জাতীয় জরুরি সেবা নম্বর ‘৯৯৯’-এ কল পেয়ে ভোলার মনপুরায় মেঘনা নদীতে ইঞ্জিন বিকল হয়ে ভাসতে থাকা একটি বোটসহ ১২ যাত্রীকে উদ্ধার করেছে কোস্টগার্ড।
রোববার (৩ মে) বিকেলে এক অভিযানের মাধ্যমে তাদের নিরাপদে উপকূলে ফিরিয়ে আনা হয়।
কোস্টগার্ড সূত্রে জানা গেছে, রোববার বিকেল ৩টার দিকে মনপুরা থানার মেঘনা নদীতে একটি যাত্রীবাহী কাঠের বোট ১২ জন যাত্রী নিয়ে যাচ্ছিল। মাঝনদীতে পৌঁছালে প্রবল বাতাসের কবলে পড়ে বোটটির ইঞ্জিন বিকল হয়ে যায়। উত্তাল নদীতে বোটটি নিয়ন্ত্রণহীনভাবে ভাসতে থাকায় যাত্রীদের মধ্যে চরম আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।
বোটের একজন যাত্রী তাৎক্ষণিকভাবে ৯৯৯ নম্বরে কল করে সহায়তা চান। খবর পেয়ে কোস্টগার্ড দক্ষিণ জোনের আউটপোস্ট মনপুরার একটি উদ্ধারকারী দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে মাঝনদী থেকে ভাসমান বোটসহ সব যাত্রীকে অক্ষত অবস্থায় উদ্ধার করে।
কোস্টগার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন জানান, উদ্ধার যাত্রী ও বোটটিকে নিরাপদে মনপুরার হাজিরহাট সংলগ্ন ঘাটে পৌঁছে দেওয়া হয়েছে। তিনি আরও বলেন, জনসেবায় কোস্টগার্ড সর্বদা নিয়োজিত আছে এবং ভবিষ্যতেও এমন উদ্ধার তৎপরতা অব্যাহত থাকবে।

২৮ জুলাই, ২০২৬ ১৬:৪৩
ভোলায় একটি ভাড়া বাসা থেকে পুলিশ সদস্যের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার হয়েছে। মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) দুপুরের দিকে ভোলা পৌর এলাকার অফিসার পাড়ার একটি বাসা থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।
নিহত পুলিশ সদস্যের নাম মো. শাহাবুদ্দিন ফকির (৪৫)। তিনি ভোলা কোর্ট পুলিশে কনস্টেবল হিসেবে কর্মরত ছিলেন। শাহাবুদ্দিন বরিশাল জেলার গৌরনদী থানা দক্ষিণ বিজয়পুর গ্রামের আদম আলী ফকিরের ছেলে।
ভোলা কোর্ট ইন্সপেক্টর মো. নাছির উদ্দিন সাংবাদিকদের বলেন, কনস্টেবল শাহাবুদ্দিন অফিসার পাড়ায় একটি ভাড়া বাসায় পরিবারের নিয়ে থাকতেন। তবে কয়েক দিন আগে তার স্ত্রী গ্রামের বাড়িতে যান। মঙ্গলবার সকালে কোর্টে ডিউটি ছিলো শাহাবুদ্দিনের। সে ডিউটিতে যোগদান না করায় তাকে একাধিকবার ফোন দেওয়া হয়। কিন্তু ফোন না ধরায় তার বাসায় গিয়ে বাড়ির মালিকসহ ডাকাডাকি করি। তখনও কোনো সাড়াশব্দ না পেয়ে ঘরের দরজা ভেঙে তার ঝুলন্ত মরদেহ দেখতে পাই। পরে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ভোলা ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, এর আগে গত ৪ মে শাহাবুদ্দিনের একমাত্র সন্তান চৌত্রি ওই বাড়িতে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেন। এরপর থেকে শাহাবুদ্দিন মানসিকভাবে ভেঙে পরেন।’
ভোলায় একটি ভাড়া বাসা থেকে পুলিশ সদস্যের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার হয়েছে। মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) দুপুরের দিকে ভোলা পৌর এলাকার অফিসার পাড়ার একটি বাসা থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।
নিহত পুলিশ সদস্যের নাম মো. শাহাবুদ্দিন ফকির (৪৫)। তিনি ভোলা কোর্ট পুলিশে কনস্টেবল হিসেবে কর্মরত ছিলেন। শাহাবুদ্দিন বরিশাল জেলার গৌরনদী থানা দক্ষিণ বিজয়পুর গ্রামের আদম আলী ফকিরের ছেলে।
ভোলা কোর্ট ইন্সপেক্টর মো. নাছির উদ্দিন সাংবাদিকদের বলেন, কনস্টেবল শাহাবুদ্দিন অফিসার পাড়ায় একটি ভাড়া বাসায় পরিবারের নিয়ে থাকতেন। তবে কয়েক দিন আগে তার স্ত্রী গ্রামের বাড়িতে যান। মঙ্গলবার সকালে কোর্টে ডিউটি ছিলো শাহাবুদ্দিনের। সে ডিউটিতে যোগদান না করায় তাকে একাধিকবার ফোন দেওয়া হয়। কিন্তু ফোন না ধরায় তার বাসায় গিয়ে বাড়ির মালিকসহ ডাকাডাকি করি। তখনও কোনো সাড়াশব্দ না পেয়ে ঘরের দরজা ভেঙে তার ঝুলন্ত মরদেহ দেখতে পাই। পরে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ভোলা ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, এর আগে গত ৪ মে শাহাবুদ্দিনের একমাত্র সন্তান চৌত্রি ওই বাড়িতে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেন। এরপর থেকে শাহাবুদ্দিন মানসিকভাবে ভেঙে পরেন।’

২৫ জুলাই, ২০২৬ ১৯:২৮
ভোলার লালমোহন উপজেলায় যাত্রীবাহী বাস চাপায় মোসা. মাইশা আক্তার (৬) নামে এক শিশু নিহত হয়েছে। শনিবার বিকেলে উপজেলার পশ্চিম চরউমেদ ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের ভোলা-চরফ্যাশন আঞ্চলিক মহাসড়কের সৈনিক বাজার এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত শিশু মাইশা ওই এলাকার মো. বিল্লাল হোসেনের মেয়ে।
জানা গেছে, শনিবার বিকেলে লালমোহন উপজেলার সৈনিক বাজার এলাকায় সড়ক পার হচ্ছিল শিশু মাইশা আক্তার। এ সময় ভোলা থেকে ছেড়ে আসা চরফ্যাশনগামী দ্রুতগতির একটি যাত্রীবাহী বাস তাকে চাপা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই মারা যায় শিশু মাইশা। ঘটনা বুঝতে পেরে বাস নিয়ে চলে যান চালক। খবর পেয়ে ওই শিশুর স্বজন ও স্থানীয়রা ঘটনাস্থলে ছুটে যান। তারা সড়কের ওপর গাছ ফেলে সব ধরনের যানবাহন চলাচল বন্ধ করে দেন।
এ বিষয়ে লালমোহন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. অলিউল ইসলাম বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশের একটি টিম পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।’
ভোলার লালমোহন উপজেলায় যাত্রীবাহী বাস চাপায় মোসা. মাইশা আক্তার (৬) নামে এক শিশু নিহত হয়েছে। শনিবার বিকেলে উপজেলার পশ্চিম চরউমেদ ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের ভোলা-চরফ্যাশন আঞ্চলিক মহাসড়কের সৈনিক বাজার এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত শিশু মাইশা ওই এলাকার মো. বিল্লাল হোসেনের মেয়ে।
জানা গেছে, শনিবার বিকেলে লালমোহন উপজেলার সৈনিক বাজার এলাকায় সড়ক পার হচ্ছিল শিশু মাইশা আক্তার। এ সময় ভোলা থেকে ছেড়ে আসা চরফ্যাশনগামী দ্রুতগতির একটি যাত্রীবাহী বাস তাকে চাপা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই মারা যায় শিশু মাইশা। ঘটনা বুঝতে পেরে বাস নিয়ে চলে যান চালক। খবর পেয়ে ওই শিশুর স্বজন ও স্থানীয়রা ঘটনাস্থলে ছুটে যান। তারা সড়কের ওপর গাছ ফেলে সব ধরনের যানবাহন চলাচল বন্ধ করে দেন।
এ বিষয়ে লালমোহন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. অলিউল ইসলাম বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশের একটি টিম পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।’

২১ জুলাই, ২০২৬ ১৭:১৬
জমি সংক্রান্ত প্রি-এম্পশন, পারিবারিক বিরোধসহ বিভিন্ন দেওয়ানি বিরোধ আদালতে মামলা দায়েরের আগেই মধ্যস্থতার মাধ্যমে নিষ্পত্তির উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এ লক্ষে ভোলা-পটুয়াখালীসহ দেশের ১০ জেলায় একযোগে বাধ্যতামূলক মামলা-পূর্ব মধ্যস্থতা কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়েছে। এর অংশ হিসেবে ভোলায়ও অনুষ্ঠিত হয়েছে উদ্বোধনী অনুষ্ঠান।
মঙ্গলবার (২১ জুলাই) সকাল ১০টায় বিচার, আইন ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আইন ও বিচার বিভাগের কনফারেন্স রুম থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে এ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে মন্ত্রী বলেন, আইনগত সহায়তা প্রদান (সংশোধিত) আইন, ২০২৬ অনুযায়ী নির্ধারিত কিছু বিরোধের ক্ষেত্রে আদালতে মামলা দায়েরের আগে জেলা লিগ্যাল এইড অফিসে বাধ্যতামূলকভাবে মধ্যস্থতার উদ্যোগ নিতে হবে। এসব বিরোধের মধ্যে রয়েছে জমি সংক্রান্ত প্রি-এম্পশন, পারিবারিক বিরোধ, বাড়ি ভাড়া, পিতামাতার ভরণপোষণ এবং যৌতুক নিরোধ আইনের আওতাধীন নির্দিষ্ট বিষয়।
এ উপলক্ষে ভোলা চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের সেমিনার কক্ষে জেলা লিগ্যাল এইড কমিটির উদ্যোগে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন জেলা লিগ্যাল এইড কমিটির চেয়ারম্যান ও জেলা জজ শরীফ এ. এম. রেজা জাকের।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ভোলা জেলা ও দায়রা জজ এবং নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. ইব্রাহীম মিয়া, অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ বেল্লাল হোসেন, মো. এনায়েত উল্লাহ ও এ. এস. এম. তারিক শামস, জেলা লিগ্যাল এইড অফিসার মো. শহীদুল ইসলাম, ভোলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি অ্যাডভোকেট মো. ফরিদুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট আমিরুল ইসলাম বাসেতসহ বিচার বিভাগ, আইনজীবী সমিতি এবং সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তারা।
সংশ্লিষ্টরা জানান, বাধ্যতামূলক মামলা-পূর্ব মধ্যস্থতা কার্যক্রম চালুর ফলে বিচারপ্রার্থীরা আদালতে মামলা দায়েরের আগেই আলোচনার মাধ্যমে বিরোধ নিষ্পত্তির সুযোগ পাবেন। এতে একদিকে যেমন আদালতের মামলার চাপ কমবে, অন্যদিকে দ্রুত, সহজ ও কম ব্যয়সাপেক্ষে বিরোধ নিষ্পত্তির পথ সুগম হবে বলে আশা করা হচ্ছে।’
জমি সংক্রান্ত প্রি-এম্পশন, পারিবারিক বিরোধসহ বিভিন্ন দেওয়ানি বিরোধ আদালতে মামলা দায়েরের আগেই মধ্যস্থতার মাধ্যমে নিষ্পত্তির উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এ লক্ষে ভোলা-পটুয়াখালীসহ দেশের ১০ জেলায় একযোগে বাধ্যতামূলক মামলা-পূর্ব মধ্যস্থতা কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়েছে। এর অংশ হিসেবে ভোলায়ও অনুষ্ঠিত হয়েছে উদ্বোধনী অনুষ্ঠান।
মঙ্গলবার (২১ জুলাই) সকাল ১০টায় বিচার, আইন ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আইন ও বিচার বিভাগের কনফারেন্স রুম থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে এ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে মন্ত্রী বলেন, আইনগত সহায়তা প্রদান (সংশোধিত) আইন, ২০২৬ অনুযায়ী নির্ধারিত কিছু বিরোধের ক্ষেত্রে আদালতে মামলা দায়েরের আগে জেলা লিগ্যাল এইড অফিসে বাধ্যতামূলকভাবে মধ্যস্থতার উদ্যোগ নিতে হবে। এসব বিরোধের মধ্যে রয়েছে জমি সংক্রান্ত প্রি-এম্পশন, পারিবারিক বিরোধ, বাড়ি ভাড়া, পিতামাতার ভরণপোষণ এবং যৌতুক নিরোধ আইনের আওতাধীন নির্দিষ্ট বিষয়।
এ উপলক্ষে ভোলা চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের সেমিনার কক্ষে জেলা লিগ্যাল এইড কমিটির উদ্যোগে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন জেলা লিগ্যাল এইড কমিটির চেয়ারম্যান ও জেলা জজ শরীফ এ. এম. রেজা জাকের।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ভোলা জেলা ও দায়রা জজ এবং নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. ইব্রাহীম মিয়া, অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ বেল্লাল হোসেন, মো. এনায়েত উল্লাহ ও এ. এস. এম. তারিক শামস, জেলা লিগ্যাল এইড অফিসার মো. শহীদুল ইসলাম, ভোলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি অ্যাডভোকেট মো. ফরিদুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট আমিরুল ইসলাম বাসেতসহ বিচার বিভাগ, আইনজীবী সমিতি এবং সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তারা।
সংশ্লিষ্টরা জানান, বাধ্যতামূলক মামলা-পূর্ব মধ্যস্থতা কার্যক্রম চালুর ফলে বিচারপ্রার্থীরা আদালতে মামলা দায়েরের আগেই আলোচনার মাধ্যমে বিরোধ নিষ্পত্তির সুযোগ পাবেন। এতে একদিকে যেমন আদালতের মামলার চাপ কমবে, অন্যদিকে দ্রুত, সহজ ও কম ব্যয়সাপেক্ষে বিরোধ নিষ্পত্তির পথ সুগম হবে বলে আশা করা হচ্ছে।’

০৪ মে, ২০২৬ ১২:২৮
জাতীয় জরুরি সেবা নম্বর ‘৯৯৯’-এ কল পেয়ে ভোলার মনপুরায় মেঘনা নদীতে ইঞ্জিন বিকল হয়ে ভাসতে থাকা একটি বোটসহ ১২ যাত্রীকে উদ্ধার করেছে কোস্টগার্ড।
রোববার (৩ মে) বিকেলে এক অভিযানের মাধ্যমে তাদের নিরাপদে উপকূলে ফিরিয়ে আনা হয়।
কোস্টগার্ড সূত্রে জানা গেছে, রোববার বিকেল ৩টার দিকে মনপুরা থানার মেঘনা নদীতে একটি যাত্রীবাহী কাঠের বোট ১২ জন যাত্রী নিয়ে যাচ্ছিল। মাঝনদীতে পৌঁছালে প্রবল বাতাসের কবলে পড়ে বোটটির ইঞ্জিন বিকল হয়ে যায়। উত্তাল নদীতে বোটটি নিয়ন্ত্রণহীনভাবে ভাসতে থাকায় যাত্রীদের মধ্যে চরম আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।
বোটের একজন যাত্রী তাৎক্ষণিকভাবে ৯৯৯ নম্বরে কল করে সহায়তা চান। খবর পেয়ে কোস্টগার্ড দক্ষিণ জোনের আউটপোস্ট মনপুরার একটি উদ্ধারকারী দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে মাঝনদী থেকে ভাসমান বোটসহ সব যাত্রীকে অক্ষত অবস্থায় উদ্ধার করে।
কোস্টগার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন জানান, উদ্ধার যাত্রী ও বোটটিকে নিরাপদে মনপুরার হাজিরহাট সংলগ্ন ঘাটে পৌঁছে দেওয়া হয়েছে। তিনি আরও বলেন, জনসেবায় কোস্টগার্ড সর্বদা নিয়োজিত আছে এবং ভবিষ্যতেও এমন উদ্ধার তৎপরতা অব্যাহত থাকবে।
০১ আগস্ট, ২০২৬ ১৮:৪২
০১ আগস্ট, ২০২৬ ১৮:৪০
০১ আগস্ট, ২০২৬ ১৮:৩৪
০১ আগস্ট, ২০২৬ ১৮:০১