
০৪ অক্টোবর, ২০২৫ ১৫:১৫
গত সেপ্টেম্বর মাসে দেশে ৪৪৬টি সড়ক দুর্ঘটনায় ৪১৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। এসব দুর্ঘটনায় আহত হয়েছেন অন্তত আরো ৬৮২ জন। এই সময়ে ১৭টি নৌ-দুর্ঘটনায় ২১ জন নিহত এবং ৬ জন নিখোঁজ রয়েছেন। ২৯টি রেলপথ দুর্ঘটনায় ২৭ জন নিহত এবং ১৩ জন আহত হয়েছেন।
শনিবার (০৪ অক্টোবর) রোড সেফটি ফাউন্ডেশনের প্রকাশিত দুর্ঘটনা সংক্রান্ত মাসিক প্রতিবেদনে এসব তথ্য উঠে এসেছে। বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত খবর এবং সংগঠনটির নিজস্ব তথ্যের ভিত্তিতে এই প্রতিবেদনটি তৈরি করা হয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, নিহতের মধ্যে ৬৩ নারী ও ৪৭ শিশু জন শিশু রয়েছে। ১৫১টি মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছেন ১৪৩ জন, যা মোট নিহতের ৩৪দশমিক ২৯ শতাংশ। মোটরসাইকেল দুর্ঘটনার হার ৩৩ দশমিক ৮৫ শতাংশ। দুর্ঘটনায় ১১২ জন পথচারী নিহত হয়েছেন, যা মোট নিহতের ২৬ দশমিক ৮৫ শতাংশ। যানবাহনের চালক ও সহকারী নিহত হয়েছেন ৫৬ জন, অর্থাৎ ১৩ দশমিক ৪২ শতাংশ। এ ছাড়া সড়ক দুর্ঘটনায় গত মাসে ৪৯ জন শিক্ষার্থী নিহত হয়েছেন।
রোড সেফটি ফাউন্ডেশনের পর্যবেক্ষণ ও বিশ্লেষণ বলছে, দুর্ঘটনাগুলোর মধ্যে ১৬১টি জাতীয় মহাসড়কে, ১৩৯টি আঞ্চলিক সড়কে, ৫৭টি গ্রামীণ সড়কে এবং ৮৯টি শহরের সড়কে সংঘটিত হয়েছে। দুর্ঘটনাগুলোর ৯২টি মুখোমুখি সংঘর্ষ, ১৭১টি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে, ১১৯টি পথচারীকে চাপা/ধাক্কা দেয়া, ৫৮টি যানবাহনের পেছনে আঘাত করা এবং ৬টি অন্যান্য কারণে ঘটেছে।
ঢাকা বিভাগে সবচেয়ে বেশি ১২৮টি দুর্ঘটনায় ১২৪ জন নিহত হয়েছেন। বরিশাল বিভাগে সবচেয়ে কম ১৬টি দুর্ঘটনায় ১৪ জন নিহত হয়েছেন। একক জেলা হিসেবে চট্টগ্রাম জেলায় ৫২টি দুর্ঘটনায় ৪৫ জন নিহত হয়েছেন। সবচেয়ে কম মাগুরা জেলায়। এই জেলায় ৮টি দুর্ঘটনায় একজন নিহত হয়েছেন। রাজধানী ঢাকায় ৪২টি সড়ক দুর্ঘটনায় ১৮ জন নিহত এবং ৩৩ জন আহত হয়েছেন।
সড়ক দুর্ঘটনার প্রধান কারণগুলো উল্লেখ করতে গিয়ে ত্রুটিপূর্ণ যানবাহন; ত্রুটিপূর্ণ সড়ক; বেপরোয়া গতি; চালকদের বেপরোয়া মানসিকতা, অদক্ষতা ও শারীরিক-মানসিক অসুস্থতা; মহাসড়কে স্বল্পগতির যানবাহন চলাচল; দুর্বল ট্রাফিক ব্যবস্থাপনার কথা বলা হয়।
দুর্ঘটনা পর্যালোচনা করতে গিয়ে রোড সেফটি ফাউন্ডেশনের প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, অধিকাংশ দুর্ঘটনা ঘটছে অতিরিক্ত গতির কারণে যানবাহন নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে। এই গতি নিয়ন্ত্রণে প্রযুক্তির মাধ্যমে নজরদারী এবং চালকদের মোটিভেশনাল প্রশিক্ষণ দরকার। যানবাহনের বেপরোয়া গতি এবং পথচারীদের অসচেতনতার কারণে পথচারী নিহতের ঘটনা বাড়ছে। এ জন্য সরকারি উদ্যোগে গণমাধ্যম এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাপকভাবে জীবনমুখী সচেতনতামূলক প্রচারণা চালাতে হবে।
গত সেপ্টেম্বর মাসে দেশে ৪৪৬টি সড়ক দুর্ঘটনায় ৪১৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। এসব দুর্ঘটনায় আহত হয়েছেন অন্তত আরো ৬৮২ জন। এই সময়ে ১৭টি নৌ-দুর্ঘটনায় ২১ জন নিহত এবং ৬ জন নিখোঁজ রয়েছেন। ২৯টি রেলপথ দুর্ঘটনায় ২৭ জন নিহত এবং ১৩ জন আহত হয়েছেন।
শনিবার (০৪ অক্টোবর) রোড সেফটি ফাউন্ডেশনের প্রকাশিত দুর্ঘটনা সংক্রান্ত মাসিক প্রতিবেদনে এসব তথ্য উঠে এসেছে। বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত খবর এবং সংগঠনটির নিজস্ব তথ্যের ভিত্তিতে এই প্রতিবেদনটি তৈরি করা হয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, নিহতের মধ্যে ৬৩ নারী ও ৪৭ শিশু জন শিশু রয়েছে। ১৫১টি মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছেন ১৪৩ জন, যা মোট নিহতের ৩৪দশমিক ২৯ শতাংশ। মোটরসাইকেল দুর্ঘটনার হার ৩৩ দশমিক ৮৫ শতাংশ। দুর্ঘটনায় ১১২ জন পথচারী নিহত হয়েছেন, যা মোট নিহতের ২৬ দশমিক ৮৫ শতাংশ। যানবাহনের চালক ও সহকারী নিহত হয়েছেন ৫৬ জন, অর্থাৎ ১৩ দশমিক ৪২ শতাংশ। এ ছাড়া সড়ক দুর্ঘটনায় গত মাসে ৪৯ জন শিক্ষার্থী নিহত হয়েছেন।
রোড সেফটি ফাউন্ডেশনের পর্যবেক্ষণ ও বিশ্লেষণ বলছে, দুর্ঘটনাগুলোর মধ্যে ১৬১টি জাতীয় মহাসড়কে, ১৩৯টি আঞ্চলিক সড়কে, ৫৭টি গ্রামীণ সড়কে এবং ৮৯টি শহরের সড়কে সংঘটিত হয়েছে। দুর্ঘটনাগুলোর ৯২টি মুখোমুখি সংঘর্ষ, ১৭১টি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে, ১১৯টি পথচারীকে চাপা/ধাক্কা দেয়া, ৫৮টি যানবাহনের পেছনে আঘাত করা এবং ৬টি অন্যান্য কারণে ঘটেছে।
ঢাকা বিভাগে সবচেয়ে বেশি ১২৮টি দুর্ঘটনায় ১২৪ জন নিহত হয়েছেন। বরিশাল বিভাগে সবচেয়ে কম ১৬টি দুর্ঘটনায় ১৪ জন নিহত হয়েছেন। একক জেলা হিসেবে চট্টগ্রাম জেলায় ৫২টি দুর্ঘটনায় ৪৫ জন নিহত হয়েছেন। সবচেয়ে কম মাগুরা জেলায়। এই জেলায় ৮টি দুর্ঘটনায় একজন নিহত হয়েছেন। রাজধানী ঢাকায় ৪২টি সড়ক দুর্ঘটনায় ১৮ জন নিহত এবং ৩৩ জন আহত হয়েছেন।
সড়ক দুর্ঘটনার প্রধান কারণগুলো উল্লেখ করতে গিয়ে ত্রুটিপূর্ণ যানবাহন; ত্রুটিপূর্ণ সড়ক; বেপরোয়া গতি; চালকদের বেপরোয়া মানসিকতা, অদক্ষতা ও শারীরিক-মানসিক অসুস্থতা; মহাসড়কে স্বল্পগতির যানবাহন চলাচল; দুর্বল ট্রাফিক ব্যবস্থাপনার কথা বলা হয়।
দুর্ঘটনা পর্যালোচনা করতে গিয়ে রোড সেফটি ফাউন্ডেশনের প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, অধিকাংশ দুর্ঘটনা ঘটছে অতিরিক্ত গতির কারণে যানবাহন নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে। এই গতি নিয়ন্ত্রণে প্রযুক্তির মাধ্যমে নজরদারী এবং চালকদের মোটিভেশনাল প্রশিক্ষণ দরকার। যানবাহনের বেপরোয়া গতি এবং পথচারীদের অসচেতনতার কারণে পথচারী নিহতের ঘটনা বাড়ছে। এ জন্য সরকারি উদ্যোগে গণমাধ্যম এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাপকভাবে জীবনমুখী সচেতনতামূলক প্রচারণা চালাতে হবে।
১৫ এপ্রিল, ২০২৬ ২২:৩৩
১৫ এপ্রিল, ২০২৬ ২২:১৩
১৫ এপ্রিল, ২০২৬ ১৯:২৩
১৫ এপ্রিল, ২০২৬ ১৮:১৪

১৪ এপ্রিল, ২০২৬ ১৬:৩০
অপরিশোধিত (ক্রুড) তেলের তীব্র সংকটে দেশের একমাত্র রাষ্ট্রায়ত্ত তেল শোধনাগার ইস্টার্ন রিফাইনারি পিএলসি লিমিটেডের (ইআরএল) পরিশোধন কার্যক্রম বন্ধ হয়ে গেছে। রোববার বিকেলে (১২ এপ্রিল) শেষবারের মতো উৎপাদন চালানোর পর কার্যক্রম স্থগিত করা হয় বলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।
মধ্যপ্রাচ্যে ইরানকে ঘিরে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক উত্তেজনার জেরে সৃষ্ট অস্থিরতায় গত প্রায় দুই মাস ধরে দেশে ক্রুড তেল আমদানি কার্যত বন্ধ রয়েছে। এতে কাঁচামালের অভাবে উৎপাদন চালিয়ে যাওয়া সম্ভব হয়নি বলে জানিয়েছেন ইআরএল সংশ্লিষ্টরা। তবে জ্বালানি বিভাগ বলছে, দেশে পরিশোধিত জ্বালানি তেলের পর্যাপ্ত মজুত থাকায় সরবরাহ ব্যবস্থায় তাৎক্ষণিক কোনো প্রভাব পড়বে না।
ডেডস্টক দিয়ে শেষ চেষ্টা
ইআরএল কর্মকর্তারা জানান, উৎপাদন সচল রাখতে সর্বশেষ পর্যায়ে মহেশখালীর সিঙ্গেল পয়েন্ট মুরিং (এসপিএম) পাইপলাইনে জমে থাকা প্রায় পাঁচ হাজার টন এবং ট্যাংকের তলানিতে জমে থাকা (ডেডস্টক) ক্রুড তেল ব্যবহার করা হয়। সাধারণত এই ডেডস্টক সরাসরি ব্যবহার করা ঝুঁকিপূর্ণ, কারণ এতে ময়লা ও বর্জ্য জমে থাকে।
এক কর্মকর্তা বলেন, ডেডস্টকের তেলে থাকা বর্জ্য পাম্পে আটকে যেতে পারে, এতে যন্ত্রপাতি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার ঝুঁকি থাকে। তাই এটি দীর্ঘ সময় ব্যবহার করা নিরাপদ নয়। আরেক কর্মকর্তা জানান, ট্যাংকের তলানির ব্যবহারযোগ্য সীমা ১ দশমিক ৫ মিটার হলেও তা রোববার এক মিটারের নিচে নেমে আসে। ফলে উৎপাদন চালিয়ে যাওয়া আর সম্ভব হয়নি।
উৎপাদন কমিয়ে আনা হয়েছিল আগেই
ইআরএল সাধারণত প্রতিদিন গড়ে সাড়ে চার হাজার টন ক্রুড তেল পরিশোধন করে। তবে সংকট শুরুর পর গত মাস থেকেই উৎপাদন কমিয়ে দৈনিক সাড়ে তিন হাজার টনে নামিয়ে আনা হয়। সর্বশেষ পর্যায়ে ব্যবহারযোগ্য মজুত দুই হাজার টনের নিচে নেমে যায়।
আমদানি বন্ধের প্রভাব
দেশে সর্বশেষ ক্রুড তেলের চালান আসে ১৮ ফেব্রুয়ারি। এরপর পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলের প্রধান নৌপথ হরমুজ প্রণালিতে অস্থিরতা সৃষ্টি হওয়ায় আমদানি ব্যাহত হয়। এর ফলে সৌদি আরবের রাস তানুরা ও আবুধাবি থেকে নির্ধারিত দুটি চালান বাতিল করতে হয়েছে। ফলে টানা ৫৪ দিন কোনো ক্রুড তেল দেশে আসেনি, যা ইআরএলের ইতিহাসে বিরল ঘটনা বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
বিকল্প পথে নতুন চালান
বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি) জানিয়েছে, সৌদি আরামকোর কাছ থেকে এক লাখ টন ক্রুড তেল আমদানির নিশ্চয়তা পাওয়া গেছে। এ জন্য ঋণপত্র খোলা হয়েছে। সংযুক্ত আরব আমিরাতের ফুজাইরাহ বন্দর থেকে ২১ এপ্রিল চালানটি জাহাজীকরণের কথা রয়েছে। এই চালান পারস্য উপসাগর এড়িয়ে সরাসরি আরব সাগর হয়ে মে মাসের প্রথম সপ্তাহে দেশে পৌঁছাতে পারে বলে আশা করা হচ্ছে।
সীমিত সক্ষমতা, নির্ভরতা বেশি
ইআরএলে মূলত সৌদি আরবের ‘অ্যারাবিয়ান লাইট’ এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের ‘মারবান’ ক্রুড পরিশোধন করা যায়। অন্য ধরনের ক্রুড প্রক্রিয়াজাত করার সক্ষমতা নেই। এ কারণে বিকল্প উৎস থেকে দ্রুত তেল সংগ্রহ করা কঠিন হয়ে পড়েছে। বর্তমানে সরকার মালয়েশিয়াভিত্তিক একটি প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে এক লাখ টন ক্রুড তেল কেনার প্রস্তাব অনুমোদন করেছে, তবে এর ব্যয় এখনও চূড়ান্ত হয়নি।
মজুতেই ভরসা
বিপিসির তথ্যমতে, দেশে বছরে ৬৫ থেকে ৬৮ লাখ টন জ্বালানি তেল আমদানি করা হয়। এর মধ্যে প্রায় ১৫ লাখ টন ক্রুড তেল, যা ইআরএলে পরিশোধন করা হয়। বাকি প্রায় ৪৫ লাখ টন পরিশোধিত তেল সরাসরি আমদানি করা হয় ভারত, চীনসহ বিভিন্ন দেশ থেকে।
মার্চ মাসে চট্টগ্রাম বন্দরে ১৭টি জাহাজে বিভিন্ন ধরনের জ্বালানি তেল আসে। এর মধ্যে মালয়েশিয়া ও সিঙ্গাপুর থেকে দুই লাখ ৩১ হাজার টনের বেশি ডিজেল আমদানি করা হয়। এপ্রিলেও কয়েকটি চালান এসে পৌঁছেছে।
তাৎক্ষণিক সংকট নেই
জ্বালানি খাতের কর্মকর্তারা বলছেন, ইআরএলের উৎপাদন বন্ধ হলেও আপাতত জ্বালানি সরবরাহে কোনো বড় ধরনের সংকট তৈরি হবে না। কারণ, যুদ্ধ শুরুর পর বেশি দামে হলেও সরকার আগাম পরিশোধিত জ্বালানি তেল আমদানি বাড়িয়ে মজুত নিশ্চিত করেছে।
তবে পরিস্থিতি দীর্ঘায়িত হলে সরবরাহ ব্যবস্থায় চাপ তৈরি হতে পারে বলে সতর্ক করেছেন সংশ্লিষ্টরা।
অপরিশোধিত (ক্রুড) তেলের তীব্র সংকটে দেশের একমাত্র রাষ্ট্রায়ত্ত তেল শোধনাগার ইস্টার্ন রিফাইনারি পিএলসি লিমিটেডের (ইআরএল) পরিশোধন কার্যক্রম বন্ধ হয়ে গেছে। রোববার বিকেলে (১২ এপ্রিল) শেষবারের মতো উৎপাদন চালানোর পর কার্যক্রম স্থগিত করা হয় বলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।
মধ্যপ্রাচ্যে ইরানকে ঘিরে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক উত্তেজনার জেরে সৃষ্ট অস্থিরতায় গত প্রায় দুই মাস ধরে দেশে ক্রুড তেল আমদানি কার্যত বন্ধ রয়েছে। এতে কাঁচামালের অভাবে উৎপাদন চালিয়ে যাওয়া সম্ভব হয়নি বলে জানিয়েছেন ইআরএল সংশ্লিষ্টরা। তবে জ্বালানি বিভাগ বলছে, দেশে পরিশোধিত জ্বালানি তেলের পর্যাপ্ত মজুত থাকায় সরবরাহ ব্যবস্থায় তাৎক্ষণিক কোনো প্রভাব পড়বে না।
ডেডস্টক দিয়ে শেষ চেষ্টা
ইআরএল কর্মকর্তারা জানান, উৎপাদন সচল রাখতে সর্বশেষ পর্যায়ে মহেশখালীর সিঙ্গেল পয়েন্ট মুরিং (এসপিএম) পাইপলাইনে জমে থাকা প্রায় পাঁচ হাজার টন এবং ট্যাংকের তলানিতে জমে থাকা (ডেডস্টক) ক্রুড তেল ব্যবহার করা হয়। সাধারণত এই ডেডস্টক সরাসরি ব্যবহার করা ঝুঁকিপূর্ণ, কারণ এতে ময়লা ও বর্জ্য জমে থাকে।
এক কর্মকর্তা বলেন, ডেডস্টকের তেলে থাকা বর্জ্য পাম্পে আটকে যেতে পারে, এতে যন্ত্রপাতি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার ঝুঁকি থাকে। তাই এটি দীর্ঘ সময় ব্যবহার করা নিরাপদ নয়। আরেক কর্মকর্তা জানান, ট্যাংকের তলানির ব্যবহারযোগ্য সীমা ১ দশমিক ৫ মিটার হলেও তা রোববার এক মিটারের নিচে নেমে আসে। ফলে উৎপাদন চালিয়ে যাওয়া আর সম্ভব হয়নি।
উৎপাদন কমিয়ে আনা হয়েছিল আগেই
ইআরএল সাধারণত প্রতিদিন গড়ে সাড়ে চার হাজার টন ক্রুড তেল পরিশোধন করে। তবে সংকট শুরুর পর গত মাস থেকেই উৎপাদন কমিয়ে দৈনিক সাড়ে তিন হাজার টনে নামিয়ে আনা হয়। সর্বশেষ পর্যায়ে ব্যবহারযোগ্য মজুত দুই হাজার টনের নিচে নেমে যায়।
আমদানি বন্ধের প্রভাব
দেশে সর্বশেষ ক্রুড তেলের চালান আসে ১৮ ফেব্রুয়ারি। এরপর পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলের প্রধান নৌপথ হরমুজ প্রণালিতে অস্থিরতা সৃষ্টি হওয়ায় আমদানি ব্যাহত হয়। এর ফলে সৌদি আরবের রাস তানুরা ও আবুধাবি থেকে নির্ধারিত দুটি চালান বাতিল করতে হয়েছে। ফলে টানা ৫৪ দিন কোনো ক্রুড তেল দেশে আসেনি, যা ইআরএলের ইতিহাসে বিরল ঘটনা বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
বিকল্প পথে নতুন চালান
বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি) জানিয়েছে, সৌদি আরামকোর কাছ থেকে এক লাখ টন ক্রুড তেল আমদানির নিশ্চয়তা পাওয়া গেছে। এ জন্য ঋণপত্র খোলা হয়েছে। সংযুক্ত আরব আমিরাতের ফুজাইরাহ বন্দর থেকে ২১ এপ্রিল চালানটি জাহাজীকরণের কথা রয়েছে। এই চালান পারস্য উপসাগর এড়িয়ে সরাসরি আরব সাগর হয়ে মে মাসের প্রথম সপ্তাহে দেশে পৌঁছাতে পারে বলে আশা করা হচ্ছে।
সীমিত সক্ষমতা, নির্ভরতা বেশি
ইআরএলে মূলত সৌদি আরবের ‘অ্যারাবিয়ান লাইট’ এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের ‘মারবান’ ক্রুড পরিশোধন করা যায়। অন্য ধরনের ক্রুড প্রক্রিয়াজাত করার সক্ষমতা নেই। এ কারণে বিকল্প উৎস থেকে দ্রুত তেল সংগ্রহ করা কঠিন হয়ে পড়েছে। বর্তমানে সরকার মালয়েশিয়াভিত্তিক একটি প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে এক লাখ টন ক্রুড তেল কেনার প্রস্তাব অনুমোদন করেছে, তবে এর ব্যয় এখনও চূড়ান্ত হয়নি।
মজুতেই ভরসা
বিপিসির তথ্যমতে, দেশে বছরে ৬৫ থেকে ৬৮ লাখ টন জ্বালানি তেল আমদানি করা হয়। এর মধ্যে প্রায় ১৫ লাখ টন ক্রুড তেল, যা ইআরএলে পরিশোধন করা হয়। বাকি প্রায় ৪৫ লাখ টন পরিশোধিত তেল সরাসরি আমদানি করা হয় ভারত, চীনসহ বিভিন্ন দেশ থেকে।
মার্চ মাসে চট্টগ্রাম বন্দরে ১৭টি জাহাজে বিভিন্ন ধরনের জ্বালানি তেল আসে। এর মধ্যে মালয়েশিয়া ও সিঙ্গাপুর থেকে দুই লাখ ৩১ হাজার টনের বেশি ডিজেল আমদানি করা হয়। এপ্রিলেও কয়েকটি চালান এসে পৌঁছেছে।
তাৎক্ষণিক সংকট নেই
জ্বালানি খাতের কর্মকর্তারা বলছেন, ইআরএলের উৎপাদন বন্ধ হলেও আপাতত জ্বালানি সরবরাহে কোনো বড় ধরনের সংকট তৈরি হবে না। কারণ, যুদ্ধ শুরুর পর বেশি দামে হলেও সরকার আগাম পরিশোধিত জ্বালানি তেল আমদানি বাড়িয়ে মজুত নিশ্চিত করেছে।
তবে পরিস্থিতি দীর্ঘায়িত হলে সরবরাহ ব্যবস্থায় চাপ তৈরি হতে পারে বলে সতর্ক করেছেন সংশ্লিষ্টরা।

১৪ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:৪৬
বঙ্গোপসাগরের বাংলাদেশের জলসীমায় মাছের প্রজনন ও সামুদ্রিক মৎস্য সম্পদ সংরক্ষণের লক্ষ্যে মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) দিবাগত মধ্যরাত থেকে শুরু হচ্ছে ৫৮ দিনের নিষেধাজ্ঞা।
মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের এই নির্দেশনা অনুযায়ী, আগামী ১১ জুন মধ্যরাত পর্যন্ত সাগরে সব ধরনের মাছ ধরা নিষিদ্ধ থাকবে। নিষেধাজ্ঞা সফল করতে মৎস্য বিভাগ ইতোমধ্যে ব্যাপক সচেতনতামূলক প্রচারণা চালিয়েছে।
ভোলার বিভিন্ন মাছঘাটে সরেজমিনে দেখা গেছে, জেলেরা তাদের জাল ও ট্রলার নিয়ে তীরে ফিরে আসছেন। অনেকে ট্রলার মেরামতের কাজে ব্যস্ত সময় পার করছেন। তবে দীর্ঘ এই সময়ে আয়ের পথ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় চরম দুশ্চিন্তায় পড়েছেন ভোলার প্রায় ৬৫ হাজার জেলে।
জেলেদের অভিযোগ, নিষেধাজ্ঞার সময় তারা পুরোপুরি কর্মহীন হয়ে পড়েন। রিয়াজ ও রাকিব নামের জেলেরা জানান, আমরা সরকারি আইন মেনে সাগরে যাচ্ছি না, কিন্তু এই সময়টাতে পরিবারের ভরণপোষণ চালানোই আমাদের জন্য সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ।
নিষেধাজ্ঞার সময় সরকারি খাদ্য সহায়তা পাওয়ার দাবি জানিয়েছেন জেলেরা। মো. ফারুক ও হাসান মাঝি নামে কয়েকজন জেলে বলেন, নিষেধাজ্ঞার শুরুতেই আমাদের সরকারি খাদ্য সহায়তা (ভিজিএফ) প্রদান এবং এই সময়টাতে এনজিওর ঋণের কিস্তি স্থগিত রাখা জরুরি।
এদিকে, অনেক জেলে অভিযোগ করে জানিয়েছেন যে, বাংলাদেশের জেলেরা আইন মানলেও ভারতীয় জেলেরা প্রায়ই অবৈধভাবে জলসীমায় অনুপ্রবেশ করে মাছ ধরে।
হারুন ও তুহিন নামের জেলেরা বলেন, আমরা চাই কঠোর তদারকির মাধ্যমে ভারতীয় জেলেদের অনুপ্রবেশ ঠেকাতে সরকার যেন দ্রুত ব্যবস্থা নেয়। এতে নিষেধাজ্ঞার পর আমরা সাগরে ভালো মাছ পাব।
ভোলা জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোহাম্মদ ইকবাল হোসেন জানান, নিষেধাজ্ঞা বাস্তবায়নে সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে। নিষেধাজ্ঞা চলাকালীন প্রতিটি নিবন্ধিত জেলেকে পর্যায়ক্রমে ৭৭ কেজি করে ভিজিএফ চাল সহায়তা প্রদান করা হবে। এছাড়া অবৈধ অনুপ্রবেশ রোধে কোস্টগার্ড ও নৌ-পুলিশের টহল জোরদার করা হয়েছে।
জেলা মৎস্য অফিসের তথ্যমতে, ভোলার সাত উপজেলায় নিবন্ধিত জেলের সংখ্যা ৬৩ হাজার ৯৫৪ জন। সাগরের মৎস্য সম্পদ রক্ষায় সরকারের এই অভিযান সফল করতে স্থানীয় প্রশাসন ও টাস্কফোর্স কমিটির মনিটরিং অব্যাহত থাকবে বলে জানা গেছে।
বঙ্গোপসাগরের বাংলাদেশের জলসীমায় মাছের প্রজনন ও সামুদ্রিক মৎস্য সম্পদ সংরক্ষণের লক্ষ্যে মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) দিবাগত মধ্যরাত থেকে শুরু হচ্ছে ৫৮ দিনের নিষেধাজ্ঞা।
মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের এই নির্দেশনা অনুযায়ী, আগামী ১১ জুন মধ্যরাত পর্যন্ত সাগরে সব ধরনের মাছ ধরা নিষিদ্ধ থাকবে। নিষেধাজ্ঞা সফল করতে মৎস্য বিভাগ ইতোমধ্যে ব্যাপক সচেতনতামূলক প্রচারণা চালিয়েছে।
ভোলার বিভিন্ন মাছঘাটে সরেজমিনে দেখা গেছে, জেলেরা তাদের জাল ও ট্রলার নিয়ে তীরে ফিরে আসছেন। অনেকে ট্রলার মেরামতের কাজে ব্যস্ত সময় পার করছেন। তবে দীর্ঘ এই সময়ে আয়ের পথ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় চরম দুশ্চিন্তায় পড়েছেন ভোলার প্রায় ৬৫ হাজার জেলে।
জেলেদের অভিযোগ, নিষেধাজ্ঞার সময় তারা পুরোপুরি কর্মহীন হয়ে পড়েন। রিয়াজ ও রাকিব নামের জেলেরা জানান, আমরা সরকারি আইন মেনে সাগরে যাচ্ছি না, কিন্তু এই সময়টাতে পরিবারের ভরণপোষণ চালানোই আমাদের জন্য সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ।
নিষেধাজ্ঞার সময় সরকারি খাদ্য সহায়তা পাওয়ার দাবি জানিয়েছেন জেলেরা। মো. ফারুক ও হাসান মাঝি নামে কয়েকজন জেলে বলেন, নিষেধাজ্ঞার শুরুতেই আমাদের সরকারি খাদ্য সহায়তা (ভিজিএফ) প্রদান এবং এই সময়টাতে এনজিওর ঋণের কিস্তি স্থগিত রাখা জরুরি।
এদিকে, অনেক জেলে অভিযোগ করে জানিয়েছেন যে, বাংলাদেশের জেলেরা আইন মানলেও ভারতীয় জেলেরা প্রায়ই অবৈধভাবে জলসীমায় অনুপ্রবেশ করে মাছ ধরে।
হারুন ও তুহিন নামের জেলেরা বলেন, আমরা চাই কঠোর তদারকির মাধ্যমে ভারতীয় জেলেদের অনুপ্রবেশ ঠেকাতে সরকার যেন দ্রুত ব্যবস্থা নেয়। এতে নিষেধাজ্ঞার পর আমরা সাগরে ভালো মাছ পাব।
ভোলা জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোহাম্মদ ইকবাল হোসেন জানান, নিষেধাজ্ঞা বাস্তবায়নে সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে। নিষেধাজ্ঞা চলাকালীন প্রতিটি নিবন্ধিত জেলেকে পর্যায়ক্রমে ৭৭ কেজি করে ভিজিএফ চাল সহায়তা প্রদান করা হবে। এছাড়া অবৈধ অনুপ্রবেশ রোধে কোস্টগার্ড ও নৌ-পুলিশের টহল জোরদার করা হয়েছে।
জেলা মৎস্য অফিসের তথ্যমতে, ভোলার সাত উপজেলায় নিবন্ধিত জেলের সংখ্যা ৬৩ হাজার ৯৫৪ জন। সাগরের মৎস্য সম্পদ রক্ষায় সরকারের এই অভিযান সফল করতে স্থানীয় প্রশাসন ও টাস্কফোর্স কমিটির মনিটরিং অব্যাহত থাকবে বলে জানা গেছে।

১৩ এপ্রিল, ২০২৬ ১৩:৩২
আইনজীবীদের একমাত্র নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের আসন্ন নির্বাচনে কারাগার থেকেই প্রতিদ্বন্দ্বিতায় অংশ নিতে চান সাবেক সংসদ সদস্য ও সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ব্যারিস্টার সৈয়দ সায়েদুল হক সুমন।
রোববার (১২ এপ্রিল) নির্বাচনে প্রার্থী হতে মনোনয়ন ফরমে তার স্বাক্ষরের অনুমতি চেয়ে ঢাকার জেলা প্রশাসক (ডিসি) বরাবর আবেদন করা হয়েছে। ব্যারিস্টার সুমনের পক্ষে তার আইনজীবী অ্যাডভোকেট লিটন আহমেদ এই আবেদনটি জমা দেন।
জানা গেছে, আগামী ১৯ মে বাংলাদেশ বার কাউন্সিল নির্বাচনের ভোটগ্রহণের দিন নির্ধারিত হয়েছে। এই নির্বাচনে অংশগ্রহণের জন্য মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ সময় আগামী ১৬ এপ্রিল। যেহেতু ব্যারিস্টার সুমন বর্তমানে কারাবন্দি, তাই নির্বাচনি ফরমে তার স্বাক্ষর নেওয়ার জন্য জেল কোড অনুযায়ী জেলা প্রশাসকের অনুমতি ও প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ প্রয়োজন।
এ বিষয়ে আইনজীবী লিটন আহমেদ জাগো নিউজকে বলেন, ব্যারিস্টার সুমন বার কাউন্সিল নির্বাচনে অংশ নিতে আগ্রহী। প্রার্থী হওয়ার জন্য নির্বাচনি ফরমে তার স্বাক্ষর প্রয়োজন। এ কারণেই আজ ঢাকার জেলা প্রশাসক বরাবর আবেদন জানানো হয়েছে যেন দ্রুততম সময়ের মধ্যে তার স্বাক্ষর সংগ্রহের ব্যবস্থা করা যায়।
এর আগে, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের পর সরকার পরিবর্তনের প্রেক্ষাপটে ২২ অক্টোবর রাজধানীর মিরপুর এলাকা থেকে গ্রেফতার হন ব্যারিস্টার সুমন। হবিগঞ্জ-৪ আসনের সাবেক এই সংসদ সদস্যের বিরুদ্ধে বর্তমানে আটটি মামলা রয়েছে বলেও জানা গেছে। কারাগারে থেকেও আইন পেশাজীবীদের সবচেয়ে বড় ও শীর্ষ সংগঠনের নির্বাচনে লড়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন তিনি।
আইনজীবীদের একমাত্র নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের আসন্ন নির্বাচনে কারাগার থেকেই প্রতিদ্বন্দ্বিতায় অংশ নিতে চান সাবেক সংসদ সদস্য ও সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ব্যারিস্টার সৈয়দ সায়েদুল হক সুমন।
রোববার (১২ এপ্রিল) নির্বাচনে প্রার্থী হতে মনোনয়ন ফরমে তার স্বাক্ষরের অনুমতি চেয়ে ঢাকার জেলা প্রশাসক (ডিসি) বরাবর আবেদন করা হয়েছে। ব্যারিস্টার সুমনের পক্ষে তার আইনজীবী অ্যাডভোকেট লিটন আহমেদ এই আবেদনটি জমা দেন।
জানা গেছে, আগামী ১৯ মে বাংলাদেশ বার কাউন্সিল নির্বাচনের ভোটগ্রহণের দিন নির্ধারিত হয়েছে। এই নির্বাচনে অংশগ্রহণের জন্য মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ সময় আগামী ১৬ এপ্রিল। যেহেতু ব্যারিস্টার সুমন বর্তমানে কারাবন্দি, তাই নির্বাচনি ফরমে তার স্বাক্ষর নেওয়ার জন্য জেল কোড অনুযায়ী জেলা প্রশাসকের অনুমতি ও প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ প্রয়োজন।
এ বিষয়ে আইনজীবী লিটন আহমেদ জাগো নিউজকে বলেন, ব্যারিস্টার সুমন বার কাউন্সিল নির্বাচনে অংশ নিতে আগ্রহী। প্রার্থী হওয়ার জন্য নির্বাচনি ফরমে তার স্বাক্ষর প্রয়োজন। এ কারণেই আজ ঢাকার জেলা প্রশাসক বরাবর আবেদন জানানো হয়েছে যেন দ্রুততম সময়ের মধ্যে তার স্বাক্ষর সংগ্রহের ব্যবস্থা করা যায়।
এর আগে, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের পর সরকার পরিবর্তনের প্রেক্ষাপটে ২২ অক্টোবর রাজধানীর মিরপুর এলাকা থেকে গ্রেফতার হন ব্যারিস্টার সুমন। হবিগঞ্জ-৪ আসনের সাবেক এই সংসদ সদস্যের বিরুদ্ধে বর্তমানে আটটি মামলা রয়েছে বলেও জানা গেছে। কারাগারে থেকেও আইন পেশাজীবীদের সবচেয়ে বড় ও শীর্ষ সংগঠনের নির্বাচনে লড়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন তিনি।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.