
০৭ অক্টোবর, ২০২৫ ২০:১৪
অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ এনে জনস্বাস্থ্য বরিশাল সার্কেলের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী এসএম শহিদুল ইসলামসহ চারজনের বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশনে (দুদক) লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।
গত ৬ অক্টোবর ঝালকাঠির নলছিটি উপজেলার জুরকাঠি গ্রামের বাসিন্দা আ. আজিজ খানের ছেলে ভুক্তভোগী খান মাইনউদ্দিন এ অভিযোগ দায়ের করেন। অন্য অভিযুক্তরা হলেন, নলছিটি উপজেলা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল কার্যালয়ের উপ- সহকারী প্রকৌশলী (সাব-এসিস্ট্যান্ট ইঞ্জিনিয়ার) রূপকুমার সাহা, মেকানিক শামিম হোসেন ও তার স্ত্রী মেকানিক সাদিয়া হোসেন।
অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, গত ২০২৪ সালে ভুক্তভোগী খান মাইনউদ্দিন নলছিটি উপজেলা স্বাস্থ্য প্রকৌশল কার্যালয়ে সাবমার্সিবল পাম্প/গভীর নলক‚পের জন্য আবেদন করেন। তার আবেদনের প্রেক্ষিতে ২০২৪-২৫ সালের একটি সাবমার্সিবল পাম্প (নলক‚প) বরাদ্দ দেয়া হলেও প্রকল্পের মেয়াদ শেষ হলেও বরাদ্দকৃত নলক‚প স্থাপনের কাজ সম্পন্ন হয়নি।
শুধুমাত্র পাইপ বসিয়ে কাজ ফেলে রাখা হয়েছে। যে পাইপগুলো বসানো হয়েছে তা খুবই নি¤œমানের। নলক‚প বসানোর কাজ তদারকি দায়িত্বে ছিলেন উপ-সহকারী প্রকৌশলী রূপকুমার সাহা। তার অনিয়ম ও গাফেলতির কারণে অভিযোগকারী ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। এরআগে মেকানিক শামিম হোসেন নিজেকে প্রকৌশলী পরিচয় দিয়ে অভিযোগকারীর কাছে ২০ হাজার টাকা ঘুষ দাবি করেন। ওই ঘুষের টাকা না দেয়ায় মেকানিক শামিম ও তার স্ত্রী মেকানিক সাদিয়া নলকূপ বসানোর কাজে নি¤œমানের পাইপ ও যন্ত্রাংশ ব্যবহার করেন। এ বিষয় অবগত হয়ে খান মাইনউদ্দিন তাদের স্বামী-স্ত্রীর বিরুদ্ধে গত ১৭ এপ্রিল জনস্বাস্থ্যের বরিশাল সার্কেলের তত্ত¡াবধায়ক প্রকৌশলী এসএম শহিদুল ইসলাম কাছে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। কিন্তু তিনি শামিম ও তার স্ত্রী সাদিয়ার মাধ্যমে প্রভাবিত হয়ে অভিযোগের বিষয়টি এড়িয়ে যান। এমনকি তাদের বিরুদ্ধে কোন প্রকার ব্যবস্থা গ্রহণ করেননি।
অভিযোগে আরো উল্লেখ করা হয়েছে, মেকানিক শামিম ও তার স্ত্রী সাদিয়া এক যুগের অধিক সময় ধরে একই স্থানে কর্মরত আছেন। চাকরির মাত্র ৮-৯ বছরেই নলছিটির সবুজবাগ এলাকায় ৪ তলা ভবন নির্মাণের কাজ শুরু করেন। যা নিয়ে স্থানীয়দের মাঝে কানাঘুষা চলছে। এ বিষয়ে জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর বরিশাল সার্কেলের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী এসএম শহিদুল ইসলামের কাছে জানতে চাইলে তিনি কোন মন্তব্য করতে রাজি হননি।
অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ এনে জনস্বাস্থ্য বরিশাল সার্কেলের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী এসএম শহিদুল ইসলামসহ চারজনের বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশনে (দুদক) লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।
গত ৬ অক্টোবর ঝালকাঠির নলছিটি উপজেলার জুরকাঠি গ্রামের বাসিন্দা আ. আজিজ খানের ছেলে ভুক্তভোগী খান মাইনউদ্দিন এ অভিযোগ দায়ের করেন। অন্য অভিযুক্তরা হলেন, নলছিটি উপজেলা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল কার্যালয়ের উপ- সহকারী প্রকৌশলী (সাব-এসিস্ট্যান্ট ইঞ্জিনিয়ার) রূপকুমার সাহা, মেকানিক শামিম হোসেন ও তার স্ত্রী মেকানিক সাদিয়া হোসেন।
অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, গত ২০২৪ সালে ভুক্তভোগী খান মাইনউদ্দিন নলছিটি উপজেলা স্বাস্থ্য প্রকৌশল কার্যালয়ে সাবমার্সিবল পাম্প/গভীর নলক‚পের জন্য আবেদন করেন। তার আবেদনের প্রেক্ষিতে ২০২৪-২৫ সালের একটি সাবমার্সিবল পাম্প (নলক‚প) বরাদ্দ দেয়া হলেও প্রকল্পের মেয়াদ শেষ হলেও বরাদ্দকৃত নলক‚প স্থাপনের কাজ সম্পন্ন হয়নি।
শুধুমাত্র পাইপ বসিয়ে কাজ ফেলে রাখা হয়েছে। যে পাইপগুলো বসানো হয়েছে তা খুবই নি¤œমানের। নলক‚প বসানোর কাজ তদারকি দায়িত্বে ছিলেন উপ-সহকারী প্রকৌশলী রূপকুমার সাহা। তার অনিয়ম ও গাফেলতির কারণে অভিযোগকারী ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। এরআগে মেকানিক শামিম হোসেন নিজেকে প্রকৌশলী পরিচয় দিয়ে অভিযোগকারীর কাছে ২০ হাজার টাকা ঘুষ দাবি করেন। ওই ঘুষের টাকা না দেয়ায় মেকানিক শামিম ও তার স্ত্রী মেকানিক সাদিয়া নলকূপ বসানোর কাজে নি¤œমানের পাইপ ও যন্ত্রাংশ ব্যবহার করেন। এ বিষয় অবগত হয়ে খান মাইনউদ্দিন তাদের স্বামী-স্ত্রীর বিরুদ্ধে গত ১৭ এপ্রিল জনস্বাস্থ্যের বরিশাল সার্কেলের তত্ত¡াবধায়ক প্রকৌশলী এসএম শহিদুল ইসলাম কাছে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। কিন্তু তিনি শামিম ও তার স্ত্রী সাদিয়ার মাধ্যমে প্রভাবিত হয়ে অভিযোগের বিষয়টি এড়িয়ে যান। এমনকি তাদের বিরুদ্ধে কোন প্রকার ব্যবস্থা গ্রহণ করেননি।
অভিযোগে আরো উল্লেখ করা হয়েছে, মেকানিক শামিম ও তার স্ত্রী সাদিয়া এক যুগের অধিক সময় ধরে একই স্থানে কর্মরত আছেন। চাকরির মাত্র ৮-৯ বছরেই নলছিটির সবুজবাগ এলাকায় ৪ তলা ভবন নির্মাণের কাজ শুরু করেন। যা নিয়ে স্থানীয়দের মাঝে কানাঘুষা চলছে। এ বিষয়ে জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর বরিশাল সার্কেলের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী এসএম শহিদুল ইসলামের কাছে জানতে চাইলে তিনি কোন মন্তব্য করতে রাজি হননি।

১৩ এপ্রিল, ২০২৬ ১৬:২৯
আন্তর্জাতিক পথশিশু দিবস উপলক্ষে মানবাধিকার রক্ষায় অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ‘হিউম্যান রাইটস চ্যাম্পিয়ন ২০২৬’ সম্মানে ভূষিত হয়েছেন বিদেশের মাটিতে প্রথম বাংলাদেশি উপাচার্য (ভিসি) প্রফেসর ড. শেখ আসিফ এস. মিজান। আজ রবিবার রাজধানীর সেগুনবাগিচায় ওয়ার্ল্ড হিউম্যান রাইটস অর্গানাইজেশন আয়োজিত "ইন্টারন্যাশনাল হিউম্যান রাইটস অ্যাওয়ার্ড ২০২৬" অনুষ্ঠানে তাকে এই বিশেষ পদক ও সম্মাননা প্রদান করা হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব জননেতা হাবিব উন নবী খান সোহেল। সংগঠনের সভাপতি মহি উদ্দিন আমিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে ড. মিজানের হাতে সম্মাননা ক্রেস্ট ও সার্টিফিকেট তুলে দেওয়া হয়। এসময় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জনপ্রিয় চলচ্চিত্র অভিনেতা ওমর সানী ও সংগীতশিল্পী রবি চৌধুরীসহ অন্যান্য বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ।
উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের ফেব্রুয়ারিতে সোমালিয়ার মোগাদিশুর দারুসালাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি পদে যোগ দিয়ে ইতিহাস গড়েন ড. মিজান। এর আগে বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত একজন কানাডিয়ান নাগরিক বিদেশের মাটিতে ভিসি হলেও, সরাসরি বাংলাদেশি পাসপোর্টধারী হিসেবে তিনিই প্রথম এই শীর্ষ পদে আসীন হন। সুশাসন ও মানবাধিকারে পিএইচডিধারী এই শিক্ষাবিদ দীর্ঘকাল ধরে রোটারি ক্লাব, মসজিদ সমাজ বাংলাদেশ এবং এশিয়ান নারী ও শিশু অধিকার ফাউন্ডেশনসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছেন।
সম্মাননা গ্রহণকালে ড. আসিফ মিজান বলেন, “এই স্বীকৃতি আমার দায়িত্ব আরও বাড়িয়ে দিল। শিক্ষা ও মানবাধিকার রক্ষায় আমার এই প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে।” অনুষ্ঠানে বিভিন্ন স্তরের রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, আইনজীবী, ব্যবসায়ী এবং বিপুল সংখ্যক পথশিশু উপস্থিত ছিলেন।’

১৩ এপ্রিল, ২০২৬ ১৫:৪৭
বরিশালের বানারীপাড়ায় নদী থেকে ভাসমান অবস্থায় দুর্জয় (১২) নামের এক স্কুল শিক্ষার্থীর লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। সে উজিরপুর উপজেলার হারতা গ্রামের বাসিন্দা শুকলালের ছেলে এবং স্থানীয় একটি বিদ্যালয়ের ষষ্ঠ শ্রেণীর ছাত্র।
সোমবার (১৩ এপ্রিল) সকাল পৌণে ৯টার দিকে বানারীপাড়ার সৈয়দকাঠি ইউনিয়নের বাওয়ালিয়া গ্রাম সংলগ্ন সন্ধ্যা নদীর শাখা কঁচা নদীতে স্থানীয়রা একটি লাশ ভাসতে দেখে তারা সেটি উদ্ধার করেন। এসময় শনাক্ত করা হয় এটি নিখোঁজ দুর্জয়ের মরদেহ।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রোববার (১২ এপ্রিল) সকালে দুর্জয় নৌকায় করে নদীতে ভাসমান হাটে তরমুজ সংগ্রহ করতে যায়। এরপর থেকেই সে নিখোঁজ ছিল। পরিবারের সদস্যরা বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করলেও তার কোনো সন্ধান পাননি। ঘটনার খবর পেয়ে থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে লাশটি উদ্ধার করে। বানারীপাড়া থানার ওসি মোঃ মজিবুর রহমান বলেন, প্রাথমিকভাবে স্কুল শিক্ষার্থী দূর্জয়ের অপমৃত্যু হয়েছে ধারণা করা হলেও, তার মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত করতে তদন্ত চলছে। এদিকে দূর্জয়ের মৃত্যুর ঘটনায় এলাকাজুড়ে নেমে এসেছে শোকের ছায়া। স্বজনদের আহাজারিতে ভারী হয়ে উঠেছে এলাকার পরিবেশ। একটি সম্ভাবনাময় কিশোর প্রাণের এমন অকাল মৃত্যু স্থানীয়দের মাঝে গভীর বেদনার সৃষ্টি করেছে।
এদিকে গত ৪ এপ্রিল সকালে সৈয়দকাঠী ইউনিয়নের আউয়ার বাজার সংলগ্ন খাল থেকে ভাসমান অবস্থায় ইউনুস আলী (৬০) নামের এক ব্রিজ নির্মাণ শ্রমিকের লাশ উদ্ধার করা হয়। তার মৃত্যু রহস্য উদঘাটনের আগেই ৯ দিনের ব্যবধানে এবার একই ইউনিয়নে শাখা নদী থেকে স্কুল ছাত্র দূর্জয়ের ভাসমান মরদেহ উদ্ধার জনমনে উৎকন্ঠা ও নানা প্রশ্নের উদ্রেক করেছে।

১৩ এপ্রিল, ২০২৬ ১৩:১৮
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
আন্তর্জাতিক পথশিশু দিবস উপলক্ষে মানবাধিকার রক্ষায় অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ‘হিউম্যান রাইটস চ্যাম্পিয়ন ২০২৬’ সম্মানে ভূষিত হয়েছেন বিদেশের মাটিতে প্রথম বাংলাদেশি উপাচার্য (ভিসি) প্রফেসর ড. শেখ আসিফ এস. মিজান। আজ রবিবার রাজধানীর সেগুনবাগিচায় ওয়ার্ল্ড হিউম্যান রাইটস অর্গানাইজেশন আয়োজিত "ইন্টারন্যাশনাল হিউম্যান রাইটস অ্যাওয়ার্ড ২০২৬" অনুষ্ঠানে তাকে এই বিশেষ পদক ও সম্মাননা প্রদান করা হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব জননেতা হাবিব উন নবী খান সোহেল। সংগঠনের সভাপতি মহি উদ্দিন আমিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে ড. মিজানের হাতে সম্মাননা ক্রেস্ট ও সার্টিফিকেট তুলে দেওয়া হয়। এসময় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জনপ্রিয় চলচ্চিত্র অভিনেতা ওমর সানী ও সংগীতশিল্পী রবি চৌধুরীসহ অন্যান্য বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ।
উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের ফেব্রুয়ারিতে সোমালিয়ার মোগাদিশুর দারুসালাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি পদে যোগ দিয়ে ইতিহাস গড়েন ড. মিজান। এর আগে বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত একজন কানাডিয়ান নাগরিক বিদেশের মাটিতে ভিসি হলেও, সরাসরি বাংলাদেশি পাসপোর্টধারী হিসেবে তিনিই প্রথম এই শীর্ষ পদে আসীন হন। সুশাসন ও মানবাধিকারে পিএইচডিধারী এই শিক্ষাবিদ দীর্ঘকাল ধরে রোটারি ক্লাব, মসজিদ সমাজ বাংলাদেশ এবং এশিয়ান নারী ও শিশু অধিকার ফাউন্ডেশনসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছেন।
সম্মাননা গ্রহণকালে ড. আসিফ মিজান বলেন, “এই স্বীকৃতি আমার দায়িত্ব আরও বাড়িয়ে দিল। শিক্ষা ও মানবাধিকার রক্ষায় আমার এই প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে।” অনুষ্ঠানে বিভিন্ন স্তরের রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, আইনজীবী, ব্যবসায়ী এবং বিপুল সংখ্যক পথশিশু উপস্থিত ছিলেন।’
বরিশালের বানারীপাড়ায় নদী থেকে ভাসমান অবস্থায় দুর্জয় (১২) নামের এক স্কুল শিক্ষার্থীর লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। সে উজিরপুর উপজেলার হারতা গ্রামের বাসিন্দা শুকলালের ছেলে এবং স্থানীয় একটি বিদ্যালয়ের ষষ্ঠ শ্রেণীর ছাত্র।
সোমবার (১৩ এপ্রিল) সকাল পৌণে ৯টার দিকে বানারীপাড়ার সৈয়দকাঠি ইউনিয়নের বাওয়ালিয়া গ্রাম সংলগ্ন সন্ধ্যা নদীর শাখা কঁচা নদীতে স্থানীয়রা একটি লাশ ভাসতে দেখে তারা সেটি উদ্ধার করেন। এসময় শনাক্ত করা হয় এটি নিখোঁজ দুর্জয়ের মরদেহ।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রোববার (১২ এপ্রিল) সকালে দুর্জয় নৌকায় করে নদীতে ভাসমান হাটে তরমুজ সংগ্রহ করতে যায়। এরপর থেকেই সে নিখোঁজ ছিল। পরিবারের সদস্যরা বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করলেও তার কোনো সন্ধান পাননি। ঘটনার খবর পেয়ে থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে লাশটি উদ্ধার করে। বানারীপাড়া থানার ওসি মোঃ মজিবুর রহমান বলেন, প্রাথমিকভাবে স্কুল শিক্ষার্থী দূর্জয়ের অপমৃত্যু হয়েছে ধারণা করা হলেও, তার মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত করতে তদন্ত চলছে। এদিকে দূর্জয়ের মৃত্যুর ঘটনায় এলাকাজুড়ে নেমে এসেছে শোকের ছায়া। স্বজনদের আহাজারিতে ভারী হয়ে উঠেছে এলাকার পরিবেশ। একটি সম্ভাবনাময় কিশোর প্রাণের এমন অকাল মৃত্যু স্থানীয়দের মাঝে গভীর বেদনার সৃষ্টি করেছে।
এদিকে গত ৪ এপ্রিল সকালে সৈয়দকাঠী ইউনিয়নের আউয়ার বাজার সংলগ্ন খাল থেকে ভাসমান অবস্থায় ইউনুস আলী (৬০) নামের এক ব্রিজ নির্মাণ শ্রমিকের লাশ উদ্ধার করা হয়। তার মৃত্যু রহস্য উদঘাটনের আগেই ৯ দিনের ব্যবধানে এবার একই ইউনিয়নে শাখা নদী থেকে স্কুল ছাত্র দূর্জয়ের ভাসমান মরদেহ উদ্ধার জনমনে উৎকন্ঠা ও নানা প্রশ্নের উদ্রেক করেছে।
নানামুখী সমস্যায় জর্জড়িত বরিশাল শহরকে ঢেলে সাজাতে চাইছেন নগর প্রশাসক বিএনপি নেত্রী বিলকিস আক্তার জাহান শিরিন। প্রাথমিকভাবে শহরের রাস্তা-ঘাট দখল করে গড়ে ওঠা ভ্রাম্যমাণ ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান অপসারণ করা এবং যানজট নিরসনের বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখছেন। এবং কীর্তনখোলা নদীতীরবর্তী এই কবি জীবনানন্দের শহরকে পরিস্কার-পরিচ্ছন্ন করতে প্রশাসক শিরিন আরও বেশকিছু পদক্ষেদ রাখতে যাচ্ছেন। অবহেলিত নগর উন্নয়নে তার এই ভাবনাকে ত্রিশটি ওয়ার্ডের বাসিন্দারা সাধুবাদ জানিয়েছেন। পাশাপাশি সাথে থেকে সহযোগিতারও অঙ্গীকার করেছন।
বিসিসি প্রশাসন জানিয়েছে, শহরের জনগুরুত্বপূর্ণ রাস্তাসহ বিনোদনকেন্দ্রগুলোর প্রবেশমুখে যত্রতত্র ভ্রাম্যমাণ ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান তৈরি করায় শহরে প্রতিদিনের চলাচলে সীমাহীন ভোগান্তি পোহাতে হয়। বিশেষ করে এই ভ্রাম্যমাণ প্রতিষ্ঠান পসরা সাজিয়ে বসার কারণে কখনও কখনও শহরের সদর রোড, চকবাজার, নতুন বাজার, বাংলা বাজারসহ বিভিন্ন জনবহুল এলাকাসমূহে যানজট দেখা যায়। এনিয়ে জনসাধারণের মধ্যেকার ক্ষোভও আছে এবং তাদের তরফ থেকে দীর্ঘদিন ধরে উচ্ছেদের অনুরোধ করা হচ্ছিল।
জনগণের ভোগান্তির বিষয়টি উপলব্ধি করতে পেরেছেন আপাদমস্তক রাজনৈতিক শিরিন। তাছাড়া শহরের সমস্যাগুলো তিনিও প্রতিনিয়ত প্রত্যক্ষ করেন। গত ৩ এপ্রিল বরিশাল সিটি কর্পোরেশন থেকে নোটিস জারি করে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদে সাত দিনের সময় দিয়ে ১০ এপ্রিল পর্যন্ত আল্টিমেটাম দেওয়া হয়েছিল। এবং এই সময়সীমা শেষ হলে কঠোর অভিযানের ঘোষণা দেওয়া হয়।
বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে, বিসিসি উচ্ছেদে আল্টিমেটাম দেওয়ার পরে রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীরা অভিযান বন্ধ রাখতে প্রশাসক শিরিনের ধর্না ধরলেও তিনি কোনো প্রকার আপস করেননি। বরং সকলকে সাফ জানিয়ে দেন ১০ এপ্রিলের আগে অবৈধ স্থাপনা স্বেচ্ছায় সরিয়ে না নিলে বিসিসি ব্যবস্থাগ্রহণ করবে।
প্রশাসক শিরিনের সেই হুঁশিয়ারির বাস্তবায়ন রোববার অফিস শুরুর দিনে দেখতে পেয়েছে শহরবাসী। এদিন সকালে সিটি কর্পোরেশন শহরের ফজলুল হক অ্যাভিনিউ রোড-বেলসপার্কে ব্যাপক উচ্ছেদ অভিযান চালিয়েছে। পূর্ব ঘোষণা প্রাপ্তির পরেও অবৈধ স্থাপনা সরিয়ে না নেওয়ায় অসংখ্য প্রতিষ্ঠান গুড়িয়ে দিতে বাধ্য হয়েছে। অবশ্য এরআগে অবৈধ স্থাপনা সরিয়ে নিতে বেশ কদিন সিটি কর্পোরেশনের পক্ষ থেকে মাইকিংও করা হয়েছিল। কিন্তু তা কর্ণপাত করেননি ভ্রাম্যমাণ ব্যবসায়ীরা, যার কারণে নগর প্রশাসনকে কঠোর ভূমিকা রাখতে হয়।
বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসনিক কর্মকর্তা স্বপন কুমার জানান, পরিস্কার-পরিচ্ছন্ন শহর গড়তে নগর প্রশাসক বিলকিস জাহান শিরিনের উদ্যোগের বাস্তবায়ন শুরু হয়েছে। প্রথমদিন প্রাথমিকভাবে ফজলুল হক অ্যাভিনিউসহ বিভিন্ন স্থানে উচ্ছেদ অভিযান চালানো হয়েছে। এই অভিযানে শতাধিক প্রতিষ্ঠান বুলডেজার দিয়ে ভেঙে গুড়িয়ে দেওয়া হয়। নগরমাতা জনস্বার্থে উচ্ছেদ অভিযান অব্যাহত রাখার নির্দেশনা দিয়েছেন, এখন থেকে প্রতিনিয়তই এই ধরনের তৎপরতা চলমান থাকবে।
তবে সিটি প্রশাসন এবারই প্রথম বরিশাল শহরের অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদে উদ্যোগ নেয়নি, এরআগে বিগত সময়েও একাধিক অভিযান চালিয়েছে। সবশেষ অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের শুরুর দিকেও একই ধরনের অভিযান চালানো হয়েছিল। কিন্তু কিছুদিন পরেই বিসিসির কর্মকর্তাদের সাথে আপসরফা করে ফের রাস্তাসহ গুরুত্বপূর্ণ স্থানে ভ্রাম্যমাণ দোকান বসাতে দেখা যায়।
অভিযোগ আছে, যখন যে সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক বা মেয়র হয়েছেন, তিনিই ফুটপাত দখলমুক্ত করতে উদ্যোগ নেন। কিন্তু কিছুদিনের মধ্যে আপসরফা করে ফের দখল দিয়ে ফেলেন ব্যবসায়ীরা। অবশ্য এতে জনপ্রতিনিধিদেরও স্বার্থ নিহিত থাকে বলে মন্তব্য পাওয়া যায়।
ফুটপাতের একাধিক ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীর সাথে আলাপচারিতায় জানা গেছে, বরিশাল সিটির সাবেক মেয়র আবুল খায়ের খোকন এবং সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহও উচ্ছেদের হুমকি দিয়ে অভিযান শুরু করেন। কিন্তু ব্যবসায়ী নেতারা সাক্ষাৎ লাভ এবং তাদের পক্ষে মিছিল-মিটিং করার অভয় দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেওয়ার পরে উচ্ছেদ অভিযান বন্ধ রাখা হয়। ব্যবসায়ীদের ধারনা ছিল, সাবেক মেয়রদের ন্যায় প্রশাসক শিরিনও ব্যক্তি স্বার্থ লুটতে উচ্ছেদ অভিযানে যাচ্ছেন, কিন্তু এবার তেমনটি হয়নি বা হওয়ার সম্ভবনা নেই। বরং শান্ত-স্নিগ্ধ কীর্তনখোলার তীর জনপদের এই শহরকে কী ভাবে পরিস্কার-পরিচ্ছন্ন এবং যানজটমুক্ত রাখা যায়, শিরিন সেই পথেই যেনো হাঁটছেন।
অবহেলিত বরিশাল শহরকে উন্নত এবং পরিচ্ছন্ন রাখতে প্রশাসক শিরিন যে কতটা অন্তরিক তা তার বিভিন্ন সময়ের বক্তব্য দেখলেও কিছুটা অনুমান করা যায়। প্রতাপশালী বিএনপি নেত্রী রোববার দুপুরে মুঠোফোনে বলেন, ছলচাতুরি করে জনগণের ভালোবাসা পাওয়ার সুযোগ নেই। কাজ এবং জনসেবা করে মানুষের ভালোবাসা অর্জন করতে হয়, তিনি সেই পথেই হাঁটছেন। প্রাথমিকভাবে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করাসহ যানজট নিরসনে পদক্ষেপ নিলেও আরও বেশ কিছু উদ্যোগ রয়েছে, যেগুলো পর্যায়ক্রমে বাস্তবায়ন করা হবে। এর মধ্যে শহরের ৩ নম্বর ওয়ার্ড থেকে ময়লাখোলা অপসাপরণ এবং স্বল্পসময়ের মধ্যে ভবন মালিকদের নির্মাণশৈলী প্রদানের বিষয়টি অগ্রাধিকারে রাখা হয়েছে। এছাড়াও বরিশাল শহরের উন্নয়ন নিয়ে প্রশাসক শিরিনের বহুমুখী চিন্তা-ভাবনা রয়েছে বলে জানা গেছে।
গত ১৪ মার্চ বরিশাল সিটির প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব পান বিএনপির বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক বিলকিস আক্তার জাহান শিরিন। এক মাস অতিক্রান্ত হওয়ার আগেই তার বেশ কিছু উদ্যোগ শহরবাসীকে বিমুগ্ধ করেছে। বিশেষ করে শহর থেকে ময়লাখোলা অপসারণ এবং ফুটপাথ দখলমুক্তকরণে তার উদ্যোগ আলোচনায় বেশিমাত্রায় গুরুত্ব পাচ্ছে। সাহসী শিরিনের এই যাত্রা অব্যাহত থাকলে এবং সেবার মাধ্যমে জনসমর্থন ধরে রাখতে সক্ষম হলে আগামী সিটি নির্বাচনে ধানের শীষের প্রার্থী হওয়ার সম্ভবনা প্রবল বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বোদ্ধারা।’
নানামুখী সমস্যায় জর্জড়িত বরিশাল শহরকে ঢেলে সাজাতে চাইছেন নগর প্রশাসক বিএনপি নেত্রী বিলকিস আক্তার জাহান শিরিন। প্রাথমিকভাবে শহরের রাস্তা-ঘাট দখল করে গড়ে ওঠা ভ্রাম্যমাণ ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান অপসারণ করা এবং যানজট নিরসনের বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখছেন। এবং কীর্তনখোলা নদীতীরবর্তী এই কবি জীবনানন্দের শহরকে পরিস্কার-পরিচ্ছন্ন করতে প্রশাসক শিরিন আরও বেশকিছু পদক্ষেদ রাখতে যাচ্ছেন। অবহেলিত নগর উন্নয়নে তার এই ভাবনাকে ত্রিশটি ওয়ার্ডের বাসিন্দারা সাধুবাদ জানিয়েছেন। পাশাপাশি সাথে থেকে সহযোগিতারও অঙ্গীকার করেছন।
বিসিসি প্রশাসন জানিয়েছে, শহরের জনগুরুত্বপূর্ণ রাস্তাসহ বিনোদনকেন্দ্রগুলোর প্রবেশমুখে যত্রতত্র ভ্রাম্যমাণ ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান তৈরি করায় শহরে প্রতিদিনের চলাচলে সীমাহীন ভোগান্তি পোহাতে হয়। বিশেষ করে এই ভ্রাম্যমাণ প্রতিষ্ঠান পসরা সাজিয়ে বসার কারণে কখনও কখনও শহরের সদর রোড, চকবাজার, নতুন বাজার, বাংলা বাজারসহ বিভিন্ন জনবহুল এলাকাসমূহে যানজট দেখা যায়। এনিয়ে জনসাধারণের মধ্যেকার ক্ষোভও আছে এবং তাদের তরফ থেকে দীর্ঘদিন ধরে উচ্ছেদের অনুরোধ করা হচ্ছিল।
জনগণের ভোগান্তির বিষয়টি উপলব্ধি করতে পেরেছেন আপাদমস্তক রাজনৈতিক শিরিন। তাছাড়া শহরের সমস্যাগুলো তিনিও প্রতিনিয়ত প্রত্যক্ষ করেন। গত ৩ এপ্রিল বরিশাল সিটি কর্পোরেশন থেকে নোটিস জারি করে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদে সাত দিনের সময় দিয়ে ১০ এপ্রিল পর্যন্ত আল্টিমেটাম দেওয়া হয়েছিল। এবং এই সময়সীমা শেষ হলে কঠোর অভিযানের ঘোষণা দেওয়া হয়।
বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে, বিসিসি উচ্ছেদে আল্টিমেটাম দেওয়ার পরে রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীরা অভিযান বন্ধ রাখতে প্রশাসক শিরিনের ধর্না ধরলেও তিনি কোনো প্রকার আপস করেননি। বরং সকলকে সাফ জানিয়ে দেন ১০ এপ্রিলের আগে অবৈধ স্থাপনা স্বেচ্ছায় সরিয়ে না নিলে বিসিসি ব্যবস্থাগ্রহণ করবে।
প্রশাসক শিরিনের সেই হুঁশিয়ারির বাস্তবায়ন রোববার অফিস শুরুর দিনে দেখতে পেয়েছে শহরবাসী। এদিন সকালে সিটি কর্পোরেশন শহরের ফজলুল হক অ্যাভিনিউ রোড-বেলসপার্কে ব্যাপক উচ্ছেদ অভিযান চালিয়েছে। পূর্ব ঘোষণা প্রাপ্তির পরেও অবৈধ স্থাপনা সরিয়ে না নেওয়ায় অসংখ্য প্রতিষ্ঠান গুড়িয়ে দিতে বাধ্য হয়েছে। অবশ্য এরআগে অবৈধ স্থাপনা সরিয়ে নিতে বেশ কদিন সিটি কর্পোরেশনের পক্ষ থেকে মাইকিংও করা হয়েছিল। কিন্তু তা কর্ণপাত করেননি ভ্রাম্যমাণ ব্যবসায়ীরা, যার কারণে নগর প্রশাসনকে কঠোর ভূমিকা রাখতে হয়।
বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসনিক কর্মকর্তা স্বপন কুমার জানান, পরিস্কার-পরিচ্ছন্ন শহর গড়তে নগর প্রশাসক বিলকিস জাহান শিরিনের উদ্যোগের বাস্তবায়ন শুরু হয়েছে। প্রথমদিন প্রাথমিকভাবে ফজলুল হক অ্যাভিনিউসহ বিভিন্ন স্থানে উচ্ছেদ অভিযান চালানো হয়েছে। এই অভিযানে শতাধিক প্রতিষ্ঠান বুলডেজার দিয়ে ভেঙে গুড়িয়ে দেওয়া হয়। নগরমাতা জনস্বার্থে উচ্ছেদ অভিযান অব্যাহত রাখার নির্দেশনা দিয়েছেন, এখন থেকে প্রতিনিয়তই এই ধরনের তৎপরতা চলমান থাকবে।
তবে সিটি প্রশাসন এবারই প্রথম বরিশাল শহরের অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদে উদ্যোগ নেয়নি, এরআগে বিগত সময়েও একাধিক অভিযান চালিয়েছে। সবশেষ অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের শুরুর দিকেও একই ধরনের অভিযান চালানো হয়েছিল। কিন্তু কিছুদিন পরেই বিসিসির কর্মকর্তাদের সাথে আপসরফা করে ফের রাস্তাসহ গুরুত্বপূর্ণ স্থানে ভ্রাম্যমাণ দোকান বসাতে দেখা যায়।
অভিযোগ আছে, যখন যে সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক বা মেয়র হয়েছেন, তিনিই ফুটপাত দখলমুক্ত করতে উদ্যোগ নেন। কিন্তু কিছুদিনের মধ্যে আপসরফা করে ফের দখল দিয়ে ফেলেন ব্যবসায়ীরা। অবশ্য এতে জনপ্রতিনিধিদেরও স্বার্থ নিহিত থাকে বলে মন্তব্য পাওয়া যায়।
ফুটপাতের একাধিক ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীর সাথে আলাপচারিতায় জানা গেছে, বরিশাল সিটির সাবেক মেয়র আবুল খায়ের খোকন এবং সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহও উচ্ছেদের হুমকি দিয়ে অভিযান শুরু করেন। কিন্তু ব্যবসায়ী নেতারা সাক্ষাৎ লাভ এবং তাদের পক্ষে মিছিল-মিটিং করার অভয় দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেওয়ার পরে উচ্ছেদ অভিযান বন্ধ রাখা হয়। ব্যবসায়ীদের ধারনা ছিল, সাবেক মেয়রদের ন্যায় প্রশাসক শিরিনও ব্যক্তি স্বার্থ লুটতে উচ্ছেদ অভিযানে যাচ্ছেন, কিন্তু এবার তেমনটি হয়নি বা হওয়ার সম্ভবনা নেই। বরং শান্ত-স্নিগ্ধ কীর্তনখোলার তীর জনপদের এই শহরকে কী ভাবে পরিস্কার-পরিচ্ছন্ন এবং যানজটমুক্ত রাখা যায়, শিরিন সেই পথেই যেনো হাঁটছেন।
অবহেলিত বরিশাল শহরকে উন্নত এবং পরিচ্ছন্ন রাখতে প্রশাসক শিরিন যে কতটা অন্তরিক তা তার বিভিন্ন সময়ের বক্তব্য দেখলেও কিছুটা অনুমান করা যায়। প্রতাপশালী বিএনপি নেত্রী রোববার দুপুরে মুঠোফোনে বলেন, ছলচাতুরি করে জনগণের ভালোবাসা পাওয়ার সুযোগ নেই। কাজ এবং জনসেবা করে মানুষের ভালোবাসা অর্জন করতে হয়, তিনি সেই পথেই হাঁটছেন। প্রাথমিকভাবে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করাসহ যানজট নিরসনে পদক্ষেপ নিলেও আরও বেশ কিছু উদ্যোগ রয়েছে, যেগুলো পর্যায়ক্রমে বাস্তবায়ন করা হবে। এর মধ্যে শহরের ৩ নম্বর ওয়ার্ড থেকে ময়লাখোলা অপসাপরণ এবং স্বল্পসময়ের মধ্যে ভবন মালিকদের নির্মাণশৈলী প্রদানের বিষয়টি অগ্রাধিকারে রাখা হয়েছে। এছাড়াও বরিশাল শহরের উন্নয়ন নিয়ে প্রশাসক শিরিনের বহুমুখী চিন্তা-ভাবনা রয়েছে বলে জানা গেছে।
গত ১৪ মার্চ বরিশাল সিটির প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব পান বিএনপির বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক বিলকিস আক্তার জাহান শিরিন। এক মাস অতিক্রান্ত হওয়ার আগেই তার বেশ কিছু উদ্যোগ শহরবাসীকে বিমুগ্ধ করেছে। বিশেষ করে শহর থেকে ময়লাখোলা অপসারণ এবং ফুটপাথ দখলমুক্তকরণে তার উদ্যোগ আলোচনায় বেশিমাত্রায় গুরুত্ব পাচ্ছে। সাহসী শিরিনের এই যাত্রা অব্যাহত থাকলে এবং সেবার মাধ্যমে জনসমর্থন ধরে রাখতে সক্ষম হলে আগামী সিটি নির্বাচনে ধানের শীষের প্রার্থী হওয়ার সম্ভবনা প্রবল বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বোদ্ধারা।’
১৩ এপ্রিল, ২০২৬ ১৬:২৯
১৩ এপ্রিল, ২০২৬ ১৫:৪৭
১৩ এপ্রিল, ২০২৬ ১৪:৩৩
১৩ এপ্রিল, ২০২৬ ১৩:৩২