
০৪ মার্চ, ২০২৬ ০০:১১
বরিশাল শিক্ষা বোর্ডের এইচএসসি পরীক্ষার রেজিস্ট্রেশন কার্ডে প্রায় ৩৮ হাজার ছাত্রের লিঙ্গ ভুল করে ‘ফিমেল’ (নারী) লেখা হয়েছে। বোর্ডের প্রিন্ট করা রেজিস্ট্রেশন কার্ডে এ ধরনের ত্রুটি গেছে।
বোর্ড কর্তৃপক্ষ জানায়, কম্পিউটার অপারেটরের অসাবধানতা ও প্রোগ্রাম সেটিংসজনিত সমস্যার কারণে এ ভুল হয়েছে। এ ঘটনায় সংশ্লিষ্ট অপারেটরকে ইতোমধ্যে শোকজ করা হয়েছে।
বোর্ড সূত্রে জানা গেছে, এ বছর বরিশাল শিক্ষা বোর্ডের অধীনে মোট ৮১ হাজার ৮৩১ জন পরীক্ষার্থী রেজিস্ট্রেশন করেছেন। সাধারণ নিয়ম অনুযায়ী, প্রথম বর্ষে ভর্তি হওয়ার প্রায় ছয় মাস পর শিক্ষার্থীদের রেজিস্ট্রেশন সম্পন্ন হয় ও পরীক্ষা শুরুর অন্তত এক মাস আগে রেজিস্ট্রেশন কার্ড প্রিন্ট করা হয়। সেই অনুসারে কয়েক দিন আগে ঢাকা শিক্ষা বোর্ড থেকে পাঠানো তথ্যের ভিত্তিতে বরিশাল বোর্ড ৮১ হাজার ৮৩১টি রেজিস্ট্রেশন কার্ড প্রিন্ট করে। ইতোমধ্যে চার জেলার কলেজে কার্ড বিতরণও শুরু হয়েছিল।
তবে ঝালকাঠিসহ দুটি জেলায় কার্ড বিতরণের সময় প্রথমবার জেন্ডার ত্রুটি ধরা পড়ে। পরে জানা যায়, প্রায় ৩৮ হাজার পুরুষ পরীক্ষার্থীর জেন্ডারে ফিমেল উল্লেখ করা হয়েছে। বিষয়টি সামনে আসার পর শিক্ষার্থীরা উদ্বিগ্ন হয়ে কলেজ ও বোর্ড অফিসে ছুটছেন সংশোধনের জন্য, যা তাদের পরীক্ষার প্রস্তুতিতেও বিঘ্ন ঘটাচ্ছে।
এ ব্যাপারে বরিশাল শিক্ষা বোর্ডের পরিক্ষা নিয়ন্ত্রক জি এম শহিদুল ইসলাম বলেন, কম্পিউটার প্রোগ্রামের ভুল সেটিংসের কারণে এ ধরনের ত্রুটি ঘটেছে। এ ঘটনায় সংশ্লিষ্ট অপারেটরকে ইতোমধ্যে শোকজ করা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, তবে পরীক্ষা শুরুর আগেই ভুলটি ধরা পড়ায় সংশোধন করা এখন সহজ হয়েছে। শিক্ষার্থীদের কোনো হয়রানি ছাড়া আমরা বিনামূল্যে সংশোধন করে দিচ্ছি। কলেজ কর্তৃপক্ষ যোগাযোগ করলেই দ্রুত সমাধান দেওয়া হচ্ছে।
বরিশাল টাইমস
ছবি: বরিশাল টাইমস
বরিশাল শিক্ষা বোর্ডের এইচএসসি পরীক্ষার রেজিস্ট্রেশন কার্ডে প্রায় ৩৮ হাজার ছাত্রের লিঙ্গ ভুল করে ‘ফিমেল’ (নারী) লেখা হয়েছে। বোর্ডের প্রিন্ট করা রেজিস্ট্রেশন কার্ডে এ ধরনের ত্রুটি গেছে।
বোর্ড কর্তৃপক্ষ জানায়, কম্পিউটার অপারেটরের অসাবধানতা ও প্রোগ্রাম সেটিংসজনিত সমস্যার কারণে এ ভুল হয়েছে। এ ঘটনায় সংশ্লিষ্ট অপারেটরকে ইতোমধ্যে শোকজ করা হয়েছে।
বোর্ড সূত্রে জানা গেছে, এ বছর বরিশাল শিক্ষা বোর্ডের অধীনে মোট ৮১ হাজার ৮৩১ জন পরীক্ষার্থী রেজিস্ট্রেশন করেছেন। সাধারণ নিয়ম অনুযায়ী, প্রথম বর্ষে ভর্তি হওয়ার প্রায় ছয় মাস পর শিক্ষার্থীদের রেজিস্ট্রেশন সম্পন্ন হয় ও পরীক্ষা শুরুর অন্তত এক মাস আগে রেজিস্ট্রেশন কার্ড প্রিন্ট করা হয়। সেই অনুসারে কয়েক দিন আগে ঢাকা শিক্ষা বোর্ড থেকে পাঠানো তথ্যের ভিত্তিতে বরিশাল বোর্ড ৮১ হাজার ৮৩১টি রেজিস্ট্রেশন কার্ড প্রিন্ট করে। ইতোমধ্যে চার জেলার কলেজে কার্ড বিতরণও শুরু হয়েছিল।
তবে ঝালকাঠিসহ দুটি জেলায় কার্ড বিতরণের সময় প্রথমবার জেন্ডার ত্রুটি ধরা পড়ে। পরে জানা যায়, প্রায় ৩৮ হাজার পুরুষ পরীক্ষার্থীর জেন্ডারে ফিমেল উল্লেখ করা হয়েছে। বিষয়টি সামনে আসার পর শিক্ষার্থীরা উদ্বিগ্ন হয়ে কলেজ ও বোর্ড অফিসে ছুটছেন সংশোধনের জন্য, যা তাদের পরীক্ষার প্রস্তুতিতেও বিঘ্ন ঘটাচ্ছে।
এ ব্যাপারে বরিশাল শিক্ষা বোর্ডের পরিক্ষা নিয়ন্ত্রক জি এম শহিদুল ইসলাম বলেন, কম্পিউটার প্রোগ্রামের ভুল সেটিংসের কারণে এ ধরনের ত্রুটি ঘটেছে। এ ঘটনায় সংশ্লিষ্ট অপারেটরকে ইতোমধ্যে শোকজ করা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, তবে পরীক্ষা শুরুর আগেই ভুলটি ধরা পড়ায় সংশোধন করা এখন সহজ হয়েছে। শিক্ষার্থীদের কোনো হয়রানি ছাড়া আমরা বিনামূল্যে সংশোধন করে দিচ্ছি। কলেজ কর্তৃপক্ষ যোগাযোগ করলেই দ্রুত সমাধান দেওয়া হচ্ছে।
বরিশাল টাইমস

০৩ মার্চ, ২০২৬ ২৩:৪৭
মধ্যপ্রাচ্যে ইরান ও ইসরায়েলের মধ্যে চলমান সামরিক উত্তেজনা ক্রমেই বাড়ছে। যুক্তরাষ্ট্রের সম্পৃক্ততা ও আঞ্চলিক শক্তিগুলোর অবস্থান পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে। এর মধ্যেই উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং উন ইরানের প্রতি প্রকাশ্য সমর্থন জানিয়ে নতুন মাত্রা যোগ করেছেন। উত্তর কোরিয়ার পক্ষ থেকে দেওয়া এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, ‘ইরান যদি অনুরোধ করে তাহলে আমরা ইসরায়েলের বিরুদ্ধে ক্ষেপণাস্ত্র সরবরাহ করব। তাদের ধ্বংস করার জন্য একটি ক্ষেপণাস্ত্রই যথেষ্ট।’
এরই মধ্যে তার এ মন্তব্য আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নতুন করে উত্তেজনার সৃষ্টি করেছে।
ইসরায়েল প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ) জানিয়েছে, তারা রাতে তেহরানে নতুন করে হামলা চালিয়েছে। মার্কিন সামরিক সূত্রের দাবি, অভিযান শুরুর পর থেকে ইরানের ১ হাজার ২৫০টিরও বেশি লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানা হয়েছে।
এদিকে ইরানে নিহত মার্কিন সেনার সংখ্যা বেড়ে ৬ জনে দাঁড়িয়েছে বলে জানানো হয়েছে। সংঘর্ষের তীব্রতা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে উভয় পক্ষের বক্তব্যে উত্তেজনা প্রশমনের কোনো ইঙ্গিত মেলেনি।
রিয়াদের অবস্থিত মার্কিন দূতাবাসে দুটি ড্রোন হামলার দাবি করেছে ইরান। হতাহত বা ক্ষয়ক্ষতির বিষয়ে এখনো আনুষ্ঠানিক বিবৃতি দেওয়া হয়নি।
এ ছাড়া ইরানের বিপ্লবী গার্ড কর্পস জানিয়েছে, তারা দুবায়ের একটি এলাকায় হামলা চালিয়েছে, যেখানে মার্কিন সেনারা অবস্থান করছিল। প্রাথমিক প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, ঘটনাস্থলে মার্কিন নৌবাহিনীর সদস্যসহ বহু সেনা উপস্থিত ছিলেন। তবে মার্কিন কর্তৃপক্ষ এ দাবির সত্যতা এখনো নিশ্চিত করেনি।
বরিশাল টাইমস
মধ্যপ্রাচ্যে ইরান ও ইসরায়েলের মধ্যে চলমান সামরিক উত্তেজনা ক্রমেই বাড়ছে। যুক্তরাষ্ট্রের সম্পৃক্ততা ও আঞ্চলিক শক্তিগুলোর অবস্থান পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে। এর মধ্যেই উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং উন ইরানের প্রতি প্রকাশ্য সমর্থন জানিয়ে নতুন মাত্রা যোগ করেছেন। উত্তর কোরিয়ার পক্ষ থেকে দেওয়া এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, ‘ইরান যদি অনুরোধ করে তাহলে আমরা ইসরায়েলের বিরুদ্ধে ক্ষেপণাস্ত্র সরবরাহ করব। তাদের ধ্বংস করার জন্য একটি ক্ষেপণাস্ত্রই যথেষ্ট।’
এরই মধ্যে তার এ মন্তব্য আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নতুন করে উত্তেজনার সৃষ্টি করেছে।
ইসরায়েল প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ) জানিয়েছে, তারা রাতে তেহরানে নতুন করে হামলা চালিয়েছে। মার্কিন সামরিক সূত্রের দাবি, অভিযান শুরুর পর থেকে ইরানের ১ হাজার ২৫০টিরও বেশি লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানা হয়েছে।
এদিকে ইরানে নিহত মার্কিন সেনার সংখ্যা বেড়ে ৬ জনে দাঁড়িয়েছে বলে জানানো হয়েছে। সংঘর্ষের তীব্রতা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে উভয় পক্ষের বক্তব্যে উত্তেজনা প্রশমনের কোনো ইঙ্গিত মেলেনি।
রিয়াদের অবস্থিত মার্কিন দূতাবাসে দুটি ড্রোন হামলার দাবি করেছে ইরান। হতাহত বা ক্ষয়ক্ষতির বিষয়ে এখনো আনুষ্ঠানিক বিবৃতি দেওয়া হয়নি।
এ ছাড়া ইরানের বিপ্লবী গার্ড কর্পস জানিয়েছে, তারা দুবায়ের একটি এলাকায় হামলা চালিয়েছে, যেখানে মার্কিন সেনারা অবস্থান করছিল। প্রাথমিক প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, ঘটনাস্থলে মার্কিন নৌবাহিনীর সদস্যসহ বহু সেনা উপস্থিত ছিলেন। তবে মার্কিন কর্তৃপক্ষ এ দাবির সত্যতা এখনো নিশ্চিত করেনি।
বরিশাল টাইমস

০৩ মার্চ, ২০২৬ ২৩:২১
পথে পথে চাঁদাবাজি যেন সবজির দাম নিয়ন্ত্রণ করছে। যে বেগুন উৎপাদনে আড়ত পর্যায়ে ৩৭ টাকা, ঢাকায় এসে তা হয়ে যাচ্ছে ১শ’ টাকা। সব-ই যেন একটি চাঁদাবাজির শৃঙ্খলে আবদ্ধ।
৩শ’ বছরের ঐতিহ্যবাহী উত্তরের সবচেয়ে বড় সবজির বাজার বগুড়ার মহাস্থান হাটে সবজি আর কাঁচা তরকারি নিয়ে আসেন কৃষক। এখানেই ঠিক হয় দর। ধরণভেদে এক মন বেগুন বিক্রি হচ্ছে ১৪ থেকে ১৫শ’ টাকায়। কেজির হিসাব ধরলে তা ৩৫ থেকে ৩৭ টাকা। শসার দামও কেজিতে ৩৫ থেকে ৩৬ টাকা।
কৃষকের বিক্রি করা সবজি পাইকারি আর খুচরা বাজারে না গিয়ে খোদ হাটেই ধরিয়ে দেয়া হচ্ছে একটি স্লিপ। প্রতি মণের জন্য দিতে হচ্ছে ২০ টাকা চাঁদা। খাজনার নামে এই চাঁদা থেকে বাঁচতে কেউ কেউ সরাসরি মাঠ থেকে কৃষিপণ্য ট্রাকে তোলেন। তাতেও যেন রক্ষা নেই। এখানেও হাজির চাঁদা আদায়কারীরা।
একজন ব্যবসায়ী বলেন, বাজারের যে খরচটা দিবো এর থেকে চাঁদার পরিমাণটা বেশি। বাজারে পণ্য খালাস করার খরচ ৫শ’ টাকা কিন্ত চাঁদা দিতে হচ্ছে ১০০০ টাকা।
সবজি পরিবহনের কাজে নিয়োজিত ভোক্তভোগী ট্রাক চালক কাশেম বলেন, পথে পথে হুট করে ট্রাক দাঁড় করিয়ে একটি স্লিপ ধরিয়ে দিয়ে টাকা নেয়া হয়। তা না হলে কেউ যেতে পারে না।
শিবগঞ্জ উপজেলা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও ইজারাদার তাহেরুল ইসলামের নামে স্লিপে নেওয়া হচ্ছে টাকা। এ বিষয়ে জানতে চাইলে চাঁদার বিষয়টি অস্বীকার করে তিনি জানান, কোথায় সেটা? আমাদের লোকজন কোনো খাজনা আদায় করে না। আমার নামে কুৎসা রটাতে স্লিপ বানিয়ে এটা করা হতে পারে।
একই চিত্র সিরাজগঞ্জে-ও। ব্যবসায়ী কিংবা ট্রাক চালক, সকলের কাছ থেকেই নেওয়া হচ্ছে স্লিপ দিয়ে চাঁদা। এটি কী সমঝোতার চাঁদা, এই প্রশ্নের কোনো উত্তর মেলেনি।
এ বিষয়ে সিরাজগঞ্জের জেলা প্রশাসক আমিনুল ইসলাম বলেন, এখানে কোনো সমঝোতার বিষয় নেই। আমাদের কাছে এ বিষয়ে কেউ কোনো কিছু বলে নাই। আমরা এগুলোকে প্রশ্রয়ও দিচ্ছি না। আমাদের কথা হচ্ছে চাঁদাবাজি হলেই সেটা বন্ধ। এখানে সমঝোতা বলে কিছু নাই। যারা রাস্তায় বিভিন্ন জায়গায় টাকা সংগ্রহ করছে তারা চাঁদাবাজি করছে।
পথের চিত্র লক্ষ্য করতে গেলে দেখা যায়, সিরাজগঞ্জ থেকে ঢাকাগামী সবজির ট্রাক হতে গাজীপুর পার হতেই ব্রিজের দোহাই দিয়ে নেয়া হচ্ছে ট্রাক প্রতি দুইশ টাকা। সড়ক ও জনপদের টোল নামে ম্যানুয়ালি এ চাঁদা নেয়া হয় একেক সময় একেক স্পট থেকে।
ঢাকার পাইকারি আড়তে আসার পর নগরবাসীর জন্য পণ্যের দর ঠিক করেন আড়তদাররা। পথে পথে সমঝোতার চাঁদাবাজির ফলে সবজির দাম বেড়ে দ্বিগুণ, তিনগুণ।
প্রশ্ন আসে, হাটে-বাজারে-আড়তে-সড়কে আর মহাসড়কে চাঁদাবাজদের দৌরাত্ম্য কি কমেছে আদৌ? সমঝোতায় নেয়া টাকাকে চাঁদা বলতে না চাইলেও এর প্রভাব কি পণ্যমূল্যে পড়ে না? কতটা পড়ে?
বরিশাল টাইমস
পথে পথে চাঁদাবাজি যেন সবজির দাম নিয়ন্ত্রণ করছে। যে বেগুন উৎপাদনে আড়ত পর্যায়ে ৩৭ টাকা, ঢাকায় এসে তা হয়ে যাচ্ছে ১শ’ টাকা। সব-ই যেন একটি চাঁদাবাজির শৃঙ্খলে আবদ্ধ।
৩শ’ বছরের ঐতিহ্যবাহী উত্তরের সবচেয়ে বড় সবজির বাজার বগুড়ার মহাস্থান হাটে সবজি আর কাঁচা তরকারি নিয়ে আসেন কৃষক। এখানেই ঠিক হয় দর। ধরণভেদে এক মন বেগুন বিক্রি হচ্ছে ১৪ থেকে ১৫শ’ টাকায়। কেজির হিসাব ধরলে তা ৩৫ থেকে ৩৭ টাকা। শসার দামও কেজিতে ৩৫ থেকে ৩৬ টাকা।
কৃষকের বিক্রি করা সবজি পাইকারি আর খুচরা বাজারে না গিয়ে খোদ হাটেই ধরিয়ে দেয়া হচ্ছে একটি স্লিপ। প্রতি মণের জন্য দিতে হচ্ছে ২০ টাকা চাঁদা। খাজনার নামে এই চাঁদা থেকে বাঁচতে কেউ কেউ সরাসরি মাঠ থেকে কৃষিপণ্য ট্রাকে তোলেন। তাতেও যেন রক্ষা নেই। এখানেও হাজির চাঁদা আদায়কারীরা।
একজন ব্যবসায়ী বলেন, বাজারের যে খরচটা দিবো এর থেকে চাঁদার পরিমাণটা বেশি। বাজারে পণ্য খালাস করার খরচ ৫শ’ টাকা কিন্ত চাঁদা দিতে হচ্ছে ১০০০ টাকা।
সবজি পরিবহনের কাজে নিয়োজিত ভোক্তভোগী ট্রাক চালক কাশেম বলেন, পথে পথে হুট করে ট্রাক দাঁড় করিয়ে একটি স্লিপ ধরিয়ে দিয়ে টাকা নেয়া হয়। তা না হলে কেউ যেতে পারে না।
শিবগঞ্জ উপজেলা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও ইজারাদার তাহেরুল ইসলামের নামে স্লিপে নেওয়া হচ্ছে টাকা। এ বিষয়ে জানতে চাইলে চাঁদার বিষয়টি অস্বীকার করে তিনি জানান, কোথায় সেটা? আমাদের লোকজন কোনো খাজনা আদায় করে না। আমার নামে কুৎসা রটাতে স্লিপ বানিয়ে এটা করা হতে পারে।
একই চিত্র সিরাজগঞ্জে-ও। ব্যবসায়ী কিংবা ট্রাক চালক, সকলের কাছ থেকেই নেওয়া হচ্ছে স্লিপ দিয়ে চাঁদা। এটি কী সমঝোতার চাঁদা, এই প্রশ্নের কোনো উত্তর মেলেনি।
এ বিষয়ে সিরাজগঞ্জের জেলা প্রশাসক আমিনুল ইসলাম বলেন, এখানে কোনো সমঝোতার বিষয় নেই। আমাদের কাছে এ বিষয়ে কেউ কোনো কিছু বলে নাই। আমরা এগুলোকে প্রশ্রয়ও দিচ্ছি না। আমাদের কথা হচ্ছে চাঁদাবাজি হলেই সেটা বন্ধ। এখানে সমঝোতা বলে কিছু নাই। যারা রাস্তায় বিভিন্ন জায়গায় টাকা সংগ্রহ করছে তারা চাঁদাবাজি করছে।
পথের চিত্র লক্ষ্য করতে গেলে দেখা যায়, সিরাজগঞ্জ থেকে ঢাকাগামী সবজির ট্রাক হতে গাজীপুর পার হতেই ব্রিজের দোহাই দিয়ে নেয়া হচ্ছে ট্রাক প্রতি দুইশ টাকা। সড়ক ও জনপদের টোল নামে ম্যানুয়ালি এ চাঁদা নেয়া হয় একেক সময় একেক স্পট থেকে।
ঢাকার পাইকারি আড়তে আসার পর নগরবাসীর জন্য পণ্যের দর ঠিক করেন আড়তদাররা। পথে পথে সমঝোতার চাঁদাবাজির ফলে সবজির দাম বেড়ে দ্বিগুণ, তিনগুণ।
প্রশ্ন আসে, হাটে-বাজারে-আড়তে-সড়কে আর মহাসড়কে চাঁদাবাজদের দৌরাত্ম্য কি কমেছে আদৌ? সমঝোতায় নেয়া টাকাকে চাঁদা বলতে না চাইলেও এর প্রভাব কি পণ্যমূল্যে পড়ে না? কতটা পড়ে?
বরিশাল টাইমস

০৩ মার্চ, ২০২৬ ২৩:১১
সদ্যসাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়ার ব্যাংক হিসাব তলব করেছে বাংলাদেশ ফিন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (বিএফআইইউ)। সোমবার (২ মার্চ) বিকেলে বিএফআইইউর পক্ষ থেকে দেশের ৫৬টি তফসিলি ব্যাংক ও অন্যান্য নন-ব্যাংকিং আর্থিক প্রতিষ্ঠানে এ তলবনামা পাঠানো হয়।
ব্যাংকগুলোতে পাঠানো চিঠিতে আগামী তিন কর্মদিবসের মধ্যে আসিফ মাহমুদের ব্যক্তিগত অ্যাকাউন্টের সব তথ্য নথিভুক্ত করে বিএফআইইউতে পাঠানোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
ছাত্রজীবনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র অধিকার পরিষদের সভাপতি ছিলেন আসিফ মাহমুদ। তবে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়ক হিসেবে আলোচনায় আসেন। জুলাই অভ্যুত্থানে সামনের সারি থেকে নেতৃত্ব দেওয়া সমন্বয়কদের মধ্যে তিনি অন্যতম।
আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর ড. ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় এবং শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টার দায়িত্ব পান আসিফ। পরে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বও দেওয়া হয় তাকে।
উপদেষ্টা থাকাকালে ক্ষমতার অপব্যবহার এবং বিলাসী জীবনযাপনের অভিযোগে একাধিকবার সমালোচনার জন্ম দেন আসিফ মাহমুদ। কুমিল্লার মুরাদনগরের সন্তান আসিফ নিজ এলাকা থেকে নির্বাচন করতে উপদেষ্টার ক্ষমতার অপপ্রয়োগ করেছেন বলেও অভিযোগ ওঠে। এ ঘটনায় তার বিরুদ্ধে ওই এলাকায় বারবার আন্দোলন-বিক্ষোভও হয়েছে।
সদ্যসাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়ার ব্যাংক হিসাব তলব করেছে বাংলাদেশ ফিন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (বিএফআইইউ)। সোমবার (২ মার্চ) বিকেলে বিএফআইইউর পক্ষ থেকে দেশের ৫৬টি তফসিলি ব্যাংক ও অন্যান্য নন-ব্যাংকিং আর্থিক প্রতিষ্ঠানে এ তলবনামা পাঠানো হয়।
ব্যাংকগুলোতে পাঠানো চিঠিতে আগামী তিন কর্মদিবসের মধ্যে আসিফ মাহমুদের ব্যক্তিগত অ্যাকাউন্টের সব তথ্য নথিভুক্ত করে বিএফআইইউতে পাঠানোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
ছাত্রজীবনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র অধিকার পরিষদের সভাপতি ছিলেন আসিফ মাহমুদ। তবে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়ক হিসেবে আলোচনায় আসেন। জুলাই অভ্যুত্থানে সামনের সারি থেকে নেতৃত্ব দেওয়া সমন্বয়কদের মধ্যে তিনি অন্যতম।
আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর ড. ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় এবং শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টার দায়িত্ব পান আসিফ। পরে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বও দেওয়া হয় তাকে।
উপদেষ্টা থাকাকালে ক্ষমতার অপব্যবহার এবং বিলাসী জীবনযাপনের অভিযোগে একাধিকবার সমালোচনার জন্ম দেন আসিফ মাহমুদ। কুমিল্লার মুরাদনগরের সন্তান আসিফ নিজ এলাকা থেকে নির্বাচন করতে উপদেষ্টার ক্ষমতার অপপ্রয়োগ করেছেন বলেও অভিযোগ ওঠে। এ ঘটনায় তার বিরুদ্ধে ওই এলাকায় বারবার আন্দোলন-বিক্ষোভও হয়েছে।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.