Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.

২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ ১৯:৩০
বরিশালে যুবলীগ নেতা মাসুম খানকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। সোমবার (২৯ সেপ্টেম্বর) ভোরে ভাটারখাল সিটি মার্কেট এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। আটক মাসুম হলেন- বরিশাল সিটির ৮ নম্বর ওয়ার্ড যুবলীগের প্রচার সম্পাদক।
পরে বিএনপির অফিস ভাঙচুর এবং অগ্নিসংযোগ ও মহানগর বিএনপির সদস্য সচিব জিয়াউদ্দিন সিকদারকে হত্যা চেষ্টার পৃথক মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে সোপর্দ করা হলে বিচারক জেলে পাঠানোর আদেশ দেন।
অভিযোগ আছে লেবু মাসুম বহুমুখী সিটি মার্কেটের পাইকারি বাজারকে কেন্দ্র করে ব্যাপক ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করেছে, বাজারে ব্যাবসায়িদের জিম্মি করে চাঁদা নেয়া থেকে শুরু করে শ্রমিকদের নির্যাতন করতেন। আওয়ামী লীগের সক্রিয় কর্মী থাকা সত্ত্বেও, স্বৈরাচারী সরকার পতনের পর , বিএনপি নেতাদের ছত্রছায়ায় ফের বেপরোয়া হয়ে ওঠেন মাসুম ওরফে লেবু মাসুম।
এ তথ্য নিশ্চিত করে কোতোয়ালি মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মিজানুর রহমান বলেন, রাজনৈতিক মামলায় মাসুমকে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে।
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার আন্দোলনে অস্ত্রশস্ত্র ও মারাত্মক আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে হামলা চালায় আওয়ামী লীগ ও তাদের অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীরা।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, যুবলীগ নেতা মাসুম খান দেশীয় অস্ত্র নিয়ে ছাত্র-জনতার ওপর হামলা চালিয়েছিল। এ ঘটনার একাধিক ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পাওয়া গেছে। আত্মগোপনে থাকা আওয়ামী লীগের চিহ্নিত সন্ত্রাসী অসীম দেওয়ানের ডান হাত মাসুম ওরফে লেবু মাসুম।
বরিশালে যুবলীগ নেতা মাসুম খানকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। সোমবার (২৯ সেপ্টেম্বর) ভোরে ভাটারখাল সিটি মার্কেট এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। আটক মাসুম হলেন- বরিশাল সিটির ৮ নম্বর ওয়ার্ড যুবলীগের প্রচার সম্পাদক।
পরে বিএনপির অফিস ভাঙচুর এবং অগ্নিসংযোগ ও মহানগর বিএনপির সদস্য সচিব জিয়াউদ্দিন সিকদারকে হত্যা চেষ্টার পৃথক মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে সোপর্দ করা হলে বিচারক জেলে পাঠানোর আদেশ দেন।
অভিযোগ আছে লেবু মাসুম বহুমুখী সিটি মার্কেটের পাইকারি বাজারকে কেন্দ্র করে ব্যাপক ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করেছে, বাজারে ব্যাবসায়িদের জিম্মি করে চাঁদা নেয়া থেকে শুরু করে শ্রমিকদের নির্যাতন করতেন। আওয়ামী লীগের সক্রিয় কর্মী থাকা সত্ত্বেও, স্বৈরাচারী সরকার পতনের পর , বিএনপি নেতাদের ছত্রছায়ায় ফের বেপরোয়া হয়ে ওঠেন মাসুম ওরফে লেবু মাসুম।
এ তথ্য নিশ্চিত করে কোতোয়ালি মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মিজানুর রহমান বলেন, রাজনৈতিক মামলায় মাসুমকে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে।
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার আন্দোলনে অস্ত্রশস্ত্র ও মারাত্মক আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে হামলা চালায় আওয়ামী লীগ ও তাদের অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীরা।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, যুবলীগ নেতা মাসুম খান দেশীয় অস্ত্র নিয়ে ছাত্র-জনতার ওপর হামলা চালিয়েছিল। এ ঘটনার একাধিক ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পাওয়া গেছে। আত্মগোপনে থাকা আওয়ামী লীগের চিহ্নিত সন্ত্রাসী অসীম দেওয়ানের ডান হাত মাসুম ওরফে লেবু মাসুম।

১৮ মে, ২০২৬ ১৬:৪৬
বরিশাল শহরের পলাশপুরে আধিপত্য ও মাদক নিয়ে বিরোধে বাবু নামক যুবককে কুপিয়ে হত্যার মূলহোতা হৃদয় সরদার ওরফে মধুকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। খুনের তিনদিনের মাথায় সোমবার (১৮ মে) শহরের ২৩ নম্বর ওয়ার্ডের টিয়াখালীর একটি বাসা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। তিনি সেখানে আত্মগোপনে ছিলেন বলে জানিয়েছে মেট্রোপলিটন কাউনিয়া থানা পুলিশ।
পুলিশ জানায়, পলাশপুরে বাবু হত্যাকান্ডে পঁচিশোর্ধ্ব হৃদয় ওরফে মধু নেতৃত্ব দিয়েছেন। ঘটনাস্থলের আশপাশ থেকে সংরক্ষণ করা ভিডিওতে তাকেসহ বেশ কয়েকজনকে শনাক্ত করা হয়। তাদের মধ্যেকার দুজন মধুর সহযোগীকে শুক্রবার ঘটনার দিনই আটক করে পুলিশে সোপর্দ করে এলাকাবাসী।
কাউনিয়া থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সনজিত চন্দ্র নাথ জানান, শুক্রবার (১৫ মে) ফজরের নামাজের কিছুক্ষণ পরেই শহরের পলাশপুর তিন রাস্তার মোড়ে মৎস্য ব্যবসায়ী বাবুকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়, যার নেতৃত্ব দেন হৃদয় সরদার ওরফে টোকাই মধু। এই ঘটনায় ওই দিনই মধুর দুই সহযোগীকে পুলিশ আটক করে। তবে মধুসহ অধিকাংশ পলাতক ছিলেন।
রোববার রাতে তথ্যপ্রযুক্তির মাধ্যমে নিশ্চিত হয়ে শহরের ২৩ নম্বর ওয়ার্ডের টিয়াখালী এলাকার আরিফ সরদারের বাসা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। এই আরিফ সরদার সম্পর্কে মধুর চাচা বলে জানিয়েছে পুলিশ।
কাউনিয়া থানা পুলিশের সহকারি কমিশনার প্রদীপ কুমার জানান, গ্রেপ্তারের পর জিজ্ঞাসাবাদে মধু ব্যাপক তথ্য দিয়েছেন। আপাতত তাকে থানা হেফাজতে রেখে আরও জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। এই পুরো ঘটনায় মঙ্গলবার সংবাদ সম্মেলন করে মিডিয়ার কাছে বিস্তারিত তুলে ধরবেন মেট্রোপলিটন পুলিশের উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

১৮ মে, ২০২৬ ১৫:০৯
বরিশালের বানারীপাড়ায় বিশারকান্দি ইউনিয়নের কদমবাড়ী গ্রামে দু'হাতে বিয়ের মেহেদীর রঙ না মুছতেই মুনিয়া আক্তার (২২) নামের এক নববধূর রহস্যজনক মৃত্যু হয়েছে। তিনি ওই ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের কদমবাড়ী গ্রামের হাওলাদার বাড়ির প্রকৌশলী মেহেদী হাসানের (৩০) স্ত্রী। শনিবার (১৬ মে) দুপুরে এ ঘটনা ঘটে ।
জানা গেছে, মাত্র দুই মাস পূর্বে বানারীপাড়ার কদমবাড়ী গ্রামের বাদশা মিয়ার ছেলে সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার মেহেদী হাসানের সঙ্গে স্বরূপকাঠী উপজেলার সোহাগদল গ্রামের মোশারফ হোসেনের মেয়ে মুনিয়া আক্তারের পারিবারিকভাবে বিয়ে হয়েছিল।
ঘটনার পর থেকে স্বামীর পরিবারের পক্ষ থেকে বিষয়টিকে আত্মহত্যা বলে দাবি করা হয়। মেহেদী হাসানের পিতা-মাতা (মুনিয়ার শ্বশুর ও শাশুড়ি) জানান, ঘটনার দিন শনিবার সকাল থেকেই মুনিয়া সম্পূর্ণ স্বাভাবিক ছিলেন। তবে দুপুরের দিকে হঠাৎ করে ঘরের দরজা ভেতর থেকে বন্ধ দেখে তাদের সন্দেহ হয়।
বেশ কিছুক্ষণ ডাকাডাকি করে সাড়া না পেয়ে পরবর্তীতে দরজা ঘরের ভেতর মুনিয়াকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান তারা। তাৎক্ষণিকভাবে তাকে উদ্ধার করা হলেও ততক্ষণে তার মৃত্যু হয়। তারপরেও তাকে বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসকরা মৃত ঘোষণা করেন।
এদিকে, নিহতের ননদ তামান্না ঘটনাটিতে একটি ভিন্ন মাত্রা যোগ করেছেন। তিনি দাবি করেন, বিয়ের কিছুদিন পর একদিন মুনিয়া তার (তামান্না) সাথে একই রুমে একত্রে ঘুমিয়েছিলেন।
ওই রাতে ঘুমের মধ্যে আচমকাই মুনিয়া তার গলা চেপে ধরেন। এই ঘটনার সূত্র ধরে তামান্না ও তার পরিবারের দাবি—মুনিয়া সম্ভবত কোনো তীব্র মানসিক সমস্যায় ভুগছিলেন। রোববার (১৭ মে ) বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ময়না তদন্ত সম্পন্ন শেষে বাবার কাছে মুনিয়ার মরদেহ হস্তান্তর করা হয়েছে।
বানারীপাড়া থানার ওসি মোঃ মজিবুর রহমান বলেন, এ বিষয়ে মুনিয়ার পরিবারের কোন অভিযোগ নেই ,তার বাবা বাদী হয়ে মেয়ে স্বেচ্ছায় আত্মহত্যা করেছে মর্মে থানায় ইউডি মামলা করেছেন।

১৮ মে, ২০২৬ ১৪:৫৯
বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে (ববি) প্রকৌশল দপ্তরের সহকারী প্রকৌশলী মো. মামুন অর রশিদের ওপর চেয়ার ছুড়ে মারার অভিযোগ উঠেছে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের ১ নম্বর সহ-সভাপতি মিনহাজুল ইসলাম (মিনহাজ সাগর)-এর বিরুদ্ধে। তবে অভিযুক্ত ছাত্রনেতা অভিযোগটি অস্বীকার করেছেন।
গতকাল রোববার (১৭ মে) বিকেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রকৌশল দপ্তরে এ ঘটনা ঘটে । খোঁজ নিয়ে জানা যায়, একটি ঠিকাদারি কাজের বিল দ্রুত পাইয়ে দেওয়ার তদবিরকে কেন্দ্র করেই এ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়।
প্রকৌশল দপ্তর ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্র জানায়, কিছুদিন আগে ঠিকাদার সাইফুল মুন্সি বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজয় চব্বিশ হলের প্রভোস্ট কক্ষ ও অজুখানার বৈদ্যুতিক লাইনের কাজ সম্পন্ন করেন।
ওই কাজের বিল উত্তোলনের বিষয়ে তদবির করতে ঠিকাদারকে সঙ্গে নিয়ে সহকারী প্রকৌশলী মামুন অর রশিদের কক্ষে যান ছাত্রদল নেতা মিনহাজুল ইসলাম।
এ সময় বিল ছাড়ে বিলম্ব কেন হচ্ছে, এ বিষয়ে তিনি ব্যাখ্যা চান এবং দ্রুত বিল দেওয়ার জন্য চাপ দেন বলে অভিযোগ ওঠে।
জবাবে সহকারী প্রকৌশলী মামুন আর রশিদ জানান, সরকারি বিধি ও নির্ধারিত প্রক্রিয়া অনুসারেই বিল পরিশোধ করা হবে।
অভিযোগ রয়েছে এ সময়ে, এই বক্তব্যে ক্ষিপ্ত হয়ে মিনহাজুল ইসলাম কক্ষে থাকা একটি চেয়ার তুলে সহকারী প্রকৌশলীকে লক্ষ্য করে ছুড়ে মারেন।
ঘটনাস্থলে উপস্থিত বিশ্ববিদ্যালয়ের এক কর্মকর্তা জানান, প্রথমে তিনি চেয়ারটি ঠেকিয়ে দিলেও পরে দরজার পাশে থাকা আরেকটি চেয়ার দিয়ে সহকারী প্রকৌশলীকে আঘাত করা হয়।
ভুক্তভোগী সহকারী প্রকৌশলী মামুন আর রশীদ বলেন,“ছাত্রদল সহ-সভাপতি মিনহাজ সাগর ঠিকাদারের বিল দ্রুত দেওয়ার জন্য চাপ দেন।
আমি তাকে জানাই যে, বিল নিয়ম অনুযায়ী প্রক্রিয়াকরণ হবে এবং দপ্তর প্রধানের সঙ্গে কথা বলতে বলি। এতে তিনি ক্ষিপ্ত হয়ে আমাকে চেয়ার ছুড়ে মারেন এবং যাওয়ার সময় হুমকিও দেন। ঘটনার পর থেকে আমি নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি।”
অন্যদিকে অভিযোগ অস্বীকার করে ছাত্রদল নেতা মিনহাজুল ইসলাম বলেন,“আমি শুধু বিলের বিষয়ে কথা বলতে গিয়েছিলাম। দ্রুত বিল দেওয়ার অনুরোধ করি।
কিন্তু প্রকৌশলী মামুন উল্টো আমার পরিচয় জানতে চান এবং বলেন, ‘আমি কে?’এতে আমি অপমানবোধ করি এবং কক্ষ থেকে বের হয়ে আসি। চেয়ার ছোড়ার মতো কোনো ঘটনা ঘটেনি।”
বরিশাল শহরের পলাশপুরে আধিপত্য ও মাদক নিয়ে বিরোধে বাবু নামক যুবককে কুপিয়ে হত্যার মূলহোতা হৃদয় সরদার ওরফে মধুকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। খুনের তিনদিনের মাথায় সোমবার (১৮ মে) শহরের ২৩ নম্বর ওয়ার্ডের টিয়াখালীর একটি বাসা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। তিনি সেখানে আত্মগোপনে ছিলেন বলে জানিয়েছে মেট্রোপলিটন কাউনিয়া থানা পুলিশ।
পুলিশ জানায়, পলাশপুরে বাবু হত্যাকান্ডে পঁচিশোর্ধ্ব হৃদয় ওরফে মধু নেতৃত্ব দিয়েছেন। ঘটনাস্থলের আশপাশ থেকে সংরক্ষণ করা ভিডিওতে তাকেসহ বেশ কয়েকজনকে শনাক্ত করা হয়। তাদের মধ্যেকার দুজন মধুর সহযোগীকে শুক্রবার ঘটনার দিনই আটক করে পুলিশে সোপর্দ করে এলাকাবাসী।
কাউনিয়া থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সনজিত চন্দ্র নাথ জানান, শুক্রবার (১৫ মে) ফজরের নামাজের কিছুক্ষণ পরেই শহরের পলাশপুর তিন রাস্তার মোড়ে মৎস্য ব্যবসায়ী বাবুকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়, যার নেতৃত্ব দেন হৃদয় সরদার ওরফে টোকাই মধু। এই ঘটনায় ওই দিনই মধুর দুই সহযোগীকে পুলিশ আটক করে। তবে মধুসহ অধিকাংশ পলাতক ছিলেন।
রোববার রাতে তথ্যপ্রযুক্তির মাধ্যমে নিশ্চিত হয়ে শহরের ২৩ নম্বর ওয়ার্ডের টিয়াখালী এলাকার আরিফ সরদারের বাসা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। এই আরিফ সরদার সম্পর্কে মধুর চাচা বলে জানিয়েছে পুলিশ।
কাউনিয়া থানা পুলিশের সহকারি কমিশনার প্রদীপ কুমার জানান, গ্রেপ্তারের পর জিজ্ঞাসাবাদে মধু ব্যাপক তথ্য দিয়েছেন। আপাতত তাকে থানা হেফাজতে রেখে আরও জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। এই পুরো ঘটনায় মঙ্গলবার সংবাদ সম্মেলন করে মিডিয়ার কাছে বিস্তারিত তুলে ধরবেন মেট্রোপলিটন পুলিশের উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
বরিশালের বানারীপাড়ায় বিশারকান্দি ইউনিয়নের কদমবাড়ী গ্রামে দু'হাতে বিয়ের মেহেদীর রঙ না মুছতেই মুনিয়া আক্তার (২২) নামের এক নববধূর রহস্যজনক মৃত্যু হয়েছে। তিনি ওই ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের কদমবাড়ী গ্রামের হাওলাদার বাড়ির প্রকৌশলী মেহেদী হাসানের (৩০) স্ত্রী। শনিবার (১৬ মে) দুপুরে এ ঘটনা ঘটে ।
জানা গেছে, মাত্র দুই মাস পূর্বে বানারীপাড়ার কদমবাড়ী গ্রামের বাদশা মিয়ার ছেলে সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার মেহেদী হাসানের সঙ্গে স্বরূপকাঠী উপজেলার সোহাগদল গ্রামের মোশারফ হোসেনের মেয়ে মুনিয়া আক্তারের পারিবারিকভাবে বিয়ে হয়েছিল।
ঘটনার পর থেকে স্বামীর পরিবারের পক্ষ থেকে বিষয়টিকে আত্মহত্যা বলে দাবি করা হয়। মেহেদী হাসানের পিতা-মাতা (মুনিয়ার শ্বশুর ও শাশুড়ি) জানান, ঘটনার দিন শনিবার সকাল থেকেই মুনিয়া সম্পূর্ণ স্বাভাবিক ছিলেন। তবে দুপুরের দিকে হঠাৎ করে ঘরের দরজা ভেতর থেকে বন্ধ দেখে তাদের সন্দেহ হয়।
বেশ কিছুক্ষণ ডাকাডাকি করে সাড়া না পেয়ে পরবর্তীতে দরজা ঘরের ভেতর মুনিয়াকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান তারা। তাৎক্ষণিকভাবে তাকে উদ্ধার করা হলেও ততক্ষণে তার মৃত্যু হয়। তারপরেও তাকে বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসকরা মৃত ঘোষণা করেন।
এদিকে, নিহতের ননদ তামান্না ঘটনাটিতে একটি ভিন্ন মাত্রা যোগ করেছেন। তিনি দাবি করেন, বিয়ের কিছুদিন পর একদিন মুনিয়া তার (তামান্না) সাথে একই রুমে একত্রে ঘুমিয়েছিলেন।
ওই রাতে ঘুমের মধ্যে আচমকাই মুনিয়া তার গলা চেপে ধরেন। এই ঘটনার সূত্র ধরে তামান্না ও তার পরিবারের দাবি—মুনিয়া সম্ভবত কোনো তীব্র মানসিক সমস্যায় ভুগছিলেন। রোববার (১৭ মে ) বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ময়না তদন্ত সম্পন্ন শেষে বাবার কাছে মুনিয়ার মরদেহ হস্তান্তর করা হয়েছে।
বানারীপাড়া থানার ওসি মোঃ মজিবুর রহমান বলেন, এ বিষয়ে মুনিয়ার পরিবারের কোন অভিযোগ নেই ,তার বাবা বাদী হয়ে মেয়ে স্বেচ্ছায় আত্মহত্যা করেছে মর্মে থানায় ইউডি মামলা করেছেন।
বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে (ববি) প্রকৌশল দপ্তরের সহকারী প্রকৌশলী মো. মামুন অর রশিদের ওপর চেয়ার ছুড়ে মারার অভিযোগ উঠেছে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের ১ নম্বর সহ-সভাপতি মিনহাজুল ইসলাম (মিনহাজ সাগর)-এর বিরুদ্ধে। তবে অভিযুক্ত ছাত্রনেতা অভিযোগটি অস্বীকার করেছেন।
গতকাল রোববার (১৭ মে) বিকেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রকৌশল দপ্তরে এ ঘটনা ঘটে । খোঁজ নিয়ে জানা যায়, একটি ঠিকাদারি কাজের বিল দ্রুত পাইয়ে দেওয়ার তদবিরকে কেন্দ্র করেই এ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়।
প্রকৌশল দপ্তর ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্র জানায়, কিছুদিন আগে ঠিকাদার সাইফুল মুন্সি বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজয় চব্বিশ হলের প্রভোস্ট কক্ষ ও অজুখানার বৈদ্যুতিক লাইনের কাজ সম্পন্ন করেন।
ওই কাজের বিল উত্তোলনের বিষয়ে তদবির করতে ঠিকাদারকে সঙ্গে নিয়ে সহকারী প্রকৌশলী মামুন অর রশিদের কক্ষে যান ছাত্রদল নেতা মিনহাজুল ইসলাম।
এ সময় বিল ছাড়ে বিলম্ব কেন হচ্ছে, এ বিষয়ে তিনি ব্যাখ্যা চান এবং দ্রুত বিল দেওয়ার জন্য চাপ দেন বলে অভিযোগ ওঠে।
জবাবে সহকারী প্রকৌশলী মামুন আর রশিদ জানান, সরকারি বিধি ও নির্ধারিত প্রক্রিয়া অনুসারেই বিল পরিশোধ করা হবে।
অভিযোগ রয়েছে এ সময়ে, এই বক্তব্যে ক্ষিপ্ত হয়ে মিনহাজুল ইসলাম কক্ষে থাকা একটি চেয়ার তুলে সহকারী প্রকৌশলীকে লক্ষ্য করে ছুড়ে মারেন।
ঘটনাস্থলে উপস্থিত বিশ্ববিদ্যালয়ের এক কর্মকর্তা জানান, প্রথমে তিনি চেয়ারটি ঠেকিয়ে দিলেও পরে দরজার পাশে থাকা আরেকটি চেয়ার দিয়ে সহকারী প্রকৌশলীকে আঘাত করা হয়।
ভুক্তভোগী সহকারী প্রকৌশলী মামুন আর রশীদ বলেন,“ছাত্রদল সহ-সভাপতি মিনহাজ সাগর ঠিকাদারের বিল দ্রুত দেওয়ার জন্য চাপ দেন।
আমি তাকে জানাই যে, বিল নিয়ম অনুযায়ী প্রক্রিয়াকরণ হবে এবং দপ্তর প্রধানের সঙ্গে কথা বলতে বলি। এতে তিনি ক্ষিপ্ত হয়ে আমাকে চেয়ার ছুড়ে মারেন এবং যাওয়ার সময় হুমকিও দেন। ঘটনার পর থেকে আমি নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি।”
অন্যদিকে অভিযোগ অস্বীকার করে ছাত্রদল নেতা মিনহাজুল ইসলাম বলেন,“আমি শুধু বিলের বিষয়ে কথা বলতে গিয়েছিলাম। দ্রুত বিল দেওয়ার অনুরোধ করি।
কিন্তু প্রকৌশলী মামুন উল্টো আমার পরিচয় জানতে চান এবং বলেন, ‘আমি কে?’এতে আমি অপমানবোধ করি এবং কক্ষ থেকে বের হয়ে আসি। চেয়ার ছোড়ার মতো কোনো ঘটনা ঘটেনি।”
১৮ মে, ২০২৬ ১৬:৪৬
১৮ মে, ২০২৬ ১৫:০৯
১৮ মে, ২০২৬ ১৪:৫৯
১৮ মে, ২০২৬ ১৪:৪৯