
১৭ নভেম্বর, ২০২৫ ১৩:০০
হোয়াটসঅ্যাপ এখন শুধু যোগাযোগের মাধ্যম নয়, অনেকের ব্যক্তিগত ও পেশাদার জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ। প্রতিদিন কোটি কোটি মানুষ এ অ্যাপ ব্যবহার করেন। সেই জনপ্রিয় অ্যাপেই এবার আসছে আরও গোপনীয়তার সুবিধা। ব্যবহারকারীর নাম ও নম্বর গোপন রেখেই চ্যাট করা যাবে— এমনই একটি নতুন ফিচার পরীক্ষা করছে হোয়াটসঅ্যাপের মালিক প্রতিষ্ঠান মেটা।
বিটা সংস্করণে পরীক্ষাধীন এই ফিচার চালু হলে ব্যবহারকারীদের ব্যক্তিগত নিরাপত্তা উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়বে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।
হোয়াটসঅ্যাপের প্রোফাইল সেটিংসে যোগ হবে ‘রিজার্ভ ইউজার’ নামে নতুন একটি অপশন। এটি চালু করলে চ্যাটের অপর প্রান্তে থাকা ব্যক্তি ব্যবহারকারীর নাম কিংবা মোবাইল নম্বর— কোনোটাই দেখতে পারবেন না। বিশেষ করে অনাকাঙ্ক্ষিত মেসেজ বা অচেনা নম্বরের বিরক্তি কমাতে এই সুবিধা কার্যকর ভূমিকা রাখবে বলে মনে করা হচ্ছে।
এই ফিচার চালু থাকলে ব্যবহারকারীরা হোয়াটসঅ্যাপে আরও নিশ্চিন্তে ব্যক্তিগত কথোপকথন চালাতে পারবেন।
নতুন এই ‘ইউজার নেম’ ফিচার শুধু পরিচয় গোপনেই সীমাবদ্ধ নয়। সাইবার নিরাপত্তা বাড়াতে হোয়াটসঅ্যাপ এমন ব্যবস্থা আনছে, যাতে বাইরের কোনো ওয়েবসাইট বা অজানা প্ল্যাটফর্ম থেকে মেসেজ এলে তা স্বয়ংক্রিয়ভাবে ব্লক হয়ে যাবে। এতে ফিশিং, স্ক্যাম কিংবা ব্যক্তিগত ডেটা চুরির ঝুঁকি কমবে।
হোয়াটসঅ্যাপের ভাষ্য, ব্যবহারকারীর অনলাইন নিরাপত্তাকে অগ্রাধিকার দিতেই এই অতিরিক্ত সুরক্ষা স্তর যোগ করা হচ্ছে।
ফিচারটি নিয়ে অনেকের মনে প্রশ্ন— নাম ও নম্বর গোপন থাকলে কি নতুন কেউ যোগাযোগ করতে পারবে না? হোয়াটসঅ্যাপ জানাচ্ছে, এ ক্ষেত্রে থাকবে ‘ইউজার নেম উইথ পিন’ অপশন। ব্যবহারকারী চার অঙ্কের একটি ব্যক্তিগত পিন সেট করবেন এবং সেই পিন জানা থাকলেই কেউ তাকে মেসেজ পাঠাতে পারবে। অর্থাৎ কারা যোগাযোগ করতে পারবে তা নিয়ন্ত্রণ থাকবে সম্পূর্ণ ব্যবহারকারীর হাতেই।
বিশেষজ্ঞদের মতে, আগামী বছরই এই বিশেষ ‘প্রাইভেসি শিল্ড’ চালু হলে ব্যক্তিগত চ্যাট আরও সুরক্ষিত ও ঝামেলামুক্ত হবে। অনলাইনে বাড়তে থাকা গোপনীয়তার ঝুঁকি কমাতে ব্যবহারকারীরা পাবে অতিরিক্ত ভরসা।
হোয়াটসঅ্যাপ এমন এক সময়ে ফিচারটি নিয়ে আসছে, যখন ডিজিটাল নিরাপত্তা নিয়ে বিশ্বজুড়ে উদ্বেগ বেড়েই চলেছে। ফলে নতুন এই উদ্যোগ ব্যবহারকারীদের আস্থা বাড়ানোর পাশাপাশি মেটার গোপনীয়তা নীতির উন্নত সংস্করণ হিসেবেও বিবেচিত হচ্ছে।
হোয়াটসঅ্যাপ এখন শুধু যোগাযোগের মাধ্যম নয়, অনেকের ব্যক্তিগত ও পেশাদার জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ। প্রতিদিন কোটি কোটি মানুষ এ অ্যাপ ব্যবহার করেন। সেই জনপ্রিয় অ্যাপেই এবার আসছে আরও গোপনীয়তার সুবিধা। ব্যবহারকারীর নাম ও নম্বর গোপন রেখেই চ্যাট করা যাবে— এমনই একটি নতুন ফিচার পরীক্ষা করছে হোয়াটসঅ্যাপের মালিক প্রতিষ্ঠান মেটা।
বিটা সংস্করণে পরীক্ষাধীন এই ফিচার চালু হলে ব্যবহারকারীদের ব্যক্তিগত নিরাপত্তা উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়বে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।
হোয়াটসঅ্যাপের প্রোফাইল সেটিংসে যোগ হবে ‘রিজার্ভ ইউজার’ নামে নতুন একটি অপশন। এটি চালু করলে চ্যাটের অপর প্রান্তে থাকা ব্যক্তি ব্যবহারকারীর নাম কিংবা মোবাইল নম্বর— কোনোটাই দেখতে পারবেন না। বিশেষ করে অনাকাঙ্ক্ষিত মেসেজ বা অচেনা নম্বরের বিরক্তি কমাতে এই সুবিধা কার্যকর ভূমিকা রাখবে বলে মনে করা হচ্ছে।
এই ফিচার চালু থাকলে ব্যবহারকারীরা হোয়াটসঅ্যাপে আরও নিশ্চিন্তে ব্যক্তিগত কথোপকথন চালাতে পারবেন।
নতুন এই ‘ইউজার নেম’ ফিচার শুধু পরিচয় গোপনেই সীমাবদ্ধ নয়। সাইবার নিরাপত্তা বাড়াতে হোয়াটসঅ্যাপ এমন ব্যবস্থা আনছে, যাতে বাইরের কোনো ওয়েবসাইট বা অজানা প্ল্যাটফর্ম থেকে মেসেজ এলে তা স্বয়ংক্রিয়ভাবে ব্লক হয়ে যাবে। এতে ফিশিং, স্ক্যাম কিংবা ব্যক্তিগত ডেটা চুরির ঝুঁকি কমবে।
হোয়াটসঅ্যাপের ভাষ্য, ব্যবহারকারীর অনলাইন নিরাপত্তাকে অগ্রাধিকার দিতেই এই অতিরিক্ত সুরক্ষা স্তর যোগ করা হচ্ছে।
ফিচারটি নিয়ে অনেকের মনে প্রশ্ন— নাম ও নম্বর গোপন থাকলে কি নতুন কেউ যোগাযোগ করতে পারবে না? হোয়াটসঅ্যাপ জানাচ্ছে, এ ক্ষেত্রে থাকবে ‘ইউজার নেম উইথ পিন’ অপশন। ব্যবহারকারী চার অঙ্কের একটি ব্যক্তিগত পিন সেট করবেন এবং সেই পিন জানা থাকলেই কেউ তাকে মেসেজ পাঠাতে পারবে। অর্থাৎ কারা যোগাযোগ করতে পারবে তা নিয়ন্ত্রণ থাকবে সম্পূর্ণ ব্যবহারকারীর হাতেই।
বিশেষজ্ঞদের মতে, আগামী বছরই এই বিশেষ ‘প্রাইভেসি শিল্ড’ চালু হলে ব্যক্তিগত চ্যাট আরও সুরক্ষিত ও ঝামেলামুক্ত হবে। অনলাইনে বাড়তে থাকা গোপনীয়তার ঝুঁকি কমাতে ব্যবহারকারীরা পাবে অতিরিক্ত ভরসা।
হোয়াটসঅ্যাপ এমন এক সময়ে ফিচারটি নিয়ে আসছে, যখন ডিজিটাল নিরাপত্তা নিয়ে বিশ্বজুড়ে উদ্বেগ বেড়েই চলেছে। ফলে নতুন এই উদ্যোগ ব্যবহারকারীদের আস্থা বাড়ানোর পাশাপাশি মেটার গোপনীয়তা নীতির উন্নত সংস্করণ হিসেবেও বিবেচিত হচ্ছে।

২৮ জুন, ২০২৬ ১৭:০৮
ভারতে অবস্থানরত ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জানিয়েছেন, তিনি চলতি বছরেই বাংলাদেশে ফিরবেন। ভারতীয় সংবাদ মাধ্যম এনডিটিভিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এ কথা জানিয়েছেন। রোববার সাক্ষাৎকারটি প্রকাশ হয়।
ভারতে অবস্থানরত ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জানিয়েছেন, তিনি চলতি বছরেই বাংলাদেশে ফিরবেন। ভারতীয় সংবাদ মাধ্যম এনডিটিভিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এ কথা জানিয়েছেন। রোববার সাক্ষাৎকারটি প্রকাশ হয়।

২৫ জুন, ২০২৬ ১২:৫৭
বুধবার ভেনেজুয়েলায় ৭ মাত্রা ছাড়িয়ে যাওয়া বিধ্বংসী জোড়া ভূমিকম্পে নিহতের সংখ্যা ১ লাখে পৌঁছাতে পারে বলে ধারণা করছে যুক্তরাষ্ট্রের ভূতত্ত্ব জরিপ ও গবেষণা সংস্থা ইউনাইটেড স্টেটস জিওলজিক্যাল সার্ভে (ইউএসজিএস)। বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) ইউএসজিএস থেকে দেওয়া এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে এ তথ্য।
কিন্তু কিসের ভিত্তিতে এই অনুমান করেছে ইউএসজিএস—সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের উত্তরে সংস্থাটির সদস্য এবং যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূতত্ত্ববিদ ভাশান রাইটস জানান, প্রম্প অ্যাসেসমেন্ট অব গ্লোবাল আর্থকোয়েক রেসপন্স বা পেজার নামে একটি অগ্রসর ও উন্নত প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে এ তথ্য জানতে পেরেছেন তারা।
সাংবাদিকদের তিনি বলেন, “পেজার প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে ভূমিকম্পের মাত্রা, গভীরতা, অবস্থান, জনসংখ্যার ঘনত্ব, অতীতের ভূমিকম্পের রেকর্ড এবং ভবন নির্মাণের ধরন প্রভৃতি সম্পর্কিত সমস্ত জ্ঞাত তথ্য নিয়ে ও বিশ্লেষণ করে একটি পূর্বাভাস দেওয়া যায় যে কী ঘটতে পারে। অনেক সময়ই পেজারের পূর্বাভাস প্রকৃত মৃতের সংখ্যার বেশ কাছাকাছি থাকে।”
ইউএসজিএসের বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, “ভূমিকম্পে প্রচুরসংখ্যক হতাহত এবং ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা রয়েওছে এবং এই দুর্যোগটি সম্ভবত বিস্তৃত হবে।”
গতকাল বুধবার স্থানীয় সময় সন্ধ্যা ৬টা ৪ মিনিটে দিকে ৭ দশমিক ২ এবং ৭ দশমিক ৫ মাত্রার ভূমিকম্প আঘাত হানে ভেনেজুয়েলায়। দুই ভূমিকম্পের মাঝখানে সময়ের ব্যবধান ছিল মাত্র ৪০ সেকেন্ড ছিল বলে এক বিবৃতিতে জানিয়েছে ইউএসজিএস।
প্রেসিডেন্ট দেলসি রদ্রিগুয়েজ ইতোমধ্যে দেশজুড়ে জরুরি অবস্থা জারি করেছেন। মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএনের জিওলোকেশন করা একাধিক ভিডিওতে ভেনিজুয়েলা জুড়ে ভবন ও অবকাঠামোর ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি দেখা গেছে, যার মধ্যে রাজধানী কারাকাস এবং উপকূলীয় শহর কাতিয়া লা মারও রয়েছে। সেখানে একটি পাহাড়ের ঢালে বেশ কয়েকটি ভবন ধসে পড়তে দেখা গেছে। বিভিন্ন ভিডিওতে দেখা গেছে, আতঙ্কিত বাসিন্দারা তাদের প্রিয়জন ও পোষা প্রাণীসহ ভবনগুলো থেকে বেরিয়ে এসে রাস্তায় জড়ো হচ্ছেন।
সরকারি-বেসরকারি উদ্যোগে উদ্ধার তৎপরতা শুরু হয়েছে ভেনেজুয়েলায়। ইতোমধ্যে রাজধানী কারাকাসসহ বিভিন্ন শহর-গ্রাম থেকে ৩২ জনের মরদেহ এবং ৭ শতাধিক মানুষকে আহত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছে।
ভেনেজুয়েলার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী দিওসদাদো কাবেল্লো রাষ্ট্রায়ত্ব টেলিভিশনে প্রদান করা এক বক্তব্যে বলেছেন, “আমাদের অনেক ভবন, বাড়িঘর ধসে পড়েছে এবং নিরাপত্তা ও বেসামরিক সহায়তার ক্ষেত্রে আমাদের কাছে যা কিছু আছে, সেসব দিয়েই আমরা পরিস্থিতি সামাল দিচ্ছি।”
বুধবার ভেনেজুয়েলায় ৭ মাত্রা ছাড়িয়ে যাওয়া বিধ্বংসী জোড়া ভূমিকম্পে নিহতের সংখ্যা ১ লাখে পৌঁছাতে পারে বলে ধারণা করছে যুক্তরাষ্ট্রের ভূতত্ত্ব জরিপ ও গবেষণা সংস্থা ইউনাইটেড স্টেটস জিওলজিক্যাল সার্ভে (ইউএসজিএস)। বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) ইউএসজিএস থেকে দেওয়া এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে এ তথ্য।
কিন্তু কিসের ভিত্তিতে এই অনুমান করেছে ইউএসজিএস—সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের উত্তরে সংস্থাটির সদস্য এবং যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূতত্ত্ববিদ ভাশান রাইটস জানান, প্রম্প অ্যাসেসমেন্ট অব গ্লোবাল আর্থকোয়েক রেসপন্স বা পেজার নামে একটি অগ্রসর ও উন্নত প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে এ তথ্য জানতে পেরেছেন তারা।
সাংবাদিকদের তিনি বলেন, “পেজার প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে ভূমিকম্পের মাত্রা, গভীরতা, অবস্থান, জনসংখ্যার ঘনত্ব, অতীতের ভূমিকম্পের রেকর্ড এবং ভবন নির্মাণের ধরন প্রভৃতি সম্পর্কিত সমস্ত জ্ঞাত তথ্য নিয়ে ও বিশ্লেষণ করে একটি পূর্বাভাস দেওয়া যায় যে কী ঘটতে পারে। অনেক সময়ই পেজারের পূর্বাভাস প্রকৃত মৃতের সংখ্যার বেশ কাছাকাছি থাকে।”
ইউএসজিএসের বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, “ভূমিকম্পে প্রচুরসংখ্যক হতাহত এবং ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা রয়েওছে এবং এই দুর্যোগটি সম্ভবত বিস্তৃত হবে।”
গতকাল বুধবার স্থানীয় সময় সন্ধ্যা ৬টা ৪ মিনিটে দিকে ৭ দশমিক ২ এবং ৭ দশমিক ৫ মাত্রার ভূমিকম্প আঘাত হানে ভেনেজুয়েলায়। দুই ভূমিকম্পের মাঝখানে সময়ের ব্যবধান ছিল মাত্র ৪০ সেকেন্ড ছিল বলে এক বিবৃতিতে জানিয়েছে ইউএসজিএস।
প্রেসিডেন্ট দেলসি রদ্রিগুয়েজ ইতোমধ্যে দেশজুড়ে জরুরি অবস্থা জারি করেছেন। মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএনের জিওলোকেশন করা একাধিক ভিডিওতে ভেনিজুয়েলা জুড়ে ভবন ও অবকাঠামোর ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি দেখা গেছে, যার মধ্যে রাজধানী কারাকাস এবং উপকূলীয় শহর কাতিয়া লা মারও রয়েছে। সেখানে একটি পাহাড়ের ঢালে বেশ কয়েকটি ভবন ধসে পড়তে দেখা গেছে। বিভিন্ন ভিডিওতে দেখা গেছে, আতঙ্কিত বাসিন্দারা তাদের প্রিয়জন ও পোষা প্রাণীসহ ভবনগুলো থেকে বেরিয়ে এসে রাস্তায় জড়ো হচ্ছেন।
সরকারি-বেসরকারি উদ্যোগে উদ্ধার তৎপরতা শুরু হয়েছে ভেনেজুয়েলায়। ইতোমধ্যে রাজধানী কারাকাসসহ বিভিন্ন শহর-গ্রাম থেকে ৩২ জনের মরদেহ এবং ৭ শতাধিক মানুষকে আহত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছে।
ভেনেজুয়েলার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী দিওসদাদো কাবেল্লো রাষ্ট্রায়ত্ব টেলিভিশনে প্রদান করা এক বক্তব্যে বলেছেন, “আমাদের অনেক ভবন, বাড়িঘর ধসে পড়েছে এবং নিরাপত্তা ও বেসামরিক সহায়তার ক্ষেত্রে আমাদের কাছে যা কিছু আছে, সেসব দিয়েই আমরা পরিস্থিতি সামাল দিচ্ছি।”

২২ জুন, ২০২৬ ২০:৪১
মালয়েশিয়ার জোহর অঙ্গরাজ্যের পেকান নেনাস ইমিগ্রেশন ডিপো থেকে জুনের তৃতীয় সপ্তাহজুড়ে বিভিন্ন দেশের ১৮০ জন বিদেশি বন্দিকে নিজ নিজ দেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে।
রোববার (২১ জুন) এক বিবৃতিতে মালয়েশিয়ার ইমিগ্রেশন বিভাগ জানায়, ফেরত পাঠানোদের মধ্যে ১৩২ জন মিয়ানমারের, ২২ জন বাংলাদেশের, ১২ জন ভিয়েতনামের, ৯ জন থাইল্যান্ডের, ২ জন নেপালের এবং শ্রীলঙ্কা, চীন ও সিঙ্গাপুরের একজন করে নাগরিক রয়েছেন।
ইমিগ্রেশন বিভাগ জানায়, বন্দিদের কুয়ালালামপুর আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের (কেএলআইএ-১ ও কেএলআইএ-২), সেনাই আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর এবং সুলতান ইস্কান্দার ভবন আইসিকিউএস কমপ্লেক্সের মাধ্যমে নিজ নিজ দেশে পাঠানো হয়েছে।
প্রত্যাবাসনের বিমান টিকিটের ব্যয় বন্দিদের ব্যক্তিগত সঞ্চয়, তাদের পরিবারের আর্থিক সহায়তা এবং বিশেষ কিছু ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট দূতাবাস বহন করেছে।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, এসব বিদেশি নাগরিক মালয়েশিয়ার বিভিন্ন আইনের আওতায় সাজা ভোগ শেষে দেশে ফেরত গেছেন।
ইমিগ্রেশন বিভাগ জানিয়েছে, প্রত্যাবাসিত সব বিদেশিকে বিভাগীয় কালো তালিকাভুক্ত (ব্ল্যাকলিস্ট) করা হয়েছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে তারা কোনো উদ্দেশ্যেই মালয়েশিয়ায় পুনরায় প্রবেশ করতে পারবেন না।
মালয়েশিয়ার জোহর অঙ্গরাজ্যের পেকান নেনাস ইমিগ্রেশন ডিপো থেকে জুনের তৃতীয় সপ্তাহজুড়ে বিভিন্ন দেশের ১৮০ জন বিদেশি বন্দিকে নিজ নিজ দেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে।
রোববার (২১ জুন) এক বিবৃতিতে মালয়েশিয়ার ইমিগ্রেশন বিভাগ জানায়, ফেরত পাঠানোদের মধ্যে ১৩২ জন মিয়ানমারের, ২২ জন বাংলাদেশের, ১২ জন ভিয়েতনামের, ৯ জন থাইল্যান্ডের, ২ জন নেপালের এবং শ্রীলঙ্কা, চীন ও সিঙ্গাপুরের একজন করে নাগরিক রয়েছেন।
ইমিগ্রেশন বিভাগ জানায়, বন্দিদের কুয়ালালামপুর আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের (কেএলআইএ-১ ও কেএলআইএ-২), সেনাই আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর এবং সুলতান ইস্কান্দার ভবন আইসিকিউএস কমপ্লেক্সের মাধ্যমে নিজ নিজ দেশে পাঠানো হয়েছে।
প্রত্যাবাসনের বিমান টিকিটের ব্যয় বন্দিদের ব্যক্তিগত সঞ্চয়, তাদের পরিবারের আর্থিক সহায়তা এবং বিশেষ কিছু ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট দূতাবাস বহন করেছে।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, এসব বিদেশি নাগরিক মালয়েশিয়ার বিভিন্ন আইনের আওতায় সাজা ভোগ শেষে দেশে ফেরত গেছেন।
ইমিগ্রেশন বিভাগ জানিয়েছে, প্রত্যাবাসিত সব বিদেশিকে বিভাগীয় কালো তালিকাভুক্ত (ব্ল্যাকলিস্ট) করা হয়েছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে তারা কোনো উদ্দেশ্যেই মালয়েশিয়ায় পুনরায় প্রবেশ করতে পারবেন না।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.