
১৩ এপ্রিল, ২০২৬ ১৪:৩৩
ইলিশের উৎপাদন বাড়ানোর লক্ষ্যে ভোলার মেঘনা-তেতুলিয়া নদীতে ইলিশসহ সব ধরনের মাছ ধরার ওপর ২ মাসের সরকারি নিষেধাজ্ঞা চলমান থাকা সত্ত্বেও আসন্ন পহেলা বৈশাখকে ঘিরে ইলিশ ধরার মহোৎসবে মেতেছেন অসাধু জেলেরা।
এসব মাছ আবার প্রকাশ্যে হাঁকডাকে বিক্রি হচ্ছে নদী তীরবর্তী মাছঘাটগুলোতে ও বাজারে। এছাড়া আড়তদার ও বেপারীদের মাধ্যমে এসব ইলিশ চলে যাচ্ছে ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন জেলায়। দামও বেশ চড়া। তবে জেলেরা বলছেন, পেটের দায়ে পহেলা বৈশাখকে ঘিরে অতিরিক্ত মুনাফার আশায় অভিযানের মধ্যে প্রশাসনের জেল-জরিমানাকে উপেক্ষা করেই মাছ শিকার করছেন তারা।
সরেজমিনে ভোলা সদর উপজেলার মেঘনা নদীর তীরবর্তী ইলিশা চডার মাথা,তুলাতুলি ও ভোলারখাল ঘুরে দেখা যায়, হাজার হাজার জেলে জাল-ট্রলার নিয়ে নদীতে গিয়ে অবাধে মাছ ধরছে। কেউ জাল ফেলছেন, আবার কেউ টানছেন। আবার কোনো প্রকার বাঁধাবিপত্তি ছাড়াই এসব মাছ নদী তীরবর্তী মাছের আড়ৎগুলোতে প্রকাশ্যে হাঁকডাকে বিক্রি করা হচ্ছে। এতে প্রশ্ন উঠছে নিষেধাজ্ঞা বাস্তবায়ন নিয়ে।
মাছ ধরা শেষে জাল-ট্রলার ও ভাগীদের নিয়ে তীরে ফেরা লিটন মাঝি, সেরাজুল মাঝি সোহাগ মাঝি ও রাকিব মাঝি ঢাকা পোস্টকে বলেন, গত ১মার্চ থেকে নদীতে মাছ ধরার উপর সরকার অভিযান দিয়েছে,অভিযান মেনে এতোদিন খেয়ে না খেয়ে স্ত্রী সন্তানদের নিয়ে ঘরেই বসে ছিলাম। সরকার যে পরিমাণ চাল দিয়েছে তা আমাদের চাহিদার তুলনায় নামমাত্র। ঘরে খাবার না থাকায় বাধ্য হয়েই নদীতে গিয়েছি। সামনে পহেলা বৈশাখ আসতেছে, ইলিশের দাম অন্যান্য সময়ের চেয়ে প্রায় দ্বিগুণ, এর জন্য নদীতে গিয়ে মাছ ধরেছি। তবে নদীতে গিয়ে কাঙ্খিত পরিমাণে ইলিশ পাইনি।
আড়তে মাছ বিক্রির পর হিসাব মেলানো জেলে দুলাল, জুয়েল, ইব্রাহিম ও নাসির বলেন, পহেলা বৈশাখকে ঘিরে আড়তে ইলিশের দাম বেশি পাওয়ায় খরচের তুলনায় দুই তৃতীয়াংশ লাভ হয়েছে। গত কয়েকদিন ধরেই দাম চড়া। আসলে নদীতে মাছ ধরতে না পারলে সংসার চলে না। পেটের দায়ে অভিযানের মধ্যে নদীতে গেলেও মাঝে মধ্যে প্রশাসন অভিযান চালিয়ে আমাদেরকে আটক করে জেল-জরিমানা করেন। তারপরও জেল-জরিমানার ঝুঁকি নিয়ে নদীতে যেতে হয়, না গিয়ে কী করব?
তবে কয়েকজন আড়তদার বলেন, পহেলা বৈশাখ উপলক্ষে ইলিশের চাহিদা বেশি থাকলেও সরবরাহ কম,ফলে দামও বেশি। এক কেজি ওজনের প্রতি কেজি ইলিশ সাড়ে ৩ হাজার টাকা,৭৫০ গ্রাম ওজনের ২ হাজার ৭০০ টাকা ও ৫০০ গ্রাম ওজনের ইলিশ এক হাজার ৭০০ টাকা করে আড়তে বেচাকেনা চলছে।
টানা দুই মাসের নিষেধাজ্ঞা বাস্তবায়নে নদীতে নিয়মিত টহল ও মোবাইল কোর্ট চালানো হচ্ছে বলে জানান ভোলা জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোহাম্মদ ইকবাল হোসেন। তিনি ঢাকা পোস্টকে বলেন, পহেলা বৈশাখকে ঘিরে কেউ আইন অমান্য করে ইলিশ শিকার করলে অভিযান চালিয়ে তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করব।
এদিকে গত ১ মার্চ থেকে শুরু হওয়া এ নিষেধাজ্ঞা চলমান থাকবে আগামী ৩০ এপ্রিল দিনগত রাত ১২টা পর্যন্ত। এ নিষেধাজ্ঞা আওতায় রয়েছে ভোলার মেঘনা তেতুলিয়া নদীর ১৯০ কিলোমিটার এলাকা।’
ইলিশের উৎপাদন বাড়ানোর লক্ষ্যে ভোলার মেঘনা-তেতুলিয়া নদীতে ইলিশসহ সব ধরনের মাছ ধরার ওপর ২ মাসের সরকারি নিষেধাজ্ঞা চলমান থাকা সত্ত্বেও আসন্ন পহেলা বৈশাখকে ঘিরে ইলিশ ধরার মহোৎসবে মেতেছেন অসাধু জেলেরা।
এসব মাছ আবার প্রকাশ্যে হাঁকডাকে বিক্রি হচ্ছে নদী তীরবর্তী মাছঘাটগুলোতে ও বাজারে। এছাড়া আড়তদার ও বেপারীদের মাধ্যমে এসব ইলিশ চলে যাচ্ছে ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন জেলায়। দামও বেশ চড়া। তবে জেলেরা বলছেন, পেটের দায়ে পহেলা বৈশাখকে ঘিরে অতিরিক্ত মুনাফার আশায় অভিযানের মধ্যে প্রশাসনের জেল-জরিমানাকে উপেক্ষা করেই মাছ শিকার করছেন তারা।
সরেজমিনে ভোলা সদর উপজেলার মেঘনা নদীর তীরবর্তী ইলিশা চডার মাথা,তুলাতুলি ও ভোলারখাল ঘুরে দেখা যায়, হাজার হাজার জেলে জাল-ট্রলার নিয়ে নদীতে গিয়ে অবাধে মাছ ধরছে। কেউ জাল ফেলছেন, আবার কেউ টানছেন। আবার কোনো প্রকার বাঁধাবিপত্তি ছাড়াই এসব মাছ নদী তীরবর্তী মাছের আড়ৎগুলোতে প্রকাশ্যে হাঁকডাকে বিক্রি করা হচ্ছে। এতে প্রশ্ন উঠছে নিষেধাজ্ঞা বাস্তবায়ন নিয়ে।
মাছ ধরা শেষে জাল-ট্রলার ও ভাগীদের নিয়ে তীরে ফেরা লিটন মাঝি, সেরাজুল মাঝি সোহাগ মাঝি ও রাকিব মাঝি ঢাকা পোস্টকে বলেন, গত ১মার্চ থেকে নদীতে মাছ ধরার উপর সরকার অভিযান দিয়েছে,অভিযান মেনে এতোদিন খেয়ে না খেয়ে স্ত্রী সন্তানদের নিয়ে ঘরেই বসে ছিলাম। সরকার যে পরিমাণ চাল দিয়েছে তা আমাদের চাহিদার তুলনায় নামমাত্র। ঘরে খাবার না থাকায় বাধ্য হয়েই নদীতে গিয়েছি। সামনে পহেলা বৈশাখ আসতেছে, ইলিশের দাম অন্যান্য সময়ের চেয়ে প্রায় দ্বিগুণ, এর জন্য নদীতে গিয়ে মাছ ধরেছি। তবে নদীতে গিয়ে কাঙ্খিত পরিমাণে ইলিশ পাইনি।
আড়তে মাছ বিক্রির পর হিসাব মেলানো জেলে দুলাল, জুয়েল, ইব্রাহিম ও নাসির বলেন, পহেলা বৈশাখকে ঘিরে আড়তে ইলিশের দাম বেশি পাওয়ায় খরচের তুলনায় দুই তৃতীয়াংশ লাভ হয়েছে। গত কয়েকদিন ধরেই দাম চড়া। আসলে নদীতে মাছ ধরতে না পারলে সংসার চলে না। পেটের দায়ে অভিযানের মধ্যে নদীতে গেলেও মাঝে মধ্যে প্রশাসন অভিযান চালিয়ে আমাদেরকে আটক করে জেল-জরিমানা করেন। তারপরও জেল-জরিমানার ঝুঁকি নিয়ে নদীতে যেতে হয়, না গিয়ে কী করব?
তবে কয়েকজন আড়তদার বলেন, পহেলা বৈশাখ উপলক্ষে ইলিশের চাহিদা বেশি থাকলেও সরবরাহ কম,ফলে দামও বেশি। এক কেজি ওজনের প্রতি কেজি ইলিশ সাড়ে ৩ হাজার টাকা,৭৫০ গ্রাম ওজনের ২ হাজার ৭০০ টাকা ও ৫০০ গ্রাম ওজনের ইলিশ এক হাজার ৭০০ টাকা করে আড়তে বেচাকেনা চলছে।
টানা দুই মাসের নিষেধাজ্ঞা বাস্তবায়নে নদীতে নিয়মিত টহল ও মোবাইল কোর্ট চালানো হচ্ছে বলে জানান ভোলা জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোহাম্মদ ইকবাল হোসেন। তিনি ঢাকা পোস্টকে বলেন, পহেলা বৈশাখকে ঘিরে কেউ আইন অমান্য করে ইলিশ শিকার করলে অভিযান চালিয়ে তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করব।
এদিকে গত ১ মার্চ থেকে শুরু হওয়া এ নিষেধাজ্ঞা চলমান থাকবে আগামী ৩০ এপ্রিল দিনগত রাত ১২টা পর্যন্ত। এ নিষেধাজ্ঞা আওতায় রয়েছে ভোলার মেঘনা তেতুলিয়া নদীর ১৯০ কিলোমিটার এলাকা।’

১২ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:৫৬
ভোলায় অবৈধভাবে বাংলাদেশে প্রবেশের অভিযোগে এক ভারতীয় নাগরিককে আটক করেছে বাংলাদেশ কোস্টগার্ড।
কোস্টগার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট মো. আবুল কাশেম জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শনিবার (১১ এপ্রিল) বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে কোস্টগার্ড বেইস ভোলার একটি দল অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানকালে ভোলা সদর থানা এলাকার খেয়াঘাট ব্রিজ সংলগ্ন স্থান থেকে ওই ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, গ্রেপ্তার ব্যক্তি গত ৭ এপ্রিল দিনাজপুর জেলার বিরামপুর সীমান্ত দিয়ে মাদক পাচারকারী একটি চক্রের সহযোগিতায় আত্মগোপনের উদ্দেশ্যে অবৈধভাবে বাংলাদেশে প্রবেশ করেন।
আটক হলেন- আব্দুল মমিন (৩২)। তিনি ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যের সোনামুড়া জেলার যাত্রাপুর থানার বাঁশপুকুর গ্রামের বাসিন্দা। তার পিতার নাম বসার আলী।
পরবর্তীতে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য তাকে ভোলা সদর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
লেফটেন্যান্ট মো. আবুল কাশেম আরও জানান, দেশের সীমান্ত নিরাপত্তা জোরদার এবং অবৈধ অনুপ্রবেশ রোধে বাংলাদেশ কোস্টগার্ড ভবিষ্যতেও এ ধরনের অভিযান অব্যাহত রাখবে।
বরিশাল টাইমস
ভোলায় অবৈধভাবে বাংলাদেশে প্রবেশের অভিযোগে এক ভারতীয় নাগরিককে আটক করেছে বাংলাদেশ কোস্টগার্ড।
কোস্টগার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট মো. আবুল কাশেম জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শনিবার (১১ এপ্রিল) বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে কোস্টগার্ড বেইস ভোলার একটি দল অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানকালে ভোলা সদর থানা এলাকার খেয়াঘাট ব্রিজ সংলগ্ন স্থান থেকে ওই ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, গ্রেপ্তার ব্যক্তি গত ৭ এপ্রিল দিনাজপুর জেলার বিরামপুর সীমান্ত দিয়ে মাদক পাচারকারী একটি চক্রের সহযোগিতায় আত্মগোপনের উদ্দেশ্যে অবৈধভাবে বাংলাদেশে প্রবেশ করেন।
আটক হলেন- আব্দুল মমিন (৩২)। তিনি ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যের সোনামুড়া জেলার যাত্রাপুর থানার বাঁশপুকুর গ্রামের বাসিন্দা। তার পিতার নাম বসার আলী।
পরবর্তীতে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য তাকে ভোলা সদর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
লেফটেন্যান্ট মো. আবুল কাশেম আরও জানান, দেশের সীমান্ত নিরাপত্তা জোরদার এবং অবৈধ অনুপ্রবেশ রোধে বাংলাদেশ কোস্টগার্ড ভবিষ্যতেও এ ধরনের অভিযান অব্যাহত রাখবে।
বরিশাল টাইমস

১১ এপ্রিল, ২০২৬ ২০:০৭
ভোলার লালমোহন উপজেলার খাদ্য নিয়ন্ত্রক অবনী মোহন দাসের বিরুদ্ধে সমঝোতার মাধ্যমে সরকারি খাদ্য গুদাম থেকে চাল ও গমের ডেলিভারি অর্ডার (ডিও) বিতরণের গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের সমর্থনে টাকার লেনদেনসংক্রান্ত একাধিক গোপন ভিডিও ফুটেজও এই প্রতিনিধির হাতে পৌঁছেছে।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার (পিআইও) কার্যালয় থেকে চাল বা গম বরাদ্দের ছাড়পত্র নিয়ে সংশ্লিষ্ট ডিলার বা কাবিখা-কাবিটা প্রকল্পের বরাদ্দপ্রাপ্তরা খাদ্য নিয়ন্ত্রকের কাছে ডিও নিতে গেলে তাদের কাছ থেকে প্রতি টনে সর্বনিম্ন ৫শ থেকে সর্বোচ্চ একহাজার টাকা পর্যন্ত দাবি করা হয়। নির্ধারিত এই সমঝোতার টাকা পরিশোধের পরই দ্রুত ডিও ইস্যু করা হয় এবং বরাদ্দকৃত চাল-গম উত্তোলনের অনুমতি দেওয়া হয়।
গোপন ভিডিও ফুটেজ পর্যালোচনায় দেখা গেছে, ৯ টন চালের ডিও প্রদানের জন্য ৪ হাজার ৫শ টাকা গ্রহণ করা হচ্ছে। টাকা গ্রহণের পরপরই দ্রুততার সঙ্গে ডিও লেটার প্রস্তুত ও ইস্যু করা হয়। ফুটেজে এ সংক্রান্ত কথোপকথনের কিছু অংশও ধরা পড়েছে।
আরও অভিযোগ রয়েছে, সমঝোতার টাকা পেলে নিয়ম বহির্ভূতভাবে একাধিক কিস্তির ডিও একবারেই প্রস্তুত করে দেওয়া হয়, যা সরকারি বিধিমালার পরিপন্থী বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।
এ বিষয়ে খাদ্য নিয়ন্ত্রক অবনী মোহন দাসের কাছে অভিযোগ ও গোপন ভিডিও প্রসঙ্গে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ওরা খুশি হয়ে যা দেয়, তা আমি রাখি। আমি কাউকে জোর করি না।
তবে পরবর্তীতে কথোপকথনের একপর্যায়ে সমঝোতার বিষয়টি তিনি স্বীকার করেন।এ ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে এবং বিষয়টি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নজরে এনে তদন্তের দাবি উঠেছে।
ভোলার লালমোহন উপজেলার খাদ্য নিয়ন্ত্রক অবনী মোহন দাসের বিরুদ্ধে সমঝোতার মাধ্যমে সরকারি খাদ্য গুদাম থেকে চাল ও গমের ডেলিভারি অর্ডার (ডিও) বিতরণের গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের সমর্থনে টাকার লেনদেনসংক্রান্ত একাধিক গোপন ভিডিও ফুটেজও এই প্রতিনিধির হাতে পৌঁছেছে।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার (পিআইও) কার্যালয় থেকে চাল বা গম বরাদ্দের ছাড়পত্র নিয়ে সংশ্লিষ্ট ডিলার বা কাবিখা-কাবিটা প্রকল্পের বরাদ্দপ্রাপ্তরা খাদ্য নিয়ন্ত্রকের কাছে ডিও নিতে গেলে তাদের কাছ থেকে প্রতি টনে সর্বনিম্ন ৫শ থেকে সর্বোচ্চ একহাজার টাকা পর্যন্ত দাবি করা হয়। নির্ধারিত এই সমঝোতার টাকা পরিশোধের পরই দ্রুত ডিও ইস্যু করা হয় এবং বরাদ্দকৃত চাল-গম উত্তোলনের অনুমতি দেওয়া হয়।
গোপন ভিডিও ফুটেজ পর্যালোচনায় দেখা গেছে, ৯ টন চালের ডিও প্রদানের জন্য ৪ হাজার ৫শ টাকা গ্রহণ করা হচ্ছে। টাকা গ্রহণের পরপরই দ্রুততার সঙ্গে ডিও লেটার প্রস্তুত ও ইস্যু করা হয়। ফুটেজে এ সংক্রান্ত কথোপকথনের কিছু অংশও ধরা পড়েছে।
আরও অভিযোগ রয়েছে, সমঝোতার টাকা পেলে নিয়ম বহির্ভূতভাবে একাধিক কিস্তির ডিও একবারেই প্রস্তুত করে দেওয়া হয়, যা সরকারি বিধিমালার পরিপন্থী বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।
এ বিষয়ে খাদ্য নিয়ন্ত্রক অবনী মোহন দাসের কাছে অভিযোগ ও গোপন ভিডিও প্রসঙ্গে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ওরা খুশি হয়ে যা দেয়, তা আমি রাখি। আমি কাউকে জোর করি না।
তবে পরবর্তীতে কথোপকথনের একপর্যায়ে সমঝোতার বিষয়টি তিনি স্বীকার করেন।এ ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে এবং বিষয়টি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নজরে এনে তদন্তের দাবি উঠেছে।

১১ এপ্রিল, ২০২৬ ১৬:৪৮
দীর্ঘ ১৫ বছর পর ভোলা প্রেস ক্লাবের কার্যনির্বাহী কমিটির দ্বি-বার্ষিক নির্বাচন উৎসবমুখর পরিবেশে সম্পন্ন হয়েছে। এতে সভাপতি পদে অ্যাডভোকেট নজরুল হক অনু এবং সাধারণ সম্পাদক পদে নাসির উদ্দিন লিটন নির্বাচিত হয়েছেন।
শনিবার (১১ এপ্রিল) দুপুরে ভোট গণনা শেষে আনুষ্ঠানিকভাবে ফলাফল ঘোষণা করেন নির্বাচন পরিচালনা উপ-কমিটির চেয়ারম্যান প্রফেসর জামাল হোসেন। এর আগে সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত ভোলা প্রেস ক্লাব মিলনায়তনে শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। ৪৬ সদস্যের মধ্যে ৪৫ জন এতে ভোট দেন।
ঘোষিত ফলাফল অনুযায়ী, সভাপতি পদে নজরুল হক অনু ২০ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন। সহ-সভাপতি পদে মো. সুলাইমান ১৯ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। সাধারণ সম্পাদক পদে নাসির উদ্দিন লিটন ২১ ভোট পেয়ে জয় লাভ করেন।
এ ছাড়া অন্যান্য পদে নির্বাচিতরা হলেন—যুগ্ম সম্পাদক পদে কামরুল ইসলাম, কোষাধ্যক্ষ পদে নুরে আলম ফয়জুল্লাহ। দপ্তর সম্পাদক পদে ছোটন সাহা ও নির্বাহী সদস্য পদে মোতাছিন বিল্লাহ বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন। তবে প্রার্থী না থাকায় ক্রীড়া সম্পাদক, পাঠাগার সম্পাদক, সাংস্কৃতিক সম্পাদক এবং নির্বাহী সদস্যের একটি পদ এখনো শূন্য রয়েছে।
জানা গেছে, প্রেস ক্লাবের মোট ৪৬ জন সদস্যের মধ্যে সাতটি পদের বিপরীতে ১৮ জন প্রার্থী নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। এর মধ্যে সভাপতি পদে ৩ জন, সহ-সভাপতি পদে ৩ জন এবং সাধারণ সম্পাদক পদে ৬ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন।
নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গেছে, স্বচ্ছ ও গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় নির্বাচন সম্পন্ন হয়েছে। নবনির্বাচিত কমিটি আগামী দুই বছর ভোলা প্রেস ক্লাবের দায়িত্ব পালন করবে।
দীর্ঘ ১৫ বছর পর ভোলা প্রেস ক্লাবের কার্যনির্বাহী কমিটির দ্বি-বার্ষিক নির্বাচন উৎসবমুখর পরিবেশে সম্পন্ন হয়েছে। এতে সভাপতি পদে অ্যাডভোকেট নজরুল হক অনু এবং সাধারণ সম্পাদক পদে নাসির উদ্দিন লিটন নির্বাচিত হয়েছেন।
শনিবার (১১ এপ্রিল) দুপুরে ভোট গণনা শেষে আনুষ্ঠানিকভাবে ফলাফল ঘোষণা করেন নির্বাচন পরিচালনা উপ-কমিটির চেয়ারম্যান প্রফেসর জামাল হোসেন। এর আগে সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত ভোলা প্রেস ক্লাব মিলনায়তনে শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। ৪৬ সদস্যের মধ্যে ৪৫ জন এতে ভোট দেন।
ঘোষিত ফলাফল অনুযায়ী, সভাপতি পদে নজরুল হক অনু ২০ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন। সহ-সভাপতি পদে মো. সুলাইমান ১৯ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। সাধারণ সম্পাদক পদে নাসির উদ্দিন লিটন ২১ ভোট পেয়ে জয় লাভ করেন।
এ ছাড়া অন্যান্য পদে নির্বাচিতরা হলেন—যুগ্ম সম্পাদক পদে কামরুল ইসলাম, কোষাধ্যক্ষ পদে নুরে আলম ফয়জুল্লাহ। দপ্তর সম্পাদক পদে ছোটন সাহা ও নির্বাহী সদস্য পদে মোতাছিন বিল্লাহ বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন। তবে প্রার্থী না থাকায় ক্রীড়া সম্পাদক, পাঠাগার সম্পাদক, সাংস্কৃতিক সম্পাদক এবং নির্বাহী সদস্যের একটি পদ এখনো শূন্য রয়েছে।
জানা গেছে, প্রেস ক্লাবের মোট ৪৬ জন সদস্যের মধ্যে সাতটি পদের বিপরীতে ১৮ জন প্রার্থী নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। এর মধ্যে সভাপতি পদে ৩ জন, সহ-সভাপতি পদে ৩ জন এবং সাধারণ সম্পাদক পদে ৬ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন।
নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গেছে, স্বচ্ছ ও গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় নির্বাচন সম্পন্ন হয়েছে। নবনির্বাচিত কমিটি আগামী দুই বছর ভোলা প্রেস ক্লাবের দায়িত্ব পালন করবে।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
১৩ এপ্রিল, ২০২৬ ১৫:৪৭
১৩ এপ্রিল, ২০২৬ ১৪:৩৩
১৩ এপ্রিল, ২০২৬ ১৩:৩২
১৩ এপ্রিল, ২০২৬ ১৩:২২