Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.

১৪ নভেম্বর, ২০২৫ ১১:০৭
স্ত্রীর সাথে পরকীয়ার বিষয়টি জানতে পেরে চরম ক্ষুব্ধ হন স্বামী। কৌশলে পরকীয়া প্রেমিক তাপস চন্দ্র মন্ডলকে বাড়িতে দাওয়াত দিয়ে নিয়ে সহযোগিদের সহায়তায় স্ত্রীর পরকীয়া প্রেমিককে বেঁধে অমানুষিক নির্যাতন করে।
খবর পেয়ে স্থানীয়রা মুমূর্ষ অবস্থায় তাপস মন্ডলকে উদ্ধার করে প্রথমে উপজেলা হাসপাতালে ভর্তি করেন। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে আশঙ্কাজনক অবস্থায় পরিবারের লোকজনে তাপস মন্ডলকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন।
সেখানে টানা ২১ দিন চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাপস মন্ডল মৃত্যুবরন করেন। সে (তাপস) বরিশালের হিজলা উপজেলার গুয়াবাড়িয়া ইউনিয়নের কালিকাপুর গ্রামের মুক্তেশ্বর মন্ডলের ছেলে। দীর্ঘদিন থেকে তাপস মন্ডল মুলাদী উপজেলার চরকালেখান ইউনিয়ন পরিষদের উদ্যোক্তা হিসেবে কাজ করে আসছিলেন।
বৃহস্পতিবার (১৩ নভেম্বর) দিবাগত রাতে মুলাদী থানার ওসি মো. সফিকুল ইসলাম তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, এ বিষয়ে এখনও কেউ থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেননি। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
মৃত তাপসের বাবা মুক্তেশ্বর মন্ডল বলেন-আমার ছেলেকে বাড়িতে দাওয়াত দিয়ে নিয়ে অমানুষিক নির্যাতন করা হয়েছে। ওই নির্যাতনে গুরুত্বর আহত হয়ে টানা ২১দিন চিকিৎসাধীন অবস্থায় বুধবার দিবাগত রাত চারটার দিকে তাপসের মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় হত্যা মামলা দায়েরে করা হবে।
বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে, তাপস চন্দ্র মন্ডল চরকালেখান ইউনিয়ন পরিষদের উদ্যোক্তা হিসেবে কাজ করে আসছিলেন। সে সুবাধে তাপস মন্ডল নোমরহাট এলাকার বাসিন্দা জিতেন কুমার মন্ডলের ছেলে স্বপন মন্ডলের বাড়ির একটি ঘরে ভাড়ায় থাকতেন। ওই সুবাদে স্বপন মন্ডলের স্ত্রীর সাথে তাপসের পরকীয়া সম্পর্ক গড়ে ওঠে। বিষয়টি জানতে পেরে স্ত্রীর সাথে সম্পর্ক মেনে নিতে পারেননি স্বপন।
সূত্রে আরও জানা গেছে, গত অক্টোবর মাসে স্বপন মন্ডল ও তার লোকজনের সাথে তাপসের সালিশ বৈঠক হয়। পরে মুক্তেশ্বর মন্ডল তার ছেলেকে মালয়েশিয়া পাঠিয়ে দেয়। কিন্তু তাপস সেখানে ছয়দিন অবস্থান করে বাংলাদেশে ফিরে আসে।
মুক্তেশ্বর মন্ডল জানান, তাপসের দেশে ফেরার খবর পেয়ে স্বপন কয়েকজন লোক নিয়ে তাদের বাড়িতে গিয়ে নিজের ভুল স্বীকার করে তাপসকে তাদের বাড়িতে দাওয়াত দেন। তাপস গত ২৩ অক্টোবর রাতে স্বপনের বাড়িতে আসার পর পরই স্বপন ও তার লোকজনে তাপসের হাত-পা বেঁধে ফেলেন। পরবর্তীতে তাকে (তাপস) বেধরক পিটিয়ে মারাত্মক আহত করেন।
মুক্তেশ্বর মন্ডল অভিযোগ করে বলেন-নির্যাতনের একপর্যায়ে তাপস জল (পানি) পান করতে চাইলে তাকে কীটনাশক পান করানো হয়। এসময় তাপসের চিৎকারে পার্শ্ববর্তী বাড়ির লোকজনে বিষয়টি ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মিরাজুল ইসলাম সরদারকে জানান।
পরবর্তীতে ইউপি চেয়ারম্যান লোকজনের সহায়তায় তাপসকে উদ্ধার করে মুলাদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে ওইদিন রাতেই তাকে (তাপস) ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে ভর্তি করা হয়। সেখানে ২১দিন চিকিৎসাধীন থাকার পর বুধবার দিবাগত গভীর রাতে তাপসের মৃত্যু হয়।
মৃত তাপসের বাবা মুক্তেশ্বর মন্ডল বলেন, স্বপন মন্ডলের অনুরোধে তার বাড়িতে দাওয়াতে গিয়েছিলো তাপস। সেখানে যাওয়ার পর স্বপন মন্ডল ও তার লোকজনে অমানুষিক নির্যাতন করে মুখে বিষ ঢেলে তাপসকে হত্যা করেছে। এ ঘটনায় হত্যা মামলা দায়ের করা হবে।
চরকালেখান ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. মিরাজুল ইসলাম সরদার বলেন, গত ২৩ অক্টোবর স্বপন মন্ডলের বাড়ি থেকে তাপসকে উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানো হয়েছিলো। বিষয়টি থানা পুলিশকে তাৎক্ষণিক অবহিত করা হয়।
অভিযুক্ত স্বপন মন্ডল উদ্যোক্তা তাপসকে নির্যাতনের বিষয়টি অস্বীকার করে বলেন, তাপস বাড়িতে ঢোকার আগেই কীটনাশক পান করেছে। তাকে বাঁচাতে বমি করানোর চেষ্টা করা হয়েছিলো।
স্ত্রীর সাথে পরকীয়ার বিষয়টি জানতে পেরে চরম ক্ষুব্ধ হন স্বামী। কৌশলে পরকীয়া প্রেমিক তাপস চন্দ্র মন্ডলকে বাড়িতে দাওয়াত দিয়ে নিয়ে সহযোগিদের সহায়তায় স্ত্রীর পরকীয়া প্রেমিককে বেঁধে অমানুষিক নির্যাতন করে।
খবর পেয়ে স্থানীয়রা মুমূর্ষ অবস্থায় তাপস মন্ডলকে উদ্ধার করে প্রথমে উপজেলা হাসপাতালে ভর্তি করেন। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে আশঙ্কাজনক অবস্থায় পরিবারের লোকজনে তাপস মন্ডলকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন।
সেখানে টানা ২১ দিন চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাপস মন্ডল মৃত্যুবরন করেন। সে (তাপস) বরিশালের হিজলা উপজেলার গুয়াবাড়িয়া ইউনিয়নের কালিকাপুর গ্রামের মুক্তেশ্বর মন্ডলের ছেলে। দীর্ঘদিন থেকে তাপস মন্ডল মুলাদী উপজেলার চরকালেখান ইউনিয়ন পরিষদের উদ্যোক্তা হিসেবে কাজ করে আসছিলেন।
বৃহস্পতিবার (১৩ নভেম্বর) দিবাগত রাতে মুলাদী থানার ওসি মো. সফিকুল ইসলাম তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, এ বিষয়ে এখনও কেউ থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেননি। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
মৃত তাপসের বাবা মুক্তেশ্বর মন্ডল বলেন-আমার ছেলেকে বাড়িতে দাওয়াত দিয়ে নিয়ে অমানুষিক নির্যাতন করা হয়েছে। ওই নির্যাতনে গুরুত্বর আহত হয়ে টানা ২১দিন চিকিৎসাধীন অবস্থায় বুধবার দিবাগত রাত চারটার দিকে তাপসের মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় হত্যা মামলা দায়েরে করা হবে।
বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে, তাপস চন্দ্র মন্ডল চরকালেখান ইউনিয়ন পরিষদের উদ্যোক্তা হিসেবে কাজ করে আসছিলেন। সে সুবাধে তাপস মন্ডল নোমরহাট এলাকার বাসিন্দা জিতেন কুমার মন্ডলের ছেলে স্বপন মন্ডলের বাড়ির একটি ঘরে ভাড়ায় থাকতেন। ওই সুবাদে স্বপন মন্ডলের স্ত্রীর সাথে তাপসের পরকীয়া সম্পর্ক গড়ে ওঠে। বিষয়টি জানতে পেরে স্ত্রীর সাথে সম্পর্ক মেনে নিতে পারেননি স্বপন।
সূত্রে আরও জানা গেছে, গত অক্টোবর মাসে স্বপন মন্ডল ও তার লোকজনের সাথে তাপসের সালিশ বৈঠক হয়। পরে মুক্তেশ্বর মন্ডল তার ছেলেকে মালয়েশিয়া পাঠিয়ে দেয়। কিন্তু তাপস সেখানে ছয়দিন অবস্থান করে বাংলাদেশে ফিরে আসে।
মুক্তেশ্বর মন্ডল জানান, তাপসের দেশে ফেরার খবর পেয়ে স্বপন কয়েকজন লোক নিয়ে তাদের বাড়িতে গিয়ে নিজের ভুল স্বীকার করে তাপসকে তাদের বাড়িতে দাওয়াত দেন। তাপস গত ২৩ অক্টোবর রাতে স্বপনের বাড়িতে আসার পর পরই স্বপন ও তার লোকজনে তাপসের হাত-পা বেঁধে ফেলেন। পরবর্তীতে তাকে (তাপস) বেধরক পিটিয়ে মারাত্মক আহত করেন।
মুক্তেশ্বর মন্ডল অভিযোগ করে বলেন-নির্যাতনের একপর্যায়ে তাপস জল (পানি) পান করতে চাইলে তাকে কীটনাশক পান করানো হয়। এসময় তাপসের চিৎকারে পার্শ্ববর্তী বাড়ির লোকজনে বিষয়টি ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মিরাজুল ইসলাম সরদারকে জানান।
পরবর্তীতে ইউপি চেয়ারম্যান লোকজনের সহায়তায় তাপসকে উদ্ধার করে মুলাদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে ওইদিন রাতেই তাকে (তাপস) ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে ভর্তি করা হয়। সেখানে ২১দিন চিকিৎসাধীন থাকার পর বুধবার দিবাগত গভীর রাতে তাপসের মৃত্যু হয়।
মৃত তাপসের বাবা মুক্তেশ্বর মন্ডল বলেন, স্বপন মন্ডলের অনুরোধে তার বাড়িতে দাওয়াতে গিয়েছিলো তাপস। সেখানে যাওয়ার পর স্বপন মন্ডল ও তার লোকজনে অমানুষিক নির্যাতন করে মুখে বিষ ঢেলে তাপসকে হত্যা করেছে। এ ঘটনায় হত্যা মামলা দায়ের করা হবে।
চরকালেখান ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. মিরাজুল ইসলাম সরদার বলেন, গত ২৩ অক্টোবর স্বপন মন্ডলের বাড়ি থেকে তাপসকে উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানো হয়েছিলো। বিষয়টি থানা পুলিশকে তাৎক্ষণিক অবহিত করা হয়।
অভিযুক্ত স্বপন মন্ডল উদ্যোক্তা তাপসকে নির্যাতনের বিষয়টি অস্বীকার করে বলেন, তাপস বাড়িতে ঢোকার আগেই কীটনাশক পান করেছে। তাকে বাঁচাতে বমি করানোর চেষ্টা করা হয়েছিলো।

১৭ মার্চ, ২০২৬ ০০:৩৯
আজ ১৭ মার্চ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ১০৭তম জন্মদিন। ১৯২০ সালের এই দিনে ফরিদপুর জেলার তৎকালীন গোপালগঞ্জ মহকুমার টুঙ্গিপাড়া গ্রামে সম্ভ্রান্ত শেখ পরিবারে তিনি জন্মগ্রহণ করেন।
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন, ১৯৫৪ সালের যুক্তফ্রন্ট নির্বাচন, ১৯৬২ সালের শিক্ষা আন্দোলনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। ১৯৭১ সালে স্বাধীনতা অর্জনের পর তিনি প্রথমে বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি ও পরবর্তী সময়ে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেন।
ব্রিটিশ ভারত এবং পরবর্তী সময়ে পূর্ব পাকিস্তানে মানুষের অধিকার আদায়ের লক্ষ্যেও তিনি সোচ্চার ছিলেন। রাজনৈতিক জীবনে তাকে বহুবার কারাবরণ করতে হয়।
১৯৬৬ সালে তিনি ঐতিহাসিক ৬ দফা পেশ করেন। ১৯৬৮ সালে তাকে আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলার প্রধান আসামি করা হয়। ১৯৬৯ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি গণঅভ্যুত্থান ও জনগণের চাপের মুখে পাকিস্তান সরকার আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা প্রত্যাহার করে শেখ মুজিবসহ অন্যান্য আসামিকে মুক্তি দেয়। মুক্তিলাভের পর ছাত্র-জনতা শেখ মুজিবকে বঙ্গবন্ধু উপাধি দিয়ে সম্মানিত করেন। শিশুকালে ‘খোকা’ নামে পরিচিত মুজিবের ১৯৭১ সালে দেওয়া ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণ বিশ্বপ্রামাণ্য ঐতিহ্য হিসেবে স্বীকৃতি প্রদান করে ইউনেস্কো।
১৯৭০ সালের নির্বাচনে পাকিস্তানের সংখ্যাগরিষ্ঠ জনগণের ম্যান্ডেট লাভ করে আওয়ামী লীগ। কিন্তু পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠী ক্ষমতা হস্তান্তরে গড়িমসি চালায়। এ প্রেক্ষাপটে ১৯৭১ সালের মার্চে অসহযোগ আন্দোলন শুরু হয়। ওই বছরের ৭ মার্চ তৎকালীন রেসকোর্স ময়দানে (বর্তমান সোহরাওয়ার্দী উদ্যান) ঐতিহাসিক ভাষণ দেন বঙ্গবন্ধু। ২৫ মার্চ রাতে তিনি গ্রেপ্তার হয়ে মুক্তিযুদ্ধের ৯ মাস পাকিস্তানের কারাগারে ছিলেন। ১৯৭২ সালের ১০ জানুয়ারি তিনি পাকিস্তানের কারাগার থেকে মুক্তি পান। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট ধানমন্ডির বাসভবনে সপরিবারের নিহত হন বঙ্গবন্ধু।
২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকার পতনের পর গঠিত অন্তর্বর্তী সরকার দিনটির রাষ্ট্রীয় মর্যাদা ও সরকারি ছুটি বাতিল করে। সেইসঙ্গে ২০০৯ সাল থেকে শুরু হওয়া জাতীয় শিশু দিবস পালনও বন্ধ হয়ে যায়। পরিবর্তিত প্রেক্ষাপটে এবারও বঙ্গবন্ধুর জন্মদিন ঘিরে কোনো কর্মসূচি পালন হচ্ছে না।’

১৬ মার্চ, ২০২৬ ২০:২৪
বরিশালে ওষুধ কোম্পানি অপসোনিন ফার্মাসিউটিক্যালসের গ্লোবাল ক্যাপসুল কারখানায় অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। সোমবার (১৬ মার্চ) বিকেলে নগরীর রূপাতলী কারখানায় এই অগ্নিকাণ্ড ঘটে। পরে ফায়ার সার্ভিসের ৫টি ইউনিট ঘণ্টাব্যাপী চেষ্টা চালিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।
বরিশাল ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন অফিসার রবিউল ইসলাম জানান, কারখানার বয়লারের জ্বালানির জন্য কাঠের গুড়ি স্তূপ করে রাখা ছিল। অসাবধানতাবশত ওই কাঠের গুড়িতে আগুন লেগে যায়। ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা খবর পেয়ে ছুটে এসে দ্রুত আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। তবে কাঠের গুড়ি হওয়ায় পুরোপুরি নিভে যেতে সময় লাগবে।
রবিউল ইসলাম আরও বলেন, কী কারণে আগুনের সূত্রপাত ও কত টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে তা তাৎক্ষণিক জানা সম্ভব নয়, পরবর্তীতে তদন্ত সাপেক্ষে সঠিক তথ্য জানা যাবে।

১৬ মার্চ, ২০২৬ ২০:১৭
আজ ১৭ মার্চ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ১০৭তম জন্মদিন। ১৯২০ সালের এই দিনে ফরিদপুর জেলার তৎকালীন গোপালগঞ্জ মহকুমার টুঙ্গিপাড়া গ্রামে সম্ভ্রান্ত শেখ পরিবারে তিনি জন্মগ্রহণ করেন।
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন, ১৯৫৪ সালের যুক্তফ্রন্ট নির্বাচন, ১৯৬২ সালের শিক্ষা আন্দোলনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। ১৯৭১ সালে স্বাধীনতা অর্জনের পর তিনি প্রথমে বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি ও পরবর্তী সময়ে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেন।
ব্রিটিশ ভারত এবং পরবর্তী সময়ে পূর্ব পাকিস্তানে মানুষের অধিকার আদায়ের লক্ষ্যেও তিনি সোচ্চার ছিলেন। রাজনৈতিক জীবনে তাকে বহুবার কারাবরণ করতে হয়।
১৯৬৬ সালে তিনি ঐতিহাসিক ৬ দফা পেশ করেন। ১৯৬৮ সালে তাকে আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলার প্রধান আসামি করা হয়। ১৯৬৯ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি গণঅভ্যুত্থান ও জনগণের চাপের মুখে পাকিস্তান সরকার আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা প্রত্যাহার করে শেখ মুজিবসহ অন্যান্য আসামিকে মুক্তি দেয়। মুক্তিলাভের পর ছাত্র-জনতা শেখ মুজিবকে বঙ্গবন্ধু উপাধি দিয়ে সম্মানিত করেন। শিশুকালে ‘খোকা’ নামে পরিচিত মুজিবের ১৯৭১ সালে দেওয়া ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণ বিশ্বপ্রামাণ্য ঐতিহ্য হিসেবে স্বীকৃতি প্রদান করে ইউনেস্কো।
১৯৭০ সালের নির্বাচনে পাকিস্তানের সংখ্যাগরিষ্ঠ জনগণের ম্যান্ডেট লাভ করে আওয়ামী লীগ। কিন্তু পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠী ক্ষমতা হস্তান্তরে গড়িমসি চালায়। এ প্রেক্ষাপটে ১৯৭১ সালের মার্চে অসহযোগ আন্দোলন শুরু হয়। ওই বছরের ৭ মার্চ তৎকালীন রেসকোর্স ময়দানে (বর্তমান সোহরাওয়ার্দী উদ্যান) ঐতিহাসিক ভাষণ দেন বঙ্গবন্ধু। ২৫ মার্চ রাতে তিনি গ্রেপ্তার হয়ে মুক্তিযুদ্ধের ৯ মাস পাকিস্তানের কারাগারে ছিলেন। ১৯৭২ সালের ১০ জানুয়ারি তিনি পাকিস্তানের কারাগার থেকে মুক্তি পান। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট ধানমন্ডির বাসভবনে সপরিবারের নিহত হন বঙ্গবন্ধু।
২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকার পতনের পর গঠিত অন্তর্বর্তী সরকার দিনটির রাষ্ট্রীয় মর্যাদা ও সরকারি ছুটি বাতিল করে। সেইসঙ্গে ২০০৯ সাল থেকে শুরু হওয়া জাতীয় শিশু দিবস পালনও বন্ধ হয়ে যায়। পরিবর্তিত প্রেক্ষাপটে এবারও বঙ্গবন্ধুর জন্মদিন ঘিরে কোনো কর্মসূচি পালন হচ্ছে না।’
বরিশালে ওষুধ কোম্পানি অপসোনিন ফার্মাসিউটিক্যালসের গ্লোবাল ক্যাপসুল কারখানায় অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। সোমবার (১৬ মার্চ) বিকেলে নগরীর রূপাতলী কারখানায় এই অগ্নিকাণ্ড ঘটে। পরে ফায়ার সার্ভিসের ৫টি ইউনিট ঘণ্টাব্যাপী চেষ্টা চালিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।
বরিশাল ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন অফিসার রবিউল ইসলাম জানান, কারখানার বয়লারের জ্বালানির জন্য কাঠের গুড়ি স্তূপ করে রাখা ছিল। অসাবধানতাবশত ওই কাঠের গুড়িতে আগুন লেগে যায়। ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা খবর পেয়ে ছুটে এসে দ্রুত আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। তবে কাঠের গুড়ি হওয়ায় পুরোপুরি নিভে যেতে সময় লাগবে।
রবিউল ইসলাম আরও বলেন, কী কারণে আগুনের সূত্রপাত ও কত টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে তা তাৎক্ষণিক জানা সম্ভব নয়, পরবর্তীতে তদন্ত সাপেক্ষে সঠিক তথ্য জানা যাবে।
বরিশালের বাবুগঞ্জে কু-প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় ৯ বছর বয়সী এক শিশুকে পুড়িয়ে মারার অভিযোগ উঠেছে প্রতিবেশী কিশোরের বিরুদ্ধে। রোববার (১৫ মার্চ) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে অগ্নিসংযোগের পর রাত সাড়ে ১০টার দিকে ঢাকা শেখ হাসিনা বার্ন ইউনিটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
নিহত শিশু রাইসা বাবুগঞ্জ উপজেলার দেহেরগতি ইউনিয়নের চার নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা দিনমজুর নজরুল ইসলামের মেয়ে। সে স্থানীয় একটি মাদ্রাসার তৃতীয় শ্রেণির ছাত্রী বলে জানা গেছে।
মৃত্যুর আগে অগ্নিদগ্ধ রাইসার একটি ভিডিও বক্তব্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। সেখানে রাইসাকে বলতে শোনা যায়, আমারে খারাপ জিনিস কইছে, আমি হুনিনাই দেইখা শিফাত আমার গায় আগুন দিছে।
ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী স্থানীয় বাসিন্দা তসলিম জানান, রাইসারা এক ভাই, এক বোন। মা তাদের ফেলে রেখে অন্যত্র বিয়ে করেছেন। বড় ভাই ঢাকার একটি ফলের দোকানে চাকরি করেন। বাবা কাঠমিস্ত্রি।
তিনি বলেন, রাইসা স্থানীয় একটি মাদ্রাসার তৃতীয় শ্রেণিতে পড়ে। ঘটনার সময় ওর বাবা বাড়িতে ছিল না। দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে মানুষের ডাকাডাকি এবং রাইসার চিৎকার শুনে ওর ঘরের সামনে ছুটে যায়। দেখতে পাই সারা শরীরের দাউ দাউ করে আগুন জ্বলছে। দ্রুত এক বাতলি পানি মেরে আগুন নেভানোর চেষ্টা করি। পরে ওরে কোলে নিয়ে পাশে থাকা নদীতে ঝাঁপ দিয়ে আগুন নেভাই।
তসলিম বলেন, ‘রাইসাকে উদ্ধার করে যখন হাসপাতালে নিয়ে যাই তখন প্রতিবেশী জালাল সিকদারকে রাইসা দেখতে পায়। তখন রাইসা কাঁদতে কাঁদতে বলতে থাকে— জালাল সিকদারের ছেলে শিফাতের জন্য তার শরীরের আগুন লেগেছে।
তবে ঘটনার পর শিফাতকে ঘটনাস্থলের আশপাশে দেখা যায়নি। আদৌ কেউ ওর গায়ে আগুন দিয়েছে নাকি আগুন লেগেছে, অথবা নিজেই আগুন দিয়েছে কিনা আমার জানা নেই।
তসলিম জানান, ঘটনার পর রাইসাকে পার্শ্ববর্তী উজিরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাই। সেখান থেকে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।
অবস্থা খারাপ হওয়ায় সেখানেও তাকে না রেখে ঢাকা মেডিকেলের শেখ হাসিনা বার্ন ইউনিটে প্রেরণ করে। সেখানে পৌঁছাতে রাত হয়ে যায়। ভর্তি করে অপারেশন থিয়েটার পর্যন্ত যেতে ২ ঘণ্টা সময় লাগে।
চিকিৎসক জানান, রাইসার শরীরের ৮০ শতাংশ পুড়ে গেছে, অবস্থা ভালো না। এরপর অপারেশন থিয়েটারে নেওয়ার কিছুক্ষণ পরই চিকিৎসক জানান রাইসা মারা গেছে। তখন রাত সাড়ে ১০টার মতো বাজতে পারে। বর্তমানে রাইসার মরদেহ মর্গে রয়েছে।
বাবুগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ শেখ মো. এহতেশামুল ইসলাম বলেন, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এমন একটি ঘটনার ভিডিও দেখেছি। তবে এমন অভিযোগ নিয়ে কেউ থানায় আসেনি বা কেউ পুলিশকে জানায়নি। লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
বরিশালের বাবুগঞ্জে কু-প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় ৯ বছর বয়সী এক শিশুকে পুড়িয়ে মারার অভিযোগ উঠেছে প্রতিবেশী কিশোরের বিরুদ্ধে। রোববার (১৫ মার্চ) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে অগ্নিসংযোগের পর রাত সাড়ে ১০টার দিকে ঢাকা শেখ হাসিনা বার্ন ইউনিটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
নিহত শিশু রাইসা বাবুগঞ্জ উপজেলার দেহেরগতি ইউনিয়নের চার নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা দিনমজুর নজরুল ইসলামের মেয়ে। সে স্থানীয় একটি মাদ্রাসার তৃতীয় শ্রেণির ছাত্রী বলে জানা গেছে।
মৃত্যুর আগে অগ্নিদগ্ধ রাইসার একটি ভিডিও বক্তব্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। সেখানে রাইসাকে বলতে শোনা যায়, আমারে খারাপ জিনিস কইছে, আমি হুনিনাই দেইখা শিফাত আমার গায় আগুন দিছে।
ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী স্থানীয় বাসিন্দা তসলিম জানান, রাইসারা এক ভাই, এক বোন। মা তাদের ফেলে রেখে অন্যত্র বিয়ে করেছেন। বড় ভাই ঢাকার একটি ফলের দোকানে চাকরি করেন। বাবা কাঠমিস্ত্রি।
তিনি বলেন, রাইসা স্থানীয় একটি মাদ্রাসার তৃতীয় শ্রেণিতে পড়ে। ঘটনার সময় ওর বাবা বাড়িতে ছিল না। দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে মানুষের ডাকাডাকি এবং রাইসার চিৎকার শুনে ওর ঘরের সামনে ছুটে যায়। দেখতে পাই সারা শরীরের দাউ দাউ করে আগুন জ্বলছে। দ্রুত এক বাতলি পানি মেরে আগুন নেভানোর চেষ্টা করি। পরে ওরে কোলে নিয়ে পাশে থাকা নদীতে ঝাঁপ দিয়ে আগুন নেভাই।
তসলিম বলেন, ‘রাইসাকে উদ্ধার করে যখন হাসপাতালে নিয়ে যাই তখন প্রতিবেশী জালাল সিকদারকে রাইসা দেখতে পায়। তখন রাইসা কাঁদতে কাঁদতে বলতে থাকে— জালাল সিকদারের ছেলে শিফাতের জন্য তার শরীরের আগুন লেগেছে।
তবে ঘটনার পর শিফাতকে ঘটনাস্থলের আশপাশে দেখা যায়নি। আদৌ কেউ ওর গায়ে আগুন দিয়েছে নাকি আগুন লেগেছে, অথবা নিজেই আগুন দিয়েছে কিনা আমার জানা নেই।
তসলিম জানান, ঘটনার পর রাইসাকে পার্শ্ববর্তী উজিরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাই। সেখান থেকে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।
অবস্থা খারাপ হওয়ায় সেখানেও তাকে না রেখে ঢাকা মেডিকেলের শেখ হাসিনা বার্ন ইউনিটে প্রেরণ করে। সেখানে পৌঁছাতে রাত হয়ে যায়। ভর্তি করে অপারেশন থিয়েটার পর্যন্ত যেতে ২ ঘণ্টা সময় লাগে।
চিকিৎসক জানান, রাইসার শরীরের ৮০ শতাংশ পুড়ে গেছে, অবস্থা ভালো না। এরপর অপারেশন থিয়েটারে নেওয়ার কিছুক্ষণ পরই চিকিৎসক জানান রাইসা মারা গেছে। তখন রাত সাড়ে ১০টার মতো বাজতে পারে। বর্তমানে রাইসার মরদেহ মর্গে রয়েছে।
বাবুগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ শেখ মো. এহতেশামুল ইসলাম বলেন, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এমন একটি ঘটনার ভিডিও দেখেছি। তবে এমন অভিযোগ নিয়ে কেউ থানায় আসেনি বা কেউ পুলিশকে জানায়নি। লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।