
০৮ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৫:৩২
পটুয়াখালী রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ এলাকায় (ইপিজেড) বালু ভরাটের কাজ শেষ হয়েছে। তার ওপর ভর করেই দ্রুত গতিতে এগোচ্ছে সড়ক, ড্রেনেজসহ অবকাঠামো নির্মাণ। বিদ্যুৎ, পানি ও অন্যান্য মৌলিক সুবিধা নিশ্চিত করেই চলতি বছরের মাঝামাঝি সময়ে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে প্লট বরাদ্দ দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। চলতি বছরের শেষ দিকে বরাদ্দ পাওয়া প্লটগুলোতেই শিল্পকারখানা স্থাপনের কাজ শুরু করতে পারবেন বিনিয়োগকারীরা।
বঙ্গোপসাগর ও নদ-নদী পরিবেষ্টিত পটুয়াখালী অঞ্চলের মানুষের জীবিকা দীর্ঘদিন ধরে আবর্তিত হয়েছে মাছ ও কৃষি ঘিরে। কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকতকে কেন্দ্র করে পর্যটনের বিকাশ ঘটলেও স্থায়ী কর্মসংস্থান ও শিল্পভিত্তিক অর্থনীতির ঘাটতি ছিল স্পষ্ট। সেই বাস্তবতায় পায়রা সমুদ্রবন্দর, তাপবিদ্যুৎকেন্দ্র ও পদ্মা সেতুর পর দক্ষিণাঞ্চলের অর্থনৈতিক রূপান্তরে নতুন সংযোজন হতে যাচ্ছে পটুয়াখালী ইপিজেড। পায়রা সমুদ্রবন্দর ঘিরে শিল্পকারখানা স্থাপনের জন্য জমি অধিগ্রহণ ইতোমধ্যে প্রায় শেষ পর্যায়ে।
এর পাশাপাশি এলাকায় দুটি এক হাজার ৩২০ মেগাওয়াট ক্ষমতার তাপবিদ্যুৎকেন্দ্র উৎপাদনে রয়েছে। আরো একটি একই ক্ষমতার বিদ্যুৎকেন্দ্রের নির্মাণকাজ এক-চতুর্থাংশ সম্পন্ন হয়েছে। বিদ্যুৎ ও বন্দর সুবিধার সমন্বয়ে পটুয়াখালী এখন দক্ষিণাঞ্চলের সম্ভাবনাময় শিল্পকেন্দ্র হয়ে উঠছে। এই প্রেক্ষাপটে ২০২৩ সালে পটুয়াখালী ইপিজেড প্রকল্পের কাজ শুরু হয়।
সদর উপজেলার আউলিয়াপুর ইউনিয়নের পাঁচকোরালিয়া গ্রামে ৪১০ দশমিক ৭৮ একর জমিতে নির্মাণাধীন এ প্রকল্পের বালু ভরাটের কাজ ইতোমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে। আগামী জুনের মধ্যে বিনিয়োগকারীদের জন্য প্লট বরাদ্দ শুরু হওয়ার কথা রয়েছে। বরাদ্দ পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই কারখানা স্থাপনের কাজ শুরু করতে পারবেন দেশি ও বিদেশি উদ্যোক্তারা।
দেশের তৃতীয় সামুদ্রিক বন্দর পায়রা সমুদ্রবন্দরের পাশেই গড়ে উঠছে পটুয়াখালী রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ এলাকা (ইপিজেড)। ফলে ধীরে ধীরে বাড়ছে বিদেশি বিনিয়োগকারীদের আগ্রহ।
পদ্মা সেতু চালু হওয়ার পর ঢাকার সঙ্গে দক্ষিণাঞ্চলের যোগাযোগ ব্যবস্থায় বড় পরিবর্তন এসেছে। এই উন্নত যোগাযোগের সুবিধায় কম সময় ও কম খরচে কাঁচামাল আমদানি এবং রপ্তানি পণ্য পাঠাতে পারবেন বিনিয়োগকারীরা। এতে বিনিয়োগের পাশাপাশি রপ্তানিও উল্লেখযোগ্য হারে বাড়বে বলে মনে করা হচ্ছে।
পায়রা বন্দর, বিদ্যুৎ আর শ্রমিক সহজ প্রাপ্যতার ওপর ভিত্তি করেই ইপিজেডে দেশি-বিদেশি বিনিয়োগকারীরা বিভিন্ন ধরনের শিল্পকারখানা স্থাপন করবেন। এসব কারখানায় প্রায় এক লাখ মানুষের কর্মসংস্থান হবে বলে সংশ্লিষ্টদের ধারণা। প্রত্যেক শ্রমিকের আয়ের ওপর গড়ে আরো দুইজন পরিবারের সদস্য নির্ভর করবেন। সে হিসাবে আরো প্রায় দুই লাখ মানুষ প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে ইপিজেডকেন্দ্রিক অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে যুক্ত হবেন।
ইপিজেডে কর্মচাঞ্চল্য বাড়লে আশপাশের এলাকায়ও এর প্রভাব পড়বে। হোটেল-রেস্তোঁরা, গণপরিবহন, নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দোকানসহ নানা সেবামুখী ব্যবসার প্রসার ঘটবে। এসব কর্মকাণ্ড স্থানীয় অর্থনীতিকে গতিশীল করার পাশাপাশি সামগ্রিকভাবে দেশের অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়নে ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
ইপিজেড চালু হলে এ অঞ্চলের আর্থসামাজিক বাস্তবতায় বড় ধরনের পরিবর্তন আসবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। মাছ ধরা ও কৃষিকাজে নির্ভরশীল দরিদ্র ও নিম্ন আয়ের মানুষের একটি বড় অংশ তখন গার্মেন্টস, ম্যানিকুইন হেড ও উইগ, লাগেজ, গাড়ির সিট হিটার, সার্জিক্যাল গাউন, প্লাস্টিক পণ্যসহ নানা রপ্তানিমুখী শিল্পে কাজের সুযোগ পাবেন।
এক হাজার ৪৪৩ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মাণাধীন পটুয়াখালী ইপিজেডে মোট ৩০৬টি শিল্প প্লট থাকবে। এর মধ্যে এক হাজার ১০৫ কোটি টাকা সরকারের নিজস্ব তহবিল থেকে এবং বাকি ৩৩৮ কোটি টাকা অর্থায়ন করছে বাংলাদেশ রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চল কর্তৃপক্ষ (বেপজা)।
প্রকল্পের আওতায় নির্মাণ করা হচ্ছে প্রায় ৩ দশমিক ১৫ লাখ মিটার সড়ক, ৩০ হাজার মিটার ড্রেনেজ, চারটি ছয়তলা কারখানা ভবন, তিনটি দশতলা অফিস ভবন, আবাসিক ভবন, কাস্টমস ও জোন অফিস, নিরাপত্তা অফিস এবং একটি হেলিপ্যাড। পাশাপাশি জমিদাতা ১৫৪ পরিবারের জন্য পুনর্বাসন আবাসন নির্মাণ করা হচ্ছে, যেখানে থাকবে পুকুর, মসজিদসহ মৌলিক সুযোগ-সুবিধা।
নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করতে ১৪টি সাবস্টেশন, ১৫ কিলোমিটার ১১ কেভি হাই-টেনশন লাইন এবং একটি জিআইএস সাবস্টেশন নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে। বিদ্যুৎ, পানি আর ড্রেনেজ ব্যবস্থার কাজ শেষ হলেই প্লট বরাদ্ধ শুরু হবে।
পটুয়াখালী ইউপিজের প্রকল্প পরিচালক মুহাম্মদ শফিকুল ইসলাম বলেন, ২০২৬ সালের শুরুতে বিনিয়োগকারীদের জন্য প্লট বরাদ্দ দেওয়ার লক্ষ্য নিয়ে দ্রুতগতিতে কাজ চলছে। তিনি বলেন, জমিদাতা পরিবারগুলোর আবাসন নির্মাণ শুরু হয়েছে। ড্রেন, ফুটপাত, কালভার্ট ও স্কুলসহ প্রয়োজনীয় সামাজিক অবকাঠামোও গড়ে তোলা হবে।
শফিকুল ইসলাম আরো বলেন, বালু ভরাট শেষে বিভিন্ন স্থাপনার নির্মাণকাজ এখন দৃশ্যমান পর্যায়ে পৌঁছেছে। এই বছরের মাঝামাঝি সময় প্লট বরাদ্ধ দেয়া হবে। বিনিয়োগকারীরা এই বছরের শেষের দিকে শিল্প কারখানা স্থাপনের কাজ শুরু করতেন পারবেন।
পায়রা সমুদ্রবন্দর, পদ্মা সেতু ও বিদ্যুৎকেন্দ্রের সঙ্গে পটুয়াখালী ইপিজেড যুক্ত হলে উপকূলীয় অর্থনীতির চাকা নতুন গতিতে ঘুরবে। স্থানীয়দের কাছে এটি শুধু একটি শিল্পাঞ্চল নয়, বরং দীর্ঘদিনের বঞ্চনার অবসান ঘটিয়ে সম্ভাবনার নতুন দরজা খুলে দেওয়ার প্রতীক।
পটুয়াখালী রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ এলাকায় (ইপিজেড) বালু ভরাটের কাজ শেষ হয়েছে। তার ওপর ভর করেই দ্রুত গতিতে এগোচ্ছে সড়ক, ড্রেনেজসহ অবকাঠামো নির্মাণ। বিদ্যুৎ, পানি ও অন্যান্য মৌলিক সুবিধা নিশ্চিত করেই চলতি বছরের মাঝামাঝি সময়ে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে প্লট বরাদ্দ দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। চলতি বছরের শেষ দিকে বরাদ্দ পাওয়া প্লটগুলোতেই শিল্পকারখানা স্থাপনের কাজ শুরু করতে পারবেন বিনিয়োগকারীরা।
বঙ্গোপসাগর ও নদ-নদী পরিবেষ্টিত পটুয়াখালী অঞ্চলের মানুষের জীবিকা দীর্ঘদিন ধরে আবর্তিত হয়েছে মাছ ও কৃষি ঘিরে। কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকতকে কেন্দ্র করে পর্যটনের বিকাশ ঘটলেও স্থায়ী কর্মসংস্থান ও শিল্পভিত্তিক অর্থনীতির ঘাটতি ছিল স্পষ্ট। সেই বাস্তবতায় পায়রা সমুদ্রবন্দর, তাপবিদ্যুৎকেন্দ্র ও পদ্মা সেতুর পর দক্ষিণাঞ্চলের অর্থনৈতিক রূপান্তরে নতুন সংযোজন হতে যাচ্ছে পটুয়াখালী ইপিজেড। পায়রা সমুদ্রবন্দর ঘিরে শিল্পকারখানা স্থাপনের জন্য জমি অধিগ্রহণ ইতোমধ্যে প্রায় শেষ পর্যায়ে।
এর পাশাপাশি এলাকায় দুটি এক হাজার ৩২০ মেগাওয়াট ক্ষমতার তাপবিদ্যুৎকেন্দ্র উৎপাদনে রয়েছে। আরো একটি একই ক্ষমতার বিদ্যুৎকেন্দ্রের নির্মাণকাজ এক-চতুর্থাংশ সম্পন্ন হয়েছে। বিদ্যুৎ ও বন্দর সুবিধার সমন্বয়ে পটুয়াখালী এখন দক্ষিণাঞ্চলের সম্ভাবনাময় শিল্পকেন্দ্র হয়ে উঠছে। এই প্রেক্ষাপটে ২০২৩ সালে পটুয়াখালী ইপিজেড প্রকল্পের কাজ শুরু হয়।
সদর উপজেলার আউলিয়াপুর ইউনিয়নের পাঁচকোরালিয়া গ্রামে ৪১০ দশমিক ৭৮ একর জমিতে নির্মাণাধীন এ প্রকল্পের বালু ভরাটের কাজ ইতোমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে। আগামী জুনের মধ্যে বিনিয়োগকারীদের জন্য প্লট বরাদ্দ শুরু হওয়ার কথা রয়েছে। বরাদ্দ পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই কারখানা স্থাপনের কাজ শুরু করতে পারবেন দেশি ও বিদেশি উদ্যোক্তারা।
দেশের তৃতীয় সামুদ্রিক বন্দর পায়রা সমুদ্রবন্দরের পাশেই গড়ে উঠছে পটুয়াখালী রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ এলাকা (ইপিজেড)। ফলে ধীরে ধীরে বাড়ছে বিদেশি বিনিয়োগকারীদের আগ্রহ।
পদ্মা সেতু চালু হওয়ার পর ঢাকার সঙ্গে দক্ষিণাঞ্চলের যোগাযোগ ব্যবস্থায় বড় পরিবর্তন এসেছে। এই উন্নত যোগাযোগের সুবিধায় কম সময় ও কম খরচে কাঁচামাল আমদানি এবং রপ্তানি পণ্য পাঠাতে পারবেন বিনিয়োগকারীরা। এতে বিনিয়োগের পাশাপাশি রপ্তানিও উল্লেখযোগ্য হারে বাড়বে বলে মনে করা হচ্ছে।
পায়রা বন্দর, বিদ্যুৎ আর শ্রমিক সহজ প্রাপ্যতার ওপর ভিত্তি করেই ইপিজেডে দেশি-বিদেশি বিনিয়োগকারীরা বিভিন্ন ধরনের শিল্পকারখানা স্থাপন করবেন। এসব কারখানায় প্রায় এক লাখ মানুষের কর্মসংস্থান হবে বলে সংশ্লিষ্টদের ধারণা। প্রত্যেক শ্রমিকের আয়ের ওপর গড়ে আরো দুইজন পরিবারের সদস্য নির্ভর করবেন। সে হিসাবে আরো প্রায় দুই লাখ মানুষ প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে ইপিজেডকেন্দ্রিক অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে যুক্ত হবেন।
ইপিজেডে কর্মচাঞ্চল্য বাড়লে আশপাশের এলাকায়ও এর প্রভাব পড়বে। হোটেল-রেস্তোঁরা, গণপরিবহন, নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দোকানসহ নানা সেবামুখী ব্যবসার প্রসার ঘটবে। এসব কর্মকাণ্ড স্থানীয় অর্থনীতিকে গতিশীল করার পাশাপাশি সামগ্রিকভাবে দেশের অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়নে ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
ইপিজেড চালু হলে এ অঞ্চলের আর্থসামাজিক বাস্তবতায় বড় ধরনের পরিবর্তন আসবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। মাছ ধরা ও কৃষিকাজে নির্ভরশীল দরিদ্র ও নিম্ন আয়ের মানুষের একটি বড় অংশ তখন গার্মেন্টস, ম্যানিকুইন হেড ও উইগ, লাগেজ, গাড়ির সিট হিটার, সার্জিক্যাল গাউন, প্লাস্টিক পণ্যসহ নানা রপ্তানিমুখী শিল্পে কাজের সুযোগ পাবেন।
এক হাজার ৪৪৩ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মাণাধীন পটুয়াখালী ইপিজেডে মোট ৩০৬টি শিল্প প্লট থাকবে। এর মধ্যে এক হাজার ১০৫ কোটি টাকা সরকারের নিজস্ব তহবিল থেকে এবং বাকি ৩৩৮ কোটি টাকা অর্থায়ন করছে বাংলাদেশ রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চল কর্তৃপক্ষ (বেপজা)।
প্রকল্পের আওতায় নির্মাণ করা হচ্ছে প্রায় ৩ দশমিক ১৫ লাখ মিটার সড়ক, ৩০ হাজার মিটার ড্রেনেজ, চারটি ছয়তলা কারখানা ভবন, তিনটি দশতলা অফিস ভবন, আবাসিক ভবন, কাস্টমস ও জোন অফিস, নিরাপত্তা অফিস এবং একটি হেলিপ্যাড। পাশাপাশি জমিদাতা ১৫৪ পরিবারের জন্য পুনর্বাসন আবাসন নির্মাণ করা হচ্ছে, যেখানে থাকবে পুকুর, মসজিদসহ মৌলিক সুযোগ-সুবিধা।
নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করতে ১৪টি সাবস্টেশন, ১৫ কিলোমিটার ১১ কেভি হাই-টেনশন লাইন এবং একটি জিআইএস সাবস্টেশন নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে। বিদ্যুৎ, পানি আর ড্রেনেজ ব্যবস্থার কাজ শেষ হলেই প্লট বরাদ্ধ শুরু হবে।
পটুয়াখালী ইউপিজের প্রকল্প পরিচালক মুহাম্মদ শফিকুল ইসলাম বলেন, ২০২৬ সালের শুরুতে বিনিয়োগকারীদের জন্য প্লট বরাদ্দ দেওয়ার লক্ষ্য নিয়ে দ্রুতগতিতে কাজ চলছে। তিনি বলেন, জমিদাতা পরিবারগুলোর আবাসন নির্মাণ শুরু হয়েছে। ড্রেন, ফুটপাত, কালভার্ট ও স্কুলসহ প্রয়োজনীয় সামাজিক অবকাঠামোও গড়ে তোলা হবে।
শফিকুল ইসলাম আরো বলেন, বালু ভরাট শেষে বিভিন্ন স্থাপনার নির্মাণকাজ এখন দৃশ্যমান পর্যায়ে পৌঁছেছে। এই বছরের মাঝামাঝি সময় প্লট বরাদ্ধ দেয়া হবে। বিনিয়োগকারীরা এই বছরের শেষের দিকে শিল্প কারখানা স্থাপনের কাজ শুরু করতেন পারবেন।
পায়রা সমুদ্রবন্দর, পদ্মা সেতু ও বিদ্যুৎকেন্দ্রের সঙ্গে পটুয়াখালী ইপিজেড যুক্ত হলে উপকূলীয় অর্থনীতির চাকা নতুন গতিতে ঘুরবে। স্থানীয়দের কাছে এটি শুধু একটি শিল্পাঞ্চল নয়, বরং দীর্ঘদিনের বঞ্চনার অবসান ঘটিয়ে সম্ভাবনার নতুন দরজা খুলে দেওয়ার প্রতীক।

০৮ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০২
পটুয়াখালীর পায়রা সেতু টোলপ্লাজায় ঘুষ নিয়ে ওভারলোডেড ট্রাক ছেড়ে দেওয়ার অভিযোগে টোল কালেক্টর মো. নুরুজ্জামানকে বরখাস্ত করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) রাতে যশোর–ট–১১–৩১৩৬ নম্বরের একটি ট্রাক থেকে ৫০০ টাকা ঘুষ নেওয়ার অভিযোগ ওঠে তার বিরুদ্ধে। অভিযোগ অনুযায়ী, ওই টাকা নেওয়ার পর অতিরিক্ত বোঝাই ট্রাকটি ছেড়ে দেওয়া হয়।
বিষয়টি জানতে পেরে স্থানীয় লোকজন ট্রাকটি আটক করে ওজন স্কেলে তুললে দেখা যায়, ২২ টন ধারণক্ষমতার ট্রাকটিতে অতিরিক্ত ২২ টন ৭০০ কেজি পণ্য বহন করা হয়েছে। এতে স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভ দেখা দেয়।
পরে টোলপ্লাজার দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন এবং প্রমাণের ভিত্তিতে অভিযুক্তের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দেন।
রাত নয়টার দিকে টোলপ্লাজার ইজারাপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠান ‘মেসার্স বেস্ট ইস্টার্ন’-এর অপারেশন ডিরেক্টর সজল বিশ্বাসের সই করা চিঠিতে মো. নুরুজ্জামানকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হয়। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্টরা জানান, এর আগেও তাঁর বিরুদ্ধে চালকদের কাছ থেকে ঘুষ নিয়ে ওভারলোডেড যানবাহন ছেড়ে দেওয়ার অভিযোগ ছিল।

০৭ এপ্রিল, ২০২৬ ১৮:১২
পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জে নব যোগদানকৃত উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) শেখ মোঃ রাসেল উপজেলার বিভিন্ন পর্যায়ের সুধীজনের সাথে মতবিনিময় সভা করেছেন।
আজ মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল, ২০২৬) উপজেলা পরিষদ কমপ্লেক্সের সম্প্রসারিত ভবন এর কনফারেন্স রুমে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
এতে উপজেলা বিএনপির সিনিয়র নেতৃবৃন্দ এবং এর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ, মুক্তিযোদ্ধা, শিক্ষক, সাংবাদিক ও বিভিন্ন পেশাজীবী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
সভায় উপস্থিত বক্তারা নবাগত ইউএনও-কে মির্জাগঞ্জে স্বাগত জানান। আলোচনায় উপজেলার আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া,সাধারণ মানুষের জন্য সরকারি সেবা প্রাপ্তি আরও সহজ ও হয়রানিমুক্ত করা, যুবসমাজকে ধ্বংসের হাত থেকে বাঁচাতে মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে বলিষ্ঠ ভূমিকা রাখা সহ উপজেলার সার্বিক উন্নয়নে বেশ কিছু দাবি ও প্রত্যাশা উঠে আসে।
নবাগত উপজেলা নির্বাহী অফিসার শেখ মোঃ রাসেল সকলের সহযোগিতা কামনা করে উপজেলার সার্বিক উন্নয়নে নিষ্ঠার সাথে কাজ করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।

০৭ এপ্রিল, ২০২৬ ১৩:৩২
পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার কালাইয়া ইউনিয়নে জেলেদের ভিজিএফ এর চাল বিতরনে কোন অনিয়ম কিংবা আত্মসাত করা হয়নি দাবি করে সংবাদ সম্মেলন করেছেন ওই ইউনিয়নের প্যানেল চেয়ারম্যান মো. ফিরোজ হাওলাদার।
রোববার রাত ৮ টায় কালাইয়া ইউনিয়ন পরিষদের একটি হল রুমে অনুষ্ঠিত ওই সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, গত বৃহস্পতিবার জেলেদের মধ্যে বিতরনের চাল শ্রমিকদের বুজিয়ে দেওয়ার আগেই ৪/৫ জন স্থানীয় সাংবাদিক এসে আমাকে প্রশ্ন করেন, ভাই আপনি কী চাল নিয়ে আসছেন ? তখন আমি বলি, হ্যাঁ সব চালই নিয়ে আসছি।
এ কথা বলার পরে সাংবাদিকরা চালের বস্তা গননা শুরু করেন। তখন দুপুরে না খাওয়া ৯২১ জন জেলে ধৈর্য হারা হয়ে উত্তেজিত হয়ে যায় এবং বিশৃংখলার সৃষ্টি করেন।
যার কারণে আমরা সর্বশেষ চালের ট্রলিতে আসা ২০০ বস্তা চাল মেম্বারদের মাঝে বুঝিয়ে না দিয়ে ওই চালের ট্রলি ইউনিয়ন পরিষদ ভবনের ক্লাবসিবল গেইটের সামনে রাখি।
তখন সাংবাদিকরা প্রশ্ন করেন আপনি এখানে চাল রাখছেন কেন? আমি বলি, এটা আমি পরে বিতরণ করব। সাংবাদিকরা চালের যে হিসেব করেছে ওই ট্রলির চাল সেই হিসেবের মধ্যে আসে নাই।
যার ফলে তাঁরা (সাংবাদিকরা) যে ১৯২ বস্তা চাল নেই বলে উল্লেখ করেছেন সেখানে সেই ট্রলির চাল গননা করা হয়নি। এরপরে ওই ট্রলিতে থাকা চাল জেলেদের মাঝে বিতরণ শুরু করি।
এ সময় ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসনিক কর্মকর্তা আবু বকর ছিদ্দিক, ইউপি সদস্যগন ও স্থানীয় গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।উল্লেখ্য, এর আগে জেলেদের চাল বিতরণে অনিয়ম ও আত্মসাতের অভিযোগ শিরোনামে কয়েকটি জাতীয় দৈনিক পত্রিকায় একটি সংবাদ প্রকাশিত হয়।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
পটুয়াখালীর পায়রা সেতু টোলপ্লাজায় ঘুষ নিয়ে ওভারলোডেড ট্রাক ছেড়ে দেওয়ার অভিযোগে টোল কালেক্টর মো. নুরুজ্জামানকে বরখাস্ত করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) রাতে যশোর–ট–১১–৩১৩৬ নম্বরের একটি ট্রাক থেকে ৫০০ টাকা ঘুষ নেওয়ার অভিযোগ ওঠে তার বিরুদ্ধে। অভিযোগ অনুযায়ী, ওই টাকা নেওয়ার পর অতিরিক্ত বোঝাই ট্রাকটি ছেড়ে দেওয়া হয়।
বিষয়টি জানতে পেরে স্থানীয় লোকজন ট্রাকটি আটক করে ওজন স্কেলে তুললে দেখা যায়, ২২ টন ধারণক্ষমতার ট্রাকটিতে অতিরিক্ত ২২ টন ৭০০ কেজি পণ্য বহন করা হয়েছে। এতে স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভ দেখা দেয়।
পরে টোলপ্লাজার দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন এবং প্রমাণের ভিত্তিতে অভিযুক্তের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দেন।
রাত নয়টার দিকে টোলপ্লাজার ইজারাপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠান ‘মেসার্স বেস্ট ইস্টার্ন’-এর অপারেশন ডিরেক্টর সজল বিশ্বাসের সই করা চিঠিতে মো. নুরুজ্জামানকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হয়। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্টরা জানান, এর আগেও তাঁর বিরুদ্ধে চালকদের কাছ থেকে ঘুষ নিয়ে ওভারলোডেড যানবাহন ছেড়ে দেওয়ার অভিযোগ ছিল।
পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জে নব যোগদানকৃত উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) শেখ মোঃ রাসেল উপজেলার বিভিন্ন পর্যায়ের সুধীজনের সাথে মতবিনিময় সভা করেছেন।
আজ মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল, ২০২৬) উপজেলা পরিষদ কমপ্লেক্সের সম্প্রসারিত ভবন এর কনফারেন্স রুমে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
এতে উপজেলা বিএনপির সিনিয়র নেতৃবৃন্দ এবং এর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ, মুক্তিযোদ্ধা, শিক্ষক, সাংবাদিক ও বিভিন্ন পেশাজীবী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
সভায় উপস্থিত বক্তারা নবাগত ইউএনও-কে মির্জাগঞ্জে স্বাগত জানান। আলোচনায় উপজেলার আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া,সাধারণ মানুষের জন্য সরকারি সেবা প্রাপ্তি আরও সহজ ও হয়রানিমুক্ত করা, যুবসমাজকে ধ্বংসের হাত থেকে বাঁচাতে মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে বলিষ্ঠ ভূমিকা রাখা সহ উপজেলার সার্বিক উন্নয়নে বেশ কিছু দাবি ও প্রত্যাশা উঠে আসে।
নবাগত উপজেলা নির্বাহী অফিসার শেখ মোঃ রাসেল সকলের সহযোগিতা কামনা করে উপজেলার সার্বিক উন্নয়নে নিষ্ঠার সাথে কাজ করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।
পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার কালাইয়া ইউনিয়নে জেলেদের ভিজিএফ এর চাল বিতরনে কোন অনিয়ম কিংবা আত্মসাত করা হয়নি দাবি করে সংবাদ সম্মেলন করেছেন ওই ইউনিয়নের প্যানেল চেয়ারম্যান মো. ফিরোজ হাওলাদার।
রোববার রাত ৮ টায় কালাইয়া ইউনিয়ন পরিষদের একটি হল রুমে অনুষ্ঠিত ওই সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, গত বৃহস্পতিবার জেলেদের মধ্যে বিতরনের চাল শ্রমিকদের বুজিয়ে দেওয়ার আগেই ৪/৫ জন স্থানীয় সাংবাদিক এসে আমাকে প্রশ্ন করেন, ভাই আপনি কী চাল নিয়ে আসছেন ? তখন আমি বলি, হ্যাঁ সব চালই নিয়ে আসছি।
এ কথা বলার পরে সাংবাদিকরা চালের বস্তা গননা শুরু করেন। তখন দুপুরে না খাওয়া ৯২১ জন জেলে ধৈর্য হারা হয়ে উত্তেজিত হয়ে যায় এবং বিশৃংখলার সৃষ্টি করেন।
যার কারণে আমরা সর্বশেষ চালের ট্রলিতে আসা ২০০ বস্তা চাল মেম্বারদের মাঝে বুঝিয়ে না দিয়ে ওই চালের ট্রলি ইউনিয়ন পরিষদ ভবনের ক্লাবসিবল গেইটের সামনে রাখি।
তখন সাংবাদিকরা প্রশ্ন করেন আপনি এখানে চাল রাখছেন কেন? আমি বলি, এটা আমি পরে বিতরণ করব। সাংবাদিকরা চালের যে হিসেব করেছে ওই ট্রলির চাল সেই হিসেবের মধ্যে আসে নাই।
যার ফলে তাঁরা (সাংবাদিকরা) যে ১৯২ বস্তা চাল নেই বলে উল্লেখ করেছেন সেখানে সেই ট্রলির চাল গননা করা হয়নি। এরপরে ওই ট্রলিতে থাকা চাল জেলেদের মাঝে বিতরণ শুরু করি।
এ সময় ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসনিক কর্মকর্তা আবু বকর ছিদ্দিক, ইউপি সদস্যগন ও স্থানীয় গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।উল্লেখ্য, এর আগে জেলেদের চাল বিতরণে অনিয়ম ও আত্মসাতের অভিযোগ শিরোনামে কয়েকটি জাতীয় দৈনিক পত্রিকায় একটি সংবাদ প্রকাশিত হয়।