
০৩ এপ্রিল, ২০২৬ ১৪:৪০
আশ্রয়ণ-২ প্রকল্পে ঘর নির্মাণে অনিয়ম ও দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগে সিনিয়র সহকারী সচিব ও ঝালকাঠির সাবেক ইউএনও রুম্পা সিকদারকে শাস্তি দিয়েছে সরকার। শাস্তি হিসেবে আগামী দুই বছরের জন্য তার বেতন বৃদ্ধি স্থগিত করা হয়েছে। বুধবার (১ এপ্রিল) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় এ সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করে।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, রুম্পা সিকদার ২০১৯ সালের জুলাই থেকে ২০২২ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত ঝালকাঠির নলছিটি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এ সময় আশ্রয়ণ-২ প্রকল্পের আওতায় ৩০২টি ঘর নির্মাণের জন্য প্রায় ১ কোটি ৪৫ লাখ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়। এর মধ্যে চর ষাটপাকিয়া এলাকায় ১২৮টি ঘর নির্মাণের কথা ছিল।
তবে পরবর্তী ইউএনও নজরুল ইসলাম সরেজমিনে গিয়ে দেখতে পান, নির্ধারিত ১২৮টির মধ্যে ৫৫টি ঘর নির্মাণই করা হয়নি। পরে সংশ্লিষ্ট প্রকল্প কর্মকর্তার কাছ থেকে অর্থ আদায় করে ব্যাংকে জমা দেওয়া হয়।
তদন্তে উঠে আসে, দায়িত্বে থাকা অবস্থায় রুম্পা সিকদার অনির্মিত ঘরগুলোর বিষয়ে কার্যকর কোনও পদক্ষেপ নেননি এবং পুরো অর্থ উত্তোলনের চেকে সই করেছিলেন। পাশাপাশি ঘর নির্মাণের গুণগত মান নিশ্চিত করতেও ব্যর্থ হন।
এ ঘটনায় তার বিরুদ্ধে অসদাচরণের অভিযোগ এনে বিভাগীয় তদন্ত করা হয়। তদন্তে তার বিরুদ্ধে আসা অভিযোগ প্রমাণিত হয় এবং তার প্রশাসনিক দক্ষতার ঘাটতি ও দায়িত্বে অবহেলার বিষয়টিও নিশ্চিত করা হয়।
সবশেষে অভিযোগ ও তদন্ত প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে সরকার তাকে ‘বেতন বৃদ্ধি স্থগিত’ করার লঘুদণ্ড প্রদান করে।
আশ্রয়ণ-২ প্রকল্পে ঘর নির্মাণে অনিয়ম ও দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগে সিনিয়র সহকারী সচিব ও ঝালকাঠির সাবেক ইউএনও রুম্পা সিকদারকে শাস্তি দিয়েছে সরকার। শাস্তি হিসেবে আগামী দুই বছরের জন্য তার বেতন বৃদ্ধি স্থগিত করা হয়েছে। বুধবার (১ এপ্রিল) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় এ সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করে।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, রুম্পা সিকদার ২০১৯ সালের জুলাই থেকে ২০২২ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত ঝালকাঠির নলছিটি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এ সময় আশ্রয়ণ-২ প্রকল্পের আওতায় ৩০২টি ঘর নির্মাণের জন্য প্রায় ১ কোটি ৪৫ লাখ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়। এর মধ্যে চর ষাটপাকিয়া এলাকায় ১২৮টি ঘর নির্মাণের কথা ছিল।
তবে পরবর্তী ইউএনও নজরুল ইসলাম সরেজমিনে গিয়ে দেখতে পান, নির্ধারিত ১২৮টির মধ্যে ৫৫টি ঘর নির্মাণই করা হয়নি। পরে সংশ্লিষ্ট প্রকল্প কর্মকর্তার কাছ থেকে অর্থ আদায় করে ব্যাংকে জমা দেওয়া হয়।
তদন্তে উঠে আসে, দায়িত্বে থাকা অবস্থায় রুম্পা সিকদার অনির্মিত ঘরগুলোর বিষয়ে কার্যকর কোনও পদক্ষেপ নেননি এবং পুরো অর্থ উত্তোলনের চেকে সই করেছিলেন। পাশাপাশি ঘর নির্মাণের গুণগত মান নিশ্চিত করতেও ব্যর্থ হন।
এ ঘটনায় তার বিরুদ্ধে অসদাচরণের অভিযোগ এনে বিভাগীয় তদন্ত করা হয়। তদন্তে তার বিরুদ্ধে আসা অভিযোগ প্রমাণিত হয় এবং তার প্রশাসনিক দক্ষতার ঘাটতি ও দায়িত্বে অবহেলার বিষয়টিও নিশ্চিত করা হয়।
সবশেষে অভিযোগ ও তদন্ত প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে সরকার তাকে ‘বেতন বৃদ্ধি স্থগিত’ করার লঘুদণ্ড প্রদান করে।

০২ এপ্রিল, ২০২৬ ১৪:৩৪
ঝালকাঠির উদ্বোধন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে অতিরিক্ত অনলাইন নিবন্ধন ফি নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে প্রধান শিক্ষক আনিসুর রহমান পলাশের বিরুদ্ধে। অভিযোগ উঠেছে, শিক্ষা বোর্ডের নির্দেশনা উপেক্ষা করে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ষষ্ঠ শ্রেণির শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে ১২৩ টাকার পরিবর্তে ৩০০ টাকা করে আদায় করছে।
বরিশালের মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড ২০২৬ সালের ষষ্ঠ শ্রেণির শিক্ষার্থীদের অনলাইন নিবন্ধন ফি ১২৩ টাকা নির্ধারণ করেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বিদ্যালয়ের এক শিক্ষক জানান, চলতি বছরের ১ ফেব্রুয়ারি জারি করা এক নির্দেশনায় ২৭৫ টাকা ফি নির্ধারণ করা হয়েছিল।
পরদিন ২ ফেব্রুয়ারি সংশোধিত নির্দেশনায় ফি কমিয়ে ১২৩ টাকা নির্ধারণ করা হয়। কিন্তু সংশোধিত নির্দেশনা উপেক্ষা করে প্রধান শিক্ষক পূর্বের নির্দেশনার ভিত্তিতে অতিরিক্ত অর্থ আদায় অব্যাহত রাখেন। এতে অভিভাবকদের নির্ধারিত ফির চেয়ে প্রায় দ্বিগুণ অর্থ দিতে হচ্ছে।
এ বিষয়ে শাহাদাত খান, লিটন হোসেন, আলমগীর, ইউসুফ ও মিরাজ ডাক্তারসহ কয়েকজন অভিভাবক ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ‘বোর্ড নির্ধারিত ফি ১২৩ টাকা হলেও আমাদের কাছ থেকে ৩০০ টাকা নেওয়া হচ্ছে। এটি সম্পূর্ণ অন্যায় এবং আমাদের ওপর অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি করছে। একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে এমন অনিয়ম মেনে নেওয়া যায় না।’
অভিযোগের বিষয়ে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আনিসুর রহমান পলাশ বলেন, ‘প্রথমে প্রাপ্ত নির্দেশনায় ২৭৫ টাকা ফি উল্লেখ ছিল। সেখানে আনুষঙ্গিক খরচসহ ৩০০ টাকা নেওয়া হয়েছে, যা ঝালকাঠি সরকারি উচ্চবিদ্যালয়েও নেওয়া হয়েছে, আমি একা নিইনি।
সংশোধিত নির্দেশনাটি আমরা পাঁচ দিন পরে দেখতে পাই। বিদ্যালয় বন্ধ থাকার কারণে সেই সময় টাকা ফেরত দেওয়া সম্ভব হয়নি। এখন তা ফেরত দেওয়া হচ্ছে। এ-সংক্রান্ত বিদ্যালয় খোলার ৩১ মার্চ আমি নোটিশও লাগিয়ে দিয়েছি।
জেলা প্রশাসক মহোদয়কে বিষয়টি নিয়ে কালকে জানিয়েছেন এবং অতিরিক্ত আদায়কৃত টাকা ফেরত দিতে বলেছেন। আমি রেজিস্ট্রার মেনটেইন করে টাকা ফেরত দিচ্ছি।’ তবে সংশোধিত নির্দেশনা বিলম্বে জানার কারণ সম্পর্কে তিনি ব্যাখ্যা দিতে পারেননি।
এ বিষয়ে বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি ও ঝালকাঠি জেলা প্রশাসক মো. মমিন উদ্দিন বলেন, ‘অভিযোগটি গুরুত্বসহকারে দেখা হবে। বোর্ডের নির্দেশনা বাস্তবায়ন করা প্রশাসনিক দায়িত্ব। নির্ধারিত ফির বাইরে অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের কোনো সুযোগ নেই। বিষয়টি সভায় উপস্থাপন করে যাচাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
ঝালকাঠির উদ্বোধন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে অতিরিক্ত অনলাইন নিবন্ধন ফি নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে প্রধান শিক্ষক আনিসুর রহমান পলাশের বিরুদ্ধে। অভিযোগ উঠেছে, শিক্ষা বোর্ডের নির্দেশনা উপেক্ষা করে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ষষ্ঠ শ্রেণির শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে ১২৩ টাকার পরিবর্তে ৩০০ টাকা করে আদায় করছে।
বরিশালের মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড ২০২৬ সালের ষষ্ঠ শ্রেণির শিক্ষার্থীদের অনলাইন নিবন্ধন ফি ১২৩ টাকা নির্ধারণ করেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বিদ্যালয়ের এক শিক্ষক জানান, চলতি বছরের ১ ফেব্রুয়ারি জারি করা এক নির্দেশনায় ২৭৫ টাকা ফি নির্ধারণ করা হয়েছিল।
পরদিন ২ ফেব্রুয়ারি সংশোধিত নির্দেশনায় ফি কমিয়ে ১২৩ টাকা নির্ধারণ করা হয়। কিন্তু সংশোধিত নির্দেশনা উপেক্ষা করে প্রধান শিক্ষক পূর্বের নির্দেশনার ভিত্তিতে অতিরিক্ত অর্থ আদায় অব্যাহত রাখেন। এতে অভিভাবকদের নির্ধারিত ফির চেয়ে প্রায় দ্বিগুণ অর্থ দিতে হচ্ছে।
এ বিষয়ে শাহাদাত খান, লিটন হোসেন, আলমগীর, ইউসুফ ও মিরাজ ডাক্তারসহ কয়েকজন অভিভাবক ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ‘বোর্ড নির্ধারিত ফি ১২৩ টাকা হলেও আমাদের কাছ থেকে ৩০০ টাকা নেওয়া হচ্ছে। এটি সম্পূর্ণ অন্যায় এবং আমাদের ওপর অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি করছে। একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে এমন অনিয়ম মেনে নেওয়া যায় না।’
অভিযোগের বিষয়ে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আনিসুর রহমান পলাশ বলেন, ‘প্রথমে প্রাপ্ত নির্দেশনায় ২৭৫ টাকা ফি উল্লেখ ছিল। সেখানে আনুষঙ্গিক খরচসহ ৩০০ টাকা নেওয়া হয়েছে, যা ঝালকাঠি সরকারি উচ্চবিদ্যালয়েও নেওয়া হয়েছে, আমি একা নিইনি।
সংশোধিত নির্দেশনাটি আমরা পাঁচ দিন পরে দেখতে পাই। বিদ্যালয় বন্ধ থাকার কারণে সেই সময় টাকা ফেরত দেওয়া সম্ভব হয়নি। এখন তা ফেরত দেওয়া হচ্ছে। এ-সংক্রান্ত বিদ্যালয় খোলার ৩১ মার্চ আমি নোটিশও লাগিয়ে দিয়েছি।
জেলা প্রশাসক মহোদয়কে বিষয়টি নিয়ে কালকে জানিয়েছেন এবং অতিরিক্ত আদায়কৃত টাকা ফেরত দিতে বলেছেন। আমি রেজিস্ট্রার মেনটেইন করে টাকা ফেরত দিচ্ছি।’ তবে সংশোধিত নির্দেশনা বিলম্বে জানার কারণ সম্পর্কে তিনি ব্যাখ্যা দিতে পারেননি।
এ বিষয়ে বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি ও ঝালকাঠি জেলা প্রশাসক মো. মমিন উদ্দিন বলেন, ‘অভিযোগটি গুরুত্বসহকারে দেখা হবে। বোর্ডের নির্দেশনা বাস্তবায়ন করা প্রশাসনিক দায়িত্ব। নির্ধারিত ফির বাইরে অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের কোনো সুযোগ নেই। বিষয়টি সভায় উপস্থাপন করে যাচাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

২৪ মার্চ, ২০২৬ ২২:৪৬
দেশের প্রতিটি মানুষের কাছে সহজলভ্য ও মানসম্মত চিকিৎসা পৌঁছে দিতে স্বাস্থ্যসেবাকে ঘরে ঘরে নিয়ে যাওয়ার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছেন বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ও বিএনপি গ্রাসরুট নেটওয়ার্কের প্রধান ড. জিয়াউদ্দিন হায়দার। তিনি বলেছেন, ইউনিয়ন পর্যায়ে শক্তিশালী স্বাস্থ্যব্যবস্থা গড়ে তোলা গেলে প্রাথমিক পর্যায়েই অধিকাংশ রোগের চিকিৎসা নিশ্চিত হবে এবং জেলা হাসপাতালের ওপর চাপ কমবে।
মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) দুপুরে ঝালকাঠি সদর হাসপাতাল পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।
ড. জিয়াউদ্দিন হায়দার বলেন, 'আমাদের লক্ষ্য খুব পরিষ্কার- স্বাস্থ্যসেবাকে প্রত্যেক মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়া। একজন মানুষ যেন সামান্য চিকিৎসার জন্য দূরে যেতে বাধ্য না হয়, সেটিই আমরা নিশ্চিত করতে চাই।'
তিনি বলেন, 'প্রতিটি ইউনিয়নে একটি করে সমন্বিত স্বাস্থ্য ইউনিট গড়ে তোলা হবে। সেখানে একজন চিকিৎসক, ডিপ্লোমাধারী উপসহকারী, মিডওয়াইফ, নার্স, ল্যাব টেকনিশিয়ান ও ফার্মাসিস্ট থাকবেন। পাশাপাশি স্বাস্থ্য সচেতনতা বৃদ্ধি ও প্রতিরোধমূলক কার্যক্রম পরিচালনার জন্য পৃথক হাব থাকবে।'
ড. হায়দার আরও বলেন, 'ইউনিট পর্যায়ে চিকিৎসা সম্ভব না হলে রোগীদের উপজেলা বা জেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে রেফার করা হবে। এতে চিকিৎসা ব্যবস্থা আরও সুশৃঙ্খল হবে এবং বড় হাসপাতালগুলো জটিল রোগীদের সেবা দিতে বেশি মনোযোগ দিতে পারবে।'
তিনি জানান, ইউনিয়ন পর্যায়ে কর্মরত স্বাস্থ্যকর্মীদের একটি সমন্বিত কাঠামোর আওতায় এনে বাড়ি বাড়ি গিয়ে স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দেওয়ার পরিকল্পনাও রয়েছে। এতে করে প্রতিরোধমূলক স্বাস্থ্যসেবা জোরদার হবে এবং প্রাথমিক পর্যায়েই রোগ শনাক্ত করা সহজ হবে।
সরকারি হাসপাতালের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, 'সরকারি হাসপাতালগুলো সাধারণ মানুষের প্রধান ভরসাস্থল। তাই এখানে সেবার মান আরও উন্নত করা জরুরি। জনবল, অবকাঠামো ও আধুনিক যন্ত্রপাতির সমন্বয় ঘটিয়ে স্বাস্থ্যসেবাকে কার্যকর করতে হবে।'
এর আগে ড. জিয়াউদ্দিন হায়দার ঝালকাঠি সদর হাসপাতালের জরুরি বিভাগ, নারী ও শিশু ওয়ার্ড, মেডিসিন ও সার্জারি বিভাগসহ বিভিন্ন ইউনিট ঘুরে দেখেন। এ সময় তিনি ভর্তি রোগীদের সঙ্গে কথা বলে চিকিৎসাসেবার মান, ওষুধ সরবরাহ, পরীক্ষা-নিরীক্ষার সুবিধা এবং হাসপাতালের পরিবেশ সম্পর্কে সরাসরি ধারণা নেন।
পরিদর্শনকালে রোগী ও স্বজনরা চিকিৎসকদের আন্তরিকতার প্রশংসা করলেও শয্যা সংকট, ওষুধের স্বল্পতা, কক্ষের জায়গা সংকট ও পরিচ্ছন্নতা নিয়ে বিভিন্ন সীমাবদ্ধতার কথা তুলে ধরেন। বিষয়গুলো গুরুত্ব দিয়ে শুনে সংশ্লিষ্টদের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন তিনি।
পরে হাসপাতালের সার্বিক ব্যবস্থাপনা, জনবল সংকট ও অবকাঠামোগত সীমাবদ্ধতা নিয়ে দায়িত্বরত কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন ড. জিয়াউদ্দিন হায়দার। তিনি সেবার মানোন্নয়নে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন ঢাকা শিশু হাসপাতালের অধ্যাপক ডা. খালিদ মাহমুদ শাকিল, ঝালকাঠি সদর হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক মাসুম ইফতেখার, কনসালটেন্ট ডা. মাহামুদ হাসান ও ডা. আবুয়াল হাসানসহ বিভিন্ন বিভাগের চিকিৎসক, নার্স ও কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।
সংশ্লিষ্টরা জানান, পর্যাপ্ত জনবল, আধুনিক যন্ত্রপাতি ও অবকাঠামোগত উন্নয়ন নিশ্চিত করা গেলে ঝালকাঠি সদর হাসপাতাল থেকে আরও কার্যকর ও মানসম্মত চিকিৎসাসেবা প্রদান সম্ভব হবে।
বরিশাল টাইমস
দেশের প্রতিটি মানুষের কাছে সহজলভ্য ও মানসম্মত চিকিৎসা পৌঁছে দিতে স্বাস্থ্যসেবাকে ঘরে ঘরে নিয়ে যাওয়ার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছেন বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ও বিএনপি গ্রাসরুট নেটওয়ার্কের প্রধান ড. জিয়াউদ্দিন হায়দার। তিনি বলেছেন, ইউনিয়ন পর্যায়ে শক্তিশালী স্বাস্থ্যব্যবস্থা গড়ে তোলা গেলে প্রাথমিক পর্যায়েই অধিকাংশ রোগের চিকিৎসা নিশ্চিত হবে এবং জেলা হাসপাতালের ওপর চাপ কমবে।
মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) দুপুরে ঝালকাঠি সদর হাসপাতাল পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।
ড. জিয়াউদ্দিন হায়দার বলেন, 'আমাদের লক্ষ্য খুব পরিষ্কার- স্বাস্থ্যসেবাকে প্রত্যেক মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়া। একজন মানুষ যেন সামান্য চিকিৎসার জন্য দূরে যেতে বাধ্য না হয়, সেটিই আমরা নিশ্চিত করতে চাই।'
তিনি বলেন, 'প্রতিটি ইউনিয়নে একটি করে সমন্বিত স্বাস্থ্য ইউনিট গড়ে তোলা হবে। সেখানে একজন চিকিৎসক, ডিপ্লোমাধারী উপসহকারী, মিডওয়াইফ, নার্স, ল্যাব টেকনিশিয়ান ও ফার্মাসিস্ট থাকবেন। পাশাপাশি স্বাস্থ্য সচেতনতা বৃদ্ধি ও প্রতিরোধমূলক কার্যক্রম পরিচালনার জন্য পৃথক হাব থাকবে।'
ড. হায়দার আরও বলেন, 'ইউনিট পর্যায়ে চিকিৎসা সম্ভব না হলে রোগীদের উপজেলা বা জেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে রেফার করা হবে। এতে চিকিৎসা ব্যবস্থা আরও সুশৃঙ্খল হবে এবং বড় হাসপাতালগুলো জটিল রোগীদের সেবা দিতে বেশি মনোযোগ দিতে পারবে।'
তিনি জানান, ইউনিয়ন পর্যায়ে কর্মরত স্বাস্থ্যকর্মীদের একটি সমন্বিত কাঠামোর আওতায় এনে বাড়ি বাড়ি গিয়ে স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দেওয়ার পরিকল্পনাও রয়েছে। এতে করে প্রতিরোধমূলক স্বাস্থ্যসেবা জোরদার হবে এবং প্রাথমিক পর্যায়েই রোগ শনাক্ত করা সহজ হবে।
সরকারি হাসপাতালের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, 'সরকারি হাসপাতালগুলো সাধারণ মানুষের প্রধান ভরসাস্থল। তাই এখানে সেবার মান আরও উন্নত করা জরুরি। জনবল, অবকাঠামো ও আধুনিক যন্ত্রপাতির সমন্বয় ঘটিয়ে স্বাস্থ্যসেবাকে কার্যকর করতে হবে।'
এর আগে ড. জিয়াউদ্দিন হায়দার ঝালকাঠি সদর হাসপাতালের জরুরি বিভাগ, নারী ও শিশু ওয়ার্ড, মেডিসিন ও সার্জারি বিভাগসহ বিভিন্ন ইউনিট ঘুরে দেখেন। এ সময় তিনি ভর্তি রোগীদের সঙ্গে কথা বলে চিকিৎসাসেবার মান, ওষুধ সরবরাহ, পরীক্ষা-নিরীক্ষার সুবিধা এবং হাসপাতালের পরিবেশ সম্পর্কে সরাসরি ধারণা নেন।
পরিদর্শনকালে রোগী ও স্বজনরা চিকিৎসকদের আন্তরিকতার প্রশংসা করলেও শয্যা সংকট, ওষুধের স্বল্পতা, কক্ষের জায়গা সংকট ও পরিচ্ছন্নতা নিয়ে বিভিন্ন সীমাবদ্ধতার কথা তুলে ধরেন। বিষয়গুলো গুরুত্ব দিয়ে শুনে সংশ্লিষ্টদের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন তিনি।
পরে হাসপাতালের সার্বিক ব্যবস্থাপনা, জনবল সংকট ও অবকাঠামোগত সীমাবদ্ধতা নিয়ে দায়িত্বরত কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন ড. জিয়াউদ্দিন হায়দার। তিনি সেবার মানোন্নয়নে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন ঢাকা শিশু হাসপাতালের অধ্যাপক ডা. খালিদ মাহমুদ শাকিল, ঝালকাঠি সদর হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক মাসুম ইফতেখার, কনসালটেন্ট ডা. মাহামুদ হাসান ও ডা. আবুয়াল হাসানসহ বিভিন্ন বিভাগের চিকিৎসক, নার্স ও কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।
সংশ্লিষ্টরা জানান, পর্যাপ্ত জনবল, আধুনিক যন্ত্রপাতি ও অবকাঠামোগত উন্নয়ন নিশ্চিত করা গেলে ঝালকাঠি সদর হাসপাতাল থেকে আরও কার্যকর ও মানসম্মত চিকিৎসাসেবা প্রদান সম্ভব হবে।
বরিশাল টাইমস

১৪ মার্চ, ২০২৬ ২০:৫০
ঝালকাঠির রাজাপুরে নৌ কর্মকর্তার প্রাইভেট কার নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে খাদে পড়ে দেড় বছরের এক শিশু নিহত হয়েছে। এ ঘটনায় গাড়িতে থাকা স্বামী-স্ত্রী আহত হয়েছেন।
শনিবার (১৪ মার্চ) বিকেলে ঝালকাঠি -পিরোজপুর আঞ্চলিক মহাসড়কের রাজাপুর উপজেলার বাগড়ি বাজার ব্র্যাক অফিস সংলগ্ন এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন রাজাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. নজরুল ইসলাম। পুলিশ জানায়, ভোলা জেলার দৌলতখান উপজেলার বাসিন্দা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার ইমতিয়াজ আলম (৩৫) বরিশাল নৌবাহিনীতে কর্মরত। তিনি নিজেই প্রাইভেট কার চালিয়ে মংলা থেকে বরিশালের উদ্দেশ্যে যাচ্ছিলেন। পথে বাগড়ি বাজার এলাকায় পৌঁছালে হঠাৎ গাড়িটির নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশের খাদে পড়ে যায়।
এ সময় গাড়িতে থাকা তার দেড় বছর বয়সী মেয়ে মেহেরিনা গুরুতর আহত হয়। স্থানীয়রা দ্রুত তাদের উদ্ধার করে রাজাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক শিশুটিকে মৃত ঘোষণা করেন। এ ঘটনায় লেফটেন্যান্ট কমান্ডার ইমতিয়াজ আলম ও তার স্ত্রী আতিয়া রাতু রুমানা (৩৩) আহত হয়েছেন।
রাজাপুর থানার ওসি নজরুল ইসলাম জানান, উপজেলার বাগড়ি বাজার এলাকায় একটি প্রাইভেট কার নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে খাদে পড়ে যায়। এতে গাড়িতে থাকা এক শিশু মারা গেছে এবং দুজন আহত হয়েছেন। খবর পেয়ে আমি পুলিশ ঘটনাস্থলে যাই। এবিষয়ে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।
ঝালকাঠির রাজাপুরে নৌ কর্মকর্তার প্রাইভেট কার নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে খাদে পড়ে দেড় বছরের এক শিশু নিহত হয়েছে। এ ঘটনায় গাড়িতে থাকা স্বামী-স্ত্রী আহত হয়েছেন।
শনিবার (১৪ মার্চ) বিকেলে ঝালকাঠি -পিরোজপুর আঞ্চলিক মহাসড়কের রাজাপুর উপজেলার বাগড়ি বাজার ব্র্যাক অফিস সংলগ্ন এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন রাজাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. নজরুল ইসলাম। পুলিশ জানায়, ভোলা জেলার দৌলতখান উপজেলার বাসিন্দা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার ইমতিয়াজ আলম (৩৫) বরিশাল নৌবাহিনীতে কর্মরত। তিনি নিজেই প্রাইভেট কার চালিয়ে মংলা থেকে বরিশালের উদ্দেশ্যে যাচ্ছিলেন। পথে বাগড়ি বাজার এলাকায় পৌঁছালে হঠাৎ গাড়িটির নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশের খাদে পড়ে যায়।
এ সময় গাড়িতে থাকা তার দেড় বছর বয়সী মেয়ে মেহেরিনা গুরুতর আহত হয়। স্থানীয়রা দ্রুত তাদের উদ্ধার করে রাজাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক শিশুটিকে মৃত ঘোষণা করেন। এ ঘটনায় লেফটেন্যান্ট কমান্ডার ইমতিয়াজ আলম ও তার স্ত্রী আতিয়া রাতু রুমানা (৩৩) আহত হয়েছেন।
রাজাপুর থানার ওসি নজরুল ইসলাম জানান, উপজেলার বাগড়ি বাজার এলাকায় একটি প্রাইভেট কার নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে খাদে পড়ে যায়। এতে গাড়িতে থাকা এক শিশু মারা গেছে এবং দুজন আহত হয়েছেন। খবর পেয়ে আমি পুলিশ ঘটনাস্থলে যাই। এবিষয়ে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.