
০৪ মে, ২০২৬ ১২:২৮
জাতীয় জরুরি সেবা নম্বর ‘৯৯৯’-এ কল পেয়ে ভোলার মনপুরায় মেঘনা নদীতে ইঞ্জিন বিকল হয়ে ভাসতে থাকা একটি বোটসহ ১২ যাত্রীকে উদ্ধার করেছে কোস্টগার্ড।
রোববার (৩ মে) বিকেলে এক অভিযানের মাধ্যমে তাদের নিরাপদে উপকূলে ফিরিয়ে আনা হয়।
কোস্টগার্ড সূত্রে জানা গেছে, রোববার বিকেল ৩টার দিকে মনপুরা থানার মেঘনা নদীতে একটি যাত্রীবাহী কাঠের বোট ১২ জন যাত্রী নিয়ে যাচ্ছিল। মাঝনদীতে পৌঁছালে প্রবল বাতাসের কবলে পড়ে বোটটির ইঞ্জিন বিকল হয়ে যায়। উত্তাল নদীতে বোটটি নিয়ন্ত্রণহীনভাবে ভাসতে থাকায় যাত্রীদের মধ্যে চরম আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।
বোটের একজন যাত্রী তাৎক্ষণিকভাবে ৯৯৯ নম্বরে কল করে সহায়তা চান। খবর পেয়ে কোস্টগার্ড দক্ষিণ জোনের আউটপোস্ট মনপুরার একটি উদ্ধারকারী দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে মাঝনদী থেকে ভাসমান বোটসহ সব যাত্রীকে অক্ষত অবস্থায় উদ্ধার করে।
কোস্টগার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন জানান, উদ্ধার যাত্রী ও বোটটিকে নিরাপদে মনপুরার হাজিরহাট সংলগ্ন ঘাটে পৌঁছে দেওয়া হয়েছে। তিনি আরও বলেন, জনসেবায় কোস্টগার্ড সর্বদা নিয়োজিত আছে এবং ভবিষ্যতেও এমন উদ্ধার তৎপরতা অব্যাহত থাকবে।
জাতীয় জরুরি সেবা নম্বর ‘৯৯৯’-এ কল পেয়ে ভোলার মনপুরায় মেঘনা নদীতে ইঞ্জিন বিকল হয়ে ভাসতে থাকা একটি বোটসহ ১২ যাত্রীকে উদ্ধার করেছে কোস্টগার্ড।
রোববার (৩ মে) বিকেলে এক অভিযানের মাধ্যমে তাদের নিরাপদে উপকূলে ফিরিয়ে আনা হয়।
কোস্টগার্ড সূত্রে জানা গেছে, রোববার বিকেল ৩টার দিকে মনপুরা থানার মেঘনা নদীতে একটি যাত্রীবাহী কাঠের বোট ১২ জন যাত্রী নিয়ে যাচ্ছিল। মাঝনদীতে পৌঁছালে প্রবল বাতাসের কবলে পড়ে বোটটির ইঞ্জিন বিকল হয়ে যায়। উত্তাল নদীতে বোটটি নিয়ন্ত্রণহীনভাবে ভাসতে থাকায় যাত্রীদের মধ্যে চরম আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।
বোটের একজন যাত্রী তাৎক্ষণিকভাবে ৯৯৯ নম্বরে কল করে সহায়তা চান। খবর পেয়ে কোস্টগার্ড দক্ষিণ জোনের আউটপোস্ট মনপুরার একটি উদ্ধারকারী দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে মাঝনদী থেকে ভাসমান বোটসহ সব যাত্রীকে অক্ষত অবস্থায় উদ্ধার করে।
কোস্টগার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন জানান, উদ্ধার যাত্রী ও বোটটিকে নিরাপদে মনপুরার হাজিরহাট সংলগ্ন ঘাটে পৌঁছে দেওয়া হয়েছে। তিনি আরও বলেন, জনসেবায় কোস্টগার্ড সর্বদা নিয়োজিত আছে এবং ভবিষ্যতেও এমন উদ্ধার তৎপরতা অব্যাহত থাকবে।

০৩ মে, ২০২৬ ১৫:১৬
ভোলার বোরহানউদ্দিনে অভিযান চালিয়ে ইয়াবাসহ স্বামী-স্ত্রীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শনিবার (০২ মে) সন্ধ্যায় উপজেলার টবগী ইউনিয়নের মুলাইপত্তন ৯ নম্বর ওয়ার্ডে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করে।
গ্রেপ্তার দুজন হলেন- মুলাইপত্তন এলাকার বাসিন্দা মো. জাকির হোসেন (৩৮) ও তার স্ত্রী তাসলিমা বেগম (৩৫)।
বোরহানউদ্দিন থানার ওসি মনিরুজ্জামান বলেন, অভিযান চালিয়ে আসামি মো. জাকির হোসেনের বসতঘর থেকে ৭০০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ জাকির হোসেন ও তার স্ত্রী তাসলিমা বেগমকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা করা হয়েছে। মাদকবিরোধী অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
ভোলার বোরহানউদ্দিনে অভিযান চালিয়ে ইয়াবাসহ স্বামী-স্ত্রীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শনিবার (০২ মে) সন্ধ্যায় উপজেলার টবগী ইউনিয়নের মুলাইপত্তন ৯ নম্বর ওয়ার্ডে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করে।
গ্রেপ্তার দুজন হলেন- মুলাইপত্তন এলাকার বাসিন্দা মো. জাকির হোসেন (৩৮) ও তার স্ত্রী তাসলিমা বেগম (৩৫)।
বোরহানউদ্দিন থানার ওসি মনিরুজ্জামান বলেন, অভিযান চালিয়ে আসামি মো. জাকির হোসেনের বসতঘর থেকে ৭০০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ জাকির হোসেন ও তার স্ত্রী তাসলিমা বেগমকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা করা হয়েছে। মাদকবিরোধী অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

০২ মে, ২০২৬ ১৩:১৫
ভোলার মেঘনা নদীতে জেলেদের জালে ধরা পড়েছে বড় আকারের দুইটি ‘রাজা ইলিশ’। দীর্ঘদিন পর বড় ইলিশ পাওয়ায় খুশি জেলেরা এবং স্থানীয় বাজারে দেখা দিয়েছে ক্রেতাদের আগ্রহ।
শুক্রবার (১ মে) সকালে ভোলা সদরর তুলাতুলি মাছঘাটে জেলে ইউসুফ মাঝি নদী থেকে ধরা মাছ দুটি বিক্রির জন্য নিয়ে আসেন। পরে স্থানীয় একটি মৎস্য আড়তে ব্যবসায়ী মনজু প্রায় ১০ হাজার টাকায় মাছ দুটি কিনে নেন। তিনি জানান, মাছগুলো মোকামে পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে।
জেলেরা জানান, নিষেধাজ্ঞা শেষে টানা দুই দিনের বৃষ্টিতে নদীতে পানির প্রবাহ বাড়ায় মাছের উপস্থিতিও বেড়েছে। এতে বড় আকারের ইলিশ ধরা পড়তে শুরু করেছে। তাদের আশা, এভাবে মাছ ধরা অব্যাহত থাকলে গত দুই মাসের ধারদেনা কিছুটা হলেও শোধ করা সম্ভব হবে।
ভোলার মেঘনা নদীতে জেলেদের জালে ধরা পড়েছে বড় আকারের দুইটি ‘রাজা ইলিশ’। দীর্ঘদিন পর বড় ইলিশ পাওয়ায় খুশি জেলেরা এবং স্থানীয় বাজারে দেখা দিয়েছে ক্রেতাদের আগ্রহ।
শুক্রবার (১ মে) সকালে ভোলা সদরর তুলাতুলি মাছঘাটে জেলে ইউসুফ মাঝি নদী থেকে ধরা মাছ দুটি বিক্রির জন্য নিয়ে আসেন। পরে স্থানীয় একটি মৎস্য আড়তে ব্যবসায়ী মনজু প্রায় ১০ হাজার টাকায় মাছ দুটি কিনে নেন। তিনি জানান, মাছগুলো মোকামে পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে।
জেলেরা জানান, নিষেধাজ্ঞা শেষে টানা দুই দিনের বৃষ্টিতে নদীতে পানির প্রবাহ বাড়ায় মাছের উপস্থিতিও বেড়েছে। এতে বড় আকারের ইলিশ ধরা পড়তে শুরু করেছে। তাদের আশা, এভাবে মাছ ধরা অব্যাহত থাকলে গত দুই মাসের ধারদেনা কিছুটা হলেও শোধ করা সম্ভব হবে।

২৯ এপ্রিল, ২০২৬ ২০:৪০
ভোলার তজুমদ্দিন উপজেলায় কালবৈশাখীর তীব্র ঝড়ে একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভবন মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) আকস্মিক ঝড়ো হাওয়া ও বজ্রসহ বৃষ্টিতে বিদ্যালয়টির টিনের ছাউনি উড়ে যায়। ফলে শিক্ষা কার্যক্রম বন্ধ হয়ে পড়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উপজেলার দুর্গম চর জহিরউদ্দিন এলাকায় অবস্থিত ৬৩ নম্বর মরিয়ম সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়টি বিকেলে কালবৈশাখীর ঝড়ে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির শিকার হয়। ঝড়ের তীব্রতায় বিদ্যালয় ভবনের পুরো চাল উপড়ে গিয়ে দূরে ছিটকে পড়ে। এতে বিদ্যালয়ের আসবাবপত্র ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং শ্রেণিকক্ষে পাঠদান অনুপযোগী হয়ে পড়ে।
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আবুল কাশেম জানান, হঠাৎ আকাশ কালো হয়ে ঝড় শুরু হলে আমরা দ্রুত শিক্ষার্থীদের ছুটি দিয়ে দিই। সৌভাগ্যবশত, ঝড়ের সময় কোনো শিক্ষার্থী বিদ্যালয়ে না থাকায় বড় ধরনের দুর্ঘটনা এড়ানো গেছে। তবে বিদ্যালয়ের ভেতরের আসবাবপত্র ব্যাপকভাবে নষ্ট হয়েছে।
স্থানীয় বাসিন্দারা দ্রুত বিদ্যালয়টি সংস্কারের দাবি জানিয়েছেন। তারা বলেন, দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে শিক্ষার্থীদের পাঠদান ব্যাহত হবে।
এ বিষয়ে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. রিয়াজ আলম জানান, ক্ষতিগ্রস্ত বিদ্যালয়ের ছবি সংযুক্ত করে জরুরি বরাদ্দের জন্য ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন পাঠানো হয়েছে। বরাদ্দ পাওয়া গেলে দ্রুত বিদ্যালয়টি মেরামত করে শিক্ষার স্বাভাবিক পরিবেশ ফিরিয়ে আনা হবে।
ভোলার তজুমদ্দিন উপজেলায় কালবৈশাখীর তীব্র ঝড়ে একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভবন মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) আকস্মিক ঝড়ো হাওয়া ও বজ্রসহ বৃষ্টিতে বিদ্যালয়টির টিনের ছাউনি উড়ে যায়। ফলে শিক্ষা কার্যক্রম বন্ধ হয়ে পড়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উপজেলার দুর্গম চর জহিরউদ্দিন এলাকায় অবস্থিত ৬৩ নম্বর মরিয়ম সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়টি বিকেলে কালবৈশাখীর ঝড়ে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির শিকার হয়। ঝড়ের তীব্রতায় বিদ্যালয় ভবনের পুরো চাল উপড়ে গিয়ে দূরে ছিটকে পড়ে। এতে বিদ্যালয়ের আসবাবপত্র ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং শ্রেণিকক্ষে পাঠদান অনুপযোগী হয়ে পড়ে।
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আবুল কাশেম জানান, হঠাৎ আকাশ কালো হয়ে ঝড় শুরু হলে আমরা দ্রুত শিক্ষার্থীদের ছুটি দিয়ে দিই। সৌভাগ্যবশত, ঝড়ের সময় কোনো শিক্ষার্থী বিদ্যালয়ে না থাকায় বড় ধরনের দুর্ঘটনা এড়ানো গেছে। তবে বিদ্যালয়ের ভেতরের আসবাবপত্র ব্যাপকভাবে নষ্ট হয়েছে।
স্থানীয় বাসিন্দারা দ্রুত বিদ্যালয়টি সংস্কারের দাবি জানিয়েছেন। তারা বলেন, দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে শিক্ষার্থীদের পাঠদান ব্যাহত হবে।
এ বিষয়ে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. রিয়াজ আলম জানান, ক্ষতিগ্রস্ত বিদ্যালয়ের ছবি সংযুক্ত করে জরুরি বরাদ্দের জন্য ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন পাঠানো হয়েছে। বরাদ্দ পাওয়া গেলে দ্রুত বিদ্যালয়টি মেরামত করে শিক্ষার স্বাভাবিক পরিবেশ ফিরিয়ে আনা হবে।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.