Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.

২৩ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৭:২৭
মাগুরায় একটি ভোটকেন্দ্রে স্থাপিত সিসিটিভি ক্যামেরা ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) রাত সাড়ে ৭টার দিকে মাগুরা পৌরসভার ১ নম্বর ওয়ার্ডের ছোটফালিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয় ভোটকেন্দ্রে এ ঘটনা ঘটে।
জানা গেছে, আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে ভোটকেন্দ্রের নিরাপত্তা ও স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে মাগুরা জেলার ৩০১টি ভোটকেন্দ্রে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন করা হয়। জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা আব্দুল্লাহ আল মাহমুদের নির্দেশনায় মঙ্গলবার বিকেল ৪টার দিকে ছোটফালিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে দুটি সিসিটিভি ক্যামেরা বসানো হয়। তবে স্থাপনের তিন ঘণ্টার মধ্যেই একটি ক্যামেরা ভেঙে ফেলা হয়।
সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজ পর্যালোচনা করে দেখা যায়, এক ব্যক্তি বাঁশ দিয়ে আঘাত করে ক্যামেরাটি ভাঙচুর করেন। তবে আলোর স্বল্পতার কারণে তার মুখ শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি। ক্যামেরা ভাঙার ১০-১৫ মিনিট পর কয়েকজন যুবককে ওই এলাকায় অবস্থান করতে দেখা যায়।
সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের ধারণা, তাদের মধ্যে কেউ এ ঘটনায় জড়িত থাকতে পারে। বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. মিজানুর রহমান বলেন, নির্বাচন কমিশনের নির্দেশনা অনুযায়ী ভোটকেন্দ্রের নিরাপত্তা ও স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে ক্যামেরা বসানো হয়েছিল; কিন্তু রাতেই ভাঙচুরের ঘটনায় বিদ্যালয়ের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। সিসিটিভি ফুটেজ যাচাই করে দোষীদের চিহ্নিত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বিদ্যালয়ের নৈশপ্রহরী আফজাল হোসেন জানান, রাতে খাবার শেষে বিদ্যালয়ে ফিরে এসে তিনি কয়েকজন যুবককে এলাকায় ঘোরাঘুরি করতে দেখেন। সকালে উঠে ক্যামেরা ভাঙা অবস্থায় দেখতে পেয়ে বিষয়টি কর্তৃপক্ষকে জানান।
মাগুরা সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মেহেরুন্নাহার জানান, এ বিষয়ে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বাদী হয়ে মাগুরা সদর থানায় একটি মামলা করেছেন। পুলিশের মাধ্যমে দুষ্কৃতকারীদের আইনের আওতায় আনার চেষ্টা চলছে।
মাগুরায় একটি ভোটকেন্দ্রে স্থাপিত সিসিটিভি ক্যামেরা ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) রাত সাড়ে ৭টার দিকে মাগুরা পৌরসভার ১ নম্বর ওয়ার্ডের ছোটফালিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয় ভোটকেন্দ্রে এ ঘটনা ঘটে।
জানা গেছে, আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে ভোটকেন্দ্রের নিরাপত্তা ও স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে মাগুরা জেলার ৩০১টি ভোটকেন্দ্রে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন করা হয়। জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা আব্দুল্লাহ আল মাহমুদের নির্দেশনায় মঙ্গলবার বিকেল ৪টার দিকে ছোটফালিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে দুটি সিসিটিভি ক্যামেরা বসানো হয়। তবে স্থাপনের তিন ঘণ্টার মধ্যেই একটি ক্যামেরা ভেঙে ফেলা হয়।
সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজ পর্যালোচনা করে দেখা যায়, এক ব্যক্তি বাঁশ দিয়ে আঘাত করে ক্যামেরাটি ভাঙচুর করেন। তবে আলোর স্বল্পতার কারণে তার মুখ শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি। ক্যামেরা ভাঙার ১০-১৫ মিনিট পর কয়েকজন যুবককে ওই এলাকায় অবস্থান করতে দেখা যায়।
সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের ধারণা, তাদের মধ্যে কেউ এ ঘটনায় জড়িত থাকতে পারে। বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. মিজানুর রহমান বলেন, নির্বাচন কমিশনের নির্দেশনা অনুযায়ী ভোটকেন্দ্রের নিরাপত্তা ও স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে ক্যামেরা বসানো হয়েছিল; কিন্তু রাতেই ভাঙচুরের ঘটনায় বিদ্যালয়ের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। সিসিটিভি ফুটেজ যাচাই করে দোষীদের চিহ্নিত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বিদ্যালয়ের নৈশপ্রহরী আফজাল হোসেন জানান, রাতে খাবার শেষে বিদ্যালয়ে ফিরে এসে তিনি কয়েকজন যুবককে এলাকায় ঘোরাঘুরি করতে দেখেন। সকালে উঠে ক্যামেরা ভাঙা অবস্থায় দেখতে পেয়ে বিষয়টি কর্তৃপক্ষকে জানান।
মাগুরা সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মেহেরুন্নাহার জানান, এ বিষয়ে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বাদী হয়ে মাগুরা সদর থানায় একটি মামলা করেছেন। পুলিশের মাধ্যমে দুষ্কৃতকারীদের আইনের আওতায় আনার চেষ্টা চলছে।

০৭ এপ্রিল, ২০২৬ ১৯:৪৭

০৭ এপ্রিল, ২০২৬ ১৬:২১
একদিনে হাম সন্দেহে আক্রান্ত হয়েছেন এক হাজার ২৩৬ জন এবং নিশ্চিত হামে আক্রান্ত হয়েছেন ২২৪ জন। একই সময়ে হাম সন্দেহে ১০ জনের মৃত্যু হয়েছে এবং নিশ্চিত হামে এক জনের মৃত্যু হয়েছে।
মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কন্ট্রোলরুম থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
এতে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় সন্দেহজনক হামরোগীর সংখ্যা এক হাজার ২৩৬ জন এবং গত ১৫ মার্চ থেকে ৭ এপ্রিল পর্যন্ত সন্দেহজনক হামরোগীর সংখ্যা নয় হাজার ৮৮৩ জন।
গত ২৪ ঘণ্টায় নিশ্চিত হামরোগীর সংখ্যা ২২৪ জন, গত ১৫ মার্চ থেকে ৭ এপ্রিল পর্যন্ত নিশ্চিত হামরোগীর সংখ্যা এক হাজার ৩৯৮ জন।
১৫ মার্চ থেকে ৭ এপ্রিল পর্যন্ত সন্দেহজনক হাম রোগে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ছয় হাজার ৮৮৩ জন।
একই সময়ে সুস্থ হয়ে ছাড় পেয়েছেন চার হাজার ৬৩৫ জন।
মৃত্যুর হিসেবে গত ২৪ ঘণ্টায় হাম সন্দেহে সবচেয়ে বেশি ছয় জনের মৃত্যু হয়েছে ঢাকা বিভাগে।
একই সময়ে জেলার তালিকাতেও ঢাকায় সর্বোচ্চ ছয় জনের মৃত্যু হয়েছে।
গত ২৪ ঘণ্টায় হামে নিশ্চিত এক জনের মৃত্যু হয়েছে এবং ১৫ মার্চ থেকে ৭ এপ্রিল পর্যন্ত নিশ্চিত হামে মৃত্যু হয়েছে ২১ জনের।
গত ২৪ ঘণ্টায় সন্দেহজনক হামে ১০ জনের মৃত্যু হয়েছে এবং ১৫ মার্চ থেকে ৭ এপ্রিল পর্যন্ত সন্দেহজনক হামে মৃত্যু হয়েছে ১২৮ জনের
বরিশাল টাইমস

০৭ এপ্রিল, ২০২৬ ১৫:৫৮
রাজধানীর লালবাগে বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সময় হত্যাচেষ্টা ও ভাঙচুরের ঘটনায় দায়ের করা মামলায় সাবেক স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরীকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।
মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) দুপুরে ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (সিএমএম) আদালতে তাকে হাজির করা হয়েছে। এ মামলায় তার দুই দিনের রিমান্ড আবেদন করবে পুলিশ।
সোমবার (৬ এপ্রিল) ভোর সাড়ে ৪টায় রাজধানীর ধানমন্ডির ৮/এ রোডের একটি বাসা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে আজ (মঙ্গলবার) দুপুর ১টা ৫৫ মিনিটে কড়া নিরাপত্তার মধ্যে তাকে আদালতের হাজতখানায় নেওয়া হয়। এ সময় আদালত প্রাঙ্গণে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়। এরপর তাকে ডিবি কার্যালয়ে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়।
মামলার বাদী মো. আশরাফুলের অভিযোগে, ২০২৪ সালের ১৮ জুলাই বিকেলে লালবাগ থানার আজিমপুর সরকারি কলোনিতে শান্তিপূর্ণ বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের ওপর সশস্ত্র হামলা চালানো হয়। এ মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও সাবেক সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরসহ একাধিক নেতাকে আসামি করা হয়েছে। শিরীন শারমিন চৌধুরী এ মামলার ৩ নম্বর আসামি।
ডিবির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, শিরীন শারমিনের বিরুদ্ধে আরও কয়েকটি মামলা রয়েছে এবং এগুলোর তদন্ত চলছে। ডিএমপির উপপুলিশ কমিশনার (মিডিয়া) এন এম নাসিরুদ্দিনও জানান, মামলাগুলো চলমান।
জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের প্রেক্ষাপটে দলটির শীর্ষ নেতাদের অনেকেই আত্মগোপনে চলে যান। সেই সময় থেকে শিরীন শারমিনকে প্রকাশ্যে দেখা যায়নি। তিনি ২০০৯ সালে সংরক্ষিত নারী আসনে সংসদ সদস্য হিসেবে রাজনীতিতে আসেন এবং ২০১৩ সালে দেশের প্রথম নারী স্পিকার নির্বাচিত হন। টানা তিন মেয়াদে তিনি স্পিকারের দায়িত্ব পালন করেন। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দেশত্যাগের পর ২ সেপ্টেম্বর তিনি স্পিকার পদ থেকে পদত্যাগ করেন।
ঝিনাইদহের কালীগঞ্জে ফিলিং স্টেশনগুলোতে তেল নেওয়াকে কেন্দ্র করে প্রতিদিনই ঘটছে অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা। বিশেষ করে শহরের কয়েকটি পাম্পে পরিস্থিতি এতটাই উত্তপ্ত হয়ে উঠছে যে তা নিয়ন্ত্রণে হিমশিম খাচ্ছে উপজেলা ও পুলিশ প্রশাসন।
তেল নিতে আসা সাধারণ মানুষ, বাইকার, ব্যবসায়ী ও চাকরিজীবীরা দীর্ঘ সময় লাইনে দাঁড়িয়েও তেল পাচ্ছে না। সব থেকে বেশি বিপাকে পড়ছে বিভিন্ন ওষুধ কোম্পানির প্রতিনিধিগণ। তাদের প্রতিদিনই বিভিন্ন বাজারে যেতে হয়। অন্যদিকে তথ্য সংগ্রহ করতে গিয়েও গণমাধ্যমেরকর্মীদের পড়তে হচ্ছে এসব সিন্ডিকেটের রোষানলে।
জানা যায়, এ উপজেলায় মোট ১১টি ফিলিং স্টেশন রয়েছে। এর মধ্যে ৯টিতে অকটেন, পেট্রোল ও ডিজেল সরবরাহ করা হয়। তেল সরবরাহ স্বাভাবিক থাকলেও বিতরণে হচ্ছে মারাত্মক বিশৃঙ্খলা। অভিযোগ রয়েছে, কিছু অসাধু বাইকার চালক ও ব্যবসায়ী বারবার তেল নিয়ে মজুত করছেন। কিছুক্ষণ পরই তারাই আবার লাইনে এসে দাঁড়ানোতে প্রকৃত গ্রাহকরা বঞ্চিত হচ্ছেন। এতেই বাড়ছে বিশৃঙ্খলা।
উপজেলার কেয়াবাগান প্রিন্স ফিলিং স্টেশনে তেল নিতে আসা বাইকার রাকিব হাসান বলেন, আমি প্রতিদিন অফিসে যাওয়ার জন্য বাইক ব্যবহার করি। কিন্তু তিনদিন ধরে লাইনে দাঁড়িয়েও তেল পাইনি। অথচ কিছু লোককে বারবার তেল নিতে দেখছি।
শহরের আয়েশা ফিলিং স্টেশনে আসা বাইকার সজীব রহমানের অভিযোগ, ফিলিং স্টেশনে গেলে আমাদের সাথে খারাপ ব্যবহার করা হয়। প্রতিবাদ করলে উল্টো ঝামেলায় পড়তে হয়।
এল কে প্রমাণিক ফিলিং স্টেশনে তেল নিতে আসা আরেক বাইকার মাহিম হোসেন বলেন, ভোর থেকে দুপুর পর্যন্ত লাইনে দাঁড়িয়ে থেকেও তেল পাইনি। পরে শুনি 'তেল শেষ'। কিন্তু ভেতরে ভেতরে তেল বিক্রি হচ্ছে। এই পরিস্থিতি আর সহ্য করা যাচ্ছে না। এটা স্পষ্ট একটা সিন্ডিকেটের কাজ। এর একটা স্থায়ী সমাধান হওয়া প্রয়োজন।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক দুই ফিলিং স্টেশনের ম্যানেজার ভিন্নমত প্রকাশ করে বলেন, আমরা সরকারি বরাদ্দ অনুযায়ী তেল সরবরাহ করছি। চাহিদা অনেক বেশি হওয়ায় সবাইকে দিতে পারছি না। অনেকেই অতিরিক্ত তেল নেওয়ার চেষ্টা করছে। তাদের নিয়ন্ত্রণ করার চেষ্টা করি।
কিন্তু ভিড়ের কারণে সব সময় সম্ভব হয় না। আমরা থানা পুলিশের উপস্থিতিতে সকাল ৭টা থেকে তেল দেওয়া শুরু করি। যতক্ষণ তেল স্টকে থাকছে ততক্ষণ আমরা তেল সারবরাহ করছি। দুপুর আনুমানিক ১২টা থেকে ১টার মধ্যেই তেল শেষ হয়ে যাচ্ছে। এরপর থেকেই বাইকার রা আবার লাইনে মোটরসাইকেল রেখে চলে যাচ্ছে। এর মধ্যেই ঘটছে অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা। আমারাও এর স্থায়ী সমাধান চাচ্ছি।
এদিকে তেল পাম্পের পরিস্থিতির চিত্র ধারণ করতে গেলে সাংবাদিকদের সাথেও দুর্ব্যবহার করা হচ্ছে বলে অভিযোগ আছে। ভিডিও ধারণ করতে গেলে তাদের হুমকি দেওয়াসহ সন্ত্রাসী আচরণের ঘটনাও ঘটছে। এ নিয়ে সচেতন মহলের ভাষ্য, বর্তমান পরিস্থিতির দ্রুত সমাধান না হলে জনদুর্ভোগ আরও বাড়বে বলে আশঙ্কা করছেন অনেকেই।
কালীগঞ্জ থানার ওসি জেল্লাল হোসেন বলেন, ফিলিং স্টেশনগুলোতে শৃঙ্খলা বজায় রাখতে আমরা নিয়মিত কাজ করছি। কোথাও অনিয়ম বা বিশৃঙ্খলা হলে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। তবে সবাইকে সচেতন হতে হবে এবং আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়া যাবে না।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রেজওয়ানা নাহিদ বলেন, সমস্যা নিরসন ও শৃঙ্খলা ফেরাতে দ্রুতই ব্যবস্থা নেওয়া হবে। বার বার তেল নেওয়া বাইকার সিন্ডিকেট ঠেকাতে ফিলিং স্টেশনগুলোতে অ্যাপস সিস্টেম ব্যবহার করে তেল প্রদানের প্রস্তুতি চলছে বলে জানান তিনি।
ঝিনাইদহের কালীগঞ্জে ফিলিং স্টেশনগুলোতে তেল নেওয়াকে কেন্দ্র করে প্রতিদিনই ঘটছে অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা। বিশেষ করে শহরের কয়েকটি পাম্পে পরিস্থিতি এতটাই উত্তপ্ত হয়ে উঠছে যে তা নিয়ন্ত্রণে হিমশিম খাচ্ছে উপজেলা ও পুলিশ প্রশাসন।
তেল নিতে আসা সাধারণ মানুষ, বাইকার, ব্যবসায়ী ও চাকরিজীবীরা দীর্ঘ সময় লাইনে দাঁড়িয়েও তেল পাচ্ছে না। সব থেকে বেশি বিপাকে পড়ছে বিভিন্ন ওষুধ কোম্পানির প্রতিনিধিগণ। তাদের প্রতিদিনই বিভিন্ন বাজারে যেতে হয়। অন্যদিকে তথ্য সংগ্রহ করতে গিয়েও গণমাধ্যমেরকর্মীদের পড়তে হচ্ছে এসব সিন্ডিকেটের রোষানলে।
জানা যায়, এ উপজেলায় মোট ১১টি ফিলিং স্টেশন রয়েছে। এর মধ্যে ৯টিতে অকটেন, পেট্রোল ও ডিজেল সরবরাহ করা হয়। তেল সরবরাহ স্বাভাবিক থাকলেও বিতরণে হচ্ছে মারাত্মক বিশৃঙ্খলা। অভিযোগ রয়েছে, কিছু অসাধু বাইকার চালক ও ব্যবসায়ী বারবার তেল নিয়ে মজুত করছেন। কিছুক্ষণ পরই তারাই আবার লাইনে এসে দাঁড়ানোতে প্রকৃত গ্রাহকরা বঞ্চিত হচ্ছেন। এতেই বাড়ছে বিশৃঙ্খলা।
উপজেলার কেয়াবাগান প্রিন্স ফিলিং স্টেশনে তেল নিতে আসা বাইকার রাকিব হাসান বলেন, আমি প্রতিদিন অফিসে যাওয়ার জন্য বাইক ব্যবহার করি। কিন্তু তিনদিন ধরে লাইনে দাঁড়িয়েও তেল পাইনি। অথচ কিছু লোককে বারবার তেল নিতে দেখছি।
শহরের আয়েশা ফিলিং স্টেশনে আসা বাইকার সজীব রহমানের অভিযোগ, ফিলিং স্টেশনে গেলে আমাদের সাথে খারাপ ব্যবহার করা হয়। প্রতিবাদ করলে উল্টো ঝামেলায় পড়তে হয়।
এল কে প্রমাণিক ফিলিং স্টেশনে তেল নিতে আসা আরেক বাইকার মাহিম হোসেন বলেন, ভোর থেকে দুপুর পর্যন্ত লাইনে দাঁড়িয়ে থেকেও তেল পাইনি। পরে শুনি 'তেল শেষ'। কিন্তু ভেতরে ভেতরে তেল বিক্রি হচ্ছে। এই পরিস্থিতি আর সহ্য করা যাচ্ছে না। এটা স্পষ্ট একটা সিন্ডিকেটের কাজ। এর একটা স্থায়ী সমাধান হওয়া প্রয়োজন।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক দুই ফিলিং স্টেশনের ম্যানেজার ভিন্নমত প্রকাশ করে বলেন, আমরা সরকারি বরাদ্দ অনুযায়ী তেল সরবরাহ করছি। চাহিদা অনেক বেশি হওয়ায় সবাইকে দিতে পারছি না। অনেকেই অতিরিক্ত তেল নেওয়ার চেষ্টা করছে। তাদের নিয়ন্ত্রণ করার চেষ্টা করি।
কিন্তু ভিড়ের কারণে সব সময় সম্ভব হয় না। আমরা থানা পুলিশের উপস্থিতিতে সকাল ৭টা থেকে তেল দেওয়া শুরু করি। যতক্ষণ তেল স্টকে থাকছে ততক্ষণ আমরা তেল সারবরাহ করছি। দুপুর আনুমানিক ১২টা থেকে ১টার মধ্যেই তেল শেষ হয়ে যাচ্ছে। এরপর থেকেই বাইকার রা আবার লাইনে মোটরসাইকেল রেখে চলে যাচ্ছে। এর মধ্যেই ঘটছে অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা। আমারাও এর স্থায়ী সমাধান চাচ্ছি।
এদিকে তেল পাম্পের পরিস্থিতির চিত্র ধারণ করতে গেলে সাংবাদিকদের সাথেও দুর্ব্যবহার করা হচ্ছে বলে অভিযোগ আছে। ভিডিও ধারণ করতে গেলে তাদের হুমকি দেওয়াসহ সন্ত্রাসী আচরণের ঘটনাও ঘটছে। এ নিয়ে সচেতন মহলের ভাষ্য, বর্তমান পরিস্থিতির দ্রুত সমাধান না হলে জনদুর্ভোগ আরও বাড়বে বলে আশঙ্কা করছেন অনেকেই।
কালীগঞ্জ থানার ওসি জেল্লাল হোসেন বলেন, ফিলিং স্টেশনগুলোতে শৃঙ্খলা বজায় রাখতে আমরা নিয়মিত কাজ করছি। কোথাও অনিয়ম বা বিশৃঙ্খলা হলে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। তবে সবাইকে সচেতন হতে হবে এবং আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়া যাবে না।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রেজওয়ানা নাহিদ বলেন, সমস্যা নিরসন ও শৃঙ্খলা ফেরাতে দ্রুতই ব্যবস্থা নেওয়া হবে। বার বার তেল নেওয়া বাইকার সিন্ডিকেট ঠেকাতে ফিলিং স্টেশনগুলোতে অ্যাপস সিস্টেম ব্যবহার করে তেল প্রদানের প্রস্তুতি চলছে বলে জানান তিনি।
একদিনে হাম সন্দেহে আক্রান্ত হয়েছেন এক হাজার ২৩৬ জন এবং নিশ্চিত হামে আক্রান্ত হয়েছেন ২২৪ জন। একই সময়ে হাম সন্দেহে ১০ জনের মৃত্যু হয়েছে এবং নিশ্চিত হামে এক জনের মৃত্যু হয়েছে।
মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কন্ট্রোলরুম থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
এতে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় সন্দেহজনক হামরোগীর সংখ্যা এক হাজার ২৩৬ জন এবং গত ১৫ মার্চ থেকে ৭ এপ্রিল পর্যন্ত সন্দেহজনক হামরোগীর সংখ্যা নয় হাজার ৮৮৩ জন।
গত ২৪ ঘণ্টায় নিশ্চিত হামরোগীর সংখ্যা ২২৪ জন, গত ১৫ মার্চ থেকে ৭ এপ্রিল পর্যন্ত নিশ্চিত হামরোগীর সংখ্যা এক হাজার ৩৯৮ জন।
১৫ মার্চ থেকে ৭ এপ্রিল পর্যন্ত সন্দেহজনক হাম রোগে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ছয় হাজার ৮৮৩ জন।
একই সময়ে সুস্থ হয়ে ছাড় পেয়েছেন চার হাজার ৬৩৫ জন।
মৃত্যুর হিসেবে গত ২৪ ঘণ্টায় হাম সন্দেহে সবচেয়ে বেশি ছয় জনের মৃত্যু হয়েছে ঢাকা বিভাগে।
একই সময়ে জেলার তালিকাতেও ঢাকায় সর্বোচ্চ ছয় জনের মৃত্যু হয়েছে।
গত ২৪ ঘণ্টায় হামে নিশ্চিত এক জনের মৃত্যু হয়েছে এবং ১৫ মার্চ থেকে ৭ এপ্রিল পর্যন্ত নিশ্চিত হামে মৃত্যু হয়েছে ২১ জনের।
গত ২৪ ঘণ্টায় সন্দেহজনক হামে ১০ জনের মৃত্যু হয়েছে এবং ১৫ মার্চ থেকে ৭ এপ্রিল পর্যন্ত সন্দেহজনক হামে মৃত্যু হয়েছে ১২৮ জনের
বরিশাল টাইমস
রাজধানীর লালবাগে বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সময় হত্যাচেষ্টা ও ভাঙচুরের ঘটনায় দায়ের করা মামলায় সাবেক স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরীকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।
মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) দুপুরে ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (সিএমএম) আদালতে তাকে হাজির করা হয়েছে। এ মামলায় তার দুই দিনের রিমান্ড আবেদন করবে পুলিশ।
সোমবার (৬ এপ্রিল) ভোর সাড়ে ৪টায় রাজধানীর ধানমন্ডির ৮/এ রোডের একটি বাসা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে আজ (মঙ্গলবার) দুপুর ১টা ৫৫ মিনিটে কড়া নিরাপত্তার মধ্যে তাকে আদালতের হাজতখানায় নেওয়া হয়। এ সময় আদালত প্রাঙ্গণে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়। এরপর তাকে ডিবি কার্যালয়ে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়।
মামলার বাদী মো. আশরাফুলের অভিযোগে, ২০২৪ সালের ১৮ জুলাই বিকেলে লালবাগ থানার আজিমপুর সরকারি কলোনিতে শান্তিপূর্ণ বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের ওপর সশস্ত্র হামলা চালানো হয়। এ মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও সাবেক সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরসহ একাধিক নেতাকে আসামি করা হয়েছে। শিরীন শারমিন চৌধুরী এ মামলার ৩ নম্বর আসামি।
ডিবির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, শিরীন শারমিনের বিরুদ্ধে আরও কয়েকটি মামলা রয়েছে এবং এগুলোর তদন্ত চলছে। ডিএমপির উপপুলিশ কমিশনার (মিডিয়া) এন এম নাসিরুদ্দিনও জানান, মামলাগুলো চলমান।
জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের প্রেক্ষাপটে দলটির শীর্ষ নেতাদের অনেকেই আত্মগোপনে চলে যান। সেই সময় থেকে শিরীন শারমিনকে প্রকাশ্যে দেখা যায়নি। তিনি ২০০৯ সালে সংরক্ষিত নারী আসনে সংসদ সদস্য হিসেবে রাজনীতিতে আসেন এবং ২০১৩ সালে দেশের প্রথম নারী স্পিকার নির্বাচিত হন। টানা তিন মেয়াদে তিনি স্পিকারের দায়িত্ব পালন করেন। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দেশত্যাগের পর ২ সেপ্টেম্বর তিনি স্পিকার পদ থেকে পদত্যাগ করেন।