
১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ ১৩:০৩
আমার বাংলাদেশ (এবি) পার্টির সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ বলেছেন, 'আমি কথায় নয়, কাজে বিশ্বাস করি। আমার রাজনীতি হলো মানুষের কষ্ট দূর করার রাজনীতি। আমার রাজনীতি মানুষের সমস্যা সমাধান করার রাজনীতি। কার কী সমস্যা, কার কী প্রয়োজন, কার কী অভাব-অভিযোগ, সেটা জানার জন্য আমি মানুষের দ্বারে দ্বারে ছুটে বেড়াচ্ছি। মানুষ হিসেবে আমি আমার দায় ও দরদের জায়গা থেকে রাজনীতি করার চেষ্টা করি। আমাকে কিছু মানুষ মূল্যায়ন করে, আমার কথা শোনে, সেই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে নিজে এমপি-মন্ত্রী না হয়েও এলাকার মানুষের জন্য কিছু কাজ করার চেষ্টা করে যাচ্ছি। ইতোমধ্যে বরিশালে দেড় হাজার কোটি টাকার কাজ বরাদ্দ করিয়েছি। আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে সেসব কাজ দৃশ্যমান হবে।'
বৃহস্পতিবার বিকেলে বরিশালের বাবুগঞ্জ উপজেলার বিমানবন্দর প্রেসক্লাবে এক মতবিনিময় সভা ও সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন। বিমানবন্দর প্রেসক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ও সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) কমিটির উপজেলা সম্পাদক আরিফ আহমেদ মুন্নার সভাপতিত্বে সমসাময়িক বিভিন্ন সমস্যা, সম্ভাবনা ও উন্নয়ন পরিকল্পনা নিয়ে ওই মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন এবি পার্টির সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ।
প্রধান অতিথির বক্তৃতাকালে ব্যারিস্টার ফুয়াদ আরো বলেন, 'ভাঙ্গা থেকে কুয়াকাটা পর্যন্ত ৬ লেনের মহাসড়ক নির্মাণ কাজের প্রথম অংশ বরিশাল পর্যন্ত তদবির করে একনেকে পাস করিয়েছি। এছাড়াও বাবুগঞ্জ-মুলাদীর মধ্যবর্তী মীরগঞ্জ সেতুর কাজ আবার চালু করিয়েছি। এর পাশাপাশি বাবুগঞ্জের জাহাঙ্গীরনগর, কেদারপুর এবং চাঁদপাশায় নদী ভাঙন প্রতিরোধ, বীরশ্রেষ্ঠ ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীরের স্মৃতিচিহ্ন বসতবাড়ি রক্ষা, জাদুঘর মেরামত ও সংস্কার, রহমতপুর ও বাবুগঞ্জ বাজারের রাস্তা নির্মাণ, কলেজ গেট থেকে লাকুটিয়া পর্যন্ত সড়ক সংস্কারসহ উপজেলার ৩৬টি রাস্তা পাকাকরণ, ৬৭টি নতুন রাস্তা নির্মাণ, ৭৬টি মসজিদ-মন্দির সংস্কার, ৯৮টি টিউবওয়েল স্থাপন, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সংস্কার ও সেবার মান বৃদ্ধিসহ ৩টি ইউনিয়ন স্বাস্থ্যকেন্দ্র ও ১০টি কমিউনিটি ক্লিনিক সংস্কারের জন্য আবেদন করেছি। এর অনেকগুলো ইতোমধ্যে পাস হয়ে কাজ শুরু হয়ে গেছে। বাকিগুলোর কাজও পর্যায়ক্রমে দৃশ্যমান হবে।'
বিমানবন্দর প্রেসক্লাব সদস্য ও চর সাধুকাঠী সিনিয়র মাদ্রাসার প্রভাষক মনিরুজ্জামান খোকনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত ওই মতবিনিময় সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন এবি পার্টির বরিশাল জেলা ও মহানগরের সদস্য সচিব প্রকৌশলী জি.এম রাব্বি, যুগ্ম-আহবায়ক সুজন তালুকদার, যুগ্ম-সদস্য সচিব ডাঃ তানভীর আহমেদ, রায়হান উদ্দিন, বিমানবন্দর প্রেসক্লাবের আইন সম্পাদক ও বরিশাল জজকোর্টের এজিপি অ্যাডভোকেট জহিরুল ইসলাম মৃধা, প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক রোকন মিয়া, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক রুবেল সরদার, সাংগঠনিক সম্পাদক রফিকুল ইসলাম রনি, যুগ্ম-সাংগঠনিক সম্পাদক ও বাবুগঞ্জ ডিগ্রি কলেজের প্রভাষক শাহিন মাহমুদ, প্রচার সম্পাদক মহিউদ্দিন খাঁন রানা, কার্যনির্বাহী সদস্য ও ব্র্যাক কর্মকর্তা আবু হানিফ ফকির, সদস্য নবীন দাস, প্রকৌশলী মহসিন উদ্দিন শামীম প্রমুখ। ওই মতবিনিময় সভা ও সংবাদ সম্মেলনের আগে ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদকে বিমানবন্দর প্রেসক্লাবের পক্ষ থেকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানানো হয়। #
বিমানবন্দর প্রেসক্লাবের সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় সভায় বক্তব্য রাখছেন এবি পার্টির সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ।
আমার বাংলাদেশ (এবি) পার্টির সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ বলেছেন, 'আমি কথায় নয়, কাজে বিশ্বাস করি। আমার রাজনীতি হলো মানুষের কষ্ট দূর করার রাজনীতি। আমার রাজনীতি মানুষের সমস্যা সমাধান করার রাজনীতি। কার কী সমস্যা, কার কী প্রয়োজন, কার কী অভাব-অভিযোগ, সেটা জানার জন্য আমি মানুষের দ্বারে দ্বারে ছুটে বেড়াচ্ছি। মানুষ হিসেবে আমি আমার দায় ও দরদের জায়গা থেকে রাজনীতি করার চেষ্টা করি। আমাকে কিছু মানুষ মূল্যায়ন করে, আমার কথা শোনে, সেই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে নিজে এমপি-মন্ত্রী না হয়েও এলাকার মানুষের জন্য কিছু কাজ করার চেষ্টা করে যাচ্ছি। ইতোমধ্যে বরিশালে দেড় হাজার কোটি টাকার কাজ বরাদ্দ করিয়েছি। আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে সেসব কাজ দৃশ্যমান হবে।'
বৃহস্পতিবার বিকেলে বরিশালের বাবুগঞ্জ উপজেলার বিমানবন্দর প্রেসক্লাবে এক মতবিনিময় সভা ও সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন। বিমানবন্দর প্রেসক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ও সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) কমিটির উপজেলা সম্পাদক আরিফ আহমেদ মুন্নার সভাপতিত্বে সমসাময়িক বিভিন্ন সমস্যা, সম্ভাবনা ও উন্নয়ন পরিকল্পনা নিয়ে ওই মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন এবি পার্টির সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ।
প্রধান অতিথির বক্তৃতাকালে ব্যারিস্টার ফুয়াদ আরো বলেন, 'ভাঙ্গা থেকে কুয়াকাটা পর্যন্ত ৬ লেনের মহাসড়ক নির্মাণ কাজের প্রথম অংশ বরিশাল পর্যন্ত তদবির করে একনেকে পাস করিয়েছি। এছাড়াও বাবুগঞ্জ-মুলাদীর মধ্যবর্তী মীরগঞ্জ সেতুর কাজ আবার চালু করিয়েছি। এর পাশাপাশি বাবুগঞ্জের জাহাঙ্গীরনগর, কেদারপুর এবং চাঁদপাশায় নদী ভাঙন প্রতিরোধ, বীরশ্রেষ্ঠ ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীরের স্মৃতিচিহ্ন বসতবাড়ি রক্ষা, জাদুঘর মেরামত ও সংস্কার, রহমতপুর ও বাবুগঞ্জ বাজারের রাস্তা নির্মাণ, কলেজ গেট থেকে লাকুটিয়া পর্যন্ত সড়ক সংস্কারসহ উপজেলার ৩৬টি রাস্তা পাকাকরণ, ৬৭টি নতুন রাস্তা নির্মাণ, ৭৬টি মসজিদ-মন্দির সংস্কার, ৯৮টি টিউবওয়েল স্থাপন, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সংস্কার ও সেবার মান বৃদ্ধিসহ ৩টি ইউনিয়ন স্বাস্থ্যকেন্দ্র ও ১০টি কমিউনিটি ক্লিনিক সংস্কারের জন্য আবেদন করেছি। এর অনেকগুলো ইতোমধ্যে পাস হয়ে কাজ শুরু হয়ে গেছে। বাকিগুলোর কাজও পর্যায়ক্রমে দৃশ্যমান হবে।'
বিমানবন্দর প্রেসক্লাব সদস্য ও চর সাধুকাঠী সিনিয়র মাদ্রাসার প্রভাষক মনিরুজ্জামান খোকনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত ওই মতবিনিময় সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন এবি পার্টির বরিশাল জেলা ও মহানগরের সদস্য সচিব প্রকৌশলী জি.এম রাব্বি, যুগ্ম-আহবায়ক সুজন তালুকদার, যুগ্ম-সদস্য সচিব ডাঃ তানভীর আহমেদ, রায়হান উদ্দিন, বিমানবন্দর প্রেসক্লাবের আইন সম্পাদক ও বরিশাল জজকোর্টের এজিপি অ্যাডভোকেট জহিরুল ইসলাম মৃধা, প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক রোকন মিয়া, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক রুবেল সরদার, সাংগঠনিক সম্পাদক রফিকুল ইসলাম রনি, যুগ্ম-সাংগঠনিক সম্পাদক ও বাবুগঞ্জ ডিগ্রি কলেজের প্রভাষক শাহিন মাহমুদ, প্রচার সম্পাদক মহিউদ্দিন খাঁন রানা, কার্যনির্বাহী সদস্য ও ব্র্যাক কর্মকর্তা আবু হানিফ ফকির, সদস্য নবীন দাস, প্রকৌশলী মহসিন উদ্দিন শামীম প্রমুখ। ওই মতবিনিময় সভা ও সংবাদ সম্মেলনের আগে ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদকে বিমানবন্দর প্রেসক্লাবের পক্ষ থেকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানানো হয়। #

৩০ এপ্রিল, ২০২৬ ১৬:৪৬
বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (ববি) শিক্ষকদের পদোন্নতি সংক্রান্ত জটিলতা ও চলমান সংকট কাটিয়ে উঠতে প্রশাসনের শীর্ষ কর্মকর্তাদের সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ ত্রিপক্ষীয় বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) সকালে বিশ্ববিদ্যালয় উপাচার্য প্রফেসর ড. মোহাম্মদ তৌফিক আলমের সভাপতিত্বে এই সভা অনুষ্ঠিত হয়।
বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বাভাবিক পরিবেশ ফিরিয়ে আনতে সভায় প্রশাসনের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা অংশ নেন। উল্লেখযোগ্যদের মধ্যে ছিলেন- বরিশাল বিভাগীয় কমিশনার খলিল আহমেদ, রেঞ্জ ডিআইজি মোস্তাফিজুর রহমান, বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন অনুষদের ডিনরা। ডিনদের মধ্যে এ সময় সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ডিন ইসরাত জাহান লিজা, কলা অনুষদের ডিন ড. আব্দুল বাতেন, কম্পিউটার বিজ্ঞান অনুষদের ডিন রাহাত হোসেন ফয়সাল এবং জীববিজ্ঞান অনুষদের ডিন হাফিজ আশরাফুল ইসলাম বৈঠকে উপস্থিত হন।
দীর্ঘ আলোচনার পর উপাচার্য ও বিভাগীয় কমিশনার সাংবাদিকদের জানান, একাডেমিক কার্যক্রম পুনরায় সচল করার বিষয়ে ইতিবাচক অগ্রগতি হয়েছে। বিভাগীয় কমিশনার ও উপাচার্য শিক্ষকদের পদোন্নতি সংক্রান্ত দাবিগুলো নিয়ম অনুযায়ী পূরণের আশ্বাস দিয়েছেন।
এ বিষয়ে জীববিজ্ঞান অনুষদের ডিন ড. হাফিজ আশরাফুল হক বলেন, তারা (বিভাগীয় কমিশনার ও উপাচার্য) আমাদের বলেছেন, আপনারা আইন অনুযায়ী সব কিছু পাবেন। তারা আমাদের শিক্ষার্থীদের কথা বিবেচনা করে ক্লাসে ফিরে যাবার অনুরোধ জানিয়েছেন। এখন যেহেতু পূর্ববর্তী পুরো সিদ্ধান্ত আমরা সব শিক্ষকরা মিলে নিয়েছিলাম, তাই আবার সব শিক্ষকদের সঙ্গে রবি-সোমবারের মধ্যে বসে আলোচনা করে পরবর্তী সিদ্ধান্ত জানিয়ে দেব।
ইঞ্জিনিয়ারিং অনুষদের ডিন ও বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর ড. রাহাত হোসেন ফয়সাল বলেন, চলমান বিষয় নিয়ে আজকে বিভাগীয় কমিশনার ও ভিসির সঙ্গে ডিনদের মিটিং ছিল, সেখানে ছয় অনুষদের ছয়জন ডিনের মধ্যে পাঁচজন ডিন উপস্থিত ছিলেন।
তারা (বিভাগীয় কমিশনার ও ভিসি) আমাদের দাবির কিছু বিষয়ে আমাদের সঙ্গে একমত পোষণ করছেন এবং তারা বলেছেন, যত দ্রুত সম্ভব শিক্ষকদের এ বিষয়ে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে এবং পরবর্তীতে যত দ্রুত সম্ভব কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্যও বোর্ড বসানো হবে। এ ছাড়াও তারা আমাদের ক্লাস এবং পরীক্ষা নেয়ার জন্য অনুরোধ জানান।
বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মোহাম্মাদ তৌফিক আলম বলেন, আজকে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভাগীয় কমিশনার, ডিআইজি ডিনদের সঙ্গে একটা ত্রিপক্ষীয় মিটিং হয়েছে।
মিটিংয়ে আমরা আলাপ আলোচনার মাধ্যমে সিন্ধান্ত নিয়েছি, ক্লাস পরীক্ষা যেগুলো বন্ধ রয়েছে সেগুলো একাডেমিক কার্যক্রম শিক্ষকরা খুব দ্রুতই চালু করবে। একইসঙ্গে তাদের যে সমস্যাগুলো রয়েছে, সেগুলোর সমাধানের জন্য আগামী সিন্ডিকেটে সিন্ধান্ত নেয়া হবে। খুব শিগগিরই একটা সিন্ডিকেট সভা ডাকা হবে। সিন্ডিকেটে বিস্তারিত আলোচনার মাধ্যমে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।
বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (ববি) শিক্ষকদের পদোন্নতি সংক্রান্ত জটিলতা ও চলমান সংকট কাটিয়ে উঠতে প্রশাসনের শীর্ষ কর্মকর্তাদের সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ ত্রিপক্ষীয় বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) সকালে বিশ্ববিদ্যালয় উপাচার্য প্রফেসর ড. মোহাম্মদ তৌফিক আলমের সভাপতিত্বে এই সভা অনুষ্ঠিত হয়।
বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বাভাবিক পরিবেশ ফিরিয়ে আনতে সভায় প্রশাসনের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা অংশ নেন। উল্লেখযোগ্যদের মধ্যে ছিলেন- বরিশাল বিভাগীয় কমিশনার খলিল আহমেদ, রেঞ্জ ডিআইজি মোস্তাফিজুর রহমান, বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন অনুষদের ডিনরা। ডিনদের মধ্যে এ সময় সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ডিন ইসরাত জাহান লিজা, কলা অনুষদের ডিন ড. আব্দুল বাতেন, কম্পিউটার বিজ্ঞান অনুষদের ডিন রাহাত হোসেন ফয়সাল এবং জীববিজ্ঞান অনুষদের ডিন হাফিজ আশরাফুল ইসলাম বৈঠকে উপস্থিত হন।
দীর্ঘ আলোচনার পর উপাচার্য ও বিভাগীয় কমিশনার সাংবাদিকদের জানান, একাডেমিক কার্যক্রম পুনরায় সচল করার বিষয়ে ইতিবাচক অগ্রগতি হয়েছে। বিভাগীয় কমিশনার ও উপাচার্য শিক্ষকদের পদোন্নতি সংক্রান্ত দাবিগুলো নিয়ম অনুযায়ী পূরণের আশ্বাস দিয়েছেন।
এ বিষয়ে জীববিজ্ঞান অনুষদের ডিন ড. হাফিজ আশরাফুল হক বলেন, তারা (বিভাগীয় কমিশনার ও উপাচার্য) আমাদের বলেছেন, আপনারা আইন অনুযায়ী সব কিছু পাবেন। তারা আমাদের শিক্ষার্থীদের কথা বিবেচনা করে ক্লাসে ফিরে যাবার অনুরোধ জানিয়েছেন। এখন যেহেতু পূর্ববর্তী পুরো সিদ্ধান্ত আমরা সব শিক্ষকরা মিলে নিয়েছিলাম, তাই আবার সব শিক্ষকদের সঙ্গে রবি-সোমবারের মধ্যে বসে আলোচনা করে পরবর্তী সিদ্ধান্ত জানিয়ে দেব।
ইঞ্জিনিয়ারিং অনুষদের ডিন ও বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর ড. রাহাত হোসেন ফয়সাল বলেন, চলমান বিষয় নিয়ে আজকে বিভাগীয় কমিশনার ও ভিসির সঙ্গে ডিনদের মিটিং ছিল, সেখানে ছয় অনুষদের ছয়জন ডিনের মধ্যে পাঁচজন ডিন উপস্থিত ছিলেন।
তারা (বিভাগীয় কমিশনার ও ভিসি) আমাদের দাবির কিছু বিষয়ে আমাদের সঙ্গে একমত পোষণ করছেন এবং তারা বলেছেন, যত দ্রুত সম্ভব শিক্ষকদের এ বিষয়ে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে এবং পরবর্তীতে যত দ্রুত সম্ভব কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্যও বোর্ড বসানো হবে। এ ছাড়াও তারা আমাদের ক্লাস এবং পরীক্ষা নেয়ার জন্য অনুরোধ জানান।
বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মোহাম্মাদ তৌফিক আলম বলেন, আজকে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভাগীয় কমিশনার, ডিআইজি ডিনদের সঙ্গে একটা ত্রিপক্ষীয় মিটিং হয়েছে।
মিটিংয়ে আমরা আলাপ আলোচনার মাধ্যমে সিন্ধান্ত নিয়েছি, ক্লাস পরীক্ষা যেগুলো বন্ধ রয়েছে সেগুলো একাডেমিক কার্যক্রম শিক্ষকরা খুব দ্রুতই চালু করবে। একইসঙ্গে তাদের যে সমস্যাগুলো রয়েছে, সেগুলোর সমাধানের জন্য আগামী সিন্ডিকেটে সিন্ধান্ত নেয়া হবে। খুব শিগগিরই একটা সিন্ডিকেট সভা ডাকা হবে। সিন্ডিকেটে বিস্তারিত আলোচনার মাধ্যমে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।

২৯ এপ্রিল, ২০২৬ ২৩:৪২
দীর্ঘদিন অচল অবস্থায় পড়ে থাকা দুটি ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্টের মধ্যে বরিশাল নগরীর রুপাতলী ১৬ এম.এল.ডি সারফেস ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্ট মেরামত, উন্নয়ন ও ব্যবহার উপযোগী করে পুনরায় সচল করে আজ উদ্বোধন করেছেন বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক এডভোকেট বিলকিস আক্তার জাহান শিরিন।
২৯ এপ্রিল বেলা বারোটার দিকে দোয়া মোনাজাতের মধ্য দিয়ে ফিতা কেটে এর উদ্বোধন করা হয়। এ সময় বিসিসি প্রশাসক বলেন, এটি উদ্বোধনের ফলে নগরবাসীর বিশুদ্ধ পানি পাবে। তাছাড়া ভূগর্ভস্থ পানি উত্তোলনের ফলে বরিশাল শহর যেভাবে নিচের দিকে দেবে যাচ্ছে তা থেকে এই নগরী রক্ষা পাবে। ডিপটিওবয়েল এবং সাবমারসিবল পাম্প বসানোর ক্ষেত্রে নগরবাসীকে সচেতন হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
এদিকে উদ্বোধনের পর রুপাতলী এলাকার ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্লান্ট সন্নিকটে দোকানদাররা জানান, ওই এলাকায় পানি সরবরাহ নাই। পানি সংযোগ এখনো সব জায়গায় পৌঁছায়নি বলে দাবি করেন তারা।
সিটি কর্পোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা জানান, যে দুটি ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্লান্ট সচল করা হয়েছে, সেগুলো দিয়ে নগরবাসীর পানির অর্ধেক চাহিদা মিটবে। বাকি আরও দুটো প্লান্ট করার পরিকল্পনা রয়েছে, সে দুটি নির্মাণকাজ সম্পন্ন হলে নগরবাসীর চাহিদা পূরণ হবে।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন বিসিসি প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা রেজাউল বারী, প্রধান প্রকৌশলী মো. হুমায়ুন কবির এবং পানি শাখার নির্বাহী প্রকৌশলী ওমর ফারুকসহ বিসিসির বিভিন্ন শাখার কর্মকর্তাবৃন্দ।’
দীর্ঘদিন অচল অবস্থায় পড়ে থাকা দুটি ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্টের মধ্যে বরিশাল নগরীর রুপাতলী ১৬ এম.এল.ডি সারফেস ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্ট মেরামত, উন্নয়ন ও ব্যবহার উপযোগী করে পুনরায় সচল করে আজ উদ্বোধন করেছেন বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক এডভোকেট বিলকিস আক্তার জাহান শিরিন।
২৯ এপ্রিল বেলা বারোটার দিকে দোয়া মোনাজাতের মধ্য দিয়ে ফিতা কেটে এর উদ্বোধন করা হয়। এ সময় বিসিসি প্রশাসক বলেন, এটি উদ্বোধনের ফলে নগরবাসীর বিশুদ্ধ পানি পাবে। তাছাড়া ভূগর্ভস্থ পানি উত্তোলনের ফলে বরিশাল শহর যেভাবে নিচের দিকে দেবে যাচ্ছে তা থেকে এই নগরী রক্ষা পাবে। ডিপটিওবয়েল এবং সাবমারসিবল পাম্প বসানোর ক্ষেত্রে নগরবাসীকে সচেতন হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
এদিকে উদ্বোধনের পর রুপাতলী এলাকার ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্লান্ট সন্নিকটে দোকানদাররা জানান, ওই এলাকায় পানি সরবরাহ নাই। পানি সংযোগ এখনো সব জায়গায় পৌঁছায়নি বলে দাবি করেন তারা।
সিটি কর্পোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা জানান, যে দুটি ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্লান্ট সচল করা হয়েছে, সেগুলো দিয়ে নগরবাসীর পানির অর্ধেক চাহিদা মিটবে। বাকি আরও দুটো প্লান্ট করার পরিকল্পনা রয়েছে, সে দুটি নির্মাণকাজ সম্পন্ন হলে নগরবাসীর চাহিদা পূরণ হবে।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন বিসিসি প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা রেজাউল বারী, প্রধান প্রকৌশলী মো. হুমায়ুন কবির এবং পানি শাখার নির্বাহী প্রকৌশলী ওমর ফারুকসহ বিসিসির বিভিন্ন শাখার কর্মকর্তাবৃন্দ।’

২৯ এপ্রিল, ২০২৬ ২২:০৩
রাজনৈতিক মামলায় কারান্তরীণ থাকাবস্থায় বাবার আকস্মিক মৃত্যুর পরও লাশ দেখতে প্যারোলে মুক্তি মেলেনি নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের বরিশাল মহানগরের ১৫ নম্বর ওয়ার্ড সভাপতি মো.শাহরুখ খানের। পরে বাবার মরদেহ বরিশাল কেন্দ্রীয় কারাগারে নিয়ে সন্তানকে শেষবার দেখার সুযোগ দেওয়া হয়। এ ঘটনায় শাহরুখের স্বজনেরা হতাশা প্রকাশ করেছেন।
গত শুক্রবার রাতে নগরীর ১৫ নম্বর ওয়ার্ডের নিউ সার্কুলার রোডে নিজ বাসা থেকে পুলিশ ওয়ার্ড সভাপতি শাহরুখকে গ্রেপ্তার করে। এর পর থেকে তিনি বরিশাল কেন্দ্রীয় কারাগারে রয়েছেন।
বুধবার (২৯ এপ্রিল) সকালে হৃদ্রোগে আক্রান্ত হয়ে তাঁর বাবা আবুল বাশার খান (৫৮) মারা যান। বটতলা টেম্পুস্ট্যান্ডে লাইনম্যানের চাকরি করতেন আবুল বাশার।
শাহরুখের পরিবারের পক্ষ থেকে জানান, শাহরুখের প্যারোলে মুক্তির জন্য জেলা প্রশাসকের দপ্তরে আবেদন করেছিলেন। সেখানে প্রায় দেড় ঘণ্টা তাঁদের বসিয়ে রাখা হয়। এরপর একজন ম্যাজিস্ট্রেট এসে বলেন, ‘আপনারা কারাগারে যান, আমরা সেখানে বলে দিচ্ছি।’
সাগর অভিযোগ করেন, কারাগারে যাওয়ার পর সেখানকার কর্মকর্তারা জানান, জেলা প্রশাসকের দপ্তর থেকে তাঁদের কিছু জানানো হয়নি। পরে বিকেল ৪টায় মরদেহ অ্যাম্বুলেন্সে করে কারাগারে নেওয়া হয়। ৪টার দিকে মরদেহের সঙ্গে তিনজনকে কারাগারে ঢুকতে দেওয়া হয়। মরদেহ দেখার জন্য কারা আন্তঃস্থলে মাত্র পাঁচ মিনিট থাকতে দেওয়া হয়। নগরীর নিউ সার্কুলার রোড গাজিবাড়ি মসজিদে বাদ আসর শাহরুখের বাবার প্রথম জানাজা শেষে গ্রামের বাড়ি সদর উপজেলার করাপুর ইউনিয়নের পপুলার এলাকায় দাফন সম্পন্ন হয়।
সাগর আরও জানান, শাহরুখ ৫ আগস্টের পরে হওয়া আটটি মামলায় অভিযুক্ত ছিলেন। গ্রেপ্তারের পর তাঁকে আরও তিনটি মামলায় আসামি করা হয়।
শাহরুখের আইনজীবী অ্যাডভোকেট মিজানুর রহমান মিন্টু জানান, তাঁর মক্কেলের প্যারোলে মুক্তির আবেদন জেলা প্রশাসক বরাবর করা হয়েছিল, কিন্তু আবেদন গ্রহণ করা হয়নি।
এ প্রসঙ্গে জানতে বরিশাল কেন্দ্রীয় কারাগারের জেলার মোহাম্মদ মাহবুব কবিরকে একাধিকবার ফোন দেওয়া হলেও তিনি রিসিভ করেননি।
বরিশালের জেলা প্রশাসক মো. খায়রুল আলম সুমনও ফোন রিসিভ করেননি।
বরিশাল টাইমস
রাজনৈতিক মামলায় কারান্তরীণ থাকাবস্থায় বাবার আকস্মিক মৃত্যুর পরও লাশ দেখতে প্যারোলে মুক্তি মেলেনি নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের বরিশাল মহানগরের ১৫ নম্বর ওয়ার্ড সভাপতি মো.শাহরুখ খানের। পরে বাবার মরদেহ বরিশাল কেন্দ্রীয় কারাগারে নিয়ে সন্তানকে শেষবার দেখার সুযোগ দেওয়া হয়। এ ঘটনায় শাহরুখের স্বজনেরা হতাশা প্রকাশ করেছেন।
গত শুক্রবার রাতে নগরীর ১৫ নম্বর ওয়ার্ডের নিউ সার্কুলার রোডে নিজ বাসা থেকে পুলিশ ওয়ার্ড সভাপতি শাহরুখকে গ্রেপ্তার করে। এর পর থেকে তিনি বরিশাল কেন্দ্রীয় কারাগারে রয়েছেন।
বুধবার (২৯ এপ্রিল) সকালে হৃদ্রোগে আক্রান্ত হয়ে তাঁর বাবা আবুল বাশার খান (৫৮) মারা যান। বটতলা টেম্পুস্ট্যান্ডে লাইনম্যানের চাকরি করতেন আবুল বাশার।
শাহরুখের পরিবারের পক্ষ থেকে জানান, শাহরুখের প্যারোলে মুক্তির জন্য জেলা প্রশাসকের দপ্তরে আবেদন করেছিলেন। সেখানে প্রায় দেড় ঘণ্টা তাঁদের বসিয়ে রাখা হয়। এরপর একজন ম্যাজিস্ট্রেট এসে বলেন, ‘আপনারা কারাগারে যান, আমরা সেখানে বলে দিচ্ছি।’
সাগর অভিযোগ করেন, কারাগারে যাওয়ার পর সেখানকার কর্মকর্তারা জানান, জেলা প্রশাসকের দপ্তর থেকে তাঁদের কিছু জানানো হয়নি। পরে বিকেল ৪টায় মরদেহ অ্যাম্বুলেন্সে করে কারাগারে নেওয়া হয়। ৪টার দিকে মরদেহের সঙ্গে তিনজনকে কারাগারে ঢুকতে দেওয়া হয়। মরদেহ দেখার জন্য কারা আন্তঃস্থলে মাত্র পাঁচ মিনিট থাকতে দেওয়া হয়। নগরীর নিউ সার্কুলার রোড গাজিবাড়ি মসজিদে বাদ আসর শাহরুখের বাবার প্রথম জানাজা শেষে গ্রামের বাড়ি সদর উপজেলার করাপুর ইউনিয়নের পপুলার এলাকায় দাফন সম্পন্ন হয়।
সাগর আরও জানান, শাহরুখ ৫ আগস্টের পরে হওয়া আটটি মামলায় অভিযুক্ত ছিলেন। গ্রেপ্তারের পর তাঁকে আরও তিনটি মামলায় আসামি করা হয়।
শাহরুখের আইনজীবী অ্যাডভোকেট মিজানুর রহমান মিন্টু জানান, তাঁর মক্কেলের প্যারোলে মুক্তির আবেদন জেলা প্রশাসক বরাবর করা হয়েছিল, কিন্তু আবেদন গ্রহণ করা হয়নি।
এ প্রসঙ্গে জানতে বরিশাল কেন্দ্রীয় কারাগারের জেলার মোহাম্মদ মাহবুব কবিরকে একাধিকবার ফোন দেওয়া হলেও তিনি রিসিভ করেননি।
বরিশালের জেলা প্রশাসক মো. খায়রুল আলম সুমনও ফোন রিসিভ করেননি।
বরিশাল টাইমস
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
৩০ এপ্রিল, ২০২৬ ১৬:৪৬
৩০ এপ্রিল, ২০২৬ ১৬:৩৩
৩০ এপ্রিল, ২০২৬ ১৫:১৭
৩০ এপ্রিল, ২০২৬ ১৪:০৯