
০৩ মে, ২০২৬ ১৮:১৯
ফেনীতে সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার গাড়িবহরে হামলার ঘটনায় করা মামলার এক আসামিকে ওয়ার্ড যুবদলের সাধারণ সম্পাদক পদ দেওয়া হয়েছে। এ নিয়ে তীব্র আলোচনা ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
এ ঘটনায় ফেনী পৌর যুবদলের কমিটি স্থগিত করে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদককে শোকজ করা হয়েছে। একই সঙ্গে অভিযুক্তকে প্রাথমিক সদস্য পদসহ দল থেকে বহিষ্কার এবং ঘোষিত ফেনী পৌরসভার ১২টি ওয়ার্ডের কমিটি বিলুপ্ত করা হয়েছে।
রোববার (৩ মে) দুপুরে কেন্দ্রীয় যুবদলের সহ-দপ্তর সম্পাদক মিনহাজুল ইসলাম ভূঁইয়া সই করা এক বিজ্ঞপ্তিতে এসব সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়েছে।
দলীয় সূত্রে জানা যায়, ৩০ এপ্রিল ফেনী পৌর যুবদলের সভাপতি জাহিদ হোসেন বাবলু ও সাধারণ সম্পাদক হায়দার আলী রাসেল পাটোয়ারী সই করা পৃথক বিজ্ঞপ্তিতে ফেনী পৌরসভার ১২টি ওয়ার্ডের কমিটি গঠন করা হয়। এতে পৌর ৪ নম্বর ওয়ার্ড যুবদলের আট সদস্যের কমিটিতে গাজী এনামুল হক সুজনকে সাধারণ সম্পাদক করা হয়। সুজন বেগম খালেদা জিয়ার গাড়িবহরে হামলার ঘটনায় করা মামলায় এজাহারভুক্ত আসামি। কমিটিতে তাকে পদ দেওয়া নিয়ে জেলাজুড়ে নানা আলোচনা-সমালোচনা সৃষ্টি হয়। এ ঘটনায় শনিবার (২ মে) ঘোষিত ওই কমিটির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক ছাড়া বাকি ছয়জন পদত্যাগ করেন।
কেন্দ্রীয় যুবদলের পক্ষ থেকেও এক বিজ্ঞপ্তিতে ফেনী পৌর যুবদলের কমিটি স্থগিত ও ঘোষিত সব ওয়ার্ড কমিটি বিলুপ্তি ঘোষণা করা হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, ফেনী পৌর যুবদলের বিদ্যমান কমিটি স্থগিত করা হয়েছে। পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত এ কমিটির কার্যক্রম স্থগিত থাকবে।
একই বিজ্ঞপ্তিতে কমিটিতে পদ পাওয়া অভিযুক্ত গাজী এনামুল হক সুজনকে তথ্য গোপন করে দলের পদ গ্রহণ করায় প্রাথমিক সদস্য পদসহ দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। এতে উল্লেখ করা হয়, বহিষ্কৃতদের কোনো ধরনের অপকর্মের দায়-দায়িত্ব দল নেবে না।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ২০১৭ সালে ফেনীর মহিপাল এলাকায় বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার গাড়িবহরে হামলার ঘটনায় করা মামলায় এজাহারভুক্ত ২৮ জন আসামির তালিকায় এনামুল হক সুজনের নাম ২৫ নম্বরে রয়েছে। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর যমুনা হাই ডিলাক্স পরিবহনের চেয়ারম্যান আবুল কাশেম মিলন বাদী হয়ে এ মামলা করেন।
ঘোষিত ওই কমিটির সিনিয়র সহ-সভাপতি গাজী আবদুল কাদের নয়ন বলেন, ‘কমিটির সাধারণ সম্পাদক সুজন আগে আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন এবং তার পরিবারের সদস্যরাও ওই দলের রাজনীতিতে সক্রিয়। ৫ আগস্টের পর তিনি বিএনপিতে যোগ দিয়েছেন। কমিটিতে আমি সভাপতি পদপ্রত্যাশী ছিলাম। কিন্তু কমিটিতে এমন ব্যক্তিকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে, যারা বেগম খালেদা জিয়ার গাড়িবহরে হামলার সঙ্গে জড়িত ছিলেন। এ ধরনের ব্যক্তিদের নেতৃত্বে রাজনীতি করা সম্ভব নয় বলেই আমরা তাৎক্ষণিকভাবে পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছি।’
এ বিষয়ে অভিযুক্ত এনামুল হক সুজন বলেন, ‘পুরো ঘটনাটি মূলত পারিবারিক প্রতিহিংসার ফল। কমিটির সিনিয়র সহ-সভাপতি গাজী আবদুল কাদের নয়ন আমার জেঠাতো ভাই এবং এই কমিটির প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী ছিলেন।’
তিনি আরও বলেন, ‘আমাদের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে পারিবারিক জায়গা-জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলছে। ৫ আগস্টের পরপর আমার বিরুদ্ধে খালেদা জিয়ার গাড়িবহরে হামলার ঘটনায় একটি মিথ্যা মামলা করা হয়। এ ঘটনায় দল থেকেও তখন প্রতিবাদ জানানো হয়েছিল।’
ফেনী পৌর যুবদলের সভাপতি জাহিদ হোসেন বাবলু বলেন, ‘৫ আগস্টের পর শ্রমিক লীগ নেতা আবুল কাশেম মিলন বাদী হয়ে বেগম খালেদা জিয়ার ওপর হামলার অভিযোগে একটি মামলা করেন। ওই মামলায় সুজনকে আসামি করা হয়েছে। তখন এ বিষয়ে প্রতিবাদ জানানো হয়েছিল। বিষয়টি জেলা বিএনপি ও যুবদল অবগত আছে। এ ঘটনা সম্পূর্ণ উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।’
জানতে চাইলে ফেনী জেলা যুবদলের সদস্য (দপ্তরের দায়িত্বে নিয়োজিত) মো. আল ইমরান বলেন, কেন্দ্রীয় যুবদলের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ফেনী পৌর যুবদলেরর ১২টি ওয়ার্ডের কমিটি বিলুপ্ত করা হয়েছে।
এছাড়া ফেনী পৌর যুবদলের কমিটি স্থগিত করে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদককে শোকজ এবং সুজনকে প্রাথমিক সদস্য পদসহ দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।
ফেনীতে সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার গাড়িবহরে হামলার ঘটনায় করা মামলার এক আসামিকে ওয়ার্ড যুবদলের সাধারণ সম্পাদক পদ দেওয়া হয়েছে। এ নিয়ে তীব্র আলোচনা ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
এ ঘটনায় ফেনী পৌর যুবদলের কমিটি স্থগিত করে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদককে শোকজ করা হয়েছে। একই সঙ্গে অভিযুক্তকে প্রাথমিক সদস্য পদসহ দল থেকে বহিষ্কার এবং ঘোষিত ফেনী পৌরসভার ১২টি ওয়ার্ডের কমিটি বিলুপ্ত করা হয়েছে।
রোববার (৩ মে) দুপুরে কেন্দ্রীয় যুবদলের সহ-দপ্তর সম্পাদক মিনহাজুল ইসলাম ভূঁইয়া সই করা এক বিজ্ঞপ্তিতে এসব সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়েছে।
দলীয় সূত্রে জানা যায়, ৩০ এপ্রিল ফেনী পৌর যুবদলের সভাপতি জাহিদ হোসেন বাবলু ও সাধারণ সম্পাদক হায়দার আলী রাসেল পাটোয়ারী সই করা পৃথক বিজ্ঞপ্তিতে ফেনী পৌরসভার ১২টি ওয়ার্ডের কমিটি গঠন করা হয়। এতে পৌর ৪ নম্বর ওয়ার্ড যুবদলের আট সদস্যের কমিটিতে গাজী এনামুল হক সুজনকে সাধারণ সম্পাদক করা হয়। সুজন বেগম খালেদা জিয়ার গাড়িবহরে হামলার ঘটনায় করা মামলায় এজাহারভুক্ত আসামি। কমিটিতে তাকে পদ দেওয়া নিয়ে জেলাজুড়ে নানা আলোচনা-সমালোচনা সৃষ্টি হয়। এ ঘটনায় শনিবার (২ মে) ঘোষিত ওই কমিটির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক ছাড়া বাকি ছয়জন পদত্যাগ করেন।
কেন্দ্রীয় যুবদলের পক্ষ থেকেও এক বিজ্ঞপ্তিতে ফেনী পৌর যুবদলের কমিটি স্থগিত ও ঘোষিত সব ওয়ার্ড কমিটি বিলুপ্তি ঘোষণা করা হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, ফেনী পৌর যুবদলের বিদ্যমান কমিটি স্থগিত করা হয়েছে। পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত এ কমিটির কার্যক্রম স্থগিত থাকবে।
একই বিজ্ঞপ্তিতে কমিটিতে পদ পাওয়া অভিযুক্ত গাজী এনামুল হক সুজনকে তথ্য গোপন করে দলের পদ গ্রহণ করায় প্রাথমিক সদস্য পদসহ দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। এতে উল্লেখ করা হয়, বহিষ্কৃতদের কোনো ধরনের অপকর্মের দায়-দায়িত্ব দল নেবে না।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ২০১৭ সালে ফেনীর মহিপাল এলাকায় বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার গাড়িবহরে হামলার ঘটনায় করা মামলায় এজাহারভুক্ত ২৮ জন আসামির তালিকায় এনামুল হক সুজনের নাম ২৫ নম্বরে রয়েছে। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর যমুনা হাই ডিলাক্স পরিবহনের চেয়ারম্যান আবুল কাশেম মিলন বাদী হয়ে এ মামলা করেন।
ঘোষিত ওই কমিটির সিনিয়র সহ-সভাপতি গাজী আবদুল কাদের নয়ন বলেন, ‘কমিটির সাধারণ সম্পাদক সুজন আগে আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন এবং তার পরিবারের সদস্যরাও ওই দলের রাজনীতিতে সক্রিয়। ৫ আগস্টের পর তিনি বিএনপিতে যোগ দিয়েছেন। কমিটিতে আমি সভাপতি পদপ্রত্যাশী ছিলাম। কিন্তু কমিটিতে এমন ব্যক্তিকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে, যারা বেগম খালেদা জিয়ার গাড়িবহরে হামলার সঙ্গে জড়িত ছিলেন। এ ধরনের ব্যক্তিদের নেতৃত্বে রাজনীতি করা সম্ভব নয় বলেই আমরা তাৎক্ষণিকভাবে পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছি।’
এ বিষয়ে অভিযুক্ত এনামুল হক সুজন বলেন, ‘পুরো ঘটনাটি মূলত পারিবারিক প্রতিহিংসার ফল। কমিটির সিনিয়র সহ-সভাপতি গাজী আবদুল কাদের নয়ন আমার জেঠাতো ভাই এবং এই কমিটির প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী ছিলেন।’
তিনি আরও বলেন, ‘আমাদের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে পারিবারিক জায়গা-জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলছে। ৫ আগস্টের পরপর আমার বিরুদ্ধে খালেদা জিয়ার গাড়িবহরে হামলার ঘটনায় একটি মিথ্যা মামলা করা হয়। এ ঘটনায় দল থেকেও তখন প্রতিবাদ জানানো হয়েছিল।’
ফেনী পৌর যুবদলের সভাপতি জাহিদ হোসেন বাবলু বলেন, ‘৫ আগস্টের পর শ্রমিক লীগ নেতা আবুল কাশেম মিলন বাদী হয়ে বেগম খালেদা জিয়ার ওপর হামলার অভিযোগে একটি মামলা করেন। ওই মামলায় সুজনকে আসামি করা হয়েছে। তখন এ বিষয়ে প্রতিবাদ জানানো হয়েছিল। বিষয়টি জেলা বিএনপি ও যুবদল অবগত আছে। এ ঘটনা সম্পূর্ণ উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।’
জানতে চাইলে ফেনী জেলা যুবদলের সদস্য (দপ্তরের দায়িত্বে নিয়োজিত) মো. আল ইমরান বলেন, কেন্দ্রীয় যুবদলের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ফেনী পৌর যুবদলেরর ১২টি ওয়ার্ডের কমিটি বিলুপ্ত করা হয়েছে।
এছাড়া ফেনী পৌর যুবদলের কমিটি স্থগিত করে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদককে শোকজ এবং সুজনকে প্রাথমিক সদস্য পদসহ দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।

০৩ মে, ২০২৬ ১৯:২৩
নীলফামারীর কিশোরগঞ্জে এসএসসি পরীক্ষায় নকল ও দায়িত্ব অবহেলা করার দায়ে তিনজন শিক্ষক ও এক শিক্ষার্থীকে বহিষ্কার করা হয়েছে। এ ঘটনায় দুইজনকে আটক করা হয়েছে।
রোববার (৩ মে) দুপুরে উপজেলার কিশোরগঞ্জ কেশবা ফাজিল ডিগ্রি মাদরাসা কেন্দ্রে এ ঘটনা ঘটে।
বহিষ্কৃতরা হলেন- মাগুড়া দোলাপাড়া আলিম মাদরাসার সহকারী শিক্ষক মোস্তাফিজার রহমান, বাহাগিলী খামাত পাড়া দাখিল মাদরাসার সহকারী শিক্ষক সাজেদুল হক ও বাহাগিলী ডিএস দাখিল মাদরাসার সহকারী শিক্ষক মামুনার রশিদ ও তরিকুল ইসলাম নামে এক পরীক্ষার্থী।
এ ঘটনায় আটক দুইজন হলেন- উপজেলার মাগুড়া ইউনিয়নের পাটোয়ারীপাড়া গ্রামের শহিদার রহমানের ছেলে শাকিল মিয়া (৩৪), জলঢাকা উপজেলার কিশামত বটতলা কুটিপাড়া গ্রামের রশিদুল ইসলামের ছেলে লিমন ইসলাম (২১)।
জানা যায়, আজকে এসএসসি ও দাখিল পরীক্ষার মাদরাসা বোর্ডের অধীনে বাংলা দ্বিতীয়পত্র পরীক্ষা চলছিল।
এ সময় পরীক্ষা কক্ষে ওই শিক্ষার্থীকে জানালা দিয়ে দুইজন ব্যক্তি নকল সরবরাহ করছিলেন। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সেখানে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট অভিযান চালিয়ে সেই দুইজনকে আটক করেন।
পরে নকল করার দায়ে এক শিক্ষার্থী ও দায়িত্বে অবহেলার দায়ে তিনজনকে শিক্ষককে বহিষ্কার করা হয়।
এ বিষয়ে জেলা প্রশাসনের সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. আসাদুজ্জামান বলেন, পরীক্ষায় নকল করার দায়ে একজন শিক্ষার্থীকে ও তিনজন শিক্ষককে পরীক্ষাকেন্দ্রে দায়িত্বে অবহেলার জন্য বহিষ্কার ও তিন বছরের জন্য পরীক্ষকের দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।
নকল সরবরাহকারী দুইজনকে আটক করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলা করে আদালতে পাঠানো হবে।
নীলফামারীর কিশোরগঞ্জে এসএসসি পরীক্ষায় নকল ও দায়িত্ব অবহেলা করার দায়ে তিনজন শিক্ষক ও এক শিক্ষার্থীকে বহিষ্কার করা হয়েছে। এ ঘটনায় দুইজনকে আটক করা হয়েছে।
রোববার (৩ মে) দুপুরে উপজেলার কিশোরগঞ্জ কেশবা ফাজিল ডিগ্রি মাদরাসা কেন্দ্রে এ ঘটনা ঘটে।
বহিষ্কৃতরা হলেন- মাগুড়া দোলাপাড়া আলিম মাদরাসার সহকারী শিক্ষক মোস্তাফিজার রহমান, বাহাগিলী খামাত পাড়া দাখিল মাদরাসার সহকারী শিক্ষক সাজেদুল হক ও বাহাগিলী ডিএস দাখিল মাদরাসার সহকারী শিক্ষক মামুনার রশিদ ও তরিকুল ইসলাম নামে এক পরীক্ষার্থী।
এ ঘটনায় আটক দুইজন হলেন- উপজেলার মাগুড়া ইউনিয়নের পাটোয়ারীপাড়া গ্রামের শহিদার রহমানের ছেলে শাকিল মিয়া (৩৪), জলঢাকা উপজেলার কিশামত বটতলা কুটিপাড়া গ্রামের রশিদুল ইসলামের ছেলে লিমন ইসলাম (২১)।
জানা যায়, আজকে এসএসসি ও দাখিল পরীক্ষার মাদরাসা বোর্ডের অধীনে বাংলা দ্বিতীয়পত্র পরীক্ষা চলছিল।
এ সময় পরীক্ষা কক্ষে ওই শিক্ষার্থীকে জানালা দিয়ে দুইজন ব্যক্তি নকল সরবরাহ করছিলেন। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সেখানে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট অভিযান চালিয়ে সেই দুইজনকে আটক করেন।
পরে নকল করার দায়ে এক শিক্ষার্থী ও দায়িত্বে অবহেলার দায়ে তিনজনকে শিক্ষককে বহিষ্কার করা হয়।
এ বিষয়ে জেলা প্রশাসনের সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. আসাদুজ্জামান বলেন, পরীক্ষায় নকল করার দায়ে একজন শিক্ষার্থীকে ও তিনজন শিক্ষককে পরীক্ষাকেন্দ্রে দায়িত্বে অবহেলার জন্য বহিষ্কার ও তিন বছরের জন্য পরীক্ষকের দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।
নকল সরবরাহকারী দুইজনকে আটক করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলা করে আদালতে পাঠানো হবে।

০৩ মে, ২০২৬ ১৭:১৭
নিজের ক্যারিয়ারের দিকে সময় দিতে চান তাই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিয়ে রাজনীতি ছাড়ার ঘোষণা দিয়েছেন জামালপুর জেলা ছাত্রদলের সাবেক সহ সাংগঠনিক সম্পাদক মো. সাদ বাবু।
রোববার ( ৩ মে) দুপুরে তার নিজ আইডিতে একটি স্ট্যাটাসের মাধ্যমে এ সিদ্ধান্ত জানান। সাদ বাবু জামালপুর জেলার মাদারগঞ্জ উপজেলার গুনারীতলা ইউনিয়নের নিশ্চিন্তপুর এলাকার মাজহারুল ইসলাম খাদেমের পুত্র।
সাদ বাবুর ওই স্ট্যাটাসটি হুবহু তুলে ধরা হলো- ‘প্রিয় জামালপুর জেলা তথা মাদারগঞ্জ উপজেলা ছাত্রদল ও মূল সংগঠন বিএনপির নেতাকর্মীর সর্বস্তরের নেতাকর্মীবৃন্দ আসসালামু আলাইকুম। আমি মো. সাদ বাবু ২০১৮-১৯ সাল থেকে পুরোপুরি রাজনীতিতে সক্রিয় ছিলাম। ২০২১-২২ সালে জামালপুর জেলা ছাত্রদলের সহ সাংগঠনিক সম্পাদক পদে দায়িত্বে ছিলাম। দলের দুঃসময়ের প্রতিটি প্রোগ্রামে অংশগ্রহণ করেছি। কিন্তু এখন আমার কাছে মনে হচ্ছে আমার জীবন থেকে অনেক সময় ব্যয় করে দিয়েছি ও নিজের ক্যারিয়ার অনেকটাই ক্ষতি করেছি। এখন আমি আমার ক্যারিয়ারের দিকে নজর দিতে চাই। তাই আর রাজনীতিতে ফিরতে চাই না। অতএব আমি জামালপুর জেলা তথা মাদারগঞ্জ উপজেলা ছাত্রদল এর দৃষ্টি আকর্ষণ করছি যে আমি পুরোপুরি ভাবে ছাত্রদল থেকে অব্যাহতি নিলাম। কারো সাথে অন্যায় ও খারাপ আচরণ করলে ছোট ভাই হিসাবে ক্ষমার দৃষ্টিতে দেখবেন।’
এ বিষয়ে মো. সাদ বাবু বলেন, ‘রাজনীতিতে সময় দিয়ে আমার ক্যারিয়ারের অনেকটা ক্ষতি করে ফেলেছি। এখন ক্যারিয়ারের দিকে নজর দেওয়ার সময়। তাই রাজনীতিতে আর ফিরছি না।’
জামালপুর জেলা ছাত্রদলের সভাপতি আতিকুর রহমান সুমিল বলেন, ‘মো. সাদ বাবু আগের কমিটিরসহ সাংগঠনিক সম্পাদক ছিলেন। তার রাজনীতি ছাড়ার বিষয়টি আমার জানা নেই।’
নিজের ক্যারিয়ারের দিকে সময় দিতে চান তাই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিয়ে রাজনীতি ছাড়ার ঘোষণা দিয়েছেন জামালপুর জেলা ছাত্রদলের সাবেক সহ সাংগঠনিক সম্পাদক মো. সাদ বাবু।
রোববার ( ৩ মে) দুপুরে তার নিজ আইডিতে একটি স্ট্যাটাসের মাধ্যমে এ সিদ্ধান্ত জানান। সাদ বাবু জামালপুর জেলার মাদারগঞ্জ উপজেলার গুনারীতলা ইউনিয়নের নিশ্চিন্তপুর এলাকার মাজহারুল ইসলাম খাদেমের পুত্র।
সাদ বাবুর ওই স্ট্যাটাসটি হুবহু তুলে ধরা হলো- ‘প্রিয় জামালপুর জেলা তথা মাদারগঞ্জ উপজেলা ছাত্রদল ও মূল সংগঠন বিএনপির নেতাকর্মীর সর্বস্তরের নেতাকর্মীবৃন্দ আসসালামু আলাইকুম। আমি মো. সাদ বাবু ২০১৮-১৯ সাল থেকে পুরোপুরি রাজনীতিতে সক্রিয় ছিলাম। ২০২১-২২ সালে জামালপুর জেলা ছাত্রদলের সহ সাংগঠনিক সম্পাদক পদে দায়িত্বে ছিলাম। দলের দুঃসময়ের প্রতিটি প্রোগ্রামে অংশগ্রহণ করেছি। কিন্তু এখন আমার কাছে মনে হচ্ছে আমার জীবন থেকে অনেক সময় ব্যয় করে দিয়েছি ও নিজের ক্যারিয়ার অনেকটাই ক্ষতি করেছি। এখন আমি আমার ক্যারিয়ারের দিকে নজর দিতে চাই। তাই আর রাজনীতিতে ফিরতে চাই না। অতএব আমি জামালপুর জেলা তথা মাদারগঞ্জ উপজেলা ছাত্রদল এর দৃষ্টি আকর্ষণ করছি যে আমি পুরোপুরি ভাবে ছাত্রদল থেকে অব্যাহতি নিলাম। কারো সাথে অন্যায় ও খারাপ আচরণ করলে ছোট ভাই হিসাবে ক্ষমার দৃষ্টিতে দেখবেন।’
এ বিষয়ে মো. সাদ বাবু বলেন, ‘রাজনীতিতে সময় দিয়ে আমার ক্যারিয়ারের অনেকটা ক্ষতি করে ফেলেছি। এখন ক্যারিয়ারের দিকে নজর দেওয়ার সময়। তাই রাজনীতিতে আর ফিরছি না।’
জামালপুর জেলা ছাত্রদলের সভাপতি আতিকুর রহমান সুমিল বলেন, ‘মো. সাদ বাবু আগের কমিটিরসহ সাংগঠনিক সম্পাদক ছিলেন। তার রাজনীতি ছাড়ার বিষয়টি আমার জানা নেই।’

০৩ মে, ২০২৬ ১৪:৫৮
বিভিন্ন অভিযোগ তুলে রাঙামাটি জেলা ছাত্রদলের কমিটি বাতিলের দাবিতে আগুন জ্বালিয়ে সড়ক অবরোধ করেছেন নেতাকর্মীরা।
রোববার (০৩ মে) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে পৌরসভা প্রাঙ্গণ থেকে বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে শহরের বনরুপা হয়ে জেলা বিএনপির কার্যালয়ের সামনে আসে। পরে সড়কে আগুন জ্বালিয়ে সড়ক অবরোধ করে।
দুপুর পৌনে ২টার দিকে জেলা বিএনপির নেতাদের আশ্বাসে অবরোধ তুলে নেন ছাত্রদলের পদবঞ্চিতরা। অবরোধ চলাকালে কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের বিরুদ্ধে নানান স্লোগান দেন তারা।
আন্দোলনকারী নেতাকর্মীদের অভিযোগ, ত্যাগীদের মূল্যায়ন করা হয় নাই। অপহরণকারী, চাদাঁবাজ ও বিবাহিতদের নিয়ে রাঙামাটি জেলা ছাত্রদলের কমিটি ঘোষণা করেছে কেন্দ্রীয় কমিটি।
কেন্দ্রীয় ছাত্রদল অর্থের বিনিময়ে এ কমিটি ঘোষণা করেছে। ঘোষিত কমিটি বাতিল করে ত্যাগী ও যোগ্যদের নিয়ে নতুন কমিটি ঘোষণা না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চলবে বলেও হুঁশিয়ারি দেন তারা।
তবে সড়ক অবরোধ থেকে ছাত্রদল নেতাকর্মীদের সরাতে রাঙামাটি জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট মামুনুর রশিদ মামুন ও সহ-সভাপতি সাইফুল ইসলাম পনির দফায় দফায় আলোচনা করেন।
ছাত্রদল নেতাকর্মীদের দাবি, অবিলম্বে নতুন কমিটি বিলুপ্তের ঘোষণা আসতে হবে।
জেলা ছাত্রদলের সদ্য বিদায়ী কমিটির অর্থ সম্পাদক মো. হেলিম বলেন, আমরা গণতন্ত্রের জন্য লড়াই করেছি।
চেয়েছিলাম একটি সম্মেলনের মাধ্যমে কমিটি হবে। যে কমিটি দিয়েছে তারা অনেকে বিবাহিত। যোগ্যদের কমিটিতে আনা হয় নাই। অবিলম্বে এ কমিটি বাতিল করে যোগ্যদের নিয়ে কমিটি করতে হবে।
এর আগে শনিবার (০২ মে) অলি আহাদকে সভাপতি, নাঈমুল ইসলাম রনিকে সাধারণ সম্পাদক করে ২৩ সদস্যের আংশিক কমিটি ঘোষণা করে কেন্দ্রীয় কমিটি।
বিভিন্ন অভিযোগ তুলে রাঙামাটি জেলা ছাত্রদলের কমিটি বাতিলের দাবিতে আগুন জ্বালিয়ে সড়ক অবরোধ করেছেন নেতাকর্মীরা।
রোববার (০৩ মে) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে পৌরসভা প্রাঙ্গণ থেকে বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে শহরের বনরুপা হয়ে জেলা বিএনপির কার্যালয়ের সামনে আসে। পরে সড়কে আগুন জ্বালিয়ে সড়ক অবরোধ করে।
দুপুর পৌনে ২টার দিকে জেলা বিএনপির নেতাদের আশ্বাসে অবরোধ তুলে নেন ছাত্রদলের পদবঞ্চিতরা। অবরোধ চলাকালে কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের বিরুদ্ধে নানান স্লোগান দেন তারা।
আন্দোলনকারী নেতাকর্মীদের অভিযোগ, ত্যাগীদের মূল্যায়ন করা হয় নাই। অপহরণকারী, চাদাঁবাজ ও বিবাহিতদের নিয়ে রাঙামাটি জেলা ছাত্রদলের কমিটি ঘোষণা করেছে কেন্দ্রীয় কমিটি।
কেন্দ্রীয় ছাত্রদল অর্থের বিনিময়ে এ কমিটি ঘোষণা করেছে। ঘোষিত কমিটি বাতিল করে ত্যাগী ও যোগ্যদের নিয়ে নতুন কমিটি ঘোষণা না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চলবে বলেও হুঁশিয়ারি দেন তারা।
তবে সড়ক অবরোধ থেকে ছাত্রদল নেতাকর্মীদের সরাতে রাঙামাটি জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট মামুনুর রশিদ মামুন ও সহ-সভাপতি সাইফুল ইসলাম পনির দফায় দফায় আলোচনা করেন।
ছাত্রদল নেতাকর্মীদের দাবি, অবিলম্বে নতুন কমিটি বিলুপ্তের ঘোষণা আসতে হবে।
জেলা ছাত্রদলের সদ্য বিদায়ী কমিটির অর্থ সম্পাদক মো. হেলিম বলেন, আমরা গণতন্ত্রের জন্য লড়াই করেছি।
চেয়েছিলাম একটি সম্মেলনের মাধ্যমে কমিটি হবে। যে কমিটি দিয়েছে তারা অনেকে বিবাহিত। যোগ্যদের কমিটিতে আনা হয় নাই। অবিলম্বে এ কমিটি বাতিল করে যোগ্যদের নিয়ে কমিটি করতে হবে।
এর আগে শনিবার (০২ মে) অলি আহাদকে সভাপতি, নাঈমুল ইসলাম রনিকে সাধারণ সম্পাদক করে ২৩ সদস্যের আংশিক কমিটি ঘোষণা করে কেন্দ্রীয় কমিটি।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.