিশালে উন্নত চিকিৎসার জন্য নিয়ে এসেছি।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে শ্বশুর শহীদ হাওলাদার কালবেলাকে বলেন, আমার সব জমি লিখে দিয়েছি তাদের। কিন্তু আমার থাকার জায়গা থেকে তারা আামকে সরাতে মিথ্যা নাটক সাজানো হয়েছে। এ হত্যাচেষ্টার বিষয়টি আমি জানি না।
কলাপাড়া থানার ওসি রবিউল ইসলাম বলেন, এ ঘটনায় একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত করে পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

১০ মার্চ, ২০২৬ ২১:৫২
পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জে যথাযথ মর্যাদায় ‘দুর্যোগ প্রস্তুতিতে লড়ব, তারুণ্যের বাংলাদেশ গড়ব’—এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে জাতীয় দুর্যোগ প্রস্তুতি দিবস ২০২৬ পালিত হয়েছে। দিবসটি উপলক্ষে আজ মঙ্গলবার (১০ মার্চ) সকালে উপজেলা প্রশাসন ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা বিভাগের উদ্যোগে র্যালি, অগ্নি নির্বাপক মহড়া ও আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়।
সকাল ১১টায় উপজেলা পরিষদ চত্বর থেকে একটি বর্ণাঢ্য র্যালি বের করা হয়। র্যালিটি উপজেলার প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে পুনরায় পরিষদ চত্বরে এসে শেষ হয়। এরপর ফায়ার সার্ভিসের পক্ষ থেকে দুর্যোগকালীন করণীয় ও অগ্নি নির্বাপক বিষয়ে একটি সচেতনতামূলক বিশেষ প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত হয়।
র্যালি ও মহড়া শেষে উপজেলা পরিষদের কনফারেন্স রুমে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন মির্জাগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মোসা. মলিহা খানম।
উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো. ইলিয়াস মিয়া-এর সঞ্চালনায় সভায় অন্যান্যের মধ্যে আরও বক্তব্য দেন উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোঃ মজিবুর রহমান,মির্জাগঞ্জ থানার সাব-ইন্সপেক্টর মোঃ শাখাওয়াত হোসেন
মির্জাগঞ্জ প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মল্লিক মাকসুদ আহমেদ বায়েজীদ, মির্জাগঞ্জ প্রেসক্লাবের সদস্য সচিব জিয়াউর রহমান রেজবু,ফায়ার সার্ভিস লিডার মোঃ ইব্রাহিম হোসেন। আরে উপস্থিত ছিলেন বিভিন্ন দপ্তরের সরকারি কর্মকর্তা, সামাজিক সংগঠনের স্বেচ্ছাসেবী এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।
পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জে যথাযথ মর্যাদায় ‘দুর্যোগ প্রস্তুতিতে লড়ব, তারুণ্যের বাংলাদেশ গড়ব’—এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে জাতীয় দুর্যোগ প্রস্তুতি দিবস ২০২৬ পালিত হয়েছে। দিবসটি উপলক্ষে আজ মঙ্গলবার (১০ মার্চ) সকালে উপজেলা প্রশাসন ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা বিভাগের উদ্যোগে র্যালি, অগ্নি নির্বাপক মহড়া ও আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়।
সকাল ১১টায় উপজেলা পরিষদ চত্বর থেকে একটি বর্ণাঢ্য র্যালি বের করা হয়। র্যালিটি উপজেলার প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে পুনরায় পরিষদ চত্বরে এসে শেষ হয়। এরপর ফায়ার সার্ভিসের পক্ষ থেকে দুর্যোগকালীন করণীয় ও অগ্নি নির্বাপক বিষয়ে একটি সচেতনতামূলক বিশেষ প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত হয়।
র্যালি ও মহড়া শেষে উপজেলা পরিষদের কনফারেন্স রুমে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন মির্জাগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মোসা. মলিহা খানম।
উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো. ইলিয়াস মিয়া-এর সঞ্চালনায় সভায় অন্যান্যের মধ্যে আরও বক্তব্য দেন উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোঃ মজিবুর রহমান,মির্জাগঞ্জ থানার সাব-ইন্সপেক্টর মোঃ শাখাওয়াত হোসেন
মির্জাগঞ্জ প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মল্লিক মাকসুদ আহমেদ বায়েজীদ, মির্জাগঞ্জ প্রেসক্লাবের সদস্য সচিব জিয়াউর রহমান রেজবু,ফায়ার সার্ভিস লিডার মোঃ ইব্রাহিম হোসেন। আরে উপস্থিত ছিলেন বিভিন্ন দপ্তরের সরকারি কর্মকর্তা, সামাজিক সংগঠনের স্বেচ্ছাসেবী এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.