০৭ অক্টোবর, ২০২৫ ১৪:৫৬
পটুয়াখালীর কুয়াকাটা সংলগ্ন গভীর সমুদ্রে মাছ ধরতে গিয়ে নিখোঁজ হওয়া পাঁচ জেলে ফিরে এসেছেন কুয়াকাটায়। আট দিন পর সুন্দরবনের গহীন এলাকা থেকে জীবিত ফিরে আসায় স্বস্তি ফিরেছে জেলে পরিবারগুলোতে।
সোমবার (৬ অক্টোবর) রাতে মিলন বিশ্বাস, মিরাজ বিশ্বাস, রায়হান হাওলাদার, কাইয়ুম ও ইউনুস এই পাঁচ জেলে বাড়ি ফিরলে এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে খুশির সংবাদ।
জেলে মিলন বিশ্বাস বলেন, ২৮ সেপ্টেম্বর সকালে লাল রঙের ফাইবার বোটে করে আমরা বঙ্গোপসাগরে যাই। হঠাৎ শুরু হওয়া ঝড় আর উত্তাল ঢেউয়ে আমাদের ট্রলার ভেসে চলে যায় সুন্দরবনের দিকে। ইঞ্জিন নষ্ট হয়ে যাওয়ায় আমরা পুরোপুরি আটকে পড়ি। আশপাশে কোনো মানুষ নেই, মোবাইলের নেটওয়ার্কও ছিল না।
বিজ্ঞাপন
জেলে রায়হান হাওলাদার বলেন, জীবনের ঝুঁকি মাথায় নিয়ে এক সময় ট্রলারের ইঞ্জিন নিজে হাতে মেরামত করা শুরু করি। পানি, খাবার ও নিরাপত্তাহীনতায় কাটানো প্রতিটি মুহূর্ত ছিল বেঁচে থাকার লড়াই। শেষমেশ নিজেদের প্রচেষ্টায় ফিরে আসি নিরাপদে।
কুয়াকাটা নৌ পুলিশের ইনচার্জ বিকাশ মন্ডল বলেন, নিখোঁজ হওয়া পাঁচ জেলেকে খুঁজতে আমরা সব ধরনের প্রস্তুতি নিয়েছিলাম। কোস্টগার্ডের সঙ্গে সমন্বয় করে অভিযান শুরু করেছিলাম। কিন্তু ইতিমধ্যেই স্বস্থির খবর চলে এসেছে,নিখোঁজ হওয়া পাঁচ জেলেকে জীবিত ফিরে এসেছে। মূলত তাদের ট্রলারের ইঞ্জিন ত্রুটির কারণে তারা নিখোঁজ হয়েছিল।
পটুয়াখালীর কুয়াকাটা সংলগ্ন গভীর সমুদ্রে মাছ ধরতে গিয়ে নিখোঁজ হওয়া পাঁচ জেলে ফিরে এসেছেন কুয়াকাটায়। আট দিন পর সুন্দরবনের গহীন এলাকা থেকে জীবিত ফিরে আসায় স্বস্তি ফিরেছে জেলে পরিবারগুলোতে।
সোমবার (৬ অক্টোবর) রাতে মিলন বিশ্বাস, মিরাজ বিশ্বাস, রায়হান হাওলাদার, কাইয়ুম ও ইউনুস এই পাঁচ জেলে বাড়ি ফিরলে এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে খুশির সংবাদ।
জেলে মিলন বিশ্বাস বলেন, ২৮ সেপ্টেম্বর সকালে লাল রঙের ফাইবার বোটে করে আমরা বঙ্গোপসাগরে যাই। হঠাৎ শুরু হওয়া ঝড় আর উত্তাল ঢেউয়ে আমাদের ট্রলার ভেসে চলে যায় সুন্দরবনের দিকে। ইঞ্জিন নষ্ট হয়ে যাওয়ায় আমরা পুরোপুরি আটকে পড়ি। আশপাশে কোনো মানুষ নেই, মোবাইলের নেটওয়ার্কও ছিল না।
বিজ্ঞাপন
জেলে রায়হান হাওলাদার বলেন, জীবনের ঝুঁকি মাথায় নিয়ে এক সময় ট্রলারের ইঞ্জিন নিজে হাতে মেরামত করা শুরু করি। পানি, খাবার ও নিরাপত্তাহীনতায় কাটানো প্রতিটি মুহূর্ত ছিল বেঁচে থাকার লড়াই। শেষমেশ নিজেদের প্রচেষ্টায় ফিরে আসি নিরাপদে।
কুয়াকাটা নৌ পুলিশের ইনচার্জ বিকাশ মন্ডল বলেন, নিখোঁজ হওয়া পাঁচ জেলেকে খুঁজতে আমরা সব ধরনের প্রস্তুতি নিয়েছিলাম। কোস্টগার্ডের সঙ্গে সমন্বয় করে অভিযান শুরু করেছিলাম। কিন্তু ইতিমধ্যেই স্বস্থির খবর চলে এসেছে,নিখোঁজ হওয়া পাঁচ জেলেকে জীবিত ফিরে এসেছে। মূলত তাদের ট্রলারের ইঞ্জিন ত্রুটির কারণে তারা নিখোঁজ হয়েছিল।
১৩ এপ্রিল, ২০২৬ ১৬:২৯
১৩ এপ্রিল, ২০২৬ ১৫:৪৭
১৩ এপ্রিল, ২০২৬ ১৪:৩৩
১৩ এপ্রিল, ২০২৬ ১৩:৩২

১৩ এপ্রিল, ২০২৬ ১৬:২৯
আন্তর্জাতিক পথশিশু দিবস উপলক্ষে মানবাধিকার রক্ষায় অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ‘হিউম্যান রাইটস চ্যাম্পিয়ন ২০২৬’ সম্মানে ভূষিত হয়েছেন বিদেশের মাটিতে প্রথম বাংলাদেশি উপাচার্য (ভিসি) প্রফেসর ড. শেখ আসিফ এস. মিজান। আজ রবিবার রাজধানীর সেগুনবাগিচায় ওয়ার্ল্ড হিউম্যান রাইটস অর্গানাইজেশন আয়োজিত "ইন্টারন্যাশনাল হিউম্যান রাইটস অ্যাওয়ার্ড ২০২৬" অনুষ্ঠানে তাকে এই বিশেষ পদক ও সম্মাননা প্রদান করা হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব জননেতা হাবিব উন নবী খান সোহেল। সংগঠনের সভাপতি মহি উদ্দিন আমিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে ড. মিজানের হাতে সম্মাননা ক্রেস্ট ও সার্টিফিকেট তুলে দেওয়া হয়। এসময় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জনপ্রিয় চলচ্চিত্র অভিনেতা ওমর সানী ও সংগীতশিল্পী রবি চৌধুরীসহ অন্যান্য বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ।
উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের ফেব্রুয়ারিতে সোমালিয়ার মোগাদিশুর দারুসালাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি পদে যোগ দিয়ে ইতিহাস গড়েন ড. মিজান। এর আগে বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত একজন কানাডিয়ান নাগরিক বিদেশের মাটিতে ভিসি হলেও, সরাসরি বাংলাদেশি পাসপোর্টধারী হিসেবে তিনিই প্রথম এই শীর্ষ পদে আসীন হন। সুশাসন ও মানবাধিকারে পিএইচডিধারী এই শিক্ষাবিদ দীর্ঘকাল ধরে রোটারি ক্লাব, মসজিদ সমাজ বাংলাদেশ এবং এশিয়ান নারী ও শিশু অধিকার ফাউন্ডেশনসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছেন।
সম্মাননা গ্রহণকালে ড. আসিফ মিজান বলেন, “এই স্বীকৃতি আমার দায়িত্ব আরও বাড়িয়ে দিল। শিক্ষা ও মানবাধিকার রক্ষায় আমার এই প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে।” অনুষ্ঠানে বিভিন্ন স্তরের রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, আইনজীবী, ব্যবসায়ী এবং বিপুল সংখ্যক পথশিশু উপস্থিত ছিলেন।’
আন্তর্জাতিক পথশিশু দিবস উপলক্ষে মানবাধিকার রক্ষায় অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ‘হিউম্যান রাইটস চ্যাম্পিয়ন ২০২৬’ সম্মানে ভূষিত হয়েছেন বিদেশের মাটিতে প্রথম বাংলাদেশি উপাচার্য (ভিসি) প্রফেসর ড. শেখ আসিফ এস. মিজান। আজ রবিবার রাজধানীর সেগুনবাগিচায় ওয়ার্ল্ড হিউম্যান রাইটস অর্গানাইজেশন আয়োজিত "ইন্টারন্যাশনাল হিউম্যান রাইটস অ্যাওয়ার্ড ২০২৬" অনুষ্ঠানে তাকে এই বিশেষ পদক ও সম্মাননা প্রদান করা হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব জননেতা হাবিব উন নবী খান সোহেল। সংগঠনের সভাপতি মহি উদ্দিন আমিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে ড. মিজানের হাতে সম্মাননা ক্রেস্ট ও সার্টিফিকেট তুলে দেওয়া হয়। এসময় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জনপ্রিয় চলচ্চিত্র অভিনেতা ওমর সানী ও সংগীতশিল্পী রবি চৌধুরীসহ অন্যান্য বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ।
উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের ফেব্রুয়ারিতে সোমালিয়ার মোগাদিশুর দারুসালাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি পদে যোগ দিয়ে ইতিহাস গড়েন ড. মিজান। এর আগে বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত একজন কানাডিয়ান নাগরিক বিদেশের মাটিতে ভিসি হলেও, সরাসরি বাংলাদেশি পাসপোর্টধারী হিসেবে তিনিই প্রথম এই শীর্ষ পদে আসীন হন। সুশাসন ও মানবাধিকারে পিএইচডিধারী এই শিক্ষাবিদ দীর্ঘকাল ধরে রোটারি ক্লাব, মসজিদ সমাজ বাংলাদেশ এবং এশিয়ান নারী ও শিশু অধিকার ফাউন্ডেশনসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছেন।
সম্মাননা গ্রহণকালে ড. আসিফ মিজান বলেন, “এই স্বীকৃতি আমার দায়িত্ব আরও বাড়িয়ে দিল। শিক্ষা ও মানবাধিকার রক্ষায় আমার এই প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে।” অনুষ্ঠানে বিভিন্ন স্তরের রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, আইনজীবী, ব্যবসায়ী এবং বিপুল সংখ্যক পথশিশু উপস্থিত ছিলেন।’

১৩ এপ্রিল, ২০২৬ ১৫:৪৭
বরিশালের বানারীপাড়ায় নদী থেকে ভাসমান অবস্থায় দুর্জয় (১২) নামের এক স্কুল শিক্ষার্থীর লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। সে উজিরপুর উপজেলার হারতা গ্রামের বাসিন্দা শুকলালের ছেলে এবং স্থানীয় একটি বিদ্যালয়ের ষষ্ঠ শ্রেণীর ছাত্র।
সোমবার (১৩ এপ্রিল) সকাল পৌণে ৯টার দিকে বানারীপাড়ার সৈয়দকাঠি ইউনিয়নের বাওয়ালিয়া গ্রাম সংলগ্ন সন্ধ্যা নদীর শাখা কঁচা নদীতে স্থানীয়রা একটি লাশ ভাসতে দেখে তারা সেটি উদ্ধার করেন। এসময় শনাক্ত করা হয় এটি নিখোঁজ দুর্জয়ের মরদেহ।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রোববার (১২ এপ্রিল) সকালে দুর্জয় নৌকায় করে নদীতে ভাসমান হাটে তরমুজ সংগ্রহ করতে যায়। এরপর থেকেই সে নিখোঁজ ছিল। পরিবারের সদস্যরা বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করলেও তার কোনো সন্ধান পাননি। ঘটনার খবর পেয়ে থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে লাশটি উদ্ধার করে। বানারীপাড়া থানার ওসি মোঃ মজিবুর রহমান বলেন, প্রাথমিকভাবে স্কুল শিক্ষার্থী দূর্জয়ের অপমৃত্যু হয়েছে ধারণা করা হলেও, তার মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত করতে তদন্ত চলছে। এদিকে দূর্জয়ের মৃত্যুর ঘটনায় এলাকাজুড়ে নেমে এসেছে শোকের ছায়া। স্বজনদের আহাজারিতে ভারী হয়ে উঠেছে এলাকার পরিবেশ। একটি সম্ভাবনাময় কিশোর প্রাণের এমন অকাল মৃত্যু স্থানীয়দের মাঝে গভীর বেদনার সৃষ্টি করেছে।
এদিকে গত ৪ এপ্রিল সকালে সৈয়দকাঠী ইউনিয়নের আউয়ার বাজার সংলগ্ন খাল থেকে ভাসমান অবস্থায় ইউনুস আলী (৬০) নামের এক ব্রিজ নির্মাণ শ্রমিকের লাশ উদ্ধার করা হয়। তার মৃত্যু রহস্য উদঘাটনের আগেই ৯ দিনের ব্যবধানে এবার একই ইউনিয়নে শাখা নদী থেকে স্কুল ছাত্র দূর্জয়ের ভাসমান মরদেহ উদ্ধার জনমনে উৎকন্ঠা ও নানা প্রশ্নের উদ্রেক করেছে।
বরিশালের বানারীপাড়ায় নদী থেকে ভাসমান অবস্থায় দুর্জয় (১২) নামের এক স্কুল শিক্ষার্থীর লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। সে উজিরপুর উপজেলার হারতা গ্রামের বাসিন্দা শুকলালের ছেলে এবং স্থানীয় একটি বিদ্যালয়ের ষষ্ঠ শ্রেণীর ছাত্র।
সোমবার (১৩ এপ্রিল) সকাল পৌণে ৯টার দিকে বানারীপাড়ার সৈয়দকাঠি ইউনিয়নের বাওয়ালিয়া গ্রাম সংলগ্ন সন্ধ্যা নদীর শাখা কঁচা নদীতে স্থানীয়রা একটি লাশ ভাসতে দেখে তারা সেটি উদ্ধার করেন। এসময় শনাক্ত করা হয় এটি নিখোঁজ দুর্জয়ের মরদেহ।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রোববার (১২ এপ্রিল) সকালে দুর্জয় নৌকায় করে নদীতে ভাসমান হাটে তরমুজ সংগ্রহ করতে যায়। এরপর থেকেই সে নিখোঁজ ছিল। পরিবারের সদস্যরা বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করলেও তার কোনো সন্ধান পাননি। ঘটনার খবর পেয়ে থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে লাশটি উদ্ধার করে। বানারীপাড়া থানার ওসি মোঃ মজিবুর রহমান বলেন, প্রাথমিকভাবে স্কুল শিক্ষার্থী দূর্জয়ের অপমৃত্যু হয়েছে ধারণা করা হলেও, তার মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত করতে তদন্ত চলছে। এদিকে দূর্জয়ের মৃত্যুর ঘটনায় এলাকাজুড়ে নেমে এসেছে শোকের ছায়া। স্বজনদের আহাজারিতে ভারী হয়ে উঠেছে এলাকার পরিবেশ। একটি সম্ভাবনাময় কিশোর প্রাণের এমন অকাল মৃত্যু স্থানীয়দের মাঝে গভীর বেদনার সৃষ্টি করেছে।
এদিকে গত ৪ এপ্রিল সকালে সৈয়দকাঠী ইউনিয়নের আউয়ার বাজার সংলগ্ন খাল থেকে ভাসমান অবস্থায় ইউনুস আলী (৬০) নামের এক ব্রিজ নির্মাণ শ্রমিকের লাশ উদ্ধার করা হয়। তার মৃত্যু রহস্য উদঘাটনের আগেই ৯ দিনের ব্যবধানে এবার একই ইউনিয়নে শাখা নদী থেকে স্কুল ছাত্র দূর্জয়ের ভাসমান মরদেহ উদ্ধার জনমনে উৎকন্ঠা ও নানা প্রশ্নের উদ্রেক করেছে।

১৩ এপ্রিল, ২০২৬ ১৪:৩৩
ইলিশের উৎপাদন বাড়ানোর লক্ষ্যে ভোলার মেঘনা-তেতুলিয়া নদীতে ইলিশসহ সব ধরনের মাছ ধরার ওপর ২ মাসের সরকারি নিষেধাজ্ঞা চলমান থাকা সত্ত্বেও আসন্ন পহেলা বৈশাখকে ঘিরে ইলিশ ধরার মহোৎসবে মেতেছেন অসাধু জেলেরা।
এসব মাছ আবার প্রকাশ্যে হাঁকডাকে বিক্রি হচ্ছে নদী তীরবর্তী মাছঘাটগুলোতে ও বাজারে। এছাড়া আড়তদার ও বেপারীদের মাধ্যমে এসব ইলিশ চলে যাচ্ছে ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন জেলায়। দামও বেশ চড়া। তবে জেলেরা বলছেন, পেটের দায়ে পহেলা বৈশাখকে ঘিরে অতিরিক্ত মুনাফার আশায় অভিযানের মধ্যে প্রশাসনের জেল-জরিমানাকে উপেক্ষা করেই মাছ শিকার করছেন তারা।
সরেজমিনে ভোলা সদর উপজেলার মেঘনা নদীর তীরবর্তী ইলিশা চডার মাথা,তুলাতুলি ও ভোলারখাল ঘুরে দেখা যায়, হাজার হাজার জেলে জাল-ট্রলার নিয়ে নদীতে গিয়ে অবাধে মাছ ধরছে। কেউ জাল ফেলছেন, আবার কেউ টানছেন। আবার কোনো প্রকার বাঁধাবিপত্তি ছাড়াই এসব মাছ নদী তীরবর্তী মাছের আড়ৎগুলোতে প্রকাশ্যে হাঁকডাকে বিক্রি করা হচ্ছে। এতে প্রশ্ন উঠছে নিষেধাজ্ঞা বাস্তবায়ন নিয়ে।
মাছ ধরা শেষে জাল-ট্রলার ও ভাগীদের নিয়ে তীরে ফেরা লিটন মাঝি, সেরাজুল মাঝি সোহাগ মাঝি ও রাকিব মাঝি ঢাকা পোস্টকে বলেন, গত ১মার্চ থেকে নদীতে মাছ ধরার উপর সরকার অভিযান দিয়েছে,অভিযান মেনে এতোদিন খেয়ে না খেয়ে স্ত্রী সন্তানদের নিয়ে ঘরেই বসে ছিলাম। সরকার যে পরিমাণ চাল দিয়েছে তা আমাদের চাহিদার তুলনায় নামমাত্র। ঘরে খাবার না থাকায় বাধ্য হয়েই নদীতে গিয়েছি। সামনে পহেলা বৈশাখ আসতেছে, ইলিশের দাম অন্যান্য সময়ের চেয়ে প্রায় দ্বিগুণ, এর জন্য নদীতে গিয়ে মাছ ধরেছি। তবে নদীতে গিয়ে কাঙ্খিত পরিমাণে ইলিশ পাইনি।
আড়তে মাছ বিক্রির পর হিসাব মেলানো জেলে দুলাল, জুয়েল, ইব্রাহিম ও নাসির বলেন, পহেলা বৈশাখকে ঘিরে আড়তে ইলিশের দাম বেশি পাওয়ায় খরচের তুলনায় দুই তৃতীয়াংশ লাভ হয়েছে। গত কয়েকদিন ধরেই দাম চড়া। আসলে নদীতে মাছ ধরতে না পারলে সংসার চলে না। পেটের দায়ে অভিযানের মধ্যে নদীতে গেলেও মাঝে মধ্যে প্রশাসন অভিযান চালিয়ে আমাদেরকে আটক করে জেল-জরিমানা করেন। তারপরও জেল-জরিমানার ঝুঁকি নিয়ে নদীতে যেতে হয়, না গিয়ে কী করব?
তবে কয়েকজন আড়তদার বলেন, পহেলা বৈশাখ উপলক্ষে ইলিশের চাহিদা বেশি থাকলেও সরবরাহ কম,ফলে দামও বেশি। এক কেজি ওজনের প্রতি কেজি ইলিশ সাড়ে ৩ হাজার টাকা,৭৫০ গ্রাম ওজনের ২ হাজার ৭০০ টাকা ও ৫০০ গ্রাম ওজনের ইলিশ এক হাজার ৭০০ টাকা করে আড়তে বেচাকেনা চলছে।
টানা দুই মাসের নিষেধাজ্ঞা বাস্তবায়নে নদীতে নিয়মিত টহল ও মোবাইল কোর্ট চালানো হচ্ছে বলে জানান ভোলা জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোহাম্মদ ইকবাল হোসেন। তিনি ঢাকা পোস্টকে বলেন, পহেলা বৈশাখকে ঘিরে কেউ আইন অমান্য করে ইলিশ শিকার করলে অভিযান চালিয়ে তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করব।
এদিকে গত ১ মার্চ থেকে শুরু হওয়া এ নিষেধাজ্ঞা চলমান থাকবে আগামী ৩০ এপ্রিল দিনগত রাত ১২টা পর্যন্ত। এ নিষেধাজ্ঞা আওতায় রয়েছে ভোলার মেঘনা তেতুলিয়া নদীর ১৯০ কিলোমিটার এলাকা।’
ইলিশের উৎপাদন বাড়ানোর লক্ষ্যে ভোলার মেঘনা-তেতুলিয়া নদীতে ইলিশসহ সব ধরনের মাছ ধরার ওপর ২ মাসের সরকারি নিষেধাজ্ঞা চলমান থাকা সত্ত্বেও আসন্ন পহেলা বৈশাখকে ঘিরে ইলিশ ধরার মহোৎসবে মেতেছেন অসাধু জেলেরা।
এসব মাছ আবার প্রকাশ্যে হাঁকডাকে বিক্রি হচ্ছে নদী তীরবর্তী মাছঘাটগুলোতে ও বাজারে। এছাড়া আড়তদার ও বেপারীদের মাধ্যমে এসব ইলিশ চলে যাচ্ছে ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন জেলায়। দামও বেশ চড়া। তবে জেলেরা বলছেন, পেটের দায়ে পহেলা বৈশাখকে ঘিরে অতিরিক্ত মুনাফার আশায় অভিযানের মধ্যে প্রশাসনের জেল-জরিমানাকে উপেক্ষা করেই মাছ শিকার করছেন তারা।
সরেজমিনে ভোলা সদর উপজেলার মেঘনা নদীর তীরবর্তী ইলিশা চডার মাথা,তুলাতুলি ও ভোলারখাল ঘুরে দেখা যায়, হাজার হাজার জেলে জাল-ট্রলার নিয়ে নদীতে গিয়ে অবাধে মাছ ধরছে। কেউ জাল ফেলছেন, আবার কেউ টানছেন। আবার কোনো প্রকার বাঁধাবিপত্তি ছাড়াই এসব মাছ নদী তীরবর্তী মাছের আড়ৎগুলোতে প্রকাশ্যে হাঁকডাকে বিক্রি করা হচ্ছে। এতে প্রশ্ন উঠছে নিষেধাজ্ঞা বাস্তবায়ন নিয়ে।
মাছ ধরা শেষে জাল-ট্রলার ও ভাগীদের নিয়ে তীরে ফেরা লিটন মাঝি, সেরাজুল মাঝি সোহাগ মাঝি ও রাকিব মাঝি ঢাকা পোস্টকে বলেন, গত ১মার্চ থেকে নদীতে মাছ ধরার উপর সরকার অভিযান দিয়েছে,অভিযান মেনে এতোদিন খেয়ে না খেয়ে স্ত্রী সন্তানদের নিয়ে ঘরেই বসে ছিলাম। সরকার যে পরিমাণ চাল দিয়েছে তা আমাদের চাহিদার তুলনায় নামমাত্র। ঘরে খাবার না থাকায় বাধ্য হয়েই নদীতে গিয়েছি। সামনে পহেলা বৈশাখ আসতেছে, ইলিশের দাম অন্যান্য সময়ের চেয়ে প্রায় দ্বিগুণ, এর জন্য নদীতে গিয়ে মাছ ধরেছি। তবে নদীতে গিয়ে কাঙ্খিত পরিমাণে ইলিশ পাইনি।
আড়তে মাছ বিক্রির পর হিসাব মেলানো জেলে দুলাল, জুয়েল, ইব্রাহিম ও নাসির বলেন, পহেলা বৈশাখকে ঘিরে আড়তে ইলিশের দাম বেশি পাওয়ায় খরচের তুলনায় দুই তৃতীয়াংশ লাভ হয়েছে। গত কয়েকদিন ধরেই দাম চড়া। আসলে নদীতে মাছ ধরতে না পারলে সংসার চলে না। পেটের দায়ে অভিযানের মধ্যে নদীতে গেলেও মাঝে মধ্যে প্রশাসন অভিযান চালিয়ে আমাদেরকে আটক করে জেল-জরিমানা করেন। তারপরও জেল-জরিমানার ঝুঁকি নিয়ে নদীতে যেতে হয়, না গিয়ে কী করব?
তবে কয়েকজন আড়তদার বলেন, পহেলা বৈশাখ উপলক্ষে ইলিশের চাহিদা বেশি থাকলেও সরবরাহ কম,ফলে দামও বেশি। এক কেজি ওজনের প্রতি কেজি ইলিশ সাড়ে ৩ হাজার টাকা,৭৫০ গ্রাম ওজনের ২ হাজার ৭০০ টাকা ও ৫০০ গ্রাম ওজনের ইলিশ এক হাজার ৭০০ টাকা করে আড়তে বেচাকেনা চলছে।
টানা দুই মাসের নিষেধাজ্ঞা বাস্তবায়নে নদীতে নিয়মিত টহল ও মোবাইল কোর্ট চালানো হচ্ছে বলে জানান ভোলা জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোহাম্মদ ইকবাল হোসেন। তিনি ঢাকা পোস্টকে বলেন, পহেলা বৈশাখকে ঘিরে কেউ আইন অমান্য করে ইলিশ শিকার করলে অভিযান চালিয়ে তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করব।
এদিকে গত ১ মার্চ থেকে শুরু হওয়া এ নিষেধাজ্ঞা চলমান থাকবে আগামী ৩০ এপ্রিল দিনগত রাত ১২টা পর্যন্ত। এ নিষেধাজ্ঞা আওতায় রয়েছে ভোলার মেঘনা তেতুলিয়া নদীর ১৯০ কিলোমিটার এলাকা।’
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.