ভোলার দৌলতখান উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে বরাদ্দ পাওয়া অর্ধকোটি টাকার নৌ অ্যাম্বুলেন্সটি গত ৭–৮ বছর ধরে অযত্নে পড়ে রয়েছে বেতুয়ার খালে। এখন সেটি কাদামাটির নিচে চাপা পড়ে অচল হয়ে গেছে। ফলে চরাঞ্চলের অঞ্চলের দরিদ্র জনগোষ্ঠী বঞ্চিত হচ্ছে জরুরি চিকিৎসাসেবা থেকে। অপরদিকে সরকারের প্রায় অর্ধকোটি টাকারও বেশি সম্পদের ক্ষতি হয়েছে।
জানা গেছে, বিগত সরকারের সময় ২০১৮ সালে মেঘনা উপকূলীয় দৌলতখান উপজেলার চরাঞ্চলের মানুষদের দ্রুত চিকিৎসা সেবা দিতে (প্রায়) অর্ধকোটি টাকার এই নৌ অ্যাম্বুলেন্সটি বরাদ্দ দেওয়া হয়। আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন হলেও এরপর থেকে এটি ব্যবহার হতে দেখা যায়নি।
এলাকাবাসীর অভিযোগ, অ্যাম্বুলেন্সটি দীর্ঘদিন ধরে থানাসংলগ্ন বেতুয়ার খালে ফেলে রাখা হয়। এখন সেটি কাদা ও মাটির নিচে চাপা পড়ে ব্যবহারের অযোগ্য অবস্থায় রয়েছে।
চরের এক বৃদ্ধ ব্যবসায়ী জানান, ‘আমরা গরিব মানুষ, চরে থাকি বলেই চিকিৎসা পাই না। শুনছি সরকার নৌ অ্যাম্বুলেন্স দিছে, কিন্তু কখনো দেখি নাই। অসুখে পড়লে এখানেই মরতে হয়।’
গৃহবধূ জান্নাত বলেন, ‘আমরা চরে থাকি, মরে গেলেও কেউ খোঁজ নেয় না। শুনছি গরিবের জন্য সরকার অ্যাম্বুলেন্স দিছে, কিন্তু কোনোদিন কাজে লাগে নাই।’ সাবেক ইউপি মেম্বার আবু তাহের বলেন, ‘চরে চিকিৎসার কোনো ব্যবস্থা নেই।
একবার হাসপাতালে গেছিলাম, তখন জিজ্ঞাসা করলাম নৌ অ্যাম্বুলেন্স কোথায়— তারা বলে, খুঁজে নেন।’ বেতুয়ার খালের জেলেরা জানায়, ‘নতুন আনার পর কোনোদিন রোগী আনতে দেখি নাই। এখন খালের মাটির নিচে চাপা পইড়া গেছে।’
এ বিষয়ে দৌলতখান উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. আনিসুর রহমান বলেন, ‘অ্যাম্বুলেন্সটি এক সময় সচল করা হয়েছিল। তবে পরবর্তীতে ওপি বন্ধ থাকায় ব্যবহার বন্ধ হয়ে যায়। বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে, খুব শিগগিরই এটি সচল করার উদ্যোগ নেওয়া হবে।’

৩১ জুলাই, ২০২৬ ১৭:৫০
ভোলার লালমোহন উপজেলায় এক গৃহবধূকে দেশীয় অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে ডাকাতি ও শ্লীলতাহানির ঘটনায় তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শুক্রবার সকালে তাদের আদালতে পাঠানো হয়েছে। এরআগে বৃহস্পতিবার এ ঘটনায় থানায় মামলা দায়ের করেন ভুক্তভোগী গৃহবধূ রোজিনা বেগম। তিনি লালমোহন পৌরসভার ২ নম্বর ওয়ার্ডের মো. খোকনের স্ত্রী। মামলার পরপরই অভিযান চালিয়ে অভিযুক্তদের মধ্যে তিনজনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
গ্রেপ্তাররা হলেন- উপজেলার পশ্চিম চরউমেদ ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের গজারিয়া এলাকার মো. পলাশ মৃধার ছেলে মো. শাহাদৎ হোসেন (২৪), জুয়েল স্বর্ণকারের ছেলে মো. জুবায়ের (২১) এবং একই ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের মো. মিলন পাটোয়ারির ছেলে মো. নাঈম (২৪)।
জানা গেছে, গত ২৯ জুলাই বিকেলে রোজিনা বেগম (৩৫) নামে এক গৃহবধূ চরফ্যাশন থেকে সিএনজিযোগে লালমোহনের গজারিয়া বাজার এলাকায় আসেন। সেখান থেকে পৌরসভায় অবস্থিত নিজ বাসায় ফেরার জন্য তিনি একটি অটোরিকশায় ওঠেন। অটোরিকশাটি গজারিয়া নৌকাপট্টিতে পৌঁছালে স্থানীয় মো. শাহাদাত হোসেন, মো. নাঈম এবং মো. জুবায়েরসহ আরও কয়েকজন মিলে অটোরিকশার গতিরোধ করে ভেতরে উঠে পড়েন এবং দেশীয় অস্ত্র দেখিয়ে ওই গৃহবধূকে ভয়ভীতি প্রদর্শন করেন। এরপর তারা অটোরিকশাটি ঘুরিয়ে সৈনিক বাজার সংলগ্ন একটি নির্জন স্থানে নিয়ে যান। সেখানে নিয়ে তারা চাকুর ভয় দেখিয়ে ওই গৃহবধূর কান থেকে ২৫ হাজার টাকা মূল্যের এক জোড়া স্বর্ণের কানের রিং, ৫০ হাজার টাকা মূল্যের এক জোড়া কানের দুল এবং ভেনিটি ব্যাগে থাকা নগদ ৪ হাজার টাকা ছিনিয়ে নিয়ে যান। এ সময় তারা ওই গৃহবধূকে শ্লীলতাহানিও চালান। পরে পালিয়ে যান অভিযুক্তরা।
এ বিষয়ে লালমোহন থানার ওসি মো. অলিউল ইসলাম বলেন, ভুক্তভোগী ওই গৃহবধূ মামলা দায়েরের পর উপজেলার পশ্চিম চরউমেদ ইউনিয়নের গজারিয়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে অভিযুক্তদের মধ্যে তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ সময় তাদের কাছ থেকে লুণ্ঠিত স্বর্ণালঙ্কার উদ্ধার করা হয়েছে। শুক্রবার সকালে গ্রেপ্তারকৃত তিনজনকে আদালত পাঠানো হয়েছে। এছাড়া বাকি আসামিদেরও গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

২৮ জুলাই, ২০২৬ ১৬:৪৩
ভোলায় একটি ভাড়া বাসা থেকে পুলিশ সদস্যের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার হয়েছে। মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) দুপুরের দিকে ভোলা পৌর এলাকার অফিসার পাড়ার একটি বাসা থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।
নিহত পুলিশ সদস্যের নাম মো. শাহাবুদ্দিন ফকির (৪৫)। তিনি ভোলা কোর্ট পুলিশে কনস্টেবল হিসেবে কর্মরত ছিলেন। শাহাবুদ্দিন বরিশাল জেলার গৌরনদী থানা দক্ষিণ বিজয়পুর গ্রামের আদম আলী ফকিরের ছেলে।
ভোলা কোর্ট ইন্সপেক্টর মো. নাছির উদ্দিন সাংবাদিকদের বলেন, কনস্টেবল শাহাবুদ্দিন অফিসার পাড়ায় একটি ভাড়া বাসায় পরিবারের নিয়ে থাকতেন। তবে কয়েক দিন আগে তার স্ত্রী গ্রামের বাড়িতে যান। মঙ্গলবার সকালে কোর্টে ডিউটি ছিলো শাহাবুদ্দিনের। সে ডিউটিতে যোগদান না করায় তাকে একাধিকবার ফোন দেওয়া হয়। কিন্তু ফোন না ধরায় তার বাসায় গিয়ে বাড়ির মালিকসহ ডাকাডাকি করি। তখনও কোনো সাড়াশব্দ না পেয়ে ঘরের দরজা ভেঙে তার ঝুলন্ত মরদেহ দেখতে পাই। পরে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ভোলা ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, এর আগে গত ৪ মে শাহাবুদ্দিনের একমাত্র সন্তান চৌত্রি ওই বাড়িতে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেন। এরপর থেকে শাহাবুদ্দিন মানসিকভাবে ভেঙে পরেন।’

২৫ জুলাই, ২০২৬ ১৯:২৮
ভোলার লালমোহন উপজেলায় যাত্রীবাহী বাস চাপায় মোসা. মাইশা আক্তার (৬) নামে এক শিশু নিহত হয়েছে। শনিবার বিকেলে উপজেলার পশ্চিম চরউমেদ ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের ভোলা-চরফ্যাশন আঞ্চলিক মহাসড়কের সৈনিক বাজার এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত শিশু মাইশা ওই এলাকার মো. বিল্লাল হোসেনের মেয়ে।
জানা গেছে, শনিবার বিকেলে লালমোহন উপজেলার সৈনিক বাজার এলাকায় সড়ক পার হচ্ছিল শিশু মাইশা আক্তার। এ সময় ভোলা থেকে ছেড়ে আসা চরফ্যাশনগামী দ্রুতগতির একটি যাত্রীবাহী বাস তাকে চাপা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই মারা যায় শিশু মাইশা। ঘটনা বুঝতে পেরে বাস নিয়ে চলে যান চালক। খবর পেয়ে ওই শিশুর স্বজন ও স্থানীয়রা ঘটনাস্থলে ছুটে যান। তারা সড়কের ওপর গাছ ফেলে সব ধরনের যানবাহন চলাচল বন্ধ করে দেন।
এ বিষয়ে লালমোহন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. অলিউল ইসলাম বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশের একটি টিম পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।’

২০ অক্টোবর, ২০২৫ ১৪:৫৭
ভোলার দৌলতখান উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে বরাদ্দ পাওয়া অর্ধকোটি টাকার নৌ অ্যাম্বুলেন্সটি গত ৭–৮ বছর ধরে অযত্নে পড়ে রয়েছে বেতুয়ার খালে। এখন সেটি কাদামাটির নিচে চাপা পড়ে অচল হয়ে গেছে। ফলে চরাঞ্চলের অঞ্চলের দরিদ্র জনগোষ্ঠী বঞ্চিত হচ্ছে জরুরি চিকিৎসাসেবা থেকে। অপরদিকে সরকারের প্রায় অর্ধকোটি টাকারও বেশি সম্পদের ক্ষতি হয়েছে।
জানা গেছে, বিগত সরকারের সময় ২০১৮ সালে মেঘনা উপকূলীয় দৌলতখান উপজেলার চরাঞ্চলের মানুষদের দ্রুত চিকিৎসা সেবা দিতে (প্রায়) অর্ধকোটি টাকার এই নৌ অ্যাম্বুলেন্সটি বরাদ্দ দেওয়া হয়। আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন হলেও এরপর থেকে এটি ব্যবহার হতে দেখা যায়নি।
এলাকাবাসীর অভিযোগ, অ্যাম্বুলেন্সটি দীর্ঘদিন ধরে থানাসংলগ্ন বেতুয়ার খালে ফেলে রাখা হয়। এখন সেটি কাদা ও মাটির নিচে চাপা পড়ে ব্যবহারের অযোগ্য অবস্থায় রয়েছে।
চরের এক বৃদ্ধ ব্যবসায়ী জানান, ‘আমরা গরিব মানুষ, চরে থাকি বলেই চিকিৎসা পাই না। শুনছি সরকার নৌ অ্যাম্বুলেন্স দিছে, কিন্তু কখনো দেখি নাই। অসুখে পড়লে এখানেই মরতে হয়।’
গৃহবধূ জান্নাত বলেন, ‘আমরা চরে থাকি, মরে গেলেও কেউ খোঁজ নেয় না। শুনছি গরিবের জন্য সরকার অ্যাম্বুলেন্স দিছে, কিন্তু কোনোদিন কাজে লাগে নাই।’ সাবেক ইউপি মেম্বার আবু তাহের বলেন, ‘চরে চিকিৎসার কোনো ব্যবস্থা নেই।
একবার হাসপাতালে গেছিলাম, তখন জিজ্ঞাসা করলাম নৌ অ্যাম্বুলেন্স কোথায়— তারা বলে, খুঁজে নেন।’ বেতুয়ার খালের জেলেরা জানায়, ‘নতুন আনার পর কোনোদিন রোগী আনতে দেখি নাই। এখন খালের মাটির নিচে চাপা পইড়া গেছে।’
এ বিষয়ে দৌলতখান উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. আনিসুর রহমান বলেন, ‘অ্যাম্বুলেন্সটি এক সময় সচল করা হয়েছিল। তবে পরবর্তীতে ওপি বন্ধ থাকায় ব্যবহার বন্ধ হয়ে যায়। বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে, খুব শিগগিরই এটি সচল করার উদ্যোগ নেওয়া হবে।’
ভোলার লালমোহন উপজেলায় এক গৃহবধূকে দেশীয় অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে ডাকাতি ও শ্লীলতাহানির ঘটনায় তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শুক্রবার সকালে তাদের আদালতে পাঠানো হয়েছে। এরআগে বৃহস্পতিবার এ ঘটনায় থানায় মামলা দায়ের করেন ভুক্তভোগী গৃহবধূ রোজিনা বেগম। তিনি লালমোহন পৌরসভার ২ নম্বর ওয়ার্ডের মো. খোকনের স্ত্রী। মামলার পরপরই অভিযান চালিয়ে অভিযুক্তদের মধ্যে তিনজনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
গ্রেপ্তাররা হলেন- উপজেলার পশ্চিম চরউমেদ ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের গজারিয়া এলাকার মো. পলাশ মৃধার ছেলে মো. শাহাদৎ হোসেন (২৪), জুয়েল স্বর্ণকারের ছেলে মো. জুবায়ের (২১) এবং একই ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের মো. মিলন পাটোয়ারির ছেলে মো. নাঈম (২৪)।
জানা গেছে, গত ২৯ জুলাই বিকেলে রোজিনা বেগম (৩৫) নামে এক গৃহবধূ চরফ্যাশন থেকে সিএনজিযোগে লালমোহনের গজারিয়া বাজার এলাকায় আসেন। সেখান থেকে পৌরসভায় অবস্থিত নিজ বাসায় ফেরার জন্য তিনি একটি অটোরিকশায় ওঠেন। অটোরিকশাটি গজারিয়া নৌকাপট্টিতে পৌঁছালে স্থানীয় মো. শাহাদাত হোসেন, মো. নাঈম এবং মো. জুবায়েরসহ আরও কয়েকজন মিলে অটোরিকশার গতিরোধ করে ভেতরে উঠে পড়েন এবং দেশীয় অস্ত্র দেখিয়ে ওই গৃহবধূকে ভয়ভীতি প্রদর্শন করেন। এরপর তারা অটোরিকশাটি ঘুরিয়ে সৈনিক বাজার সংলগ্ন একটি নির্জন স্থানে নিয়ে যান। সেখানে নিয়ে তারা চাকুর ভয় দেখিয়ে ওই গৃহবধূর কান থেকে ২৫ হাজার টাকা মূল্যের এক জোড়া স্বর্ণের কানের রিং, ৫০ হাজার টাকা মূল্যের এক জোড়া কানের দুল এবং ভেনিটি ব্যাগে থাকা নগদ ৪ হাজার টাকা ছিনিয়ে নিয়ে যান। এ সময় তারা ওই গৃহবধূকে শ্লীলতাহানিও চালান। পরে পালিয়ে যান অভিযুক্তরা।
এ বিষয়ে লালমোহন থানার ওসি মো. অলিউল ইসলাম বলেন, ভুক্তভোগী ওই গৃহবধূ মামলা দায়েরের পর উপজেলার পশ্চিম চরউমেদ ইউনিয়নের গজারিয়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে অভিযুক্তদের মধ্যে তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ সময় তাদের কাছ থেকে লুণ্ঠিত স্বর্ণালঙ্কার উদ্ধার করা হয়েছে। শুক্রবার সকালে গ্রেপ্তারকৃত তিনজনকে আদালত পাঠানো হয়েছে। এছাড়া বাকি আসামিদেরও গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।
ভোলায় একটি ভাড়া বাসা থেকে পুলিশ সদস্যের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার হয়েছে। মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) দুপুরের দিকে ভোলা পৌর এলাকার অফিসার পাড়ার একটি বাসা থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।
নিহত পুলিশ সদস্যের নাম মো. শাহাবুদ্দিন ফকির (৪৫)। তিনি ভোলা কোর্ট পুলিশে কনস্টেবল হিসেবে কর্মরত ছিলেন। শাহাবুদ্দিন বরিশাল জেলার গৌরনদী থানা দক্ষিণ বিজয়পুর গ্রামের আদম আলী ফকিরের ছেলে।
ভোলা কোর্ট ইন্সপেক্টর মো. নাছির উদ্দিন সাংবাদিকদের বলেন, কনস্টেবল শাহাবুদ্দিন অফিসার পাড়ায় একটি ভাড়া বাসায় পরিবারের নিয়ে থাকতেন। তবে কয়েক দিন আগে তার স্ত্রী গ্রামের বাড়িতে যান। মঙ্গলবার সকালে কোর্টে ডিউটি ছিলো শাহাবুদ্দিনের। সে ডিউটিতে যোগদান না করায় তাকে একাধিকবার ফোন দেওয়া হয়। কিন্তু ফোন না ধরায় তার বাসায় গিয়ে বাড়ির মালিকসহ ডাকাডাকি করি। তখনও কোনো সাড়াশব্দ না পেয়ে ঘরের দরজা ভেঙে তার ঝুলন্ত মরদেহ দেখতে পাই। পরে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ভোলা ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, এর আগে গত ৪ মে শাহাবুদ্দিনের একমাত্র সন্তান চৌত্রি ওই বাড়িতে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেন। এরপর থেকে শাহাবুদ্দিন মানসিকভাবে ভেঙে পরেন।’
ভোলার লালমোহন উপজেলায় যাত্রীবাহী বাস চাপায় মোসা. মাইশা আক্তার (৬) নামে এক শিশু নিহত হয়েছে। শনিবার বিকেলে উপজেলার পশ্চিম চরউমেদ ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের ভোলা-চরফ্যাশন আঞ্চলিক মহাসড়কের সৈনিক বাজার এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত শিশু মাইশা ওই এলাকার মো. বিল্লাল হোসেনের মেয়ে।
জানা গেছে, শনিবার বিকেলে লালমোহন উপজেলার সৈনিক বাজার এলাকায় সড়ক পার হচ্ছিল শিশু মাইশা আক্তার। এ সময় ভোলা থেকে ছেড়ে আসা চরফ্যাশনগামী দ্রুতগতির একটি যাত্রীবাহী বাস তাকে চাপা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই মারা যায় শিশু মাইশা। ঘটনা বুঝতে পেরে বাস নিয়ে চলে যান চালক। খবর পেয়ে ওই শিশুর স্বজন ও স্থানীয়রা ঘটনাস্থলে ছুটে যান। তারা সড়কের ওপর গাছ ফেলে সব ধরনের যানবাহন চলাচল বন্ধ করে দেন।
এ বিষয়ে লালমোহন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. অলিউল ইসলাম বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশের একটি টিম পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।’
০১ আগস্ট, ২০২৬ ১৮:৪২
০১ আগস্ট, ২০২৬ ১৮:৪০
০১ আগস্ট, ২০২৬ ১৮:৩৪
০১ আগস্ট, ২০২৬ ১৮:০১