
১৪ নভেম্বর, ২০২৫ ১১:০৭
স্ত্রীর সাথে পরকীয়ার বিষয়টি জানতে পেরে চরম ক্ষুব্ধ হন স্বামী। কৌশলে পরকীয়া প্রেমিক তাপস চন্দ্র মন্ডলকে বাড়িতে দাওয়াত দিয়ে নিয়ে সহযোগিদের সহায়তায় স্ত্রীর পরকীয়া প্রেমিককে বেঁধে অমানুষিক নির্যাতন করে।
খবর পেয়ে স্থানীয়রা মুমূর্ষ অবস্থায় তাপস মন্ডলকে উদ্ধার করে প্রথমে উপজেলা হাসপাতালে ভর্তি করেন। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে আশঙ্কাজনক অবস্থায় পরিবারের লোকজনে তাপস মন্ডলকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন।
সেখানে টানা ২১ দিন চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাপস মন্ডল মৃত্যুবরন করেন। সে (তাপস) বরিশালের হিজলা উপজেলার গুয়াবাড়িয়া ইউনিয়নের কালিকাপুর গ্রামের মুক্তেশ্বর মন্ডলের ছেলে। দীর্ঘদিন থেকে তাপস মন্ডল মুলাদী উপজেলার চরকালেখান ইউনিয়ন পরিষদের উদ্যোক্তা হিসেবে কাজ করে আসছিলেন।
বৃহস্পতিবার (১৩ নভেম্বর) দিবাগত রাতে মুলাদী থানার ওসি মো. সফিকুল ইসলাম তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, এ বিষয়ে এখনও কেউ থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেননি। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
মৃত তাপসের বাবা মুক্তেশ্বর মন্ডল বলেন-আমার ছেলেকে বাড়িতে দাওয়াত দিয়ে নিয়ে অমানুষিক নির্যাতন করা হয়েছে। ওই নির্যাতনে গুরুত্বর আহত হয়ে টানা ২১দিন চিকিৎসাধীন অবস্থায় বুধবার দিবাগত রাত চারটার দিকে তাপসের মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় হত্যা মামলা দায়েরে করা হবে।
বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে, তাপস চন্দ্র মন্ডল চরকালেখান ইউনিয়ন পরিষদের উদ্যোক্তা হিসেবে কাজ করে আসছিলেন। সে সুবাধে তাপস মন্ডল নোমরহাট এলাকার বাসিন্দা জিতেন কুমার মন্ডলের ছেলে স্বপন মন্ডলের বাড়ির একটি ঘরে ভাড়ায় থাকতেন। ওই সুবাদে স্বপন মন্ডলের স্ত্রীর সাথে তাপসের পরকীয়া সম্পর্ক গড়ে ওঠে। বিষয়টি জানতে পেরে স্ত্রীর সাথে সম্পর্ক মেনে নিতে পারেননি স্বপন।
সূত্রে আরও জানা গেছে, গত অক্টোবর মাসে স্বপন মন্ডল ও তার লোকজনের সাথে তাপসের সালিশ বৈঠক হয়। পরে মুক্তেশ্বর মন্ডল তার ছেলেকে মালয়েশিয়া পাঠিয়ে দেয়। কিন্তু তাপস সেখানে ছয়দিন অবস্থান করে বাংলাদেশে ফিরে আসে।
মুক্তেশ্বর মন্ডল জানান, তাপসের দেশে ফেরার খবর পেয়ে স্বপন কয়েকজন লোক নিয়ে তাদের বাড়িতে গিয়ে নিজের ভুল স্বীকার করে তাপসকে তাদের বাড়িতে দাওয়াত দেন। তাপস গত ২৩ অক্টোবর রাতে স্বপনের বাড়িতে আসার পর পরই স্বপন ও তার লোকজনে তাপসের হাত-পা বেঁধে ফেলেন। পরবর্তীতে তাকে (তাপস) বেধরক পিটিয়ে মারাত্মক আহত করেন।
মুক্তেশ্বর মন্ডল অভিযোগ করে বলেন-নির্যাতনের একপর্যায়ে তাপস জল (পানি) পান করতে চাইলে তাকে কীটনাশক পান করানো হয়। এসময় তাপসের চিৎকারে পার্শ্ববর্তী বাড়ির লোকজনে বিষয়টি ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মিরাজুল ইসলাম সরদারকে জানান।
পরবর্তীতে ইউপি চেয়ারম্যান লোকজনের সহায়তায় তাপসকে উদ্ধার করে মুলাদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে ওইদিন রাতেই তাকে (তাপস) ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে ভর্তি করা হয়। সেখানে ২১দিন চিকিৎসাধীন থাকার পর বুধবার দিবাগত গভীর রাতে তাপসের মৃত্যু হয়।
মৃত তাপসের বাবা মুক্তেশ্বর মন্ডল বলেন, স্বপন মন্ডলের অনুরোধে তার বাড়িতে দাওয়াতে গিয়েছিলো তাপস। সেখানে যাওয়ার পর স্বপন মন্ডল ও তার লোকজনে অমানুষিক নির্যাতন করে মুখে বিষ ঢেলে তাপসকে হত্যা করেছে। এ ঘটনায় হত্যা মামলা দায়ের করা হবে।
চরকালেখান ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. মিরাজুল ইসলাম সরদার বলেন, গত ২৩ অক্টোবর স্বপন মন্ডলের বাড়ি থেকে তাপসকে উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানো হয়েছিলো। বিষয়টি থানা পুলিশকে তাৎক্ষণিক অবহিত করা হয়।
অভিযুক্ত স্বপন মন্ডল উদ্যোক্তা তাপসকে নির্যাতনের বিষয়টি অস্বীকার করে বলেন, তাপস বাড়িতে ঢোকার আগেই কীটনাশক পান করেছে। তাকে বাঁচাতে বমি করানোর চেষ্টা করা হয়েছিলো।
স্ত্রীর সাথে পরকীয়ার বিষয়টি জানতে পেরে চরম ক্ষুব্ধ হন স্বামী। কৌশলে পরকীয়া প্রেমিক তাপস চন্দ্র মন্ডলকে বাড়িতে দাওয়াত দিয়ে নিয়ে সহযোগিদের সহায়তায় স্ত্রীর পরকীয়া প্রেমিককে বেঁধে অমানুষিক নির্যাতন করে।
খবর পেয়ে স্থানীয়রা মুমূর্ষ অবস্থায় তাপস মন্ডলকে উদ্ধার করে প্রথমে উপজেলা হাসপাতালে ভর্তি করেন। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে আশঙ্কাজনক অবস্থায় পরিবারের লোকজনে তাপস মন্ডলকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন।
সেখানে টানা ২১ দিন চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাপস মন্ডল মৃত্যুবরন করেন। সে (তাপস) বরিশালের হিজলা উপজেলার গুয়াবাড়িয়া ইউনিয়নের কালিকাপুর গ্রামের মুক্তেশ্বর মন্ডলের ছেলে। দীর্ঘদিন থেকে তাপস মন্ডল মুলাদী উপজেলার চরকালেখান ইউনিয়ন পরিষদের উদ্যোক্তা হিসেবে কাজ করে আসছিলেন।
বৃহস্পতিবার (১৩ নভেম্বর) দিবাগত রাতে মুলাদী থানার ওসি মো. সফিকুল ইসলাম তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, এ বিষয়ে এখনও কেউ থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেননি। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
মৃত তাপসের বাবা মুক্তেশ্বর মন্ডল বলেন-আমার ছেলেকে বাড়িতে দাওয়াত দিয়ে নিয়ে অমানুষিক নির্যাতন করা হয়েছে। ওই নির্যাতনে গুরুত্বর আহত হয়ে টানা ২১দিন চিকিৎসাধীন অবস্থায় বুধবার দিবাগত রাত চারটার দিকে তাপসের মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় হত্যা মামলা দায়েরে করা হবে।
বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে, তাপস চন্দ্র মন্ডল চরকালেখান ইউনিয়ন পরিষদের উদ্যোক্তা হিসেবে কাজ করে আসছিলেন। সে সুবাধে তাপস মন্ডল নোমরহাট এলাকার বাসিন্দা জিতেন কুমার মন্ডলের ছেলে স্বপন মন্ডলের বাড়ির একটি ঘরে ভাড়ায় থাকতেন। ওই সুবাদে স্বপন মন্ডলের স্ত্রীর সাথে তাপসের পরকীয়া সম্পর্ক গড়ে ওঠে। বিষয়টি জানতে পেরে স্ত্রীর সাথে সম্পর্ক মেনে নিতে পারেননি স্বপন।
সূত্রে আরও জানা গেছে, গত অক্টোবর মাসে স্বপন মন্ডল ও তার লোকজনের সাথে তাপসের সালিশ বৈঠক হয়। পরে মুক্তেশ্বর মন্ডল তার ছেলেকে মালয়েশিয়া পাঠিয়ে দেয়। কিন্তু তাপস সেখানে ছয়দিন অবস্থান করে বাংলাদেশে ফিরে আসে।
মুক্তেশ্বর মন্ডল জানান, তাপসের দেশে ফেরার খবর পেয়ে স্বপন কয়েকজন লোক নিয়ে তাদের বাড়িতে গিয়ে নিজের ভুল স্বীকার করে তাপসকে তাদের বাড়িতে দাওয়াত দেন। তাপস গত ২৩ অক্টোবর রাতে স্বপনের বাড়িতে আসার পর পরই স্বপন ও তার লোকজনে তাপসের হাত-পা বেঁধে ফেলেন। পরবর্তীতে তাকে (তাপস) বেধরক পিটিয়ে মারাত্মক আহত করেন।
মুক্তেশ্বর মন্ডল অভিযোগ করে বলেন-নির্যাতনের একপর্যায়ে তাপস জল (পানি) পান করতে চাইলে তাকে কীটনাশক পান করানো হয়। এসময় তাপসের চিৎকারে পার্শ্ববর্তী বাড়ির লোকজনে বিষয়টি ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মিরাজুল ইসলাম সরদারকে জানান।
পরবর্তীতে ইউপি চেয়ারম্যান লোকজনের সহায়তায় তাপসকে উদ্ধার করে মুলাদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে ওইদিন রাতেই তাকে (তাপস) ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে ভর্তি করা হয়। সেখানে ২১দিন চিকিৎসাধীন থাকার পর বুধবার দিবাগত গভীর রাতে তাপসের মৃত্যু হয়।
মৃত তাপসের বাবা মুক্তেশ্বর মন্ডল বলেন, স্বপন মন্ডলের অনুরোধে তার বাড়িতে দাওয়াতে গিয়েছিলো তাপস। সেখানে যাওয়ার পর স্বপন মন্ডল ও তার লোকজনে অমানুষিক নির্যাতন করে মুখে বিষ ঢেলে তাপসকে হত্যা করেছে। এ ঘটনায় হত্যা মামলা দায়ের করা হবে।
চরকালেখান ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. মিরাজুল ইসলাম সরদার বলেন, গত ২৩ অক্টোবর স্বপন মন্ডলের বাড়ি থেকে তাপসকে উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানো হয়েছিলো। বিষয়টি থানা পুলিশকে তাৎক্ষণিক অবহিত করা হয়।
অভিযুক্ত স্বপন মন্ডল উদ্যোক্তা তাপসকে নির্যাতনের বিষয়টি অস্বীকার করে বলেন, তাপস বাড়িতে ঢোকার আগেই কীটনাশক পান করেছে। তাকে বাঁচাতে বমি করানোর চেষ্টা করা হয়েছিলো।
২৯ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৭:৫০
২৯ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৫:১৬
২৯ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৫:১৪
২৯ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৫:০৪

২৯ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৭:৫০
সাইবার মামলায় বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (ববি) শারীরিক শিক্ষা দপ্তরের সহকারী পরিচালক সেলিনা বেগমের জামিন নামঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছে আদালত। বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) বরিশাল অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে শুনানি শেষে বিচারক এই আদেশ দেন।
বিশ্ববিদ্যালয় ও মামলার নথিপত্রে জানা গেছে, সেলিনা বেগমের বিরুদ্ধে একাধিক বিয়ে, সরকারি কর্মকর্তাদের সঙ্গে অনৈতিক সম্পর্ক স্থাপন, ব্ল্যাকমেইল ও শারীরিক নির্যাতনের অভিযোগ রয়েছে। এসব সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে ২০২৫ সালের ৫ ডিসেম্বর তার বিরুদ্ধে সাইবার ট্রাইব্যুনালে একটি মামলা দায়ের করা হয়।
এছাড়া সম্প্রতি লালমনিরহাট জেলা শিল্পকলা অ্যাকাডেমির সাবেক এক কালচারাল কর্মকর্তাকে অফিসকক্ষে নির্যাতনের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে বিষয়টি নতুন করে আলোচনায় আসে।
বাদি পক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট আবুল কালাম আজাদ ইমন বলেন, আদালত ও তদন্তকারী কর্মকর্তাকে মিথ্যা তথ্য দিয়ে বিভ্রান্তি করায় আমাদের আবেদনের প্রেক্ষিতে আদালত তার জামিন নামঞ্জুর করে জেল হাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
এই বিষয়ে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যকে ড. মোহাম্মদ তৌফিক আলম বলেন, বিষয়টি আদালতে বিচারাধীন রয়েছে। তাই আদালত যে সিদ্ধান্ত দেবেন, বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ সে অনুযায়ীই পরবর্তী পদক্ষেপ নেবে।
সাইবার মামলায় বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (ববি) শারীরিক শিক্ষা দপ্তরের সহকারী পরিচালক সেলিনা বেগমের জামিন নামঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছে আদালত। বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) বরিশাল অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে শুনানি শেষে বিচারক এই আদেশ দেন।
বিশ্ববিদ্যালয় ও মামলার নথিপত্রে জানা গেছে, সেলিনা বেগমের বিরুদ্ধে একাধিক বিয়ে, সরকারি কর্মকর্তাদের সঙ্গে অনৈতিক সম্পর্ক স্থাপন, ব্ল্যাকমেইল ও শারীরিক নির্যাতনের অভিযোগ রয়েছে। এসব সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে ২০২৫ সালের ৫ ডিসেম্বর তার বিরুদ্ধে সাইবার ট্রাইব্যুনালে একটি মামলা দায়ের করা হয়।
এছাড়া সম্প্রতি লালমনিরহাট জেলা শিল্পকলা অ্যাকাডেমির সাবেক এক কালচারাল কর্মকর্তাকে অফিসকক্ষে নির্যাতনের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে বিষয়টি নতুন করে আলোচনায় আসে।
বাদি পক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট আবুল কালাম আজাদ ইমন বলেন, আদালত ও তদন্তকারী কর্মকর্তাকে মিথ্যা তথ্য দিয়ে বিভ্রান্তি করায় আমাদের আবেদনের প্রেক্ষিতে আদালত তার জামিন নামঞ্জুর করে জেল হাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
এই বিষয়ে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যকে ড. মোহাম্মদ তৌফিক আলম বলেন, বিষয়টি আদালতে বিচারাধীন রয়েছে। তাই আদালত যে সিদ্ধান্ত দেবেন, বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ সে অনুযায়ীই পরবর্তী পদক্ষেপ নেবে।

২৯ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৫:১৬
শেরপুরের শ্রীবরদী উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি ও ফতেহপুর ফাজিল মাদরাসার আরবির প্রভাষক মাওলানা রেজাউল করিমের মৃত্যুতে শোক প্রকাশ ও শোকাহত পরিবারের প্রতি সহমর্মিতা জ্ঞাপন করেছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীম (চরমোনাই পীর)।
তিনি বলেছেন, শেরপুরের ঝিনাইগাতীতে চেয়ারে বসার মতো তুচ্ছ বিষয়কে কেন্দ্র করে যে ধরনের সহিংসতার ঘটনা ঘটেছে এবং বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর একজন নেতাকে যে নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়েছে তা উদ্বেগজনক। জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পরে পরিবর্তিত রাজনৈতিক সংস্কৃতিতে এই ধরণের নৃশংসতা জাতিকে হতাশ করেছে।
এই ধরনের পরিস্থিতি এড়ানোর জন্য রাজনৈতিক দল ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে আরও দায়িত্বশীল ও সতর্ক আচরণ করতে হবে। বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) সকালে এক বিবৃতিতে তিনি এসব কথা বলেন।
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির বলেন, এই ঘটনার পুঙ্খানুপুঙ্খ তদন্ত হতে হবে। সহিংসতা তৈরি ও সহিংসতার সঙ্গে যারা দায়ী তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হবে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর দায়িত্ব পালনে কোনো অবহেলা বা শিথিলতা থাকলে তাও তদন্ত করতে হবে এবং কার্যকর ব্যবস্থা নিতে হবে।
শেরপুরের শ্রীবরদী উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি ও ফতেহপুর ফাজিল মাদরাসার আরবির প্রভাষক মাওলানা রেজাউল করিমের মৃত্যুতে শোক প্রকাশ ও শোকাহত পরিবারের প্রতি সহমর্মিতা জ্ঞাপন করেছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীম (চরমোনাই পীর)।
তিনি বলেছেন, শেরপুরের ঝিনাইগাতীতে চেয়ারে বসার মতো তুচ্ছ বিষয়কে কেন্দ্র করে যে ধরনের সহিংসতার ঘটনা ঘটেছে এবং বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর একজন নেতাকে যে নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়েছে তা উদ্বেগজনক। জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পরে পরিবর্তিত রাজনৈতিক সংস্কৃতিতে এই ধরণের নৃশংসতা জাতিকে হতাশ করেছে।
এই ধরনের পরিস্থিতি এড়ানোর জন্য রাজনৈতিক দল ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে আরও দায়িত্বশীল ও সতর্ক আচরণ করতে হবে। বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) সকালে এক বিবৃতিতে তিনি এসব কথা বলেন।
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির বলেন, এই ঘটনার পুঙ্খানুপুঙ্খ তদন্ত হতে হবে। সহিংসতা তৈরি ও সহিংসতার সঙ্গে যারা দায়ী তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হবে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর দায়িত্ব পালনে কোনো অবহেলা বা শিথিলতা থাকলে তাও তদন্ত করতে হবে এবং কার্যকর ব্যবস্থা নিতে হবে।

২৯ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৩:৪৭
নির্বাচন পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের জ্যেষ্ঠ নায়েবে আমির মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ ফয়জুল করীম। তিনি বলেন, ‘নির্বাচনের পরিবেশ দিন দিন খারাপের দিকে যাচ্ছে। এর মধ্যে শেরপুরে একজন নিহত হয়েছেন। ভোলায় আমাদের নারী কর্মীদের প্রচারে হামলার ঘটনা ঘটেছে। বরিশালেও ভয়ভীতি দেখানো শুরু হয়েছে।’
আজ বৃহস্পতিবার সকালে বরিশাল সদর উপজেলার কর্ণকাঠি এলাকায় নির্বাচনী প্রচারণার সময় সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এ কথাগুলো বলেন মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ ফয়জুল করীম। তিনি সবার প্রতি নির্বাচনী পরিবেশ সুন্দর রাখার পাশাপাশি প্রশাসনের প্রতি পক্ষপাতদুষ্ট আচরণ থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানান।
ইসলামপন্থীরা ক্ষমতায় এলে নারীরা আরও বেশি অধিকার ও মর্যাদা পাবেন বলে মন্তব্য করেছেন মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ ফয়জুল করীম। তিনি বলেন, ইসলামের চেয়ে অন্য কোনো ধর্ম নারীদের এত বেশি সম্মান দেয়নি। এ কারণে হাতপাখা প্রতীকের পক্ষে ৮০ শতাংশ ভোট নারীদের কাছ থেকে আসবে। ভবিষ্যতে ভোটের এই হার আরও বাড়বে।
বরিশাল-৫ ও বরিশাল-৬ আসনে হাতপাখা বিজয়ী হবে জানিয়ে ফয়জুল করীম বলেন, মাঠের পরিস্থিতি অনুকূলে না থাকায় ও দিন দিন খারাপ হওয়ায় বিএনপির নেতা-কর্মীদের মেজাজ ঠিক নেই।
বরিশাল-৫ আসনে বিএনপি প্রার্থী মজিবর রহমানের উদ্দেশে ফয়জুল করীম বলেন, ‘আপনি কাজ (গণসংযোগ) বাড়ালে আমারও কাজ বাড়বে। চলুন, সবাই একসঙ্গে জনগণের কাছে যাই। জনগণ যাকে পছন্দ করবে, তিনিই জয়ী হবেন।’
এক কর্মীকে আওয়ামী লীগ তকমা দিয়ে গ্রেপ্তার হয়েছে জানিয়ে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের এই নেতা বলেন, ‘এটা স্পষ্ট করে বলছি, আমার কর্মীদের এভাবে হয়রানি করা হলে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়াব। এ জন্য প্রশাসনকে নিরপেক্ষভাবে কাজ করার আহ্বান জানাই।’
নির্বাচন পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের জ্যেষ্ঠ নায়েবে আমির মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ ফয়জুল করীম। তিনি বলেন, ‘নির্বাচনের পরিবেশ দিন দিন খারাপের দিকে যাচ্ছে। এর মধ্যে শেরপুরে একজন নিহত হয়েছেন। ভোলায় আমাদের নারী কর্মীদের প্রচারে হামলার ঘটনা ঘটেছে। বরিশালেও ভয়ভীতি দেখানো শুরু হয়েছে।’
আজ বৃহস্পতিবার সকালে বরিশাল সদর উপজেলার কর্ণকাঠি এলাকায় নির্বাচনী প্রচারণার সময় সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এ কথাগুলো বলেন মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ ফয়জুল করীম। তিনি সবার প্রতি নির্বাচনী পরিবেশ সুন্দর রাখার পাশাপাশি প্রশাসনের প্রতি পক্ষপাতদুষ্ট আচরণ থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানান।
ইসলামপন্থীরা ক্ষমতায় এলে নারীরা আরও বেশি অধিকার ও মর্যাদা পাবেন বলে মন্তব্য করেছেন মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ ফয়জুল করীম। তিনি বলেন, ইসলামের চেয়ে অন্য কোনো ধর্ম নারীদের এত বেশি সম্মান দেয়নি। এ কারণে হাতপাখা প্রতীকের পক্ষে ৮০ শতাংশ ভোট নারীদের কাছ থেকে আসবে। ভবিষ্যতে ভোটের এই হার আরও বাড়বে।
বরিশাল-৫ ও বরিশাল-৬ আসনে হাতপাখা বিজয়ী হবে জানিয়ে ফয়জুল করীম বলেন, মাঠের পরিস্থিতি অনুকূলে না থাকায় ও দিন দিন খারাপ হওয়ায় বিএনপির নেতা-কর্মীদের মেজাজ ঠিক নেই।
বরিশাল-৫ আসনে বিএনপি প্রার্থী মজিবর রহমানের উদ্দেশে ফয়জুল করীম বলেন, ‘আপনি কাজ (গণসংযোগ) বাড়ালে আমারও কাজ বাড়বে। চলুন, সবাই একসঙ্গে জনগণের কাছে যাই। জনগণ যাকে পছন্দ করবে, তিনিই জয়ী হবেন।’
এক কর্মীকে আওয়ামী লীগ তকমা দিয়ে গ্রেপ্তার হয়েছে জানিয়ে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের এই নেতা বলেন, ‘এটা স্পষ্ট করে বলছি, আমার কর্মীদের এভাবে হয়রানি করা হলে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়াব। এ জন্য প্রশাসনকে নিরপেক্ষভাবে কাজ করার আহ্বান জানাই।’

Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.