ভোলার মেঘনা নদীতে শীতের হাওয়া লাগতেই ইলিশ কমে ঝাঁকে ঝাঁকে ধরা পড়ছে পোয়া মাছ। জেলেদের জালে ইলিশ মিলছে হাতে গোনা। ঘাটে কেনাবেচায় দাম কম হলেও বাজারে এসব পোয়া দ্বিগুণ দামে বিক্রি হচ্ছে। গতকাল শনিবার তজুমদ্দিন উপজেলার চর জহিরুদ্দিন ও আজ রোববার ভোলা সদর উপজেলার মাছঘাট ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে।
ভোলা জেলা মৎস্য কার্যালয়ের তথ্যমতে, পোয়া মাছকে স্থানীয়ভাবে ‘পোয়া’ বা ‘পামা’ নামেও ডাকা হয়। বড় পোয়া মাছের বায়ুথলি শুকিয়ে ওষুধ তৈরির কাঁচামাল হিসেবে ব্যবহৃত হয়, এ কারণে এর বিশেষ মূল্যও আছে।
জেলেদের ভাষ্য, ১০ থেকে ১৫ দিন ধরে মেঘনার মধ্যবর্তী চরের আশপাশে পোয়া বেশি পড়ছে। এলাকাগুলোর মধ্যে আছে বোরহানউদ্দিন উপজেলার হাকিমউদ্দিনসংলগ্ন চর, দৌলতখান উপজেলার পাতারখাল ও হাজিপুর চর, তজুমদ্দিন উপজেলার চর রায়াহান, চরমোজাম্মেল, চর জহিরুদ্দিন এবং মনপুরা উপজেলার কলাতলী।
এই দুই দিনে দেখা যায় চর জহিরুদ্দিনের বিভিন্ন ঘাটে বর্ষার মতো সরগরম পরিবেশ। জেলেদের নৌকায় মিলছে ঝুড়ি ঝুড়ি পোয়া। সঙ্গে মিলছে কিছু ছোট ইলিশ ও দু-একটি পাঙাশ। মাছ বেশি থাকায় জেলেদের মনে বেশ আনন্দ। তাঁদের কয়েকজনের মুঠোফোনে বাজছিল গান। মাছ বেশি থাকার কারণে ঘাটসংলগ্ন বাজারেও ব্যস্ততা বেড়েছে। কুলি ও আড়তদারদের কমিশনও বেড়েছে।
চর জহিরুদ্দিনের ‘বরিশাল মাছঘাট’-এর ব্যবসায়ী মজিবল হক হাওলাদার বলেন, নৌকাবাসী মানতা সম্প্রদায়ের জেলেরা বাওয়া-পোয়া জালে প্রচুর ছোট সাদা পোয়া শিকার করছেন। একেক জেলে এক থেকে দেড় মণ পর্যন্ত পোয়া পাচ্ছেন। ঘাটে এসব মাছ মণপ্রতি (৪০ কেজি) ৬ হাজার ৫০০ টাকা পর্যন্ত দরে কেনাবেচা হচ্ছে।
গতকাল বিকেলে জেলে বাহাদুর মাঝি ৫ হাজার ৪০০ টাকার মাছ বিক্রি করেছেন। কামাল মাঝির বিক্রি হয়েছে ১০ হাজার ৯০ ও মিরাজ মাঝির ৫ হাজার ৬০০ টাকার মাছ। গত শুক্রবার নুরে আলম ২৬ হাজার ২৫৫ ও দুলাল পাটওয়ারী ৪০ হাজার ১১৫ টাকার মাছ বিক্রি করেছেন। ব্যবসায়ী সেলিম ব্যাপারী জানান, ঢাকার বাজারে এসব পোয়া ২৫০ থেকে ৩০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।
ভোলার চড়ারমাথা, লালমোহনের বাত্তিরখাল ও ঢালচরের আড়তদারেরা বলেন, নৌকাবাসী মানতা সম্প্রদায়ের জেলেরা নদীর মাছের গতি বুঝে জাল ফেলেন। শীতের শুরুতে পোয়া, তাপসী, বোয়াল, পাঙাশ ও বড় কোরাল ধরা পড়ার সম্ভাবনা থাকে। তবে এসব মাছ ধরার জন্য আলাদা জাল লাগে—ইলিশের জালে এগুলো কম ধরা পড়ে।
জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. ইকবাল হোসাইন বলেন, ইলিশের প্রজনন মৌসুমে ২২ দিনের নিষেধাজ্ঞা শেষে গত ২৫ অক্টোবর থেকে জেলেরা মেঘনা ও তেঁতুলিয়া নদীতে নেমেছেন। ইলিশের চেয়ে অন্য মাছই বেশি ধরা পড়ছে। কয়েক দিন বড় বড় পাঙাশ মিললেও এখন আবার পোয়া মাছে ভরপুর। এতে জেলেরা নতুন করে আশাবাদী হচ্ছেন।

৩১ অক্টোবর, ২০২৬ ১৩:০০
বরিশালটাইমসের মনপুরা প্রতিনিধি ও মনপুরা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক সাংবাদিক সীমান্ত হেলালের পিতা হাজী মো. হানিফ মিয়া (৯০) আর নেই। শনিবার (৩১ অক্টোবর) ভোর রাত ৪টার দিকে ভোলার মনপুরা উপজেলার হাজিরহাট ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের চরজ্ঞান গ্রামের নিজ বাসভবনে বার্ধক্যজনিত কারণে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।
মরহুম হাজী মো. হানিফ মিয়া মৃত্যুকালে চার ছেলে, চার মেয়েসহ অসংখ্য আত্মীয়স্বজন, শুভাকাঙ্ক্ষী ও গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। তাঁর মৃত্যুতে পরিবার, স্বজন ও এলাকাজুড়ে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
সাংবাদিক সীমান্ত হেলালের পিতার মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন বরিশালটাইমসের ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক শাকিব বিপ্লব এবং প্রকাশক হাসিবুল ইসলাম। একই সঙ্গে শোক জানিয়েছেন পত্রিকাটির তজুমদ্দিন প্রতিনিধি হেলাল উদ্দিন লিটন, লালমোহন প্রতিনিধি হাসান পিন্টুসহ বরিশাল টাইমস পরিবারের সর্বস্তরের সদস্যরা।
এক শোকবার্তায় তাঁরা মরহুমের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত সাংবাদিক সীমান্ত হেলাল ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।
শোকবার্তায় বরিশাল টাইমসের ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক শাকিব বিপ্লব এবং প্রকাশক হাসিবুল ইসলাম বলেন, পিতাকে হারানো সন্তানের জীবনে এক অপূরণীয় বেদনা। এই শোক ভাষায় প্রকাশ করার মতো নয়। আমরা মরহুমের মৃত্যুতে গভীরভাবে শোকাহত। মহান আল্লাহ তাঁকে ক্ষমা করে জান্নাতুল ফেরদৌস দান করুন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারকে এই কঠিন শোক সহ্য করার শক্তি দিন।
মরহুম হাজী মো. হানিফ মিয়ার বড় ছেলে মো. মহিউদ্দিন ভোলার নাজিউর রহমান কলেজের অধ্যক্ষ হিসেবে কর্মরত। তাঁর অন্য দুই ছেলে ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত এবং মেয়েরা গৃহিণী।
মহান আল্লাহ মরহুমকে জান্নাতুল ফেরদৌস নসিব করুন। আমিন।
বরিশালটাইমসের মনপুরা প্রতিনিধি ও মনপুরা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক সাংবাদিক সীমান্ত হেলালের পিতা হাজী মো. হানিফ মিয়া (৯০) আর নেই। শনিবার (৩১ অক্টোবর) ভোর রাত ৪টার দিকে ভোলার মনপুরা উপজেলার হাজিরহাট ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের চরজ্ঞান গ্রামের নিজ বাসভবনে বার্ধক্যজনিত কারণে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।
মরহুম হাজী মো. হানিফ মিয়া মৃত্যুকালে চার ছেলে, চার মেয়েসহ অসংখ্য আত্মীয়স্বজন, শুভাকাঙ্ক্ষী ও গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। তাঁর মৃত্যুতে পরিবার, স্বজন ও এলাকাজুড়ে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
সাংবাদিক সীমান্ত হেলালের পিতার মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন বরিশালটাইমসের ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক শাকিব বিপ্লব এবং প্রকাশক হাসিবুল ইসলাম। একই সঙ্গে শোক জানিয়েছেন পত্রিকাটির তজুমদ্দিন প্রতিনিধি হেলাল উদ্দিন লিটন, লালমোহন প্রতিনিধি হাসান পিন্টুসহ বরিশাল টাইমস পরিবারের সর্বস্তরের সদস্যরা।
এক শোকবার্তায় তাঁরা মরহুমের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত সাংবাদিক সীমান্ত হেলাল ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।
শোকবার্তায় বরিশাল টাইমসের ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক শাকিব বিপ্লব এবং প্রকাশক হাসিবুল ইসলাম বলেন, পিতাকে হারানো সন্তানের জীবনে এক অপূরণীয় বেদনা। এই শোক ভাষায় প্রকাশ করার মতো নয়। আমরা মরহুমের মৃত্যুতে গভীরভাবে শোকাহত। মহান আল্লাহ তাঁকে ক্ষমা করে জান্নাতুল ফেরদৌস দান করুন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারকে এই কঠিন শোক সহ্য করার শক্তি দিন।
মরহুম হাজী মো. হানিফ মিয়ার বড় ছেলে মো. মহিউদ্দিন ভোলার নাজিউর রহমান কলেজের অধ্যক্ষ হিসেবে কর্মরত। তাঁর অন্য দুই ছেলে ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত এবং মেয়েরা গৃহিণী।
মহান আল্লাহ মরহুমকে জান্নাতুল ফেরদৌস নসিব করুন। আমিন।

২৯ অক্টোবর, ২০২৬ ১৬:০৮
ভোলার মনপুরায় উপজেলা পরিষদের সরকারি জমিতে নতুন বাজার নির্মাণের জন্য ভিটা বরাদ্দের উদ্যোগের প্রতিবাদে দোকানপাট বন্ধ রেখে ধর্মঘট পালন করেছেন হাজীর হাট বাজারের ব্যবসায়ীরা। বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত এ কর্মসূচি পালন করেন তাঁরা।
পরে বরিশাল বিভাগীয় কমিশনার মো. খলিল আহমেদ ও ভোলার জেলা প্রশাসক ডা. শামীম আহমেদের মনপুরায় আগমন উপলক্ষে সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ মিছিল করেন ব্যবসায়ীরা। এ সময় তাঁরা বিভাগীয় কমিশনারের কাছে স্মারকলিপি ও অভিযোগপত্র দিতে চাইলে তিনি তা গ্রহণ করেননি বলে অভিযোগ করেছেন ব্যবসায়ীরা।
ব্যবসায়ীদের অভিযোগ, মনপুরা উপজেলা সদরের সবচেয়ে বড় বাজার হাজীর হাটে দীর্ঘদিন ধরে বিদ্যুৎ ও অবকাঠামোগত সমস্যা রয়েছে। পাশাপাশি প্রশাসনের উদাসীনতার কারণে ব্যবসা-বাণিজ্যেও মন্দা চলছে। এর মধ্যে বাজার থেকে প্রায় আধা কিলোমিটার দূরে উপজেলা পরিষদের সরকারি জমিতে নতুন বাজার নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এতে বর্তমান বাজারের চার শতাধিক ব্যবসায়ী ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা করছেন।
ব্যবসায়ীরা দাবি করেন, মোটা অঙ্কের টাকার বিনিময়ে সরকারি জমি বরাদ্দ দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তাঁরা এ বরাদ্দ বন্ধের দাবি জানিয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) খান সালমান হাবীবের বিরুদ্ধে বিভাগীয় তদন্তের মাধ্যমে ব্যবস্থা গ্রহণ ও তাঁকে বদলির দাবি জানান। দাবি মানা না হলে আরও কঠোর আন্দোলনের হুঁশিয়ারিও দেন তাঁরা।
ব্যবসায়ীদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, উপজেলা পরিষদ চত্বরে প্রায় এক একর জমি দীর্ঘ ৫০ বছর ধরে কেওড়া বাগান হিসেবে পরিত্যক্ত ছিল। প্রায় ২০ দিন আগে ওই জমিতে নতুন বাজার নির্মাণের জন্য ভিটা বরাদ্দের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে উপজেলা প্রশাসন। বিজ্ঞপ্তিতে কিছু ভিটার জন্য এক লাখ টাকা এবং কিছু ভিটার জন্য ৫০ হাজার টাকা নির্ধারণ করে পে-অর্ডার আহ্বান করা হয়।
বরাদ্দের এ উদ্যোগের খবর ছড়িয়ে পড়লে প্রতিবাদে সরব হন হাজীর হাট বাজারের ব্যবসায়ীরা। তাঁরা এর আগে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবর স্মারকলিপিও দেন।
পরবর্তী সময়ে সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের জন্য ওই জমির বরাদ্দ স্থগিত রাখার নির্দেশ দেন ভোলা-৪ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ নুরুল ইসলাম নয়ন। এরপরও সরকারি জমিতে ভিটা বরাদ্দ বন্ধের দাবিতে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করে আসছেন ব্যবসায়ীরা।
বৃহস্পতিবারের ধর্মঘট ও বিক্ষোভের বিষয়ে বিভাগীয় কমিশনার, জেলা প্রশাসক এবং উপজেলা প্রশাসনের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা প্রতিবেদনে যুক্ত করা হবে।
ভোলার মনপুরায় উপজেলা পরিষদের সরকারি জমিতে নতুন বাজার নির্মাণের জন্য ভিটা বরাদ্দের উদ্যোগের প্রতিবাদে দোকানপাট বন্ধ রেখে ধর্মঘট পালন করেছেন হাজীর হাট বাজারের ব্যবসায়ীরা। বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত এ কর্মসূচি পালন করেন তাঁরা।
পরে বরিশাল বিভাগীয় কমিশনার মো. খলিল আহমেদ ও ভোলার জেলা প্রশাসক ডা. শামীম আহমেদের মনপুরায় আগমন উপলক্ষে সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ মিছিল করেন ব্যবসায়ীরা। এ সময় তাঁরা বিভাগীয় কমিশনারের কাছে স্মারকলিপি ও অভিযোগপত্র দিতে চাইলে তিনি তা গ্রহণ করেননি বলে অভিযোগ করেছেন ব্যবসায়ীরা।
ব্যবসায়ীদের অভিযোগ, মনপুরা উপজেলা সদরের সবচেয়ে বড় বাজার হাজীর হাটে দীর্ঘদিন ধরে বিদ্যুৎ ও অবকাঠামোগত সমস্যা রয়েছে। পাশাপাশি প্রশাসনের উদাসীনতার কারণে ব্যবসা-বাণিজ্যেও মন্দা চলছে। এর মধ্যে বাজার থেকে প্রায় আধা কিলোমিটার দূরে উপজেলা পরিষদের সরকারি জমিতে নতুন বাজার নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এতে বর্তমান বাজারের চার শতাধিক ব্যবসায়ী ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা করছেন।
ব্যবসায়ীরা দাবি করেন, মোটা অঙ্কের টাকার বিনিময়ে সরকারি জমি বরাদ্দ দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তাঁরা এ বরাদ্দ বন্ধের দাবি জানিয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) খান সালমান হাবীবের বিরুদ্ধে বিভাগীয় তদন্তের মাধ্যমে ব্যবস্থা গ্রহণ ও তাঁকে বদলির দাবি জানান। দাবি মানা না হলে আরও কঠোর আন্দোলনের হুঁশিয়ারিও দেন তাঁরা।
ব্যবসায়ীদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, উপজেলা পরিষদ চত্বরে প্রায় এক একর জমি দীর্ঘ ৫০ বছর ধরে কেওড়া বাগান হিসেবে পরিত্যক্ত ছিল। প্রায় ২০ দিন আগে ওই জমিতে নতুন বাজার নির্মাণের জন্য ভিটা বরাদ্দের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে উপজেলা প্রশাসন। বিজ্ঞপ্তিতে কিছু ভিটার জন্য এক লাখ টাকা এবং কিছু ভিটার জন্য ৫০ হাজার টাকা নির্ধারণ করে পে-অর্ডার আহ্বান করা হয়।
বরাদ্দের এ উদ্যোগের খবর ছড়িয়ে পড়লে প্রতিবাদে সরব হন হাজীর হাট বাজারের ব্যবসায়ীরা। তাঁরা এর আগে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবর স্মারকলিপিও দেন।
পরবর্তী সময়ে সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের জন্য ওই জমির বরাদ্দ স্থগিত রাখার নির্দেশ দেন ভোলা-৪ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ নুরুল ইসলাম নয়ন। এরপরও সরকারি জমিতে ভিটা বরাদ্দ বন্ধের দাবিতে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করে আসছেন ব্যবসায়ীরা।
বৃহস্পতিবারের ধর্মঘট ও বিক্ষোভের বিষয়ে বিভাগীয় কমিশনার, জেলা প্রশাসক এবং উপজেলা প্রশাসনের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা প্রতিবেদনে যুক্ত করা হবে।

২২ অক্টোবর, ২০২৬ ১৪:৪০
ভোলার গ্যাস ভোলার উন্নয়নে ব্যবহারের দাবি হাফিজ উদ্দিন আহমেদের
জাতীয় সংসদের স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমেদ বীর বিক্রম বলেছেন, তাঁর রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা অনুযায়ী, আগামী ১০ বছরেও শেখ হাসিনার দেশে ফেরার কোনো সম্ভাবনা নেই। বৃহস্পতিবার ভোলা সার্কিট হাউসে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।
স্পিকার বলেন, আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থাকাকালে এমন একটি রাজনৈতিক পরিবেশ তৈরি করেছিল, যেখানে যোগ্যতা ও দক্ষতা থাকা সত্ত্বেও অনেক মানুষ নির্বাচনে অংশ নেওয়ার সাহস পেতেন না। অর্থ-সম্পদ, জনপ্রিয়তা ও যোগ্যতা থাকা সত্ত্বেও অযোগ্য ও অসৎ ব্যক্তিদের দাপটে সৎ ও যোগ্য মানুষেরা নির্বাচনে অংশ নিতে পারতেন না বলে মন্তব্য করেন তিনি।
আগামী স্থানীয় সরকার নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ হওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করে স্পিকার বলেন, বিগত ১৭ বছরে মানুষ সুষ্ঠু নির্বাচন দেখেনি। তাই নির্বাচন কমিশনকে এমন পদ্ধতি গ্রহণ করতে হবে, যাতে অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন নিশ্চিত হয় এবং নির্বাচন নিয়ে কোনো ধরনের অনিয়মের সুযোগ না থাকে।
ভোলার প্রাকৃতিক গ্যাস প্রসঙ্গে হাফিজ উদ্দিন আহমেদ বলেন, জেলায় পর্যাপ্ত প্রাকৃতিক গ্যাসের মজুত রয়েছে। বর্তমানে দেশজুড়ে জ্বালানি সংকটের কারণে বিভিন্ন ক্ষেত্রে কাজকর্ম ব্যাহত হচ্ছে। এ পরিস্থিতিতে ভোলার গ্যাস ভোলার মানুষের কাজে লাগানো তাদের ন্যায্য অধিকার।
তিনি বলেন, এ বিষয়ে জ্বালানি মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে আলোচনা করে ভোলার গ্যাস স্থানীয় উন্নয়নে ব্যবহারের সুযোগ সৃষ্টি করা উচিত।
এ সময় ভোলার জেলা প্রশাসক ড. শামীম রহমান, পুলিশ সুপার শহীদুল্লাহ কাওসারসহ স্থানীয় রাজনৈতিক নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
ভোলার গ্যাস ভোলার উন্নয়নে ব্যবহারের দাবি হাফিজ উদ্দিন আহমেদের
জাতীয় সংসদের স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমেদ বীর বিক্রম বলেছেন, তাঁর রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা অনুযায়ী, আগামী ১০ বছরেও শেখ হাসিনার দেশে ফেরার কোনো সম্ভাবনা নেই। বৃহস্পতিবার ভোলা সার্কিট হাউসে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।
স্পিকার বলেন, আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থাকাকালে এমন একটি রাজনৈতিক পরিবেশ তৈরি করেছিল, যেখানে যোগ্যতা ও দক্ষতা থাকা সত্ত্বেও অনেক মানুষ নির্বাচনে অংশ নেওয়ার সাহস পেতেন না। অর্থ-সম্পদ, জনপ্রিয়তা ও যোগ্যতা থাকা সত্ত্বেও অযোগ্য ও অসৎ ব্যক্তিদের দাপটে সৎ ও যোগ্য মানুষেরা নির্বাচনে অংশ নিতে পারতেন না বলে মন্তব্য করেন তিনি।
আগামী স্থানীয় সরকার নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ হওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করে স্পিকার বলেন, বিগত ১৭ বছরে মানুষ সুষ্ঠু নির্বাচন দেখেনি। তাই নির্বাচন কমিশনকে এমন পদ্ধতি গ্রহণ করতে হবে, যাতে অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন নিশ্চিত হয় এবং নির্বাচন নিয়ে কোনো ধরনের অনিয়মের সুযোগ না থাকে।
ভোলার প্রাকৃতিক গ্যাস প্রসঙ্গে হাফিজ উদ্দিন আহমেদ বলেন, জেলায় পর্যাপ্ত প্রাকৃতিক গ্যাসের মজুত রয়েছে। বর্তমানে দেশজুড়ে জ্বালানি সংকটের কারণে বিভিন্ন ক্ষেত্রে কাজকর্ম ব্যাহত হচ্ছে। এ পরিস্থিতিতে ভোলার গ্যাস ভোলার মানুষের কাজে লাগানো তাদের ন্যায্য অধিকার।
তিনি বলেন, এ বিষয়ে জ্বালানি মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে আলোচনা করে ভোলার গ্যাস স্থানীয় উন্নয়নে ব্যবহারের সুযোগ সৃষ্টি করা উচিত।
এ সময় ভোলার জেলা প্রশাসক ড. শামীম রহমান, পুলিশ সুপার শহীদুল্লাহ কাওসারসহ স্থানীয় রাজনৈতিক নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

২৩ নভেম্বর, ২০২৫ ১৭:২৭
ভোলার মেঘনা নদীতে শীতের হাওয়া লাগতেই ইলিশ কমে ঝাঁকে ঝাঁকে ধরা পড়ছে পোয়া মাছ। জেলেদের জালে ইলিশ মিলছে হাতে গোনা। ঘাটে কেনাবেচায় দাম কম হলেও বাজারে এসব পোয়া দ্বিগুণ দামে বিক্রি হচ্ছে। গতকাল শনিবার তজুমদ্দিন উপজেলার চর জহিরুদ্দিন ও আজ রোববার ভোলা সদর উপজেলার মাছঘাট ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে।
ভোলা জেলা মৎস্য কার্যালয়ের তথ্যমতে, পোয়া মাছকে স্থানীয়ভাবে ‘পোয়া’ বা ‘পামা’ নামেও ডাকা হয়। বড় পোয়া মাছের বায়ুথলি শুকিয়ে ওষুধ তৈরির কাঁচামাল হিসেবে ব্যবহৃত হয়, এ কারণে এর বিশেষ মূল্যও আছে।
জেলেদের ভাষ্য, ১০ থেকে ১৫ দিন ধরে মেঘনার মধ্যবর্তী চরের আশপাশে পোয়া বেশি পড়ছে। এলাকাগুলোর মধ্যে আছে বোরহানউদ্দিন উপজেলার হাকিমউদ্দিনসংলগ্ন চর, দৌলতখান উপজেলার পাতারখাল ও হাজিপুর চর, তজুমদ্দিন উপজেলার চর রায়াহান, চরমোজাম্মেল, চর জহিরুদ্দিন এবং মনপুরা উপজেলার কলাতলী।
এই দুই দিনে দেখা যায় চর জহিরুদ্দিনের বিভিন্ন ঘাটে বর্ষার মতো সরগরম পরিবেশ। জেলেদের নৌকায় মিলছে ঝুড়ি ঝুড়ি পোয়া। সঙ্গে মিলছে কিছু ছোট ইলিশ ও দু-একটি পাঙাশ। মাছ বেশি থাকায় জেলেদের মনে বেশ আনন্দ। তাঁদের কয়েকজনের মুঠোফোনে বাজছিল গান। মাছ বেশি থাকার কারণে ঘাটসংলগ্ন বাজারেও ব্যস্ততা বেড়েছে। কুলি ও আড়তদারদের কমিশনও বেড়েছে।
চর জহিরুদ্দিনের ‘বরিশাল মাছঘাট’-এর ব্যবসায়ী মজিবল হক হাওলাদার বলেন, নৌকাবাসী মানতা সম্প্রদায়ের জেলেরা বাওয়া-পোয়া জালে প্রচুর ছোট সাদা পোয়া শিকার করছেন। একেক জেলে এক থেকে দেড় মণ পর্যন্ত পোয়া পাচ্ছেন। ঘাটে এসব মাছ মণপ্রতি (৪০ কেজি) ৬ হাজার ৫০০ টাকা পর্যন্ত দরে কেনাবেচা হচ্ছে।
গতকাল বিকেলে জেলে বাহাদুর মাঝি ৫ হাজার ৪০০ টাকার মাছ বিক্রি করেছেন। কামাল মাঝির বিক্রি হয়েছে ১০ হাজার ৯০ ও মিরাজ মাঝির ৫ হাজার ৬০০ টাকার মাছ। গত শুক্রবার নুরে আলম ২৬ হাজার ২৫৫ ও দুলাল পাটওয়ারী ৪০ হাজার ১১৫ টাকার মাছ বিক্রি করেছেন। ব্যবসায়ী সেলিম ব্যাপারী জানান, ঢাকার বাজারে এসব পোয়া ২৫০ থেকে ৩০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।
ভোলার চড়ারমাথা, লালমোহনের বাত্তিরখাল ও ঢালচরের আড়তদারেরা বলেন, নৌকাবাসী মানতা সম্প্রদায়ের জেলেরা নদীর মাছের গতি বুঝে জাল ফেলেন। শীতের শুরুতে পোয়া, তাপসী, বোয়াল, পাঙাশ ও বড় কোরাল ধরা পড়ার সম্ভাবনা থাকে। তবে এসব মাছ ধরার জন্য আলাদা জাল লাগে—ইলিশের জালে এগুলো কম ধরা পড়ে।
জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. ইকবাল হোসাইন বলেন, ইলিশের প্রজনন মৌসুমে ২২ দিনের নিষেধাজ্ঞা শেষে গত ২৫ অক্টোবর থেকে জেলেরা মেঘনা ও তেঁতুলিয়া নদীতে নেমেছেন। ইলিশের চেয়ে অন্য মাছই বেশি ধরা পড়ছে। কয়েক দিন বড় বড় পাঙাশ মিললেও এখন আবার পোয়া মাছে ভরপুর। এতে জেলেরা নতুন করে আশাবাদী হচ্ছেন।
৩১ অক্টোবর, ২০২৬ ২০:২০
৩১ অক্টোবর, ২০২৬ ১৯:২৯
৩১ অক্টোবর, ২০২৬ ১৮:২৮
৩১ অক্টোবর, ২০২৬ ১৭:৩৭