
১৬ অক্টোবর, ২০২৫ ২১:০৭
বরিশালে আসা কানাডিয়ান দুই নাগরিকের পাসপোর্ট, ভিসা ও মোবাইল চুরি করে নিয়ে যায় একটি চোরচক্র। পরে চুরির ঘটনায় বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের কোতোয়ালী মডেল থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেন তারা এবং বিষয়টি কোতোয়ালী থানার দায়িত্বপ্রাপ্ত অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মিজানুর রহমানকে অবহিত করেন।
বিদেশি নাগরিকের পাসপোর্ট, ভিসা ও মোবাইল চুরি হওয়ার ঘটনাটি শুনেই উদ্ধার তৎপরতায় নামেন ওসি মিজান। পরে বিভিন্ন কৌশল অবলম্বন করে চোরচক্রের সদস্যদের আটকসহ চুরি হওয়া পাসপোর্ট-ভিসা উদ্ধার করেন।
চুরি হওয়া মালামালের মধ্যে একটি আইফোনও ছিল, যা উদ্ধারের জন্য এখনো অভিযান চলছে কোতোয়ালী থানা পুলিশের। কোতোয়ালী থানা সূত্রে জানা গেছে, গত ১৪ অক্টোবর বিকেল সাড়ে পাঁচটার দিকে কানাডিয়ান নাগরিক কিম্বারলি জিন ও’শ্যগনেসি (Kimberley Jean O'Shaughnessy) বরিশাল নগরীর ফলপট্টি এলাকায় অবস্থান করছিলেন। এ সময় অজ্ঞাতপরিচয় চোরচক্র তাঁর পেছনের ব্যাগ থেকে একটি আইফোন মোবাইল, পাসপোর্ট ও ভিসা চুরি করে নিয়ে যায়।
ঘটনার পর তার সঙ্গে থাকা স্থানীয় দোভাষী রাসেদুল হাসান খান বিষয়টি বরিশাল কোতোয়ালী মডেল থানায় জানান। পরবর্তীতে একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি নং-৯৪১) করা হয়।
পরে ওসি মিজানুর রহমান জিডি অনুযায়ী এএসআই সাইদুল ইসলামের নেতৃত্বে পুলিশের একটি টিম চুরি হওয়া জিনিসপত্র উদ্ধারের জন্য দ্রুত অভিযান পরিচালনা করে। টানা অনুসন্ধান ও অক্লান্ত পরিশ্রমের মাধ্যমে চোরচক্রের সদস্যদের শনাক্ত ও আটক করতে সক্ষম হন তাঁরা।
পরবর্তীতে তাদের জিজ্ঞাসাবাদে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে চুরি হওয়া পাসপোর্ট ও ভিসা উদ্ধার করা সম্ভব হয়। উদ্ধারকৃত পাসপোর্ট ও ভিসা আনুষ্ঠানিকভাবে ভুক্তভোগী কিম্বারলি জিন ও’শ্যগনেসির হাতে তুলে দেন অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. মিজানুর রহমান।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন তদন্তকারী কর্মকর্তা এএসআই সাইদুল ইসলামসহ অন্যান্য পুলিশ সদস্যরা। বৃহস্পতিবার বিকেলে বিষয়টি নিয়ে ওসি মো. মিজানুর রহমান বলেন, “চুরির ঘটনাটি জানার পরপরই আমরা বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে গ্রহণ করি। বিদেশি নাগরিকের নিরাপত্তা ও মর্যাদা রক্ষায় বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশ সবসময় সতর্ক ও দায়িত্বশীল।
খুব অল্প সময়ের মধ্যেই আমাদের টিম চোরচক্রকে শনাক্ত করে উদ্ধার অভিযান সফলভাবে সম্পন্ন করে এবং চুরি হওয়া ভিসা-পাসপোর্ট উদ্ধার করে প্রকৃত মালিকের হাতে ফিরিয়ে দেয়। যে আইফোনটি এখনও উদ্ধার হয়নি, সে বিষয়ে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।”
পুলিশ আরও জানায়, আটককৃতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে এবং বর্তমানে চোরচক্রের সদস্যদের জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।
এ সময় ভুক্তভোগী কানাডিয়ান নাগরিক কিম্বারলি জিন ও’শ্যগনেসি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে বলেন,“আমি সত্যিই অভিভূত! আমার পাসপোর্ট ও ভিসা ফিরে পাব এটা কল্পনাও করিনি। বরিশাল পুলিশের দ্রুত পদক্ষেপ, পেশাদারিত্ব ও আন্তরিকতায় আমি গভীরভাবে কৃতজ্ঞ। বিশেষ করে এএসআই সাইদুল ইসলাম ও তাঁর টিম যে পরিশ্রম করেছেন, তা সত্যিই প্রশংসনীয়। আমি বাংলাদেশ পুলিশের প্রতি আন্তরিক ধন্যবাদ জানাই।”
এদিকে বিদেশি নাগরিকের পাসপোর্ট-ভিসা চুরির ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে শুরুতে কিছুটা উদ্বেগের সৃষ্টি হলেও পুলিশের তাৎক্ষণিক তৎপরতা ও সফল অভিযানের ফলে জনমনে স্বস্তি ফিরে এসেছে।
বরিশালে আসা কানাডিয়ান দুই নাগরিকের পাসপোর্ট, ভিসা ও মোবাইল চুরি করে নিয়ে যায় একটি চোরচক্র। পরে চুরির ঘটনায় বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের কোতোয়ালী মডেল থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেন তারা এবং বিষয়টি কোতোয়ালী থানার দায়িত্বপ্রাপ্ত অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মিজানুর রহমানকে অবহিত করেন।
বিদেশি নাগরিকের পাসপোর্ট, ভিসা ও মোবাইল চুরি হওয়ার ঘটনাটি শুনেই উদ্ধার তৎপরতায় নামেন ওসি মিজান। পরে বিভিন্ন কৌশল অবলম্বন করে চোরচক্রের সদস্যদের আটকসহ চুরি হওয়া পাসপোর্ট-ভিসা উদ্ধার করেন।
চুরি হওয়া মালামালের মধ্যে একটি আইফোনও ছিল, যা উদ্ধারের জন্য এখনো অভিযান চলছে কোতোয়ালী থানা পুলিশের। কোতোয়ালী থানা সূত্রে জানা গেছে, গত ১৪ অক্টোবর বিকেল সাড়ে পাঁচটার দিকে কানাডিয়ান নাগরিক কিম্বারলি জিন ও’শ্যগনেসি (Kimberley Jean O'Shaughnessy) বরিশাল নগরীর ফলপট্টি এলাকায় অবস্থান করছিলেন। এ সময় অজ্ঞাতপরিচয় চোরচক্র তাঁর পেছনের ব্যাগ থেকে একটি আইফোন মোবাইল, পাসপোর্ট ও ভিসা চুরি করে নিয়ে যায়।
ঘটনার পর তার সঙ্গে থাকা স্থানীয় দোভাষী রাসেদুল হাসান খান বিষয়টি বরিশাল কোতোয়ালী মডেল থানায় জানান। পরবর্তীতে একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি নং-৯৪১) করা হয়।
পরে ওসি মিজানুর রহমান জিডি অনুযায়ী এএসআই সাইদুল ইসলামের নেতৃত্বে পুলিশের একটি টিম চুরি হওয়া জিনিসপত্র উদ্ধারের জন্য দ্রুত অভিযান পরিচালনা করে। টানা অনুসন্ধান ও অক্লান্ত পরিশ্রমের মাধ্যমে চোরচক্রের সদস্যদের শনাক্ত ও আটক করতে সক্ষম হন তাঁরা।
পরবর্তীতে তাদের জিজ্ঞাসাবাদে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে চুরি হওয়া পাসপোর্ট ও ভিসা উদ্ধার করা সম্ভব হয়। উদ্ধারকৃত পাসপোর্ট ও ভিসা আনুষ্ঠানিকভাবে ভুক্তভোগী কিম্বারলি জিন ও’শ্যগনেসির হাতে তুলে দেন অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. মিজানুর রহমান।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন তদন্তকারী কর্মকর্তা এএসআই সাইদুল ইসলামসহ অন্যান্য পুলিশ সদস্যরা। বৃহস্পতিবার বিকেলে বিষয়টি নিয়ে ওসি মো. মিজানুর রহমান বলেন, “চুরির ঘটনাটি জানার পরপরই আমরা বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে গ্রহণ করি। বিদেশি নাগরিকের নিরাপত্তা ও মর্যাদা রক্ষায় বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশ সবসময় সতর্ক ও দায়িত্বশীল।
খুব অল্প সময়ের মধ্যেই আমাদের টিম চোরচক্রকে শনাক্ত করে উদ্ধার অভিযান সফলভাবে সম্পন্ন করে এবং চুরি হওয়া ভিসা-পাসপোর্ট উদ্ধার করে প্রকৃত মালিকের হাতে ফিরিয়ে দেয়। যে আইফোনটি এখনও উদ্ধার হয়নি, সে বিষয়ে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।”
পুলিশ আরও জানায়, আটককৃতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে এবং বর্তমানে চোরচক্রের সদস্যদের জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।
এ সময় ভুক্তভোগী কানাডিয়ান নাগরিক কিম্বারলি জিন ও’শ্যগনেসি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে বলেন,“আমি সত্যিই অভিভূত! আমার পাসপোর্ট ও ভিসা ফিরে পাব এটা কল্পনাও করিনি। বরিশাল পুলিশের দ্রুত পদক্ষেপ, পেশাদারিত্ব ও আন্তরিকতায় আমি গভীরভাবে কৃতজ্ঞ। বিশেষ করে এএসআই সাইদুল ইসলাম ও তাঁর টিম যে পরিশ্রম করেছেন, তা সত্যিই প্রশংসনীয়। আমি বাংলাদেশ পুলিশের প্রতি আন্তরিক ধন্যবাদ জানাই।”
এদিকে বিদেশি নাগরিকের পাসপোর্ট-ভিসা চুরির ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে শুরুতে কিছুটা উদ্বেগের সৃষ্টি হলেও পুলিশের তাৎক্ষণিক তৎপরতা ও সফল অভিযানের ফলে জনমনে স্বস্তি ফিরে এসেছে।

১২ এপ্রিল, ২০২৬ ২০:১৮
বরিশালের বাকেরগঞ্জ উপজেলার কবাই ইউনিয়নের কালেরকাঠি গ্রামে ২ কোটি ২৩ লাখ টাকা ব্যয়ে নির্মিত একটি সেতু ব্যবহার অনুপযোগী হয়ে পড়েছে সংযোগ সড়ক না থাকায়। ফলে দীর্ঘদিন ধরে সেতুটি কাজে লাগাতে না পেরে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন কবাই ইউনিয়নের ৫ গ্রামের হাজারো মানুষ।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, জনসাধারণের চলাচল সহজ করতে ও এলাকার যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নের লক্ষ্যে কালেরকাঠি গ্রামের পোরাবর্ধন খালের উপর ২০২৩ সালে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের তত্ত্বাবধানে একটি সেতু নির্মাণ করা হয়। সেতুটি নির্মাণ কাজ করেন এমএস রুপালি কনস্ট্রাকশন নামের একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। সেতুটি নির্মাণের প্রায় এক বছর শেষ হলেও এখন পর্যন্ত সংযোগ সড়ক নির্মাণ করেনি কর্তৃপক্ষ। সেতুর দুই পাশে সংযোগ সড়ক নির্মাণ না করায় এটি কার্যত অচল অবস্থায় পড়ে আছে। সেতু থাকলেও রাস্তা না থাকায় মানুষকে এখনও পুরনো ঝুঁকিপূর্ণ পথ ব্যবহার করতে হচ্ছে।
স্থানীয় বাসিন্দা অহিদুল তালুকদার জানান, এখানে একটি ভাঙ্গা সেতু ছিল যে সেতুটি পারাপার হতে গিয়ে একযুগেরও বেশি সময় এই এলাকার সাধারণ মানুষের ভোগান্তি ছিল। এখন নতুন সেতু হলেও সংযোগ সড়ক না থাকায় আগের মতোই দুর্ভোগ রয়ে গেছে। এই এলাকার সাধারণ মানুষের বর্ষা মৌসুমে চলাচল আরও কষ্টকর হয়ে পড়ে। স্কুল-কলেজগামী শিক্ষার্থী, কৃষক ও সাধারণ মানুষ প্রতিনিয়ত দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন। জরুরি প্রয়োজনে রোগী পরিবহন করতেও দেখা দেয় মারাত্মক সমস্যা।
এ বিষয়ে এলাকার একাধিক ভুক্তভোগী বলেন, কবাই ইউনিয়নের কালেরকাঠি, ঢোলা,শিয়ালঘুনি, হানুয়া, পেয়ারপুর সহ পাঁচ গ্রামের মানুষ এই সেতুটি ব্যবহার করে। সরকার কোটি কোটি টাকা খরচ করে সেতু নির্মাণ করেছে, কিন্তু সংযোগ সড়ক না থাকায় এর কোনো সুফল পাচ্ছি না। দ্রুত রাস্তা নির্মাণ করা না হলে এ সেতু শুধু দেখার জিনিস হিসেবেই থেকে যাবে।
এদিকে স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা জানান, সংযোগ সড়ক নির্মাণের বিষয়টি সংশ্লিষ্ট দপ্তরে জানানো হয়েছে এবং দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস পাওয়া গেছে।
এলাকাবাসীর দাবি, অবিলম্বে সংযোগ সড়ক নির্মাণ করে সেতুটি চলাচলের উপযোগী করা হোক, যাতে জনসাধারণের দুর্ভোগ লাঘব হয় এবং সরকারের উন্নয়ন প্রকল্পের সঠিক সুফল তারা পেতে পারে।
উপজেলা এলজিইডি নির্বাহী প্রকৌশলী মো: হাসনাইন আহমেদ বলেন, সেতুটি সংযোগ সড়ক নির্মাণের জন্য উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ বরাবর নতুন করে ডিজাইন করে রিভাইস পাঠানো হয়েছে। প্রয়োজনীয় বরাদ্দ আসলেই দ্রুত সময়ের মধ্যে সেতুটির সংযোগ সড়ক নির্মাণ করা হবে।
বরিশাল টাইমস
বরিশালের বাকেরগঞ্জ উপজেলার কবাই ইউনিয়নের কালেরকাঠি গ্রামে ২ কোটি ২৩ লাখ টাকা ব্যয়ে নির্মিত একটি সেতু ব্যবহার অনুপযোগী হয়ে পড়েছে সংযোগ সড়ক না থাকায়। ফলে দীর্ঘদিন ধরে সেতুটি কাজে লাগাতে না পেরে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন কবাই ইউনিয়নের ৫ গ্রামের হাজারো মানুষ।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, জনসাধারণের চলাচল সহজ করতে ও এলাকার যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নের লক্ষ্যে কালেরকাঠি গ্রামের পোরাবর্ধন খালের উপর ২০২৩ সালে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের তত্ত্বাবধানে একটি সেতু নির্মাণ করা হয়। সেতুটি নির্মাণ কাজ করেন এমএস রুপালি কনস্ট্রাকশন নামের একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। সেতুটি নির্মাণের প্রায় এক বছর শেষ হলেও এখন পর্যন্ত সংযোগ সড়ক নির্মাণ করেনি কর্তৃপক্ষ। সেতুর দুই পাশে সংযোগ সড়ক নির্মাণ না করায় এটি কার্যত অচল অবস্থায় পড়ে আছে। সেতু থাকলেও রাস্তা না থাকায় মানুষকে এখনও পুরনো ঝুঁকিপূর্ণ পথ ব্যবহার করতে হচ্ছে।
স্থানীয় বাসিন্দা অহিদুল তালুকদার জানান, এখানে একটি ভাঙ্গা সেতু ছিল যে সেতুটি পারাপার হতে গিয়ে একযুগেরও বেশি সময় এই এলাকার সাধারণ মানুষের ভোগান্তি ছিল। এখন নতুন সেতু হলেও সংযোগ সড়ক না থাকায় আগের মতোই দুর্ভোগ রয়ে গেছে। এই এলাকার সাধারণ মানুষের বর্ষা মৌসুমে চলাচল আরও কষ্টকর হয়ে পড়ে। স্কুল-কলেজগামী শিক্ষার্থী, কৃষক ও সাধারণ মানুষ প্রতিনিয়ত দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন। জরুরি প্রয়োজনে রোগী পরিবহন করতেও দেখা দেয় মারাত্মক সমস্যা।
এ বিষয়ে এলাকার একাধিক ভুক্তভোগী বলেন, কবাই ইউনিয়নের কালেরকাঠি, ঢোলা,শিয়ালঘুনি, হানুয়া, পেয়ারপুর সহ পাঁচ গ্রামের মানুষ এই সেতুটি ব্যবহার করে। সরকার কোটি কোটি টাকা খরচ করে সেতু নির্মাণ করেছে, কিন্তু সংযোগ সড়ক না থাকায় এর কোনো সুফল পাচ্ছি না। দ্রুত রাস্তা নির্মাণ করা না হলে এ সেতু শুধু দেখার জিনিস হিসেবেই থেকে যাবে।
এদিকে স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা জানান, সংযোগ সড়ক নির্মাণের বিষয়টি সংশ্লিষ্ট দপ্তরে জানানো হয়েছে এবং দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস পাওয়া গেছে।
এলাকাবাসীর দাবি, অবিলম্বে সংযোগ সড়ক নির্মাণ করে সেতুটি চলাচলের উপযোগী করা হোক, যাতে জনসাধারণের দুর্ভোগ লাঘব হয় এবং সরকারের উন্নয়ন প্রকল্পের সঠিক সুফল তারা পেতে পারে।
উপজেলা এলজিইডি নির্বাহী প্রকৌশলী মো: হাসনাইন আহমেদ বলেন, সেতুটি সংযোগ সড়ক নির্মাণের জন্য উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ বরাবর নতুন করে ডিজাইন করে রিভাইস পাঠানো হয়েছে। প্রয়োজনীয় বরাদ্দ আসলেই দ্রুত সময়ের মধ্যে সেতুটির সংযোগ সড়ক নির্মাণ করা হবে।
বরিশাল টাইমস

১১ এপ্রিল, ২০২৬ ২২:১০
বরিশালের বাবুগঞ্জে প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষার্থীদের শিক্ষা উপকরণ প্রদান করেছেন বরিশাল মহানগর ছাত্রদলের সহ-সভাপতি ও সরকারি বাবুগঞ্জ পাইলট মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের খণ্ডকালীন সহকারী শিক্ষক আজিজুল হক। শনিবার (১১ এপ্রিল) দুপুরে তিনি নিজ উদ্যোগে এবং অর্থায়নে বাবুগঞ্জ সরকারি মডেল প্রাথমিক বিদ্যালয় মিলনায়তনে পঞ্চম শ্রেণির ৪৮ জন জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষার্থীদের মাঝে ক্লিপ বোর্ড, স্কেল, কলম, ফাইলসহ বিভিন্ন শিক্ষা উপকরণ বিতরণ করেন। এসময় সেখানে এক সংক্ষিপ্ত মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।
বাবুগঞ্জ সরকারি মডেল প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোসম্মৎ আমিনার সভাপতিত্বে এসময় বক্তব্য রাখেন বরিশাল মহানগর ছাত্রদলের সহ-সভাপতি আজিজুল হক মাস্টার, বিমানবন্দর প্রেসক্লাবের সভাপতি ও সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) সম্পাদক আরিফ আহমেদ মুন্না এবং বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক আবদুস সালাম। এসময় সেখানে শিক্ষা উপকরণ উপহারপ্রাপ্ত পঞ্চম শ্রেণির বৃত্তি পরীক্ষার্থী ছাড়াও তাদের অভিভাবক, বিদ্যালয়ের শিক্ষকবৃন্দ, সাংবাদিক ও সুশীল সমাজের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষার্থীদের বিনামূল্যে শিক্ষা উপকরণ বিতরণ প্রসঙ্গে বরিশাল মহানগর ছাত্রদলের সহ-সভাপতি আজিজুল হক মাস্টার বলেন, 'শিক্ষা জীবনের প্রাথমিক ধাপটা অতিক্রম করার সময় মেধাবী বৃত্তি পরীক্ষার্থীদের একটু উৎসাহ এবং অনুপ্রেরণা দিতেই আমার এই ক্ষুদ্র প্রয়াস। এর আগেও আমি সরকারি বাবুগঞ্জ পাইলট মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মাঝে বিভিন্ন সময়ে শিক্ষা উপকরণ বিতরণ করেছি। এর পাশাপাশি বিভিন্ন গরীব, অসহায় শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন সাহায্য সহযোগিতা করাসহ তাদের পাশে থাকার চেষ্টা করেছি। ছাত্রদলের একজন কর্মী হিসেবে সবসময় ছাত্র-ছাত্রীদের পাশে থাকা আমার দায়িত্ব বলে মনে করি। আমার সাধ অনেক কিন্তু সাধ্য সীমিত। তবুও সেই সীমিত সাধ্য দিয়েই যতটুকু সম্ভব মানুষের কল্যাণে সবসময় কাজ করে যেতে চাই।' #

বরিশালের বাবুগঞ্জে প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষার্থীদের শিক্ষা উপকরণ প্রদান করেছেন বরিশাল মহানগর ছাত্রদলের সহ-সভাপতি ও সরকারি বাবুগঞ্জ পাইলট মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের খণ্ডকালীন সহকারী শিক্ষক আজিজুল হক। শনিবার (১১ এপ্রিল) দুপুরে তিনি নিজ উদ্যোগে এবং অর্থায়নে বাবুগঞ্জ সরকারি মডেল প্রাথমিক বিদ্যালয় মিলনায়তনে পঞ্চম শ্রেণির ৪৮ জন জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষার্থীদের মাঝে ক্লিপ বোর্ড, স্কেল, কলম, ফাইলসহ বিভিন্ন শিক্ষা উপকরণ বিতরণ করেন। এসময় সেখানে এক সংক্ষিপ্ত মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।
বাবুগঞ্জ সরকারি মডেল প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোসম্মৎ আমিনার সভাপতিত্বে এসময় বক্তব্য রাখেন বরিশাল মহানগর ছাত্রদলের সহ-সভাপতি আজিজুল হক মাস্টার, বিমানবন্দর প্রেসক্লাবের সভাপতি ও সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) সম্পাদক আরিফ আহমেদ মুন্না এবং বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক আবদুস সালাম। এসময় সেখানে শিক্ষা উপকরণ উপহারপ্রাপ্ত পঞ্চম শ্রেণির বৃত্তি পরীক্ষার্থী ছাড়াও তাদের অভিভাবক, বিদ্যালয়ের শিক্ষকবৃন্দ, সাংবাদিক ও সুশীল সমাজের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষার্থীদের বিনামূল্যে শিক্ষা উপকরণ বিতরণ প্রসঙ্গে বরিশাল মহানগর ছাত্রদলের সহ-সভাপতি আজিজুল হক মাস্টার বলেন, 'শিক্ষা জীবনের প্রাথমিক ধাপটা অতিক্রম করার সময় মেধাবী বৃত্তি পরীক্ষার্থীদের একটু উৎসাহ এবং অনুপ্রেরণা দিতেই আমার এই ক্ষুদ্র প্রয়াস। এর আগেও আমি সরকারি বাবুগঞ্জ পাইলট মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মাঝে বিভিন্ন সময়ে শিক্ষা উপকরণ বিতরণ করেছি। এর পাশাপাশি বিভিন্ন গরীব, অসহায় শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন সাহায্য সহযোগিতা করাসহ তাদের পাশে থাকার চেষ্টা করেছি। ছাত্রদলের একজন কর্মী হিসেবে সবসময় ছাত্র-ছাত্রীদের পাশে থাকা আমার দায়িত্ব বলে মনে করি। আমার সাধ অনেক কিন্তু সাধ্য সীমিত। তবুও সেই সীমিত সাধ্য দিয়েই যতটুকু সম্ভব মানুষের কল্যাণে সবসময় কাজ করে যেতে চাই।' #


১১ এপ্রিল, ২০২৬ ১৯:৪৭
মধুমাস জ্যৈষ্ঠ অত্যাসন্ন। ফলের মৌসুমের শুরুতে চৈত্রেই গাছে গাছে ঝুঁলছে আম, কাঁঠাল, জাম্বুরা, লিচু,কলা,পেয়ারাসহ নানা রসাঁলো ফল। ক্ষেতে তরমুজ ফুটি/ভাঙ্গিসহ প্রভৃতি ফল জানান দিচ্ছে এসেছে ফলের মৌসুম।
এ বছর আম-কাঁঠালের বাম্পার ফলণের সম্ভাবনা উঁকি দিচ্ছে। দেশের প্রতিটি বাড়িতে,বাগানে আম,কাঁঠাল, জাম্বুরার ফলণ রেকর্ড সৃষ্টি করেছে। ক্ষেতের তরমুজ, ফুটি-ভাঙ্গি সেই রমজান থেকেই বাজারে পাওয়া যাচ্ছে।
আগাম কাঁচা-পাকা আমেরও দেখা মিলছে হাট-বাজারে। বরিশালের বানারীপাড়া পৌর শহরের ২ নম্বর ওয়ার্ডে ঘরের আঙিনায় সাইদুর রহমানের এক গাছে শতাধিক কাঁঠাল যেন দেশজুড়ে কাঁঠালের বাম্পার ফলণেরই প্রতিচ্ছবি ফুটে উঠেছে।
মাত্র ৪ বছর বয়সী এ গাছটির গোড়া থেকে আগা পর্যন্ত থোকায় থোকায় ঝুলে আছে সুস্বাদু রসালো ফল কাঁঠাল। সাইদুর রহমান বলেন, আল্লাহর রহমতে কাঁঠালগুলো পরিপক্ব হয়ে পাকার পরে নিজের পরিবারের সদস্যদের নিয়ে খাওয়ার পাশাপাশি প্রতিবেশীসহ আত্মীয়-স্বজনদের মাঝে বিতরণ করবেন।
মধুমাস জ্যৈষ্ঠ অত্যাসন্ন। ফলের মৌসুমের শুরুতে চৈত্রেই গাছে গাছে ঝুঁলছে আম, কাঁঠাল, জাম্বুরা, লিচু,কলা,পেয়ারাসহ নানা রসাঁলো ফল। ক্ষেতে তরমুজ ফুটি/ভাঙ্গিসহ প্রভৃতি ফল জানান দিচ্ছে এসেছে ফলের মৌসুম।
এ বছর আম-কাঁঠালের বাম্পার ফলণের সম্ভাবনা উঁকি দিচ্ছে। দেশের প্রতিটি বাড়িতে,বাগানে আম,কাঁঠাল, জাম্বুরার ফলণ রেকর্ড সৃষ্টি করেছে। ক্ষেতের তরমুজ, ফুটি-ভাঙ্গি সেই রমজান থেকেই বাজারে পাওয়া যাচ্ছে।
আগাম কাঁচা-পাকা আমেরও দেখা মিলছে হাট-বাজারে। বরিশালের বানারীপাড়া পৌর শহরের ২ নম্বর ওয়ার্ডে ঘরের আঙিনায় সাইদুর রহমানের এক গাছে শতাধিক কাঁঠাল যেন দেশজুড়ে কাঁঠালের বাম্পার ফলণেরই প্রতিচ্ছবি ফুটে উঠেছে।
মাত্র ৪ বছর বয়সী এ গাছটির গোড়া থেকে আগা পর্যন্ত থোকায় থোকায় ঝুলে আছে সুস্বাদু রসালো ফল কাঁঠাল। সাইদুর রহমান বলেন, আল্লাহর রহমতে কাঁঠালগুলো পরিপক্ব হয়ে পাকার পরে নিজের পরিবারের সদস্যদের নিয়ে খাওয়ার পাশাপাশি প্রতিবেশীসহ আত্মীয়-স্বজনদের মাঝে বিতরণ করবেন।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.